Tᴇᴄʜɴᴏʟᴏɢʏ 乂 Bᴀɴɢʟᴀᴅᴇsʜ
Open in Telegram
𝚃𝙷𝙸𝚂 𝙲𝙷𝙰𝙽𝙽𝙴𝙻 𝙳𝙾𝙴𝚂'𝙽𝚃 𝙿𝚁𝙾𝙼𝙾𝚃𝙴 𝙰𝙽𝚈 𝙸𝙻𝙻𝙴𝙶𝙰𝙻 𝙰𝙲𝚃𝙸𝚅𝙸𝚃𝙸𝙴𝚂 & 𝙴𝚅𝙴𝚁𝚈𝚃𝙷𝙸𝙽𝙶 𝙸𝙽 𝚃𝙷𝙴 𝙲𝙷𝙰𝙽𝙽𝙴𝙻 𝙸𝚂 𝙵𝙾𝚁 𝙴𝙳𝚄𝙲𝙰𝚃𝙸𝙾𝙽𝙰𝙻 𝙿𝚄𝚁𝙿𝙾𝚂𝙴𝚂 𝙾𝙽𝙻𝚈.
Show more1 216
Subscribers
-424 hours
-147 days
-3230 days
Posts Archive
https://t.me/MASTER_BOOMBER?livestream
Come live
@OGGYBOOMBERBOT
Free trial dibo
দুঃখিত একসাথে সব নম্বর দিয়ে wp এর কোন কল ই রিসিভ করতে পারিনি! আপাতত গিভওয়ে বাদ কারণ সবাই শুধুই wp দিচ্ছে। আমি কিছুক্ষণ পরে একটা একটা করে নম্বর দিবো।
আপনারা একাউন্ট খুলতে না পারা তে আমি দুঃখিত!
Try wp
Canada +1 (587) 600-4786
Us +1-315-918-6028
Canada +1 236-302-5554
Canada +1 226-781-7167
_______
Us +1 (505) 636-0053
Us +1 (425)409-9996
Us +1 (505) 431-1419
Time 10 minutes
Send without tg
6 টা us, Canada নম্বর গিফট করা হবে।
সবাই রিয়াক্ট দিতে থাকেন tg বাদে যেকোনো ওটিপি পাঠাতে পারবেন।
টেলিগ্ৰামের যেসব প্রাইভেট গ্রুপের ভিডিও ডাউনলোড করা যায় না, অনেকের vip তে অনেক অনেক ম্যাথড থাকে যেগুলো ডাউনলোড করা যায় না।
আমি যদি এমন একটা পাইথন স্ক্রিপ্ট বানাই যেটা থেকে restricted ছবি, ভিডিও, পোস্ট ডাউনলোড করা যাবে তাহলে কে কি লিক করে ফাঁস করতে পারবেন একটু বলে যান 😁
WhatsApp selling bot
Gmail selling bot
You don't need a leader card to withdraw from the bot.
Giveaway🇬🇧🎉🎉🎉🎉
UK WhatsApp account 🎉🎉🎉
+447782318251 🎉🎉🎉🎉
Send otp 🎉🎉🎉🎉🎉🎉🎉🎉🎉🎉🎉🤏
এ ধরনের আর্টিকেল পড়ে মন ভালো থাকে না আর আজকে প্রায় HSC ব্যাচ 45% মানুষ কাঁদবে ভয় পাবেন যা হওয়ার হয়ে গেছে এটি নিয়ে আর চিন্তা করবেন না এখন অনেক নাস আকার বের হবে বলবে রেজাল্ট চেঞ্জ করে দিবে এগুলো প্রতারক চক্র এগুলা ভুলে যাবেন না ১০ পারসেন্ট মানুষ কাঁদবে এ প্লাস কেন পেলাম না ১০% মানুষ ভাববে একটু ভালো করে পরীক্ষা দিলে ভালো হতো আর 25% মানুষ ভাববে কেন ফেল করলাম বাকি 55% টাইনা তুইনা পাস 😉 এবার অটো দেওয়ার পরও এই অবস্থা আশা করতে পারিনি
📣 এইচএসসি রেজাল্ট দেখার জন্যে :
⛓ ওয়েবসাইট - www.educationboardresults.gov.bd www.eduboardresults.gov.bd
😋 SMS এর মাধ্যমেঃ
HSC Board name (first 3 letters) Roll Year টাইপ করে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।
উদাহরণ:HSC Dha 123456 2024 লিখে 16222-তে পাঠাতে হবে।
Best Of Luck My Brothers & Sisters🍀
থেকে মুক্ত হয়ে সঠিক পন্থায় বহুবিবাহের চর্চা ও প্রচারণা করে তাতে আপত্তির কিছু নেই। বরং আমাদের সকলের কাছে সাধুবাদ পাবে। কিন্ত তার বর্তমান কর্মকাণ্ড ও চিন্তাভাবনা অত্যন্ত আপত্তিকর ও প্রশ্নবিদ্ধ। আমরা দোয়া করি, আল্লাহ তাকে মানসিকভাবে সুস্থ হওয়ার তাওফীক দিন এবং হেদায়েত নসীব করুন।
Affan Bin Sharfuddin
বহুবিবাহ সংক্রান্ত একটি অপব্যাখ্যার জবাব।
বহুবিবাহ নিয়ে অতিরঞ্জিত কাজকারবারের দায়ে আলোচিত সমালোচিত একজন মানুষ মাওলানা মামুনুর রশীদ। এ বিষয়ে প্রায় সময়ই লাগামহীন কথাবার্তা বলেন তিনি। গতকালের এক পোস্টে তিনি লিখেছেন কোন নারী দ্বীনদার হতে হলে তাকে অবশ্যই স্বামীর বহুবিবাহের বিষয়টা পছন্দ করতে হবে। এরপর নিজের এই মনগড়া ফতওয়াকে প্রমাণ করার জন্য এ বিষয়ে একটা আজগুবি ও বানোয়াট মূলনীতি উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন, "দ্বীনদার নারী কখনো হালাল বিধানকে অপছন্দ করতে পারেনা।"
বলা বাহুল্য যে, তার এই দাবী ইসলামী আইন ও নবী সাহাবীদের কর্মপন্থার সাথে শতভাগ সাংঘর্ষিক। সরাসরি হাদীসের কিতাব থেকে রেফারেন্স দিয়ে আমরা এর প্রমাণ পেশ করছি।
চিত্র- ১:
নবী কন্যা ফাতেমা রা. এর সাথে আলী রা. এর বিবাহের অনেকদিন পরের ঘটনা। মক্কা বিজয়ের পরে হযরত আলী রাযি. তখন আবু জাহেলের নওমুসলিমা কন্যাকে বিয়ে করার কথা ভাবছেন। বিষয়টা জেনে হযরত ফাতেমা রা. মানসিকভাবে ভেঙে পড়লেন। তিনি অস্থির হয়ে বাবার কাছে এসে নিজের সমস্ত অভিমান, মনোকষ্ট ও পেরেশানীর কথা বললেন। ফাতেমার এই অস্থিরতা ও মন খারাপ দেখে রাসূলুল্লাহ সা. অত্যন্ত দুঃখ পেলেন। শেষ পর্যন্ত মিম্বরে উঠে তিনি সাহাবাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেই ফেললেন, কুরাইশের কিছু মানুষ অ‘আলী ইবনু আবি তালিবের কাছে তাদের মেয়ে বিয়ে দেবার জন্য আমার কাছে অনুমতি চেয়েছে; কিন্তু আমি অনুমতি দেব না। আমি অনুমতি দেব না। আমি অনুমতি দেব না। দেখো, আমি হালালকে হারামকারী নই। (অর্থাৎ একাধিক বিয়ে হালাল। আলীর জন্যও তা বৈধ। আমি এই ধর্মীয় বৈধতাকে অবৈধ ঘোষণা করছিনা। তবে আলী এই কাজ করুক তা আমি কোনভাবেই চাইনা। কোনকিছু হালাল হলেই তা করা জরুরী না) কিন্তু আলী ইবনু আবি তালিব তাদের মেয়েকে বিয়ে করতে চাইলে আগে আমার মেয়েকে তালাক দিয়ে দিক। কারন ফাতিমা হচ্ছে আমার কলিজার টুকরা এবং সে যা ঘৃণা করে, আমিও তা ঘৃণা করি এবং সে যে জিনিসে কষ্ট পায় আমিও তাতে কষ্ট পাই। সে আমারই অংশ। আমি চাইনা কেউ তাকে কষ্ট দিক, তাকে এই অগ্নিপরীক্ষার সম্মুখীন করুক।
সহীহ বুখারী, হাদীস নং - ৫২৩০, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং - ৬২০১, সহীহ বুখারী, হাদীস নং - ৩১১০, সহীহ ইবনে হিব্বান - ১৫/৪০৭
চিত্র - ২:
নবী সহধর্মীনি হযরত মায়মুনা রা. এর ঘরে একবার রাসূলুল্লাহ সা. কে 'ষাণ্ডা'র মাংস দিয়ে আপ্যায়ন করা হলো। তিনি তা খেতে অস্বীকার করলেন। হযরত খালিদ রা. বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, এটা খাওয়া কি হারাম নাকি আপনি স্বভাবজাত ঘৃণার কারনে খেতে চাচ্ছেন না? রাসূলুল্লাহ সা. বললেন, এটা খাওয়া হালাল। তবে আমি আমার স্বভাবজাত কারনে একে অপছন্দ করি তাই খাচ্ছিনা তবে একে হারামও বলি না। এ কথা শুনে হযরত খালিদ রা. একাই সব খেয়ে সাবাড় করে ফেললেন!
জামে তিরমিযি হাদীস নং - ১৭৯০, মুয়াত্তা মালিক, হাদীস নং - ১৮০৪
এই হাদীস থেকে স্পষ্ট যে, ইসলামের সকল বৈধ জিনিসকে পছন্দ করাটা জরুরী না। বরং শরীয়ত যেটাকে বৈধ করেছে সেটাকে বৈধ হিসেবে বিশ্বাস করা এবং স্বীকার করাটা জরুরী। উপরের দুটি চিত্রেই আল্লাহর রাসূলের আচরণ থেকে আমাদের সামনে বিষয়টা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট।
উম্মতের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান এবং বিশেষ প্রয়োজন ও কল্যাণ বিবেচনায় একাধিক বিয়ে যেহেতু আল্লাহ নিজে বৈধ করেছেন তাই এর বৈধতার উপরে ঈমান আনা প্রত্যেক মুসলমানের উপরে ফরজ। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সমাজে বহুবিবাহের প্রচলনের পক্ষে। আমরা সুস্পষ্টভাবেই বলি যে, বহুবিবাহের ধর্মীয় বৈধতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা, অস্বীকার করা, কটাক্ষ ও তাচ্ছিল্য করা কুফর। তবে এর বিধানগত বৈধতার বিষয়টাকে মৌলিকভাবে মেনে নেয়া ও স্বীকার করার পাশাপাশি কোন নারী যদি স্বামীর বহুবিবাহের বিষয়টাকে স্ত্রীসুলভ ভালোবাসা, ঈর্ষা এবং নারীদের স্বভাবজাত মনোভাবের কারনে অপছন্দ করে তাহলে তার মনোভাবের উপরে কোন রকম আপত্তি করা এবং সেই নারীর দ্বীনদারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোন সুযোগ নেই। বরং এক্ষেত্রে এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে কারো দ্বীনদারিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা সুস্পষ্ট মূর্খতা। আলেম নামধারী কেউ যখন ধর্মের নামে পাবলিকলি এ ধরণের হাদীসবিরোধী চিন্তা ও মূর্খতার চর্চা করে তখন আমাদের পুরো সমাজের জন্যই তা অত্যন্ত বিব্রতকর ও আশঙ্কাজনক।
আসলে যোগ্য আলেমরা কখনোই ইসলামের এক বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে অন্য বিষয়ে বিকৃত করেনা। আর যে বিকৃত করে সে আলেম/মুফতী হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার উপযুক্ত থাকেনা।
বিয়ে নিয়ে আলোচিত সমালোচিত মুফতী মামুনুর রশীদ সাহেব 'বহু বিবাহ' নিয়ে বিভিন্ন সময়ে যা করে বেড়াচ্ছেন এবং বলে বেড়াচ্ছেন তা আসলেই পাগলামী ও ইসলামের অপব্যাখ্যার পর্যায়ে পড়ে। সে বিয়ে নিয়ে অবসেসড। চিন্তাগত দিক থেকে এ বিষয়ে সুস্পষ্টভাবেই ভারসাম্যহীন। একজন ভারসাম্যহীন মানুষ কখনোই নির্ভরযোগ্য মুফতী হতে পারেনা। তাই দ্রুত তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা ও অন্যান্য পদক্ষেপের মাধ্যমে তাকে নিবৃত্ত নিয়ন্ত্রণ করা জরুরী। সে যদি আলেমদের পরামর্শ অনুসারে, ধর্মীয় অপব্যাখ্যা
Available now! Telegram Research 2025 — the year's key insights 
