কোরআনের আইন
Open in Telegram
351
Subscribers
No data24 hours
No data7 days
No data30 days
Posts Archive
351
আস-সালামু আলাইকুম ও রহমাতুল্লাহি ও বারাকাতুহু,
সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য, দরূদ ও সালাম রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর পেশ করছি, অতঃপর -....
আনন্দের সাথে ঘোষণা করছি আমাদের আগামী পরীক্ষার বিস্তারিত।
আমাদের এবারের পরীক্ষার নাম:
(আম্মাপারা শব্দার্থ তাফসীর প্রতিযোগিতা)
উদ্দেশ্য:কুরআনী ভাষার মহত্ত্ব অনুধাবন করা।
এই প্রথম! আমরা বই প্রদান করে পরীক্ষার আয়োজন করতে যাচ্ছি এবং বাংলাদেশে প্রথম কোনো ফেসবুক গ্রুপ পরীক্ষার সিলেবাস প্রদান করে, ক্লাস সিস্টেমে সেই সিলেবাস কভার করে, প্রশ্ন সাজেশন প্রদান করে, পরীক্ষার আয়োজন করতে যাচ্ছে এবং শুধু তাই-নয় পরীক্ষায় ৬০% মার্কস প্রাপ্তদের সবাইকে প্রদান করা হবে আকর্ষণীয় হাদিয়া..........
এবারের পরীক্ষার ভিন্নতা 🔻
আমরা প্রথমে একটা ওয়াটস অ্যাপ গ্রুপে আগ্রহী প্রতিযোগিদের অ্যাড করবো, যার লিংক নিচে দেওয়া হলো।।
গ্রুপে যুক্ত হওয়ার লিংক।।
https://chat.whatsapp.com/EvdCsoFyX5XH6jTpNR6ilp
ওয়াটস অ্যাপ গ্রুপে যুক্ত মেম্বারদের নির্ধারিত তারিখের মধ্য নিদৃষ্ট ভুর্তকি মুল্যে সিলেক্ট করা নির্ধারিত বই সংগ্রহ করতে হবে... বই বিষয় বিস্তারিত....
🔰 বইয়ের নাম: নিজের ভাষায় আরবি শিখি
🎁বইয়ের দাম:২৫০❌ ভুর্তকি মুল্যে ২০০ টাকা✔️
🚛 সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে নিলে দাম পরবে।
২০০+৫০=২৫০ টাকা।
🚛 ক্যাশ অন ডেলিভারিতে নিলে খরচ পরবে
২০০+৯০=২৯০ টাকা।
সম্পুর্ন ডিজিটাল পেজের বই আকর্ষণীয় চার কালারের প্রিন্ট
➖➖➖➖➖➖➖➖➖🎁➖➖➖➖➖➖➖➖
🎁হাদিয়া হিসেবে থাকবে:
প্রথম: একজন : তাফসিরে ইবনে কাসির(সম্পুর্ন সেট)
🎁দ্বিতীয়:চারজন :
১)মহিমান্বিত কুরআন,
২)রিয়াদুস সলেহিন,
৩)শামায়েলে তিরমিজি,
৪)আদাবুল মুফরদ
(যেকোনো একটি বই সিলেক্ট করতে পারবেন ৪ জনের ৪টি)
🎁তৃতীয়:
১)আর-রাহীক্কুল মাকতুম
২) শব্দার্থে হিসনুল মুসলিম
৩)অবশেষে সত্যের সন্ধান পেলাম
৪) জ্ঞ্যান-অর্জনের আদব
৫) রাহে বেলায়াত
(যেকোনো একটা বই সিলেক্ট করতে পারবেন৫ জনের ৫ টি)
এছাড়াও ৬০% মার্কস প্রাপ্তদের প্রদান করা হবে আকর্ষণীয় হাদিয়া ইং শা আল্লাহ..........।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖🔰🔰➖➖➖➖➖➖➖
পরীক্ষার তারিখ:
প্রশ্ন সংখ্যা:
প্রশ্নের মান:
পরীক্ষার সময়:
প্রস্তুতি চলাকালীন জানানো হবে ইং শা আল্লাহ......।
দ্রুত লিংকে ক্লিক করে গ্রপে জয়েন্ট হয়ে জ্ঞ্যান-অর্জনের এই ইলমি আয়োজনে নিজেকে সংযুক্ত করুন.....
(আল্লাহ আমাদের সবাইকে ইসলামের জন্য কবুল করুক আমিন।)
@everyone
সবাই নিজ দ্বায়িত্ব নিয়ে নিজের ওয়ালে শেয়ার করুন।।
আপনার একটিভিটি লক্ষ্য করা হবে এবং টপ কন্ট্রিবিউটর হিসেবে সর্বোচ্চদের হাদিয়া দেওয়া হবে ইং শা আল্লাহ..
351
আসসালামু আলাইকুম।
আমি এই চ্যানেলটি মুসলিমদের উপকারের জন্য খুলেছিলাম।কিন্তু আপনাদের থেকে রেস্পন্স খুবই কম।
এখন ভাবছি চ্যানেলটি বন্ধ করে দিব। এখন আমার কি করা উচিত?
351
নাম মোছাঃ মাইশা আক্তার রিপা।বয়স: ২৩-০২-১৯৯৩ । গায়ের রং - শেমলা। উচ্চতা:৪ ফুট ৭ ইঞ্চি।ওজন:৫০ । পড়াশোনা: অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ। পেশা: কিন্ডারগার্টেন মাদ্রাসার শিক্ষিকা। বৈবাহিক অবস্থা: বিবাহিত:একটি ছেলে আছে।বয়স:৬বছর। পারিবারিক তথ্য:২ভাই ২বোন। আমি সবার ছোট। বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা: জেলা দিনাজপুর থানা বিরল। শারীরিক সমস্যা: নাই আলহামদুলিল্লাহ। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করি আলহামদুলিল্লাহ। মাহরাম নন-মাহরাম মেনে চলা হয় আলহামদুলিল্লাহ। পর্দা -খাছ পর্দা করা হয় আলহামদুলিল্লাহ। ইসলাম এর সকল ফরজ ওয়াজিব মেনে চলা হয় আলহামদুলিল্লাহ।মাসনা হতে আগ্রহী কিন্তু গোপন ভাবে না। অভিভাবকের অনুমতি আছে আলহামদুলিল্লাহ। নিজের সম্পর্কে বলব আমি খুব সাধারণ একটা মেয়ে।যেমন জীবন সঙ্গী চাই হাফেজ মাওলানা হলে আলহামদুলিল্লাহ। আমার মতো জেনারেল হলেও আলহামদুলিল্লাহ তবে ইসলাম এর সকল ফরজ ওয়াজিব মেনে চলতে হবে।
যোগাযোগঃ @NikahMedia
351
★পাত্রের বায়োডাটা ফর্ম---
🔰 আপনার নাম = পরে জানানো হবে
🔰 বাবার নাম = মৃত
🔰 মায়ের নাম = নাম জানাতে অনিচ্ছুক
🔰▪️বয়স =৩১
▪️উচ্চতা =5,10"
▪️ওজন =70
🔰 রক্তের গ্রুপ =O+
🔰 শরীরের রং = শ্যামলা
🔰 স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা (গ্রাম,থানা,জেলা) = কালিয়াকৈর, গাজীপুর ৷
🔰 শিক্ষাগত যোগ্যতা = বিএসসি ফিজিওথেরাপি
🔰 পেশা-পদবী,মাসিক আয় ও ঠিকানাসহ কর্মস্থল = ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক, আলহামদুলিল্লাহ, শ্যামলী
🔰 বৈবাহিক অবস্থাঃঅবিবাহিত
🔰 আপনার আকিদা/মানহায কি? = হানাফি মাজহাব
🔰 আপনার অর্থনৈতিক অবস্থা কেমন? = আল হামদুলিল্লাহ ( মধ্যবিত্ত)
📌 পাত্রের কর্মগুণ
---------- ----------
🔰 পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করেন? = জি আলহামদুলিল্লাহ
🔰 শুদ্ধভাবে কোর'আন পড়তে পারেন? = আল হামদুলিল্লাহ ৷
🔰 সুন্নতি দাড়ি আছে? = আছে
🔰 টাকনুর উপরে পেন্ট/পায়জামা পরেন? = এটা ওয়াজিব
🔰 শারীরিক বড় কোন রোগ আছে কি? = আল হামদুলিল্লাহ না ৷
📌 পারিবারিক তথ্য
---------- ----------
🔰 বাবার পেশা ও বর্তমান অবস্থা = মৃত
🔰 মায়ের পেশা ও বর্তমান অবস্থা = গৃহিণী
🔰 আপনারা কয় ভাই বোন? =৩, আমি বড়,এক বোন আর এক ভাই
🔰 ভাই-বোনদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা = বিবাহিতা, ডাঃ,
🔰 চাচা, মামাদের পেশা ও বর্তমান অবস্থা? = ডাঃ,ইঞ্জিনিয়ার, প্রফেসর, ব্যবসায়ী,আলহামদুলিল্লাহ
🔰 পরিবারের সম্মতিতে তথ্য দেওয়া হচ্ছে কি? =হা
🔰ঢাকা জেলা বা গাজীপুর জেলার হলে ভালো হয় ৷
📌বিবাহ সম্পর্কিত বিস্তারিতভাবে কিছু তথ্য : পরে জানানো হবে সরাসরিভাবে ৷
---------------
📌 যেমন পাত্রী চাইঃ
দ্বীনদার, মুটামুটি শিক্ষিত,নুন্যতম অনার্স, অথবা এইচএসসি,ন্যাকাবী,লোক দেখানো না,লেবাসধারী না।
সর্বোচ্চ বয়স ২৮।
🔰 যোগাযোগঃ @NikahMedia
351
★পাত্রীর বায়োডাটা ফর্ম
★দ্বীন পালনে সচেষ্ট বোনের জন্য দ্বীন পালনে সচেষ্ট পাত্র চাই।
★আমি, এই মর্মে ওয়াদা করছি যে... আমি নিম্নোক্ত ফর্মে সজ্ঞানে কোন অসত্য তথ্য দিব না।
★নাম: পরে প্রকাশ করা হবে
★বয়স: ৩২
★গায়ের রং: ফর্সা
★উচ্চতা: ৪'১১"
★ওজন: ৫৮ কেজি
★পড়াশোনা বিস্তারিত: মাস্টার্স (আইন বিভাগ)
★পেশা বিস্তারিত: অ্যাডভোকেট, ঢাকা। আমি যেহেতু আইনজীবী তাই কোর্টে যেতে হয়। এতে পর্দার বিধান লঙ্ঘন হয়। চেষ্টা করেছি ওয়ার্ক ফ্রম হোম করার। হয়তো অন্য প্রফেশনে যেতে হতে পারে। তবে আমাকে কাজ করার জন্য প্রেসার দেয়া যাবে না এবং আমি যদি রেগুলার কাজের ব্যবস্থা বাসা থেকে করি তাহলে নিষেধ করা যাবে না। আমি মনে করি পরিবার, সন্তান ম্যানেজ করে যেই সময় টুকু থাকে, ঐ সময়টুকু অহেতুক মোবাইল ও টিভির পিছে খরচ না করে একটা স্কিলের পিছে খরচ করলে নিজের হাত খরচ আসে।
★বৈবাহিক অবস্থা:(ডিভোর্স হলে ডিভোর্সের কারণ)
অবিবাহিতা
★পারিবারিক তথ্য বিস্তারিত:
বাবা: মৃত (সরকারি চাকুরে) Rtd. sub divisional engineer.
মাতা : গৃহিনী
ভাই: ১ জন (ইঞ্জিনিয়ার) ছোট।
চাচা: ৩ (রিটায়ার্ড, প্রবাস, টিচার)
দাদা: মৃত, পেশা: ডাক্তার (ভারত, বাংলাদেশ)
দাদি: গৃহিনী
★বর্তমান ঠিকানা: ঢাকা
★স্থায়ী ঠিকানা: ঢাকা
★আপনার কি শারীরিক/মানসিক যেকোনো সমস্যা/রোগ আছে: জী না, আলহামদুলিল্লাহ
★পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ/সালাত পড়েন কি না: আলহামদুলিল্লাহ
★মাহরাম বা নন-মাহরাম মেনে চলেন কিনা:
চেষ্টা করে যাচ্ছি । তাই দ্বীনি পরিবেশ ও বিয়েটা জরুরি, আমার পরিবার দ্বীনি নয়।
★আপনি কি পরিপূর্ণ পর্দা করেন:
চেষ্টা করে যাচ্ছি । তাই দ্বীনি পরিবেশ ও বিয়েটা জরুরি, আমার পরিবার দ্বীনি নয়। আমি পর্দার ব্যাপারে শতভাগ আগ্রহী।
★ইসলামের সকল ফরজ ওয়াজিব পালন করেন কিনা:
চেষ্টা করছি।
★আপনি কি মাসনা/সুলাসা/রুবায়া হতে আগ্রহী:
জী না। অবিবাহিত অথবা তালাক হয়েছে এমন কাউকে খুঁজছি
★বিয়েতে আপনার অভিবাবকের অনুমতি আছে: জী আছে।
★আপনার নিজের সম্পর্কে কিছু বলুন: আমি একটু স্ট্রিক্ট আচরণের, নৈতিকতার সাথে অমিল হলে রেগে যাই, তাই অপর পক্ষ বিব্রত হয়ে পরে। তবে মানুষের কষ্ট দেখতে কষ্ট পাই। কিছু উপকার করার চেষ্টা করি। মিথ্যা যতটা পারি পরিহার করার চেষ্টা করি (খুবই লজ্জা বোধ করি মিথ্যাকে ফেস করতে )।
★যেমন জীবনসংগী চাই:(বিস্তারিত লিখবেন): নামাজ ছাড়া মানুষের জন্য কোনো সেবা, রান্না, সংসার করা আমার কাছে অযৌক্তিক মনে হয়। এবং ঈমান, আকিদা সম্পর্কে জানতে হবে। আর তাকে ক্যরিয়ার সম্পর্কে অনেক সিরিয়াস হতে হবে। মুসলিমরা সব সময় তাদের কাজের ক্ষেত্রে best ছিলো ইতিহাস ঘাটলে পাওয়া যাবে। চলার মতো টাকা থাকলেই হবে, আর কি দরকার, এইসব কথা শুনতে চাই না। এম্বিশন ভালো না থাকলে কেউ উন্নতি করতে পারে না। আমাকে দেশে বিদেশে ঘুরাতে হবে। তবে আমি শপিং করাতে তেমন প্রয়োজন বোধ করি না। যতটুক দরকার সেইটাই করি।
★যোগাযোগঃ@NikahMedia
351
🔰আপনি জানেন কি আমাদের ম্যারিজ মিডিয়াতে কোনো ফি নেই!!!
❌️বিয়ের আগে বা পরে কোনো প্রকার হিডেন চার্জও নেই।❌️
✅️আমরা শুধু মাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করার জন্য বিয়ের মতো দ্বীনের অপরিহার্য আমল করার জন্য যোগ্য দ্বীনি ভাই-বোনকে সহযোগিতা করা আমাদের মূল লক্ষ্য।
✅️আমাদের কার্যকম মূলত সমাজে হারিয়ে যাওয়া বহুবিবাহ কে প্রমোট করা এবং জিনা ও ব্যাভিচার মুক্ত সমাজ গঠন করা।
আপনার বায়োডাটাটি পোস্ট করুন।
351
উঃ বই পড়া, অবসর সময়ে ঘুরতে যাওয়া
★কেমন পাত্র চানঃ এলাকা: রাজশাহী, সৌন্দর্য্য : পাত্রীর সাথে সামন্ঞ্জস্যপূর্ণ, দ্বীন: পরিপূর্ণ ভাবে দ্বীন প্রাক্টিস করার চেষ্টা করেন, মাযহাব-যে কোনো মাযহাব, বয়স :২৮+, উচ্চতা: যেকোনো(৫'৪''+ হলে ভালো হয়), শিক্ষাগত যোগ্যতা: মিনিমাম এইচএসসি, পেশা সম্মানজনক যেকোনো হালাল পেশা
★যোগাযোগ:@NikahMedia
351
★পাত্রীর বায়োডাটা ফর্ম
★দ্বীন পালনে সচেষ্ট বোনের জন্য দ্বীন পালনে সচেষ্ট পাত্র চাই।
★আমি, এই মর্মে ওয়াদা করছি যে... আমি নিম্নোক্ত ফর্মে সজ্ঞানে কোন অসত্য তথ্য দিব না।
জি ইনশাআল্লাহ
★নাম: পরে জানাতে চাই
★বয়স: ২৮
★গায়ের রং: উজ্জ্বল শ্যামলা
★উচ্চতা: ৫'৪''
★ওজন: ৫৩ কেজি
★পড়াশোনা বিস্তারিত: এসএসসি-২০১১, রেজাল্ট : A, এইচএসসি-২০১৩, রেজাল্ট : A
★পেশা বিস্তারিত: হোম মেকার
★বৈবাহিক অবস্থা:(ডিভোর্স হলে ডিভোর্সের কারণ) অবিবাহিত
★পারিবারিক তথ্য বিস্তারিত:
বাবা ও মায়ের পেশাঃ বাবা ছোট ব্যবসা করেন। বয়সজনিত কারণে এখন অবসরে আছেন। মা গৃহিণী।
ভাই -বোনঃ চার বোন। বড় বোন ডিভোর্সড। দুই বাচ্চা আছে। মেজো বোন বিবাহিত। এক বাচ্চা আছে। সেজো বোন চাকরি করেন। আর আমি সবার ছোট।
★চাচা,ফুপু,মামা,খালা এদের সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ভাবে বলবেন:
চাচা তিন জন। ফুপু তিন জন। মামা তিন জন। খালা নেই। সকলে বিবাহিত। চাচা এবং মামা রা ছোট খাটো ব্যবসা করেন।
★বর্তমান ঠিকানা: চৌমুহনী, রাজশাহী
★স্থায়ী ঠিকানা: চৌমুহনী, রাজশাহী
★আপনার কি শারীরিক/মানসিক যেকোনো সমস্যা/রোগ আছে: না
★পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ/সালাত পড়েন কি না: জি নিয়মিত আলহামদুলিল্লাহ
★মাহরাম বা নন-মাহরাম মেনে চলেন কিনা: জি আলহামদুলিল্লাহ
★আপনি কি পরিপূর্ণ পর্দা করেন: জি সম্পূর্ণ শারঈ পর্দা করি আলহামদুলিল্লাহ
★ইসলামের সকল ফরজ ওয়াজিব পালন করেন কিনা: জি আলহামদুলিল্লাহ।
★আপনি কি মাসনা/সুলাসা/রুবায়া হতে আগ্রহী: না।
★বিয়েতে আপনার অভিবাবকের অনুমতি আছে: জি
★আপনার নিজের সম্পর্কে কিছু বলুন:
১. পরিবারে বাকী সদস্য গুলোর মধ্যে দ্বীনের চর্চা আছে কিনা?
উঃ নেই।
২. শারীরিক কোন ত্রুটি আছে কিনা যা সন্তান দানে বাঁধা সৃষ্টি করবে?
উঃ নেই আলহামদুলিল্লাহ।
৩. শুদ্ধভাবে কোরআন তিলাওয়াত পারেন কিনা? নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের অভ্যাস আছে কিনা?
উঃ জি চেষ্টা করি ইনশাআল্লাহ।
৪. চাকরি করতে চান কিনা? চাইলে কেন, আর না চাইলে কেন?
উঃ না করতে চাইনা। আমি মনে করি একজন নারী পূর্ণাঙ্গ ভাবে পরিবার এবং সন্তানের হক্ব আদায় করাটাই মুখ্য দায়িত্ব। আমি যথাযথ ভাবে সেটি পালন করতে চাই। যদি চাকরি করি তবে পরিবারকে ম্যানেজ করা তুলনামূলক কঠিন হয়ে যাবে। তাছাড়া বর্তামনে নন মাহরাম নেই এমন কোনো প্রতিষ্ঠান পাওয়া অসম্ভব। তাই চাকরি করতে ইচ্ছুক নই।
৫. মুভি,গান, টিভি দেখা অভ্যাস আছে কিনা?
উঃ নেই আলহামদুলিল্লাহ।
৬. ভবিষ্যত সন্তানের ব্যাপারে স্বপ্ন কী?
উঃ নেক সন্তান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমার জীবনে যেসব সীমাবদ্ধতা বা প্রতিকূলতার জন্য দ্বীনের বুঝ দেরিতে পেয়েছি সেসব যেন আমার সন্তানদের মুখোমুখি না হতে হয়। তাই উপযুক্ত শিক্ষা ও তরবিয়তের মাঝে তাদের গড়ে তুলতে চাই ইনশাআল্লাহ।
৭. স্বামী নির্বাচনে পাত্রের কোন কোন ব্যাপার গুলোতে ছাড় দিতে পারবেন? কোন গুলোতে পারবেন না?
উঃ মূলত দ্বীনের অর্ধেক অংশ পূরণ করতে বিয়ে করতে চাই। বর্তমান সময়ে চারিদিকে অনেক বেশি ফিতনা। এই ফিতনার মাঝে নিজের ইমান ও আমল নিয়ে মারা যেতে পারি এইটুকুই আশা করি। এক্ষেত্রে একজন দ্বীনদার জীবনসঙ্গী আমাকে অনেকাংশে সহযোগিতা করতে পারবেন। তাই আলোচনা সাপেক্ষে জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ব্যাপারে কথা বলতে আগ্রহী। স্বভাবতই এমন কোনো জীবনসঙ্গী আশা করি যিনি সার্বিক ভাবে আমার দুনিয়াবি জীবন এবং দ্বীন পালনে সচেষ্ট থাকতে সহযোগী হবেন। কোনো পরিবার পরিচালনার জন্য যে ধরনের দায়িত্ব গুলো নেওয়া দরকার পড়ে সে ব্যাপারে সচেতন থাকবেন। তাছাড়া আমার সুবিধা, অসুবিধা এবং পারিবারিক অবস্থান বিবেচনা করে সাপোর্ট দিবেন ইনশাআল্লাহ।
৮. গোপন গুনাহের ব্যাপারে আল্লাহ কে ভয় করেন? অনলাইনে অফলাইনে এবং পরিবারে গাইরে মাহরাম এভয়েড করেন কিনা?
উঃ জি ভয় করি। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করি গায়রে মাহরাম এভয়েড করার।
৯. “ফেমিনিজম” এর ব্যাপারে আপনার মতামত কী?
উঃ এটি একটি কুফরি মতবাদ। মূলত এর মাধ্যমে নারীদের নারীত্বকে স্বাধীনতার নামে বিসর্জন দিয়ে জাহান্নামের দিকে আহ্বান করা হয়। একজন নারীর প্রকৃত সফলতা হলো একজন ভালো মুসলিমাহ হতে পারা। এবং দিনশেষে জান্নাতি হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করা। এতেই প্রকৃত স্বাধীনতা নিহিত আছে।
১০. সুন্নাহ তরীকায় বিয়ে করবার ব্যাপারে পারিবারিক কোন আপত্তি থাকলে ম্যানেজ করতে পারবেন?
উঃ জি আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
১১. আপনার অভিভাবক কর্তৃক নির্ধারিত “দেনমোহর” যদি পাত্রের সাধ্যানুযায়ী তার প্রতি জুলুম এর পর্যায়ে পরে, তাহলে এই ব্যাপারে আপনি কোন পদক্ষেপ নিতে পারবেন কিনা?
উঃ জি পারব।
১২. পাত্র যদি সম্পূর্ণ পর্দার মধ্যে আপনার থাকা নিশ্চিত করে, তাহলে জয়েন ফ্যামিলিতে থাকতে কোন আপত্তি আছে কিনা?
উঃ হ্যা
১৩. আপনার পছন্দের আলেম,,,?
উঃ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, আব্দুল হাই সাইফুল্লাহ
১৪. আপনার পছন্দের কিছু ইসলামিক বইয়ের নাম?
উঃ মুহস্বানাত
১৫. আপনার শখ?
351
★পাত্রের বায়োডাটা ফর্ম
★দ্বীন পালনে সচেষ্ট ভাইয়ের জন্য দ্বীন পালনে সচেষ্ট মাসনা পাত্রী চাই।
★আমি, এই মর্মে আল্লাহকে সাক্ষী রেখে ওয়াদা করছি যে... আমি নিম্নোক্ত ফর্মে সজ্ঞানে কোন অসত্য তথ্য দিব না।
★নাম: পরে জানানো হবে।
★বয়স:৩১
★গায়ের রং:ফরসা
★উচ্চতা: ৫ফুট ৯+ ইঞ্চি
★ওজন: ৮০ কেজি
★পড়াশোনা বিস্তারিত: এম,এস,এস; এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার প্রফেশনাল ডিগ্রি আছে।
★পেশা বিস্তারিত: নিজের আইটি ফার্ম আছে।
★মাসিক ইনকাম: আলহামদুলিল্লাহ ভাল
★বৈবাহিক অবস্থা: ৫ মাসের বিবাহিত।
★পারিবারিক তথ্য বিস্তারিত:
★বর্তমান ঠিকানা: ঢাকা
★স্থায়ী ঠিকানা: নোয়াখালী
★আপনার কি শারিরীক/মানসিক যেকোনো সমস্যা/রোগ আছে: না
★পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ/সালাত পড়েন কিনা: আলহামদুলিল্লাহ
★আপনার সুন্নতি দাড়ি আছে: আলহামদুলিল্লাহ
★মাহরাম বা নন-মাহরাম মেনে চলেন কিনা: চেষ্টা করা হয়
★আপনি কি নিজের দৃষ্টির হেফাজত করেন: সর্বাত্মক চেষ্টা করা হয়
★ইসলামের সকল ফরজ ওয়াজিব পালন করেন কিনা: আলহামদুলিল্লাহ
★আপনার নিজের সম্পর্কে কিছু বলুন: স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড
★যেমন জীবনসংগী চাই: দ্বীনি, তাকওয়াপূর্ণ, সহনশীলতা এবং ভদ্র ও ফেইস কাটিং ভালো।
★যোগাযোগ: @NikahMedia
351
★পাত্রের বায়োডাটা ফর্ম
★দ্বীন পালনে সচেষ্ট ভাইয়ের জন্য দ্বীন পালনে সচেষ্ট মাসনা পাত্রী চাই।
★আমি, এই মর্মে আল্লাহকে সাক্ষী রেখে ওয়াদা করছি যে... আমি নিম্নোক্ত ফর্মে সজ্ঞানে কোন অসত্য তথ্য দিব না।
★নাম: পরে জানানো হবে।
★বয়স:৩৮
★গায়ের রং:ফরসা
★উচ্চতা: ৫ফুট ৫ ইঞ্চি
★ওজন: ৭০ কেজি
★পড়াশোনা বিস্তারিত: এম,বি,এ; এছাড়া আমেরিকা, ইউ,কে ও অস্ট্রেলিয়ার প্রফেশনাল ডিগ্রি আছে।
★পেশা বিস্তারিত: একাউন্টিং প্রফেশনাল
★মাসিক ইনকাম: আলহামদুলিল্লাহ ভাল
★বৈবাহিক অবস্থা: বিবাহিত, ৩ সন্তানের জনক
★পারিবারিক তথ্য বিস্তারিত:
★বর্তমান ঠিকানা: খুলনা
★স্থায়ী ঠিকানা: ঢাকা
★আপনার কি শারিরীক/মানসিক যেকোনো সমস্যা/রোগ আছে: না
★পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ/সালাত পড়েন কিনা: আলহামদুলিল্লাহ
★আপনার সুন্নতি দাড়ি আছে: আলহামদুলিল্লাহ
★মাহরাম বা নন-মাহরাম মেনে চলেন কিনা: চেষ্টা করা হয়
★আপনি কি নিজের দৃষ্টির হেফাজত করেন: সর্বাত্মক চেষ্টা করা হয়
★ইসলামের সকল ফরজ ওয়াজিব পালন করেন কিনা: আলহামদুলিল্লাহ
★আপনার নিজের সম্পর্কে কিছু বলুন: স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড
★যেমন জীবনসংগী চাই: দ্বীনি, তাকওয়াপূর্ণ, সহনশীলতা
★যোগাযোগ: @NikahMedia
351
لَقَدْ أَخَذْنَا مِيثَاقَ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَأَرْسَلْنَا إِلَيْهِمْ رُسُلًا ۖ كُلَّمَا جَاءَهُمْ رَسُولٌ بِمَا لَا تَهْوَىٰ أَنْفُسُهُمْ فَرِيقًا كَذَّبُوا وَفَرِيقًا يَقْتُلُونَ
অনুবাদঃ আমি বনী-ইসরাঈলের কাছ থেকে অঙ্গীকার নিয়েছিলাম এবং তাদের কাছে অনেক পয়গম্বর প্রেরণ করে ছিলাম। যখনই তাদের কাছে কোন পয়গম্বর এমন নির্দেশ নিয়ে আসত যা তাদের মনে চাইত না, তখন তাদের অনেকের প্রতি তারা মিথ্যারোপ করত এবংঅনেককে হত্যা করে ফেলত।
(সূরাঃ আল মায়িদাহ, আয়াতঃ ৭০)
সুতরাং একাধিক বিয়েসহ মুসলিমদের ব্যক্তিজীবন থেকে রাষ্ট্রীয়জীবন পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের যে নির্দেশ রয়েছে প্রত্যেক মুসলিম তা মেনে নিয়ে পালন করতে বাধ্য। কোন মুসলিম যদি কোন নিজের কাছে ভালো না লাগার কারণে কোনো একটি অকাট্য বিধান মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায় বা দ্বিধাবোধ করে তাহলে কাফির হয়ে যাবে।
দলিল-০৮
একাধিক বিয়েসহ আল্লাহ যেসব বিধানকে বৈধ করেছেন সেগুলোকে মুখে বৈধতার স্বীকৃতি দিলেও কার্জত সেগুলোকে অবৈধ বানিয়ে রাখা স্পষ্ট কুফরি।
এ ব্যাপারে এরশাদ হয়েছে,
قَاتِلُوا الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَلَا بِالْيَوْمِ الْآخِرِ وَلَا يُحَرِّمُونَ مَا حَرَّمَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ وَلَا يَدِينُونَ دِينَ الْحَقِّ مِنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ حَتَّىٰ يُعْطُوا الْجِزْيَةَ عَنْ يَدٍ وَهُمْ صَاغِرُونَ
অনুবাদঃ তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে।
(সূরাঃ আত তাওবাহ, আয়াতঃ ২৯)
সুতরাং আল্লাহ একাধিক বিয়েকে বৈধ করেছেন। এখন কেউ এটার মৌখিক স্বীকৃতি ঠিকই দিল কিন্তু কার্জত অবৈধ বানিয়ে রাখল তাহলে সে কুফরিতে লিপ্ত হওয়ার কারণে মুরতাদ হয়ে যাবে। ঠিক তেমনিভাবে আল্লাহ কিতালকে বৈধ করেছেন এখন যারা জঙ্গিবাদ বা অন্য যেকোন নামে কিতালকে অবৈধ করবে বা অবৈধ মনে করবে তাদের ইমান ভেঙে যাওয়ার ফলে তারা মুরতাদ বলে গণ্য হবে। আল্লাহ একাধিক সন্তান নেয়াকে এবং যে কোন বয়সে ছেলে সন্তানদেরকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করাকে বৈধ করেছেন। বিশেষ করে যৌবন উপনীত সন্তানেরা যদি যৌবনের কারণে আল্লাহর নাফরমানিতে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে তাদের বয়স যতই হোক তাদেরকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করাকে আবশ্যকীয় করেছেন। এখন যারা সন্তানদেরকে যৌবনের তারনায় তাড়িত হয়ে আল্লাহর নাফরমানিতে লিপ্ত হওয়ার বৈধতা দিয়ে দিয়েছে়, কিন্তু বিবাহকে একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবৈধ ঘোষণা করে জেল জরিমানাসহ নানাবিধ আইন প্রণয়ন করেছে। তাদের ইমান ভেঙে যাওয়ার ফলে তারা মুরতাদ বলে গণ্য হবে। আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন!
দলিল-০৯
আলইনকিয়াদ:- হচ্ছে প্রতিটি মুমিনের ইমানের অপরিহার্য শর্ত, যা ছাড়া ইমান গ্রহণযোগ্য নয়। আর "الانقياد"মানে হচ্ছে ইসলামের প্রতিটা বিধানের সামনে পূর্ণাঙ্গরূপে আত্মসমর্পণ করা।
এরশাদ হয়েছে,
وَمَنْ يُسْلِمْ وَجْهَهُ إِلَى اللَّهِ وَهُوَ مُحْسِنٌ فَقَدِ اسْتَمْسَكَ بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَىٰ ۗ وَإِلَى اللَّهِ عَاقِبَةُ الْأُمُورِ
অনুবাদঃ যে ব্যক্তি সৎকর্মপরায়ণ হয়ে স্বীয় মুখমন্ডলকে আল্লাহ অভিমূখী করে, সে এক মজবুত হাতল ধারণ করে, সকল কর্মের পরিণাম আল্লাহর দিকে।
(সূরাঃ লোকমান, আয়াতঃ ২২)
সুতরাং একজন মুমিন যখন একাধিক বিয়েসহ ইসলামের প্রতিটি বিধানের প্রতি নিজেকে আত্মসমর্পণ করে দিবে তখনই সে মুমিন বলে গণ্য হবে। অন্যথায়
সে নামাজ, রোজা, হজ্ব ও যাকাতসহ ইসলামের সব বিধান পালন করলেও সে মুরতাদ বলেই গণ্য হবে।
দলিল-১০
আস-সিদক হচ্ছে, প্রতিটি মুমিনের ইমানের অপরিহার্য শর্ত। অর্থাৎ ইসলামের প্রতিটি বিধানকে মুখে স্বীকৃতি দেওয়ার সাথে সাথে অন্তর দিয়েও মনে প্রাণে গ্রহণ করে নেওয়া।
এরশাদ হয়েছে,
ِ إِذَا جَاءَكَ الْمُنَافِقُونَ قَالُوا نَشْهَدُ إِنَّكَ لَرَسُولُ اللَّهِ ۗ وَاللَّهُ يَعْلَمُ إِنَّكَ لَرَسُولُهُ وَاللَّهُ يَشْهَدُ إِنَّ الْمُنَافِقِينَ لَكَاذِبُونَ
অনুবাদঃ মুনাফিকরা আপনার কাছে এসে বলেঃ আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনি নিশ্চয়ই আল্লাহর রসূল। আল্লাহ জানেন যে, আপনি অবশ্যই আল্লাহর রসূল এবং আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, মুনাফিকরা অবশ্যই মিথ্যাবাদী।
(সূরাঃ মুনাফিকুন, আয়াতঃ ১)
কার্যত একাধিক বিয়েসহ ইসলামের প্রতিটি বিধান মেনে নেওয়াটা প্রকাশ পাবে কর্মের মাধ্যমে। সুতরাং কেউ যদি মুখে একাধিক বিয়ের স্বীকৃতি দেয়; কিন্তু কার্যত এটা বাস্তবায়নে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে তাহলে মৌখিক স্বীকৃতির পরও সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
আল্লাহ আমাদের, আমাদের মায়েদের, বোনদের, মেয়েদের ও স্ত্রীদের ইমানকে সর্বপ্রকার কুফর থেকে হিফাজত করুন।
Writter: Alamin Saki
351
অনুবাদঃ আপনি কি তাদেরকে দেখেননি, যারা দাবী করে যে, যা আপনার প্রতি অবর্তীর্ণ হয়েছে আমরা সে বিষয়ের উপর ঈমান এনেছি এবং আপনার পূর্বে যা অবর্তীণ হয়েছে। তারা বিরোধীয় বিষয়কে শয়তানের দিকে নিয়ে যেতে চায়, অথচ তাদের প্রতি নির্দেশ হয়েছে, যাতে তারা ওকে মান্য না করে। পক্ষান্তরে শয়তান তাদেরকে প্রতারিত করে পথভ্রষ্ট করে ফেলতে চায়।
(সূরাঃ আন নিসা, আয়াতঃ ৬০)
এই আয়াটি অবতীর্ণ হয়েছিল এমন একজন মুনাফিক মুসলিমের ব্যাপারে যে, আল্লাহর নবির ফায়সালায় সন্তুষ্ট হতে পারেনি। ফলে, ওমর রা. তাকে এই বলে হত্যা করেন যে, আল্লাহর নবির ফায়সালা যে মেনে নিতে পারে না, তার ফায়সালা এমনই হয়। সুতরাং এর থেকে বোঝা আল্লাহ এবং নবির ফায়সালাকে সর্বোত্তম মনে করা জরুরি।
সর্বোত্তম মনে না করা কুফরি। যার কারণে একজন ব্যক্তি ইসলাম থেকে বের হয়ে কাফির হয়ে যায়। সুতরাং কেউ একাধিক বিয়েকে মুখে উত্তম বললেও কার্যত উনুত্তম মনে করলে সে কাফির হয়ে যায়। এর থেকে আরও বোঝা গেল, একজন ব্যক্তির রক্ত বৈধ হওয়ার জন্য ১.তাকে পূর্ণাঙ্গ শরিয়া অস্বীকার করা লাগে না।
২.নিজেকে কাফির বলে ঘোষণা দেওয়া লাগে না।
বরং নিজেকে মুসলিম দাবি করলেও শরিয়ার কোন একটি ফায়সালাকে অনুত্তম মনে করে অন্য কোন ফায়সালাকে উত্তম মনে করলে সে মুরতাদ হয়ে যাওয়ার কারণে মুসলিমদের জন্য তার রক্ত বৈধ হয়ে যায়। আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন
দলিল-০৬
কেউ একাধিক বিয়েকে কার্যত মেনে না নিয়ে বাকি সব বিধানকে পূর্ণাঙ্গরূপে মেনে নিলেও সে কুফরির সীমায় প্রবেশ করা থেকে বাঁচতে পারে না।
এরশাদ হয়েছে,
إِنَّ الَّذِينَ يَكْفُرُونَ بِاللَّهِ وَرُسُلِهِ وَيُرِيدُونَ أَنْ يُفَرِّقُوا بَيْنَ اللَّهِ وَرُسُلِهِ وَيَقُولُونَ نُؤْمِنُ بِبَعْضٍ وَنَكْفُرُ بِبَعْضٍ وَيُرِيدُونَ أَنْ يَتَّخِذُوا بَيْنَ ذَٰلِكَ سَبِيلًا
অনুবাদঃ যারা আল্লাহ ও তার রসূলের প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপনকারী তদুপরি আল্লাহ ও রসূলের প্রতি বিশ্বাসে তারতম্য করতে চায় আর বলে যে, আমরা কতককে বিশ্বাস করি কিন্তু কতককে প্রত্যাখ্যান করি এবং এরই মধ্যবর্তী কোন পথ অবলম্বন করতে চায়।
(সূরাঃ আন নিসা, আয়াতঃ ১৫০)
ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوا لِلَّذِينَ كَرِهُوا مَا نَزَّلَ اللَّهُ سَنُطِيعُكُمْ فِي بَعْضِ الْأَمْرِ ۖ وَاللَّهُ يَعْلَمُ إِسْرَارَهُمْ
অনুবাদঃ এটা এজন্য যে, তারা তাদেরকে বলে, যারা আল্লাহর অবতীর্ণ কিতাব অপছন্দ করেঃ আমরা কোন কোন ব্যাপারে তোমাদের কথা মান্য করব। আল্লাহ তাদের গোপন পরামর্শ অবগত আছেন।
(সূরাঃ মুহাম্মদ, আয়াতঃ ২৬)
ثُمَّ أَنْتُمْ هَٰؤُلَاءِ تَقْتُلُونَ أَنْفُسَكُمْ وَتُخْرِجُونَ فَرِيقًا مِنْكُمْ مِنْ دِيَارِهِمْ تَظَاهَرُونَ عَلَيْهِمْ بِالْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ وَإِنْ يَأْتُوكُمْ أُسَارَىٰ تُفَادُوهُمْ وَهُوَ مُحَرَّمٌ عَلَيْكُمْ إِخْرَاجُهُمْ ۚ أَفَتُؤْمِنُونَ بِبَعْضِ الْكِتَابِ وَتَكْفُرُونَ بِبَعْضٍ ۚ فَمَا جَزَاءُ مَنْ يَفْعَلُ ذَٰلِكَ مِنْكُمْ إِلَّا خِزْيٌ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا ۖ وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ يُرَدُّونَ إِلَىٰ أَشَدِّ الْعَذَابِ ۗ وَمَا اللَّهُ بِغَافِلٍ عَمَّا تَعْمَلُونَ
অনুবাদঃ অতঃপর তোমরাই পরস্পর খুনাখুনি করছ এবং তোমাদেরই একদলকে তাদের দেশ থেকে বহিস্কার করছ। তাদের বিরুদ্ধে পাপ ও অন্যায়ের মাধ্যমে আক্রমণ করছ। আর যদি তারাই কারও বন্দী হয়ে তোমাদের কাছে আসে, তবে বিনিময় নিয়ে তাদের মুক্ত করছ। অথচ তাদের বহিস্কার করাও তোমাদের জন্য অবৈধ। তবে কি তোমরা গ্রন্থের কিয়দংশ বিশ্বাস কর এবং কিয়দংশ অবিশ্বাস কর? যারা এরূপ করে পার্থিব জীবনে দূগর্তি ছাড়া তাদের আর কোনই পথ নেই। কিয়ামতের দিন তাদের কঠোরতম শাস্তির দিকে পৌঁছে দেয়া হবে। আল্লাহ তোমাদের কাজ-কর্ম সম্পর্কে বে-খবর নন।
(সূরাঃ আল বাকারা, আয়াতঃ ৮৫)
উপরোক্ত আয়াতগুলো থেকে বোঝা যায় ইসলামের প্রত্যেকটা পূর্ণরূপে মেনে নিলেই কেবল কারো ইসলাম গ্রহণ যোগ্য হয়। বরং ইসলামের কিছু মানা আর কিছু না মানা পূর্ণাঙ্গ ইসলামকে না মানারই নামান্তর। সুতরাং কেউ যদি শুধু নিজের মনমত বিধানগুলো মানলো আর একাধিক বিয়েরমত যেগুলো ভালো লাগলো না সেগুলো মানলো না তাহলে ইসলাম কখনোই শরিয়ায় গ্রহণযোগ্য নয়।
দলিল-০৭
নিজের কাছে ভালো না লাগার কারণে একাধিক বিয়েকে স্বামীর জন্য পছন্দ না করা কুফরি।
এরশাদ হয়েছে
أَفَكُلَّمَا جَاءَكُمْ رَسُولٌ بِمَا لَا تَهْوَىٰ أَنْفُسُكُمُ اسْتَكْبَرْتُمْ فَفَرِيقًا كَذَّبْتُمْ وَفَرِيقًا تَقْتُلُونَ.
অতঃপর যখনই কোন রসূল এমন নির্দেশ নিয়ে তোমাদের কাছে এসেছে, যা তোমাদের মনে ভাল লাগেনি, তখনই তোমরা অহংকার করেছ। শেষ পর্যন্ত তোমরা একদলকে মিথ্যাবাদী বলেছ এবং একদলকে হত্যা করেছ।
351
الَّذِينَ آتَيْنَاهُمُ الْكِتَابَ يَعْرِفُونَهُ كَمَا يَعْرِفُونَ أَبْنَاءَهُمْ ۖ وَإِنَّ فَرِيقًا مِنْهُمْ لَيَكْتُمُونَ الْحَقَّ وَهُمْ يَعْلَمُونَ
অনুবাদঃ আমি যাদেরকে কিতাব দান করেছি, তারা তাকে চেনে, যেমন করে চেনে নিজেদের পুত্রদেরকে। আর নিশ্চয়ই তাদের একটি সম্প্রদায় জেনে শুনে সত্যকে গোপন করে।
(সূরাঃ আল বাকারা, আয়াতঃ ১৪৬)
সুতরাং আজকেও যারা আল্লাহর অকাট্য হুকুমগুলোকে অকাট্য হিসেবেই জানে কিন্তু কাজ কর্মে তার বিরোধিতা করে। ইচ্ছে করেই হোক বা কারো ভয়ে হোক বা সমাজের জাহিলিয়ার কারণে হোক সর্বাবস্থায় তার হুকুম উপরোল্লেখিত ইহুদিদের মতই হবে। যেমন- একাধিক বিয়ে, কিতাল, রিবাত, ইদাদ, হিজাব, চুরি, মদ, যিনা এধরনের অকাট্য কোন হুকুমের বিরোধীতা করা বা নিষেধাজ্ঞা জারি করা। কেননা, আল্লাহর কোন অকাট্য হুকুমের বিরোধীতা বা নিষেধাজ্ঞা জারি করার অবকাশ কোনভাবেই কারো থাকতে পারে না। এবং যারা কুরআনের উপর ইমান এনেছে বলে স্বীকৃতি দেয়; কিন্তু কুরআনি বিধান মধ্য যুগিয় বিধান বলে তিরস্কার করে এবং কুরআনি বিধান বাস্তবায়ন করাকে বর্বরতা ও ধর্মান্ধতা বলে কটাক্ষ করে এদের হুকুমও উপরোল্লেখিত ইহুদিদের মতই হবে। অর্থাৎ তাদের এ ধরনের মৌখিক স্বীকারোক্তি প্রত্যাখাত হবে এবং তারা চিরস্থায়ী জাহান্নামী হিসেবে গন্য হবে।
দলিল-০৪
দ্বীনের কোনো বিধান অপছন্দ করা, চাই সেটা একাধিক বিয়ের বিধান হোক বা অন্য কোন অকাট্য বিধান হোক তা সুস্পষ্ট কুফরি।
আল্লাহ তাআলা বলেন :
وَالَّذِينَ كَفَرُوا فَتَعْسًا لَهُمْ وَأَضَلَّ أَعْمَالَهُمْ. ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ كَرِهُوا مَا أَنْزَلَ اللَّهُ فَأَحْبَطَ أَعْمَالَهُمْ
‘যারা কুফরি করেছে, তাদের জন্য রয়েছে দুর্ভোগ এবং তিনি তাদের কর্ম ব্যর্থ করে দেবেন। এটা এজন্য যে, আল্লাহ তাআলা যা অবতরণ করেছেন, ওরা তা অপছন্দ করে। সুতরাং আল্লাহ তাদের কর্ম নিষ্ফল করে দেবেন।’ (সুরা মুহাম্মাদ : ৮-৯)
ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمُ اتَّبَعُوا مَا أَسْخَطَ اللَّهَ وَكَرِهُوا رِضْوَانَهُ فَأَحْبَطَ أَعْمَالَهُمْ
বাংলা অনুবাদঃ এটা এজন্যে যে, তারা সেই বিষয়ের অনুসরণ করে, যা আল্লাহর অসন্তোষ সৃষ্টি করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিকে অপছন্দ করে। ফলে তিনি তাদের কর্মসমূহ ব্যর্থ করে দেন।
(সূরাঃ মুহাম্মদ, আয়াতঃ ২৮)
সুতরাং ইমান ঠিক থাকার জন্য একাধিক বিয়েসহ দ্বীনের সকল বিধানের প্রতি নিঃশর্ত সন্তুষ্টি ও আনুগত্য প্রকাশ করা আবশ্যক। অতএব কেউ যদি দ্বীনের সুসাব্যস্ত কোনো বিধানের ব্যাপারে নাক ছিটকায় বা কোনো আইনের বিষয়ে অন্তরে বিদ্বেষ পোষণ করে, তাহলে তা যত ছোট বিধান-ই হোক না কেন, এতে তার ইমান বিনষ্ট হয়ে যাবে।
শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ. শরিয়তের কোনো বিধান অপছন্দ করাকে ‘নাওয়াকিজুত তাওহিদ’ বা তাওহিদ ভঙ্গকারী বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণ উল্লেখ করে বলেন :
لأنه يعترف لله ورسوله بكل ما أخبر به ويصدق بكل ما يصدق به المؤمنون لكنه يكره ذلك ويبغضه ويسخطه لعدم موافقته لمراده ومشتهاه ويقول: أنا لا أقر بذلك ولا ألتزمه وأبغض هذا الحق وأنفر عنه فهذا نوع غير النوع الأول وتكفير هذا معلوم بالاضطرار من دين الإسلام والقرآن مملوء من تكفير مثل هذا النوع
‘কেননা, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রদানকৃত সকল সংবাদ স্বীকার করে, মুমিনরা যা সত্যায়ন করে, সেও তার সবই সত্যায়ন করে; এতদসত্ত্বেও তাঁর প্রবৃত্তি ও কামনা বাসনার চাহিদা মোতাবেক না হওয়ার কারণে সে তা অপছন্দ করে, এর প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে এবং অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে। তখন সে বলে, আমি এটার স্বীকৃতি দেবো না এবং আঁকড়ে ধরব না। আমি এই হকের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করি এবং এটাকে ঘৃণা করি। এটা প্রথম প্রকার ভিন্ন আরেকটি প্রকার। এই ব্যক্তির কুফরি ইসলামের সুনিশ্চিত দলিল দ্বারা প্রমাণিত এবং পুরো কুরআনে এ প্রকারের কুফরে লিপ্ত ব্যক্তিকে কাফির বলার বিষয়টি ভরপুর।’ (আস-সারিমুল মাসলুল : ৫২২ (আল-হারাসুল ওতনি, সৌদিআরব)
সুতরাং যারা একাধিক বিবাহ, বিবাহের বয়সের সময় সীমা, নারী-পুরুষের অধিকার, জিনা, চুরি বা হত্যার শরিয়া কর্তৃক শাস্তিকে অপছন্দ, করে বিভিন্নভাবে সমালোচনা করে বিদ্বেষ পোষণ করে তারা কুফরে আকবারে লিপ্ত হওয়ার কারণে মুরতাদ হয়ে যাবে।
দলিল-০৫
একাধিক বিয়েসহ ইসলামের কোন বিধানকে মুখে মানলেও কার্যত সেটাকে অনুত্তম মনে করা কুফরি।
এরশাদ হয়েছে,
لَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ يَزْعُمُونَ أَنَّهُمْ آمَنُوا بِمَا أُنْزِلَ إِلَيْكَ وَمَا أُنْزِلَ مِنْ قَبْلِكَ يُرِيدُونَ أَنْ يَتَحَاكَمُوا إِلَى الطَّاغُوتِ وَقَدْ أُمِرُوا أَنْ يَكْفُرُوا بِهِ وَيُرِيدُ الشَّيْطَانُ أَنْ يُضِلَّهُمْ ضَلَالًا بَعِيدًا
351
মৃত্যুবরণ করলে প্রথমত, তার পূর্বের সব নেক আমল বাদ হওয়ার সাথে সাথে দুনিয়াতে তাকে মুসলিমদের মত গোসল দেয়া হবে না। তার জানাজা পড়া হবে না। মুসলিমদের গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে না। দ্বিতীয়ত, কেউ সুপারিশ করে তাকে জান্নাতে নেওয়া থেকে সে চির দিনের জন্য বঞ্চিত হবে এবং সে চিরস্থায়ী জাহান্নামী হিসেবে গন্য হবে।
এর উপর শরিয়ার কিছু দলিল-
দলিল-০১
وَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍ وَلَا مُؤْمِنَةٍ إِذَا قَضَى اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَمْرًا أَنْ يَكُونَ لَهُمُ الْخِيَرَةُ مِنْ أَمْرِهِمْ ۗ وَمَنْ يَعْصِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا مُبِينًا
বাংলা অনুবাদঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোন কাজের আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন ক্ষমতা নেই যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য করে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট তায় পতিত হয়।
(সূরাঃ আল আহযাব, আয়াতঃ ৩৬)
একাধিক বিয়ে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক অটাক্য বিধান। আর এই আয়াত থেকে সুস্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহুব আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক অটাক্য কোন বিধানের প্রতি নিজের খেয়াল-খুশির বহিঃপ্রকাশ ঘটানো কুফর। যা একজন মুসলিমকে ইসলাম থেকে বের করে মুরতাদ বানিয়ে দেয়। সুতরাং আমাদের মধ্যে কেউ নিজেকে মুমিন দাবি করতে হলে, একাধিক বিয়ের ক্ষেত্রে নিজের খেয়াল খুশির বহিঃপ্রকাশ ঘটানো থেকে সম্পূর্ণভাবে বিরত থাকতে হবে। এর প্রতি কোনভাবেই বিরূপ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা যাবে না। আমাদের মধ্যে কোনো স্বামী শরয়ি শর্ত পূরণ করে একাধিক বিয়ে করতে চাইলে স্ত্রী, স্ত্রীর পরিবার ও স্বামীর পরিবারসহ তাকে পূর্ণ সহযোগিতা করা উচিত। সহযোগিতা করার বিপরীতে স্ত্রী, স্ত্রীর পরিবারের কেউ বা স্বামীর পরিবারের কেউ যদি কোনভাবে বাধা প্রদান করে তাহলে, কুফরিতে লিপ্ত হওয়ার কারণে তাদের ইমান ভেঙে যাবে।
দলিল-০২
কেউ নিজেকে মুমিন দাবি করতে হলে, ব্যক্তিগতজীবন থেকে রাষ্ট্রীয়জীবন পর্যন্ত সর্বক্ষেত্রে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শকেই কোন রকম সংকীর্ণতা ছাড়া, নির্দ্বিধায় বিনা, সংকোচে চূড়ান্ত বিধান হিসেবে মেনে নিতে হবে। ব্যক্তিগতজীবন থেকে রাষ্ট্রীয়জীবন পর্যন্ত কোনো ক্ষেত্রে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন একটি আদর্শদের ব্যাপারে সংকোচেবোদ তৈরি হওয়া কুফর।
এরশাদ হয়েছে,
فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّىٰ يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لَا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
বাংলা অনুবাদঃ অতএব, তোমার পালনকর্তার কসম, সে লোক ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে ন্যায়বিচারক বলে মনে না করে। অতঃপর তোমার মীমাংসার ব্যাপারে নিজের মনে কোন রকম সংকীর্ণতা পাবে না এবং তা হূষ্টচিত্তে কবুল করে নেবে।
(সূরাঃ আন নিসা, আয়াতঃ ৬৫)
সুতরাং, একাধিক বিয়ের প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করা। একাধিক বিয়ের প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ না করা। একাধিক বিয়েকে মনে প্রাণে গ্রহণ না করে নেয়া। একাধিক বিয়ের প্রতি বিরুপ ধারণা রাখা, অপছন্দ করা, অনুত্তম মনে করা। একাধিক বিয়েকে খারাপ নজরে দেখা। একাধিক বিবাহের ক্ষেত্রে কাউকে বাধা দেয়া। মুখে স্বীকার করলেও কার্যত এটাকে অবৈধ বানিয়ে রাখা। কেউ একাধিক বিয়ে করলে যেকোনোভাবে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া বা একাধিক বিয়েকে আল্লাহর দেয়া বিধান স্বীকার করেও যেকোনোভাবে এর বিরোধিতা করা কুফরি হওয়ার ব্যাপারে এই আয়াতটি স্পষ্ট ও যথেষ্ট। প্রকৃত মুমিনদের জন্যে এর বাহিরে আরও দলিলের প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।
দলিল-০৩
আমাদের মধ্যে কেউ যদি একাধিক বিয়েকে স্বীকার করে, কিন্তু কাজেকর্মে তার বিরোধিতা করে। সেটাও কুফরি। যেমন ইহুদিরা জানতো যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর রাসূল। এবং মনে মনে স্বীকারও করতো কিন্তু কাজ-কর্মে তাঁর বিরোধীতা করত। ফলে তারা উম্মতের সর্বসম্মতিক্রমে কাফির।
এ ব্যাপারে এরশাদ হয়েছে,
وَلَمَّا جَاءَهُمْ كِتَابٌ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ مُصَدِّقٌ لِمَا مَعَهُمْ وَكَانُوا مِنْ قَبْلُ يَسْتَفْتِحُونَ عَلَى الَّذِينَ كَفَرُوا فَلَمَّا جَاءَهُمْ مَا عَرَفُوا كَفَرُوا بِهِ ۚ فَلَعْنَةُ اللَّهِ عَلَى الْكَافِرِينَ
অনুবাদঃ যখন তাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে কিতাব এসে পৌঁছাল, যা সে বিষয়ের সত্যায়ন করে, যা তাদের কাছে রয়েছে এবং তারা পূর্বে করত। অবশেষে যখন তাদের কাছে পৌঁছল যাকে তারা চিনে রেখেছিল, তখন তারা তা অস্বীকার করে বসল। অতএব, অস্বীকারকারীদের উপর আল্লাহর অভিসম্পাত।
(সূরাঃ আল বাকারা, আয়াতঃ ৮৯)
351
যেকোনোভাবে একাধিক বিয়ের প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করা কুফর। যা একজন মুসলিমকে ইসলাম থেকে বের করে কাফির বানিয়ে দেয়!
এ ব্যাপারে প্রথম কথা হচ্ছে, একাধিক বিয়ে শরিয়ার একটি অকাট্য বিধান। যা অস্বীকার করার সুযোগ কোন মুসলিমের নেই।
দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, প্রথম বিয়ে যেই ইল্লতের কারণে ফরজ সেই একই ইল্লত যদি সমতা ও ইনসাফ রক্ষা করার শর্তে দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে পাওয়া যায়, তাহলে দ্বিতীয় বিয়েও প্রথম বিয়ের মত ফরজ। প্রথম বিয়ে যেই ইল্লতের কারণে ফরজ সেই একই ইল্লত যদি সমতা ও ইনসাফ রক্ষা করার শর্তে তৃতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে পাওয়া যায়, তাহলে তৃতীয় বিয়েও প্রথম বিয়ের মত ফরজ। প্রথম বিয়ে যেই ইল্লতের কারণে ফরজ সেই একই ইল্লত যদি সমতা ও ইনসাফ রক্ষা করার শর্তে চতুর্থ বিয়ের ক্ষেত্রে পাওয়া যায় তাহলে চতুর্থ বিয়েও প্রথম বিয়ের মত ফরজ।
প্রথম বিয়ে যেই ইল্লতের কারণে ওয়াজিব সেই একই ইল্লত যদি সমতা ও ইনসাফ রক্ষা করার শর্তে দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে পাওয়া যায়, তাহলে দ্বিতীয় বিয়েও প্রথম বিয়ের মত ওয়াজিব। প্রথম বিয়ে যেই ইল্লতের কারণে ওয়াজিব সেই একই ইল্লত যদি সমতা ও ইনসাফ রক্ষা করার শর্তে তৃতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে পাওয়া যায়, তাহলে তৃতীয় বিয়েও প্রথম বিয়ের মত ওয়াজিব। প্রথম বিয়ে যেই ইল্লতের কারণে ওয়াজিব এবং সেই একই ইল্লত যদি চতুর্থ বিয়ের ক্ষেত্রে পাওয়া যায় তাহলে চতুর্থ বিয়েও প্রথম বিয়ের মত ওয়াজিব।
প্রথম বিয়ে যেই ইল্লতের কারণে সুন্নাত সেই একই ইল্লত যদি সমতা ও ইনসাফ রক্ষা করার শর্তে দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে পাওয়া যায়, তাহলে দ্বিতীয় বিয়েও প্রথম বিয়ের মত সুন্নত। প্রথম বিয়ে যেই ইল্লতের কারণে সুন্নত সেই একই ইল্লত যদি সমতা ও ইনসাফ রক্ষা করার শর্তে তৃতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে পাওয়া তাহলে তৃতীয় বিয়েও প্রথম বিয়ের মত সুন্নত। প্রথম বিয়ে যেই ইল্লতের কারণে সুন্নত সেই একই ইল্লত যদি সমতা ও ইনসাফ রক্ষা করার শর্তে চতুর্থ বিয়ের ক্ষেত্রে পাওয়া তাহলে চতুর্থ বিয়েও প্রথম বিয়ের মত সুন্নত। সুতরাং আমাদের সমাজে যে বলা হয় একাধিক বিয়ে সুন্নত মৌলিকভাবে এ কথা সঠিক নয়। হুকুমের দিক দিয়ে প্রথম বিয়ের যেমন ক্যাটাগরি আছে ঠিক তেমনি একাধিক বিয়েরও ক্যাটাগরি আছে।
আবার প্রথম বিয়ে যেই ইল্লতের কারণে হারাম সেই একই ইল্লত দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বিয়ের ক্ষেত্রে পাওয়া যায়, তাহলে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বিয়েও প্রথম বিয়ের মত হারাম। প্রথম বিয়ে যেই ইল্লতের কারণে মাকরুহ সেই একই ইল্লত যদি দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বিয়ের ক্ষেত্রে পাওয়া তাহলে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বিয়েও প্রথম বিয়ের মত মাকরুহ।
বিয়ে যখন ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত বা হারাম ও মাকরুহ
ফরজ : যদি কেউ বিয়ে না করলে ব্যভিচারে লিপ্ত হবে বলে নিশ্চিত আশঙ্কা থাকে। বাদী গ্রহণেরও সুযোগ নেই; এবং সে বৈধ পন্থায় স্ত্রীর মোহর ও ভরণ-পোষণ করতেও সক্ষম, এমন ব্যক্তির জন্য বিয়ে ফরজ।
ওয়াজিব : বিয়ের প্রতি প্রবল আকর্ষণ আছে, ব্যভিচারে আক্রান্ত হওয়ারও ভয় আছে, কিন্তু ব্যভিচারে পড়েই যাবে এটা নিশ্চিত নয়; অধিকন্তু হালাল অর্থে স্ত্রীর মোহর ও ভরণ-পোষণ করতে সক্ষম, এমন ব্যক্তির জন্য বিয়ে ওয়াজিব।
সুন্নতে মুয়াক্কাদা : বিয়ের প্রতি আকর্ষণ আছে, তবে এ কারণে ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা নেই এমন ব্যক্তির জন্য বিয়ে সুন্নাতে মুয়াক্কাদা।
হারাম : যদি এই ইয়াকিন ও বিশ্বাস বদ্ধমূল থাকে যে, বিয়ে করলে তাকে অন্যায়ভাবে অন্যের প্রতি জুলুম ও নিপীড়ন করে জীবিকা নির্বাহ করতে হবে এবং স্ত্রীর মৌলিক চাহিদা , ভরণপোষণ ও থাকার জায়গা জোগাড় করতে অক্ষম হয়; তাহলে এক্ষেত্রে বিয়ে করা হারাম।
মাকরূহ : যদি বিয়ের কারণে অন্যের প্রতি জুলুম অত্যাচার করবে বলে ভয় হয়, তাহলে বিয়ে করা মাকরূহে তাহরিমি।
যেকোনোভাবে একাধিক বিয়ের প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করা কুফর। যা একজন মুসলিমকে ইসলাম থেকে বের করে কাফির বানিয়ে দেয়-
একাধিক বিয়ের প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করা। একাধিক বিয়ের প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ না করা। একাধিক বিয়েকে মনে প্রাণে গ্রহণ করে না নেয়া। একাধিক বিয়ের প্রতি বিরুপ ধারণা রাখা, অপছন্দ করা, অনুত্তম মনে করা। একাধিক বিয়েকে খারাপ নজরে দেখা। একাধিক বিবাহের ক্ষেত্রে কাউকে বাধা দেয়া। মুখে স্বীকার করলেও কার্যত এটাকে অবৈধ বানিয়ে রাখা। কেউ একাধিক বিয়ে করলে যেকোনোভাবে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া বা একাধিক বিয়েকে আল্লাহর দেয়া বিধান স্বীকার করেও যেকোনোভাবে এর বিরোধিতা করা সুস্পষ্ট কুফর। এবং কোন ফ্যামেলিতে দ্বিতীয়, তৃতীয় বা চতুর্থ বিয়ের প্রস্তাব দেয়ার পর ঐ ফ্যামেলি উপরোক্ত কোন একটি ইল্লতের কারণে তা প্রত্যাখান করাও কুফর। উপরোক্ত কোন একটি কাজ কারো থেকে প্রকাশ পেলে সে মুসলিম হয়ে থাকলে মুরতাদ হয়ে যায়। মুরতাদ হয়ে যাওয়ার পরও যদি সে গায়ের জোরে নিজেকে মুসলিম দাবি করে, তাহলে সে জিন্দিক বলে গণ্য হবে। তার কাছে এর কুফরি স্পষ্ট করে ইমান নবায়নের দাওয়াত দেয়া হবে। ইমান নবায়ন না করে
