ইতিহাস ( WBCS Optional )🇮🇳
Open in Telegram
WBCS ইতিহাস Optional এর সমস্ত প্রস্তুতি সামগ্রী পাবেন বাংলাতে শুধুমাত্র এখানে . Powered by @EKDNGuide @BanglaJobGuide অন্যান্য বিষয় : @HistoryGuide @geo_guidee @EnglishGuide4All @science_guidee সাহায্যে - @ekdn_admin
Show more4 723
Subscribers
No data24 hours
+87 days
+3230 days
Data loading in progress...
Similar Channels
Tags Cloud
No data
Any problems? Please refresh the page or contact our support manager.
Incoming and Outgoing Mentions
---
---
---
---
---
---
Attracting Subscribers
September '24
September '24
+23
in 0 channels
August '24
+31
in 0 channels
Get PRO
July '24
+28
in 0 channels
Get PRO
June '24
+17
in 0 channels
Get PRO
May '24
+63
in 0 channels
Get PRO
April '24
+51
in 0 channels
Get PRO
March '24
+61
in 0 channels
Get PRO
February '24
+15
in 0 channels
Get PRO
January '240
in 0 channels
Get PRO
December '23
+328
in 0 channels
Get PRO
November '230
in 0 channels
Get PRO
October '230
in 0 channels
Get PRO
September '230
in 0 channels
Get PRO
August '230
in 0 channels
Get PRO
July '230
in 0 channels
Get PRO
June '230
in 0 channels
Get PRO
May '230
in 0 channels
Get PRO
April '230
in 0 channels
Get PRO
March '230
in 0 channels
Get PRO
February '230
in 0 channels
Get PRO
January '230
in 0 channels
Get PRO
December '220
in 0 channels
Get PRO
November '22
+44
in 0 channels
Get PRO
October '22
+79
in 0 channels
Get PRO
September '22
+107
in 0 channels
Get PRO
August '22
+144
in 0 channels
Get PRO
July '22
+137
in 0 channels
Get PRO
June '22
+169
in 0 channels
Get PRO
May '22
+143
in 0 channels
Get PRO
April '22
+379
in 0 channels
Get PRO
March '220
in 0 channels
Get PRO
February '220
in 0 channels
Get PRO
January '220
in 0 channels
Get PRO
December '210
in 0 channels
Get PRO
November '210
in 0 channels
Get PRO
October '21
+31
in 0 channels
Get PRO
September '21
+163
in 0 channels
Get PRO
August '21
+172
in 0 channels
Get PRO
July '21
+147
in 0 channels
Get PRO
June '21
+204
in 0 channels
Get PRO
May '21
+122
in 0 channels
Get PRO
April '21
+157
in 0 channels
Get PRO
March '21
+104
in 0 channels
Get PRO
February '21
+174
in 0 channels
Get PRO
January '21
+225
in 0 channels
Get PRO
December '20
+2 592
in 0 channels
| Date | Subscriber Growth | Mentions | Channels | |
| 25 September | 0 | |||
| 24 September | 0 | |||
| 23 September | 0 | |||
| 22 September | 0 | |||
| 21 September | 0 | |||
| 20 September | 0 | |||
| 19 September | +1 | |||
| 18 September | +2 | |||
| 17 September | +2 | |||
| 16 September | 0 | |||
| 15 September | +2 | |||
| 14 September | +3 | |||
| 13 September | 0 | |||
| 12 September | +2 | |||
| 11 September | 0 | |||
| 10 September | +1 | |||
| 09 September | +1 | |||
| 08 September | 0 | |||
| 07 September | +5 | |||
| 06 September | +1 | |||
| 05 September | +1 | |||
| 04 September | +2 | |||
| 03 September | 0 | |||
| 02 September | 0 | |||
| 01 September | 0 |
Channel Posts
Repost from EKDN 2.0 © Study For Success
নীরব আলো এখন শুধু সাহিত্যে নয়, দায়িত্বেও আছে।
চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুখবর। নীরব আলো প্রকাশনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত হতে চলেছে প্রথম Competitive পরীক্ষার বই। শীঘ্রই আসছে...
| 2 | ◾️অশোকের ধর্মনীতির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও বিতর্কিত বিষয়গুলি:
ঐতিহাসিক গুরুত্ব:
• ধর্মীয় সহনশীলতা: অশোক সমস্ত ধর্মের প্রতি সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করেন। এটি প্রাচীন ভারতে একটি নতুন ধারণার সূচনা করে।
• অহিংসা: তিনি অহিংসার নীতি প্রচার করেন এবং যুদ্ধ বন্ধ করার চেষ্টা করেন।
• নীতিশাস্ত্র: তিনি নীতিশাস্ত্র ও ন্যায়বিচারের উপর জোর দেন।
• সামাজিক সংস্কার: তিনি দাসপ্রথা ও অন্যান্য সামাজিক কুসংস্কার দূর করার চেষ্টা করেন।
• স্তম্ভলিপি: অশোকের স্তম্ভলিপি ঐ সময়ের ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের উৎস।
বিতর্কিত বিষয়:
• ধর্মান্তর: অশোক বৌদ্ধধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য লোকেদের উপর চাপ প্রয়োগ করেছিলেন বলে কিছু ইতিহাসবিদ মনে করেন।
• অহিংসা: অশোকের অহিংস নীতি কতটা কার্যকর ছিল তা বিতর্কিত।
• যুদ্ধ: অশোক কলিঙ্গ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন, যা অহিংস নীতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
• স্তম্ভলিপির ব্যাখ্যা: স্তম্ভলিপিতে লেখা বার্তাগুলির ব্যাখ্যা নিয়ে কিছু বিতর্ক রয়েছে।
উল্লেখযোগ্য দিক:
• অশোকের ধর্মনীতি ভারতীয় ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
• এই নীতির প্রভাব আজও ভারতীয় সংস্কৃতিতে লক্ষ্য করা যায়।
উল্লেখ্য:
• অশোকের ধর্মনীতি সম্পর্কে ইতিহাসবিদদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।
• এই নীতির সকল দিক সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। | 1 313 |
| 3 | ◾️ প্রাচীন ভারতের ধর্মীয় মতবাদ ও দর্শনের প্রভাব:
প্রাচীন ভারতের ধর্মীয় মতবাদ ও দর্শন ঐ সময়ের সমাজ, সংস্কৃতি এবং রাজনীতির উপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
প্রধান প্রভাবগুলি:
1. সামাজিক:
• বর্ণপ্রথা: বেদে উল্লেখিত বর্ণপ্রথা সমাজের কাঠামো নির্ধারণ করে।
• জাতি ব্যবস্থা: জাতি ভিত্তিক পেশা ও সামাজিক স্তরবিন্যাস প্রতিষ্ঠিত হয়।
• নারীর অবস্থান: নারীর অধিকার ও স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রিত হয়।
2. সাংস্কৃতিক:
• ধর্মীয় রীতিনীতি: বিভিন্ন ধর্মীয় রীতিনীতি ও উৎসব সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে।
• শিল্প ও সাহিত্য: ধর্মীয় বিশ্বাস শিল্প, সাহিত্য, এবং স্থাপত্যকে প্রভাবিত করে।
• শিক্ষা ব্যবস্থা: ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান শিক্ষার কেন্দ্রে পরিণত হয়।
3. রাজনৈতিক:
• রাজার ঐশ্বরিক অধিকার: রাজাকে ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচনা করা হত।
• ধর্মনিরপেক্ষতা: কিছু রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ নীতি অনুসরণ করে।
• আইন ও নীতি: ধর্মীয় নীতি ও মূল্যবোধ আইন ও নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলে।
প্রধান ধর্মীয় মতবাদ ও দর্শন:
• বেদান্ত: ব্রহ্ম ও আত্মার অভেদবাদ।
• যোগ: মন ও আত্মাকে নিয়ন্ত্রণের উপায়।
• সাংখ্য: প্রকৃতি ও পুরুষের দ্বৈতবাদ।
• ন্যায়: জ্ঞান ও প্রমাণের তত্ত্ব।
• বৌদ্ধধর্ম: চার আদর্শ সত্য ও অষ্টাঙ্গিক মার্গ।
• জৈনধর্ম: অহিংসা ও অপরিগ্রহের নীতি।
উপসংহার:
প্রাচীন ভারতের ধর্মীয় মতবাদ ও দর্শন ঐ সময়ের সমাজ, সংস্কৃতি, এবং রাজনীতির উপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল। এই প্রভাব আজও ভারতীয় সংস্কৃতিতে লক্ষ্য করা যায়।
উল্লেখ্য:
• এই প্রভাবগুলি সর্বত্র সমানভাবে প্রযোজ্য ছিল না।
• সময়ের সাথে সাথে ধর্মীয় মতবাদ ও দর্শনের প্রভাব পরিবর্তিত হয়েছে। | 1 181 |
| 4 | ◾️প্রাচীন ভারতীয় শিল্পকলা ও সাহিত্যের বিবর্তন ও ধারা:
শিল্পকলা:
প্রাচীন ভারতীয় শিল্পকলা বিভিন্ন ধাপে ধাপে বিবর্তিত হয়েছে।
প্রধান ধারাগুলি:
• সিন্ধু সভ্যতার শিল্প: পোড়ামাটির তৈরি জিনিসপত্র, মূর্তি, এবং সিলমোহর।
• বৈদিক যুগের শিল্প: ধর্মীয় স্থাপত্য, মূর্তিশিল্প, এবং ধাতুবিদ্যা।
• মৌর্য যুগের শিল্প: স্তম্ভ, স্তূপ, এবং পাথরের খোদাই।
• গুপ্ত যুগের শিল্প: মন্দির স্থাপত্য, মূর্তিশিল্প, এবং চিত্রকলার স্বর্ণযুগ।
• মধ্যযুগীয় শিল্প: ভিন্ন ভিন্ন রাজ্যে স্থানীয় শিল্পকলার বিকাশ।
সাহিত্য:
প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্য বিভিন্ন ভাষায় রচিত হয়েছে।
প্রধান ধারাগুলি:
• বেদ: ধর্মীয় গ্রন্থ, স্তোত্র, এবং মন্ত্র।
• উপনিষদ: বেদের দার্শনিক ব্যাখ্যা।
• মহাকাব্য: রামায়ণ ও মহাভারত।
• পুরাণ: ধর্মীয় গল্প ও কিংবদন্তি।
• নাটক: কালিদাসের রচনা।
• কাব্য: বিভিন্ন ভাষায় রচিত কবিতা।
বিবর্তন:
• প্রাচীন ভারতীয় শিল্পকলা ও সাহিত্য ধর্মীয় বিশ্বাস দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত ছিল।
• সময়ের সাথে সাথে, শিল্পকলা ও সাহিত্যে বাস্তবতাবাদ ও মানবতাবাদের প্রভাব বৃদ্ধি পায়।
• বিভিন্ন অঞ্চলে স্থানীয় সংস্কৃতির প্রভাবে শিল্পকলা ও সাহিত্যে বৈচিত্র্য দেখা দেয়।
উল্লেখযোগ্য দিক:
• প্রাচীন ভারতীয় শিল্পকলা ও সাহিত্য বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যপূর্ণ ঐতিহ্য।
• এই ঐতিহ্য আজও বিশ্বজুড়ে শিল্পী ও সাহিত্যিকদের অনুপ্রাণিত করছে।
উদাহরণ:
• শিল্পকলা: স্তূপ, মন্দির, মূর্তি, চিত্রকর্ম।
• সাহিত্য: রামায়ণ, মহাভারত, কালিদাসের রচনা,
উপসংহার:
প্রাচীন ভারতীয় শিল্পকলা ও সাহিত্য মানব সভ্যতার এক অমূল্য সম্পদ। এই ঐতিহ্য আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি, এবং বিশ্বাস সম্পর্কে জ্ঞান দান করে। | 943 |
| 5 | ◾️ প্রাচীন ভারতের বাণিজ্য পথ ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ইতিহাস গঠনে অবদান:
প্রাচীন ভারতের বাণিজ্য পথ ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম ঐ সময়ের সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক পরিমণ্ডলের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল। এর ফলে ভারতীয় ইতিহাসের গতিপথে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছিল। নিচে কিছু উল্লেখযোগ্য দিক তুলে ধরা হলো:
1. নগরায়ন:
• বাণিজ্য পথের ধারে ধারে বাজার ও নগর গড়ে উঠেছিল।
• তাম্রলিপ্তি, তক্ষশীলা, পাটলিপুত্র, বারাণসী, প্রভৃতি নগর গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল।
• নগরায়নের ফলে শিল্প, কারুশিল্প, এবং ব্যবসার বিকাশ ঘটে।
2. রাষ্ট্র গঠন:
• শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলি বাণিজ্য পথ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সম্পদ ও সমৃদ্ধি অর্জন করে।
• মৌর্য, গুপ্ত, চোল, পাল, প্রভৃতি রাষ্ট্র বাণিজ্যের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাদের প্রভাব বিস্তার করে।
3. সাংস্কৃতিক বিনিময়:
• বাণিজ্যের মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে ধারণা, প্রযুক্তি, এবং দ্রব্য বিনিময় ঘটে।
• ভারতীয় সংস্কৃতি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, এবং রোমান সাম্রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
• বহিরাগত সংস্কৃতির প্রভাবে ভারতীয় শিল্প, সাহিত্য, এবং ধর্মে নতুন ধারার সৃষ্টি হয়।
4. ধর্মীয় প্রসার:
• বৌদ্ধধর্ম, হিন্দুধর্ম, এবং জৈনধর্মের মত ধর্ম বাণিজ্য পথের মাধ্যমে অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
• ধর্মীয় গুরু ও তীর্থযাত্রীরা বাণিজ্য পথ ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করতেন।
5. প্রযুক্তিগত অগ্রগতি:
• বাণিজ্যের প্রসারের ফলে নৌচলাচল, ধাতুবিদ্যা, এবং মুদ্রা ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটে।
• নতুন নতুন যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি আবিষ্কার হয়।
6. জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিকাশ:
• বিভিন্ন সংস্কৃতির জ্ঞান-বিজ্ঞান বাণিজ্য পথের মাধ্যমে ভারতে প্রবেশ করে।
• বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।
7. সামাজিক পরিবর্তন:
• বাণিজ্যের প্রসারের ফলে সমাজে নতুন নতুন শ্রেণীর উত্থান ঘটে।
• বণিক শ্রেণী সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে শুরু করে। | 923 |
| 6 | প্রাচীন ভারতে বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার বিবর্তন ও প্রভাব:
বর্ণাশ্রম ব্যবস্থা ছিল প্রাচীন ভারতীয় সমাজের একটি সামাজিক শ্রেণীবিভাগ ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থা সমাজকে চারটি বর্ণে ভাগ করে:
• ব্রাহ্মণ: পুরোহিত ও শিক্ষক
• ক্ষত্রিয়: যোদ্ধা ও শাসক
• বৈশ্য: কৃষক, ব্যবসায়ী ও শিল্পী
• শূদ্র: শ্রমিক
এছাড়াও, প্রতিটি বর্ণকে চারটি আশ্রমে বিভক্ত করা হয়েছিল:
• ব্রহ্মচর্য: শিক্ষাগ্রহণের পর্যায়
• গৃহস্থ: পরিবার গঠন ও জীবিকা নির্বাহের পর্যায়
• বানপ্রস্থ: বনবাস ও তপস্যা করার পর্যায়
• সন্ন্যাস: পরিবার ও সমাজ ত্যাগ করে ঈশ্বর-প্রাপ্তির জন্য চেষ্টা করার পর্যায়
বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার বিবর্তন:
• বৈদিক যুগ: বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার উৎপত্তি বৈদিক যুগে। এই যুগে বর্ণগুলি ছিল কর্মভিত্তিক।
• স্মৃতি যুগ: স্মৃতি যুগে বর্ণাশ্রম ব্যবস্থা আরও জটিল হয়ে ওঠে। এই যুগে বর্ণগুলি জন্মভিত্তিক হয়ে ওঠে।
• মধ্যযুগ: মধ্যযুগে বর্ণাশ্রম ব্যবস্থা আরও কঠোর হয়ে ওঠে। এই যুগে বর্ণগুলির মধ্যে সামাজিক গতিশীলতা অনেক কমে যায়।
বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার প্রভাব:
• সামাজিক শ্রেণীবিভাগ: বর্ণাশ্রম ব্যবস্থা সমাজে সামাজিক শ্রেণীবিভাগের সৃষ্টি করে।
• অস্পৃশ্যতার প্রথা: বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার ফলে অস্পৃশ্যতার প্রথা জন্ম নেয়।
• নারীর অবস্থা: বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার ফলে নারীর অবস্থা নীচু হয়ে যায়।
• সামাজিক স্থিতিশীলতা: বর্ণাশ্রম ব্যবস্থা সমাজে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
উপসংহারে বলা যায়, বর্ণাশ্রম ব্যবস্থা প্রাচীন ভারতীয় সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। এই ব্যবস্থার ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় প্রভাবই ছিল।
বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার সমালোচনা:
• সামাজিক অসমতা: বর্ণাশ্রম ব্যবস্থা সমাজে সামাজিক অসমতা তৈরি করে।
• অস্পৃশ্যতার প্রথা: বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার ফলে অস্পৃশ্যতার প্রথা জন্ম নেয়, যা একটি অমানবিক প্রথা।
• নারীর অবস্থা: বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার ফলে নারীর অবস্থা নীচু হয়ে যায়। | 1 143 |
| 7 | ◾️ পালা শাসনামলের সাংস্কৃতিক অবদানগুলি:
পালা শাসনামল (৭৫০-১১২০ খ্রিস্টাব্দ) বাংলার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ যুগ। এই যুগে বাংলার সংস্কৃতি ও সাহিত্যের অভূতপূর্ব বিকাশ ঘটে। পালা শাসকদের সাংস্কৃতিক অবদানগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
সাহিত্য:
• কাব্য: চর্যাপদ, দোহা, পদাবলী, গীতিকাব্য, মঙ্গলকাব্য, আখ্যান কাব্য ইত্যাদি।
• গদ্য: চরিত্র, কাহিনী, আখ্যান, রূপক ইত্যাদি।
সঙ্গীত:
• চর্যাগান: পালা শাসনামলের সঙ্গীতের অন্যতম প্রধান অবদান।
• পাঁচালি: ধর্মীয় গান।
• গীতিকাব্য: গান গাওয়ার জন্য রচিত কবিতা।
শিল্পকলা:
• মন্দির স্থাপত্য: পালা আমলে নির্মিত মন্দিরগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, সোমাপুরা মহাবিহার, রামকেলি মন্দির ইত্যাদি।
• মূর্তিশিল্প: পালা আমলে ব্রোঞ্জ, পোড়ামাটি, এবং পাথরের তৈরি মূর্তিশিল্পের উন্নয়ন ঘটে।
• চিত্রশিল্প: পালা আমলে পৌরাণিক ও ধর্মীয় বিষয়ক চিত্রশিল্পের উন্নয়ন ঘটে।
শিক্ষা:
• নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়: পালা শাসকদের সমর্থনে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান-বিজ্ঞানের কেন্দ্র হিসেবে খ্যাতি লাভ করে।
• বৌদ্ধ বিহার: বৌদ্ধ বিহারগুলি শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অন্যান্য অবদান:
• ধাতুবিদ্যা: পালা আমলে ধাতুবিদ্যার উন্নয়ন ঘটে।
• কৃষি: কৃষিক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়।
• বাণিজ্য: বাংলার বাণিজ্য ও ব্যবসার উন্নয়ন ঘটে।
উপসংহারে বলা যায়, পালা শাসনামল বাংলার সংস্কৃতি ও সাহিত্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
পালা শাসনামলের সাংস্কৃতিক অবদানগুলির প্রভাব:
• বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশে: পালা আমলের সাহিত্য বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
• বাংলার সংস্কৃতিতে: পালা আমলের সাংস্কৃতিক অবদানগুলি বাংলার সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করে।
• ভারতীয় সংস্কৃতিতে: পালা আমলের সাংস্কৃতিক অবদানগুলি ভারতীয় সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করে। | 1 087 |
| 8 | ◾️ গুপ্তযুগকে ভারতীয় ইতিহাসের স্বর্ণযুগ হিসেবে কতটা অভিহিত করা যায়?
গুপ্তযুগকে ভারতীয় ইতিহাসের স্বর্ণযুগ হিসেবে অভিহিত করার পক্ষে বেশ কিছু যুক্তি রয়েছে:
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা: গুপ্ত সাম্রাজ্য ছিল একটি শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল সাম্রাজ্য। সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত দ্বিতীয়ের শাসনামলে সাম্রাজ্যের সর্বোচ্চ বিস্তার লাভ করে।
অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি: গুপ্তযুগে ভারতের অর্থনীতি সমৃদ্ধির শীর্ষে পৌঁছেছিল। কৃষি, বাণিজ্য, এবং শিল্পের উন্নয়ন ঘটেছিল।
সাংস্কৃতিক উৎকর্ষ: গুপ্তযুগ ছিল ভারতীয় সংস্কৃতির স্বর্ণযুগ। সাহিত্য, শিল্প, স্থাপত্য, এবং বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করা হয়েছিল।
শান্তিপূর্ণ পরিবেশ: গুপ্তযুগে দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজমান ছিল। এর ফলে সাম্রাজ্যের সর্বত্র উন্নয়নের কাজ সম্পন্ন হয়।
তবে, গুপ্তযুগকে স্বর্ণযুগ হিসেবে অভিহিত করার বিরুদ্ধেও কিছু যুক্তি রয়েছে:
সামাজিক বৈষম্য: গুপ্তযুগে সমাজে বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার প্রভাব ছিল প্রবল। এর ফলে নিম্নবর্ণের মানুষদের অনেক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল।
নারীর অবস্থা: গুপ্তযুগে নারীদের অবস্থা পুরুষদের তুলনায় অনেক নীচু ছিল। তাদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ ছিল সীমিত।
অবকাঠামোগত ত্রুটি: গুপ্তযুগে যানবাহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন তেমন হয়নি। এর ফলে সাম্রাজ্যের বিভিন্ন অংশের মধ্যে যোগাযোগে সমস্যা হত।
উপসংহারে বলা যায়, গুপ্তযুগ ভারতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ যুগ। এই যুগে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, এবং সাংস্কৃতিক উৎকর্ষের পাশাপাশি কিছু সামাজিক সমস্যাও দেখা দিয়েছিল।
সুতরাং, গুপ্তযুগকে ভারতীয় ইতিহাসের স্বর্ণযুগ হিসেবে অভিহিত করা যায় কি না তা নির্ভর করে কোন দিকগুলিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে তার উপর। | 1 042 |
| 9 | মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থার গুরুত্ব ও প্রভাব:
মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত কার্যকর এবং সুসংগঠিত। এটি ভারতীয় ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন ছিল।
◾️প্রশাসনিক ব্যবস্থার গুরুত্ব:
বৃহৎ সাম্রাজ্য পরিচালনা: মৌর্য সাম্রাজ্য ছিল ভারতের ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম সাম্রাজ্য। কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে এই বিশাল সাম্রাজ্য পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছিল।
কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ: সাম্রাজ্যের বিভিন্ন অংশে কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছিল।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা: কার্যকর আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাম্রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা সম্ভব হয়েছিল।
সম্পদের উন্নয়ন: সম্পদের যথাযথ ব্যবহার ও উন্নয়নের মাধ্যমে সাম্রাজ্যের সমৃদ্ধি বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছিল।
◾️প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রভাব:
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা: কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে সাম্রাজ্যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছিল।
অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি: সম্পদের যথাযথ ব্যবহার ও উন্নয়নের মাধ্যমে সাম্রাজ্যের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পেয়েছিল।
সাংস্কৃতিক উন্নয়ন: শান্তিপূর্ণ পরিবেশের কারণে সাম্রাজ্যে সাংস্কৃতিক উন্নয়ন লাভ করেছিল।
ভারতীয় উপমহাদেশের ঐক্য: মৌর্য সাম্রাজ্য ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন অংশকে একত্রিত করেছিল।
◾️মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থার কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
কেন্দ্রীয় সরকার: সাম্রাজ্যের শাসনকর্তা ছিলেন সম্রাট। সম্রাটের সহায়তায় রাজ্য পরিচালনা করতেন মন্ত্রীপরিষদ।
প্রাদেশিক শাসন: সাম্রাজ্য ছিল বিভিন্ন প্রদেশে বিভক্ত। প্রতিটি প্রদেশের শাসনকর্তা ছিলেন একজন প্রদেশপতি।
স্থানীয় শাসন: গ্রামগুলিতে গ্রামপঞ্চায়েত নামে স্থানীয় শাসন ব্যবস্থা ছিল।
আইন ব্যবস্থা: সাম্রাজ্যে একটি সুশৃঙ্খল আইন ব্যবস্থা ছিল।
কর ব্যবস্থা: সাম্রাজ্যের আয়ের প্রধান উৎস ছিল কর।
সেনাবাহিনী: মৌর্য সাম্রাজ্যের ছিল একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী। | 1 095 |
| 10 | হরপ্পা সভ্যতার পতনের কারণ:
প্রাকৃতিক দুর্যোগ: ধারণা করা হয় যে বন্যা, ভূমিকম্প, এবং খরা হরপ্পা সভ্যতার পতনের অন্যতম কারণ।
পরিবেশগত পরিবর্তন: জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সিন্ধু নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হতে পারে, যার ফলে কৃষিক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ: সভ্যতার অভ্যন্তরে বিদ্রোহ এবং অস্থিরতা পতনের কারণ হতে পারে।
আক্রমণ: বাইরের আক্রমণকারীদের দ্বারা আক্রমণ হরপ্পা সভ্যতার পতনের অন্যতম কারণ হতে পারে।
উল্লেখ্য যে, হরপ্পা সভ্যতার পতনের কারণ এখনও সম্পূর্ণভাবে জানা যায়নি। ঐতিহাসিকরা বিভিন্ন তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে অনুমান করেন। | 1 151 |
| 11 | হরপ্পা সভ্যতার অবদান:
নগর পরিকল্পনা: হরপ্পা সভ্যতা নগর পরিকল্পনার ক্ষেত্রে অনন্য দক্ষতা প্রদর্শন করেছিল। নগরগুলি ছিল সুপরিকল্পিত, রাস্তাঘাট ছিল সোজা এবং পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা ছিল চমৎকার।
স্থাপত্য: হরপ্পা সভ্যতার স্থাপত্যশৈলী ছিল উন্নত। পোড়ামাটির ইট দিয়ে তৈরি বিশাল দুর্গ, স্নানাগার, ধান্যভাণ্ডার, এবং পাবলিক স্পেস তাদের সভ্যতার উন্নতির প্রমাণ।
শিল্প ও কারুশিল্প: হরপ্পা সভ্যতার মানুষ ছিল দক্ষ শিল্পী এবং কারিগর। তারা মূর্তি, পোড়ামাটির বাসন, অলঙ্কার, এবং সিলমোহর তৈরিতে পারদর্শী ছিল।
লিপি: হরপ্পা সভ্যতার নিজস্ব লিপি ছিল, যা এখনও সম্পূর্ণভাবে decipher করা হয়নি। তবে, ধারণা করা হয় যে এটি একটি চিত্রলিপি ছিল।
কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্য: হরপ্পা সভ্যতার মানুষ কৃষিকাজে দক্ষ ছিল। তারা গম, যব, ধান, এবং kapas উৎপাদন করত। তাদের সমৃদ্ধ ব্যবসা-বাণিজ্য ছিল মেসোপটেমিয়া এবং আফগানিস্তানের সাথে। | 1 222 |
| 12 | https://t.me/HistoryGuide?boost | 2 754 |
| 13 | ⚫️ WBCS Optional Papers 2021
History
Geography
Sociology
Psychology
Anthropology
Mathematics
Link - https://ekdnguide.blogspot.com/p/wbcs-preliminary-and-main-previous_24.html
..... Still Updating 🔴 LIVE | 5 139 |
| 14 | ⚫️ WBCS Optional Papers 2021
History
Geography
Sociology
Psychology
Anthropology
Link - https://ekdnguide.blogspot.com/p/wbcs-preliminary-and-main-previous_24.html
..... Still Updating 🔴 LIVE | 1 |
| 15 | ⚫️ WBCS Optional Papers 2021
History
Psychology
Anthropology
Link - https://ekdnguide.blogspot.com/p/wbcs-preliminary-and-main-previous_24.html
..... Still Updating 🔴 LIVE | 344 |
| 16 | 🔴 WBCS HISTORY Optional Papers 👇👇
21 Years in Single File (2000-2020)
Download Now - https://ekdnguide.blogspot.com/p/wbcs-preliminary-and-main-previous_24.html | 2 862 |
| 17 | ▁ ▂ ▄ ▅ ▆ ▇ █ EKDN █ ▇ ▆ ▅ ▄ ▂ ▁
A Complete Competitive Solution
Welcome to EKDN Family
EKDN's All Channels ,Groups and other Services
◼️ ENGLISH VERSION
👉 English Guide
👉 Success Summit(Eng+Bng)
👉 Current Affairs
◼️ BENGALI VERSION
👉 BanglaJobGuide
👉 বিজ্ঞান
👉 ভূগোল
👉 অর্থনীতি-রাষ্ট্রবিজ্ঞান
👉 ইতিহাস
◼️ Daily Quiz
👉 Times4Quiz
◼️ Descriptive Guide(ENG+BNG)
👉 Click Me to Register
◼️ Math+GI Guide
👉 Click Me to JOIN
◼️ হ য ব র ল -The MixBox [Open place for Fun/Entertainment]
👉 Click Me to JOIN
◼️ BENGALI MAGAZINE FOR POEM/STORY/DRAWING
👉 নীরব আলো
◼️ FB Pages
📳 Like EKDN
📳 Like BanglaJobGuide
◼️ WEBSITES
🌐 Visit EKDN ( 11.78 Lakh+ View)
🌐 নীরব আলো (18k+ View)
Entire EKDN family is maintained by EKDN Team , For any query Contact - EKDN
Thank You all for your support ,trust and love 😊 | 5 821 |
| 18 | 👉 সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ (U.N.O) প্রতিষ্ঠার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস আলোচনা করো । জাতিপুঞ্জের প্রধান সংস্থাগুলির নাম করো । জাতিপুঞ্জের প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন ?
উত্তর:- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্ত হওয়ার পর ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের প্রতিষ্ঠা হয় । ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দের জুন মাসে ইংল্যান্ড, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধিগণ লন্ডন ঘোষণা পত্রের মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রস্তাব গ্রহণ করেন । এই বছর অর্থাৎ ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দের ৯ই আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অফ ওয়েলস নামে একটি যুদ্ধজাহাজে পৃথিবীতে স্থায়ী শান্তি স্থাপনের উদ্দেশ্যে একটি আটদফা সুত্র সম্বলিত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন । এই চুক্তিটি আটলান্টিক সনদ (Atlantic charter) নামে পরিচিত । এই সনদে যে আটটি নীতির কথা বলা হয়েছিল তার মধ্যে ভবিষ্যৎ জাতিপুঞ্জের বীজ সুপ্ত ছিল । পরবর্তী সময়ে ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে ওয়াশিংটন সম্মেলনে ২৬টি দেশের প্রতিনিধিবর্গ আটলান্টিক সনদের মূল নীতিগুলি মেনে নিয়ে ‘সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের ঘোষণাপত্র' নামক এক দলিলে স্বাক্ষর করেন । ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দে ডাম্বারটন ওকস সম্মেলনে এই ব্যবস্থাকে সমর্থন জানিয়ে একটি রূপরেখা তৈরি করা হয় । অবশেষে ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে আমেরিকার সানফ্রান্সিসকো শহরে বিশ্বের ৫০টি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিবর্গ মিলিত হয়ে জাতিপুঞ্জের সনদে প্রথম স্বাক্ষর করেন, এই জন্যই ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দের ২৪শে অক্টোবর সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসাবে পালন করা হয় ।
জাতিপুঞ্জের প্রধান সংস্থাগুলি হল:-
১) সাধারণ সভা,
২) নিরাপত্তা পরিষদ,
৩) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ,
৪) অছি পরিষদ,
৫) আন্তর্জাতিক বিচারালয়
৬) সচিবালয়।
জাতিপুঞ্জের প্রথম মহাসচিব ছিলেন ট্রিগভি লি।
—------------------
Join @HistoryGuide
Join @BanglaJobGuide | 7 777 |
| 19 | ☼ মিরাট ষড়যন্ত্র মামলা:- ব্রিটিশ কমিউনিস্ট ফিলিপ স্প্রাট ভারতীয় কমিউনিস্টদের সহায়তায় ট্রেড ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা, বিক্ষোভ সংগঠন, ধর্মঘট ও যুব আন্দোলন পরিচালনা করে শ্রমিক আন্দোলনকে এক ব্যাপকতর রূপদান করেছিলেন । সংবাদপত্রগুলি যাতে মার্কসবাদী চিন্তাধারা প্রচারে উদ্যোগী হয় তার জন্য তিনি সংবাদপত্রগুলিকে সবরকম সাহায্য ও উত্সাহ দিয়েছিলেন । ফলে কীর্তি, ক্রান্তি, কিষাণ, মজদুর, গণবাণী, লাঙ্গল প্রভৃতি মার্কসবাদী ভাবধারা পুষ্ট পত্রপত্রিকার আবির্ভাব হয় । এই সব মার্কসবাদী ভাবধারা পুষ্ট পত্রপত্রিকাগুলি ভারতে কমিউনিস্টদের পক্ষে জনমত গঠনে সাহায্য করেছিল । বামপন্থী নেতৃত্বের প্রভাবে শ্রমিক আন্দোলন ক্রমশ সংগ্রামী চরিত্রে রূপ নেয় । বোম্বাই -এর কারখানায় শ্রমিকরা গিরণি কামগড় শ্রমিক সংগঠন স্থাপন করেন । ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে বিভিন্ন মিলে শ্রমিকদের দাবি আদায় ও কাজের সময় কমাবার জন্য ধর্মঘট ডাকা হয় । রেলওয়ে ওয়ার্কার্সই উনিয়নের সদস্যরা এই ধর্মঘটে যোগ দিলে ধর্মঘট ব্যাপক আকার ধারণ করে । ক্রমশ বোম্বাই -এর শিল্প ধর্মঘট যুক্তপ্রদেশ, পাঞ্জাব ও বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে । সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা হিসাবে ব্রিটিশ সরকার মোজাফফর আহমেদ, শ্রীপদ অমৃত ডাঙ্গে, পি.সি. যোশী সহ শীর্ষ স্থানীয় কমিউনিস্ট নেতাদের আটক করে । ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে এঁদের বিরুদ্ধে মিরাট ষড়যন্ত্রের মামলা আনা হয় । বিচারে মোজাফফর আহমেদ, এস.এ.ডাঙ্গে, নিম্বকার, ঘাটে, পি.সি.যোশি, স্প্রাট, ব্রাডলি প্রমুখ ৩৩ জন কমিউনিস্ট ও ট্রেড ইউনিয়ন নেতা দীর্ঘমেয়াদি কারাদন্ডে দন্ডিত হন । এতে শ্রমিক আন্দোলন সাময়িক ভাবে স্তিমিত হয়ে যায় । কিন্তু ১৯২৯-৩৩ -এ 'মিরাট ষড়যন্ত্র মামলা' কমিউনিস্টদের গতি স্তব্ধ করতে পারেনি । প্রখ্যাত মার্কসবাদী ঐতিহাসিক রজনীপাম দত্তের ভাষায় মিরাট ষড়যন্ত্র মামলা ভবিষ্যতের শ্রমিক আন্দোলনে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছিল । ডঃ বিপিনচন্দ্রের মতে এই মামলা বামপন্থী ও জাতীয়তাবাদীদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি করে ।
===============
Join @HistoryGuide
Join @BanglaJobGuide | 6 103 |
| 20 | ☼ কৃষক বিদ্রোহের কারণ [Cause of Peasant Movement]:- ভারতে ব্রিটিশ রাজত্বের সূচনা থেকেই অর্থাৎ ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশির যুদ্ধে জয়লাভের পর থেকে একের পর এক কৃষক বিদ্রোহ সংঘটিত হয় । এই সব কৃষক বিদ্রোহের অনেকগুলি কারণ ছিল, যেমন :
(১) কোম্পানি প্রবর্তিত নতুন ভূমিরাজস্ব নীতির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকশ্রেণি : ব্রিটিশ শাসনের প্রথম শতকে কোম্পানি প্রবর্তিত নতুন ভূমিরাজস্ব নীতি ও ভুমিরাজস্ব ব্যবস্থা, রাজস্ব আদায়ের জন্য আমিলদার ও ইজারাদারদের অত্যাচার, প্রচলিত ভারতীয় সমাজ ব্যবস্থার সঙ্গে সংগতিবিহীন নতুন আইন ও বিচারব্যবস্থায় ভারতীয় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়, যা তাদের ব্রিটিশ বিরোধী করে তুলেছিল । দরিদ্র ভূমিহীন প্রজাদের বিদ্রোহ তারই স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ ।
(২) কোম্পানি প্রবর্তিত ভূমিরাজস্বের উচ্চ হার : চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত, মহলওয়ারি, রায়তওয়ারি ও অন্যান্য ধরণের রাজস্বব্যবস্থা এবং নতুন ভুমিরাজস্ব ব্যবস্থায় ভুমিরাজস্বের হার ছিল খুবই বেশি । এইসব ভুমি-রাজস্ব ব্যবস্থা প্রবর্তিত হওয়ায় ভারতের গ্রামীণ জীবনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামো প্রায় ভেঙ্গে পড়ে ।
(৩) শিল্পবিপ্লব : ইংল্যান্ডে ১৮শ ও ১৯শ শতকের শিল্পবিপ্লবের ফলে ভারতীয় কুটির শিল্প ধ্বংস হয়ে যায় । এই শিল্পের উপর নির্ভরশীল কৃষকরা তাই ব্রিটিশ বিরোধী হয়ে ওঠেন ।
(৪) জমিদারী উত্পীড়ন : জমিদার ও তাঁদের নায়েব গোমস্তাদের প্রজাপীড়নও কৃষকদের বিদ্রোহে ইন্ধন যোগায় ।
(৫) মহাজনদের শোষণ : মহাজনদের শোষণ ও বঞ্চনাও কৃষক বিদ্রোহে অন্যতম কারণ ।
(৬) সরকারি বঞ্চনা : সবশেষে কৃষকদের প্রতি সরকারের বঞ্চনা ও উপেক্ষা তাদের বিদ্রোহে প্ররোচিত করে ।
More @HistoryGuide @BanglaJobGuide | 5 334 |
