☘️গল্প কথা - Golpo Kotha🌼
Open in Telegram
তুমি মানুষকে যা দিয়েছো প্রতিদানে অনুরূপ আশা করো না, কারণ সবার কাছে তোমার মতো হৃদয় নাও থাকতে পারে! ☺️❤️ আপনার লেখা পাঠান: @GolpoKothaBot 📮 Community > @LINK_TREES ☘️ Admin > @FLYNN_LOYAL 🤍 Ads > t.me/LoyalAds 🫧
Show more9 150
Subscribers
+724 hours
-107 days
+6030 days
Posts Archive
শখের বয়সে টাকা থাকে না,
আর যখন টাকা আসে তখন শখগুলো আর আগের মতো থাকে না।
যে বয়সে দূরে কোথাও হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করত,
সে বয়সে দায়িত্বগুলো কাছে টেনে রাখে।
যে বয়সে রাত জেগে গল্প করার সময় ছিল,
সে বয়সে ঘুমটাই হয়ে যায় সবচেয়ে দামি।
একসময় বুঝি
জীবন আমাদের সবকিছু দেয়,
কিন্তু সবকিছু একই সময়ে দেয় না।
যখন সময় থাকে, সামর্থ্য থাকে না;
যখন সামর্থ্য আসে, সময় থাকে না।
আর এই দুইয়ের মাঝখানেই
নিঃশব্দে বড় হয়ে যায় মানুষ। 🍂
সবাই ভাবে আমি ঠিক আছি, কিন্তু আমি ভেঙে আছি ভেতরটা কেউ জানে না তোমার মিথ্যা ভালোবাসা আজও আমাকে কাঁদায়
আমি ভুলতে পারিনি আমি বদলাইনি, তুমি আমাকে বদলে দিতে বাধ্য করেছো এটাই সত্যি তোমাকে ভুলতে চাই, কিন্তু মন মানে না তুমি এখনও আছো আমার কষ্টগুলো শুধু আমি বুঝি, আর কেউ না আমি একাই লড়ি
তুমি ছিলে স্বপ্ন, আর আমি ছিলাম বাস্তবতা
তাই আলাদা হয়ে গেলাম
ভালোবাসার নামেই আমি সবচেয়ে বেশি
কষ্ট পেয়েছি আজও ভুগছি....!!! 💔
"Toxic কিছু সম্পর্ক থেকে যতটুক সম্ভব দূরে সরে যাওয়া ভালো, এতো আপন করে কাছে টেনে তার কথার অবাধ্য হয়ে কি করবেন.?ভাবছেন ভালোবাসে তাই এমন করে মোটেও না, আপনার জীবনের স্বাধীনতা, সাহস ইচ্ছে সব কেড়ে নিবে, পরে আপনার জন্য নানান নিয়ম বেঁধে দিবে.!এসব সম্পর্কে এভয়েড করাই হাজার গুনে ভালো!
সম্পর্কের মূলতন্ত্র হলো বিশ্বাস! বিশ্বাসই বস্তু 💜
সবাই রিয়েক্ট দিবেন।এটা আমার অনেক পছন্দের ফার্স্ট লিখা ছিলো।হারিয়ে গেছিলো আজকে খুজে পেয়েছি🥹🥹
ঝুম বৃষ্টির শব্দ আর জানালার কাঁচে জমা বৃষ্টি কনা গড়িয়ে পড়ার সময় যেন বলে
"কিসে অভিযোগ তোমার",,,,,,!
আজকাল ফুলের টবে শ্যাওলারা উচ্ছ্বাস করে কারণ আমি আর আগের মতো যত্ন নিই না,
সদ্য ফোটা গোলাপটা যেন ঝরে যাওয়ার আগে চিৎকার করে বলছে
"কিসে অভিযোগ তোমার ",,,,,!
এলোমেলো বাতাস খোলা চুলকে এলো করে দিয়ে উদাস হয়ে বলছে
"কিসে অভিযোগ তোমার",,,,,!
আজকাল গোধূলির সূর্যটা কোনরকম সাজ ছাড়ায় ডুবে যায়।পাহাড় সমান অভিযোগ নিয়ে সে যেন আমার অভিযোগ ছাড়িয়ে গেছে।
এক রিমঝিম বৃষ্টির গভীর রাতে আমিও চিৎকার করে বলেছিলাম "কিসে অভিযোগ তোমার "...!
সে চিৎকার এতটাই ক্ষিণ ছিল যে বৃষ্টির আওয়াজ ছাপিয়ে তোমার কানে পৌছায়নি।
"নাকি তুমি শুনেও অভিযোগের পাহাড় সাজিয়েছো"!
পুরনো চিঠির ভাজে যদি দুঃখ লুকানো থাকে সে চিঠি ধুলোয় মলিন হবে তাও ছিড়ে দিব না।কারণ,
"আমি স্মৃতি ভালোবাসি"_
আর, অভিযোগ সে তো আলমারিতে তুলে রাখা নতুন কাপড়ের মতো। সে যে যত্নে রাখা, স্বপ্নে আকাঁ।
ফুল, বৃষ্টি, গোধুলি শুনো তবে,,,
আজ অভিযোগ তোমার না শুধু তার প্রতি যে মৃদুছন্দ বৃষ্টিতে আকস্মিক বর্জ্রপাত এর মতো স্মৃতির পাতাটা ছিড়ে দিলো।
কারণ, "আমি স্মৃতি ভালোবাসি"।
Tanvin Sultana Jannat
মাঝে মাঝে
তুমি ঝড়ের মতো আসো, আর এলোমেলো করে দাও আমার সমস্ত নীরবতা-তারপর আবার কুয়াশার মতো মিলিয়ে যাও অচেনা দূরত্বের আড়ালে।
কেন এমন করো? কী চাও তুমি? একবার অন্তত স্পষ্ট করে বলো।
বিষন্নতার ভারে হয়তো আজ ক্লান্ত আমি,
তাই বলে কি অনুভূতিরাও নিভে গেছে?
আমার মন তো এখনো একটি স্নিগ্ধ স্পর্শে কেঁপে ওঠে, এখনো অপেক্ষার প্রহর গোনে, অব্যক্ত কথার মানে খুঁজে ফেরে।
যদি তুমি আসতেই চাও, তবে ঝড় হয়ে আর এসো না-এসো এক মুঠো শান্ত বাতাস হয়ে, এসো ভোরের শিশিরের মতো নিঃশব্দে।
আমি আর এলোমেলো হতে চাই না, শুধু একটু উষ্ণতা চাই, একটু নির্ভরতার স্পর্শ, -হৃদয়ের জানালাটা আজও খোলা আছে -
শুধু তোমার ই জন্য।
ভালো বাসলেও তো পারতে,
এতো করে বললাম আমি তেমাকে ভালো বাসি
আমার শুধু তোমাকে চাই
আমি তো আর তোমার কাছে এমন কিছু
চাইনি,
যেটা তোমার অসাধ্য ছিলো
আমি শুধু চেয়ে ছিলাম তোমার একটু খানি ভালোবাসা একটু খানি হাসি একটু খানি যত্নো! 🥀
Repost from Max Rab
আমি চাই না পৃথিবীর কোনো মানুষ আমার ওপর কোনো এক্সপেক্টশন রাখুক। বাড়ির লোক ছাড়া কেউ আমার ওপর এক্সপেকটেশন রাখলে আমি খুব অবাক হই। আমি চাই বাড়ির লোকজনও আমার ওপর কোনো এক্সপেক্টেশন বা রাখুক। কিন্তু সেটা হয় না। তাদের মুখের ওপর তো গিয়ে বলতে পারি না এভাবে এসব কথা। ওদিকে বাইরের লোকজনের এক্সপেক্টেশন আমার দ্বারা ফুলফিল না হলে তারা আমার ওপর রাগ করে। বিভিন্নভাবে রিয়েক্ট করে। তখন আমার কী করা উচিত তা ভেবে পাই না। একজন মানুষ আমার ওপর অধিকারবোধ কেন দেখাচ্ছে সেটা বুঝে উঠতে পারি না আমি।
আমি নিজেও কারও ওপর কোনো এক্সপেক্টেশন রাখি না। রাখতে চাই না। তবে, হ্যাঁ। যেসব কাজ খুবই মামুলি এবং যেসব কাজ ঐ ব্যক্তির ওপর নির্ধারিত তার ওপর এক্সপেক্টেশন রাখতে কোনো দোষ দেখি না আমি। তাকে তো আমি বাধ্য করছি না কিছু করতে। যেমন - স্যালুন এর নাপিতের কাছে, বাসের ড্রাইভার+কন্ডাক্টরের কাছে, ইউনিভার্সিটির টিচারের কাছে। তারা ঐ কাজই করে আসছে। আমি তাদের কাছে কিছু চাপিয়ে দিচ্ছি না।
আমি নিজে থেকে মনে মনে ভেবে রাখি না, কেউ আমার জন্য কোনো পার্টিকুলার কাজ করবে। কিন্তু আমার পরিচিত কিছু লোককে দেখি আমি কোনো পার্টিকুলার কাজ না করলে তারা আমার ওপর মন খারাপ করে থাকে। রেগে যায়। যেন ঐ কাজ আমার করারই ছিল। অথচ ঐ কাজ করতে আমি ইচ্ছুক কিনা, তা জিজ্ঞেস করে না বা সাহায্যও চায় না। মানুষের এই সাইকোলজিটা বুঝি না আমি।
তবে, আমার কি সাহায্যের দরকার হয় না? হয়। তখন আমি সাহায্যের অনুরোধ জানাই। সাহায্য করলে ভালো লাগে। না করলে খারাপ লাগে। কিন্তু যে সাহায্য করলো না তাকে নিয়ে আর ভাবি না।
মানে সাহায্যও নিতান্ত বাধ্য হয়েই চাইতে হয় যেটা আমার পছন্দ নয়।
আমি মা বাপের ওপরও কোনো বিশেষ এক্সপেক্টেশন রাখি না। ওনারা নিজেদের লাইফ নিজেদের মতো কাটান। আমি নিজের লাইফ নিজের মতো কাটাই। তাতেই হয়। ব্যস! জীবনে ঝামেলা নেই। এটাই চাই। কিন্তু না। মা বাপের কিছু এক্সপেক্টেশন আমার প্রতি থাকাটা স্বাভাবিক। বিয়ে করে সংসার করলে আমারও এমনটা হবে ভালোই বুঝতে পারছি। ভেবে দেখলাম, এই জিনিসটাই আমার পছন্দ নয়। আমার যে ট্রু সেল্ফ তাকে প্রতিনিয়ত কষ্ট পেতে হবে, যদি নিজের এগেনস্টে গিয়ে কাজ করি। কী করবো তাহলে?
জীবনে এমন একজন মানুষ আসুক,
যে শুধু আমার যৌবনের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হবে না
আমার চুলে পাক ধরলেও, চোখের কোণে বয়সের রেখা জমলেও,
আমার হাতের কোমলতা হারিয়ে গেলেও
একই মায়ায় বলবে “তুমি আজও আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ।”
আমি এমন ভালোবাসা চাই,
যে ভালোবাসা বয়সের সঙ্গে ফুরিয়ে যাবে না;
বরং যৌবন পেরিয়ে বার্ধক্যের দরজায় দাঁড়িয়েও
আমার হাতটা একই মমতায় ধরে বলবে
“জীবনের প্রতিটি বয়সেই তোমাকেই বেছে নেব।” 🤍
প্রিয় বাবা,
আপনার কাছে চিঠি লিখে তা পৌছাবে তা নয় আপনি চলে গেছেন এসব কিছুর উর্ধে। আপনার কাছে এখন পৌছায় শুধি দোয়া। তাই আল্লাহর কাছে খুব করে বলি যেনো আল্লাহ আপনার সমস্থ পাপ মাফ করে দেয়। আর আপনাকে একটা বাড়ি বানিয়ে দেয় জান্নাতুল ফেরদোস এ। আমিন
জানেন আপনাকে লিখতে বলতে অনেক ইচ্ছে করে,, খুব খারাপ সময় আসলে আপনার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে। এখনো পুঠ চুলকালে আপনার কথা মনে পড়ে। কিন্তু বলো কই পায় সেই আপনার নরম হাতের স্পর্শ। আপনার খুব কাছে ছিলাম আমি আপনাকে খুব কাছ থেকে অনুভব করেছি। তাই আপনার জন্য কষ্ট হয়। অবশ্য এখন মন বুঝে গেছে আপনি আসবেন না। যাই হোক এত লেখা যেন স্রষ্টা আপনার কাছে পৌছায় দেয়। আমার সালাম টুকু নিবেন। আপনার উপর চির শান্তি বর্ষিত হোক। জান্নাতির দের সাথে হোক আপনার বসাবাস। আপনার মতো সকল বাবা দের হোক একত্রে বসা জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকামে। আমিন।
আল্লাহ আপনি সকল বাবা মায়ের জন্য জান্নাতে জায়গা করে দিন। তাদের জন্নাত দান করুন। আমিন
ইতি
আপনার ছোট ছেলে
প্রিয় আগন্তুক,
গতকাল কোথা থেকে যেন জানতে পারলাম আজ নাকি চিঠি দিবস।
জীবন সত্যিই বড় বৈচিত্র্যময়! আধুনিকতার উজ্জ্বল আলোয় ছুটে চলা মানুষগুলোও কখনো কখনো ফিরে তাকায় সেই পুরোনো দিনের দিকে। যে দিনগুলোতে অনুভূতির দূরত্ব মাপা হতো কাগজের পাতায়, আর হৃদয়ের কথাগুলো পৌঁছে যেত কলমের আঁচড়ে। আজ সেই হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ জীবনরীতিকেই মানুষ আবেগ দিয়ে উদযাপন করে।
আর আমি আপনাকে পেয়েছিলাম গ্রামের চেয়েও গ্রামীণ এক পৃথিবীতে। সেখানে যোগাযোগের জন্য কাগজ-কলমের কোনো প্রয়োজন ছিল না। শব্দহীন এক ভাষায়, অদৃশ্য কোনো অনুভূতির পথে আমাদের কথা হতো। আপনি আমার কাছে ধীরে ধীরে এক সত্য স্বপ্ন হয়ে উঠেছিলেন এমন এক স্বপ্ন, যাকে কখনো কখনো বাস্তবের চেয়েও বেশি বাস্তব মনে হতো।
নিজের হাতে গড়ে তোলা পাপের রাজত্বে আপনার আগমন ছিল আকস্মিক এক ভূমিকম্পের মতো। আপনার উপস্থিতি যেন মুহূর্তেই কাঁপিয়ে দিয়েছিল আমার সমস্ত নির্মাণ। ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিয়েছিল ভেতরে জমে থাকা সব অন্ধকার, সব দূষণ, সব ভুলের দেয়াল।
ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে ভাবছিলাম এবার হয়তো অন্যরকম একটি পৃথিবী তৈরি করব। কিন্তু ঠিক তখনই আপনি হারিয়ে গেলেন।
আজও মাঝে মাঝে মনে হয়, যদি আগে থেকেই জানতাম আপনি কোনো একদিন আমার জীবনে আগন্তুক হয়ে আসবেন, তাহলে হয়তো নিজেকে অন্যভাবে গড়ে তুলতাম। আপনাকে পাওয়ার আগেই আপনাকে ধারণ করার মতো করে সাজিয়ে নিতাম আমার ভেতরের পৃথিবীটাকে।
জীবনের সবচেয়ে বিপরীতমুখী বিষয়গুলো বোধহয় গোধূলির মতোই ক্ষণস্থায়ী। কিছু মুহূর্ত আসে, চারপাশকে অদ্ভুত সুন্দর করে তোলে, তারপর নিঃশব্দে মিলিয়ে যায় অন্ধকারে। কিন্তু সেই ক্ষণস্থায়ী মুহূর্তগুলো রেখে যায় দীর্ঘস্থায়ী কিছু শূন্যতা। আর ক্ষণিকের যে আক্ষেপগুলোকে আমরা একদিন তুচ্ছ ভেবে ভুলে যেতে চাই, সেগুলোই কখনো কখনো আজন্ম আক্ষেপ হয়ে বুকের ভেতর বয়ে বেড়াতে হয়।
ইতি
আপনার পথিক
*প্রিয় কবি সাহেব,*
আজ নাকি চিঠি দিবস,,,
কিন্তু আমার হাজার ইচ্ছা হলেও আপনার কাছে আমার কলমে লেখা কোনোদিন যাবে কি না জানি না।
আপনাকে চিঠি লেখার জন্য আলাদা দিবসের দরকার নাই, আমার প্রতিদিনই আপনাকে চিঠি লিখতে ইচ্ছা করে।
চিঠি দিবসটা আমার কাছে একটু বেশি স্পেশাল। কারণ ২৪ সালে ১ম আমি চিঠি দিবস জানতে পারি তার কারণটা আপনি। আপনার থেকে আমি চিঠি পেয়েছি। এখন ওই সব ভাবলেই অবাক লাগে।
আমিও ১ম চিঠি লিখলাম উদ্ভট ভাবে। চিঠি গুলো হারিয়ে গেছে। যদি কাগজের হতো সত্যি আমার কাছে থাকতো।
তবে অনেক চিঠিই আছে আপনার দেওয়া, যা আমার মন খারাপের মহা ঔষধ।
কবি সাহেব, আপনাকে নিয়ে লিখে আমি কোনোদিন শেষ করতে পারবো না। তবুও আজকের দিনে আপনাকে চিঠি লিখতে অনেক ইচ্ছা হলো।
আল্লাহ যেন আপনাকে সকল প্রকার ফিতনা থেকে হেফাজত করেন, সব সময় হাসি খুশি রাখেন, আপনার সব স্বপ্ন গুলো যেন পূরণ করে দেন।
আল্লাহ যেন আপনাকে আর আপনার পরিবারকে সব সময় সুস্থ ও হাসি খুশি রাখে।
হাজার মাইল দূরে থেকে আমি চাই আপনি সব সময় খুশি থাকেন। নিজের প্রতি একটু যত্নশীল হইয়েন প্লিজ। আমি জানি আমার কথায় আপনি কিছু করবেন না, তবুও বললাম। যদি ইচ্ছা হয় নিজের খাবারের প্রতি একটু খেয়াল কইরেন।
আমার এলোমেলো চিঠি আপনাকে মুগ্ধ করার জন্য লেখা না। আমি জানি আমি আপনার মতো গুছিয়ে কোনোদিন লিখতে পারবো না। কিন্তু আমার অগোছলা লেখা গুলো একটু কষ্ট করে বুঝে নিয়েন।
আমাকে বোঝার ক্ষমতা আপনার অনেক আছে এটা আমি জানি।
আজ আর নয়। চিঠির কোনো নিয়ম ছাড়াই লিখছি, যা ইচ্ছা হয়েছে। একমাত্র মানুষ যাকে আমি যা ইচ্ছা বলতে পারি কোনো বাধা ছাড়া।
ভালো থাকবেন প্রিয় কবি সাহেব।
*ইতি*
কেউ একজন*
আত্মার কাছে চিঠি
প্রিয় আমি,,
কেমন আছো? সত্যি ভালো আছো তো?
আজকাল আর কেউ এভাবে জিজ্ঞেস করে না, তাই না! মন খারাপে চুপচাপ বসে থাকিস, আকাশের দিকে তাকিয়ে থেকে দীর্ঘশ্বাস ফেলা শিখে গেছিস! স্বপ্ন গুলোকে আর কতবার নতুন করে সাজাবি! নির্ঘুম রাত, কেউ কি দেখে? টেবিলের সাথে লেপটে থাকা, বইয়ের মাঝে স্বপ্ন খোঁজা, আর কত!!
সবার কথা ভাবতে ভাবতে নিজেকে ভুলে যাচ্ছিস না তো! ব্যস্ত শহরে তাল মিলাতে গিয়ে ছুটতে ছুটতে ক্লান্ত হস না তুই! একা আর কত লড়াই করবি, পারবি কি শেখর থেকে শিখড়ে চড়তে? চারিদিকে গঞ্জনা কাটিয়ে নিজেকে সামলাতে পারবি? স্বপ্নের আকাশে মুক্ত পাখি হওয়ার ইচ্ছা কি আছে? নাকি মৃত আত্মা হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিস!
চোখ ভারি হচ্ছে তাই না! আর কত চেপে রাখবি বুকের চিৎকার, আর কত লুকিয়ে রাখবি অশ্রুর ঝর্ণা! সবার শুধু প্রশ্ন আর প্রশ্ন,, উত্তর খুঁজতে খুঁজতে জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে। সেই ছোটবেলা থেকে শুরু।
"কিরে বড় হয়ে কি হতে চাস?" এই ছোট্ট একটা প্রশ্ন কিন্তু তার উত্তর সারাজীবনেও দেওয়া যায় না। অনেকেই হয়তো উত্তর দিতে পারে, তারা ভাগ্যবান/ভাগ্যবতী। তবে এটা নয় তার ভাগ্যের জোরে পেয়ে গেছে, তারা পরিশ্রম করেছে তাই পেরেছে। তুই কি পারবি সবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে!
"হ্যাঁ আমিও পেরেছি।" এই কথাটা বলার জন্য এতো পরিশ্রম করতে হচ্ছে। ভুলে গেছিস বেঁচে থাকা কি। দিন দিন কেমন জানি একা হয়ে যাচ্ছিস। কাছের মানুষরা বলেছিল পাশে থাকবে কিন্তু এখন কেউ নেই। তুই নিরবে শুধু অপেক্ষা করেই যাচ্ছিস।
বাবার ঘামঝরা মুখে আলতোভাবে হাত বুলিয়ে বলবি, বাবা তোমায় আর কষ্ট করতে হবে না, বাবার ইচ্ছে গুলো পূরণ করে বাবাকে বলবি বাবা তুমি কি খুশি, বাবার গড়া ইট দিয়ে তার স্বপ্নের বাড়ি বানিয়ে উপহার দিবি, কত স্বপ্ন তোর, তাই না! পারবি তো সেগুলো পূরণ করতে? মায়ের হাতে তার বিলাসি জীবন উপহার দিতে পারবি তো?
এসব ভাবতে ভাবতেই জীবন চলে যাচ্ছে তাই তো! কতোটা পথ পাড়ি দিয়ে এখানে এসেছিস, হাল ছাড়িস না রে, মনে কর তোর বাবার ক্লান্ত চোখ, তোর মায়ের মুখের পরিশ্রমের কালো ছায়া। হাল ছাড়িস না রে, তোর উপর যে অনেক বিশ্বাস আমার, অনেক আশা যে তোকে ঘিরে বড় হচ্ছে, আবার উঠে দাঁড়া। পৃথিবীকে দেখিয়ে দে,তুই ও পারিস। উঠ উঠ উঠ, আর না, চোখে জল না রক্ত ঝরা। তোর সাফল্যে বাবার চোখের আনন্দের অশ্রু কি তুই দেখতে চাস না! আমি জানি তুই পারবি, তোকে পারতেই হবে। বলো "আমি পারবো" আর শুরু করে দে।
এবার জয়ধ্বনি শুনে তবেই ঘরে ফিরবি।
এটাই ট্রেনের শেষ কামড়া, এখানে তোকে স্থান করে নিতেই হবে। লড়াই করো লড়াই।।
ইতি
মৃত আত্মা
✍️:-পলি রানী দেবী
চিঠি দিবস — ১লা সেপ্টেম্বর ✉️🌿 একটা সময় ছিল, কথা বলার জন্য মুঠোফোনের প্রয়োজন হতো না এক টুকরো কাগজই যথেষ্ট ছিল। চিঠি মানে শুধু কিছু শব্দ নয়, চিঠি মানে অপেক্ষা। ডাকপিয়নের পায়ের শব্দে বুকের ভেতর কেঁপে ওঠা, খাম খুলতে গিয়ে অজানা এক আনন্দ, আর প্রিয় মানুষের হাতের লেখায় নিজেকে একটু একটু করে খুঁজে পাওয়া। আজ বার্তা পৌঁছে যায় কয়েক সেকেন্ডে, কিন্তু সেই বার্তায় আর চিঠির মতো অপেক্ষা জমে থাকে না। চিঠির প্রতিটি অক্ষরে থাকত মানুষের স্পর্শ, কাগজের ভাঁজে লুকিয়ে থাকত অনুভূতি, আর কিছু চিঠি পড়া শেষ হয়ে গেলেও মনের ভেতর থেকে কখনো শেষ হতো না। হয়তো তাই আজও মনে হয় ডিজিটাল যুগে আমরা যোগাযোগের গতি পেয়েছি, কিন্তু হারিয়ে ফেলেছি অপেক্ষার সৌন্দর্য। কিছু কথা আজও বলা হয়নি, কিছু মানুষকে আজও চিঠি লেখা হয়নি তবু মনের ডাকবাক্সে সেই চিঠিগুলো রয়ে গেছে। 🖤 শুভ চিঠি দিবস। ✉️🍂
প্রিয় পাখি,
আজ চিঠি দিবস। চারপাশে কত চিঠি লেখা হবে, কত কথা কাগজে জমা হবে। কিন্তু আমি জানি, তোমাকে নিয়ে লিখতে বসলে একটা চিঠিতে আমার মনের কথাগুলো কখনোই শেষ হবে না।
কিছু মানুষকে ভালো লাগার কোনো নির্দিষ্ট কারণ থাকে না। তারা হঠাৎ করেই জীবনের গল্পে এসে এমন একটা অধ্যায় হয়ে যায়, যেটা বারবার পড়তে ইচ্ছে করে। তুমি আমার কাছে ঠিক তেমনই এক অধ্যায় যার শুরুটা হয়তো খুব সাধারণ ছিল, কিন্তু কখন যে গল্পের সবচেয়ে প্রিয় অংশ হয়ে গেলে, বুঝতেই পারিনি।
পাখি, তুমি যেন ব্যস্ত দিনের শেষে একটুকরো শান্ত বিকেল।
তুমি যেন ক্লান্ত মনের জানালায় হঠাৎ এসে পড়া নরম বাতাস।
তুমি যেন এমন এক মায়া, যাকে দূরে রাখলেও মন বারবার কাছে টেনে নেয়।
তোমার সঙ্গে কথা বললে সময় কেমন করে চলে যায়, বুঝতে পারি না। আর কথা না হলে, সময়টাই যেন একটু বেশি ধীরে হাঁটে। তোমার একটা ছোট্ট হাসি কখনো কখনো পুরো একটা দিন সুন্দর করে দিতে পারে এটা হয়তো তুমি নিজেও জানো না।
তোমার প্রতি আমার ভালোবাসাটা খুব বড় বড় কথায় প্রকাশ করার মতো নয়। বরং এটা ছোট ছোট যত্নে লুকিয়ে থাকে তুমি ঠিকমতো খেয়েছ কি না, তোমার দিনটা কেমন গেল, মনটা ভালো আছে কি না এসব অকারণ চিন্তার মধ্যেই হয়তো আমার ভালোবাসার সবচেয়ে সত্যি অংশটা থাকে।
আমি তোমাকে শুধু সুন্দর সময়ের জন্য চাই না। তোমার মন খারাপের দিনেও তোমার পাশে থাকার ইচ্ছে করে। যখন পৃথিবীটা তোমার কাছে একটু কঠিন মনে হবে, তখন তোমার পাশে এমন একজন হয়ে থাকতে চাই, যার কাছে কোনো অভিনয় করতে হবে না। তুমি যেমন, ঠিক তেমন হয়েই থাকতে পারবে।
জীবন তো নদীর মতো কখনো শান্ত, কখনো ঢেউয়ে ভরা। জানি না আমাদের পথ কোন দিকে যাবে, জানি না সময় আমাদের কোথায় নিয়ে দাঁড় করাবে। কিন্তু মন থেকে একটা দোয়া করি আল্লাহ যেন তোমার জীবনের প্রতিটি পথকে সহজ করে দেন। তোমার কপালে যেন শান্তি লেখা থাকে, তোমার চোখে যেন স্বপ্ন থাকে, আর তোমার হৃদয়ে যেন কখনো একাকিত্ব বাসা বাঁধতে না পারে।
আর যদি কোনোদিন আমার জন্য তোমার মনে অভিমান জমে, তখন একটু মনে করোআমি হয়তো সবসময় ঠিকভাবে বলতে পারি না, কিন্তু তোমাকে কষ্ট দেওয়ার ইচ্ছে আমার কখনোই ছিল না। মানুষ হিসেবে ভুল হতে পারে, কথায় ভুল হতে পারে, কিন্তু তোমাকে নিয়ে আমার মায়াটা মিথ্যে নয়।
পাখি,
কখনো কখনো মনে হয়, পৃথিবীর সব সুন্দর শব্দ একসাথে করেও তোমাকে বোঝানো যাবে না তুমি আমার কাছে কতটা প্রিয়। তাই শব্দের ওপর ভরসা না করে শুধু এইটুকু বলি
তুমি ভালো থেকো।
তোমার হাসিটা অটুট থাকুক।
তোমার স্বপ্নগুলো একে একে সত্যি হোক।
আর আল্লাহ তোমার জীবনে এমন সব সুখ এনে দিন, যেগুলোর জন্য তুমি আজও চুপচাপ দোয়া করো।
হয়তো আমি তোমার জীবনের পুরো গল্পটা লিখতে পারব না, কিন্তু যদি আল্লাহ চান, তোমার গল্পের সুন্দর কয়েকটি পাতায় আমার নামটা যেন থেকে যায় এই চাওয়াটা মনের খুব গভীরে লুকিয়ে আছে।
আজ চিঠি দিবসে তাই তোমাকে কোনো দামি উপহার নয়, আমার মনের কিছু কথা দিলাম।
কাগজের এই কয়েকটি শব্দ হয়তো একদিন পুরোনো হয়ে যাবে,
কালির দাগ হয়তো ফিকে হয়ে যাবে,
কিন্তু তোমার জন্য আমার এই মায়াটা
আল্লাহ চাইলে, ফিকে হবে না কোনোদিন।
ভালো থেকো আমার প্রিয় পাখি।
নিজের যত্ন নিও।
আর আমার জন্য একটু দোয়া রেখো
যেভাবে আমি নীরবে তোমার জন্য দোয়া করি।
ইতি,
তোমার
আজমীর উদ্দীন আব্দুল্লাহ
পথ পথিকের সৃষ্টি করে না বরং পথিকই পথের সৃষ্টি করে। মাঝে মাঝে মনে হবে তুমি পথ খুঁজে পাচ্ছো না, পথহারা পথিকের ন্যায়, তখন থেমে থাকা যাবে না। কারণ থেমে থাকলে থমকে যাবে জীবন। হাঁটতে থাকো এদিক সেদিক, হয়তো সেটা কারোর তৈরি করা পথ নয়, তবে তুমি চলতে থাকলে নতুন এক পথের সৃষ্টিও হতে পারে। যে পথে সবাই হাঁটে সেটা তো পায়ের ভারে ক্ষয় হয়ে যাবে একসময়। তাই ভালো হবে নতুন পথের সৃষ্টি করলে। হয়তো তোমার তৈরি পথ একদিন সবার গন্তব্য পাল্টে দিবে কিংবা সে পথ গন্তব্যের নতুন নিশানা হবে। তাই থেমে থাকা যাবে না। পথের শেষ কোথায় তা দেখার বা জানার কি প্রয়োজন চলতে থাকো, ঠিক নদীর মতো। রাস্তা না পেলে তৈরি করে নাও, বাঁধা আসবে জোয়ার তুলে ভেঙে ফেলো সব প্রতিবন্ধকতা। নদীকে কেউ কি কখনো বাঁধ দিয়ে আটকাতে পেরেছে! তাহলে তোমাকেও কেউ পারবে না। সাহস রাখো। পাহাড়ের মতো উঁচু হও, তাহলে নিচে কি আছে তা দেখা যাবে না। আকাশের মতো স্বপ্ন সাজাও, কালো মেঘ তো আসবেই তাতে কি আকাশের সৌন্দর্য নষ্ট হয়! নাকি মেঘলা আকাশ নতুন রূপে সাজে! নিজেকে সাজাও এবার। পথ সৃষ্টি করো চলতে থাকো, হয়তো লোক বলবে ; "পথিক তুমি পথ হারাইছো"
সেদিকে মন দিও না, বাতাস তো বয়ে চলবেই, কখনো অনুকূল কখনো প্রতিকুল
যদি চিঠি না-ই লিখো, কেন লিখবে না তাই লিখো।
-মির্জা গালিব।
আজ ০১ তারিখ বিশ্ব চিঠি দিবস।😊❤️🩹
জীবনের সবচেয়ে খারাপ সময়ে অদ্ভুত ভাবে মানুষ শক্ত করে হাত ধরে আবার মাঝ পথে গিয়ে অজুহাত দেখিয়ে সেই হাত ছেড়ে দেয় 😌😅। জীবন যতটুকু গুছিয়ে দেয় তার থেকে বেশি এলো মেলো করে দিয়ে যায়৷😄😅
--আগন্তুক
প্রশ্ন উত্তর
একইডালে দুটি চড়ুই খেলছে মনের সুখে,
তাকে গিয়ে প্রশ্ন করলাম, বলতে পারবে ভালোবাসার মানে?
মুচকি হেসে একটি চড়ুই ছেড়ে দিলো অপরকে,
ঘুরে ফিরে আবার চলে আসলো আপন আলয়ে।
বললো তখন চড়ুই জোড়া বোঝলে তুমি কিছু,
ভালোবাসলে ফিরে আসবে, ছাড়বে নাকো পিছু।
মুগ্ধ হয়ে চেয়ে রইলাম কি আজব ভালোবাসা,
দুটি টিয়ে যত্ন করে গড়ছে তাদের বাসা।
তাদের মাঝে একজনকে প্রশ্ন করলাম আমি,
অপরজন মুখ ঘুরিয়ে হলো অভিমানী।
বোঝে উঠার আগেই তারা মান ভাঙিয়ে নিল
সহজ করে ভালোবাসার একটু ব্যাখ্যা দিল।
যাকে ছাড়া দিন যায় না, রাত কাটে নির্ঘুমে,
অভিমানেও পাশে থাকে যায় না কভু ছেড়ে।
বলতে তারে হয় না কিছু বোঝে অনুমানে
মনের মাঝে যত্ন করে আগলে তারে রাখে।
ভালেবাসার মানে জানতে গেলাম নদীর কাছে,
নিজ গতিতে বহে চলে, সাগরে বিলীন হয়ে।
নদীর কাছে সাগর তুমি নওকি কৃতজ্ঞ,
কর রূপে অস্তিত্ব হারাচ্ছে অবিরত।
মৃদু হেসে, ছোট্ট জোয়ারে জল উঠলো ফুলে
বলতো তুমি কি পার্থক্য পেলে আমি ও নদীতে!
প্রশ্ন শুনে নির্বাক আমি বলবো কি তাই ভাবছি,
নাম ভিন্ন হলেও তো অস্তিত্ব এক, একইরকম পানি।
নদী তখন বললো আমায় পেলে তোমার উত্তর,
ভালোবাসা একই সুতে বাঁধে নিরন্তর।
পাহাড়ের কাছে জবাব চাইলাম, বলতো আমায় ভেবে,
ভালোবাসার কেমন সংজ্ঞা আছে তোমার কাছে!
বন্যফল এগিয়ে দিল আমার মুখের পানে
তার স্বাদ উপভোগ করলাম আনন্দ মনে।
বললাম তাকে রিক্ত হস্ত কি দেব তোমায়
পাহাড় বললো নিঃস্বার্থ ভাবেই ভালোবাসা জন্মায়।
✍️:- রাই কিশোরী
