en
Feedback
শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ

শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ

Open in Telegram

শাইখ আব্দুল আযীয আল তারীফি ফাক্কাল্লাহু আসরহ এর উক্তিসমূহ একত্র করে প্রচার করার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। https://t.me/AbdulAzizAtTarifi

Show more
2 804
Subscribers
No data24 hours
+107 days
No data30 days
Attracting Subscribers
June '25
June '25
+29
in 1 channels
May '25
+45
in 0 channels
Get PRO
April '25
+159
in 3 channels
Get PRO
March '25
+21
in 0 channels
Get PRO
February '25
+22
in 0 channels
Get PRO
January '25
+30
in 3 channels
Get PRO
December '24
+35
in 0 channels
Get PRO
November '24
+24
in 1 channels
Get PRO
October '24
+24
in 0 channels
Get PRO
September '24
+113
in 0 channels
Get PRO
August '24
+114
in 0 channels
Get PRO
July '24
+32
in 0 channels
Get PRO
June '24
+23
in 0 channels
Get PRO
May '24
+33
in 0 channels
Get PRO
April '24
+40
in 1 channels
Get PRO
March '24
+147
in 2 channels
Get PRO
February '24
+75
in 3 channels
Get PRO
January '24
+114
in 4 channels
Get PRO
December '23
+99
in 2 channels
Get PRO
November '23
+36
in 0 channels
Get PRO
October '23
+57
in 0 channels
Get PRO
September '23
+37
in 0 channels
Get PRO
August '23
+40
in 0 channels
Get PRO
July '23
+42
in 0 channels
Get PRO
June '23
+56
in 0 channels
Get PRO
May '23
+62
in 0 channels
Get PRO
April '23
+106
in 0 channels
Get PRO
March '23
+119
in 0 channels
Get PRO
February '23
+142
in 0 channels
Get PRO
January '23
+154
in 0 channels
Get PRO
December '22
+225
in 0 channels
Get PRO
November '22
+272
in 0 channels
Get PRO
October '22
+261
in 0 channels
Get PRO
September '22
+164
in 0 channels
Get PRO
August '22
+169
in 0 channels
Get PRO
July '22
+203
in 0 channels
Get PRO
June '22
+37
in 0 channels
Get PRO
May '22
+886
in 0 channels
Date
Subscriber Growth
Mentions
Channels
21 June+6
20 June+3
19 June+1
18 June+1
17 June+1
16 June+3
15 June+2
14 June+1
13 June0
12 June0
11 June0
10 June+1
09 June+1
08 June+1
07 June+2
06 June+1
05 June+1
04 June+2
03 June+1
02 June0
01 June+1
Channel Posts
“ অনেক মানুষ কুরআনের বরকত এবং প্রভাব অনুভব করতে পারেনা। কারণ তিলাওয়াতকারীর কণ্ঠের সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে গিয়ে তারা আল্লাহর বাণী সম্পর্কে চিন্তা করার ফুরসত পায় না। ” — শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ https://t.me/AbdulAzizAtTarifi

2
“ পাপকাজে ইচ্ছুক, কিন্তু অপারগ ব্যক্তিই — সবচেয়ে অভাগা। সে পাপীদের মতো হতে চায়, কিন্তু অক্ষম। দুনিয়ার মজাও পায় না, আখিরাতের পুরস্কারও হারায়। ” — শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ https://t.me/AbdulAzizAtTarifi
200
3
“ অতিরিক্ত গুনাহ অন্তরকে ভারি করে তোলে। সেই ভারাক্রান্ত অন্তর ইবাদতে মন বসাতে পারেনা। শরীরের বোঝার মতো গুনাহ হলো — অন্তরের বোঝা। যার ঘাড়ে যত ভারি বোঝা, তার আগানোর গতি তত ধীর। ” - শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ https://t.me/AbdulAzizAtTarifi
305
4
“ সবচেয়ে মারাত্মক মুনাফিকি হলো — ( নিকৃষ্ট ) আলিমদের মুনাফিকি। কারণ তারা দ্বীনকে পুঁজি করে দুনিয়া ক্রয় করে! ” - শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ https://t.me/AbdulAzizAtTarifi
269
5
❝ আল্লাহর রাসূল ﷺ কে যে গালি দিবে - সে নিঃসন্দেহে   মু/র/তা/দ   ও কাফের, এই বিষয়ে উম্মাহ একমত। যে ব্যক্তি গালি দিবে, তার উপর নিঃসন্দেহে শাস্তি প্রয়োগ করতে হবে। আর তার শাস্তি হলো - হত্যা, যদিও সে তওবা করে। তার তওবা আল্লাহর কাছে সোপর্দ করা হবে। এবং ঐ ব্যক্তির ওপর শাস্তি প্রয়োগ করতে হবে, যাতে অন্যরা সতর্ক হয়। ❞ - শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ https://t.me/AbdulAzizAtTarifi
322
6
❝ রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের মুখাপেক্ষী নন। আমাদের কারো সমর্থনের দরকার তাঁর নেই। কিন্তু তাঁর সমর্থনে এগিয়ে আসা, অবস্থান নেওয়া আমাদের নিজের জন্যই দরকার; যাতে তার নবুওয়াতের উপর যে আমরা ঈমান এনেছি, তা নিশ্চিত করা যায়। ❞ - শাইখ আব্দুল আযীয আল  তারিফি ফাক্কাল্লাহু আসরহ https://t.me/AbdulAzizAtTarifi
360
7
❝ রাসূল ﷺ কে ব্যঙ্গকারীর দুনিয়া এবং আখিরাত উভয়ই ধ্বংস হবে। রাসূলুল্লাহ ﷺ কে ব্যঙ্গকারী যদি তাওবাহ না করে, তাহলে দুনিয়া এবং আখিরাত উভয় স্থানে এর ফল ভোগ করবে। ‘আর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে আল্লাহ তাদেরকে দুনিয়া ও আখেরাতে ভয়াবহ শাস্তি দিবেন।’ ❞ ( সূরা আত-তাওবাহ, ৯ঃ৭৪ ) - শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ https://t.me/AbdulAzizAtTarifi
372
8
“ রাসূল ﷺ এর নামে কেউ কুৎসা রটালে সেটা  বলে বেড়ানো উচিত নয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নামে কেউ কুৎসা রটালে, রটনাকারী সম্পর্কে মানুষকে জানানোর জন্যও সেসব বলে বেড়ানো উচিত না। কারণ অশ্লীলতার প্রসারের চেয়ে রাসূল ﷺ এর নামে কুৎসার প্রসার আল্লাহর কাছে বেশী ঘৃণিত। বরং যিনি এইসব কুৎসার জবাব দিতে সক্ষম, তাঁকে বেশি বিস্তারিত না বলে অল্প কথায় মূল বিষয় জানিয়ে দিতে হবে। ” - শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ https://t.me/AbdulAzizAtTarifi
391
9
“ ধারণা করা হয় — আযাব ও মুসিবত শুধু টাকা-পয়সা আর সন্তান হারানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ। কিন্তু সবচেয়ে বড় আযাব এবং মুসিবত হলো — আপনি হক্ব বুঝতে পারার পরও, আল্লাহর আপনাকে তা থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া! ” - শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ https://t.me/AbdulAzizAtTarifi
414
10
জিলহজ্জ সংক্রান্ত লেখনী বিষয়ক সম্পূর্ণ একক চ্যানেল। https://t.me/Zil_Hajj
567
11
“ তাকবীর তাশরিক শুরু হয় আরাফাহর দিন ফজর সালাতের পর থেকে। আইয়ামে তাশরিকের শেষ দিনে ( জিলহজ্জ মাসের ১৩ তারিখ ) আসর সালাতের পর এসে তা শেষ হয়। তাকবীরের একাধিক সহিহ পদ্ধতি আছে। তার মধ্যে একটি হচ্ছে - ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার কাবীরা।’ ” - শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ #যিলহজ্ব #Dhul_Hijjah https://t.me/AbdulAzizAtTarifi
539
12
“ আরাফার দিনের দুআ - শ্রেষ্ঠ আমলের মধ্যে অন্যতম। আর তাই এই সময়ে দুআ কবুল হবার সম্ভাবনাও বেশি। ” - শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ #যিলহজ্ব #Dhul_Hijjah https://t.me/AbdulAzizAtTarifi
434
13
❝ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা মর্যাদাপূর্ণ ও হাদিসে উল্লেখিত রাতের সময় ছাড়া নিম্ন আকাশে অবতরণ করেন না। আর তাঁর নিন্ম আকাশে দিনের বেলায় অবতরনের ব্যাপারে বিশুদ্ধভাবে প্রমানিত নয়; ব্যতিক্রম আরাফার দিবস ছাড়া। এই দিনে ( আরাফার দিনে ) আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা নিম্ন আকাশে অবতরণ করেন, এবং আরাফার দিনে তাঁর রহমত, বরকত ও ক্ষমার দরজা ব্যাপকভাবে সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে। সুতরাং যে ব্যক্তি এই রহমত, ক্ষমা থেকেই বঞ্চিত হয়; তার চাইতে বড় দুর্ভাগা কে আছে আর! ❞ - শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ #যিলহজ্ব #Dhul_Hijjah https://t.me/AbdulAzizAtTarifi
403
14
“ আরাফার দিনে — জান্নাতকে সবচেয়ে কাছে নিয়ে আসা হয় আর জাহান্নামকে সবচেয়ে দূরে নিয়ে যাওয়া হয়। নিজেকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করার জন্য যে এই সময়ে একটা আমলও খুঁজে পায় না, সে বড় দুর্ভাগা। তিনি ( ﷺ ) বলেছেনঃ ‘আরাফার দিনের চেয়ে আল্লাহ তাআলা জাহান্নাম থেকে বেশি মুক্তি দেন, এমন কোন দিন নেই।’ ” - শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ #যিলহজ্ব #Dhul_Hijjah https://t.me/AbdulAzizAtTarifi
296
15
“ যারা হজ্জ করছেন বা করছেন না, সবার জন্যেই আরাফাহর দিনে সাওম পালন সাওয়াবের। তবে এই সাওমের ( আরাফার সিয়ামের ) ফযিলত হচ্ছে — দুই বছরের গুনাহ মাফ হওয়া, যেখানে আরাফাহর ময়দানে অবস্থান করার ফযিলত হচ্ছে — আজীবনের গুনাহ মাফ। তাই সালাত পড়া ও দুআ করতে গিয়ে দুর্বল হয়ে পড়ার আশংকা থাকলে হাজীগণের এই দিন সওম পালন করা উচিত নয়। ” - শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ #যিলহজ্ব #Dhul_Hijjah https://t.me/AbdulAzizAtTarifi
325
16
“ রমাদানের পর সাওম পালনের জন্য সবথেকে উত্তম দিন হচ্ছে আরাফাহর দিন। এক দিনেই আল্লাহ দুই বছরের গুনাহ মুছে দেন। যারা হাজী নন, এই সময়ে তাঁদের জন্য সবথেকে উত্তম আমল হচ্ছেঃ- সওম পালন, তাকবীর দেওয়া, দুআ করা এবং বিশেষ করে ইস্তিগফার করা। ” - শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ #যিলহজ্ব #Dhul_Hijjah https://t.me/AbdulAzizAtTarifi
346
17
জিলহজ্জ সংক্রান্ত লেখনী বিষয়ক সম্পূর্ণ একক চ্যানেল। https://t.me/Zil_Hajj
137
18
“ রমাদানের ছুটে যাওয়া সাওমগুলো কাযা করার জন্য জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনই উত্তম। আশা করা যায় যে, এই সওমের মাধ্যমে সেই ক্ষতি পুষিয়ে নেবার সাথে সাথে জিলহজ্জের দশ দিন নফল সওম রাখার সওয়াবও পাওয়া যাবে। উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ ‘রমাদানের না রাখতে পারা সাওম ( রমাদানের কাযা সিয়াম ) পূরণ করে নেওয়ার জন্য আমার কাছে এই দশ দিনের ( জিলহজ্জের প্রথম দশ দিনের ) থেকে পছন্দনীয় আর কোনো দিন নেই।’ ” - শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ #যিলহজ্ব #Dhul_Hijjah https://t.me/AbdulAzizAtTarifi
540
19
“ আল্লাহ মুসা আলাইহিস সালাম এর সাথে কথা বলেছিলেন জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের মধ্যে। এই দিনগুলোর মধ্যেই ওয়াহী নাযিল সমাপ্ত হয়ে দ্বীন ইসলাম পূর্ণাঙ্গ হয়। আর আল্লাহ এই দিনগুলোর নামে শপথ করেছেন। এই দিনগুলোতে ( জিলহজ্জের প্রথম দশ দিন ) করা নেক আমল অন্যান্য দিনের চেয়ে উত্তম। বিশেষ করে — তাকবীর এবং সওম। আর বৎসরের শ্রেষ্ঠ দিন হচ্ছে — আরাফাহর দিন। ” - শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ #যিলহজ্ব #Dhul_Hijjah https://t.me/AbdulAzizAtTarifi
395
20
“ জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিন বৎসরের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন আর রমাদানের শেষ দশ রাত্রি হলো সর্বশ্রেষ্ঠ রাত্রি। তাই যে কেউ এই দিন ( জিলহজ্জের প্রথম দশ দিন ) আর রাতগুলোতে ইবাদত করতে পারলো, সে সত্যিই ভাগ্যবান। ” - শাইখ আব্দুল আযীয আল তারিফী ফাক্কাল্লাহু আসরহ #যিলহজ্ব #Dhul_Hijjah https://t.me/AbdulAzizAtTarifi
349