en
Feedback
Premium Network™

Premium Network™

Open in Telegram

Hello , this is the Official Channel Of Premium Network Community , from here You can get Premium Tips , Premium Account & other giveaways.

Show more
No data
Subscribers
+1024 hours
-127 days
+3 33130 days
Posts Archive
সেই বেঞ্চ এ বসায় রাখবে

Mustafizur Rahman Sold To KKR
Mustafizur Rahman Sold To KKR

Repost from MISIRTUNE
রাজধানীতে জামায়াতের মিছিলে স্লোগান “আমরা সবাই মুজিব সেনা ” গুপ্ত যখন আগে ছাত্রলীগ ছিলো 🤡🤣

তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো.. একদিন এই গ্রুপে স্বাধীন করতে হবে..

Thanks vai❤️
Thanks vai❤️

আমি চাই একটা যুদ্ধ প্রিমিয়াম নেটওয়ার্ক-এ হোক। ওই দিনকে চ্যানেলের বিজয় দিবস হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হবে।

ইতিহাস না জানলে হোগায় আগুন লাগে 🤣

১৯৭১ সালে দুইটা যুদ্ধ হয়েছে। একটা বাংলাদেশ - পাকিস্তান যুদ্ধ, ২৬৫ দিন স্থায়ী ছিল। আরেকটা ভারত - পাকিস্তান যুদ্ধ, ১৩ দিন স্থায়ী ছিল।
ভারত প্রথমে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অপারেশন করেনি। জেনারেল মানেকশর পরামর্শে ইন্দিরা গান্ধী বারবার সরাসরি যুদ্ধে জড়ানো বিলম্বিত করেছে। ওদিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের পর্যাপ্ত সাহায্য না পাওয়ায় পাকিস্তানি বাহিনী হতাশ হয়ে পড়ে। তারা তখন যুদ্ধবিরিতর কৌশল খুঁজে। এরজন্য সবচেয়ে কার্যকর উপায় ছিল এটাকে একটা আন্তর্জাতিক কনফ্লিক্টে রূপ দেওয়া, যাতে জাতিসংঘ যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নেয়। এই আশাতেই বাংলাদেশে হারতে থাকা পাকিস্তানি বাহিনী ০৩ ডিসেম্বর ভারতের অভ্যন্তরে এগারোটি বিমান ঘাটিতে 'অপারেশন চেঙ্গিস খান' পরিচালনা করে। এর ফলশ্রুতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত- পাকিস্তান যুদ্ধের সূচনা হয়। এই অপারেশনে ভারতের কেবল একটা রানওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, পাকিস্তানের চারটা বিমান ভূপাতিত হয়। ভারত ওই রাতেই সব রিপেয়ার করে ফেলে। চেঙ্গিস খানের নামের কী নিদারুণ অপমান! ১৬ ডিসেম্বর তারা মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। বাংলাদেশ তখনও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়নি। জেনেভা কনভেনশনে সাক্ষর করার সুযোগ হয়নি। এই অবস্থায় বাংলাদেশের কাছে আত্মসমর্পণ করলে যুদ্ধবন্দীদের ছাতু করে ফেললেও কিছু করার থাকত না। অন্যদিকে, ভারত জেনেভা কনভেনশনের পার্টি ছিল। পাকিস্তানি সেনাদের জন্য ভারতীয় কমান্ডারের কাছে আত্মসমর্পণ করাই ছিল নিরাপদ। অন্তত তাদের জীবন বেঁচেছে। আত্মসমর্পণ দলিলে জেনারেল অরোরাকে বলা হয়েছে ইস্টার্ন থিয়েটারের ভারত ও বাংলাদেশী ফোর্সের কমান্ডার। এই একটা সারেন্ডারের মাধ্যমেই দুইটা যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। বাংলাদেশ ও ভারত জয়লাভ করে। পাকিস্তান পরাজিত হয়। ১৯৭১ সালে ভারতের সেনাপ্রধান ছিলেন স্যাম মানেকশ, পাকিস্তানের ইয়াহিয়া খান এবং বাংলাদেশের এমএজি ওসমানী। অন্যদিকে, নিয়াজী ও অরোরা দুজনেই লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদমর্যাদায় ইস্টার্ন ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন। সেই হিসেবে নিয়াজী বা অরোরার সাথে ওসমানীর প্রটোকল মিলে না। ওসমানী সুপিরিয়র অফিসার। আবার ওসমানী জয়েন্ট ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন না। জয়েন্ট ফোর্স ছিল অরোরার কমান্ডে। সংগত কারণেই সারেন্ডার ইনস্ট্রুমেন্টে লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজীর কাউন্টার পার্ট হিসেবে লেফটেন্যান্ট জেনারেল অরোরা সাক্ষর করেছেন।
 নরেন্দ্র মোদিসহ ভারতের সরকার সবসময় শুধু তাদের অংশ উদযাপন করে। তাদের ১৩ দিনের যুদ্ধের বিজয়। বাংলাদেশের কথা বলে না। এক্ষেত্রে তারা কেবল কিছু সত্য গোপন করেছে বটে, আমাদের বিজয়কে তাদের বিজয় হিসেবে সেলিব্রেট করছে এমন বলা যায় না। মাথামোটা পাকিস্তান আর্মি ০৩ ডিসেম্বর ভারতে আক্রমণ না করলে সেটা বলা যেত।

দেখ তোগো হাসিনা মার অবৈধ বয়ফ্রেন্ড মুদি বাংলাদেশের নামই নিলনা। এটা হালাল আর আমরা বাংলাদেশে বসে কিছু বললে সেটা হারাম 😁 এখন মু
দেখ তোগো হাসিনা মার অবৈধ বয়ফ্রেন্ড মুদি বাংলাদেশের নামই নিলনা। এটা হালাল আর আমরা বাংলাদেশে বসে কিছু বললে সেটা হারাম 😁 এখন মুদির পোলারা চ্যাত করে উঠবে। 😂😂

🎉 GIVEAWAY ACTIVE 🎁 5sim Giveaway 📝 Description: 5sim Giveaway 🏆 Prize: 5sim Giveaway 🎯 Type: 🎲 Random Winner 🏅 Winner Count: 3 👥 Total Participants: 24 ⏰ Time Remaining: 28m 18s ✨ Click "Join Giveaway" to participate!

Joy Bangla Joy শেখ মুজিব

একদিকে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ, অন্যদিকে তরুণ-তরুণীদের সন্তানধারণে অনীহা। ফলে প্রতি বছর জন্মহার ক্রমশ কমছে। এমন পরিস্থিতিতে বিভ
একদিকে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ, অন্যদিকে তরুণ-তরুণীদের সন্তানধারণে অনীহা। ফলে প্রতি বছর জন্মহার ক্রমশ কমছে। এমন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন পরিকল্পনা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে রাতের নির্দিষ্ট সময় বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট বন্ধের পরিকল্পনা। 🤣🤣 এবার পেট থেকেই বাচ্চা গুলা যুদ্ধে যাবে 😁

Repost from MISIRTUNE
🔴 গতকাল থেকে দেখতেছি দিবস পালন করা নাকি শিরক এতো দিন হারাম শুনতাম, গতকাল থেকে দেখতেছি শিরক বলতেছে ডাইরেক্টলি সব ফতোয়া ১৬ই ডি
+1
🔴 গতকাল থেকে দেখতেছি দিবস পালন করা নাকি শিরক এতো দিন হারাম শুনতাম, গতকাল থেকে দেখতেছি শিরক বলতেছে ডাইরেক্টলি সব ফতোয়া ১৬ই ডিসেম্বর নিয়ে । রাজাকারের বাচ্চাদের হোগায় যে বাংলাদেশ নিয়া চুলকানি আমরা তা বুঝি তো ওদের পাকিস্তানি সংগঠন যে দিবস পালন করে তার এভিডেন্স দিলাম...👇 ছাত্র শিবিরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে ৮ টি দিবস পালনের কথা উল্লেখ আছে লিংক - ইসলামী ছাত্রশিবির ঘোষিত বিভিন্ন দিবস ওদের দিবস পালনের আরো সোর্স আছে, সব দেয়ার প্রয়োজন বোধ করছি না । এই শিরক ফতোয়া ওদের বেলায় কই যায় ? দেশ প্রেম দেখালে ওদের চুলকানি কিসের ?

Hi EveryOne | Giveaway ?

Repost from N/a
Happy Victory Day Bangladesh 🇧🇩 54 Years Of Victory Of Independent 🇧🇩🦋🫶

মহান বিজয় দিবসের সবাইকে শুভেচ্ছা.. সেই সব মুক্তিযোদ্ধা, বীর নেতা সহ সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি.. সেই সাথে বাংলাদে
মহান বিজয় দিবসের সবাইকে শুভেচ্ছা.. সেই সব মুক্তিযোদ্ধা, বীর নেতা সহ সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি.. সেই সাথে বাংলাদেশ যেনো আরো একটি নতুন বছরে নতুন করে ভরে উঠে ❤️🙂

১৬ই ডিসেম্বর—আজকের এই ঐতিহাসিক দিনে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম, অগণিত ত্যাগ আর অসীম সাহসের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের এই দিনে বাঙালি জাতি ছিনিয়ে এনেছিল কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। যাদের আত্মত্যাগে আমরা পেয়েছি স্বাধীন দেশের পরিচয়, লাল-সবুজের পতাকা ও মাথা উঁচু করে বাঁচার অধিকার—সেই সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধার প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। বিজয়ের এই দিনে আমাদের প্রত্যয় হোক—মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে একটি ন্যায়ভিত্তিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। বিজয় দিবসের রক্তিম শুভেচ্ছা। 🇧🇩

photo content