en
Feedback
Qalbun Saleem - قلب سليم

Qalbun Saleem - قلب سليم

Open in Telegram

📈 Analytical overview of Telegram channel Qalbun Saleem - قلب سليم

Channel Qalbun Saleem - قلب سليم (@qalbunsaleem19) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 18 938 subscribers, ranking 4 193 in the Religion & Spirituality category and 1 192 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 18 938 subscribers.

According to the latest data from 08 September, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by -123 over the last 30 days and by -9 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 14.45%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 3.41% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 2 737 views. Within the first day, a publication typically gains 646 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 80.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
Join with us: Facebook page: https://www.facebook.com/qalbunsaleem19?mibextid=ZbWKwL YouTube channel: https://youtube.com/@qalbunsaleem-65 Telegram channel: https://t.me/qalbunsaleem19

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 09 September, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Religion & Spirituality category.

18 938
Subscribers
-924 hours
-97 days
-12330 days
Posts Archive
একবার দরুদ, দশবার রহমত! দরুদ— দুঃশ্চিন্তার মহৌষধ! দরুদ— দোয়া কবুলের সোপান! দরুদ— কবরে নূর! দরুদ— কি*য়ামতে সুপারিশের সনদ! দরুদ— জান্নাতের পথের আলো! দরুদ মানেই রাসূল (ﷺ)- এর রাজ্যের মমতামাখা জবাব! দরুদ মানেই জান্নাতে নবীজির (ﷺ) সান্নিধ্যলাভ! দরুদে মিশে থাকুক হৃদয়, দরুদেই জুড়াক আত্মা! দরুদে কাটুক দিন, দরুদে কাটুক রাত! দরুদে রাঙুক জীবন, দরুদেই সাজুক ম’রণ! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! — উমায়ের কোব্বাদি (হাফি.) @qalbunsaleem19

কত রাত এমন গেছে, ঘরের এক কোণায় বসে বাচ্চাদের মতো কেঁদেছি। আমি আর আল্লাহ, আল্লাহ আর আমি। আমি তাঁর, তিনি আমার। কত অভিমান ঝেড়ে ফেলা, কত বিনীত নিবেদন। কত অতীত মনে পরা, কত ভবিষ্যত চাওয়া। সেজদাহের জায়গায় জায়নামাজ ভিজিয়ে ফেলা। তাওয়াককুল। দু’আ। সবর। ইয়া মাবুদ, আমি যতই শক্ত হয়ে যাই, তোমার কাছে কাঁদতে পারার সামর্থ্য কেড়ে নিও না। অন্তর প্রচন্ড ব্যথা, তোমাকে ডেকে কাঁদতে পারা-ই একমাত্র সুকুন। @qalbunsaleem19

“বিপদের সময় যে আল্লাহকে ডাকে, আল্লাহ তার বিপদ সহজ করে দেন; . মন খারাপের দিনে যে আল্লাহকে ডাকে, আল্লাহ তাকে শান্তি দান করেন; . চাপে পড়লে যে আল্লাহকে ডাকে, আল্লাহ তার বোঝা হালকা করে দেন।” . ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.)-এর এই উক্তিটা পড়ার সময় চিন্তায় পড়ে গেলাম- . বিপদে পড়লে আল্লাহকে চিনে—এমন বান্দাদের যদি আল্লাহ এভাবে সাহায্য করেন, তাহলে যারা সুসময়ে আল্লাহকে ডাকে, সুখে থাকলেও যারা আল্লাহকে ভুলে না, তাদেরকে তিনি না জানি কীভাবে সাহায্য করেন! . رَبِّ إِنِّى لِمَآ أَنزَلْتَ إِلَىَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ . . ~ মহিউদ্দিন রূপম (হাফি.) @qalbunsaleem19

আপনাকে কি করে ভালো না বেসে থাকতে পারি, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)? আপনি তো আমাকে না দেখেও ভালোবেসেছিলেন সেই ১৪০০ বছর আগে। অশ্রুসিক্ত নয়নে ভাই বলে সম্বোধন করেছিলেন। আসন্ন সে বিভীষিকাময় দিনে আমার জন্য পেরেশান হয়ে উম্মাতি উম্মাতি বলে কাঁদবেন। মাকামে মাহমুদে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে আমার মুক্তির জন্য আকুতি জানাবেন। কি করে আপনাকে ভালো না বাসি, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)? ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)! আপনি সেই ফুল, যে ফুলের ঘ্রানে আজও পৃথিবী ব্যাকুল। সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ! @qalbunsaleem19

ঘটনাটি পড়ছিলাম আর কাঁদছিলাম। মানুষের হিসাবে অসম্ভব মনে হলেও এমন দুয়া কবুলের ঘটনাগুলি সত্যই কাঁদিয়ে দেয়। আমাদের অনেকের জীবনে এমন ছোট বড় নানা ঘটনা আছে দু’আ কবুলের। ... মক্কার একজন আলেম ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘর থেকে বের হলেন। রাস্তায় খুঁজে পেলেন একটি ব্যাগ। ব্যাগটা নিয়ে ঘরে আসলেন। খুলে দেখলেন সেটাতে একটি হীরার নেকলেস! তিনি বলেন, এমন নেকলেস আমি আমার জীবনে দেখিনি। মুহূর্তের মধ্যেই তিনি কয়েকশো কোটি টাকার মালিক! কিছুক্ষণ পর দরজায় একজন নক করলো। তিনি দরজা খুললেন। একজন বৃদ্ধ বললো, “আমি আমার একটি ব্যাগ হারিয়ে ফেলছি। সম্ভবত আশেপাশের কোথাও পড়েছে। কেউ যদি ব্যাগটি পেয়ে থাকেন, তাকে আমি ৫০০ দিনার দেবো।” ৫০০ দিনার মানে কয়েক কোটি টাকা! যে ব্যক্তি ক্ষুধার্ত অবস্থায় রাস্তায় বের হলেন, তিনি হীরা পেলেন, হীরা ফেরত দেবার বিনিময়ে কোটি টাকার অফার পেলেন, সেই ব্যক্তি আমাদের কাছে অনেক সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে না? কিন্তু, তিনি ভাবলেন অন্য কিছু। তিনি ভাবলেন, এই হীরার মালিক আমি নই, এগুলোর বিনিময়ে ৫০০ দিনার গ্রহণ করা আমার জন্য ঠিক হবে না। ফলে, বৃদ্ধকে হীরার থলেটি ফিরিয়ে দিলেন। মক্কায় জ্ঞানার্জন করতে লাগলেন। এভাবেই কয়েক বছর কেটে গেলো। একবার তিনি কয়েকজনের সাথে ভ্রমণে বের হলেন। নৌকায় ভ্রমণ করছিলেন। মাঝপথে ঝড় ওঠে। নৌকা ডুবে যায়, প্রায় সবাই মৃত্যুবরণ করে। সেই আলেম কোনোরকম একটা তীরে ফিরেন। অপরিচিত দ্বীপে গিয়ে কয়েকজনের সাথে কথাবার্তা বললেন। তখন নামাজের সময় হলো। একজন তার পোশাক দেখে জিজ্ঞেস করলো, “আপনি নামাজ পড়াতে পারবেন?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ, পারবো।” তার তেলাওয়াত শুনে সবাই মুগ্ধ। তাকে তারা ইমাম হিশেবে রেখে দিলো। তিনি কুরআন পড়তে পারতেন। সেখানকার বাচ্চাদের কুরআন শেখাতে লাগলেন। প্রতিদিন নানান উপহার-উপঢৌকন আসতে থাকে। দ্বীপের লোকেরা ইমাম সাহেবকে ছাড়তে রাজি না। এমন ইমাম পেয়ে তারা খুব খুশি। তিনিও ভাবতে লাগলেন, কই থেকে কই আসলেন? একেবারে অপরিচিত এলাকার মানুষ তাকে আপন করে নিলো। আল্লাহ তার রিযিকের কী সুন্দর ব্যবস্থা করেছেন! ইমাম সাহেব যেন তাদেরকে ছেড়ে যেতে না পারেন, সেজন্য তারা একজন ইয়াতিম মেয়ের সাথে ইমামের বিয়ে দিতে চাইলো। অনেকটা জোর করেই বিয়ে দিলো! ইমাম সাহেব বাসর রাতে স্ত্রীকে দেখে অবাক। তিনি দেখতে পেলেন স্ত্রীর গলায় সেই হীরার নেকলেস, যেটা তিনি মক্কায় ফেরত দিয়েছিলেন বৃদ্ধকে! পরদিন লোকজনকে জিজ্ঞেস করলেন, এটা কীভাবে সম্ভব? লোকজন চিৎকার করে বললো, “আল্লাহু আকবর!” এমন চিৎকারে ইমাম সাহেব ভয় পেয়ে গেলেন। লোকজন বললো, “কয়েকবছর আগে আমাদের এলাকার সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি মক্কা থেকে ফিরে একটি ঘটনা শুনান। সেখানে এক যুবক তার হারিয়ে যাওয়া হীরের নেকলেস ফেরত দিয়েছে, যা তিনি নিজের মেয়ের জন্য কিনেছিলেন। এলাকায় ফিরে তিনি আফসোস করতে থাকেন সেই যুবকের জন্য। তিনি ইচ্ছাপোষণ করেন সেই যুবকের সাথে মেয়ের বিয়ে দেবেন। কিন্তু, তার আগেই তিনি ইন্তেকাল করেন! দেখুন, আপনার তাকদীর, সেই সম্ভ্রান্ত লোকের দু'আ আপনাকে এখানে নিয়ে আসলো। আপনি সেই মেয়েকেই বিয়ে করেন, যার জন্য সেই মেয়ের বাবা দু'আ করে যান। যেই হীরার নেকলেস আপনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, এখন সেই নেকলেস আপনার ঘরে!” সেই মহান আলেমের নাম ছিলো কাদিল মারিস্তান। তার মনে পড়লো কুরআনের একটি আয়াত: “ধৈর্যধারণ করো। আল্লাহ পুণ্যবানদের প্রতিদান নষ্ট করেন না!” [সূরা হুদ: ১১৫] . . ~ আরিফুল ইসলাম @qalbunsaleem19

কথার যদি ঘ্রাণ থাকতো, তাহলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর দুরুদ পড়া সবচেয়ে বেশি সুঘ্রাণ ছড়াতো! জুমার দিন মন উজাড় করে দুরুদ পাঠের দিন! 💙✨ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ! @qalbunsaleem19

May Allah Subhanahu wa Ta'ala accept this wish. Ameen 🤍 @qalbunsaleem19

শায়খ জুলফিকার আহমাদ নকশবন্দি (হাফি.) একটা দু'আ করেন– ইয়া আল্লাহ! অনেকটা সময় চলে গেছে জীবনের। তোমার থেকে অনেক দূরে চলে গিয়েছিলাম। বহুত দূর সে আয়া হু, বহুত দের মে আয়া হু, আয়া তো সহি। অনেক দূর থেকে এসেছি, অনেক দেরি করে এসেছি। এসেছি তো! মাফ করেই দাও মালিক। [বই : প্রত্যাবর্তন, পৃ. ২৯] @qalbunsaleem19

ইবনুল কাইয়্যিম (রহি.) বলেন— “আপনার গুনাহের ফল তাৎক্ষণিকভাবে দেখতে পাচ্ছেন না বলে ধোঁকা খাবেন না। হতে পারে এর পরিণতি আপনি চল্লিশ বছর পরে হলেও দেখতে পাবেন।” (সূত্র : আল জাওয়াবুল কাফি, ১৩০) ​কারণ, গুনাহ সময়ের সাথে সাথে মুছে যায় না। এর পরিণতি ঘাপটি মেরে থাকে। যখন আমরা একেবারেই নিশ্চিন্ত হয়ে যাই, খারাপ কিছুর জন্য প্রস্তুত থাকি না, তখন গুনাহের ভার আমাদের ওপর নেমে আসে। ​তাওবা করতে দেরি করাটাই সম্ভবত সেই কারণ, যার জন্য আজ আমাদের জন্য কল্যাণের কোনো কোনো দরজা বন্ধ হয়ে আছে, খুলছে না! আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতূবু ইলাইহি। . — মহিউদ্দিন রূপম @qalbunsaleem19

জ্বলন্ত আ’গুনে নিক্ষিপ্ত করা সেই ইব্রাহিম (আঃ) এর জেগে থাকা দুঃসাহসী সন্তান ❤️‍🔥 . রাহিমাহুল্লাহ! ❤️‍🩹 আজও ভীষণ মনে পড়ে আপন
জ্বলন্ত আ’গুনে নিক্ষিপ্ত করা সেই ইব্রাহিম (আঃ) এর জেগে থাকা দুঃসাহসী সন্তান ❤️‍🔥 . রাহিমাহুল্লাহ! ❤️‍🩹 আজও ভীষণ মনে পড়ে আপনাকে। প্রতি মুহূর্তে আমরা আপনার অভাব বোধ করি। . রব্বে কারীম আপনার নেক আমলগুলো কবুল করে নিন এবং ত্রুটি-বিচ্যুতি মার্জনা করে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন। এবং এই উম্মাহর জন্য আপনার উত্তম বিকল্পের ব্যবস্থা করে দিন। আ-মীন, আ-মীন, আ-মীন! @qalbunsaleem19

তুমি কী ভয় পাচ্ছ না যে, তোমার সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে? @qalbunsaleem19

তুমি কি জানতে চাও, আল্লাহর কাছে তোমার সম্মান কতটুকু? তাহলে দেখ, তিঁনি তোমাকে কোন অবস্থায় রেখেছেন? . - যদি দেখ তিঁনি তোমাকে তার যিকিরে মশগুল রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিঁনি তোমাকে স্মরণ করতে চান। . - যদি দেখ তিঁনি তোমাকে কুরআন দ্বারা মশগুল রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিঁনি তোমার সাথে কথা বলতে চান। . - যদি দেখ, তিঁনি তোমাকে ইবাদাত/আনুগত্যে ব্যস্ত রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিঁনি তোমাকে তাঁর সান্নিধ্যে টেনে নিয়েছেন। . - যদি দেখ, তিঁনি তোমাকে দুনিয়া দিয়ে ব্যস্ত করে দিয়েছেন, তাহলে জেনে নাও, তিঁনি তোমাকে দূরে ঠেলে দিয়েছেন। . - যদি দেখ, তিঁনি তোমাকে লোকজনের সাথে মশগুল বানিয়ে দিয়েছেন, তাহলে জেনে নাও, তিঁনি তোমাকে অপমানিত করেছেন। . - যদি দেখ, তিঁনি তোমাকে দু'আর দ্বারা ব্যস্ত রেখেছেন, তাহলে জেনে নাও, তিঁনি তোমাকে কিছু দিতে চান। . অতএব, সবসময় নিজের অবস্থা দেখ। তুমি কোন কাজে মশগুল? . আল্লাহ তোমাকে যে কাজে ব্যস্ত রেখেছেন, সেটাই তোমার অবস্থান তাঁর কাছে। . . লেখা : ড. রাতিব আন-নাবলুসি অনুবাদ : ড.বি. মফিজুর রহমান আল-আযহারী @qalbunsaleem19

একবার দরুদ, দশবার রহমত! দরুদ— দুঃশ্চিন্তার মহৌষধ! দরুদ— দোয়া কবুলের সোপান! দরুদ— কবরে নূর! দরুদ— কি*য়ামতে সুপারিশের সনদ! দরুদ— জান্নাতের পথের আলো! দরুদ মানেই রাসূল (ﷺ)- এর রাজ্যের মমতামাখা জবাব! দরুদ মানেই জান্নাতে নবীজির (ﷺ) সান্নিধ্যলাভ! দরুদে মিশে থাকুক হৃদয়, দরুদেই জুড়াক আত্মা! দরুদে কাটুক দিন, দরুদে কাটুক রাত! দরুদে রাঙুক জীবন, দরুদেই সাজুক ম’রণ! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! — উমায়ের কোব্বাদি (হাফি.) @qalbunsaleem19

সেই ঐতিহাসিক আনন্দের অশ্রুতে প্লাবিত হবার দিন৷ সেই ঐতিহাসিক শুকরিয়া সিজদাহ দেওয়ার দিন। @qalbunsaleem19
সেই ঐতিহাসিক আনন্দের অশ্রুতে প্লাবিত হবার দিন৷ সেই ঐতিহাসিক শুকরিয়া সিজদাহ দেওয়ার দিন। @qalbunsaleem19

শয়নে, স্বপনে, জাগরনে শুধু কুরআন আর কুরআন। রব্বে কারিম সবার বংশে, কেয়ামত পর্যন্ত কুরআনের ধারকবাহক নেকসন্তান পয়দা করে দিন। আ-মীন! @qalbunsaleem19

দ্বীনদারির ভিত দুর্বল করে দেয়— • কুরআন ত্যাগ • বিলম্বে সালাত • জিকির-ইবাদতহীন সময় কাটানো • গাফেলের সঙ্গ • দৃষ্টি ও জবানের লাগামহীনতা। ~ শায়েখ আতীক উল্লাহ (হাফি.) @qalbunsaleem19

সালাফরা একে অপরকে সান্ত্বনা দিতেন এবং ভরসা দিয়ে বলতেন: এইতো আর কিছুদিন মাত্র, আসল ঠিকানা তো জান্নাত। তথ্যসূত্র: ছিফাতুছ-ছাফওয়ালি ইবনে জাওযি; ১/১২২ @qalbunsaleem19

কাঁধ যখন পাপে ভারী হয়, হৃদয় আল্লাহর দিকে এগিয়ে যেতে বাধা পায়। অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তার আনুগত্যে উঠে দাঁড়াতে গিয়ে থমকে যায়। যার কাঁধ পাপের ভারে ন্যুজ, সে কি করে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করবে? যে হৃদয় গুনাহতে ভারাক্রান্ত, সেটা কি করে আল্লাহর দিকে এগিয়ে যাবে? যদি সেই পাপগুলো সরিয়ে ফেলা হত, তাহলে সে উঠে দাঁড়াতে পারত। প্রবল আকর্ষণে উঠে গিয়ে রবের পানে সে উড়ে চলত। তার সকল কষ্ট পরিণত হত সুখ-সমৃদ্ধি আর সহজতায়। — ইবনুল কাইয়্যিম (রহি.) [সূত্র : আল-কালাম ‘আলা মাসআলাতিস সামা, পৃ. ২৭৮] @qalbunsaleem19

তোমাকেই বলছি... যার যৌবন আজ ফুরিয়ে গেছে! যার আমলনামা পদস্খলনে ভরে গেছে! তুমি কি জানো না- দেহের চামড়াকে সাক্ষ্য দিতে বলা হলে, সে কথা বলে উঠবে? তুমি কি জানো না- ওপারের জাহান্নামটা পাপীদের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে? — ইমাম ইবনুল জাওযী (রহি.) [সূত্র : আত-তাবসিরাহ, ১/৮৩] @qalbunsaleem19

কিছু গুনাহের খারাপ প্রভাব ঠিক মৃত্যুর সময় প্রকাশ পায়। তন্মধ্যে একটি হচ্ছে যি*নার গুনাহ। যিনার গুনাহের কারণে মানুষ মৃত্যুর সময় ঈমান থেকে বঞ্চিত হয়, জিহ্বা অকেজো হয়ে যায়, কালেমা পড়তে চাইলেও পড়তে পারে না। আল্লাহ তাওফীক ছিনিয়ে নেন। এজন্য এসমস্ত গুনাহ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে তাওবা করে নেয়া জরুরি। . — শায়খ জুলফিকার আহমেদ নকশবন্দি (রহি.) @qalbunsaleem19