1 071
Subscribers
-124 hours
No data7 days
-730 days
Posts Archive
কিন্তু যোগ্য রা এইসব এর সাথে দুর দূরান্তে সম্পর্কযুক্ত নয় ২০১৮ থেকে ২০২৪ এপ্রিল ছয় বছর চাকরিতে তাদের বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র অভিযোগ নেই। কোনদিন থাকবেও না। খারাপ লাগে যোগ্য শিক্ষাকর্মী রা স্কুল যেতে পারছেন না এবং জানুয়ারি মাস থেকে যোগ্য শিক্ষকরা হয়তো যাবেন না।
®️®️®️®️💬💬💬💬
এবার আসি মুখ্য বিষয়ে। শিক্ষক নামটা শুনলেই ছোটবেলা থেকেই একটা সম্মান মনের মধ্যে কাজ করতো। শিক্ষকরা নাকি জাতির মেরুদন্ড। কিন্তু আমাদের রাজ্যে এত বড় অন্যায় যোগ্য শিক্ষকদের সাথে হচ্ছে তাতে রাজ্যেরই স্কুলগুলোর দেড় লক্ষ্য শিক্ষক তাদের পাশে নেই। বরং আমাদের কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকারা আমাদের প্রতি অনেক বেশি সহমর্মীতা দেখিয়েছেন। একটা দিনের জন্য রাজ্যের স্কুল শিক্ষকরা এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ করেননি স্বতঃস্ফূর্তভাবে। এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার একটা মিথ্যে বুলি আউড়েছেন " যোগ্যদের মধ্যে অযোগ্য আছে কিনা আমরা বলতে পারব না , থাকতেও পারে " , সেইটাকে পাথেয় করে উনারা খোসগল্পে মেতে রয়েছেন । কোন কোন স্কুলে চাকরি বাতিলের আনন্দে কেক কাটা হয়েছে। এসএসসি মারফত এইসব ফালতু কথাবার্তা অযোগ্যদের বাঁচানোর জন্য বারবার বলা হয়, সবটা সবাই বুঝতে পারছে তাও টিচাররা ইচ্ছাকৃতভাবে উনাদের কলিগদের পাশে দাঁড়াননি । উনারা এসএসসি কে ভৎসনা করছেন কিন্তু আবার এসএসসির কথাকেই বিশ্বাস করছেন। সরকার বিরোধী বিশেষ করে বামপন্থী মানসিকতার আইনজীবীরা হয়তো অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ছেন তার জন্য সাধুবাদ কিন্তু মানুষকে মিথ্যা কথা বলে ভুল পথে চালিত করছেন । আপার প্রাইমারি এবং প্রাইমারিতে কি হারে দুর্নীতি হয়েছে আপনারাও জানেন সবাই জানে। সেখানেও ২০১৬ এসএসসির গ্রুপ সিডির মত হয়েছে পার্সেন্টেজ। কিছুই তো করতে পারলেন না সেখানে। ২০১৬ এসএসসির ক্ষেত্রে সিবিআই যেখানে যোগ্য অযোগ্য আলাদা করে দিয়েছে সেখানে অযোগ্যদের বিরুদ্ধে অবশ্যই কথা বলুন কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে আপনারা যেভাবে যোগ্যদের পাশে দাঁড়ালেন না এই বাংলা চিরকাল এ কথাগুলো মাথায় রাখবে। দুর্নীতি প্রতিবাদ করতে হলেও মিথ্যা কথা বলা যায় না । আপনারা সবাই জানেন ৫৩০৩ জন অযোগ্য❌ আর বাকি ১৮৭৯৭ জন যোগ্য ✅। নতুন পরীক্ষার্থী যারা তারা ইয়ং জেনারেশন আমরাই তাদের পড়িয়েছি, তাদের মধ্যে অনেকেই যোগ্যদের সাথে রয়েছে কিন্তু অনেকের মধ্যেই এই মানসিকতা ২০১৬ দের ১৮০০০ সিট রয়েছে সেটা দখল করব। SSC যে দশ বছরে মাত্র ১৭ হাজার নতুন সিট এড করলো এবং কোন রোস্টার পয়েন্ট মেন্টেন হলো না সেটা নিয়ে ভাবিতো নয় । এক্সপেরিয়েন্স মার্ক যেটা আগেও এসএসসি দিয়েছে এবং ২০১৬ এর ভেকেন্সি নিয়ে খোঁচা দেওয়া। 🌈২০১৬ রি-এক্সাম ২০১৬ নিয়মে এবং ২০১৬ এর ডিক্লেয়ার্ড ভ্যাকেন্সিতে যদি না হয় তাহলে সেটা ক্যানসেল হতে বাধ্য যদি সংবিধান বলে কিছু থাকে 🌈 । সবচেয়ে খারাপ লাগলো সেই শিক্ষক সমাজের আসল রূপটা দেখে যারা নাকি জাতির মেরুদন্ড তাদের একটা বিরাট অংশ সহানুভূতিশীল নয় বরং স্বার্থপর। এত বড় প্রতিবাদ করার সুযোগ থাকলেও তারা সবটা চোখের সামনে হতে দেখলো। যে 2016 যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকারা বিগত সাত বছর ধরে স্কুলগুলোতে তারুণ্যের ছোঁয়া লাগালো তাদের সমস্যা থেকে বের করার কোন চেষ্টায় আপনারা করলেন না। অন্যান্য প্রফেশনের লোকজন এমন হয় বলে আমার জানা নেই। আপনাদেরকে ধিক্কার। বাঙালি কে আপনারা স্বার্থপর হতে শেখালেন।
লেখক-একজন গর্বিত ২০১৬ এসএসসি যোগ্য শিক্ষক
আমরা কি আদৌ শিক্ষক ❓প্রশ্নটা কাদের উদ্দেশ্যে সেটা শেষে রয়েছে।
১৮০৩ জন অযোগ্য দাগি শিক্ষক❌ এবং ৩৫০০ জন অযোগ্য দাগি শিক্ষাকর্মী❌ এদের লিস্ট ২০২২ থেকেই SSC এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এর ওয়েবসাইটে আছে🖥️🖱️ । ইভেন এখনও ওয়েবসাইটে রয়েছে ২০২২ ,২৩ এর তথ্য গুলো। সমস্ত মিডিয়া তখনও লিস্ট দেখিয়েছে এনারা ২০২৩ সালে একবার বাদ যান চাকরি থেকে । সুপ্রীম কোর্টে রাজ্য সরকার স্টে নিয়ে আসে। একমাত্র তদন্তকারি সিবিআই ২০২২ সালে সমস্ত ২২ লক্ষ পরীক্ষার্থীর🤵(টিচার ৩ লক্ষ🧑🔬 গ্রুপ সিডি ১৯ লক্ষ🧑🏭) OMR ও যাবতীয় তথ্য তিন বার চেক করে সম্পূর্ণ স্পষ্ট পরিস্কার পরিচ্ছন্ন লিস্ট দেয় । জাস্টিস অভিজিৎ গাঙ্গুলি এদের সরিয়ে ওয়েটিং দের চাকরি দিতে বলেন । বাকী ১৫৪০৩ জন টিচার💚✅🔥এবং ৩৩৯৪ জন গ্রুপ সিডি💚✅🔥এর বিরুদ্ধে সিবিআই কোন অভিযোগ করেনি । তাদের প্রত্যেকেরই সিবিআই উদ্ধারকৃত OMR প্রাপ্ত নম্বর এবং পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর ম্যাচ । এগুলো অরিজিনাল OMR বা তার মিরর ইমেজ নয়। সবটাই স্ক্যানিং কোম্পানির গাজিয়াবাদ থেকে পাওয়া হার্ডডিক্স এর থেকে উদ্ধার করা। কিন্তু হ্যাচ ভ্যালু মেটা ডাটা সিরিয়াল নম্বার থেকে পরিস্কার সমস্ত OMR অরিজিনাল। স্পষ্ট সুন্দর যোগ্য অযোগ্য পৃথকীকরণ। সেইজন্য হাইকোর্ট সুস্পষ্ট রায় দেই। কাজেই ওই একই অযোগ্য লিস্ট নিয়ে মাতামাতি করার কিছু নেই । এই লিস্ট তিন বছর ধরে সবাই জানে ।
✓যোগ্য টিচার ১৫৪০৩💚
✓যোগ্য গ্রুপ সিডি ৩৩৯৪💚
✓মোট যোগ্য ১৮৭৯৭💚
×অযোগ্য টিচার ১৮০৩❌
×অযোগ্য গ্রুপ সিডি ৩৫০❌
×মোট অযোগ্য ৫৩০৩❌
🔷 অযোগ্য শিক্ষক ১০ %
🔷 অযোগ্য শিক্ষাকর্মী ৫০%
২০১৬ মোট পরীক্ষার্থী - ৩ লক্ষ টিচার প্রার্থী+ ১৯ লক্ষ গ্রুপ সিডি= ২২ লক্ষ
▶️চোর বদমাইস দুর্নীতিবাজ মিথ্যেবাদী কমিশন নিজেরা কোনো তদন্ত না করে কোন তদন্তকারি সংস্থা না হয়ে জিনিসগুলো কে তাল পাকিয়ে অযোগ্য রক্ষা করতে গিয়ে দুই বছর ধরে অনেক ফন্দি ফিকির করে অযোগ্য দের চাকরি বাঁচাতে না পারলেও নির্দোষ সবাইকে ডুবিয়েছে।
▶️অযোগ্য সুপ্রীম কোর্ট , সিবিআই সবকিছু পরিস্কার করে বলা সত্ত্বেও যেহেতু SSC আর্টিকেল ১২ কনস্টিটিউশনাল বডি তাদের মিথ্যে বাণী শুনেছে তাদের কাছে সার্টিফাইড লিস্ট চেয়েছে বারংবার। সন্তানপ্রিয় অযোগ্যরা মন খারাপ করবে বলে এসএসসি যোগ্যদের সার্টিফাইড লিস্ট দেইনি। মাত্র ৫ মিনিটের কাজ। অরিজিনাল মিরর ইমেজ নেই এবং পরীক্ষায় ভুল ত্রুটি হয়েছে বাকি পরীক্ষার্থীদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন সেইসব বলে প্যানেল ক্যানসেল করল কোর্ট । কমিশনের মিথ্যে কথার জন্য যোগ্যদের বলি দিল কোর্ট এদিকে কোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত হয়েছিল । সিবিআই কি বলল সেটা আর গুরুত্ব পেলনা ।
💲💲💲💲💲💲💲💲💲💲💲💲 প্রশ্ন।
১)যোগ্যরা কাউকে বঞ্চিত করলো না শুধুমাত্র নিজের জায়গাটা নিল তাহলে পৃথকীকরণের পরে কি করে এই জাজমেন্ট সম্ভব⁉️⁉️
২)যদি সিবিআই তথ্যকে মেনে অযোগ্য বলা হয় তাহলে সেই OMR তথ্য যোগ্যদের স্বপক্ষে হওয়া সত্বেও গোটা প্যানেল ক্যানসেল কেন হবে⁉️⁉️ অদ্ভুত ।
৩)নির্দোষ এবং দোষীদের জন্য একই রায়। আল্টিমেটলি লেবার ল অনুযায়ী কাউকে বেতন ফেরত দিতে হবে না এবং ৩৫-৪০-৪৫-৫০ বছর বয়সে এসে কোন কোন পরীক্ষায় এপ্লাই করবে যোগ্য শিক্ষকরা⁉️⁉️
৪)মাত্র একটা পরীক্ষার সুযোগ দিয়ে কি হবে!!!!!!!! তাও বেআইনি পরীক্ষা বিন্দুমাত্র বেনিফিট নেই এক্সপেরিয়েন্স মার্ক নিয়ে যাদের চাকরি যায়নি তেমন ২৫ হাজার শিক্ষক এপ্লাই করেছেন। ২০১৬ রুলস চেঞ্জ হয়ে গেল যা অসাংবিধানিক । যদি রি-এক্সম করতেই হত তাহলে সেটা ২০১৬ রুলস এর ২০১৬ ভ্যাকেন্সিতে হতো। রুলস এবং ভ্যাকেন্সিতে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন করা যাবে না একদম কপি পেস্ট হবে। অটোমেটিক্যালি ২০১৬ ক্যান্ডিডেট ছাড়া আর কেউ বসতেই পারবে না⁉️⁉️
৫)যোগ্য শিক্ষকরা তাদের ক্যারিয়ারে একাধিক চাকরি ছেড়েছে একাধিক অপরচুনিটি ছেড়েই চাকরিটা করছিল সেই অপর্চুনিটি গুলো কি হবে????? আগামী ১০ বছর যোগ্যদের ভারতের সমস্ত পরীক্ষায় এপ্লাই করতে দেবে কি???????সংবিধান বিরোধী রায়। ওয়েটিং বাদে যারা ২০১৬ পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি তারা নিশ্চয়ই অন্য কিছু করেছে দশ বছর অতিক্রান্ত। আজকে বিনা দোষে যোগ্যদের চাকরি কেড়ে যোগ্যদেরই সবচেয়ে বড় বঞ্চিত করা হলো আর্টিকেল ১৪-১৬ যোগ্যরা ক্ষতিগ্রস্ত হলো সবচেয়ে বেশি⁉️⁉️
৬)এসএসসি ১৭ নম্বর পয়েন্ট বলছে জালিয়াতি ছাড়া কাউকে বাতিল করা যায় না। জাস্টিস গাঙ্গুলী সঠিক জাজমেন্ট করেছিলেন। ওই অনুযায়ী যোগ্য বঞ্চিত ওয়েটিংরা অযোগ্যদের জায়গা দখল করত⁉️⁉️
লিখিত পরীক্ষা এবং ইন্টারভিউ হয়ে যাওয়ার পরে চার প্রকার দূর্নীতি হয়েছে এবং সেটা করতে গিয়ে ১৭ প্রকার ত্রুটি হয়েছে।
✓লিখত পরীক্ষার নম্বর সাদা খাতা বাড়িয়ে ৫৩
✓ রাঙ্ক জাম্প
✓আউট অফ প্যানেলে রেকমেন্ড না পেয়ে এপয়েন্টমেন্ট পেয়েছে
✓ এক্সেস অ্যাপয়েন্টমেন্ট হয়েছে
💥BIG BREAKING
🪀শিক্ষকতার চাকরি বাঁচতে এবার সবাইকেই টেট উত্তীর্ণ হতে হবে ।
🪀টেট নিয়ে সুপ্রিম নির্দেশ:-
📌 শিক্ষার অধিকার আইনের ধারা ২(এন)-এ সংজ্ঞায়িত সকল স্কুলে টেট উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক। তবে ধর্মীয় ও ভাষাগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত স্কুলগুলো এই নিয়মের বাইরে থাকবে।
📌শিক্ষার অধিকার আইন কার্যকর হওয়ার আগেই চাকরিতে যোগ দিয়েছেন এবং বর্তমানে ইন-সার্ভিস শিক্ষক/শিক্ষিকা যাঁদের অবসর নিতে পাঁচ বছরেরও কম সময় বাকি আছে —
☞তাঁরা টেট উত্তীর্ণ না হলেও অবসর গ্রহণ পর্যন্ত পরিষেবায় বহাল থাকতে পারবেন।
☞তবে তাঁরা টেট উত্তীর্ণ না হলে পদোন্নতির যোগ্য হবেন না।
📌 শিক্ষার অধিকার আইন কার্যকর হওয়ার আগেই চাকরিতে যোগ দিয়েছেন এবং বর্তমানে ইন-সার্ভিস শিক্ষক/শিক্ষিকা যাঁদের অবসর পর্যন্ত পাঁচ বছরের বেশি সময় বাকি আছে —
☞চাকরিতে বহাল থাকতে হলে আগামী দুই বছরের মধ্যে টেট উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক।
☞ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টেট উত্তীর্ণ না হলে তাঁদের চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসর নিতে হবে।
☞তাঁরা অবসরকালীন যাবতীয় সুবিধা পাবেন, তবে শর্ত হলো ন্যূনতম যোগ্য চাকরির মেয়াদ পূর্ণ থাকতে হবে।
☞যদি চাকরির মেয়াদ কম(অবসরকালীন সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে) থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর তাঁদের আবেদন বিবেচনা করতে পারবেন।
📌 যেসব শিক্ষক/শিক্ষিকা শিক্ষার অধিকার আইন কার্যকর হওয়ার পরে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও টেট উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক। এ বিষয়ে কোনও রেয়াত প্রযোজ্য নয়।
📌উপরোক্ত আলোচনার আলোকে আবারও স্পষ্ট করা হলো যে, যারা নতুন নিয়োগের প্রত্যাশী কিংবা ইন-সার্ভিস শিক্ষক হয়ে পদোন্নতির প্রত্যাশী, তাঁদের টেট উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক। অন্যথায় তাঁদের প্রার্থিতা বিবেচনার কোনও অধিকার থাকবে না।
📌৫. উপরোক্ত নির্দেশাবলী অনুসারে পূর্ববর্তী সমস্ত রায়/আদেশ আংশিকভাবে সংশোধিত হলো।
বলছি যাদের রিটায়ারমেন্ট হয়েগেছে তারা যদি পরীক্ষায় বসে এবং পাস করে তাদের কি আবার পুনরায় চাকরি দেওয়া হবে 😀😀😀😀
Big Breaking News
🌻🌻🌻🌻🌻🌻🌻🌻🌻
অবশেষে রাজ্যের হাই স্কুল গুলো তে গ্রুপ C ও গ্রুপ D কর্মী নিয়োগের সংক্ষিপ্ত নোটিশ প্রকাশ হল।
👉গ্রুপ সি (ক্লার্ক) এর ক্ষেত্রে মোট শূন্যপদ ২,৯৮৯
👉গ্রুপ ডি মোট শূন্যপদ ৫,৪৮৮
👉 আগামী ১৬/০৯/২৫ থেকে ৩১/১০/২৫ পর্যন্ত অনলাইন আবেদন করতে পারবেন।
👉 ৩১.০৮.২৫ এই বিষয়ে বিস্তারিত নোটিশ দেবে স্কুল সার্ভিস কমিশন ।
Available now! Telegram Research 2025 — the year's key insights 
