1 985
Subscribers
No data24 hours
No data7 days
No data30 days
Posts Archive
1 985
বাকর ইবনে মায়েয থেকে বর্ণিতঃ
আমি শুনেছি আবদুল্লাহ বিন ইয়াযিদ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে হাদীছ বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ
“ঘরের মধ্যে কোন পাত্রে পেশাব জমা রাখা উচিৎ নয়। কেননা যে ঘরে পেশাবা জমা থাকে সে ঘরে (রহমতের) ফেরেশতা প্রবেশ করে না। আর তোমরা গোসলখানায় কখনই পেশাব করবে না।”
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব, হাদিস নং ১৫৩
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
1 985
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,
“যে ব্যক্তি প্ৰস্ৰাব-পায়খানার সময় কিবলাকে সামনে বা পিছনে না রাখবে, তার জন্য একটি নেকী লেখা হবে এবং তার একটি পাপ মোচন করা হবে।"
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব, হাদিস নং ১৫১
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
1 985
হুযায়ফা ইবনে উসায়দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ
“যে ব্যক্তি মুসলমানদের চলাচলের রাস্তায় তাদেরকে কষ্ট দিল, তার উপর তাদের লা'নত আবশ্যক হয়ে গেল।”
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব, হাদিস নং ১৪৮
হাদিসের মান: হাসান হাদিস
1 985
যা অভিশাপ নিয়ে আসে
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ
“তোমরা অভিশাপ আনয়নকারী দুটি কাজ থেকে বেঁচে থাক।
তাঁরা বললেনঃ সে কাজ দু’টি কী হে আল্লাহর রাসূল! যা লা'নত ডেকে নিয়ে আসে?
তিনি বললেনঃ
মানুষের চলাচলের রাস্তায় অথবা তাদের ছায়ায় [১] পেশাব-পায়খানা করা।”
ফুটনোট: [১] অর্থাৎ মানুষ বিশ্রাম বা অন্য কোন কারণে ছাউনী বা বৃক্ষ বা এরূপ কোন স্থানকে ছায়া হিসেবে ব্যবহার করলে সেখানে পেশাব-পায়খানা করা নিষেধ।
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব, হাদিস নং ১৪৫
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
1 985
ফতোয়া নং ২১২০৩
তারিখঃ ২৩-১১- ১৪২০ হিজরি
ফতোওয়াটি সর্বোচ্চ ওলামা পরিষদে বিশ্লেষণের পর এই মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে যে,
কুরআন সুন্নাহর স্পষ্ট প্রমাণাদি দ্বারা এ কথা অকাট্যভাবে প্রমাণিত যে, ইসলামে ঈদ বা
উৎসবের দিন মাত্র দু'টি। সালাফে সালেহীনগণও এ বিষয়ে একমত হয়েছেন। ইসলামে স্বীকৃত
ঈদ দুটির একটি হল ঈদুল ফিতর, অপরটি হল ঈদুল আজহা বা কুরবানির ঈদ। উল্লিখিত
ঈদ দু'টি ব্যতীত যত ঈদ বা উৎসব আছে, হোক না তা কোন ব্যক্তির সাথে সম্পৃক্ত, বা কোন গোষ্ঠীর সাথে সম্পৃক্ত, বা কোন ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত, তা বিদআত।
মুসলমানদের তা পালন করা বা পালন করতে বলা বৈধ নয় এবং এ উপলক্ষে আনন্দ প্রকাশ করা ও এ
ব্যাপারে কিছু দিয়ে সাহায্য করাও নিষেধ। কেননা এ ধরনের কাজ আল্লাহ তা'আলার সীমা
লঙ্ঘন বৈ অন্য কিছু হবে না। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সীমা লঙ্ঘন করবে সে নিজের উপর
অত্যাচার করবে। এ ধরনের কালচার বিধর্মীদের অনুসরনের কল্পে গ্রহণ করা হলে অপরাধ
আরো মারাত্বক হবে। কারণ এর মাধ্যমে তাদের সদৃশ্যতা গ্রহণ করা এবং তাদেরকে এক
ধরনের বন্ধু বানানো হয়। অথচ আল্লাহ তাআলা মুমিনদেরকে এ থেকে বারণ করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, "যে ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের সাথে সাদৃশ্যতা অবলম্বন করল সে তাদের দলভুক্ত বলে গণ্য।"
ভালবাসা দিবস পালন করাও এ নিষেধের অন্তর্ভুক্ত। কেননা এটি খৃষ্টানদের উৎসব। যে মুসলমান আল্লাহ এবং পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে তার জন্য এ কাজ করা দেয়া বা এই দিনে কাউকে ফুল বা অন্যকোনো উপহার দেয়া বৈধ নয়। বরং তার কর্তব্য হল আল্লাহ এবং তার রাসূলের হুকুম পালন করা এবং আল্লাহর শাস্তি ও গযব আসে এমন কাজ থেকে নিজে দূরে থাকা ও
অন্যদের দূরে রাখা।
অতএব এ দিবসকে কেন্দ্র করে পানাহার করা, ক্রয়-বিক্রয় করা, কোন কিছু প্রস্তুত করা বা
উপঢৌকন দেয়া, চিঠি-পত্র চালাচালি করা ও প্রচার-পত্র বিলি করা অবৈধ। এ সমস্ত কাজের
মাধ্যমে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নাফরমানি করা হয়।
ফতোয়াটি যারা সত্যায়ন করেছেন :
সৌদি আরবের গবেষণা ও ফতোয়া প্রদান বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ:
১. আব্দুল আযিয বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আলে শেখ
২. সদস্য: সালেহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান
৩. সদস্য: আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-গদইয়ান
৪. সদস্য: বকর বিন আব্দুল্লাহ আবু জায়েদ
1 985
"তাওহীদ বান্দাকে শক্তিশালী করে এবং (আল্লাহ ব্যতীত সব কিছু থেকে) অমুখাপেক্ষী করে। কাজেই যে মানুষের মাঝে সর্বাধিক শক্তিশালী হতে চায় আল্লাহর ওপর তার তাওয়াক্কুল করা উচিৎ"
.
~ শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবন তাইমিয়াহ [রাহ.]
.
.
[ মাজমুঊল ফাতাওয়া: ১/৫৫]
1 985
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেন : আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ্ নেই এবং আমি আল্লাহ্র রাসূল। যে কোন বান্দা সন্দেহাতীতভাবে এই বাক্য দু’টির ওপর ঈমান আনবে, সে আল্লাহ্র সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে, সে জান্নাত থেকে বঞ্চিত হবে না।
হাদীস সহীহ : সহীহ মুসলিম হা/১৪৮
‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) বলেছেন: হে খাত্তাবের পূত্র ! যাও, লোকদের মাঝে ঘোষণা করে দাও যে, কেবলমাত্র ঈমানদার লোকেরাই জান্নাতে প্রবেশ করবে। ‘উমার (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি বের হলাম এবং ঘোষণা করলাম : শুনে রাখো, ঈমানদার ছাড়া কেউই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
হাদীস সহীহ ; সহীহ মুসলিম হা/৩২৩
‘উক্ববাহ্ ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, উমার (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)- কে বলতে শুনেছি : যে ব্যক্তি আল্লাহ্ এবং পরকালের প্রতি ঈমান রেখে মারা যাবে, তাকে বলা হবে, তুমি জান্নাতের আটটি দরজার মধ্যকার যে দরজা দিয়ে ইচ্ছে প্রবেশ করো।”
(আহমাদ হা/৯৭- শায়খ শু’আইব আরনাউত্ব বলেন : হাদীসটি হাসান লিগাইরিহি। এর শাওয়াদিহ বর্ণনা রয়েছে)
সহিহ ফাযায়েলে আমল, হাদিস নং ১৬
হাদিসের মান: হাসান লিগাইরিহি
সুফিয়ান ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
একদা আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে ইসলামের এমন একটি কথা বলে দিন যা আপনার পরে বা আপনি ছাড়া অন্য কাউকে আমি জিজ্ঞেস করবো না। তিনি (সাঃ) বললেন : তুমি বলো : আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান আনলাম। অতঃপর এরই উপর প্রতিষ্ঠিত থাকো।”
(সহীহ মুসলিম হা/১৬৮)
‘উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : যে ব্যক্তি বলে : “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি একক এবং মুহাম্মাদ (সাঃ) তাঁর বান্দা ও রাসূল, আর নিশ্চয়ই ঈসা (আঃ) আল্লাহর বান্দা, তাঁর বান্দীর (মারইয়ামের) পুত্র ও তাঁর সেই কালেমা যা তিনি মারইয়ামকে পৌঁছিয়েছেন এবং তাঁর পক্ষ হতে প্রেরিত একটি রূহ মাত্র, জান্নাত সত্য, জাহান্নাম সত্য” - তাকে জান্নাতের আটটি দরজার যেটি দিয়ে প্রবেশ করতে চাইবে, প্রবেশ করাবেন।
ফুটনোটঃ
হাদীস সহীহ : সহীহুল বুখারী হা/৩১৮০
অন্য বর্ণনায় রয়েছে : “তার ‘আমল যা-ই হোক না কেন আল্লাহ্ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।”
(সহীহুল বুখারী হা/৩১৮০, সহীহ মুসলিম হা/১৫০)
1 985
হে মানুষ! ‘তোমরা তোমাদের সেই প্রতিপালকের ইবাদাত কর যিনি তোমাদেরকে ও তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা মুত্তাকী (পরহেযহার) হতে পার’। যিনি তোমাদের জন্য পৃথিবীকে বিছানা ও আকাশকে ছাদ করেছেন এবং আকাশ হতে পানি বর্ষণ ক’রে তদ্বারা তোমাদের জীবিকার জন্য ফলমূল উৎপাদন করেন, কাজেই জেনে বুঝে কাউকেও আল্লাহর সমকক্ষ দাঁড় করো না।
আমি আমার বান্দাহর প্রতি যা নাযিল করেছি তাতে তোমাদের কোন সন্দেহ থাকলে তোমরা তার মত কোন সূরাহ এনে দাও আর তোমরা যদি সত্যবাদী হও, তবে আল্লাহ ছাড়া তোমাদের সকল সাহায্যকারীকে আহবান কর। যদি তোমরা না পার এবং কক্ষনো পারবেও না, তাহলে সেই আগুনকে ভয় কর, যার ইন্ধন হবে মানুষ এবং পাথর, যা প্রস্তুত রয়েছে কাফেরদের জন্য।
যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদেরকে সুসংবাদ দাও যে, তাদের জন্য আছে জান্নাত, যার নিম্নদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত। তাদেরকে যখনই ফলমূল খেতে দেয়া হবে, তখনই তারা বলবে, আমাদেরকে পূর্বে জীবিকা হিসেবে যা দেয়া হতো, এতো তারই মতো। একই রকম ফল তাদেরকে দেয়া হবে এবং সেখানে রয়েছে তাদের জন্য পবিত্র সঙ্গিণী, তারা সেখানে চিরস্থায়ী হবে।
নিশ্চয় আল্লাহতো মশা অথবা তার চেয়েও ক্ষুদ্র কোন বস্তুর উদাহরণ দিতে লজ্জাবোধ করেন না; অতএব যারা ঈমানদার তারা জানে যে, এ সত্য তাদের প্রতিপালকের নিকট থেকে এসেছে, কিন্তু যারা অবিশ্বাসী তারা বলে যে, আল্লাহ কী উদ্দেশ্যে এ উদাহরণ পেশ করেছেন? (আসল ব্যাপার হল) তিনি এর দ্বারা অনেককেই বিভ্রান্ত করেন, আবার অনেককেই সৎপথে পরিচালিত করেন। বস্তুতঃ তিনি ফাসিকদের ছাড়া আর কাউকেও বিভ্রান্ত করেন না। যারা আল্লাহর সঙ্গে সুদৃঢ় অঙ্গীকার করার পর তা ভঙ্গ করে এবং যে সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখার নির্দেশ আল্লাহ করেছেন, তা ছিন্ন করে এবং পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করে, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত।
তোমরা আল্লাহকে কীভাবে অস্বীকার করছ? অথচ তোমরা ছিলে মৃত, অতঃপর তিনি তোমাদেরকে জীবন্ত করেছেন, আবার তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন, তারপর আবার জীবিত করবেন, তারপর তাঁর দিকেই তোমরা ফিরে যাবে।
পৃথিবীর সবকিছু তিনি তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন, তারপর তিনি আকাশের দিকে মনোসংযোগ করেন এবং তা সপ্তাকাশে বিন্যস্ত করেন, তিনি সকল বিষয়ে বিশেষভাবে অবহিত।
সূরা আল বাক্বরহ
আয়াত ২১-২৯
