en
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

Open in Telegram

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

Show more
801
Subscribers
No data24 hours
No data7 days
-130 days
Posts Archive
11.7.2024 Photo, Mashik Ijtema, Baitul Haq Jame Masjid, Dhalkanagar, Dhaka ওলামায়ে-দ্বীন, মাশায়েখ যাঁরা প্রোফাইলে ছবি রাখছেন, আল্লাহর কসম এর জন্য লা'নত নাযিল হতে থাকে। https://t.me/khanqahbd/6666

25-6-2024 Mongolbar, Baitul Haq Jame Masjid Dhalkanagar, Dhaka তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর মোবাইলের ক্ষতিকারক বিষয়ক অংশটুকু। #KhanqahBD #ShahAbdulMatinBinHusain

ইসলামী বিবাহ (মুফতী মনসূরুল হক দা: বা:) উপরের ঘটনাটি ইসলামী শরী'আতের আলোকে মিলিয়ে দেখা যাক...
ইসলামী বিবাহ (মুফতী মনসূরুল হক দা: বা:) উপরের ঘটনাটি ইসলামী শরী'আতের আলোকে মিলিয়ে দেখা যাক...

বিয়ের অনুষ্ঠানে তরকারি কম দেয়া নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০ June 22, 2024 by বালিয়াডাঙ্গী (ঠাকুরগাঁও) সংবাদদাতা ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে বিয়ের অনুষ্ঠানে তরকারি কম দেয়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে কনের চাচা, চাচাতো ভাই, মামি, বরের চাচা, মামাসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্য দু’জনকে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা গ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবার (২১ জুন) রাতে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের ক্ষুদ্র মাছখুরিয়া গ্রামের খলিলুর রহমানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের ক্ষুদ্র মাছখুড়িয়া গ্রামের খলিলুর রহমানে ছোট মেয়ের সাথে ঠুমনিয়া দীঘিরপাড় গ্রামের হুমায়ুন কবীরের ছেলে নওসাদ আলীর গত বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাতে বিয়ের অনুষ্ঠানিকতা ছিল। বরকে বরণ করার পর বিয়ের কাবিননামা রেজিস্টেরি সম্পন্ন করে। পরে খাওয়া-দাওয়া পরিবেশনকালে বরযাত্রীকে তরকারি কম দেয়াকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। এরই জেরে বরপক্ষের লোকজন বাশের লাঠি হাতে নিয়ে কনে বাড়ির লোকজনের উপর হামলা চালিয়ে বিয়ের প্যান্ডেল, চেয়ার-টেবিল ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং অতিথি আপ্যায়নের জন্য রান্না করা খাবার তছনছ করে। এ সময় উভয়পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে কনের চাচা জয়নাল আবেদীন (৩৮), চাচাতো ভাই গালিব সরকার মীম (১৮), মামি লুৎফা বেগম (৪০), বরের চাচা রাকিব (৪০), মামা তোফাজ্জল হোসেনসহ (৪৫) অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের মধ্য দু’জনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বাকিরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেয়। কনে পক্ষের অভিযোগ, হামলাকারী বরপক্ষের লোকজন ভাঙচুরের পাশাপাশি ঘর ও বিয়ের মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। তবে লুটের কথা অস্বীকার করে তাদের ওপর আগে হামলা হয়েছে বলে পাল্টা অভিযোগ করে বরপক্ষ। স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিয়ের অনুষ্ঠানে বরপক্ষের আমন্ত্রিত অতিথির চেয়ে বেশি লোকজন চলে আসে। এতে খাবার কম পড়ে। প্রথম একদলের খাওয়ার পর দ্বিতীয় দলের খাওয়ার সময় তরকারি কম দেয়া নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষ ঘটে। স্থানীয় পাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি রুবেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ কবির বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ ঘটনাটি জানতে পারে। এরপর ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে থাকা আহতদের দেখতে পুলিশের একটি টিম যায়। এ ঘটনায় কনের বাবাকে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। কিন্তু শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত এ ঘটনায় কেউই থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি। উভয়পক্ষ স্থানীয়ভাবে এ ঘটনা সমাধান করে নেবে। সূত্র: নয়া দিগন্ত

পালনকর্তা, যন্ত্রণা নিবারণ করুন, সুস্থতা দান করুন, আপনিই সুস্থতা প্রদানকারী, আপনার দেয়া সুস্থতাই প্রকৃত সুস্থতা, এমন সুস্থতা দান করুন যাতে কোন রোগই বাকি না থাকে। أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّةِ ، مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَّهَامَّةٍ ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَّامَّةٍ অর্থ: আমরা আল্লাহর পরিপূর্ণ কল্যাণময় বাক্যাবলীর দ্বারা প্রতিটি শয়তান, প্রাণনাশকারী বিষাক্ত জীব এবং অনিষ্টকারী বদনজর থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّاتِ مِنْ شرِّ مَا خَلَقَ অর্থ: আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ কালেমাসমূহের ওসিলায় আমি তাঁর নিকট তাঁর সৃষ্টির ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাই। أَسْأَلُ اللّٰهَ الْعَظِيْمَ، رَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ، أَنْ يَّشْفِيَكَ অর্থ: আমি মহান আল্লাহ্‌র কাছে চাচ্ছি, যিনি মহান আরশের রব, তিনি যেন আপনাকে রোগমুক্তি প্রদান করেন। লিংক: https://islamidars.com/duas/6c1d164e-bc98-44cb-ba04-dbdc2249f82d https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi

বদনজর: লক্ষণ, করণীয় ও রুকইয়াহ বদনজর সত্য, এবং বদনজরের ফলে একজন সুস্থ ব্যক্তি মৃত্যু পর্যন্তও চলে যেতে পারেন। বদনজর যে কারো থেকে লাগতে পারে, সন্তানের উপর মা বাবার, স্ত্রীর উপর স্বামীর। বা বন্ধুবান্ধব, অপরিচিত ব্যক্তি থেকেও হতে পারে। অর্থাৎ অমুক আমাকে হিংসে করে না, আমাকে পছন্দ করে তাই আমার ভাল কোনো কিছুতে তার নজর লাগবে না, বদনজরের ক্ষেত্রে এমন কোনো শত নেই। যে কারো থেকে বদনজর লাগতে পারে। বদনজর শুধু মানুষের উপর নয়, বরং ব্যবসাবাণিজ্য, সম্পদ, ফসল বা যে কোনো বস্তুর উপর লাগতে পারে। সাধারণত ব্যক্তি বুঝতে পারে, তার ঠিক কোন বিষয়টার উপর নজর লেগেছে। কারণ নজর লাগার পর সেই নির্দিষ্ট বিষয়টি আর আগের মত থাকে না। যেমন কারো মজাদার রান্নার উপর নজর লাগলো, দেখা যাচ্ছে তার রান্না আর মজা হচ্ছে না। কিংবা কেউ পড়াশোনায় খুব ভাল ছিল, এখন আর ভাল নেই। কেউ ব্যবসায় লাভবান ছিল অথচ এখন ব্যবসা দিনদিন লসের দিকে যাচ্ছে। এ ছাড়াও আরও অনেক ধরনের সমস্যা হতে পারে। লক্ষণ ব্যক্তির অলসতা কাজ করবে সব কিছুতে, ঘুমঘুম লাগবে, শরীরে জ্বর জ্বর ভাব থাকবে, মন মেজাজ খারাপ থাকবে, নানান অসুখবিসুখ লেগে থাকবে, কোনো কাজে মন বসবে না, নির্দিষ্ট কিছু কাজ বারবার নষ্ট হতে থাকবে ইত্যাদি। এই ক্ষেত্রে রুকইয়াহ দুই রকম হতে পারে। করণীয় ১. নজরকারী ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা যায়। ২. নজরকারী ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা যায় না। নজরকারী ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা যায় যদি ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা যায় তবে নজর কাটাতে কষ্ট কম হয়। এক্ষেত্রে ব্যক্তির অজু করা পানি জমিয়ে রেখে তা রোগীর গায়ে ঢেলে দিতে হবে। কিংবা ব্যক্তির খেয়ে রাখা প্লেট, গ্লাস, চামচ ধুয়ে সেই পানি রোগীর গায়ে ঢেলে দিবে। এতে করে ইনশাআল্লাহ নজর কেটে যাবে। নজরকারী ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা যায় না যদি চিহ্নিত করা না যায় তবে নিচের সূরা ও দু‘আ পড়ে রোগীকে ফুঁ দিতে হবে। এক বোতল পানি রাখবেন, তাতেও ফুঁ দিবেন এবং রোগীকে পান করাবেন ও মাথায় মুখে শরীরে ছিটিয়ে দিবেন। আয়াতগুলোর অডিও রোগী নিয়মিত শুনবেন এবং নিজেও তিলাওয়াত করবেন। সূরা তিনবার বা সাতবার অথবা সম্ভব হলে এর থেকে অধিকও পড়া। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّالْعٰلَمِیْنَ ۙ﴿۱﴾ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ۙ﴿۲﴾ مٰلِکِ یَوْمِ الدِّیْنِ ؕ﴿۳﴾اِیَّاکَ نَعْبُدُ وَ اِیَّاکَ نَسْتَعِیْنُ ؕ﴿۴﴾اِهْدِنَاالصِّرَاطَ الْمُسْتَقِیْمَ ۙ﴿۵﴾صِرَاطَ الَّذِیْنَ اَنْعَمْتَ عَلَیْهِمْ ۬ۙ۬غَیْرِ الْمَغْضُوْبِ عَلَیْهِمْوَلَا الضَّآ لِّیْنَ۠﴿۷﴾ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ قُلْ هُوَ اللهُ اَحَدٌ ۚ﴿۱﴾ اَللهُ الصَّمَدُ ۚ﴿۲﴾ لَمْ یَلِدْ ۬ۙ وَ لَمْ یُوْلَدْ ۙ﴿۳﴾ وَ لَمْ یَكُنْ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ ۠﴿۴﴾ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ۙ﴿۱﴾ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ ۙ﴿۲﴾ وَ مِنْ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَ ۙ﴿۳﴾ وَ مِنْ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِی الْعُقَدِ ۙ﴿۴﴾ وَ مِنْ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ۠﴿۵﴾ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ۙ﴿۱﴾ مَلِکِ النَّاسِ ۙ﴿۲﴾ اِلٰهِ النَّاسِ ۙ﴿۳﴾ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ ۬ۙ الْخَنَّاسِ ۪ۙ﴿۴﴾ الَّذِیْ یُوَسْوِسُ فِیْ صُدُوْرِ النَّاسِ ۙ﴿۵﴾ مِنَ الْجِنَّۃِ وَ النَّاسِ ۠﴿۶﴾ দূ‘আ তিনবার বা সাতবার অথবা সম্ভব হলে এর থেকে অধিকও পড়া। بِسْمِ اللّٰهِ أَرْقِيْكَ، مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُّؤْذِيْكَ، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنِ حَاسِدٍ اَللّٰهُ يَشْفِيْكَ، بِسْمِ اللّٰهِ أَرْقِيْكَ অর্থ: আমি আল্লাহর নামে আপনাকে রুকইয়াহ করছি, সেই সব জিনিস থেকে, যা আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে। সব প্রাণের অনিষ্ট কিংবা হিংসুকের বদ নজর থেকে আল্লাহ আপনাকে আরোগ্য দিক; আমি আল্লাহর নামে রুকইয়াহ করছি। بِسْمِ اللّٰه ِالَّذِيْ لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهٖ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ العَلِيْمُ অর্থ: আল্লাহ্‌র নামে; যাঁর নামের সাথে আসমান ও যমীনে কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। আর তিনি সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী। بِاسْمِ اللّٰهِ يُبْرِيْكَ، وَمِنْ كُلِّ دَاءٍ يَّشْفِيْكَ، وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ، وَشَرِّ كُلِّ ذِيْ عَيْنٍ অর্থ: আল্লাহর নামে (রুকইয়াহ করছি), তিনি আপনাকে মুক্ত করবেন এবং তিনিই প্রত্যেক রোগ থেকে আপনাকে আরোগ্য দিবেন। আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে এবং সকল বদনজরদাতার অনিষ্ট থেকে আল্লাহ আপনাকে রক্ষা করুক। بِسْمِ اللّٰهِ ، أَعُوْذُ بِعِزَّةِ اللّٰهِ وَقُدْرَتِهٖ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ وَأُحَاذِرُ অর্থ: আল্লাহর নামে আমি আল্লাহর সম্মান এবং তাঁর ক্ষমতার আশ্রয় নিচ্ছি, যা আমি অনুভব করি এবং যা আশঙ্কা করি, তার অকল্যাণ থেকে। اَللّٰهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبِ الْبَاسَ اِشْفِ وَأَنْتَ الشَّافِيْ لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءً لَّا يُغَادِرُ سَقَمًا অর্থ: হে আল্লাহ! মানুষের

আল্লাহ তায়ালা মানুষকে "বিবী নামক নেয়ামত" শোকেজে সাজিয়ে রাখার জন্য বা আলমারির ড্রয়ারে রাখার জন্য দেন নাই, কাছে রাখার জন্য দিছেন দূরে রাখার জন্য নয়।

মোবাইলে ছবি ও ভিডিও করার বিধান ক?

বন্ধুত্বের আড়ালে কিশোর কিশোরীর প্রেমের শিক্ষা May 21, 2024 by শাহেদ মতিউর রহমান প্রাথমিকের পাঠ চুকিয়ে মাধ্যমিকের মাঠে পদচারণা শুরু মাত্র। এরই মধ্যে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে প্রেম ভালোবাসার আহ্বান। ষষ্ঠ শ্রেণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা বইয়ের তৃতীয় অধ্যায়ের বিষয়বস্তুর নামই নির্ধারণ করা হয়েছে ‘চলো বন্ধু হই’। পুরো এই অধ্যায় পাঠের পর মূল বিষয় হলো বন্ধুত্বের নাম দিয়ে ছেলেমেয়েদের মধ্যে বাল্য প্রেমের প্রসার ঘটানো। এ জন্য এই অধ্যায়ের নামই যেন সঠিকভাবেই নির্ধারণ করা হয়েছে ‘চলো বন্ধু হই’। পুরো অধ্যায়জুড়েই রয়েছে বন্ধুত্বের আড়ালে কিশোর-কিশোরীর মধ্যে প্রেম আর ভালোবাসার আহ্বান। ষষ্ঠ শ্রেণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা বইয়ের ৮৯ পৃষ্ঠায় পাশাপাশি দু’টি ছবিতে দেখানো হয়েছে ছেলেমেয়ের কাছে আসার চিত্র। ছেলেমেয়েদের মনের কথা বলার চিত্র দিয়ে বুঝানো হয়েছে, তাদের মধ্যে ভাব প্রকাশের ভঙ্গিমা। সেখানো বলা হয়েছে ‘প্রয়োজনে না বলি, কি চাই তা বলি, অনুভুতি প্রকাশ করি’ এমন একটি স্লোগান। আবার পাশের আর একটি ছবিতে দেখানো হয়েছে ছেলেমেয়ের পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছেলের কাঁধে হাত দিয়ে একটি মেয়ের দাঁড়ানোর প্রেমময় আবেগের এক ভঙ্গিমা। মূলত এই অধ্যায়ের সারাংশ হলো একটি সময়ে ছেলে কিংবা মেয়ে তাদের প্রত্যেকেরই বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ তৈরি হয়। তাদের মনের মধ্যে একটি আবেগ তৈরি হয়। তারপর বলা হচ্ছে বন্ধু হও। বিশ্লেষকদের মতে একজন ছেলে কিংবা মেয়ের মধ্যে পরস্পরের প্রতি যে আকর্ষণ তৈরি হয় এই বয়সে সেই আকর্ষণকে যেখানে দমানোর বা নিভৃত করার দরকার ছিল সেখানে বরং পাঠ্যবইয়ের আলোচনায় ছেলেমেয়েদের পরস্পরের প্রতি আকর্ষণকে আরো উসকে দেয়া হয়েছে। গল্পের ভেতরে প্রবেশ করে কিছু অংশ পড়লেই বুঝা যাবে এই গল্প শিশুদের জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষার কোনো টেক্সট বই, নাকি রসালো কোনো প্রেমের উপন্যাস। সত্যিকার অর্থে আমাদের সন্তানদের নৈতিকভাবে ধ্বংস করার হীন উদ্দেশ্যেই এমন পাঠ আমাদের পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যে বয়সে আমাদের আদরের সন্তানদের টেবিলে বসে বা স্কুলের ক্লাসরুমে বসে পড়ালেখায় মনোযোগী হওয়ার কথা সেই বয়সে ছেলেমেয়েদের অবাধ মেলামেশায় উসকানি দেয়া হচ্ছে। ষষ্ঠ শ্রেণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা বইয়ের ২৩ পৃষ্ঠায় মনের যতœ ইনসার্টে একটি ছবিতে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে তাদের মধ্যে ভালো অনুভূতিগুলো প্রকাশের মাধ্যমে পরস্পরপরকে উৎসাহ দিচ্ছে। বলা হচ্ছে মন ভালো থাকার উপায় হলো নিজের অনুভূতি বন্ধুর সাথে শেয়ার করা। অথচ এখানে বলা দরকার ছিল তোমাদের ভালো লাগা কিংবা খারাপ লাগার অনুভূতিগুলো বাড়িতে তোমরা তোমাদের মা-বাবা কিংবা ভাই অথবা বোনদের সাথে শেয়ার করেও মনে প্রশান্তির খোঁজ করতে পারো। কিন্তু তা না করে বরং ছেলেমেয়েদের মধ্যে মনের ভাব আদান-প্রদানের মাধ্যমে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব, প্রেম বা ভালোবাসার মেলবন্ধন তৈরিতে উসকানি দেয়া হচ্ছে। একই অধ্যায়ের আরেকটি অংশের ছবিতে একটি ছেলে একটি মেয়েকে স্কুল ফাঁকি দিয়ে বাইরে গিয়ে সময় কাটাতে সাইকেল চালানোর বুদ্ধি ফিকির করছে। ছেলেটি মেয়েকে প্রস্তাব দিচ্ছে স্কুল ফাঁকি দিতে আর মেয়েটি স্কুল ফঁাঁকি দিয়ে বাইরে যেতে না চাইলেও স্কুল ছুটির পর বাইরে যেতে মেয়েটির আপত্তি নেই বলেও সে সায় দিচ্ছে। এটা কিসের ইঙ্গিত? স্কুল ফাঁকি দিয়ে বাইরে গিয়ে একটি ছেলে এবং একটি মেয়ের সময় কাটানোর এই সংস্কৃতি কি আমাদের সমাজ আর পারিবারিক রীতিনীতির মধ্যে পড়ে? মোটেই না। অথচ কোমলমতি শিশুদের তাদের পাঠ্যবইয়ে এসব বিষয়ই যুক্ত করে আধুনিক শিক্ষার সবক দেয়া হচ্ছে। সূত্র: নয়া দিগন্ত

1-5-2024 Photo, Eftetahi Dars, Madrasa Wahhabul Uloom , Shubhadda, Keranigonj, Dhaka তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এফতেতাহী দরসে বলেন, মোবাইল আর ছবি নিয়ে ব্যস্ত যে মানুষ, এরা মাদ্রাসায় শিক্ষক হয়ে মাদ্রাসাকে বরবাদ করে। #KhanqahBD #ShahAbdulMatinBinHusain

নাঊযুবিল্লাহ!!!
নাঊযুবিল্লাহ!!!

আল্লাহ হেফাজত করুন, অত্যন্ত জঘন্য একটি বিষয় কিন্তু!
আল্লাহ হেফাজত করুন, অত্যন্ত জঘন্য একটি বিষয় কিন্তু!

বাবা-মা এখন নিজের সন্তানের কাছে অসহায়!
বাবা-মা এখন নিজের সন্তানের কাছে অসহায়!

আফসোস! শাসন করারও দিন ফুরিয়ে আসছে!
আফসোস! শাসন করারও দিন ফুরিয়ে আসছে!