en
Feedback
কৌতুক বাংলার হাসি

কৌতুক বাংলার হাসি

Open in Telegram

বাংলা কৌতুক হাসুন প্রান ভরে মন ভাল রাখুন

Show more
879
Subscribers
+924 hours
+637 days
+23730 days
Posts Archive
গাধা নাকি নির্বোধ................... শিক্ষক: যারা একেবারে গাধা বা নির্বোধ তারা ছাড়া সবাই বসে পড়ো। (সকল ছাত্র বসলেও একজন দাড়িয়ে আছে) শিক্ষক: কিরে, তুই গাধা নাকি নির্বোধ? ছাত্র: না স্যার, আপনি একা দাড়িয়ে আছেন এটা ভাল দেখাচ্ছেনা, তাই ....

জীববিজ্ঞান ব্যবহারি পরীক্ষায়............. পরীক্ষক: (একটি চিত্র দেখিয়ে) শুধুমাত্র পা দেখে পাখিটির নাম বল ? পরীক্ষার্থী: আমি জানিনা । পরীক্ষক: তুমি ফেল, তোমার নাম কি ? পরীক্ষার্থী: আমার পা দেখে আমার নাম জেনে নেন ! ????

শিক্ষকঃ “বলতো মুন্না, ছেলেটি গাছ থেকে পড়ে গিয়ে পা ভেঙেছে, এখানে গাছ কোন পদ??” মুন্নাঃ “বিপদ, স্যার!!” শিক্ষকঃ “দুর বোকা!! তোর মাথায় শুধু গোবর আর গোবর!! আচ্ছা, এইবার চান্দু, তুই বলতো পদ্মফুল কোথায় জন্মে??” ... চান্দু খানিক ভেবে উত্তর দিলঃ . . . “মুন্নার মাথায় স্যার!!”

বিল্লু খুবই ফাঁকিবাজ। প্রায়ই দেরি করে স্কুলে যায় আর এজন্য নিত্যনতুন অজুহাতও তার তৈরি থাকে! একদিন দেরি করে ক্লাসে যাওয়ার পরে স্যার জিজ্ঞাসা করলেন, এতো দেরি হলো কেনো? বিল্লু : আর বলবেন না স্যার! রাস্তা আজকে এতো পিচ্ছিল ছিলো যে, এক পা এগুলে ২ পা পিছিয়ে যাই এমন অবস্থা। স্যার: এই অবস্থা হলে তো তোমার আজকে স্কুলেই পৌঁছানোর কথা না! বিল্লু : কেনো স্যার! স্কুলের দিকে পিছন ফিরে হেঁটে হেঁটে এলাম যে!

শিক্ষকঃ বল তো পৃথিবীর আকার কী রকম? ছাএঃ গোলাকার,স্যার। শিক্ষকঃ বেশ বেশ।এবার প্রমাণ দাও কী করে বুঝলে যে পৃথিবী গোল। ছাএঃ জোরালো প্রমাণ আছে,স্যার। প্রথম সাপ্তাহিক পরীক্ষায় পৃথিবী চ্যাপ্টা লিখে শূন্য পেয়েছি। দ্বিতীয় সাপ্তহিক এ চৌকোনা লিখেও শূন্য পেলাম। তার পর লিখলাম পৃথিবী লম্বা ও তিনকোনা তাও আপনি কেটে দিলেন। তা হলে আর বাকি রইল কী? গোল হওয়া ছাড়া পৃথিবীর আর তো কোনো উপায় দেখতে পাচ্ছি না।

শিক্ষক তার ছাত্রকে পড়াচ্ছেন। শিক্ষক : তাহিম, তুমি পড়া বল তো। তাহিম : স্যার, আজকে আমি পড়া শিখিনি। শিক্ষক : তাহলে হাত পাত, তোমাকে পিটুনি খেতে হবে। ... তাহিম : স্যার, আমি একটু বাথরুম থেকে আসি? শিক্ষক : কেন, বাথরুমে যাবে কেন? তাহিম : স্যার, আমার আম্মু বলেছেন কোনো কিছু খাওয়ার আগে ভালো করে হাত ধুয়ে নিতে!

ছেলে পড়তেছেঃ আভা, বিভা, প্রভা . . . . . ছেলের মাঃ ছি বাবা, এসব খারাপ খারাপ (মেয়েদের্) নাম বলতেছ কেন্? ... ছেলেঃ স্যার এগুলো পড়তে দিছে মা। মা স্যার এর কাছে যেয়ে বলতেছেঃ আপনি ছাত্র দের কে এমন খারাপ মেয়ে দের নাম পড়তে বলেন কেন্? স্যার্ঃ নাহ্, আমি তো এমন কিছু পড়তে বলি নাই, আমি তো ওদের কে “আলো” এর সমার্থক শব্দ পড়তে বলেছিলাম্।

একজন অশিক্ষিত বাবা তার উচ্চ শিক্ষিত ছেলের সাথে এক জায়গায় বেড়াতে গিয়েছিল!!!. তাবু তৈরি করে তারা বনের ধারে ঘুমিয়ে পড়লো!! ...কয়েক ঘণ্টা পর...বাবা তার ছেলেকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তুলল! বাবা: আকাশের দিকে তাকাও!!!...কি দেখছ ??? ছেলে: তারা !! বাবা: তারা গুলো তোমাকে কি বলছে?? ছেলে:বিজ্ঞান বলছে যে এইখানে রয়েছে মিলিয়ন মিলিয়ন গ্যালাক্সি এবং প্ল্যানেট!! বাবা কিছুক্ষন চুপ রইলেন তারপর বললেন: গাধা, তুই বুঝস নাই যে আমাদের তাবু চুরি হয়ে গেসে....

এক প্রফেসর তার সাইকোলজি ক্লাসে এক ছাত্রীকে প্রশ্ন করলেন, মানুষের শরীরের কোন অঙ্গটা উত্তেজিত অবস্থায় সাধারণ অবস্থার চেয়ে দশগুণ বড় হয়ে যায়? মেয়েটি লজ্জায় লাল হয়ে বলল,স্যার এটা আমার পক্ষে বলা সম্ভব না। তখন একই প্রশ্ন প্রফেসর এক ছাত্রকে করলেন। ছেলেটি দাঁড়িয়ে বলল, স্যার চোখের মণি। তখন প্রফেসর মেয়েটিকে বললেন, এক নম্বর কথা, তুমি পড়াশোনায় যথেষ্ট অমনোযোগী, দুই নম্বর কথা তোমার মনমানসিকতা অশ্লীল এবং তিন নম্বর হচ্ছে বিয়ের পর তুমি অবশ্যই হতাশ হবে।

কলেজের প্রথম দিন ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে বলছেন ডিন: ছেলেরা মেয়েদের হোস্টেলে এবং মেয়েরা ছেলেদের হোস্টেলে ঢুকতে পারবে না। যদি প্রথমবারের মতো কেউ এই নিয়ম ভঙ্গ করে, তাহলে তাকে ২৫০ টাকা জরিমানা করা হবে। যদি দ্বিতীয়বারের মতো কেউ এই নিয়ম ভঙ্গ করে, তাহলে তাকে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হবে। আর কেউ তৃতীয়বারের মতো এই নিয়ম ভঙ্গ করলে তাকে ১০০০ টাকা জরিমানা করা হবে। এ মন সময় ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা এক ছাত্র জিজ্ঞেস করল, পুরো বছরের জন্য গেট পাস নিতে কত লাগবে?

টিচার: এমন এক প্রজাতির প্রাণীর নাম বল যারা আকাশে উড়ে কিন্তু বাচ্চা দেয় মাটিতে। . . . . . . . . জাহিদ: এয়ারহোষ্টেজ !

একবার এক বাড়িতে এক কাজের মহিলা কাঁচের প্লেট ভেঙ্গে ফেলল।। প্লেট ভেঙ্গে ফেলার যেই মহিলা বাড়ির মালিক উনি বললেন, “ঐ হারামি, প্লেট ভাঙলি কেন??” এটা শুনে পাশে দাঁড়ানো বাচ্চা তার মাকে জিজ্ঞেস করলো, “আম্মু, হারামি কি??” মহিলা ভাবল, ছোট ছেলে, গালি শিখে যাবে, তাই বললেন, “হারামি মানে দুর্বল!!” এরপরের দিন সেই কাজের মহিলা আবারো একটি প্লেট ভেঙ্গে ফেলল!! এবার বাড়ির মালিক মহিলা আরো ক্ষেপে গিয়ে বললেন, “ঐ হারামজ...াদি, প্লেট কি তোর বাপের??” একথা শুনে পাশে দাঁড়ানো বাচ্চা জিজ্ঞেস করলো, “মামনি, হারামজাদি মানে কি??” তো মহিলা আবারো পড়লেন বিপদে।। বললেন, “হারামজাদি মানে অসুস্থ!!” এর কয়েকদিন পর বাচ্চাটার দাদি অসুস্থ হয়ে পড়লে বাচ্চাটা তার মাকে গিয়ে বলল, “মামনি দেখো দেখো, দাদি আগেই কত হারামি ছিল, এখন একটা পুরা হারামজাদি হয়ে গেছে!!”

বাবা : তর পরিক্ষার রেজাল্ট কিরে.??? ছেলে : ওই পাসের বাড়ির ডাক্তর সাবের পোলা পেল করছে... বাবা : তর রেজাল্ট কি...??? ছেলে : ওই আরো দুই বাড়ি পর ওকিল সাবের পোলা ভি পেল করেছ... বাবা : আরে আমি জিগাই তর রেজাল্ট কি হইচে...??? ... ছেলে : ওও মা, তুমি কি লাট সাব নি, যে তোমার পোলা পাস করব...??

শিক্ষকঃ প্রতিদিন খেলাধুলা করা স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো। ছাত্রঃ আমি প্রতিদিন ফুটবল, ক্রিকেট, আর টেনিস খেলি.. শিক্ষকঃ গুড বয়... প্রতিদিন কত ঘন্টা করে খেলো? ... ” ” ” ” ” ” ছাত্রঃ মোবাইলের ব্যাটারী শেষ না হওয়া পর্যন্ত...!

ক্লাসে রোকন ও শিক্ষকের মধ্যে কথা হচ্ছে- শিক্ষক : আচ্ছা, তুমি বলো তো, পৃথিবীতে সবচেয়ে প্রাচীন পশুর নাম কী? রোকন : স্যার, জেব্রা। শিক্ষক : বলো কী! তা জেব্রাকে কেন তোমার প্রাচীন পশু মনে হলো? রোকন : স্যার, প্রাচীনকালে সবকিছুই তো সাদা-কালো ছিল। যেমন টিভি, মোবাইল ফোন। এখন সেই সাদা-কালোর বদলে হয়েছে রঙিন। কিন্তু জেব্রা তো এখনো সেই সাদা-কালোই রয়ে গেছে। তাহলে তো জেব্রা প্রাচীনকালেরই পশু হওয়ার কথা, স্যার!

ক্লাসে শিক্ষক আর ছাত্রদের কথোপকথন....... শিক্ষক : মনে করো তুমি তোমার গার্লফ্রেন্ড এর সাথে কোথাও ডিনার খেতে গেছো, এমন সময় তোমার টয়লেটে যেতে হবে, তাহলে তুমি তাকে কি বলে যাবে? রোকন : এক মিনিট দাড়াও, আমি প্রসাব করে আসতেছি। শিক্ষক : এটা খুব খারাপ শোনায়্, এর থেকে ভালো কেউ পারবা? ... শাহীন : জান আমি দুঃখিত , কিন্তু আমাকে টয়লেটে যেতে হবে, আমি একটু পরেই আসতেছি। শিক্ষক : এটা অনেক ভালো হয়েছে, তবে এর থেকে ভালো কেউ পারবা? দুষ্ট ছেলে : জান আমাকে একটু যেতে হবে ২ মিনিট এর জন্য্, আমার এক ফ্রেন্ড (!) এর সাথে হাত মিলায় আসি, তুমি চিন্তা করো না, আমাদের ডিনার এর পর আমার ঐ ফ্রেন্ড এর সাথে তোমাকে পরিচয় করিয়ে দিব । এটা শোনার সাথে সাথেই শিক্ষক অজ্ঞান হযে পড়ে গেলো।

একবার এক ছাত্রকে শিক্ষক প্রশ্ন করল - অ্যাম্বুলেন্স সাদা হয় কেন ? ছাত্রের উত্তর - অ্যাম্বুলেন্স... এ অক্সিজেন সিলিন্ডার থাকে আর অক্সিজেন একটা গ্যাস| গ্যাস রান্নার কাজে ব্যবহার হয় আর খাবার ভিটামিন এর উৎস| আমরা সূর্য থেকে ভিটামিন D পাই আর সূর্য আলো দেয়| আলো বাল্ব থেকে আসে আর ক্রিসমাস ট্রি তে ছোট বাল্ব লাগান হয়! ক্রিসমাস মানে গিফট আর সান্তা গিফট নিয়ে আসে... সান্তা দক্ষিন মেরুতে থাকে আর ওইখানে মেরু ভাল্লুক থাকে! মেরু ভাল্লুক সাদা আর এই জন্য অ্যাম্বুলেন্স ও সাদা ! ! !

একটা ছোট ছেলে তার বাবা-কে জিজ্ঞেস করছে, “বাবা সেক্স মানে কি?” বাবা খুব চিন্তায় পরে গেলো......... তারপর ও তিনি তার ছেলেকে সেক্স এর সব কিছু বুঝালো্‌, কারণ ছেলে বড় হচ্ছে.....তাই বাচতে হলে জানতে হবে..... . . . ... . . . . . তখন ছেলেটা বললঃ এতকিছু স্কুল ফর্ম এর ওই ছোট্টো ঘরে কিভাবে লেখবো?

এক ছাত্রকে টেনেহিঁচড়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো। ছাত্রটি তখন পরীক্ষা দিচ্ছিল। প্রধান শিক্ষক জিজ্ঞেস করলেন, কেন তাকে ধরে আনা হয়েছে। বলা হলো, সে নকল করছিল। ‘কী, এত বড় সাহস! নকল করছিল!’ ‘জি, স্যার! নকল করছিল। প্রশ্নে এসেছে, মানুষের বুকে হাড়ের সংখ্যা কত। স্যার, সে পরীক্ষার হলে শার্ট খুলে বুকের হাড় গুনছিল।’

একজন মহিলা ট্রাফিক সিগনাল ভঙ্গ করলো Police:থামুন .... Lady:আমাকে যেতে দিন আমি একজন টিচার ......... ... ... ... Police:আহ হা এই মুহুর্তটার জন্য সারাজীবন অপেক্ষা করেছি ....এখন খাতায় ১০০ বার লিখুন “”আমি জীবনে আর কখনোই ট্রাফিক সিংগ্যাল ভঙ্গ করবো না “”