en
Feedback
It's time to wake up

It's time to wake up

Open in Telegram

জাগ‌তে হ‌লে জান‌তে হ‌বে। ইনশাআল্লাহ আমরা জানবো। (হে মুসলিমগণ,) তোমরা হীনবল হয়ো না এবং চিন্তিত হয়ো না । তোমরা প্রকৃত মুমিন হলে তোমরাই বিজয়ী হবে । [সুরা আল ইমরান: ১৩৯]

Show more
2 467
Subscribers
No data24 hours
-97 days
-4930 days
Posts Archive
Repost from Sorwar Alam
২০২৫ সালে ইরান অন্তত ১,৯২২ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ২০১৫ সালের পর এটি গত এক দশকের
২০২৫ সালে ইরান অন্তত ১,৯২২ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ২০১৫ সালের পর এটি গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ বার্ষিক মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা। সোর্স: রয়টার্স [mh]

📍📍''WANTED'' for war crimes °°°•• Genocide লন্ডনের বিভিন্ন বাস, সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছবি সংবলিত ‘ওয়ান্টেড’ পোস্টার সাঁটিয়ে দিয়েছেন মানবাধিকার কর্মীরা। এই প্রচারণাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) কর্তৃক ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রতি ইঙ্গিত করে, যেখানে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য নেতানিয়াহুকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

🔺🔺🔺ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা শুভেন্দু অধিকারী ব‌লে‌ছেন, ইসরায়েল গাজায় যেভা‌বে গণহত্যা চা‌লি‌য়ে ছবক দি‌য়ে‌ছে ঠিক ভার‌তকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তেম‌নি পদক্ষেপ নেয়া হ‌বে ব‌লে তুলনা করার পর সমালোচনার মুখে পড়েছেন। এই মন্তব্য ভারতের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

Repost from Sorwar Alam
সোমালিল্যান্ড: আদ্যপান্ত ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে সোমালিল্যান্ড প্রজাতন্ত্রকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এ ঘোষণা দেন। এর মাধ্যমে ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে একতরফা বিচ্ছেদের পর প্রথম কোনো দেশ সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দিল। নেতানিয়াহু, ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সা’আর এবং সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আবদুল্লাহি র মধ্যে এক ভিডিও বৈঠকে যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের পর মিসর, সৌদী আরব, আফ্রিকা ইউনিয়ন, সোমালিয়া ও তুরস্ক আপত্তি জানিয়েছে। বিষয়টি লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিকে ঘিরে আঞ্চলিক প্রতিযোগিতাকে আরও স্পষ্ট করেছে। ইসরায়েল সরকার জানান, এই পদক্ষেপ আব্রাহাম চুক্তির চেতনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। একইসাথে কৃষি, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্টকে ইসরায়েল সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সোমালিল্যান্ড প্রায় ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে কার্যত একটি রাষ্ট্র হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। তাদের নিজস্ব মুদ্রা, নিরাপত্তা বাহিনী ও নির্বাচন ব্যবস্থা রয়েছে। রাজধানী হারগেইসা থেকে প্রশাসন পরিচালিত হলেও এতদিন কোনো জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্র তাদের স্বীকৃতি দেয়নি। সোমালিল্যান্ডের গুরুত্ব মূলত ভৌগোলিক কারণে। অঞ্চলটি এডেন উপসাগরের তীরে, বাব আল-মান্দেব প্রণালির মুখে অবস্থিত। এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ১০ শতাংশ সামুদ্রিক বাণিজ্য চলাচল করে। এর মধ্যে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহনও রয়েছে। ফলে এটি সুয়েজ খাল ও হরমুজ প্রণালির মতোই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সোমালিল্যান্ডের বারবেরা বন্দরকে ভবিষ্যতে একটি বড় লজিস্টিক কেন্দ্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি জিবুতির ব্যস্ত বন্দরের বিকল্প হতে পারে এবং স্থলবেষ্টিত ইথিওপিয়ার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লোহিত সাগরে হুথি হামলার কারণে জাহাজ চলাচলে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, সেই প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে দু’পক্ষের স্বার্থ অভিন্ন। তবে আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়া ছিল তীব্র। মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সোমালিয়া, তুরস্ক ও জিবুতির সাথে যোগাযোগ করে ইসরায়েলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেন এবং সোমালিয়ার ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। মিসর বলেছে, বিচ্ছিন্ন অঞ্চলকে স্বীকৃতি দেওয়া একটি বিপজ্জনক নজির তৈরি করতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে গাজা যুদ্ধ এবং ফিলিস্তিনিদের সম্ভাব্য পুনর্বাসন নিয়ে আগের বিতর্কও আবার আলোচনায় এসেছে। উল্লেখ্য, ১৯৬০ সালে ইসরায়েল মাত্র পাঁচ দিনের জন্য সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। পরে অঞ্চলটি স্বেচ্ছায় সোমালিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়। এবারই প্রথম ইসরায়েল এককভাবে এই স্বীকৃতি দিল, তবে এখনো অন্য কোনো দেশ এতে যোগ দেয়নি। সোর্স: রয়টার্স, Bloomberg [mh]

❌📌📌এই বোমাবর্ষণের ভয়াবহতা ছিল বর্ণনার অযোগ্য। ঠিক কতজন মানুষ এই বোমা হামলায় মারা গিয়েছিলেন, তার সঠিক সংখ্যা এখনও পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, এই বোমা হামলায় মৃত ইরাকি সৈন্যের সংখ্যা ছিল ছয় হাজার থেকে দশ হাজারের মতো। আর ধ্বংস হয়ে যাওয়া গাড়ির সংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে তিন হাজার। কিছু সৈন্য পালাতে সমর্থ হলেও বেশিরভাগই বোমা হামলার ফলে মৃত্যুবরণ করেন। সকালে সাংবাদিকরা যখন সেই রাস্তায় যান, তখন হতাহতের সংখ্যা দেখে বিস্মিত হয়ে পড়েন। হাজার হাজার পুড়ে যাওয়া যানবাহন পড়ে ছিল মরুভূমির বুক চিরে যাওয়া সেই রাস্তায়। পড়ে থাকা লাশগুলোর অবস্থা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে সাংবাদিকদের তোলা বেশিরভাগ ছবিই পরবর্তীতে গণমাধ্যমে ছাপানোর উপযুক্ত ছিল না। এতগুলো মানুষ ও যানবাহন হারানোর ফলে ইরাকের যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতিতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

📌📌যুদ্ধের শেষ দিকে যখন ইরাকের পরাজয় একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে, তখন দেশটির দখলদার সেনাবাহিনী পশ্চাদপসরণ শুরু করে। ছয় মাস আগে তারা যে ‘হাইওয়ে এইট্টি’ দিয়ে কুয়েতের রাজধানী দখলের উদ্দেশ্য যাত্রা শুরু করেছিল, সেই পথেই তারা স্বদেশে ফিরে আসতে শুরু করে। ফিরে আসার পথে তারা পোড়ামাটি নীতি অবলম্বন করছিল, অর্থাৎ সর্বোচ্চ যতটুকু ক্ষতিসাধন করা যায়, ততটুকু করে তারা ইরাকে ফিরে আসতে শুরু করছিল। আর এখানেই ওঁৎ পেতে ছিল মার্কিন নেতৃত্বাধীন সেনাবাহিনী। যেহেতু ইরাকি সেনাবাহিনীর ফেরার পথ (হাইওয়ে এইট্টি) মোটাদাগে ছিল একটাই, তাই তারা এখানেই ইরাকি সেনাবাহিনীর উপর বড়সড় আক্রমণের অপেক্ষায় ছিল। ইরাকি সেনাবাহিনীর সমস্ত যানবাহন যখন রাস্তায় চলাচল করতে শুরু করে, তখন প্রথমে গাড়িবহরের শুরুর ও শেষের ভারি যানবাহনগুলোর উপর বোমাবর্ষণ করে ধ্বংস করা হয়। এতে প্রায় ষাট কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট শুরু হয়। এরপরের দশ ঘন্টা ধরে চলে অবিরাম বোমাবর্ষণ। উপর থেকে টানা ক্লাস্টার বোমা নিক্ষেপের ফলে একেবারে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয় রাস্তাটি। ‘হাইওয়ে এইট্টি’ পরিণত হয় ‘হাইওয়ে অব ডেথ’-এ।

📌📌ইতিহাস লিখিত হয় বিজয়ীদের হাতে– এটা ইতিহাসের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য। বিজয়ীদের হাতে ইতিহাস লিখিত হওয়ার সময় অনেক কিছুই ই
+3
📌📌ইতিহাস লিখিত হয় বিজয়ীদের হাতে– এটা ইতিহাসের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য। বিজয়ীদের হাতে ইতিহাস লিখিত হওয়ার সময় অনেক কিছুই ইতিহাসে খেরোখাতা থেকে বাদ দিয়ে দেয়া হয়। বিজয়ীরা সাধারণত যেসব অনৈতিক কিংবা নেতিবাচক কাজকর্মের সাথে যুক্ত থাকে, সেগুলো সুপরিকল্পিতভাবে ছেঁটে ফেলা হয়। ইতিহাসের পরতে পরতে এই বৈশিষ্ট্যের সত্যতা নিরূপিত হয়েছে। ইরাকের  কুয়েত আক্রমণের পর যখন একপর্যায়ে যখন তাদের পরাজয় একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে, সৈন্যরা পালিয়ে স্বদেশে ফিরতে যাচ্ছিল, তখন মার্কিন নেতৃত্বাধীন যৌথবাহিনী তাদের উপর প্রায় দশ ঘন্টা ধরে তীব্র বোমাবর্ষণ করে। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, মার্কিন নেতৃত্বাধীন যৌথবাহিনীর এই ‘যুদ্ধাপরাধ’ এর বিরুদ্ধে কখনোই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তেমন উচ্চবাচ্য শোনা যায়নি। কিংবা যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িতদের যেভাবে অনেকক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের মুখোমুখি হতে বাধ্য করা হয়– এক্ষেত্রে এরকমও কিছু দেখা যায় নি কখনও।

❌❌📌 Highway of Death কী? Highway of Death (অর্থাৎ “মৃত্যুর মহাসড়ক”) হলো মধ্যপ্রাচ্যের একটি রাস্তাকে দেওয়া নাম, যা ইরাক ও কুয়
❌❌📌 Highway of Death কী? Highway of Death (অর্থাৎ “মৃত্যুর মহাসড়ক”) হলো মধ্যপ্রাচ্যের একটি রাস্তাকে দেওয়া নাম, যা ইরাক ও কুয়েতের মধ্যে থাকা Highway 80। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ৬-লেন লম্বা মহাসড়ক, যা কুয়েত সিটি থেকে ইরাকের বাসরা পর্যন্ত যায়। 🪖 ঘটনাটির পটভূমি আধুনিক ইতিহাসের আলোচিত রাষ্ট্রনায়কদের মধ্যে সাদ্দাম হুসেইন অন্যতম। কখনও ইরান বা কখনও কুয়েত আক্রমণের মধ্য দিয়ে ইরাকের এই সাবেক প্রেসিডেন্ট একটা বড় সময় ধরে গণমাধ্যমের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। কুয়েত আক্রমণের পেছনে প্রকৃত কারণ কী ছিল– তা নিয়ে রয়েছে বিতর্ক। কেউ বলেন, ইরাক-ইরান যুদ্ধের সময় কুয়েতের কাছ থেকে বিশাল অংকের ঋণ গ্রহণের পর ইরাক সেই ঋণ শোধ করার মতো অবস্থায় ছিল না। বার বার অনুরোধের পরেও যখন কুয়েতের শাসকরা ঋণ মওকুফ করতে অস্বীকৃতি জানায়, তখন সাদ্দাম হোসেন ক্ষুদ্ধ হন। আবার অনেকের মতে, কুয়েতের অতিরিক্ত তেল উৎপাদন আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্যের ভারসাম্য নষ্ট করছিল। ইরাক ও কুয়েত– দুটি দেশেরই অর্থনীতি বহুলাংশে নির্ভর করতো ভূগর্ভস্থ খনিজ তেল রপ্তানির উপর। তাই কুয়েতকে একটি ‘শিক্ষা’ দিতেই আক্রমণ চালান সাদ্দাম হুসেইন– অনেকে এই মত পোষণ করেন।

🇵🇸🇵🇸গাজায় ১৭০ জন নতুন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যুক্ত হয়েছেন: তারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষায়িত সনদ অর্জন করেন এবং গাজা শহর
+3
🇵🇸🇵🇸গাজায় ১৭০ জন নতুন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যুক্ত হয়েছেন: তারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষায়িত সনদ অর্জন করেন এবং গাজা শহরের ক্ষতিগ্রস্ত আল-শিফা হাসপাতালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সনদ গ্রহণ করেন। হাসপাতালটি ইসরায়েলি হামলায় ব্যাপকভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত হলেও, ফিলিস্তিনিরা হাসপাতালের প্রাঙ্গণে সমবেত হয়ে নবীন চিকিৎসকদের এই অর্জন উদযাপন করেন — যা ধ্বংসের মধ্যেও আশা ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”

📍📍“গাজার ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যে একটি অসাধারণ সৃজনশীল আন্দোলন উত্থিত হয়েছে; সেখানে কবি, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও লেখকরা তাদের বেদনাকে
📍📍“গাজার ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যে একটি অসাধারণ সৃজনশীল আন্দোলন উত্থিত হয়েছে; সেখানে কবি, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও লেখকরা তাদের বেদনাকে শিল্পে রূপান্তরিত করেছেন — এমন রচনা ও কাজ যা গণহত্যার ভয়াবহ বাস্তবতার সাক্ষ্য বহন করে।” তেম‌নি এক‌টি শিল্পকর্ম দেখ‌তে পার‌ছেন। trt.world

📍📍“২৫ ডিসেম্বর গাজা শহরের আল-শাতি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধ ও তার ফলে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেও কুরআন মুখস্থ করা ৫০০ জন ফিলিস্তিনিকে সম্মান জানাতে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।”🇵🇸🇵🇸❤️💚

❌❌ইসরায়েলের দখলকৃত পশ্চিমতীরে এক ব্যক্তি রাস্তার ধারে নামাজ পড়ছিলেন। এ সময় এক ইহুদি দখলদার ইচ্ছাকৃতভাবে তার উপরে গাড়ি উঠিয়ে দেয়।

Repost from Sorwar Alam
গাজায় তুরস্কের উপস্থিতি নিয়ে কঠোর অবস্থান নরম করার ইঙ্গিত ইসরায়েলের গাজায় প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে পর্যাপ্
গাজায় তুরস্কের উপস্থিতি নিয়ে কঠোর অবস্থান নরম করার ইঙ্গিত ইসরায়েলের গাজায় প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে পর্যাপ্ত দেশ অংশ নিতে আগ্রহ না দেখানোয় ইসরায়েল তাদের দীর্ঘদিনের অবস্থান নতুন করে ভাবতে বাধ্য হতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির সিনিয়র কর্মকর্তারা। আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, বর্তমানে গাজায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিতে স্পষ্টভাবে আগ্রহী একমাত্র দেশ হলো তুরস্ক। এতে করে ইসরায়েলের সামনে একটি কৌশলগত সংকট তৈরি হয়েছে। কারণ, গাজায় তুরস্কের সামরিক বা নিরাপত্তা উপস্থিতিকে ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরেই ‘রেড লাইন’ বা অগ্রহণযোগ্য সীমা হিসেবে দেখে এসেছে। তবে আন্তর্জাতিক বাহিনীতে অংশগ্রহণকারী দেশের ঘাটতির কারণে তেল আবিবকে এখন সেই কঠোর অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে হতে পারে। পরিস্থিতি কীভাবে এগোয়, তা নির্ভর করবে আন্তর্জাতিক আলোচনার অগ্রগতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার চূড়ান্ত কাঠামোর ওপর। সোর্স: Kan News [mh]

২৪ জন 'র' এর লোক ছিল পিলখানার ভেতরে সেটাতো আমরা তদন্তে উল্লেখ করেছি, আমরা ১১ মাস ইনকোয়ারি করে বলছি, আপনি দোষী এটার জন্য কিন্ত
২৪ জন 'র' এর লোক ছিল পিলখানার ভেতরে সেটাতো আমরা তদন্তে উল্লেখ করেছি, আমরা ১১ মাস ইনকোয়ারি করে বলছি, আপনি দোষী এটার জন্য কিন্তু বিচার তো হচ্ছে না। ৪৯ জনকে এটার জন্য দায়ী করেছে স্বাধীন তদন্ত কমিশন পলাশীর পুনরাবৃত্তি দেখলাম আমরা পিলখানায়। দোষীদের যদি বিচার করা না যায় দেশটা আবার পিলখানা হবে। শুধু পিলখানা টা পিলখানা থাকবে না সারাদেশটা পিলখানা হবে আমাদের আর্মি,নেভি,এয়ারফোর্স চারদিকে দাড়িয়ে থাকবে পুতুলের মতো। আর শত্রু এসে আমাদের স্বাধীনতা হরণ করে নিয়ে যাবে। এটার শাস্তি যদি আমরা নিশ্চিত করতে না পারি তাহলে আমাদের স্বাধীনতা থাকবেনা ভবিষ্যতে। সাবেক বিডিআর মহাপরিচালক, ★ মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান ★

📌📌গত ক‌য়েক ঘন্টায় তা‌রেক জিয়ার বিড়াল জেবু কে নি‌য়ে প্রথম কাআ‌লো কতবার নিউজ ক‌রে‌ছে বল‌তে পার‌বেন? এ‌দের কা‌ছে আপনারা কি আশ
+2
📌📌গত ক‌য়েক ঘন্টায় তা‌রেক জিয়ার বিড়াল জেবু কে নি‌য়ে প্রথম কাআ‌লো কতবার নিউজ ক‌রে‌ছে বল‌তে পার‌বেন? এ‌দের কা‌ছে আপনারা কি আশা ক‌রেন? যখন তা‌রেক রহমান মহাসমা‌বেশ স্থ‌লে যা‌চ্ছেন স্বরণকা‌লের সব‌চে‌য়ে বড় গনজমা‌য়ে‌তে তখন তা‌রেক রহমা‌নের অ‌তীত ঘটনা বা ই‌তিহাস নি‌য়ে কয়‌টি নিউজ ক‌রে‌ছে? শিক্ষা নিন!

💥💥তরুণরা হাদি হতে চায় — কিন্তু তারা নজরুল পড়তে চায় না, নিজেকে জানতে চায় না। তারা ইতিহাস পড়তে চায় না, উম্মাহর ইতিহাস জানতে চায় না। তারা ভূ-রাজনীতি বুঝতে চায় না, অর্থনীতি জানে না, দর্শন পড়ে না। তারা ধর্ম জানতে চায় না, ধর্মের নির্দেশনা মানতে চায় না। তারা বাঙালি জাতি সম্পর্কে জানতে চায় না। তারা ভাবতে শেখে না — শুধু স্লোগান দিতে শেখে। তারা উমর, আলী, খালিদ বিন ওয়ালিদ, মুহাম্মদ বিন কাসিম, তারিক বিন জিয়াদ, সালাহউদ্দিন আইয়ুবী, কুতুজ, বাইবার্স, নুরউদ্দিন জেঙ্কি, মুহাম্মদ ফাতেহ, টিপু সুলতান হতে চায়; তারা তিতুমীর, হাজী শ‌রিয়াতল্লাহ, ফ‌কির মজনু শাহ, শেরে বাংলা, ভাসানী, জিয়া হতে চায় — কিন্তু তাদের ত্যাগ, সংগ্রাম, দর্শন ও প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে আগ্রহী নয়। 👉 অথচ সত্য হলো — আপনি যেখানেই আছেন, সেখান থেকেই হাদি হতে পারেন। হাদি হওয়া মানে শুধু রাস্তায় নামা নয়। হাদি হওয়া মানে — নিজের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ ইমপ্যাক্ট রাখা। আপনি সরকারি চাকরি করেন? দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করুন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে দাঁড়ান। আপনি সাংবাদিক হতে চান? দেশের সেরা সাংবাদিক হওয়ার চেষ্টা করুন। আপনি ইউটিউবার হতে চান? দায়িত্বশীল, মানসম্মত কনটেন্ট তৈরি করুন। আপনি শিক্ষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যবসায়ী — যাই হন না কেন, নিজের কাজে শ্রেষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করুন। 🌱 মনে রাখবেন — হাদি হতে চাইলে আগে নিজেকে গড়তে হবে। দেশ বদলাতে চাইলে আগে নিজের চিন্তা বদলাতে হবে। সমাজ বদলাতে চাইলে আগে নিজের স্কিল বদলাতে হবে। আজ নিজের কাছে একটি ওয়াদা করুন —
“আমি আমার কাজ, আমার জায়গা, আমার সামর্থ্য দিয়ে এই দেশ ও সমাজের জন্য একটি ইতিবাচক ইমপ্যাক্ট রাখব।”
এইভাবেই গড়ে ওঠে সত্যিকারের পরিবর্তন। 💚

✨ তরুণদের প্রতি একটি প্রয়োজনীয় ডাক ✨ হাদি ভাইয়ের একটি বক্তৃতা শুনছিলাম। সেখানে তিনি বলছিলেন — “এক তরুণ এসে বলেছিল, ভাই — জান
✨ তরুণদের প্রতি একটি প্রয়োজনীয় ডাক ✨ হাদি ভাইয়ের একটি বক্তৃতা শুনছিলাম। সেখানে তিনি বলছিলেন —
“এক তরুণ এসে বলেছিল, ভাই — জান দিয়ে দেব।”
হাদি ভাই লক্ষ্য করলেন, ছেলেটি ভালো ছবি তোলে, ফটোগ্রাফিতে আগ্রহ আছে। তিনি বললেন,
“তাহলে তোমাকে একটা ফটোগ্রাফি কোর্সে ভর্তি করাই দিই? কয়েক মাসেই ভালো স্কিল তৈরি হবে।”
ছেলেটি উত্তর দিল —
“এটা পারবো না ভাই।”
এই একটি কথাই আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি। 👉 তরুণরা মরতে প্রস্তুত, কিন্তু গড়ে উঠতে প্রস্তুত নয়। অথচ বাস্তবতা হলো — এই সময়ে আপনাকে এমন মানুষের সঙ্গে লড়তে হয়, যারা অসম্ভব রকম স্কিলফুল। সেই দশজন স্কিলওয়ালা মানুষের সামনে আমরা দশ লাখ মানুষ মিলেও দাঁড়াতে পারছি না। চলমান"""""""""

❌❌Nilufar Chowdhury Moni তার বক্তব্যের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ । ৫ ই আগস্ট পরবর্তী আপনি একাধিক সমালোচিত বক্তব্য দিয়েছেন । তারমধ্যে সব থেকে বেশি নোংরামিটা করেছেন গতকাল দুইটা টিভি টকশোতে । যেখানে আপনার দলীয় প্রধান শ্রদ্ধা রাখেন, দলের তৃতীয় প্রধান আরো অনেকই শহীদ হাদির লাশ গ্রহণ করে শফথ নেন, জানাজায় অংশগ্রণ করেন সেখানে দুই একজন বাটপারের ফেসবুক লেখার উদ্ধৃতি টেনে শহীদ হাদিকে বাজে কথা বলেন তখন আপনার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ লোপ পায় ।

বাহ, হাদীর খুনির বিচার চাওয়াতে বাধা দেয়া শুরু হয়ে গেছে। হাদী কোন দল করতো না। কিন্তু ভারতীয় আধিপত্যের বিরোধী ছিলো। আজ তার বিচার চাইতে বাধা দিচ্ছে কারা। কেন?