এসো সংশোধনের পথে
Open in Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
Show more801
Subscribers
No data24 hours
No data7 days
-130 days
Posts Archive
এক মিনিটে একটি মাসআলা
মাসআলা ০৮
শফিকুল ইসলাম - নওগাঁ
৪৮৮৫. প্রশ্নঃ
কিছুদিন আগে আমি এক মাছ বিক্রেতার কাছে একটি মাছের দাম জিজ্ঞাসা করলে সে তিন শত টাকা মূল্যের মাছের দাম এক হাজার টাকা বলে। বিষয়টি টের না পেয়ে আমি সাতশত টাকা বলে ফেলি। সে এতেও রাজি হয়নি। তাই আমি সেখান থেকে চলে আসি। কিছু দূর চলে আসার পর ঐ দামেই মাছটি নেয়ার জন্য সে আমাকে ডাকতে থাকে। এতক্ষণে চড়া দামের বিষয়টি আমার বুঝে আসে। তাই আমি আর তার ডাকে সাড়া দেইনি। সে আমার পিছু নেয় এবং আমাকে ধরে বলে- দরদাম করে এখন নিবেন না কেন? তার চিল্লাচিল্লিতে আশপাশের কিছু লোক জমা হলে তারাও একই কথা বলে। অবশেষে চড়া দামে মাছটি নিতে আমি বাধ্য হই। জানার বিষয় হল, প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আমার জন্য মাছটি নেয়া কি আবশ্যক ছিল? এক্ষেত্রে মাছ কিনতে আমাকে বাধ্য করা কি ঠিক হয়েছে?
উত্তরঃ
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আপনি মূল্য বলার পর মাছ বিক্রেতা যেহেতু আপনার প্রস্তাবে রাজি হয়নি এবং আপনি সেখান থেকে চলেও এসেছিলেন তাই ঐ প্রস্তাব বাতিল হয়ে গেছে। সুতরাং পরে সে ঐ দামে মাছ দিতে চাইলেও তা আপনার জন্য নেওয়া আবশ্যক ছিল না। এক্ষেত্রে মাছ বিক্রেতা আপনাকে তা নিতে বাধ্য করা অন্যায় হয়েছে। এক্ষেত্রে বিক্রেতা যেহেতু চাপ সৃষ্টি করে কিছুটা প্রতারণার মাধ্যমে অতিরিক্ত চড়া দামে মাছটি বিক্রি করেছে তাই মাছটির ন্যায্য দামই শুধু সে রাখতে পারবে। এর অতিরিক্ত যে মূল্য সে নিয়েছে তা ফেরত দেওয়া আবশ্যক। তা তার জন্য ভোগ করা জায়েয হবে না।
-মাজাল্লাতুল আহকামিল আদলিয়া, মাদ্দা ১৮৩; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৩/৭; রদ্দুল মুহতার ৪/৫২৭
প্রশ্নটির লিংকঃ
https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/3059/
মাসিক আল কাউসার
মুহাররম ১৪৪১ || সেপ্টেম্বর ২০১৯
http://t.me/pathofisla
আকাশ মেঘাচ্ছন্ন দেখলে পড়বে
اَللّهُمَّ إنَّا نَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّمَا أُرْسِلَ بِهْ.
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট ঐ সকল অনিষ্ট হতে পানাহ চাচ্ছি, যাকে এ মেঘ বহন করে এনেছে। (মুসলিম হাদীস নং-৮৯৯)
মাসনূন দু'আ ও দুরূদ
-মুফতী মনসূরুল হক দাঃ বাঃ
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
http://t.me/pathofisla
মাসিক ইসলাহী মজলিসের গুরুত্বপূর্ণ বয়ান। (১ম পর্ব)
-আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর দাঃ বাঃ
বিষয়ঃ বিরোধীদের সাথে আমাদের আকাবিরদের আচরণ
স্থানঃ খানক্বাহ নূরুল আখতার ওয়াল হিকমাহ, পূর্ব মিতরা, মানিকগঞ্জ
সময়ঃ ১৩.০৯.১৯ ঈসায়ী, বাদ জুমা
http://t.me/khanqaSN
http://t.me/pathofisla
বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ এর উদ্যোগে তাহফীযুল কুরআন শিক্ষক প্রশিক্ষণ এর হিফয বিভাগের শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ খাস তরবিয়তি দরস। (১ ঘন্টা ২৭ মিনিট)
দরস প্রদান করেনঃ
হাফেয মাওলানা আমিনুল হক দাঃ বাঃ
মুহতামিমঃ দারুল উলূম নিযামিয়া
খলিফাঃ হযরত প্রফেসর হামীদুর রহমান দাঃ বাঃ
স্থানঃ দারুল উলূম নিযামিয়া মোমেনশাহী, মধ্যবাড়েরা, সদর, মোমেনশাহী
তারিখঃ ০২/০৫/১৯ ঈসায়ী
বিঃ দ্রঃ যেহেতু দরস তাই মাঝখান থেকে মাঝখান থেকে না শুনে ধারাবাহিকভাবে শুনলে বেশী ফায়দা হবে বলে আশা করি। আর যাদের এই বিষয়ে পিপাসা আছে তাদের যথেষ্ট ফায়দা হবে বলে আশা করি।
http://t.me/pathofisla
ভার্সিটির ছাত্রদের উদ্দেশ্যে খুছুছি মজলিসে সংক্ষিপ্ত নসীহত পেশ করেন উপমহাদেশের অন্যতম হাদীস বিশারদ হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক দাঃ বাঃ
স্থানঃ খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, ফুলবাড়ীগেট, খুলনা
সময়ঃ ০৮/০৯/১৯ ঈসায়ী, রবিবার বাদ ফজর
বিঃ দ্রঃ মূল বয়ানটি আরও দীর্ঘ। সঙ্গত কারণে পুরো বয়ানটি রেকর্ড করা যায়নি তাই যে পর্যন্ত রেকর্ড করা হয়েছে সে পর্যন্ত আপলোড দেওয়া হলো।
http://t.me/pathofisla
ভার্সিটির ছাত্রদের উদ্দেশ্যে খুছুছি মজলিসে সংক্ষিপ্ত নসীহত পেশ করেন উপমহাদেশের অন্যতম হাদীস বিশারদ হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক দাঃ বাঃ
স্থানঃ খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, ফুলবাড়ীগেট, খুলনা
সময়ঃ ০৭/০৯/১৯ ঈসায়ী, শনিবার বাদ ইশা
http://t.me/pathofisla
📣📣📣এলান📣📣📣📣
আসছে আগামী ০৭/০৯/১৯ ঈসায়ী রোজ শনিবার উপমহাদেশের প্রখ্যাত মুহাক্কিক আলেমে দ্বীন অন্যতম হাদীস বিশারদ মারকাযুদ দাওয়াহ আল ইসলামিয়ার আমিনুত তালিম; হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক দাঃ বাঃ গুরুত্বপূর্ণ বয়ান করবেন ইনশাআল্লাহ।
স্থানঃ বাইতুল আমান জামে মসজিদ, রেল ক্রসিং সংলগ্ন, ফুলবাড়ীগেট, খুলনা
সময়ঃ বাদ মাগরিব
খুলনা ও আশেপাশের এলাকার আগ্রহী ভাইয়েরা ইচ্ছা করলে খুব সহজেই বয়ানে অংশগ্রহণ করতে পারেন।
http://t.me/pathofisla
মূল্য পরিশোধের সময় এক টাকা কম দেওয়ার অভ্যাস নিন্দনীয়-
Telegram এ নিয়মিত অডিও পেতে join হোন নিচের লিংকে
t.me/alokitojibon
t.me/dinimazlis
http://t.me/pathofisla
মা-বোনদেরকে ইলমে দ্বীন শিখানো চাই।
-আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর দাঃ বাঃ
বিঃ দ্রঃ এক লোকের বাড়িতে খানার শেষে হযরতওয়ালা দাঃ বাঃ তাকে সংক্ষিপ্তাকারে এই কথাগুলো বলেন যাতে আমাদের জন্য শিক্ষার খোরাক রয়েছে।
http://t.me/khanqaSN
http://t.me/pathofisla
সবরকারী ব্যক্তি আল্লাহ্র পক্ষ থেকে হেদায়েতপ্রাপ্ত।
-প্রফেসর হামীদুর রহমান দাঃ বাঃ
খলিফাঃ হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহঃ এবং হযরতওয়ালা হারদুঈ রহঃ
http://t.me/pathofisla
বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ এর উদ্যোগে তাহফীযুল কুরআন শিক্ষক প্রশিক্ষণ এর হিফয বিভাগের শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ খাস তরবিয়তি দরস। (১ ঘন্টা ১৭ মিনিট)
দরস প্রদান করেনঃ
হাফেয মাওলানা আমিনুল হক দাঃ বাঃ
মুহতামিমঃ দারুল উলূম নিযামিয়া
খলিফাঃ হযরত প্রফেসর হামীদুর রহমান দাঃ বাঃ
স্থানঃ দারুল উলূম নিযামিয়া মোমেনশাহী, মধ্যবাড়েরা, সদর, মোমেনশাহী
তারিখঃ ০১/০৫/১৯ ঈসায়ী
বিঃ দ্রঃ যেহেতু দরস তাই মাঝখান থেকে মাঝখান থেকে না শুনে ধারাবাহিকভাবে শুনলে বেশী ফায়দা হবে বলে আশা করি। আর যাদের এই বিষয়ে পিপাসা আছে তাদের যথেষ্ট ফায়দা হবে ইনশাআল্লাহ।
http://t.me/pathofisla
এক মুরীদ হযরত থানভী রহঃ কে লিখেনঃ
নিজেকে বড় তো মনে করি না কিন্তু লানছিত-অপমানিত হই সেটাও সহ্য হয় না। মন চায় কেউ আমাকে বড় মনে না করুক, সম্মান আদৌ না দেখাক, কিন্তু মানহানিকর আচরণ কিংবা অপমানজনক কথায় যেন আমাকে ঘায়েল না করে। লোকেরা লানছিত ও পতিত মনে করবে ধারণায় ময়লা কাপড় পরিধানে লজ্জাবোধ করি।
হযরত থানভী রহঃ এর জবাবঃ
শরীঅতের এটাই হুকুম। অর্থাৎ, মুমিন ব্যক্তির নিজেকে লানছিত করা উচিত নয়।
বস্তুত হাল প্রবল না হওয়া পর্যন্ত এটাই নিয়ম। কিন্তু হালের প্রাবল্যতায় ইজ্জত অপেক্ষা লানছনাই প্রিয় মনে হয়। তবে এ অবস্থা কারো ইচ্ছাধীন নয়; গাইরে এখতিয়ারী। সে অবস্থা না হলে কামনা করা ঠিক নয়। আর আপনি হয়ে গেলে নিরসনের প্রয়োজন নেই।
মুজাদ্দিদে মিল্লাত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহঃ এর জীবনকথা
পৃষ্ঠা ১৩০
মূলঃ আরেফবিল্লাহ ডাঃ মুহাঃ আবদুল হাই রহঃ
অনুবাদঃ মাওলানা আবু আশরাফ
প্রকাশনায়ঃ এমদাদিয়া লাইব্রেরী, চকবাজার, ঢাকা
http://t.me/pathofisla
হযরত মাওলানা শাহ্ আবরারুল হক রহঃ ইরশাদ করেনঃ
মসজিদ কমিটি এবং মুতাওয়াল্লী সাহেবেরা ইমাম-মুয়াযযিন নিয়োগের সময় জরুরী বিষয়াদী খেয়াল করেন না। সুর দেখে তারা ইমাম ও মুয়াযযিন নিয়োগ দেন। অথচ দুনিয়াবী কোন বিষয় হলে তারা কত যাচাই-বাছাই করেনা। নিম্নমানের হলে তা নিতে রাযী হন না। যে সব মুয়াযযিন কম বেতনে রাখা হয় তাদের আযান-ইকামত সহী নয়।
মালফূযাতে মুজাদ্দিদে দ্বীন
-মুফতী মনসূরুল হক দাঃ বাঃ
মালফূয ৪০৫
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
http://t.me/pathofisla
আকাবিরের মহব্বত অনেক বড় সম্পদ-
Telegram এ নিয়মিত অডিও পেতে join হোন নিচের লিংকে
t.me/alokitojibon
t.me/dinimazlis
t.me/islamejebon
ইব্রাহীম খলীল,
কাতার প্রবাসী।
438 নং উত্তর:
বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলের ভিডিও দেখা সংক্রান্ত।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
http://t.me/pathofisla
💎💎অমূল্য বাণী💎💎💎
আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ আবদুল মতীন বিন হুসাইন দাঃ বাঃ বলেন, অনেকে কাবাতে না গিয়েও রব্বে কাবাকে রাজি করে ফেলেছে। তারা কামিয়াব। অনেকে কাবা দেখার পরেও রব্বে কাবাকে রাজি করতে পারে নাই তারা কামিয়াব হতে পারে নাই।
http://t.me/pathofisla
উলামাদের সাথে একান্ত খাস মজমায় দ্বীনী মাহফিলে ছবি তোলা, ভিডিও করা সম্পর্কে যা বললেন-
-আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ আবদুল মতিন বিন হুসাইন দাঃ বাঃ
http://t.me/pathofisla
মুজাদ্দিদে মিল্লাত মাওলানা শাহ্ আশরাফ আলী থানভী রহঃ এর অমূল্য বাণী
অমিতব্যয়ী লোকই অধিক লোভী হইয়া থাকে। কৃপণ লোক শুধু অর্থ সঞ্চয়ের প্রতি লোভী হয়; কিন্তু সে পরের দ্রব্য আত্নসাতের ব্যাপারে খুবই পরহেযগার হইয়া থাকে। সে কাহারও ধন স্পর্শ করে না। পক্ষান্তরে অপব্যয়ী লোক পরের দ্রব্যকে হালাম মনে করিয়া থাকে।
অতএব, আমি বলি, আজকাল অপব্যয়ী লোক অপেক্ষা কৃপণ লোক ভাল। অপব্যয়ী লোক পরের হক নষ্ট করিয়া থাকে - আর কৃপণ লোক শুধু আল্লাহ্রই হক নষ্ট করে। অতএব, কৃপণ ব্যক্তির কর্মজনিত ক্ষতি তাহাতেই সীমাবদ্ধ, অন্য পর্যন্ত পৌছে না।
মাওয়ায়েজে আশরাফিয়া
২য় খণ্ড, ১৮৬ পৃষ্ঠা
প্রকাশনায়ঃ এমদাদিয়া লাইব্রেরী, চকবাজার, ঢাকা
http://t.me/pathofisla
20.8.2019 মঙ্গলবার বাদ আসর, তারবিয়তী মজলিস, বাইতুল হক জামে মসজিদ, ঢালকানগর, ঢাকা
তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শাইখুল হাদীস শাইখুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ্ আবদুল মতীন বিন হুসাইন দাঃ বাঃ এর মালফূযাত
হজে যাওয়ার আগে, হারামাইন শরীফাইনে যাওয়ার আগে আল্লাহর সঙ্গে আগে মহব্বত পয়দা করা চাই। এক বাড়িতে গিয়ে উঠলেন, বাড়িওয়ালা আপনাকে চেনে না, আপনাকে পছন্দ করে না, আপনাকে দেখতে পারে না, আপনার সাক্ষাৎ পছন্দ করে না। সে বাড়িতে গেলে ফায়দা কি? তো কোন ঘরে যেতে হলে আগে ঘরওয়ালার সাথে সুন্দর সম্পর্ক করা চাই। তখন সে ঘরে যাওয়ার মজা। তো আল্লার ঘরে যাওয়ার আগে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক সুন্দর করা চাই।
http://t.me/qaumiboyan
http://t.me/pathofisla
অবাধ্য স্বামীকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট এবং দ্বীনের পথে আনার পদ্ধতি
স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সম্পর্ক সুখকর এবং ইহকালীন ও পরকালীন স্থায়ী শান্তির আশায় প্রত্যেক মুসলমান মেয়ের উচিত দ্বীনদার মুত্তাকী ছেলেদের নিকট বিবাহ বসতে চেষ্টা করা এবং অভিভাবকদেরও যিম্মাদারী যে, দ্বীনদার ছেলে দেখে তার নিকট নিজেদের অধীনস্থ মেয়েদেরকে বিবাহ দেয়ার ব্যবস্থা করা।
হাদীসে পাকে ইরশাদ হয়েছে-
اذا خطب اليكم من ترضون دينه وخلقه فزوجوه ان لا تفعلوه تكن فتنة فى الارض رفساد عريض
অর্থ:কেউ যদি তোমাদের নিকট বিবাহের প্রস্তাব দেয়, যার দ্বীনদারী ও চরিত্রে তোমরা সন্তুষ্ট, তাহলে অচিরেই বিবাহের ব্যবস্থা কর, নতুবা সমাজে মারাত্মক ফিতনা-ফাসাদ বিস্তারের সম্ভাবনা রয়েছে। (তিরমিযী শরীফ ১/ ২০৭)
এক্ষেত্রে অভিভাবকদের অবহেলায় বা বাস্তব পর্যবেক্ষণের অসম্পূর্ণতায় কেউ বদদ্বীন স্বামীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে থাকলে, তখন তার উচিত স্বামীকে দ্বীনদার বানানোর সকল চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া। তাকে হাক্কানী আলেমের সাথে সম্পর্ক গড়তে ও তাবলীগ জামা‘আতের সাথে জুড়তে উৎসাহিত করা এবং স্বামী যদি সুদ-ঘুষ খেতে অভ্যস্ত থাকে অথবা অন্য কোন অবৈধ রোজগারে অভ্যস্ত থাকে, তাহলে বিনয়ের সাথে তাকে বুঝাবে যে, আমার দামী দামী খানা-পিনা ও পোশাক, অলংকারের কোন দাবী বা চাহিদা নাই। আমি শুধু এতটুকু চাই যে, আমার জন্য দু’বেলা দু’মুঠো হালাল ডাল ভাতের ব্যবস্থা করবেন। সাধারণ কাপড় পরাবেন যাতে আমরা আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হই। দুনিয়া তো একভাবে চলেই যাবে। সুতরাং, আপনার রোজগারের মধ্যে কোনভাবে হারামের সংমিশ্রণ যেন না হয় সেদিকে আপনি খুবই সতর্ক দৃষ্টি রাখবেন।
সেই সাথে স্ত্রী নিজেও পরিপূর্ণ দ্বীনদারীর সাথে চলতে চেষ্টা করবে। নিজেদের সুন্দর, সুখময় দাম্পত্য জীবনের জন্য সর্বদা আল্লাহর দরবারে দু‘আ করতে থাকবে। শরীয়তের আওতায় থেকে স্ত্রী নিজেকে সবসময় সাজিয়ে গুছিয়ে রাখবে। যাতে স্বামী তার রূপ-লাবণ্যে, সৌন্দর্যে এবং ব্যবহারে আকৃষ্ট হয়ে অন্য সব কিছু ভুলে যায় এবং দ্বীনদার হওয়ার চেষ্টা করে।
স্বামীর সাংসারিক কাজে ত্রুটি না ধরে আন্তরিকভাবে তার খেদমত ও সহযোগিতা করবে, তার আয়-উন্নতির ব্যাপারে সহযোগিতা করবে, কোন জিনিসের দাবী করবে না, বেহুদা খরচ করবে না। স্বামী প্রদত্ত প্রত্যেক জিনিসের প্রতি খুশী থেকে তার শুকরিয়া আদায় করবে এবং তার পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনের খেদমত করে দু’আ নিতে থাকবে।
উপরোক্ত কাজগুলো ইন্শাআল্লাহ ফলদায়ক হবে এবং ধীরে ধীরে স্বামী দ্বীনের দিকে ও স্ত্রীর দিকে আকৃষ্ট হতে থাকবে। এরপরও যদি ফল না হয়, স্বামীর বদ-দ্বীনী বাড়তে থাকে, তাহলে নিজের ও সন্তানদের আখিরাতের চিন্তায় মুরব্বীর মাধ্যমে স্বামী থেকে খোলা তালাক গ্রহণ করে তার থেকে পৃথক হয়ে যাওয়ার অবকাশ রয়েছে।
উল্লেখ্য, এ ব্যাপারে অনেক মূর্খ মহিলা যাদু-টোনা, তাবীজ-কবজের মাধ্যমে স্বামীকে নিজের মুঠের মধ্যে রাখতে চেষ্টা করে, এটা জঘন্য অপরাধ। কারণ, পুরুষদেরকে আল্লাহ তা‘আলা তুলনামূলক জ্ঞান বুদ্ধি বেশি দিয়েছেন, তার অভিজ্ঞতাও বেশী। সুতরাং, সে স্বাধীনভাবে মুরব্বীদের পরামর্শে চললে তার নিজের, বিবি বাচ্চাদের সকলের উন্নতি হবে। সংসারে শান্তি আসবে।
আর যদি অবৈধ পন্থায় তার স্বাধীনতা হরণ করে তাকে বেকুব বা গর্দভ বানিয়ে রাখা হয়, তাহলে এ ধরনের অকেজো স্বামী নিজ স্ত্রীর গোলামী করলেও তার দ্বারা স্ত্রীর নিজেরও কোন কল্যাণ হবে না; বরং ভবিষ্যতে মারাত্মক বিপদে পড়তে হবে।
সারকথা, স্বামীর স্বাধীনতা হরণ করাও নাজায়েয এবং যাদু টোনা করাও হারাম কাজ। আর কোন কোন অবস্থায় কুফরী কাজ। সুতরাং, কোন অবস্থাতেই স্বামীকে বশ করার জন্য এ সব হারাম কাজ করে নিজের আখিরাত বরবাদ করবে না। (ইমদাদুল ফাতাওয়া, ৪/ ৮৭, ৬/ ১৯৮)
আল্লাহ তা‘আলা সকল দম্পতিকে তাঁর হুকুম এবং প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের তরীকা মত চলে দুনিয়া ও আখিরাতে কামিয়াব হওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন।
শরঈ পর্দা
-মুফতী মনসূরুল হক দাঃ বাঃ
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
http://t.me/pathofisla
