সম্ভাব্য সত্য
কিছু লেখা ও তথ্য সংগ্রহ করা, কিছু সাম্প্রতিক খবর শেয়ার করা এবং নিজের অল্প কিছু কথা বলার জন্য... চ্যানেল সম্পর্কে যেকোনো ফিডব্যাক এই বটের(@Channel_Owner_chat_bot) মাধ্যমে জানাতে পারেন।
Show more📈 Analytical overview of Telegram channel সম্ভাব্য সত্য
Channel সম্ভাব্য সত্য (@somvabbosotto) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 14 242 subscribers, ranking 14 626 in the News & Media category and 1 641 in the Bangladesh region.
📊 Audience metrics and dynamics
Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 14 242 subscribers.
According to the latest data from 07 September, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by -57 over the last 30 days and by 0 over the last 24 hours, overall reach remains high.
- Verification status: Not verified
- Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 14.97%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 3.71% reactions from the total number of subscribers.
- Post reach: On average, each post receives 2 133 views. Within the first day, a publication typically gains 528 views.
- Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 23.
📝 Description and content policy
The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
“কিছু লেখা ও তথ্য সংগ্রহ করা, কিছু সাম্প্রতিক খবর শেয়ার করা এবং নিজের অল্প কিছু কথা বলার জন্য...
চ্যানেল সম্পর্কে যেকোনো ফিডব্যাক এই বটের(@Channel_Owner_chat_bot) মাধ্যমে জানাতে পারেন।”
Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 08 September, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the News & Media category.
//গত পনেরো বছরে বিপুলসংখ্যক মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন। এই গুমের সঙ্গে রাষ্ট্রের পাঁচটি বাহিনীর চিহ্নিত কিছু কর্মকর্তা জড়িত ছিলেন। এর মধ্যে র্যাবের কর্মকর্তারা ৬০ শতাংশ গুমে জড়িত ছিলেন। গত ৬ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গুমে জড়িত ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। তাদের মধ্যে রয়েছেন ছয়জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।//বাস্তবতা হচ্ছে, আরো বেশী পরিমান সদস্য জরিত ছিল। র্যাবের চাইতে সিটিটিসির সদস্যরা আরো বেশী জড়িত ছিল। CTTC এর ১০০% কর্মকর্তারা গুমে জড়িত ছিলো। CTTC এর গুমের বিষয় টা ছিল একদম ওপেন সিক্রেট। DMP এর কার্যালয়ের ভেতরে রাখঢাক ছাড়াই তারা গড়ে তুলেছিল, সিক্রেট প্রিজন। ভিক্টিমদের সবার সামনে দিয়েই লিফটে আনা নেওয়া করা হতো। এমন কি DMP এর অনান্য ডিপার্ট্মেন্ট থেকেও কর্মকর্তা আসত। তাদের সামনেই ইন্টারোগেশন, হাত পায়ে হ্যান্ড কাপ লাগিয়ে মেঝেতে ফেলে রাখা হতো, জম টুপি পড়িতে লিফটে আনা নেওয়া করা হতো । CTTC এর প্রধান থেকে শুরু করে একজন সুইপার পর্যন্ত এই গুমের বিষয়ে জানত। এমন কি CTTC তে ঝাড়ু দেয়া, খাবার আনা নেওয়া করা, সিসিটিভি লাগানোর জন্য বাইতে থেকে চুক্তি ভিত্তিক লোক নিয়োগ করা হতো। তারাও এই গুমের বিষয় জানত। প্রতিদিন খাবার দিতে, ঝাড়ু দিতে তারা সাত তলায় আসত। সিসিটিভি ক্যামেরা আপগ্রেড করতেও বাইরে থেকে লোক আনা হতো। সেলে নেট লাগানো, রঙ করা সবই করা হতো বাইরের লোক দিয়ে। কাজেই এটা হাস্যকর যে, পুলিশের কিছু সংখ্যক কর্মকর্তা গুম খুনের সাথে জড়িত ছিলো। বাস্তবতা হচ্ছে পুরো চেইন অফ কমান্ড জড়িত। এই র্যাব,সিটিটিসিকে যতদিন পর্যন্ত বিলুপ্ত করা না হবে ততদিন গুমের বিচার তো দূরের কথা, গুম বন্ধ করা যাবেনা। ✍️ Topu Ahmed
আল্লাহ তাআলা আদম (আ.)-কে সমস্ত পৃথিবীর মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন। তাই আদম সন্তানরা মাটির বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এসেছে-কেউ লাল, কেউ সাদা, কেউ কালো, কেউ নরম স্বভাবের, কেউ কঠিন স্বভাবের।সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৬৯৩
আমার ঘরের সামনে কিভাবে বোমা বিস্ফোরিত হলো- আমি জানি না।--------------- শিরোনাম এবং মূল খবরের মাঝে কোনো কি সামঞ্জস্যতা খুঁজে পাচ্ছেন? মূল প্রতিবেদনের ভাষা অনুযায়ী ঘটনাটি স্থান কোথায়? “ওই মাদ্রাসার সঙ্গে থাকা ইমন সরদারের বসতঘরের সামনে” অর্থাৎ প্রতিবেদনের বর্ণনা অনুযায়ী বিস্ফোরণের স্থান মাদ্রাসার ভেতরে নয়, বরং মাদ্রাসার সঙ্গে থাকা একজনের বসতঘরের সামনে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—প্রতিবেদনে ইমন সরদার নিজেই বলেছেন:
“আমার ঘরের সামনে কিভাবে বোমা বিস্ফোরিত হলো—আমি জানি না।”সুতরাং এখানে অন্তত তিনটি প্রশ্ন ওঠে: 1. ঘটনাস্থল কোথায়? মাদ্রাসায়, নাকি বসতঘরের সামনে? 2. বোমাটি কার বা কোথা থেকে এসেছে? প্রতিবেদনে তার কোনো প্রমাণ নেই। 3. মাদ্রাসাকে শিরোনামের প্রধান অভিযুক্ত/ঘটনাস্থল হিসেবে দেখানোর ভিত্তি কী? মূল প্রতিবেদনের এই অংশে তার কোনো ব্যাখ্যা নেই। এর নামই হলুদ সাংবাদিকতা। মূল ধারার সংবাদপত্রে মাদ্রাসা নিয়ে প্রকাশিত যে কোন সংবাদ বিশ্বাস করার আগে যাচাই-বাছাই করুন। ✍️ Ask Sumon
