en
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

Open in Telegram

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

Show more
801
Subscribers
No data24 hours
No data7 days
-130 days
Posts Archive
আব্দুল্লাহ আল নোমান, ঢাকা। 1118 নং উত্তর: ছবি তোলা সংক্রান্ত। লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd

মুহাম্মাদ মারুফ হাসান, মালয়েশিয়া প্রবাসী। 1176 নং উত্তর: মোবাইলের মাধ্যমে ভিডিও কল করা সংক্রান্ত। লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd

বিয়ের পর পৃথক ঘরে থাকা আবশ্যক এক. পৃথক ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও স্ত্রীকে নিয়ে মা-বাবার সঙ্গে একসাথে থাকা মোটেই সঙ্গত নয়। কারণ, এর ফলে পারিবারিক জীবনে বহু রকমের সমস্যার সৃষ্টি হয় যা প্রকাশ পেতে থাকে অচিরেই। দুই. পারিবারিক ঝগড়া-কলহ থেকে বেঁচে থাকার একটি উৎকৃষ্ট উপায় হলো- পরিবারের সকলে মিলে এক ঘরে একসাথে না থাকা। একাধিক মহিলা এক ঘরে থাকার ফলেই যতসব ঝগড়া কলহের সূত্রপাত হয়। তিন. জনৈক ব্যক্তির বাড়িতে সকলে মিলে এক ঘরে একসাথে থাকতো। ফলে পরিবারে সর্বদা ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকতো। আমি (হযরত থানভী রহ.) তাদের পরামর্শ দিলাম, তোমরা পৃথক হয়ে যাও। একসাথে থাকলে ঝগড়া-কলহ হতে থাকে। সাথে সাথে আমার নাম প্রকাশ করতে নিষেধ করলাম। আমার পরামর্শ অনুযায়ী তারা পৃথক হয়ে গেলো। এজন্য পরিবারে মারাত্নক রকমের হট্টগোলও হয়ে গেলো। কিন্তু তাদের মা যখন জানতে পারলো, এটা আমার পরামর্শ, তখন পরিস্থিতি শান্ত হলো। অতঃপর উক্ত ব্যক্তি সকলের খরচ পৃথক করে দিলো। ফলে পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ও শান্তি ফিরে এলো এবং ঝগড়া-কলহও বন্ধ হলো। বিয়ে করার সাথে সাথে মা-বাবা হতে ছেলে পৃথক হয়ে যাওয়াই বর্তমান যুগের জন্য অধিক সমীচীন। এতে ছেলে এবং মা-বাবা উভয়েরই শান্তি। আমি মিরাঠে এক পরিবারের অবস্থা দেখেছি। উক্ত পরিবারে ঝগড়া-কলহ, বিশৃংখলা ও মনোমালিন্য সর্বদা লেগেই থাকতো। আমার সাথে সেই পরিবারের একজনের তা'আল্লুক (ইসলাহী সম্পর্ক) ছিলো। সে আমাকে পত্র দ্বারা তার পরিবারে প্রতিনিয়ত ঝগড়া-কলহ লেগে থাকার কথা জানালো। উত্তরে আমি তাকে পরামর্শ দিয়ে লিখলাম- "তুমি এক্ষুণি আলাদা ঘর ভাড়া করে পরিবার থেকে পৃথক হয়ে যাও।" আমার পরামর্শ মতে সে ঘর ভাড়া করে আলাদা থাকতে শুরু করলো। ফলে পরিবারে স্বস্তি ও শান্তি ফিরে এলো এবং যাবতীয় ঝগড়া-কলহেরও অবসান হলো। আমার পরামর্শ হলো, বিয়ের পর মা-বাবার সাথে একসঙ্গে থাকবে না। এটাই উভয় পক্ষের জন্য নিরাপদ ব্যবস্থা। কুরআন হাদীসের আলোকে পারিবারিক জীবন পৃষ্ঠা ২০ (২য় অধ্যায়) মূলঃ হযরত থানভী রহ. অনুবাদঃ মাওলানা আবু তাহের রহমানী http://t.me/pathofisla

★6.12.2019★ *************** তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ হযরত হাফেজ মাওলানা মুফতী শফী ছাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর জুম'আর বয়ান। বয়ানের বিষয়: সন্তানের সঠিক লালন পালন। এই বয়ানে হযরত ওয়ালা দামাত বারাকাতুহুম,নেক সন্তান ও সন্তানের সঠিক লালন পালন সম্পর্কে খুবই মূল্যবান নসিহত পেশ করেন।যা সকলের বার বার শুনতে থাকার মতো ও আমল করার মতো। বড় বয়ান। t.me/khankahbd ছোট বয়ান। t.me/chotoboyan

স্বামী-স্ত্রী প্রত্যেকের আসবাব-পত্র পৃথক থাকা আবশ্যক আরবের প্রথা ছিল- গৃহের যাবতীয় আসবাব-পত্র স্বামী ও স্ত্রী প্রত্যেকের পৃথক পৃথক থাকবে- স্ত্রীর জিনিস পত্র আলাদা আর স্বামীর জিনিসপত্র আলাদা। প্রত্যেকে আপন আপন জিনিসপত্রই শুধু ব্যবহার করবে। বর্তমানে ইউরোপে এ প্রথা অত্যন্ত ব্যাপকভাবে রয়েছে। মেম সাহেবের জিনিসপত্র আলাদা আর সাহেবের জিনিসপত্র আলাদা। গৃহে প্রতিটি বস্তুর মালিকানা সুস্পষ্ট থাকার এ প্রথা- যা আজ ইউরোপে রয়েছে- এক সময় মুসলমানদের মধ্যে ছিল। ভারত বর্ষেও যদি এ প্রথা চালু হয়ে যেতো, তাহলে কতোই না ভালো হতো! বর্তমানে আমাদের সমাজ এমন কলুষিত হয়ে গেছে যে, কেউ কারো হক বা অধিকারের প্রতি সামান্যতম ভ্রুক্ষেপও করে না। অজ্ঞতা ও মূর্খতা এমন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে যে, আমরা বিস্মৃত হয়ে গেছি লেনদেনের স্বচ্ছতা, মালিকানার স্পষ্টতা ও অপরের অধিকার রক্ষা করার আদর্শ- যা আজ ইউরোপে বিরাজ করছে; এক সময় তা ইসলাম ও মুসলমানদের মধ্যে ছিল। লেন-দেন ও মালিকানার স্বচ্ছতার দাবি হলো- স্বামী ও স্ত্রী প্রত্যেকের মালিকানাধীন বস্তুসমূহ পৃথক পৃথক রাখবে। অথচ আমাদের সমাজের অবস্থা হলো পরিবারে কোনটি কার জিনিস তা কারোরই জানা থাকে না। একজনের জিনিসের উপর অপরজনের অন্যায় হস্তক্ষেপ দ্বিধাহীনভাবে চলে। স্ত্রীর ব্যবহার্য অলঙ্কারসমূহে একথা স্পষ্ট থাকে না যে, কোনটি তার বাবার দেয়া এবং কোনটি তার স্বামীর দেয়া এবং স্বামীর প্রদত্ত অলঙ্কার কি তাকে মালিক বানিয়ে দেয়া হয়েছে নাকি শুধু ব্যবহারের জন্য দেয়া হয়েছে। কেউ যদি গৃহে ব্যবহার্য জিনিসপত্রে নিজের এবং স্ত্রীর পৃথক পৃথক মালিকানা নির্ধারণ করে নিতে চায় তাহলে তার উপর নিন্দা ও তিরস্কারের ঝড় বইতে শুরু করে। গোটা সমাজ তার সমালোচনায় মুখর হয়ে উঠে যে, "অমুক ব্যক্তি তার ক্ষুদ্র ও তুচ্ছ বস্তুসমূহেও কারো হাত স্পর্শ করতে দেয় না। এটাকে চরম সংকীর্ণতা ও কৃপণতা ছাড়া আর কি বলা যায়।" তাদের মতে উদার ও দানশীল হতে হলে সম্পূর্ণ এলোমেলো ও বিশৃঙ্খল থাকতে হবে। নিজের জিনিস ও অপরের জিনিসের মধ্যে ভেদাভেদ থাকতে পারবে না। কুরআন হাদীসের আলোকে পারিবারিক জীবন পৃষ্ঠা ২৬ (৩য় অধ্যায়) মূলঃ হযরত থানভী রহ. অনুবাদঃ মাওলানা আবু তাহের রহমানী (মন চায় যে, প্রতিটি দম্পতি যদি তাদের দাম্পত্য জীবন শুরুর আগে এই কিতাবটি পড়ে নিতো!!!) http://t.me/pathofisla

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগ (পর্ব - ২৫) 🔈🔈অডিও মালফূয ৬৭🔈🔈🔈 তৎকালীন উপমহাদেশের অন্যতম আল্লাহওয়ালা আলেমে দ্বীন হযরত থানভী রহ. এর খাস খলিফা হযরত মুফতী শফী রহ. এর তাকওয়ার একটি শিক্ষণীয় ঘটনা -আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর দা: বা: http://t.me/khanqaSN http://t.me/pathofisla

এক মিনিটে একটি মাসআলা মাসআলা ০৯ নাজমুল হক - ফেনী ৪৯৪৩. প্রশ্ন আমাদের মসজিদে কুরআন মাজীদের পুরাতন অনেক কপি আছে। যেগুলো এখন আর পড়ার উপযুক্ত থাকেনি। এগুলো ছাড়াও পড়ার মত আরো অনেক নতুন কুরআন শরীফ আছে। মসজিদ কমিটি চাচ্ছে, পুরাতন কপিগুলো সরিয়ে ফেলতে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা এগুলো কী করতে পারি? জানিয়ে বাধিত করবেন। উত্তরঃ কুরআন মাজীদের পুরাতন কপি তিলাওয়াতের অনুপযুক্ত হয়ে গেলে পবিত্র কাপড়ে পেঁচিয়ে মানুষের চলাচলমুক্ত স্থানে দাফন করে দেবে। ইবরাহীম নাখায়ী রাহ. বলেন, كَانُوا يَأْمُرُونَ بِوَرَقِ الْمُصْحَفِ إِذَا بَلِي أَنْ يُدْفَنَ. কুরআনের পাতা পুরাতন হয়ে গেলে তাঁরা (সাহাবীগণ) তা মাটিতে দাফন করে দেওয়ার আদেশ করতেন। (ফাযাইলুল কুরআন, আবু উবাইদ, বর্ণনা ৬৫) অথবা ভারী কোনো বস্তুর সাথে বেঁধে বড় কোনো জলাশয়ে ডুবিয়ে দিবে। শরহুস সিয়ারিল কাবীর, সারাখসী ৩/১৪২; ফাতাওয়া সিরাজিয়া পৃ. ৭১; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১৮/৬৮; আলবিনায়া ১৪/৫৮০; মুখতারাতুন নাওয়াযিল ৩/৯৪; রদ্দুল মুহতার ১/১৭৭ প্রশ্নটির লিংকঃ https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/3117/ মাসিক আল কাউসার রবিউল আউয়াল ১৪৪১ || নভেম্বর ২০১৯ ঈসায়ী http://t.me/pathofisla

মাসিক ইসলাহী মাহফিল (ডিসেম্বর ২০১৯ ঈসায়ী) (২য় পর্ব) -আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর দা: বা: বিষয়ঃ ০১. নেক সুরতে যেভাবে বদ-দ্বীনী ছড়াচ্ছে (ছবি তোলা, ভিডিও করা, প্রজেক্টরের মাধ্যমে মহিলাদের ওয়াজ শোনার ব্যবস্থা করা ইত্যাদি) ০২. বর্তমানে ওয়াজ মাহফিলে যেসকল প্রচলিত ভুল হয়ে থাকে স্থানঃ খানক্বাহ নূরীয়া আখতারিয়া আশরাফিয়া, পূর্ব মিতরা, সদর মানিকগঞ্জ সময়ঃ ০৬/১২/১৯ ঈসায়ী বাদ জুমা বিঃ দ্রঃ যারা বলে ওয়াজ মাহফিলে ছবি তোলা, ভিডিও করতে সমস্যা নেই তারা একটু চিন্তা করি। http://t.me/khanqaSN

ভিডিও করা হারাম- - মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. প্রধান মুফতী ও শাইখুল হাদীস, জামিয়া রহমানিয়া,মুহাম্মাদপুর,ঢাকা। t.me/videoharam

🌸🌸🌸মালফূয ৮৫🌸🌸🌸🌸 মোবাইলের অপব্যবহার ধ্বংস ডেকে আনে একবার মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে হযরতওয়ালা দা: বা: বললেন, আমার মা বলেন, "মোবাইল ফোন; করে খুন"। ফায়দাঃ হযরতের মা একজন নেককার মহিলা। তিনি এখনো জীবিত আছেন। আমরা দু'আ করি যেন, আল্লাহ্‌ তা'আলা তাঁকে সুস্থতার সাথে দীর্ঘ নেক হায়াত দান করেন। মোবাইল ফোনের অপব্যবহার যে কতটা ক্ষতিকর তা এই ছোট্ট কথা দ্বারা সহজে ফুটে উঠেছে। হযরতের মা একজন বৃদ্ধা মহিলা। তাঁর হায়াতের দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরে মোবাইল ফোন এসেছে। তাও আবার ধাপে ধাপে মোবাইলের উন্নতি ও অগ্রগতি হয়েছে। বর্তমানে হাতে হাতে সব বয়সের, সব লিঙ্গের মানুষের কাছেই স্মার্ট ফোন এসে গেছে। আর এর যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে মানুষ অযথা ছবি তোলা, সেলফি তোলা, ভিডিও করা সহ এমন সকল গুণাহে জড়াচ্ছে তাতে মোবাইল ফোনকে যদি বিস্ফোরক (বোমা) হিসেবে ধরা হয় আর যারা এর অপব্যবহার করছে তাদেরকে যদি বিস্ফারণকারী ধরা হয় তাহলে এহেন কার্যকলাপকে আত্নঘাতী বোমা বিস্ফোরণ বললে অত্যুক্তি হবে না! http://t.me/khanqaSN

দীনী কাজের সাথে সম্পৃক্ত এডমিনদের আরো বেশি সচেতন এবং নিষ্ঠাবান হওয়া চাই-৭ (youtube এ দীনী দাওয়াত দেয়া সম্পর্কে ৩) Telegram এ নিয়মিত অডিও পেতে join হোন নিচের লিংকে t.me/alokitojibon t.me/dinimazlis পোষ্ট নং ৩০০

ডিজিটাল ছবি সম্পর্কে- মুফতী জাফর আহমাদ দা.বা. t.me/videoharam

মেয়ে সন্তান নি‘আমত কেন মুফতী মনসূরুল হক দা: বা: বলেন, আমাদের জান, মাল, সময়, ইজ্জত, সন্তান সব আল্লাহর দীনের জন্য। ছেলেও নি‘আমত, মেয়েও নি‘আমত। কিন্তু মেয়ে হওয়া বেশি নি‘আমত। ছেলে সন্তানকে লালন-পালনের ক্ষেত্রে অন্য কোন উদ্দেশ্য আসার সম্ভাবনা থাকে কিন্তু মেয়েকে লালন-পালন করা হয় খালেস আল্লাহর জন্য। কেননা অনেক মা-বাবাই ছেলেদের থেকে কিছু পাওয়ার আসা করে। https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi http://t.me/pathofisla

দীনী কাজের সাথে সম্পৃক্ত এডমিনদের আরো বেশি সচেতন এবং নিষ্ঠাবান হওয়া চাই-৬ (youtube এ দীনী দাওয়াত দেয়া সম্পর্কে ২) Telegram এ নিয়মিত অডিও পেতে join হোন নিচের লিংকে t.me/alokitojibon t.me/dinimazlis পোষ্ট নং ২৮৭

হযরত মাওলানা মুফতী মাসউদুর রহমান কাসেমী(হাফিজাহুল্লাহ) মুহাদ্দিস,সৈয়দপুর জামিয়া এমদাদিয়া মাদ্রাসা। ■ নাতি যদি নানাকে একটি চকলেট কিনে দেয় নানা তা আজীবন স্মরণ রাখে এবং সকলের কাছে বলে বেড়ায়, ■ বান্দা যদি আল্লাহর জন্য সামান্য একটা কাজ করে আল্লাহ তা তার জন্য আজীবন সেভ করে রাখি এটা তার কখনও কখনও মুক্তির উসিলা হয়ে যায়, ■ তরুন বক্তা যারা ক্যামেরাম্যান নিয়ে ঘোরে সংগীতশিল্পী যারা কেবল আত্ম প্রদর্শন মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণে ব্যস্ত তাদের পরকালে কি অবস্থা হবে? ■এক্সরে এর ফিলিম ও মানুষের অন্তরের নিয়ত। পর্ব 1 t.me/MuftiMasudKasemi

তরীকতের পূর্বশর্ত হযরত থানভী রহ. বলেন, এ পথ খুবই নাজুক। এ পথে পা রাখার আগে নিজের মান-মর্যাদা ও গুণ-যোগ্যতা সব বিলীন করে দিতে হবে। মুসলিহের (পীরের) প্রত্যেক কথা এবং শিক্ষার উপর আমল করার জন্যে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। এ পথের জন্যে সর্বপ্রথম এমন হওয়া শর্ত, যেমন জালালুদ্দীন রূমী রহ. বলেছেন, ''লাইলীর গন্তব্যের পথে প্রাণের ঝুঁকি রয়েছে প্রথম পদক্ষেপেই শর্ত হলো, তোমাকে মজনু হতে হবে।'' এমনকি জুতার আঘাত খাওয়ার জন্যেও তৈরী থাকতে হবে। আর যে জুতা খাওয়ার জন্যে তৈরী থাকলো, সে যেন জুতাই খেলো এবং তার ইসলাহ হয়েই গেলো। প্রস্তুতিই কঠিন। কারণ সেই প্রস্তুতিই ধর্তব্য, যা নিষ্ঠাপূর্ণ হৃদয়ে হবে। আর নিষ্ঠাপূর্ণ হৃদয়ে সেই প্রস্তুত হয়, যে নিজের মান-মর্যাদার প্রতি ভ্রুক্ষেপ করে না। আর কাজের জন্যে এটাই আসল জিনিস যে, নিজেকে মিটিয়ে দিতে হবে। বিলীন করে দিতে হবে। তা না হলে শুধু জুতা খাওয়াতেই বা কি কাজ হয়? কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ১০৭৬ পৃষ্ঠা ৪৭১ http://t.me/pathofisla

★5.1.2019★ বিলাশপুর দোহার ঢাকা মাহফিলে, তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ হযরত হাফেজ মাওলানা মুফতী শফী ছাহেব দামাত বারাকাতুহুম,দ্বীনী মাহফিলে ছবি তোলা ও ভিডিও করা সম্পর্কে বলেন------------। বয়ানের লিংক: t.me/khankahbd ছোট বয়ান: t.me/chotoboyan

তিনদিন ব্যাপী আয়োজিত বার্ষিক ইসলাহী মাহফিলের ১ম দিনের আমন্ত্রিত মেহমান হিসেবে আজিমুশ্মান ইসলাহী নসীহত পেশ করেন শাইখুল ইসলাম আল্লামা তাকী উসমানী দা: বা: এর খাস খলিফা -আল্লামা মুফতী দিলাওয়ার হুসাইন দা: বা: স্থানঃ খানক্বাহ নূরীয়া আখতারিয়া আশরাফিয়া, পূর্ব মিতরা, মানিকগঞ্জ সময়ঃ ২১/১১/১৯ ঈসায়ী বৃহস্পতিবার বাদ মাগরিব http://t.me/khanqaSN http://t.me/pathofisla

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ২৪) উপমহাদেশের ইংরেজ বিরোধী আন্দোলনের অগ্রণী সৈনিক আমাদের মহান আকাবিরদের প্রতিচ্ছবি সাইয়্যেদ হুসাইন আহমাদ মাদানী রহ. এবং তাঁর পরিবারের অনাহারে কষ্ট সহ্য করার শিক্ষণীয় ঘটনা -হযরত মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ্ সা'দী দা: বা: (মাদানী রহ. এর খাদেমের সাহেবজাদা) সভাপতিঃ ইত্তেফাকুল উলামা বৃহত্তর মোমেনশাহী http://t.me/pathofisla