307
Subscribers
No data24 hours
-17 days
-1030 days
Posts Archive
307
জরুরি ঘোষণা
ফেনী শহর ও আশপাশের বন্যা দুর্গতদের জন্য ফেনী ফালাহিয়া মাদ্রাসায় জেনারেটরসহ থাকা ও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
যোগাযোগ :
কামরুল ইসলাম- 01845149689
307
স্পিডবোট মেনেজ হয়েছে। প্রতি ট্রিপে অন্তত ৩০ জন উদ্ধারে সক্ষম আমাদের স্পিডবোট চাঁদপুর থেকে ফেনীর পথে রওনা হয়েছে। কুমিল্লা ও ফেনী পৌঁছাতে ৩-৪ ঘণ্টা লাগতে পারে।
এখন কোন এলাকায় যাওয়া বেশি প্রয়োজন জানান!
সহযোগিতা পেতে যোগাযোগ
01814720758 (সোহাগ)
01875810789 (সাজ্জাদ)
ফেনী সদর থেকে সেনাবাহিনীর উদ্ধারদল ১২টি স্পীড বোট ও হেলিকপ্টার নিয়ে পরশুরাম-ফুলগাজী যাচ্ছে।
যোগাযোগ:
মেজর সানজিদ 01769331213
307
ভারতকে যা দিয়েছি ভারত কখনও ভুলতে পারবে না।
দিতে দিতে সব শেষে
৫ তারিখ নেত্রীকেও দিয়ে দিলাম। তারপরও ওদের কিসের এতো আকাঙ্খা ?🙃🤩
307
বন্যাদূর্গতদের পাশে দাঁড়ান।
ফেনী, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী অঞ্চলের ভয়াবহ বন্যার কথা চিন্তা করে সেখানে ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে সেখানে সর্বোচ্চ সাহায্য পৌঁছানোটাই এখন মূল দায়িত্ব।
সেই জন্য আগামীকাল রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আয়োজিত কনসার্ট স্থগিত করা হলো।
307
মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের তথ্য
দেড় দশকে বিচারবহির্ভূত হত্যা ২,৬৯৯ ও গুম হন ৬৭৭ জন
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত শাসনামলে দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ২ হাজার ৬৯৯ জন। এ সময়ে গুম হন ৬৭৭ জন, কারাগারে মৃত্যুবরণ করেন ১ হাজার ৪৮ জন। মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের তালিকাসহ ২০২৪ সালের ঘটনা যুক্ত করলে নিহতের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়াবে বলে দাবি সংগঠনটির।
শুধু অধিকার নয়, মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) নির্বাহী পরিচালক ফারুখ ফয়সলও একই তথ্য জানান। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ‘অধিকারের সঙ্গে আমাদের হয়তো সংখ্যাগত দিক থেকে কিছুটা পার্থক্য থাকবে, এটা অবশ্য খুবই ছোট। তবে অধিকারের তথ্যের ওপর আমাদের আস্থা রয়েছে।’
তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সবচেয়ে বেশি হয়েছে নির্বাচনের বছরগুলোয়। অন্যান্য বছরের তুলনায় যা দ্বিগুণ ছিল। এর মধ্যে ২০১৮ সালে সর্বোচ্চ ৪৬৬ জনকে হত্যা করা হয়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এ বছরই সর্বোচ্চসংখ্যক মানুষ গুম হয়। কারাগারে মৃত্যুও ছিল তৃতীয় সর্বোচ্চ।
307
প্রথমে ওরা ফিরে এলো:- তুমি কে আমি কে? বাঙালি, বাঙালি।
তারপর ফিরে এলো : কোটার পক্ষে ছিলাম কিন্তু এখন যেটা চাচ্ছেন সেটার পক্ষে নেই।
তারপর ফিরে এলো: জায়গায় জায়গায় খবর দে এক দফার কবর দে।
তারপর ফিরে এলো: তোরা যদি রা/জা/কার হস, ’আমরা হব গেরিল’ হয়ে।
তারপর ওরা ফিরে এলো:- এমন স্বাধীনতাই কি আমরা চেয়েছিলাম?
তারপর ওরা ফেরত এলো:-ডা/কা/ত হয়ে।
এরপর আজকে ওরা ফেরত এলো:- হিন্দু হয়ে।
কালকে কি হয়ে ফিরবে মতামত দিন আপনাদের?
307
ক্ষমা কী সবাইকে করা যায়??
মক্কা বিজয়ের পর রাসুলুল্লাহ (সা.) এক ঐতিহাসিক সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে মক্কার কাফিরদের ক্ষমা করেছিলেন। কিন্তু কিছু ব্যক্তিকে সেই সাধারণ ক্ষমার আওতাভুক্ত ছিল না। তারা ছিল ১৪ জন, মতান্তরে ১৫ জন। তারা হলো, (১) আবদুল্লাহ ইবনে খাতাল, (২) ফারতানা, (৩) কারীনা (এরা দুজন ছিল আবদুল্লাহ ইবনে খাতালের বাঁদি), (৪) সারাহ, (৫) হুয়াইরিস ইবনে নুকাইদ, (৬) মিকয়াস ইবনে সুবাবা, (৭) আবদুল্লাহ ইবনে সাদ ইবনে আবি সারাহ, (৮) ইকরামা ইবনে আবি জাহল, (৯) হাব্বার ইবনে আসওয়াদ, (১০) কাব ইবনে যুহাইর, (১১) ওয়াহশি ইবনে হারব, (১২) হারিস ইবনে তুলাতিল, (১৩) আবদুল্লাহ ইবনে জিবারা, (১৪) হুবাইরা ইবনে আবি ওয়াহাব, (১৫) হিন্দ বিনতে উতবা।
এদের মধ্য থেকে ছয়জনকে হত্যা করা হয়। তারা হলো, (১) আবদুল্লাহ ইবনে খাতাল, (২) আবদুল্লাহর দুই বাঁদি থেকে একজন, (৩) সারাহ (তার সম্পর্কে ভিন্নমতও রয়েছে), (৪) হুয়াইরিস ইবনে নুকাইদ, (৫) মিকয়াস ইবনে সুবাবা, (৬) হারিস ইবনে তুলাতিল। এবং এই ১৪ জনের মধ্যে কেউ কেউ যেমন—ইকরামা ইবনে আবি জাহল, ওয়াহশি ইবনে হারব মুসলমান হয়েছিলেন, আবার কেউ কেউ বিভিন্নভাবে বেঁচে যায়!।
(সূত্র : ফাতহুল বারি : ৭/৬৪৮, সিরাতে ইবনে কাসির : ৩/৪৬৩, ইদরিস কান্দলভি রচিত সিরাতে মুস্তফা : ৩/১০০৫)
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিরস্ত্রাণ পরিহিত অবস্থায় মক্কায় (বিজয়ী বেশে) প্রবেশ করেন। তখন তাকে বলা হলো, (هذا ابن خطل متعلق باستار الكعبة ، فقال : " اقتلوه ) ঐ যে ইবনে খাতাল কাবাগৃহের গিলাফ ধরে ঝুলছে। তিনি বললেন, তোমরা তাকে হত্যা করো। (সহীহ বুখারী, হা/১৮৪৬; সহীহ মুসলিম, হা/৩৩৭৪)
সুতরাং আমরা ক্ষমাশীল হবো, বিনয়ী হবো; কিন্তু যারা বছরের পর বছর জুলুম করেছে, অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে, লুটতরাজ করেছে, বছরের পর বছর মানুষকে বাড়িতে থাকতে দেয়নি, মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে, ঘরবাড়ি-ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান জ্বালিয়েছে, মামলা-হামলা, গুম-খুন, ক্রসফায়ারের নামে অকাতরে হত্যাযজ্ঞ চালয়েছে এবং যাকে ছেড়ে দিলে আবারো স্বাধীনতা খর্ব হওয়ার সম্ভবনা শতভাগ তাদের বিচার অবশ্যই করতে হবে!! নাহয় এটাই অন্যায় হবে! তবে কারো বাড়ি-ঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আগুন দেয়াটা ঠিক না, কারণ বাড়িতে নারী-শিশুরা থাকে!
307
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আপনাকে সবাইকে অংশগ্রহণের অনুমতি দিতে হবে যতক্ষণ তারা আইন ভঙ্গ না করে, হোক সেটা জামায়াত বা বিএনপি।
এটি জনগণের সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার, আপনি জনগণকে সিদ্ধান্ত নেয়ার কোনো সুযোগ দেননি যে তারা জামায়াতকে পছন্দ করে কিনা। আপনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে জামায়াত ভালো নয়, এটাই সমস্যা। আপনাকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে যেতে হবে। তাদের স্বাধীনতা দিতে হবে, প্রতিটি নাগরিকের নিজেকে প্রকাশ করার, নিজস্ব রাজনৈতিক দল গঠন করার স্বাধীনতা দিতে হবে যতক্ষণ তারা আইন ভঙ্গ না করে।
-ড. মুহাম্মদ ইউনুস
307
কালকে লং মার্চ। কথা এটাই।
.
ইন্টারনেট বন্ধ হলে কী করবেন?
লং মার্চে যোগ দেবেন।
.
সব ফোন নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দিলে কী করবেন?
লং মার্চে যোগ দেবেন।
.
সমন্বয়কদের উধাও করে দিলে কী করবেন?
লং মার্চে যোগ দেবেন।
.
আর্মি গুলি করছে শুনলে কী করবেন?
লং মার্চে যোগ দেবেন।
.
সব মানুষ রাস্তায় নেমে আসবেন। ঢাকার বাইরে যারা, তারা ঢাকার দিকে হাটা দেবেন। ঢাকার ভেতরে যারা, তারা গণভবনের দিকে। নিশ্চিন্ত থাকুন, আপনি একা না। পথে দেখা হয়ে যাবে ইতিহাসের সাথে।
.
এটা এই কওমের অস্তিত্বের প্রশ্ন। রাক্ষসী টিকে গেলে সবাইকে শেষ করে দেবে। আর কোন অপশান নেই, আর কোন কনফিউশান নেই।
.
কোন নেতা, এজেন্ডা, কিংবা ডিরেকশান দেখার টাইম নাই। আগামীকাল ঢাকার রাস্তায় আসুন। কোটি মানুষের মার্চের সামনে কেউ দাড়াতে পারে না, পারবে না ইন শা আল্লাহ।
- আসিফ আদনান
307
আগামীকালের কর্মসূচী:
★৫ই অগাস্ট (সোমবার)
সারাদেশে শহীদ স্মরণে শহীদ হওয়ার স্থানসমূহে শহীদ স্মৃতিফলক উন্মোচন
ঢাকায়—
সকাল ১১টায় শাহবাগে শ্রমিক সমাবেশ
বিকাল ৫টায় শহীদ মিনারে নারী সমাবেশ
সারাদেশে বিক্ষোভ ও গণঅবস্থান
★৬ই অগাস্ট (মঙ্গলবার)
” লংমার্চ টু ঢাকা ”
সারাদেশের ছাত্র-নাগরিক-শ্রমিকদের ঢাকায় আসার আহ্বান।
জমায়েত: শাহবাগ
দুপুর ২টা
"ছাড়তে হবে ক্ষমতা
ঢাকায় আসো জনতা"
সকল এলাকায়, পাড়ায়, গ্রামে, উপজেলা, জেলায় ছাত্রদের নেতৃত্বে সংগ্রাম কমিটি গঠন করুন।
যদি ইন্টারনেট ক্র্যাকডাউন হয়, আমাদেরকে গুম, গ্রেফতার, খুনও করা হয়, যদি ঘোষণা করার কেউ নাও থাকে একদফা দাবিতে সরকার পতন না হওয়া পর্যন্ত সবাই রাজপথ দখলে রাখবেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে অসহযোগ আন্দোলন অব্যাহত রাখবেন।
সবাই দ্রুত শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন
307
“ভবিষ্যৎ যে প্রজন্ম গড়ে উঠছে তাদেরকে আপনারা বোকা ভাববেন না। তারা যথেষ্ট ম্যাচুর্ড ও সচেতন। তারা ভালোমন্দ বুঝেই তাদের আদর্শ ও লাইফস্টাইল বাছাই করতে জানে। আদর্শকে আদর্শ দিয়ে মোকাবিলা করতে হয়, 'সন্দেহ' আর 'চেতনা'-র কার্ড দিয়ে নয়।”
-জাহিদুল ইসলাম
