en
Feedback
আহমাদ সাব্বির

আহমাদ সাব্বির

Open in Telegram

লেখক, অনুবাদক, সম্পাদক

Show more
864
Subscribers
No data24 hours
No data7 days
No data30 days
Posts Archive
Repost from Toha
গতকাল থেকে যেটা বুঝলাম, "অশিক্ষিত-মূর্খ বাঙালি ট্রান্স গন্ডার আর থার্ড জেন্ডারের পার্থক্য বোঝে না" বলে মুখে ফেনা তোলা শিক্ষিতরাই আসলে পার্থক্যটা বোঝে না। শরিফার গল্পটা পড়ে তারা নাকি আপত্তিকর কিছুই খুঁজে পায়নি। সেখানে নাকি ট্রান্স গন্ডারের কথা বোঝানো হয়নি। থার্ড জেন্ডারের কথাই বোঝানো হয়েছে। অথচ, ১। গল্পের কোথাও শরিফ/শরিফার শারীরিক সমস্যার/ভিন্নতার কথা উল্লেখ করা হয়নি। গল্পটা শুরুই করা হয়েছে এই বলে যে শারীরিকভাবে পুরুষ হলেও "মনে মনে" সে নিজেকে নারী মনে করত, যেটা ক্লাসিক্যাল ট্রান্স গন্ডারীয় শ্লোগান। ২। গল্পের নিচের অংশে এই বছর হিজড়া শব্দটা ঢোকানো হয়েছে (যদিও উপরে যেটা বললাম, গল্পের ভেতরে সেরকম কোনো ইঙ্গিত নাই)। এবং তারচেয়ে বড় কথা, গত বছর গল্পে ট্রান্স গন্ডার শব্দটাই ছিল। সেটা সরাসরি পাবলিক খাবে না বুঝতে পেরে এই বছর হিজড়া শব্দটা লাগানো হয়েছে। কিন্তু গল্পের মূল বিষয় একই আছে। তার মানে এটা হচ্ছে ট্রোজান হর্স কেস। পাবলিককে সরাসরি ট্রান্স গন্ডার খাওয়ানো যাবে না বুঝতে পেরে হিজড়ার আবরণে ট্রান্স গন্ডার খাওয়ানো হচ্ছে। এবং এটা অনেকটাই কাজ করেছে। সো কলড শিক্ষিত এবং সচেতন মানুষরাই গল্পটা পড়ে কনফিউজড হয়ে যাচ্ছে। ৩। গল্পে যেটাই থাকুক, শিক্ষক সহায়িকা দেখলেই বোঝা যায় মূল উদ্দেশ্যটা কী। সেখানে পরিষ্কার লেখা আছে, "ট্রান্স গন্ডার এবং হিজড়া" সম্পর্কে মুক্ত আলোচনা করা হবে। শরিফা যদি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষই হয়, তাহলে এই গল্পে ট্রান্স গন্ডার সম্পর্কে আলোচনার প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে? বইয়ের পৃষ্ঠা ছেঁড়া ব্র্যাকের ঐ শিক্ষককে আপনি যত খুশি অপছন্দ করেন সমস্যা নাই। কিন্তু এই ট্রোজান হর্স সম্পর্কে সাবধান হন। হিজড়াদের অধিকারের পক্ষে কথা বলেন, কিন্তু একইসাথে সাবধান থাকেন, সেটার আবরণে যেন অন্য কিছু খাইয়ে না দেয়। কারণ এখানে যা হচ্ছে, সেটা বিদেশী ফান্ডিং নিয়ে দেশে ট্রান্স গন্ডারিজম এবং এলজি টিভি আদর্শ প্রচার করা, নরমালাইজ করা আর লিগালাইজ করারই প্রথম ধাপ। এবং আনফরচুনেটলি এই পথে তারা অলরেডি অনকদূর সাফল্য পেয়ে গেছে। মানুষকে কনফিউজড করে দিতে পেরেছে। একটার আবরণে আরেকটাকে নরমালাইজ করার পথে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। যেই জিনিস নরমালাইজ করার জন্য বিদেশ থেকে ফান্ডিং আসবে, যেই জিনিসের পক্ষে এলিটরা দাঁড়াবে, যেই জিনিস ভারতে নরমালাইজড হবে, সেটা ৫/১০/১৫ বছর পর বাংলাদেশেও নরমালাইজড হবে। কিন্তু আমাদেরকে চেষ্টা করতে হবে যতদূর সম্ভব সেটাকে ঠেকিয়ে রাখার চেষ্টা করা। সেটাকে নরমালাইজড হতে না দেওয়া।

দিনের শুরুতেই একটা আনন্দদায়ক ঘটনা ঘটলো। আমার এক পাঠক গুরুত্বপূর্ণ এই বইটা হাদিয়া পাঠাইছেন। সাথে একটা নোট এই মর্মে যে, আমার লিখিত ডকুফিকশন 'কিংবদন্তির কথা বলছি' তাকে অত্যন্ত আনন্দ দিয়েছে। তার আবেগ অনুভূতিকে উষ্কে দিয়েছে। বইটি পড়ে তিনি আমাকে এতোটাই ভালোবেসে ফেলেছেন যে, এই হাদিয়া সেই ভালোবাসার সামনে খুবই সামান্য। আমার যে এরকম পাঠক আছে জানা ছিলো না। সত্যই আপ্লুত হবার মতো ঘটনা, আমার জন্য। * কলোনিমুক্ত হওয়ার পর অঞ্চলগুলার প্রধান সংগ্রাম ছিলো সেখানকার মানুষদের চিন্তার বি উপনিবেশায়ন ঘটানো। দুনিয়াব্যাপী নানা চিন্তক এই মর্মে খেদমত করে গেছেন, যাচ্ছেন। আমরাও কলোনির অধীন ছিলাম। (এখনও আছি কিনা--সেটাও তর্কে রাখা যায়।) কিন্তু আমাদের সাহিত্যে, আমাদের চিন্তায় ডি কলোনাইজেশনের তেমন কোনো উদ্যোগ এখন তক চোখে পড়ে নাই। বরং দেখা যায়, আমাদের ফিকশনগুলা বরং কলোনির রীতি নীতি শৈলী থেকে এখনও তেমন একটা বের হইতে পারে নাই। এখনও অনেক কাব্য সমালোচককে এই কথা বলতে শোনা যায়, অমুকের কবিতা খাঁটি কবিতা হয় নাই। কারণ সেক্সপিরীয় সনেট রীতি তার কাব্যে অনুপস্থিত। আর চিন্তা যে এখনও নির্মমভাবে কলোনির চাপে ভোঁতা হয়ে আছে--তা তো সচেতন ব্যক্তি মাত্রই জানেন। চিন্তার উপনিবেশায়ন ও বিউপনিবেশায়নের সাথে খানিক বোঝাপড়ার জন্য নগুগি'র বইটা মুফিদ হইতে পারে। দেখা যাক। আপনারাও বইটা পড়েন--দাওয়াত দিয়া রাখলাম।

চতুর্ভুজ_সপ্তম_সংখ্যা_জানুয়ারি_২০২৪.pdf3.18 MB

এক মাসের বিরতি দিয়ে চতুর্ভুজ এলো। ডাউনলোড করুন, পড়ুন, মতামত মন্তব্য জানান।
এক মাসের বিরতি দিয়ে চতুর্ভুজ এলো। ডাউনলোড করুন, পড়ুন, মতামত মন্তব্য জানান।

‘দেশ-ভাগ’ সাহিত্যের পলিটিকাল ইকনোমি গতকালকে একজনের সাথে কথা হইতেছিল। উনি জিগাইতেছিলেন, বাংলাদেশের (বা তারো আগে পাকিস্তান পিরিয়ডে) আর্ট-কালচারে ১৯৪৭’র ‘দেশ-ভাগ’ নিয়া তেমন কোন কিছু নাই কেন? তো, আমার মতে, কোশচেনটা আসলে একটু উলটায়া করলে বেটার যে, কলকাতার বা প.বংগের সাহিত্যে ‘দেশ-ভাগ’ এত বড় জায়গা নিয়া কেন আছে? আমার উত্তর ছিল যে, এইটা দুই-তিনটা কারন আছে। এক হইতেছে, যারা কলকাতায় থাইকা গেছেন, তাদের অনেকেরই তো ইকনোমিক লস হইছে বা হওয়ার কথা। যে, দেশে জমি-জমা রাইখা গেছেন, বা ঠিকঠাক দামে বেইচা যাইতে পারেন নাই। এখন যেমন, ঢাকা রাজধানি হওয়াতে বিজনেস করার জন্য বা চাকরি করার জন্য ঢাকাতে আসতে হয়, তখন তো কলকাতা থাকতে হইতো, যার ফলে পাকিস্তান হওয়ার পরেও যারা অইখানে থাইকা গেছেন, তাদের এই ইকনোমিক লস’টা তো মাইনা নিতেই হইছে। এর একটা ‘দুকখ’ তো অবশ্যই আছে, যেইটা সাহিত্যে আসছে। দুসরা ঘটনা হইতেছে, যারা নতুন কইরা বাংলাদেশ থিকা যারা প.বংগে গেছেন; তারা-ই ‘দেশ-ভাগ’র সাহিত্য’টা বেশি করছেন আসলে। তাদেরকে করতে হইছে দুইটা কারনে - এক হইতেছে, উনাদেরও ইকনোমিক লস হইছে, কিনতু উনারা যে এতোটা নিচু-জাতের লোক ছিলেন না, বা ইনফিরিয়র না - এইটা নিয়া আউট-স্পোকেন হওয়া লাগছে, বলা লাগছে; “আমরা পুব-বাংলা/পুব-পাকিস্তান/বাংলাদেশ থিকা বইলা আসছি বইলা নিচু-জাত না”, ‘দরিদ্র-ব্রাহমন’ টাইপের আইডেনটিটি তৈরি করা লাগছে। (সত্যি বা মিথ্যার ঘটনা না, এইটা দরকার হিসাবে এমার্জ করছে।) সেকেনড হইছে, কলকাতা’তে বা প.বংগের লোকজনের কাছে কনফিডেনস গেইন করতে করার লাইগাও বাংলাদেশের বদনাম কিছু করা লাগছে তো; যেমন ধরেন, নতুন-বউ জামাইয়ের বাড়িতে আসার পরে শাশুড়ি’র প্রশংসা করা লাগে না যে, “আরে, এই জিনিস তো আগে কোনদিন খাই না, আমার মা তো এই জিনিস কখনো এইভাবে রানধেন নাই!” মানে, মুসলমানদের প্রশংসা কইরা কলকাতা’তে কি ‘গুড সিটিজেন’ হইতে পারবেন আপনি? তখন খালি মনে মনে বিলিভ করাই না, মুখেও কি ফেনা তুইলা ফেলতে হবে না যে, ‘দেশ-ভাগ’ খুব খারাপ জিনিস হইছে! এমনিতেই তো হিজরত কইরা যাওয়ার কারনে, সেকেনড ক্লাস সিটিজেন হইতে হইতেছে; সেই ‘বেদনা’তে যে পতিত হইতে হইলো, এর কারনও তো ‘দেশ-ভাগ’ আসলে! তো, এইটারে দোষ দিতে হবে না! থার্ড বা ক্রুশিয়াল যেইটারে কারন বইলা মনে করি আমি, এবং যেইটা নিয়া খুব বেশি কথাও বলা হয় না, সেইটা হইতেছে এই যে ‘দেশ-ভাগ’ - এইটা তো করছেন কলকাতার হিনদুরাই; এইটা ধামা-চাপা দেয়ার জন্য ‘মাছের মায়ের পুত্রশোক’ করাটা খালি দরকার-ই না, বরং জরুরি একটা ঘটনা! যে, “আমাদের এতো বড় ক্ষতি, আমরা নিজেরা কি করতে পারি!” অথচ ‘ক্ষতি’টা তো হইছেই, উনারা ইনডিয়া নামের একটা বড় দেশের অংশ হন নাই, বরং ‘প্রাদেশিক’ একটা জায়গাতে চইলা গেছেন, কোন সেনটার-পয়েনট হিসাবে আর এগজিসট করেন না - এইটা টের পাইতে শুরু করছেন। সাহিত্য অনেক সময় সত্যি-কথা বলার ঘটনাই না, বরং হিসটরিকাল কাভার-আপের কাজও করে অনেক সময়। মানে, ফিলিংসটারে বড় কইরা তুইলা তার পিছনের পলিটিকাল জায়গাটারে কিছুটা ঝাপসা কইরা তোলার কাজেও ইউজ করা যায়, যাইতে পারে তো। মানে, ‘দেশ-ভাগ’ যে একটা পলিটিকাল রিয়ালিটি না, বরং সাহিত্যের উপাদান - এই কনসট্রাকশনটা পলিটিকাল রিয়ালিটি’টারে কিছুটা হইলেও সেকেনডারি ঘটনা বানায়া রাখতে পারে, বা পারতেছে তো, এখনো! অন্যদিক দিয়া, কলকাতা থিকা কিছু মানুশ তো আসছেন ঢাকা’তে, বাংলাদেশে; তারা কেন ‘দেশ-ভাগ’ নিয়া ‘সাহিত্য রচনা’ করলেন না? উনাদের কি কোন ইকনোমিক লস হয় নাই? বরং উনাদের মধ্যে কিনতু ‘পাকিসতান-প্রীতি’ দেখতে পাইবেন! কারন পাকিসতানে আসার পরে কিছু ইকনোমিক বেনিফিটও উনাদের হইছে; যেহেতু ঢাকা একটা সেনটার পয়েনট হিসাবে নতুন কইরা তৈরি হইতেছিল, এইখানে ইকনোমিক অপারচুনেটি তৈরি হইছে। সেকেনড হইতেছে, এক ধরনের পলিটিকাল এবং সবচে জরুরি হইতেছে কালচারাল ফ্রিডম পাইতে শুরু করছেন। সেইটা তাদেরকে খুশি-ই করার কথা। এইজন্য, যারা পুব-পাকিসতানে ছিলেন, তাদের চাইতে পাকিসতানের পক্ষে তাদের আরো বেশি কথা বলা লাগছে, নিজেদের ‘ঘটি’ পরিচয় থিকা বাইর হয়া আসার লাইগা। মানে, ‘দেশ-ভাগ’ ইকনোমিকালি কোন ট্রমার ঘটনা তো ছিল না, যারা পুব পাকিসতানে/ বাংলাদেশে ছিলেন, বা চইলা আসছেন। যদি থাকেও, কিছু পজিটিভ মেমোরি-ই থাকার কথা যে, কলকাতা-তে কি রকম কালচারাল ইনফিরিয়রিটি তাদেরকে ফেইস করতে হইতো, সেইসব নিয়া। কিনতু অইরকম প্রেইজিংগুলাও খুব একটা পাইবেন না। কারন পাকিসতান তো দেশ হিসাবে টিকতে পারে নাই। তো, কেন পারলো না? বা পাকিসতান তৈরি হওয়ার কয়েক বছরের মধ্যেই কেন আবার কলকাতা-কেনদ্রিক ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ’ পুব-পাকিসতানে/ বাংলাদেশে তৈরি হইতে থাকলো? এইটা ছিল উনার দুসরা সওয়াল। এর জবাব এর পরের পার্টে দেয়ার কোশিশ করতেছি।

আলহামদুলিল্লাহ, সংখ্যাটি চলে এসেছে। বাংলাবাজার, ইসলামী টাওয়ার, চেতনা প্রকাশন থেকে আপনারা সংগ্রহ করতে পারবেন। এ ছাড়াও সংগ্রহ ক
আলহামদুলিল্লাহ, সংখ্যাটি চলে এসেছে। বাংলাবাজার, ইসলামী টাওয়ার, চেতনা প্রকাশন থেকে আপনারা সংগ্রহ করতে পারবেন। এ ছাড়াও সংগ্রহ করতে পারবেন, রকমারি, ওয়াফি লাইফ সহ যে কোনো অনলাইন বুকশপ থেকে। যারা প্রি অর্ডার করেছিলেন তারাও খুব শীঘ্রই হাতে পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ। লেখক, অনুবাদকদের সৌজন্য কপিও আমরা দ্রুতই পৌঁছে দেবার উদ্যোগ করছি। এ পর্যন্ত যারা আমাদের সঙ্গ দিয়েছেন, শুভ কামনা জানিয়েছেন, অপেক্ষা করেছেন তাদের সকলে আমাদের ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানবেন। আমাদের প্রথম প্রয়াস। ভুলত্রুটি কিছু পেলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার এবং আমাদেরকে অবহিত করার আহ্বান রইলো। কাজটি যেহেতু প্রকাশ্যে এসেই গেছে এখন আলোচনা-সমালোচনার কাজ আপনাদের। আমাদের প্রথম ক্রোড়পত্রটি পড়ুন, আলোচনা করুন এবং ছড়িয়ে দিন। আমাদের সবার ভালো হোক।

বইয়ের প্রমোশনের জন্য ‘যোগাযোগ’ হতে পারে বেস্ট অপশন... বিজ্ঞাপনের জন্য দ্রুতই যোগাযোগ করুন৷
বইয়ের প্রমোশনের জন্য ‘যোগাযোগ’ হতে পারে বেস্ট অপশন... বিজ্ঞাপনের জন্য দ্রুতই যোগাযোগ করুন৷

প্রি অর্ডার করে ফেলুন। আপনাদের আগ্রহ আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করবে। বিস্তারিত জানুন কমেন্টে দেয়া লিংকে ক্লিক করে...
প্রি অর্ডার করে ফেলুন। আপনাদের আগ্রহ আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করবে। বিস্তারিত জানুন কমেন্টে দেয়া লিংকে ক্লিক করে...

প্রি অর্ডারের ঘোষণা আসছে আগামীকাল...
প্রি অর্ডারের ঘোষণা আসছে আগামীকাল...

ইনশাআল্লাহ...

Repost from Iftekhar Jamil
বয়কটের মধ্যে স্টারবাকসের ক্ষতি এগারো বিলিয়ন ডলার। অর্থ্যাৎ ক্ষতির পরিমাণটা বাংলাদেশের রিজার্ভের কাছাকাছি। খবর আল জাজিরার।
বয়কটের মধ্যে স্টারবাকসের ক্ষতি এগারো বিলিয়ন ডলার। অর্থ্যাৎ ক্ষতির পরিমাণটা বাংলাদেশের রিজার্ভের কাছাকাছি। খবর আল জাজিরার।

বৃদ্ধা একটু থামলেন। আমি এ অবসরে আমার করোটি হাতড়ে বৃদ্ধার সান্ত্বনা উপযোগী কিছু শব্দ কি বাক্যমালা উৎপাদনে প্রয়াসী হই। কিন্তু ম
বৃদ্ধা একটু থামলেন। আমি এ অবসরে আমার করোটি হাতড়ে বৃদ্ধার সান্ত্বনা উপযোগী কিছু শব্দ কি বাক্যমালা উৎপাদনে প্রয়াসী হই। কিন্তু মুখে 'ঈশ' ধ্বনি বেশ সময় ধরে উচ্চারণ করা ছাড়া আর কোনো শব্দ খুঁজে পেলাম না। অপরের মৃত্যুজনিত বৃত্তান্ত জানা হয়তোবা মানুষের আদিম কৌতূহল। আমি সেই কৌতূহল অস্বীকার করতে চাইলাম না। জিজ্ঞেস করেই বসলাম, কিভাবে মারা গেল, আপনার ছেলে? বৃদ্ধা পা চালানো থামিয়ে আমার দিকে তাকালেন। আর সে দৃষ্টিতে আমার জন্য করুণা ছিল না আমার এমন কঠিন রূঢ় প্রশ্ন শুনে আমার প্রতি কোনো ক্ষোভ কিংবা ঘৃণার উদ্রেক হয়েছিলো-আজ এতদিন পর তা ঠিক নিশ্চিত করে বলতে পারব না। তবে অনেকক্ষণ পেরিয়ে যাবার পর যা বললেন তিনি তা শুনে আমার বেশ রাগই হলো। একটু থেমে আবার হাঁটতে শুরু করে বৃদ্ধা থমথমে গলায় বলতে থাকেন, ‘কী এক মিছিলে যাইবো কইয়া রাজধানীতে গেলো। হাসিখুশি ছাওয়ালডা আমার আর ফিরলো না। পরে শুনছি মাইনসের মুখে, কারা নাকি আমাগো নবিজিরে গালি দিছে। তাগের শাস্তির দাবিতে মিছিলে নামছে দুনিয়ার মানুষ। আমার ছাওয়ালডাও গেলো সেই মিছিলে। আইচ্ছা, তাইজ্জব কথা না এইডা-নবিজিরে গালি দেয় এমন মানুষও দুনিয়াত আছে? কি সোনার মানুষ আছিলেন তিনি।' পুরো গল্প পড়ুন শাপলানামায়

হিজড়া ও ট্রান্সজেন্ডার বিষয়ক আলেম ও লেখকদের আলোচনা, মতামত ও আর্টিকেল নিচে একসাথে দেওয়া হলো — শায়খ আহমাদুল্লাহ (হাফি.) - ভিডিও লিংকমাওলানা রেজাউল করীম আবরার (হাফি.) - ভিডিও লিংকমাওলানা আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ (হাফি.) - ভিডিও লিংকমাওলানা শরীফ মুহাম্মদ (হাফি.) - ভিডিও লিংকমাওলানা মোস্তাফিজ রাহমানি (হাফি.) - ভিডিও লিংকড. মিজানুর রহমান আজহারি (হাফি.) - ভিডিও লিংকআসিফ আদনান (হাফি.) ভাইয়ের আর্টিকেল - আর্টিকেল লিংকডা. শামসুল আরেফিন শক্তি (হাফি.) - প্লে লিস্ট লিংককালবেলাতে প্রকাশিত সরোয়ার স্যারের আর্টিকেল - আর্টিকেল লিংকহিজড়া ও ট্রান্সজেন্ডার কি একই? - ভিডিও লিংকমাওলানা শরীফ মুহাম্মদ (হাফি.) এর ১০ মিনিটের ভিডিও থেকে কেটে কেটে ছোট জরুরি ভিডিও তৈরি করেছে এক ভাই - ভিডিও লিংক
আলিমদের এই বক্তব্যগুলো নিয়ে আমাদের ব্যাপক কাজ করতে হবে। ভিডিওগুলো যতো বেশি সম্ভব শেয়ার করুন। ওয়াটস্যাপ/টেলিগ্রাম সহ সকল মিডিয়ায় সকল পরিচিতদের কাছে/গ্রুপে পাঠান। কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা ভিডিও থেকে কেটে কেটে ছোট ক্লিপ/রিলস বানিয়ে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করবেন ও বিভিন্ন মসজিদের ইমাম-খতীবদের ভিডিও দেখানো ও এই বিষয়গুলো নিয়ে বেশি বেশি আলোচনা করার কথা বলবেন ইনশাআল্লাহ। বাংলাদেশে ৩য় লিঙ্গ দাবি করে সমকামিতার মতোন জঘন্য এজেন্ডা বাস্তবায়নের আশায় যারা কাজ করছে তাদের বিষয়ে নিজ নিজ জায়গা থেকে সোচ্চার ও প্রতিবাদী হন। মনে রাখবেন, এই পাপের কারণেই কওমে লূতকে আল্লাহ তা'য়ালা পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছিলো!
#BanLGBTQinBangladesh

যোগাযোগ করুন...
+1
যোগাযোগ করুন...

আসছে ১ ডিসেম্বর... (আমাদের বিশেষ ছাপা সংখ্যাও, ইনশাআল্লাহ, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাজারে চলে আসবে)
আসছে ১ ডিসেম্বর... (আমাদের বিশেষ ছাপা সংখ্যাও, ইনশাআল্লাহ, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাজারে চলে আসবে)