en
Feedback
SAIF - সাইফ

SAIF - সাইফ

Open in Telegram

🚩 Channel was restricted by Telegram

Show more
1 239
Subscribers
-324 hours
-77 days
-2530 days
Posts Archive
কওমি সরেতাজ, একটু হলেও ভাবা দরকার! বয়সের সীমা ডিঙিয়ে সরকার ওপেন দাখিলের রেজিষ্ট্রেশন করার সুযোগ দিচ্ছে। ছাত্ররা ঘনহারে ছুটছে সরকারি সার্টিফিকেট অর্জন করার লক্ষ্যে। আমার খটকা লাগলো একটু। এত সহজে সুযোগ দিলো, বিষয়টা কেমন ঘোলাটে জানি। একটু গভীরে গেলাম। বেফাক বোর্ডের কাজসাজ এটা। শিক্ষামন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করে, কওমির ঘোটা একটা প্রজন্মকে কাজে লাগানোর চেষ্টা। সরকারি হিসেবে কওমি গড়নায় পড়ুয়াদের ঠিক শিক্ষিত ধরা হয় না। বিশ্ব দরবারে শিক্ষার হার যখন প্রকাশ হয়, তখন কওমি পড়ুয়া আমাদের আইডেন্টিটি শিক্ষিত হারে যোগ হয় না। কথা এইটা না। কথা হচ্ছে, সরকারি সার্টিফিকেট দরকার। কিন্তু যেই হারে এবছর কওমি থেকে রেজিস্ট্রেশন হইছে, ওরা দাখিল দিবে, ইন্টার দিবে। এরপর? কন্টিনিউ এভাবে দশবছর চলতে থাকলে, ছাত্র উস্তাযের অস্তিত্ব শূন্যতায় ভুগতে হবে না তো আমাদের? গড় হিসেবে এমনিতেই কওমি থেকে মেধাবী ১০ জনের ৫ জন বিদেশে উড়াল দেয়। বাকি ৩ জন বিজনেস। কিন্তু এখন ১০ জনের ১০ জনই যখন সরকারি সার্টিফিকেট প্রাপ্ত শিক্ষিত হবে, কর্ম জীবনের জোকটা আসলে কোন দিকে হবে, চিন্তার বিষয়! সিলেট সরকারি আলিয়ার অফিস তথ্য জানতে পারলাম, উনারা কওমি পোলাপান নাকি সামাল দিতে পারছে না। প্রধান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে ব্যাপারটা জানালে, উনি বেশ মজা করে উত্তর দিলেন, উনাদের জন্যই তো এই উদ্যোগ। শিক্ষিত করার উদ্যোগ।

সূরা কাহাফ তিলাওয়াত রিমাইন্ডার 📢 আবু সাইদ খুদরী (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ❝যে ব্যক্তি
সূরা কাহাফ তিলাওয়াত রিমাইন্ডার 📢 আবু সাইদ খুদরী (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ❝যে ব্যক্তি জুমু'আর দিন সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করবে, আল্লাহ তা'আলা এক জুমু'আ থেকে পরবর্তী জুমু'আ পর্যন্ত তার জন্য নূরের আলো দ্বারা আলোকিত করে রাখবেন।❞ — বাইহাকী, হাদিস : ৬২০৯ #Sirah

Agenda 2030 ! বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছে শুধু আপনি এখনো খবর পাননি!" এই যুদ্ধ বন্দুক দিয়ে হচ্ছে না, হচ্ছে ডাটা (তথ্য ), টিকা, নগদহীন সমাজ ও মনস্তাত্ত্বিক দাসত্ব দিয়ে। সত্যটা কষ্টের হলেও শুনুন - তারা আপনাকে সার্বভৌম নাগরিক থেকে নথিভুক্ত দাসে রূপান্তরিত করছে। CBDC: আপনার টাকা আর আপনার না। বরং সেটা এক ধরণের "অনুমতিপত্র", যা তারা যেকোনো সময় ব্লক করতে পারে। "ভালো নাগরিক" না হলে, আপনাকে একবেলা খাওয়ার অনুমতিও দেওয়া হবে না। Digital ID: একবার এর আওতায় এলে, আপনি আর মানুষ নন, আপনি হয়ে যাবেন কোডেড সাবজেক্ট। চিন্তা, মতামত, কাজ – সবই মনিটরড। Smart City = Digital Prison: প্রতিটি ক্যামেরা, প্রতিটি সেন্সর, প্রতিটি রাস্তা একটা ওপেন-এয়ার জেল বানাচ্ছে আপনাকে ঘিরে। টিকা ও বায়ো-ডেটা চুরি: আগের টিকাগুলো শুধু শরীরের বিরুদ্ধে ছিল, পরেরগুলো মানসিক ও জেনেটিক নিয়ন্ত্রণের জন্য। আপনার DNA কে তারা কোম্পানির প্রোপার্টি বানিয়ে ফেলেছে। Al + Surveillance = Thought Police: আপনি কী ? ভাবছেন, সেটাও তারা জানতে চায়। পোস্টে "অপছন্দনীয় শব্দ" দিলেই প্রোফাইল সাসপেন্ড। এটা কি স্বাধীনতা? "যারা টিকা নেয়নি, তারা মরেনি। কিন্তু যারা নিয়েছে, তারা এখনো ভয় দেখায়।" এই ভয়টাই তো তাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র। এই যুদ্ধ চলছে। কেউ টাকা খাচ্ছে, কেউ ক্ষমতা। আর আপনি? আপনি কষ্ট করে লড়ছেন, অথচ জানেন না কেন। সময় খুব অল্প। ২০৩০ মানে "ডিজিটাল কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প" বাস্তবায়ন। এখন চুপ থাকলে, পরে চিৎকার করেও মুক্তি মিলবে না। রিপোস্ট

স্কুল বা মাদ্রাসায় ধর্ষণ বা সমকামীতার মতো ঘটনা যারা ঘটায় তদন্ত সাপেক্ষে সত্য প্রমাণিত হলে তাদের Nuনু কেte ঝুলিয়ে দেওয়ার আহ্বান।

আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তিনটি গুণ যার মধ্যে থাকে, সে ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করবে— ১. আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল (ﷺ) তার কাছে অন্য সব কিছুর থেকে প্রিয় হওয়া, ২. যে কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই তার বান্দাকে ভালোবাসে, ৩. যাকে আল্লাহ কু*ফর থেকে মুক্তি দিয়েছেন, তারপর সে কু*ফরের দিকে ফিরে যাওয়াকে এমন অপছন্দ করে, যেমন আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়াকে অপছন্দ করে। — সহীহ্ মুসলিম : ৬৯

গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার দশটি কৌশলঃ ১) নিয়ত করা (গুনাহের সুযোগ পেলেও গুনাহ করবো না)। ২) সর্বদা ওযু অবস্থায় থাকা। ৩) অধিক পরিম
গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার দশটি কৌশলঃ ১) নিয়ত করা (গুনাহের সুযোগ পেলেও গুনাহ করবো না)। ২) সর্বদা ওযু অবস্থায় থাকা। ৩) অধিক পরিমাণে ইস্তেগফার করা। ৪) গুনাহের পরিবেশ পরিবর্তন করা। ৫) প্রত্যেক কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা। ৬) ঘর থেকে বের হওয়ার সময় দোয়া পড়া। بِسْمِ اللَّهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ. ৭) সর্বদা জিকিরে কলবী (মনে মনে জিকির) করা। ৮) ফজরের নামাজ জামাতের সাথে পড়া। ৯) জবানের হেফাজত করা। ১০) প্রত্যেক নামাযের পরে নিম্নোক্ত আয়াতের দুই থেকে পাঁচ মিনিট মোরাকাবা করা। وَهُوَ مَعَكُمْ أَيْنَ مَا كُنتُمْ (তোমরা যেখানেই থাকো না কেন আল্লাহ তোমাদের সাথে আছেন) -শায়েখ উমায়ের কোব্বাদি হাফি.

সে যেন স্বপ্নের নারীকে নিজের করে পেয়েছে!
সে যেন স্বপ্নের নারীকে নিজের করে পেয়েছে!

তারা নাকি রোনালদো, ইলন মাস্ক বা অন্যান্য যত নামিদামি মানুষ আছে তাদের চিনে না । এমনকি এরা এনড্রয়েড ফোনও ব্যবহার করে না । একবার
তারা নাকি রোনালদো, ইলন মাস্ক বা অন্যান্য যত নামিদামি মানুষ আছে তাদের চিনে না । এমনকি এরা এনড্রয়েড ফোনও ব্যবহার করে না । একবার চিন্তা করে দেখেন তারা তাদের মিশনে কি পরিমাণ ডিভোটেড? যে মিশন কমপ্লিট করাটা তাদের জন্য দুনিয়ার যে কোনো আনন্দ, উল্লাশ আয়েশ-খায়েশ থেকে উর্ধে । আর এই সেম জীবন পরিচালনা যদি একজন মুসলিন করতো, তাহলে তাকে বলা হতো ধর্মান্ধ মৌলবাদি, জঙ্গি । তবে আমার মনে হয় এই ভিডিওটা তারা ইচ্ছা করেই প্রকাশ করেছে ।

photo content

নেপালে দূর্ঘটনার ভয়াবহতা বোঝার জন্য এই একটা ছবিই যথেষ্ট। কিছু মৃতদেহের হাত-পা-মাথা ছিড়ে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে। কারো মৃতদেহ কাদামাটির নিচে চাপা পড়ে আছে। সবই ঘটেছিল আকস্মিক। চোখের পলকে। ১০টা সেকেন্ডও সময় পায়নি পর্যটক ও স্থানীয়রা। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই সব শেষ। পানির এতো শক্তি! আল্লাহু আকবার। দেখে মনে হচ্ছিল অনেকগুলো দানব পানিগুলো পর্বতমালার ওপর থেকে নিচের দিকে ধেয়ে নিয়ে আসছে। নিচের এই আয়াতগুলো গত দু'দিন মাথায় ঘুরছিল। আসলে কুরআনুল কারিমকে উপলব্ধি করা যায় সেরকম পরিস্থিতিতে পড়লে। "আমি কত জনপদকে ধ্বংস করে দিয়েছি। আমার শাস্তি তাদের নিকট এসেছিল হঠাৎ রাত্রিবেলা কিংবা দুপুর বেলা তারা যখন বিশ্রাম নিচ্ছিল।" (সূরা আল-আরাফ : আয়াত ৪) "জনপদের লোকেরা কি নিজেদেরকে নিরাপদ মনে করছে যে, আমার শাস্তি তাদের ওপর পতিত হবে না রাতের বেলা যখন তারা ঘুমিয়ে থাকবে? (সূরা আল-আরাফ : আয়াত ৯৭) অথবা জনপদের লোকেরা কি নিজেদেরকে নিরাপদ মনে করছে যে, আমার শাস্তি তাদের ওপর প্রকাশ্য দিবালোকে আসবে না যখন তারা খেলাধূলায় মত্ত থাকবে?" (সূরা আল-আরাফ : আয়াত ৯৮) "তোমরা কি চিন্তা করে দেখেছ যদি তাঁর আযাব হঠাৎ করে রাতে বা দিনে তোমাদের ওপর এসে পড়ে?" (সূরা ইউনুস : আয়াত ৫০) "তাদের পূর্বে আমি কত মানবগোষ্ঠীকে ধ্বংস করে দিয়েছি, অবশেষে তারা আর্তচিৎকার করেছিল, কিন্তু তখন পরিত্রাণ লাভের আর কোনো অবকাশই ছিল না।" (সূরা সদ : আয়াত ৩) "তোমরা কি তোমাদেরকে নিরাপদ মনে করে নিয়েছ যে, যিনি আকাশে আছেন তিনি তোমাদেরকে জমিনে বিধ্বস্ত করে দেবেন না, যখন তা হঠাৎ থরথর করে কাঁপতে থাকবে?" (সূরা মূলক : আয়াত ১৬)

মাদ্রাসায় হাজার ছাত্র পড়তেছে, সেখানে পাশে আপনি কনসার্ট করলেও আপনাকে বাঁধা দিতে পারবোনা। কারণ - এটা সেকুলার রাষ্ট্র।

🔞🔞🔞 এই যে নেপালের গতকালকের ঘটনা, এটা আল্লাহর গজব ছাড়া কিছুই না । আপনি কি জানেন, কিছুদিন আগে নেপালে ৩ বছরের এক বাচ্চা মেয়েকে কয়েকজন মিলে ধর্ষণ করেছে । একটা ৩ বছরের বাচ্চার শরীরে কি এমন আছে যে কয়েকজন পুরুষ মিলে ধর্ষণ করতে পারে? এসব গজব থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া জরুরী । আল্লাহ সবাইকে সহিহ বুঝ দান করুন ।

এনিটিভির এই রিপোর্টটা একটা বিস্ফোরক। একই সাথে সরকার ও ভারতের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করেছে। হয়তো নিউজটা ডিলিট করেও দিতে পারে। ডিলিট করার আগে রিপোর্টটা দেখে নেন।

যখনই কোনো ভালো কাজের নিয়ত করেন, ফেরেশতারা সাথে সাথে সেটার সওয়াব আপনার আমলনামায় লিখে ফেলে। সেই ভালো কাজ করতে পারলেন কী না সেই অপেক্ষায় থাকে না। কিন্তু, যখন কোনো খারাপ কাজের চিন্তা মাথায় আসে, ফেরেশতারা ততক্ষণ অবধি সেই খারাপ কাজের গুনাহ আপনার আমলনামায় লিখে না, যতক্ষণ না আপনি সেই খারাপ কাজটায় লিপ্ত হচ্ছেন। কতো দয়াময় আপনার রব, ভাবুন! - আরিফ আজাদ

AI চ্যাটবটে কথা বলার সময় *হুশ* করে কথা বলুন।
AI চ্যাটবটে কথা বলার সময় *হুশ* করে কথা বলুন।

—•আর্কাইভ ফুটেজ ২০১২ সালে সিরিয়ার হোমস প্রদেশের কুসাইর শহরে স্বৈরাচার বাশার আল-আসাদের সৈন্যদের সঙ্গে ইরানি মিলিশিয়ারা মিলে এক সুন্নি মুসলিমকে জীবিত অবস্থায় মাটিতে পুঁতে ফেলে। তাকে জোর করে বলানো হচ্ছিল—“বাশার ছাড়া কোনো ইলাহ নেই”, কিন্তু তিনি অটল থেকে বারবার বলছিলেন—“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” (আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই)। শেষ পর্যন্ত, তাঁর কণ্ঠ মাটির নীচে হারিয়ে যায়। #SYRIA

কারও মৃত্যু তাকে আরও শক্তিশালী করে নাকি ধ্বংস করে (পার্থিব বিচারে) সেটা নির্ভর করে তার ছাত্র ও উত্তরসূরীদের যোগ্যতা ও সক্ষমতার উপর। আবেগী বকোয়াসে আমার আগ্রহ নাই। ইসলাম জিন্দা হোতা হ্যায় হার কারবালাকে বাদ হ্যায় একটা অন্তস্বারশূন্য কথা। জাকির মুসা বা বোরহান ওয়ানিদের শাহাদাতে ভারতের কোন ক্ষতি হয় নাই, কাশ্মিরীদের স্বাধীনতা আন্দোলন গতিশীল হয় নাই। হুসাইন (রা) এর শাহাদাতেও ইসলামের মৌলিকভাবে বিশেষ কোন লাভ হয় নাই। বরং মুসলমানদের ভেতর এমন ফাটলের রাস্তা তৈরি হয়েছে যেটা মাহদি খতম করতে পারবেন কিনা জানি না। সম্ভবত ইসা (আ)কে লাগবে৷ হ্যাঁ এটুকু লাভ হয়েছে যে যেকোনো অবস্থায় জালিম শাসককে চাটার যে দরবারি মানহায তার বিরুদ্ধে একটা আদর্শ কায়েম হয়েছে। কিন্তু আমাদের যুগে কেউ কারও আদর্শ না। ফলে এটুকু ফায়দাও হওয়ার আসলে খুব বেশি সম্ভাবনা নাই। ফলে উপযুক্ত ছাত্র তৈরি না করে শাহাদাত পার্থিব বিচারে পরাজয়ই বটে। জান্নাতের হিসেব ভিন্ন। আমার মতে বিভিন্ন ধরনের রোমান্টিক বিকার থেকে মুক্ত হতে না পারলে উম্মাহর মুক্তির সম্ভাবনা ক্ষীন।

ক্যাপশন লাগবে? ছবি ১: মুশরিক কাফিরকে বিয়ে করেছিল মুসলিম পরিবারের মেয়ে। ছবি ২: সেই মেয়ে ও তার মুশরিক স্বামীর মৃত্যুতে খুশি
+1
ক্যাপশন লাগবে? ছবি ১: মুশরিক কাফিরকে বিয়ে করেছিল মুসলিম পরিবারের মেয়ে। ছবি ২: সেই মেয়ে ও তার মুশরিক স্বামীর মৃত্যুতে খুশি প্রকাশ করছে এক ভারতীয় নাগরিক, কারণ সে মনে করেছে বাংলাদেশি যেহেতু মারা গিয়েছে নিশ্চয়ই মুসলিম হবে। ভারতীয় এবং উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের থেকে বড় কোনও হুমকি আমাদের জন্য আর নেই।

কোন সন্দেহ নাই আসিফ আদনানদের আদর্শ খুবই শক্তিশালী। আদর্শিক এবং জ্ঞান তাত্ত্বিকভাবে আসিফ আদনানকে মোকাবেলা করার সামর্থ্য আমাদের পরিচিত কোন জাশি বা হিন্দুত্ববাদী বা বামপন্থী রাখে না। কদু থেকে বিভিন্ন গুপ্ত জাশি, লিবারেল এবং বাম ও হিন্দুত্ববাদীরা সেটা পারবে না বলেই তারা এডহোমিনাম, নেইম কলিং, স্ট্র-ম্যান, রেড হেয়ারিং, হোয়াট এব্যাউটিজম, ট্যাগিং, স্টেরিওটাইপিংসহ জগতের সমগ্র প্রকার ফ্যালাসিয়াস যুক্তি এবং ব্যাকস্ট্যাবিং করছে৷ তারা জানে তারা এসব করেও তাকে আদর্শিক দিক থেকে আটকাতে পারবে না৷ আসিফ আদনানের ব্যাক্তিত্ব কদু শিবির, মেঘ পশুরা কখনো অর্জন করতে পারবে না। এজন্য তারা আগামীতে বিভিন্নভাবে তার শারীরিক ক্ষতি করবে। জেল-জুলুমে ফাঁসাতে চেষ্টা করবে। তাতে কাজ না হলে তাকে হত্যা চেষ্টা করবে। এখানে অনেকের সাথে আমার ভিন্নমত হবে। অনেকেই মনে করেন কাউকে হত্যা করে তার আদর্শ থামানো যায় না। কিন্তু আমি তা মনে করি না। এটা ঢালাওভাবে বলার সুযোগ নাই যে কাউকে হত্যা করে তার আদর্শ থামানো যায় না। বরং এটা পারিপার্শ্বিক আরও অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে। বাংলাদেশে কোয়ালিটি ইসলামপন্থীর খুবই অভাব। এখানে তার মতো রিজালের বিকল্প তৈরি করা খুবই কঠিন। ফলে এখানে তাকে আরও অনেক কিছু বুঝতে হবে।
কোন আদর্শ শুধু তার আদর্শিক শক্তিতে বিজয়ী হয় না বরং সেই আদর্শের সৈনিকদের ইখলাস এবং যোগ্যতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আমার পক্ষ থেকে আসিফ আদনানদের সবচেয়ে বড় সমালোচনা হলো তারা এলায়েন্স তৈরি করতে পারে না। আমি মনে করি তাদের কৌশলগত মৈত্রী অর্জনের যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। এক্ষেত্রে বড় বাধা হলো শুকনো ডগমেটিক আইডিয়ালিজম এবং গিল্ট ট্রিপ। আমার মনে হয় এটুকু overcome করতে পারলে তারা এলায়েন্স তৈরি করতে পারবেন। এটা তাদের আদর্শিক সংগ্রামের বিজয় না অস্তিত্ব ধরে রাখার জন্যও জরুরী। - Meer Salman

বাচ্চার হাত ধরে মসজিদে নিয়ে যান। তাকে পাশে রেখে সালাত শেষ করুন। নামায শেষে বাচ্চাকে কোলে নিয়ে মোনাজাত করুন। মোনাজাত শেষ করে মসজিদের ফ্লোরে শুয়ে পড়ুন। আপনার ছোট্ট সোনামণিটা আপনার সাথে খেলা করবে৷ আপনি অপলক নয়নে দেখবেন। তার সাথে হাসিঠাট্টা মজাক করবেন। পড়ন্ত বিকেলে আহলিয়াকে নিয়ে ঘুরতে যান। নির্জন কোন নিরিবিরি পরিবেশে ঘুরে আসুন। তাকে জঙ্গলের গাছগাছরা থেকে ছোট্ট ছোট্ট বনোফুল ছিড়ে উপহার দিন। মাঝে মধ্যে নিকাবেন নিচে হাতগুজিয়ে কানে ফুল গেঁথে দিন। মাঝেমধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে মাগরিবের বা ইশার সালাত ঘরে পড়ুন। দুজনে একসাথে মোনাজাত করুন। আল্লাহর কাছে সবকিছু খুলে বলুন। নামায শেষে আস্তে করে আহলিয়ার কোলে শুয়ে পড়ুন। চুপসে করে ঘুমের অতল গহ্বরে হারিয়ে যান। দস্তরখান বিছিয়ে এক প্লেটে খেতে বসুন। একটি মাছ দুজন ভাগ করে খান৷ কোন কোন সময় একে অপরকে খানার লোকমা তুলে দিন। রাতে একজন আরেকজনকে তুলে দিন। দুজন একসাথে তাহাজ্জুদে দাড়ান। ঢুকরে ঢুকরে কান্না করুন। জানেন.. জীবন কি? জীবনের অর্থ কি। জীবন এটিই। যেটিতে আপনি অনুভব করবেন এক অনাবিল আনন্দ আর প্রশান্তি। দুনিয়াতেই আপনি অনুভব করবেন জান্নাতের এক অনুভুতি।