en
Feedback
প্রজন্ম

প্রজন্ম

Open in Telegram

সবাই মিললে শক্তিশালী ✊

Show more
307
Subscribers
No data24 hours
-17 days
-1030 days
Posts Archive
ইনসাফ, ইনসাফ ✊
ইনসাফ, ইনসাফ ✊

এক দফা দাবিতে অসহযোগ আন্দোলনের পাশাপাশি আগামীকাল ৪ আগস্ট বেলা ১১ টা থেকে রাজধানীসহ সারাদেশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বিক্ষোভ ও গণসমাবেশ পালিত হবে। সকাল থেকেই ঢাকার প্রবেশপথ গুলোতে ছাত্র-জনতাকে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। কেন্দ্রীয়ভাবে শাহবাগে বেলা ১১ টা থেকে বিক্ষোভ ও গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সর্বোচ্চ উপস্থিতি নিশ্চিতে সকলের অংশগ্রহণের আহ্বান করছি। কর্মসূচি সফল করতে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, মাদরাসা শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী, পেশাজীবি, রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক নির্বিশেষে আপামর জনসাধারণকে রাজপথে নেমে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে বিক্ষোভ ও গণসমাবেশ পালন করবো। তবে আঘাত আসলে তা প্রতিহত করার সকল প্রস্তুতি নিয়ে রাখার আহ্বান রইলো। বৈষম্যেবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

★ এক দফা: খুনের দায়ে শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী সরকারের পতন ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ। ★ ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ গঠন করা হবে যেখানে সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে৷ এমন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত করা হবে যাতে বাংলাদেশে আর কখনোই স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদ ফিরে আসতে না পারে। ★ অনির্দিষ্টকালের জন্য সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন। ★ পাশাপাশি আগামীকাল সকল জেলা, উপজেলা, পাড়ায়, মহল্লায় বিক্ষোভ ও গণঅবস্থান কর্মসূচী। ★ সকল খুনের বিচার এবং সকল রাজবন্দীকে মুক্ত করা হবে। ★ সকল ক্যাম্পাস ও হল খুলে দেওয়ার জন্য ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম। আগামীকালের মধ্যে হল খোলা না হলে শিক্ষার্থীরা নিজ দায়িত্ব হল খুলে প্রবেশ করবে। ★ সর্বস্তরের নাগরিক প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করে শীঘ্রই ক্ষমতা হস্তান্তরের জাতীয় রুপরেখা হাজির করা হবে। ★ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ও দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের নাগরিকদের নিয়ে জাতীয় সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হবে।

The sight we all waited to see ❤️‍🔥
The sight we all waited to see ❤️‍🔥

জরুরি অবস্থা ও সরকারের সাথে আলোচনা প্রসঙ্গে— ১৯শে জুলাই আমরা কারফিউ ভঙ্গ করে শাটডাউন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছিলাম। আমাদের সে বক্তব্য কোনো মিডিয়ায় প্রচার করতে দেওয়া হয় নাই। সে রাতে আমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্মম অত্যাচার করা হয় এ ঘোষণার জন্য এবং আন্দোলন প্রত্যাহার ও সরকারের সাথে আলোচনায় বসার জন্য জবরদস্তি করা হয়। ছাত্রজনতা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছিল৷ সরকার দমন-পীড়ন করে সেটিকে সংঘাত ও সহিংসতার দিকে ঠেলে দিয়েছে। কারফিউ ও ইন্টারনেট বন্ধ করে শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এবার এরকম পরিস্থিতি হলে কারো জন্যই পরিণতি ভালো হবে না। পরবর্তীতে ডিবি অফিস থেকেও আমাদের প্রধানমন্ত্রীর দফতরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আমাদের অনশন ও রাজপথে আন্দোলনের কারণে সে পরিকল্পনা সফল হয়নি। আমরা এখনো শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখতে চাই। আমরা কোনো সহিংসতা, প্রতিহিংসা ও প্রাণনাশ চাই না৷ নিরাপত্তা বাহিনীকেও এরজন্য সহযোগিতা করতে হবে। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের রাজপথে দেখা গেলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে এর দায়ভার নিতে হবে। তবে রক্ত ঝড়লে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। আমরা ন্যায়বিচার ও জীবনের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। গণজোয়ার তৈরি হয়েছে। কোনো ধরনের দমন-পীড়ন, প্রোপাগাণ্ডা ও ষড়যন্ত্র করে এ আন্দোলন থামানো যাবে না। জরুরি অবস্থা বা কারফিউ ছাত্র-নাগরিক মেনে নিবে না। শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি চাইলে গুলি ও হামলা করার নির্দেশ বন্ধ করতে হবে। অসহযোগ আন্দোলনের নির্দেশনা অনুযায়ী চলতে হবে। খুনি সরকারের কাছে বিচার চাওয়া বা সংলাপে বসারও সুযোগ আর নেই। ক্ষমা চাওয়ার সময়ও পার হয়ে গেছে। যখন সময় ছিল তখন সরকার ব্লক রেইড দিয়ে শিক্ষার্থীদের গ্রেফতার করেছে, নির্যাতন করেছে। আখতার হোসেন, আরিফ সোহেলসহ রাজবন্দীদের কারাগারে রেখে আমরা কোনো ধরনের সমঝোতায় যাবো না। নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি আহ্বান থাকবে খুনি সরকারকে সমর্থন না দিয়ে ছাত্র-নাগরিকের পাশে থাকুন। সরকার জনগণের বিপক্ষে দাঁড়ালে সেই সরকারের হুকুম শুনতে আপনারা আর বাধ্য নন। ছাত্রদের সাথে মিছিলে যোগ দিন। আমরা পুলিশ নয়, হুকুমের আসামীকে কাঠগড়ায় দাঁড়া করাতে চাই। নিরাপত্তা বাহিনীকে মিছিলে যোগদানের আহ্বান থাকবে। সবাই শান্তিপূর্ণভাবে আজকের বিক্ষোভ ও আগামীকাল থেকে অসহযোগ কর্মসূচী সফল করুন। "বাংলাদেশের জনগণ, নেমে আসুন, নেমে পড়ুন" "বাংলাদেশের অভিভাবক, নেমে আসুন, নেমে পড়ুন" "বাংলাদেশের শিক্ষকেরা, নেমে আসুন, নেমে পড়ুন" "বাংলাদেশের শ্রমিকেরা নেমে আসুন, নেমে পড়ুন" মো. নাহিদ ইসলাম, সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

শয়তানকে পাথর মারার দৃশ্য 😄

DP
+9
DP

এক দফা ঘোষণাপত্র যেহেতু, বর্তমান সরকারের নির্দেশে নির্বিচারে গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে। নারী-শিশু-ছাত্র-শিক্ষক-শ্রমিক কেউ এই গণহত্যা থেকে রেহাই পাননি। যেহেতু, সরকার এই হত্যাযজ্ঞের বিচার করার পরিবর্তে নির্বিচারে ছাত্র-জনতাকে গ্রেফতার ও নির্যাতন করছে। যেহেতু, সরকারের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মরণঘাতী আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে হত্যাযজ্ঞ সংঘটন করেছে। যেহেতু, ছাত্র-শিক্ষক-শ্রমিক-মজুরসহ আপামর জনগণ মনে করছে এই সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ বিচার এবং তদন্ত সম্ভব নয়। সেহেতু, আমরা বর্তমান স্বৈরাচারী সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবী ঘোষণা করছি। একই সাথে সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য ব্যক্তির নেতৃত্বে একটি গ্রহণযোগ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় সরকার গঠনের দাবী জানাচ্ছি। ------------------------------- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

ফরিদপুরে ও কুমিল্লার অবস্থা খুবই খারাপ। খুনি হাসিনার উপর আল্লাহর গজব পড়ুক।

হঠাৎ এসব সংবাদ কেন 😄
হঠাৎ এসব সংবাদ কেন 😄

অসহযোগ আন্দোলন সফল করতে মুক্তিকামী ছাত্র-জনতার প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জরুরি নির্দেশনাঃ ১। কেউ কোন ধরণের ট্যাক্স বা খাজনা প্রদান করবেন না। ২। বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, পানির বিলসহ কোন ধরণের বিল পরিশোধ করবেন না। ৩। সকল ধরণের সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, অফিস আদালত ও কল কারখানা বন্ধ থাকবে। আপনারা কেউ অফিসে যাবেন না, মাস শেষে বেতন তুলবেন। ৪। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ৫। প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে কোন ধরণের রেমিটেন্স দেশে পাঠাবেন না। ৬। সকল ধরণের সরকারি সভা, সেমিনার, আয়োজন বর্জন করবেন। ৭। বন্দরের কর্মীরা কাজে যোগ দিবেন না! কোন ধরণের পণ্য খালাস করবেন না। ৮। দেশের কোন কলকারখানা চলবেনা, গার্মেন্টসকর্মী ভাই বোনেরা কাজে যাবেন না! ৯। গণপরিবহন বন্ধ থাকবে, শ্রমিকরা কেউ কাজে যাবেন না। ১০। জরুরি ব্যাক্তিগত লেনদেনের জন্য প্রতি সপ্তাহের রবিবারে ব্যাংকগুলো খোলা থাকবে। ১১। পুলিশ সদস্যরা রুটিন ডিউটি ব্যাতিত কোন ধরণের প্রটোকল ডিউটি, রায়ট ডিউটি ও প্রটেস্ট ডিউটিতে যাবেন না। শুধু মাত্র থানা পুলিশ নিয়মিত থানার রুটিন ওয়ার্ক করবে। ১২। দেশ থেকে যেন একটি টাকাও পাচার না হয়, সকল অফশোর ট্রান্জেকশন বন্ধ থাকবে। ১৩। বিজিবি ও নৌবাহিনী ব্যাতিত অন্যান্য বাহিনী ক্যান্টনমেন্টের বাইরে ডিউটি পালন করবে না। বিজিবি ও নৌবাহিনী ব্যারাক ও কোস্টাল এলাকায় থাকবে। ১৪। আমলারা সচিবালয়ে যাবেন না, ডিসি বা উপজেলা কর্মকর্তারা নিজ নিজ কার্যালয়ে যাবেন না। ১৫। বিলাস দ্রব্যের দোকান, শো রুম, বিপনী-বিতান, হোটেল, মোটেল, রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকবে। ★হাসপাতাল, ফার্মেসি, জরুরি পরিবহন সেবা যেমন-ঔষধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহণ, অ্যাম্বুলেন্স সেবা, ফায়ার সার্ভিস, গণমাধ্যম, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য পরিবহণ, জরুরি ইন্টারনেট সেবা, জরুরি ত্রাণ সহায়তা এবং এই খাতে কর্তব্যরত কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিবহণ সেবা চালু থাকবে। ★নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকানপাট বেলা ১১-১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে! আসিফ মাহমুদ সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

অসহযোগ আন্দোলন সফল করতে মুক্তিকামী ছাত্র-জনতার প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জরুরি নির্দেশনাঃ ১। কেউ কোন ধরণের ট্যাক্স বা খাজনা প্রদান করবেন না। ২। বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, পানির বিলসহ কোন ধরণের বিল পরিশোধ করবেন না। ৩। সকল ধরণের সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, অফিস আদালত ও কল কারখানা বন্ধ থাকবে। আপনারা কেউ অফিসে যাবেন না, মাস শেষে বেতন তুলবেন। ৪। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ৫। প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে কোন ধরণের রেমিটেন্স দেশে পাঠাবেন না। ৬। সকল ধরণের সরকারি সভা, সেমিনার, আয়োজন বর্জন করবেন। ৭। বন্দরের কর্মীরা কাজে যোগ দিবেন না! কোন ধরণের পণ্য খালাস করবেন না। ৮। দেশের কোন কলকারখানা চলবেনা, গার্মেন্টসকর্মী ভাই বোনেরা কাজে যাবেন না! ৯। গণপরিবহন বন্ধ থাকবে, শ্রমিকরা কেউ কাজে যাবেন না। ১০। জরুরি ব্যাক্তিগত লেনদেনের জন্য প্রতি সপ্তাহের রবিবারে ব্যাংকগুলো খোলা থাকবে। ১১। পুলিশ সদস্যরা রুটিন ডিউটি ব্যাতিত কোন ধরণের প্রটোকল ডিউটি, রায়ট ডিউটি ও প্রটেস্ট ডিউটিতে যাবেন না। শুধু মাত্র থানা পুলিশ নিয়মিত থানার রুটিন ওয়ার্ক করবে। ১২। দেশ থেকে যেন একটি টাকাও পাচার না হয়, সকল অফশোর ট্রান্জেকশন বন্ধ থাকবে। ১৩। বিজিবি ও নৌবাহিনী ব্যাতিত অন্যান্য বাহিনী ক্যান্টনমেন্টের বাইরে ডিউটি পালন করবে না। বিজিবি ও নৌবাহিনী ব্যারাক ও কোস্টাল এলাকায় থাকবে। ১৪। আমলারা সচিবালয়ে যাবেন না, ডিসি বা উপজেলা কর্মকর্তারা নিজ নিজ কার্যালয়ে যাবেন না। ১৫। বিলাস দ্রব্যের দোকান, শো রুম, বিপনী-বিতান, হোটেল, মোটেল, রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকবে। ★হাসপাতাল, ফার্মেসি, জরুরি পরিবহন সেবা যেমন-ঔষধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহণ, অ্যাম্বুলেন্স সেবা, ফায়ার সার্ভিস, গণমাধ্যম, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য পরিবহণ, জরুরি ইন্টারনেট সেবা, জরুরি ত্রাণ সহায়তা এবং এই খাতে কর্তব্যরত কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিবহণ সেবা চালু থাকবে। ★নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকানপাট বেলা ১১-১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে! আসিফ মাহমুদ সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

অভ্যুত্থান 🔥
+2
অভ্যুত্থান 🔥

প্রিয় বন্ধুগণ, আস সালামু আলাইকুম।  আপনাদের সবার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে,  আমি মোঃ নজরুল ইসলাম,  অতিরিক্ত পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক, সাধারণ শিক্ষার্থীদের ডাকা সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের  সাথে একাত্বতা ঘোষণা করছি।  দীর্ঘ ১৫ বছর চুপ থেকে এই সরকারের খুন, ব্যাংক লুটেরা, দূর্নীতি সহ্য করেছি। কথা বলতে পারিনি। এছাড়া আমরা মুসলমান হওয়া সত্বেও মুর্তি বানিয়ে ও তাতে ফুল দিয়ে আমাদেরকে জোর করে ধীরে ধীরে পৌত্তলিকের প্রতি আকৃষ্ট বা মুশরিক বানানোর প্রচেষ্টা চলছে যা ঈমানের সম্পুর্ন পরিপন্থী।  সম্প্রতি সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের উপর অমানুষিক নির্যাতন,  নিপীড়ন হত্যা ও অনিয়মের কথা আমরা বলতে পারছি না - হৃদয় যেন আমাদের অন্ধ হয়ে গেছে। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি সরকারের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত রাষ্ট্রের মালিক জনগন তথা ছাত্রদের সাথে থাকব, ইনশাআল্লাহ। রাস্ট্রের মালিক যদি জয়লাভ করে, তাহলে হয়তো আমি আবার রাস্ট্রের মালিকের সেবা করতে ফিরে যাব  আর এই খুনী, ব্যাংক লুটেরা, দুর্নীতিবাজ,  সরকার যদি টিকে যায় তবে আমি হয়তো চাকুরীতে ফিরব না। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি,  জীবন ও জীবিকা সর্বময় ক্ষমতার মালিক আল্লাহর হাতে। আমার দ্বারা কারো কোনো ক্ষতি বা মনের অজান্তে কোনো ভুল করে থাকলে আপনারা সবাই ক্ষমা করে দিবেন। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে একজন মুমিন হিসেবে শাহাদাৎ বরণ করতে পারি।  মো: নজরুল ইসলাম। অতিরিক্ত পরিচালক ও সাধারণ সম্পাদক,  ইএলসি,  এসএমইএন্ড এসপিডি,  বাংলাদেশ ব্যাংক। মুল পোস্ট লিংক: https://www.facebook.com/1372275501/posts/10227050474232418/?app=fbl

প্রিয় বন্ধুগণ, আস সালামু আলাইকুম। আপনাদের সবার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আমি মোঃ নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক, সাধারণ শিক্ষার্থীদের ডাকা সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের সাথে একাত্বতা ঘোষণা করছি। দীর্ঘ ১৫ বছর চুপ থেকে এই সরকারের খুন, ব্যাংক লুটেরা, দূর্নীতি সহ্য করেছি। কথা বলতে পারিনি। এছাড়া আমরা মুসলমান হওয়া সত্বেও মুর্তি বানিয়ে ও তাতে ফুল দিয়ে আমাদেরকে জোর করে ধীরে ধীরে পৌত্তলিকের প্রতি আকৃষ্ট বা মুশরিক বানানোর প্রচেষ্টা চলছে যা ঈমানের সম্পুর্ন পরিপন্থী। সম্প্রতি সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের উপর অমানুষিক নির্যাতন, নিপীড়ন হত্যা ও অনিয়মের কথা আমরা বলতে পারছি না - হৃদয় যেন আমাদের অন্ধ হয়ে গেছে। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি সরকারের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত রাষ্ট্রের মালিক জনগন তথা ছাত্রদের সাথে থাকব, ইনশাআল্লাহ। রাস্ট্রের মালিক যদি জয়লাভ করে, তাহলে হয়তো আমি আবার রাস্ট্রের মালিকের সেবা করতে ফিরে যাব আর এই খুনী, ব্যাংক লুটেরা, দুর্নীতিবাজ, সরকার যদি টিকে যায় তবে আমি হয়তো চাকুরীতে ফিরব না। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জীবন ও জীবিকা সর্বময় ক্ষমতার মালিক আল্লাহর হাতে। আমার দ্বারা কারো কোনো ক্ষতি বা মনের অজান্তে কোনো ভুল করে থাকলে আপনারা সবাই ক্ষমা করে দিবেন। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে একজন মুমিন হিসেবে শাহাদাৎ বরণ করতে পারি। মো: নজরুল ইসলাম। অতিরিক্ত পরিচালক ও সাধারণ সম্পাদক, ইএলসি, এসএমইএন্ড এসপিডি, বাংলাদেশ ব্যাংক। মুল পোস্ট লিংক: https://www.facebook.com/1372275501/posts/10227050474232418/?app=fbl

কি এক্টা অবস্থা
কি এক্টা অবস্থা

দেশকে বাঁচাতে হলে ভারতের সাথে সকল রেললাইন পথ উপড়ে ফেলুন!

আপনি কয় দফা চান?
Anonymous voting

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম,
জুলাইয়ে রিজার্ভ কমল ১৩০ কোটি ডলার
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশে ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স এসেছে জুলাইয়ে। জুনের তুলনায় গত মাসে ৬৩ কোটি ডলার বা প্রায় ২৫ শতাংশ কম রেমিট্যান্স এসেছে। প্রবাসী আয়ে বড় পতনের এ ধাক্কা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর পড়েছে। জুলাইয়ে রিজার্ভ কমেছে প্রায় ১৩০ কোটি ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সের এসব তথ্য জানিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে,
গত ৩০ জুন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড (বিপিএম৬) অনুসারে দেশের রিজার্ভ ছিল ২১ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার। ৩১শে জুলাই তা ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।
তবে ব্যবহারযোগ্য নিট রিজার্ভ এখন ১৫ বিলিয়ন ডলারের কম বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ ছিল ২০২১ সালের আগস্টে। এর পর থেকেই ধারাবাহিক ক্ষয় চলছে। সূত্র: BBC Bangla

সারাদেশে ছাত্র-নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলা করে খুনের প্রতিবাদ ও ৯ দফা দাবিতে আগামীকাল শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল ও রবিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য "সর্বাত্মক অসহযোগ" আন্দোলনের ডাক দেওয়া হলো। সারাদেশের আপামর জনসাধারণকে অলিতে-গলিতে, পাড়ায় পাড়ায় সংগঠিত হয়ে কর্মসূচি সফল করার আহ্বান করা যাচ্ছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন