en
Feedback
সুখময় জীবনের সন্ধানে :⬇

সুখময় জীবনের সন্ধানে :⬇

Open in Telegram

আমাদের এই ছোট্ট হায়াতের জীবন সুখময় করতে আসুন আমরা নিজে জানি এবং অন্যকে জানতে সহযোগিতা করি।আপনার নিকটে যদি এ সংক্রান্ত কোন ভাল পোস্ট বা লিখা থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই অ্যাডমিদের সাথে যোগাযোগ করুন। এডমিনরা আপনার বিষয়টি এই চ্যানেলে দিয়ে দিবে। ইনশাআল্লাহ !!!

Show more
2 305
Subscribers
No data24 hours
-37 days
-1630 days
Posts Archive
আসসালামু আলাইকুম             পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা ফিলিস্তিন, বিশেষ করে গাজার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসরায়েল গাজা এবং হামাসকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করার জন্য অতিরিক্ত 200,000 রিজার্ভ সহ 100,000 সৈন্য সংগ্রহ করেছে। সমগ্র উম্মতকে নিচের দোয়া পড়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। আমরা আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিটি দুআ 10 মিলিয়ন বার সম্মিলিতভাবে পড়ার লক্ষ্য রাখছি।   حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি মাল ওয়াকিল - আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট এবং তিনিই সর্বোত্তম কার্য সম্পাদনকারী। اَللّٰهُمَّ إنَّا نَجْعَلُكَ فِيْ نُحُوْرِهِمْ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْ আল্লাহুম্মা ইন্না নাজ আলুকা ফী নুহুরিহিম ওয়া নাউদু বিকা মিন শুরুরিহিম - হে আল্লাহ, আমরা আপনাকে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের ঢাল বানাই এবং তাদের অনিষ্ট থেকে আপনার কাছে আশ্রয় নিই। অনুগ্রহ করে এই বার্তাটি প্রত্যেকের কাছে ফরোয়ার্ড করুন এবং 10 মিলিয়ন লক্ষ্যে পৌঁছাতে আপনার ভূমিকা পালন করুন। শত্রুর পরিকল্পনা আছে কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী!!! জাযাকিল্লাহু খইরান।

আসসালামু আলাইকুম।আশা করি আপনার জন্য লিখাগুলো উপকারী হবে ইন শা আল্লাহ।পড়ুন... রমাদন হলো রহমত,মাগফিরাত,নাজাতের মাস। কিভাবে আল্লাহর রহমত পাবেন?কিভাবে আল্লাহর ক্ষমা পাবেন? কিভাবে নাজাত পাবেন? অনেক আমল ই আছে তবে খুব সহজ,কম সময়ের একটি আমল আছে,আপনার অন্য আমলগুলির সাথে ভালো করে যুক্ত করে নিবেন ইন শা আল্লাহ কি সেটা জানেন ? 🌿সেটা হলো আমার আপনার প্রিয় নবীজির প্রতি দরুদ, যাকে আল্লাহ পাক আমাদের উপর রহমত হিসেবে পাঠিয়েছেন।🌿 🌻হযরত আনাস রা. বলেন, রাসূলে কারীম সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন- من صلى علي صلاة واحدة صل الله عليه عشر صلوات، وحطت عنه عشر خطيئات، ورفعت له عشر درجات. যে আমার উপর একবার দরূদ পড়বে আল্লাহ তার উপর দশটি রহমত নাযিল করবেন, তার দশটি গুনাহ ক্ষমা করা হবে এবং দশটি দরজা বুলন্দ হবে।-সুনানে নাসায়ী ১/১৪৫; মুসনাদে আহমদ ৩/১০২; মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা ২/৪৩। অন্য বর্ণনায়, আবু বুরদা রা. থেকে বর্ণিত আছে, তার আমলনামায় দশটি নেকী লেখা হবে।-আলমুজামুল কাবীর,তবারানী ২২/৫১৩🌻 আল্লহুম্মা সল্লি 'আলা মু'হাম্মাদ🌺 আল্লহুম্মা বারিক 'আলা মু'হাম্মাদ🌺 সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম🌺 🌿নবীজীর মাধ্যমে আমরা হৃদয় প্রশান্তকারী এই কুরআন পেয়েছি।বিভিন্ন দুয়া ,আমল পেয়েছি।এমনকি রমাদান মাস কি,কিভাবে কাটাতে হয় তাও জেনেছি এই মানুষটার মাধ্যমে।এই মানুষটার মাধ্যমে আমরা আল্লাহকে কিভাবে ডাকতে হয়,কিভাবে ক্ষমা চাইতে হয়,কিভাবে নামাজ ,জাকাত, হজ উমরা আদায় করতে হয় সব শিখি।জিকির কিভাবে করতে হয় সব জানতে পারি... তাঁর হাদীস গুলি না থাকলে এই উম্মাহর আজ কি যে হত এক আল্লাহ জানেন।🌿 🌻আমার আপনার কত প্রিয় মানুষ হওয়ার যোগ্যতা রাখেন তিনি !🌻 খুব ভালোভাবে মনে রাইখেন রসূলের আশেক হওয়া ছাড়া আল্লাহর আশেক হওয়া যায়না....আল্লাহর ভালোবাসা পেতে হলে আগে রসূলকে ভালবাসতে হয়.... 🌿কিভাবে রসূলের আশেক হবেন? বেশি বেশি হৃদয় থেকে মুহাব্বতের সাথে দিল লাগিয়ে দরুদ পড়েন,আর দুয়া করবেন ,দেখবেন ইন শা আল্লাহ আল্লাহ আপনার হৃদয়ে রসূলের প্রতি ভালোবাসা ,মুহব্বত দিয়ে দিবেন।আপনার পুরো জীবন রহমত,বরকত দিয়ে ভরপুর হয়ে যাবে ইন শা আল্লাহ 🌿 ...আমার জন্য দুয়া করবেন..

নিজের ব্যাপারে জানে যে, সে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে, তাহলে তার জন্য স্ত্রীকে চুম্বন করা ও জড়িয়ে ধরা জায়েয আছে; এমনকি ফরজ রোজার মধ্যেও।’ তবে, সাবধান! রোজা অবস্থায় দিনের বেলা উত্তেজনাবশত সহবাস করে বসলে কাজা ও কাফফারা উভয়টি ওয়াজিব হবে। তাই, এসব ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা চাই। ১৪) রামাদানে রাতের বেলা সহবাস করতে কোনো অসুবিধা নেই। এমনকি সহবাসের পর গোসল না করে সাহরি খেয়ে ফজরের ওয়াক্ত হওয়ার পর গোসল করলেও সমস্যা নেই। আয়িশা (রা.) ও উম্মু সালামা (রা.) বর্ণনা করেন যে, (রাতে সহবাসের ফলে) অপবিত্র থাকা অবস্থায় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ফজর হয়ে যেতো; এরপর তিনি গোসল করতেন ও রোজা রাখতেন। [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ১৯২৬] তবে, ফজরের সময়টি খুব দীর্ঘ না। তাই, কোনোভাবেই যেন ফজরের ওয়াক্ত কেটে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ১৫) গরমের কারণে, শরীর ঠাণ্ডা করতে কিংবা পিপাসা নিবারণ করতে একের অধিকবার গোসল করতেও সমস্যা নেই। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই কাজটির প্রমাণ রয়েছে। [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ২৩৬৫; হাদিস

🔹আলোকিত রমাদান (পর্ব-৮) 🔺 ১৫ টি কারণে রোজা ভাঙে না (অথচ অনেকে মনে করে, এসব কারণে রোজা ভেঙে যায়) ১) অনিচ্ছাকৃত বমি (মুখ ভরে হলেও) রোজা ভাঙবে না। তেমনি, বমি কণ্ঠনালীতে এসে নিজে নিজে ভেতরে ঢুকে গেলেও রোজা ভাঙবে না। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তির বমি এসে গেছে তার উপর কাজা নেই। আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করেছে, তাকে কাজা আদায় করতে হবে।’’ [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ৭২০; হাদিসটি সহিহ] ২) শরীর থেকে রক্ত বের হলে, শিঙ্গা লাগালে বা কাউকে রক্ত দিলে রোজা ভাঙবে না। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমতাবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন (হিজামা করিয়েছেন), যখন তিনি রোজাদার। [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ১৯৩৯] আনাস (রা.)-কে জিজ্ঞাসা করা হলো, রোজা অবস্থায় হিজামা তথা শিঙ্গা লাগানোকে কি আপনারা মাকরুহ মনে করতেন? তিনি বলেন, ‘না। তবে এর ফলে দুর্বল হয়ে পড়লে তা মাকরুহ হবে।’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ১৯৪০] সুতরাং, রোজা অবস্থায় রক্ত দিতেও কোনো সমস্যা নেই। কারণ দুটোই সেইম। এমনটিই বলেছেন বিশিষ্ট আলিমগণ। ৩) সুরমা, কাজল, সুগন্ধি ইত্যাদির দ্বারা রোজার কোন ক্ষতি হয় না। আনাস ইবনু মালিক (রা.) রোজাদার অবস্থায় সুরমা ব্যবহার করতেন। [ইমাম আবু দাউদের সুনান সূত্রে ফিকহুস সুনানি ওয়াল আসার: ১৩০৫; সনদ হাসান; ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ, হাকিকাতুস সিয়াম, পৃষ্ঠা: ৪০-৪১] ইমাম যুহরি (রাহ.) বলেন, রোজা অবস্থায় সুরমা লাগানোতে কোনো সমস্যা নেই। [ইমাম ইবনু আবি শাইবাহ, আল-মুসান্নাফ: ৯২৭৫; বর্ণনাটি সহিহ] তেমনি, শরীর বা মাথায় তেল ব্যবহার করলেও রোজা ভাঙবে না। [ইমাম আবদুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ: ৪/৩১৩] ৪) মশা, মাছি, ধুলাবালি, কীটপতঙ্গ ইত্যাদি অনিচ্ছাকৃতভাবে গলা বা পেটে ঢুকে গেলে রোজা ভাঙবে না। ইবনু আব্বাস (রা.) বলেন, ‘‘কারো গলায় মাছি ঢুকে গেলে রোজা ভাঙবে না।’’ [ইমাম ইবনু আবি শাইবাহ, আল মুসান্নাফ: ৬/৩৪৯; শায়খ ইবনু উসাইমিন, রমযান মাসের ৩০ আসর, পৃষ্ঠা: ১৫৩] ৫) ভুলে কিছু পানাহার করলে রোজা ভাঙবে না। হাদিসে এসেছে, ‘‘যে রোজাদার ভুলে খেয়ে ফেললো বা পান করে ফেললো, সে যেন তার রোজা পূর্ণ করে; কেননা আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ১৯৩৩] ৬) স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভাঙে না। কারণ স্বপ্নদোষ হওয়ার বিষয়টি অনিচ্ছাকৃত। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘আল্লাহ কারও উপর তার সাধ্যের বাইরে কিছু চাপিয়ে দেন না।’’ [সুরা বাকারা, আয়াত: ২৮৬] ৭) রোজা অবস্থায় অজ্ঞান, বেহুঁশ বা অচেতন হলে রোজা ভাঙবে না। তাবিয়ি নাফে’ (রাহ.) বলেন, ‘(সাহাবি) আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা.) একবার নফল রোজা অবস্থায় বেহুঁশ হয়ে যান। কিন্তু এ কারণে তিনি রোজা ভঙ্গ করেননি।’ [ইমাম বাইহাকি, আস-সুনানুল কুবরা: ৪/২৩৫] ৮) ইবনু উমার (রা.) বলেন, ‘‘রোজা অবস্থায় মিসওয়াক—কাঁচা বা পাকা ডাল দিয়ে—করলে রোজার কোনো সমস্যা হবে না।’’ এমনকি ইফতারের পূর্বে মিসওয়াক করলেও অসুবিধা নেই। [ইমাম ইবনু আবি শাইবাহ, আল মুসান্নাফ: ৯১৭৩; বর্ণনাটির সনদ সহিহ] [রামাদানে দিনের বেলায় টুথপেস্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকা উচিত। কারণ এর কিছু স্বাদ মুখে পাওয়া যায়, ফলে এটি মাকরুহ। তবে, কেউ গিলে না ফেললে রোজা ভাঙবে না] ৯) নাইট্রোগ্লিসারিন-জাতীয় ইনহেলারে রোজা ভাঙবে না, তবে ভেনটোলিন ইনহেলারে রোজা ভেঙে যাবে। কারণ এর কিছু অংশ খাদ্যনালীতে প্রবেশ করে। [মাসিক আল কাউসার সূত্রে ‘রমযান মাসের উপহার’, মাওলানা হাবীবুর রহমান] ১০) নাকে ড্রপ, স্প্রে ব্যবহারের পর তা যদি গলার ভেতরে চলে যায়, তবে রোজা ভেঙে যাবে। অবশ্য গলায় না গেলে বা স্বাদ অনুভূত না হলে রোজা ভাঙবে না। [মাজাল্লাতু মাজমা‘ইল ফিকহিল ইসলামি: ২/৪৫৪; মাসিক আলকাউসার সূত্রে ‘রমযান মাসের উপহার’] ১১) খাবার ঠিকঠাক আছে কীনা তা বোঝার জন্য ঘ্রাণ নিলে রোজা ভাঙবে না। ইবনু উসাইমিন (রাহ.) বলেন, ‘খাবারের স্বাদ গ্রহণ করলে রোজা ভাঙবে না, যদি গিলে ফেলা না হয়।’ [রমযান মাসের ৩০ আসর, পৃষ্ঠা: ১৫৫] তবে, বাধ্য না হলে এমনটি করা মাকরুহ। ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ্ (রাহ.) বলেন, ‘প্রয়োজন ছাড়া খাবার চেখে দেখা মাকরুহ; তবে এতে রোজা ভঙ্গ হবে না।’ [ফাতাওয়া কুবরা: ৪/৪৭৪] ১২) রোজা অবস্থায় নখ বা চুল কাটতে কোনো সমস্যা নেই। মেয়েরা হাতে-পায়ে মেহেদী দিলেও রোজার কোনো ক্ষতি হবে না। [শায়খ আহমাদ মুসা জিবরিলের রিসালাহ] ১৩) সহবাস ছাড়া স্ত্রীর সাথে ঘনিষ্ঠ হলে রোজা ভাঙবে না। তবে বীর্যপাত হওয়া যাবে না। আয়িশা (রা.) বলেন, ‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোজাদার অবস্থায় (স্ত্রীকে) চুমু খেতেন এবং তাদের সাথে (ঘনিষ্ঠ) মেলামেশা করতেন। তবে, নিজ আবেগ-উত্তেজনার উপর তাঁর নিয়ন্ত্রণ ছিলো তোমাদের সবার চেয়ে বেশি।’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ১৯২৭]ইবনু উসাইমিন (রাহ.) বলেন, ‘কিছু লোক আছে, যারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না; তাদের দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায়। এমন ব্যক্তি ফরজ রোজা পালনকালে স্ত্রীকে চুম্বন করা, আলিঙ্গন করা ইত্যাদির মাধ্যমে ঘনিষ্ঠ হওয়া থেকে তাকে সাবধান থাকবে। আর যদি ব্যক্তি

ইবনু উসাইমিন (রাহ.) বলেন, ‘কিছু লোক আছে, যারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না; তাদের দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায়। এমন ব্যক্তি ফরজ রোজা পাল করা ইত্যাদির মাধ্য মে ঘনিষ্ঠ হওয়া থেকে তাকে সাবধান থাকবে। আর যদি ব্যক্তি নিজের ব্যাপারে জানে যে, সে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে, তাহলে তার জন্য স্ত্রীকে চুম্বন করা ও জড়িয়ে ধরা জায়েয আছে; এমনকি ফরজ রোজার মধ্যেও।’ তবে, সাবধান! রোজা অবস্থায় দিনের বেলা উত্তেজনাবশত সহবাস করে বসলে কাজা ও কাফফারা উভয়টি ওয়াজিব হবে। তাই, এসব ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা চাই। ১৪) রামাদানে রাতের বেলা সহবাস করতে কোনো অসুবিধা নেই। এমনকি সহবাসের পর গোসল না করে সাহরি খেয়ে ফজরের ওয়াক্ত হওয়ার পর গোসল করলেও সমস্যা নেই। আয়িশা (রা.) ও উম্মু সালামা (রা.) বর্ণনা করেন যে, (রাতে সহবাসের ফলে) অপবিত্র থাকা অবস্থায় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ফজর হয়ে যেতো; এরপর তিনি গোসল করতেন ও রোজা রাখতেন। [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ১৯২৬] তবে, ফজরের সময়টি খুব দীর্ঘ না। তাই, কোনোভাবেই যেন ফজরের ওয়াক্ত কেটে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ১৫) গরমের কারণে, শরীর ঠাণ্ডা করতে কিংবা পিপাসা নিবারণ করতে একের অধিকবার গোসল করতেও সমস্যা নেই। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই কাজটির প্রমাণ রয়েছে। [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ২৩৬৫; হাদিসটি সহিহ] গত পর্ব পড়তে ক্লিক করুন 👈 ~সংগৃহীত #Zahrah

মন খারাপের দিনে আপনার সাথে বসে দুদন্ড কথা না বলার আক্ষেপে কেটে যায় এক আকাশ সমান বিষাদমাখা দিন, আপনার সাক্ষাত লাভে ধন্য না হওয়ার আক্ষেপে হৃদয় জমিন আজ খরতাপদগ্ধ। আপনার "বুনাইয়া,উনাইস"হবার শখ চিরদিন অন্তরাত্মাকে অশান্ত রাখবে। আপনার বিরহে হৃদয় আকাশ জুড়ে যে কালো মেঘের ভেলা ভেসে বেড়ায় তা কি আপনি জানেন? ইয়া রাসুলুল্লাহ {ﷺ} ! নাকি ফিরদাউসের সবুজ গালিচায় আনমনে হয়ে আমার গল্প শুনবেন বলে আপনিও প্রহর গুনছেন!! আপনার তরে আমার পিতামাতা কুরবান হোক। অজস্র রহমত বর্ষিত হোক আপনার ওপর। নশ্বর দুনিয়ার ধূলি কণার চেয়েও তুচ্ছ এই প্রাণ আপনার সাক্ষাত লাভে প্রশান্ত হতে চায়।ইয়া রাসুলুল্লাহ!{ﷺ}                  اللهم صل وسلم على نبينا محمد 🥀 উম্মে মারিয়াম

📿 দোয়া কবুলের অলৌকিক গল্প অসংখ্য স্বপ্নের ভার বুকে নিয়ে আমি বাড়ি ছেড়েছিলাম। জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করার উচ্ছ্বাসে হৃদয় ভরে ছিল। কিন্তু ঠিক ২৮ দিন পর, সমস্ত স্বপ্ন যেন থমকে দাঁড়াল—আমার স্বামী নতুন চাকরির জন্য আরেক প্রদেশে চলে গেলেন। বিদায়ের আগে একটাই আশ্বাস দিয়ে গেলেন, "শিগগিরই তোমাকে নিয়ে যাব।" প্রথম কয়েকটা দিন সেই আশাতেই বুক বাঁধলাম। দিন গড়িয়ে মাস পেরিয়ে গেল, কিন্তু প্রতীক্ষার প্রহর যেন ফুরোল না। ফোনের আলাপে একসময় দূরত্বের ছায়া পড়ল—কথা কমতে লাগল, ভালোবাসার উষ্ণতা ফিকে হয়ে গেল। শ্বশুরবাড়ির মানুষগুলো একের পর এক অজুহাত দিতে শুরু করল, আর আমি লক্ষ্য করলাম, ধীরে ধীরে তারা তাঁকে আমার বিরুদ্ধে প্ররোচিত করছে। একদিন, সেই কণ্ঠস্বর যা একসময় হৃদয়ের প্রশান্তি ছিল, সেদিন হয়ে উঠল তীব্র বেদনার কারণ। ফোনের ওপাশ থেকে তিনি বললেন, "তুমি আমার বাবা-মায়ের সঙ্গেই থাকবে। আমি তোমাকে নিতে পারব না।" শুনে মনে হলো পৃথিবীটা যেন পায়ের নিচ থেকে সরে গেল। চোখের জল যেন থামতেই চাইছিল না। তখনই একজন প্রিয় বন্ধু বলল, "তাহাজ্জুদই প্রতিটি সমস্যার সমাধান। আল্লাহর দরজা কখনো বন্ধ হয় না।" হতাশ ও ভগ্নহৃদয়ে আমি আল্লাহর দিকে ফিরে গেলাম। প্রতিটি রাতে আমি সিজদায় আমার কষ্ট উজাড় করে দিতাম, কাঁদতে কাঁদতে ভাষা হারিয়ে ফেলতাম—শুধু একটি ক্ষতবিক্ষত হৃদয় শান্তির প্রার্থনা করত। এবং ঠিক কয়েক রাত পর, এমন কিছু ঘটল যা আমি কল্পনাও করিনি! পরের সকালেই আমার ফোন বেজে উঠল—ওপাশে স্বামীর কণ্ঠ, "আমি আমাদের জন্য একটি ঘর পেয়েছি। তোমাকে নিতে আসছি।" শুনেই চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ল—কিন্তু এবার তা দুঃখের নয়, আনন্দের অশ্রু। দীর্ঘ আটটি মাসের অসহ্য অপেক্ষার পর, অবশেষে আমি ফিরে এলাম আমার প্রিয় ঠিকানায়। তাহাজ্জুদ শুধু একটি নামাজ নয়—এটি সেই স্থান যেখানে আল্লাহ শোনেন, নিরাময় দেন, এবং অসম্ভবকে সম্ভব করে তোলেন।

৩০ দিন রোজা রাখার পর যদি জানতে পারেন আপনার একটা রোজাও কবুল হয়নি! প্রতিদিন ১৩ ঘণ্টার বেশি না খেয়ে রোজা রাখলেন। লুকিয়েও কিছু খাননি। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে কষ্ট করেছেন, তবুও রোজা ভাঙ্গেননি। কিন্তু, মাস শেষে যদি জানার সুযোগ থাকতো, আর আপনি জানতে পারলেন আপনার একটা রোজাও হয়নি, তখন কেমন লাগবে? রোজা রেখেছেন, সওয়াব পাননি। বিনিময়ে শুধু ক্ষুধার্তই থেকেছেন! আমাদের সমাজের অনেকেরই এমন হয়! রাসূলুল্লাহ  ﷺ  বলেন: “কত রোজাদার আছে যাদের রোজার বিনিময়ে ক্ষুধা ছাড়া আর কিছুই জোটে না!” [সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৬৯০] তারা কারা? রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: “যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন করেনি, তাঁর এ পানাহার পরিত্যাগ করায় আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।” [সহিহ বুখারী: ১৯০৩] অর্থাৎ, রমাদান মাস শুধুমাত্র উপোষ থাকার মাস না। কেবল না খেয়ে থাকলেই রোজা হবে না। রোজার সওয়াব পেতে হলে আপনাকে চরিত্রবান হতে হবে। মিথ্যা বলা ত্যাগ করতে হবে, আমানত রক্ষা করতে হবে, কাউকে গালি দেয়া যাবে না, গীবত করা যাবে না। অথচ আমরা অহরহই এমন করি। বাইরে কাজকর্ম করে বাসায় এসে কোনো কিছু এলোমেলো দেখলে স্বামী রাগারাগি করে, স্ত্রীকে বকা দেয়, গালি দেয়। রিক্সা ভাড়া ঠিক না করে রিক্সায় চড়ে নামার সময় ঝগড়া করে। সময় কাটানোর জন্য বন্ধুদের সাথে বসে বসে গীবত করে। রোজা রেখে মিথ্যা বলে, ঘুষ খায়। আপনি হয়তো ভাবছেন রোজা রাখছেন। কিন্তু, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলছেন- এগুলো রোজা না, এমন রোজার আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। আল্লাহ এমন রোজা কবুল করেন না। তাহলে কীভাবে পরিপূর্ণভাবে রোজার সওয়াব পাওয়া যাবে? নিজের চরিত্রকে উন্নত করা। সচ্চরিত্রবান হওয়া। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: “যে ব্যক্তি তার চরিত্রকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছে, আমি তার জন্য জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে একটি ঘরের জিম্মাদার।” [সুনানে আবু দাউদ

Repost from insaf24.com
সুইডেনে কুরআন অবমাননাকারি সেই সালওয়ান মোমিকাকে গুলি করে হত্যা https://insaf24.net/news/30/01/2025/205737
সুইডেনে কুরআন অবমাননাকারি সেই সালওয়ান মোমিকাকে গুলি করে হত্যা https://insaf24.net/news/30/01/2025/205737

একজন নারী রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে এসে তার স্বামীর বিষয়ে অভি-যোগ করলেন। তিনি বললেন যে, তার স্বামী অনেক অতিথিকে আমন্ত্রণ জানান এবং তাদের জন্য বারবার খাবার প্রস্তুত ও তাদের আপ্যায়ন করতে করতে তিনি ক্লা-ন্ত হয়ে পড়েছেন। রাসুলুল্লাহ ﷺ কোনো উত্তর দিলেন না, আর সেই নারী চলে গেলেন। কিছুক্ষণ পরে রাসুলুল্লাহ ﷺ সেই নারীর স্বামীকে ডেকে বললেন, “আজ আমি তোমার অতিথি হবো।” তখন সেই ব্যক্তি অত্যন্ত খুশি হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়ে তার স্ত্রীকে বললেন, “আল্লাহর রাসুল ﷺ আজ আমাদের অতিথি হবেন।” তার স্ত্রী খুব আনন্দিত হলেন এবং অনেক চেষ্টা ও যত্ন নিয়ে যা কিছু খাবার ছিল তা দিয়ে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জন্য খাবার প্রস্তুত করলেন। যখন রাসুলুল্লাহ ﷺ তাদের ঘরে এসে তাদের আতিথেয়তার সম্মান গ্রহণ করলেন, তখন তিনি সেই ব্যক্তিকে বললেন, “তোমার স্ত্রীকে বলো, সে যেন সেই দরজা দেখে, যেখান দিয়ে আমি এই ঘর ত্যা-গ করব।” নারী সেই দরজা দেখলেন এবং দেখতে পেলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর পেছনে ঘর থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রা-ণি, বি-চ্ছু এবং ক্ষতি-কর জীব বের হয়ে যাচ্ছে। তিনি এ দৃশ্য দেখে এতটাই বিস্মিত হলেন এবং আল্লাহর মহান কুদরত উপলব্ধি করে অ-জ্ঞান হয়ে পড়লেন। যখন তিনি জ্ঞান ফিরে পেলেন, তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ তাকে বললেন, “এটাই ঘটে যখন একজন অতিথি তোমার ঘর থেকে বিদায় নেয়। তার সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত ক্ষতি, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিপদ তোমার ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। অতিথির প্রতি সম্মান দেখিয়ে এবং আপ্যা-য়নের কষ্ট স্বীকার করার পেছনে এটাই হেকমত।” রাসুলুল্লাহ ﷺ আরও বলেন, “যে ঘরে বেশি অতিথি আসে, আল্লাহ সেই ঘরকে ভালোবাসেন। এর চেয়ে উত্তম ঘর আর কিছুই হতে পারে না যেখানে তরুণ ও বৃদ্ধ সবার জন্য দরজা খোলা থাকে। এমন ঘরে আল্লাহর রহমত ও বরকত নেমে আসে।” রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “যখন আল্লাহ কোনো জাতির জন্য কল্যাণ চান, তখন তিনি তাদের জন্য একটি উপহার পাঠান।” সাহাবাগণ জিজ্ঞাসা করলেন, “কী ধরণের উপহার, হে আল্লাহর রাসুল?” তিনি বললেন, “অতিথি তার নিজের রিজিক নিয়ে আসে এবং গৃহের লোকদের পা-প সঙ্গে নিয়ে যায়।” তাই, হে প্রিয়, জেনে রাখুন, অতিথি হলো জান্নাতে যাওয়ার একটি মাধ্যম। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস করে, তাকে অবশ্যই তার অতিথির প্রতি উদার হতে হবে।” [বুখারি : ৫৫৬০]

🔹থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন প্রতি বছর ইংরেজি ৩১শে ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১২টা ০১ মিনিটে বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানে বর্তমান বিশ্ব একটি নতুন বর্ষে পদার্পন করে। এ অনুষ্ঠানগুলো কি ইসলাম সমর্থিত? আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, “তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে থাক যা কাফেরদের জন্য প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে।” [সূরা আলে-ইমরান ১৩১] ■ উৎপত্তি: প্রাচীন পারস্যের পরাক্রমশালী সম্রাট জামশিদ খ্রিষ্টপূর্ব ৮০০ সালে নববর্ষ প্রবর্তন করেন। পরবর্তীতে রোম সম্রাট জুলিয়াস সিজার খ্রিষ্টপূর্ব ৪৬ সালে ইংরেজি নববর্ষ প্রচলন করেন। প্রথমদিকে নববর্ষ বিভিন্ন তারিখে পালন করা হতো। পরবর্তীতে ১৫৮২ সালে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার প্রবর্তনের পর পহেলা জানুয়ারিতে নববর্ষের দিন হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়। বাংলাদেশে থাটি ফার্স্ট নাইটের ব্যাপক প্রচলন ঘটে ২০০০ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর মধ্যরাতের মিলেনিয়াম বা সহস্রাব্দ পালনের মধ্য দিয়ে। (সূত্র ইন্টারনেট) ■ থাটি ফার্স্ট নাইট কি ইসলাম সমর্থিত? ✪ ১. অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা: এ রাত্রিকে কেন্দ্র করে চলে অশালীন ও বেহায়াপনার মহোৎসব। যুবতীরা আঁটসাঁট, অশালীন ও অর্ধ নগ্ন পোশাক পরিধান করে অবাধে চলাফেরা করে। অথচ এ প্রসঙ্গে নবী (সা:) বলেন, “ঐসব নারী যারা হবে পেষাক পরিহিতা কিন্তু প্রায় নগ্ন। যারা পরপুরুষকে আকৃষ্ট করবে এবং নিজেরাও আকৃষ্ট হবে। তাদের মাথা বক্র উঁচু কাঁধ বিশিষ্ট উটের ন্যায়। তারা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। এমনকি জান্নাতের সুগন্ধিও পাবে না।” [সহীহ মুসলিম ২১২৮] ✪ ২. শিরক যুক্ত শ্লোগান: মুসলিমদের অনেকেই বর্ষবরণ করতে দিয়ে শিরকের মধ্যে লিপ্ত হয়ে ইমান হারা হচ্ছে। আর তাদের শ্লোগান হচ্ছে-     “মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা       অগ্নি স্নানে সূচি হোক ধরা।” উক্ত শ্লোগানে অগ্নিপূজকদের আগুন দ্বারা পবিত্র হওয়ার ভ্রান্ত বিশ্বাস সু-স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হচ্ছে। অথচ অগ্নিকে সম্মান করা, আগুনের কাছে সাহায্য চাওয়া এবং আগুন দ্বারা পবিত্র হওয়ার ধারণা করা শিরক। আর আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, “নিশ্চয় আল্লাহ তা’য়ালা তার সাথে শিরুক কারীকে ক্ষমা করবেন না।” [সূরা নিসা ১১৬] ✪ ৩. বিজাতীয় সাদৃশ্য: থাটি ফার্স্ট নাইট উদযাপন সম্পূর্ণরূপে বিজাতীয় সংস্কৃতি। এ রাত্রিতে বলে ও ম্যাসেজের মাধ্যমে অভিবাদন জানানো, আতশবাজি, পটকাবাজি, ফ্যাশন শো, ফায়ার প্লে, ট্যাটাে বা উল্কা অংকন, ডিজে পাটি ও কনসার্ট, নেশা সেবনসহ বিজাতীয় সংস্কৃতির সাথে সাদৃশ্য রাখে। ইসলাম এটি কঠোরভাবে নিষেধ করেছে। রাসূল (স.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোনাে সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য অবলম্বন করলো সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।” [আহমদ, আবু দাউদ, মিশকাত ৪৩৪৭] ■ যুব সমাজকে ধ্বংস ও নারীদের সম্ভ্রম নষ্ট করার নীল নকশা: যুব সমাজকে ধ্বংস ও নারীদের সম্ভ্রম নষ্ট করার জন্যই থাটি ফার্স্ট নাইট বাংলাদেশে আমদানি করা হয়েছে। ২০০০ সালের ৩১ শে ২৫ মিনিটে গুলশানে থাটি ফাস্ট নাইট উদযাপনকারী এক তরুণীকে কিছু মাতাল যুবক শ্লীলতা হানি করে ও তার শরীরের বেশীর ভাগ কাপড় ছিঁড়ে ফেলে। [সূত্র- দৈনিক মানবজমিন, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০০০ইং] আর ২০০১ সালের শাওন আখতার বাধনের ক্ষত-বিক্ষত দেহ কে না দেখেছেন? আরও কত বাধন। এ থেকে স্পষ্ট বুঝা যায় থাটি ফাস্ট নাইট একটি যৌন উৎসব। যা তাদের জন্য অসম্মান জনক। অথচ, আল্লাহ তা’য়ালা বলেন:
আর তোমরা জেনার নিকটবর্তী হয়ো না। (সূরা বনী-ইসরাইল: ৩২)
মহান আল্লাহ যাবতীয় অশ্লীল অন্যায় কাজ হারাম করেছেন। (সূরা আল আ’রাফ ৩২)
■ আমাদের আহবান: পরিশেষে সকলকে উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি যে, জেনা, মদ্যপান ও অমুসলিমদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণের এই নিকৃষ্ট সংস্কৃতিকে চিরদিনের জন্য বাংলাদেশ থেকে বিলীন করতে আমরা সচেষ্ট হই। এ লক্ষ্যে সকল মুসলিমকে সীসা ঢালা প্রাচীরের মত প্রতিরোধ বুহ্য সৃষ্টি করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা ও অন্যদেরকে এই বিষয়ে সচেতন করার মাধ্যমে জান্নাত লাভ করার জন্য আল্লাহ তাওফিক দান করুন। আল্লাহ্‌ তা’য়ালা বলেন, “তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে ও পরিবার-পরিজনকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করো।”

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের শহীদি মিছিলে যোগ হলেন মাদরাসা শিক্ষার্থী মো. আরাফাত (১২)। নাজেরা শেষ করে তিন পারা কোরআন মুখস্থ করা আরাফাত উত্তরা জামিয়া রওজাতুল উলুম মাদরাসার ইবতেদায়ি আউয়ালের শিক্ষার্থী ছিলেন। ৫ আগস্ট উত্তরা আজমপুরে আন্দোলনের সময় গুলিবিদ্ধ হন। আধুনিক হাসপাতাল ও কুর্মিটোলায় ফেরত পাঠানোর পর সিএমএইচে ভর্তি করা হলেও তিন মাস চিকিৎসাধীন থেকে আজ ২২ ডিসেম্বর ইন্তেকাল করেন। ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজীয়ুন। ঘাতক বুলেট আরাফাতের বাম পাজর ভেদ করে মেরুদণ্ড ভেঙে ডান দিক দিয়ে বের হয়ে যায়, ফলে একটি কিডনি নষ্ট হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৪ ডিসেম্বর বিদেশ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু তার আগেই শহীদ হন। আল্লাহ শহীদ আরাফাতকে জান্নাত নসিব করুন। এই অভ্যুত্থানে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের এমন ত্যাগ ও সাহসিকতা ইতিহাসের পাতায় নতুন অধ্যায়ের সৃষ্টি করেছে। ©

▪️তিন কুল-এর আমলের ছহীহ্ পদ্ধতি : হযরতওয়ালা মুফতী সাহেব হুজুর দামাত বারাকাতুহুম বলেন, তোমরা আমাদের মাধ্যমে যে সব ইলম পাচ্ছো সবই হযরত মুহাদ্দিস সাহেব হুজুর রহ. এর ইলম। আমাদের কিছুই না। আমরা মুহাদ্দিস সাহেব রহ. এর কাছ থেকে যে সব বিশেষ ইলম পেয়েছি তার একটি হলো তিন কুলের আমল প্রসঙ্গে। অনেকেই এখানে ভুল করে থাকে। সহীহ নিয়ম হলো, সাধারণত দুই সময় তিন কুলের আমল করা হয়। (১) ফজর ও মাগরিবের পর (২) শোয়ার সময়। “উভয় ক্ষেত্রে আমলের নিয়ম ভিন্ন”। ফজর ও মাগরিবের সময়, প্রথমে একসাথে তিন বার সূরা ইখলাস পড়তে হবে। এরপর একসাথে তিনবার সূরা ফালাক্ব, সবশেষে একসঙ্গে তিনবার সূরা নাস। আর শোয়ার সময় এক একটি করে অর্থাৎ প্রথমে সূরা ইখলাস একবার এরপর সূরা ফালাক্ব একবার, সূরা নাস একবার, এভাবে তিনবার পড়বে এবং প্রত্যেক বার সারা শরীরে দম করবে। শাইখুল হাদীস মুফতী মনসূরুল হক দামাত বারাকাতুহুম জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা সংগৃহিত ────⊱◈🌼◈⊰─────