অন্য দৃষ্টি
গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের ফেসবুক আইডির পোস্টগুলো আপডেট আসবে অটোমেটিক এবং শেয়ার করা হবে বিভিন্ন বিশ্লেষণমূলক লেখা।
Show more📈 Analytical overview of Telegram channel অন্য দৃষ্টি
Channel অন্য দৃষ্টি (@onnodristy) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 13 215 subscribers, ranking 15 328 in the News & Media category and 1 767 in the Bangladesh region.
📊 Audience metrics and dynamics
Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 13 215 subscribers.
According to the latest data from 08 September, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by -273 over the last 30 days and by -9 over the last 24 hours, overall reach remains high.
- Verification status: Not verified
- Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 1.78%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 1.20% reactions from the total number of subscribers.
- Post reach: On average, each post receives 235 views. Within the first day, a publication typically gains 158 views.
- Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 1.
📝 Description and content policy
The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
“গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের ফেসবুক আইডির পোস্টগুলো আপডেট আসবে অটোমেটিক এবং শেয়ার করা হবে বিভিন্ন বিশ্লেষণমূলক লেখা।”
Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 09 September, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the News & Media category.
Data loading in progress...
| Date | Subscriber Growth | Mentions | Channels | |
| 09 September | 0 | |||
| 08 September | +1 | |||
| 07 September | 0 | |||
| 06 September | +2 | |||
| 05 September | +1 | |||
| 04 September | +1 | |||
| 03 September | 0 | |||
| 02 September | +3 | |||
| 01 September | 0 |
| 2 | 📘 Imrul Hasan
আলস্য
কতগুলা সেজদা জমে যাচ্ছে
কত বর্ষাকাল—শুকনা চোখের ভিতরে পাথর
কারা যেন ঘোড়ায় চড়ে আসে
আর সারা গায়ে ছিটায়ে যায়
লবণের দ্রবণের মতো ঘুম
রাশি রাশি না পড়া বইয়ের মাঝখানে ঘুমাচ্ছি
বন্ধুরা খুঁজতেছে, পাচ্ছে না আমাকে
(অক্টোবর ২০২৩)
...
সন্ধান
একই লুপের ভিতর কয়েকশো চক্কর দিই
কখনও ঘুমের ঘোর, কোনো বেলা তৎপর
এমনই স্বভাবজাত তোমাকে খুঁজি
যেন সব দৃশ্য, শব্দের পাশে
নিজেকে লুকায়ে রেখে তুমি
আমার তামাশা দেখে ব্যাঙ্গ করতেছ
জ্যামিতির মাপে আঁকা গোল, তার রেখা
ধরে ধরে হেঁটে যাওয়া শরীর না-দেখা
তার সীমানা সমান আমার এই দিল
বলি তুমি তার বিন্দু হও
একই লুপের ভিতর কয়েকশো চক্কর দিই
আমার এই ঘুরতে থাকায় তোমার যে কী আনন্দ!
(এপ্রিল ২০২৬) | 52 |
| 3 | 📘 Sharif Muhammad
আব্বাসিয়া মাদরাসায় দান করুন, নির্মাণে শরিক হোন। | 34 |
| 4 | 📘 Rajib Ahamod
খবরটিতে বলা হয়েছে, নিজের অবর্তমানে শেখ সেলিম আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন বলে শেখ হাসিনা যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে অন্য নেতাদের হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। শেখ সেলিমকে ঠেকাতে সোমবার রাতে তাঁরা কলকাতায় শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলালের বাসায় বৈঠক করেছেন।
বৈঠকে জাহাঙ্গীর কবির নানক, আসাদুজ্জামান খান কামাল, বাহাউদ্দিন নাছিম, মির্জা আজমসহ ৮-১০ জন নেতা ছিলেন। তাঁরা বৈঠকে বলেন, “সাংগঠনিকভাবে আওয়ামী লীগকে তো তিনি (শেখ সেলিম) নষ্ট করেছেন। নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেছে– তা কেউ দেখেনি। ১৫ বছরে তদবির ছাড়া দলীয় কাজে উনাকে পাওয়া যায়নি।”
ওই নেতা শেখ হেলালকে বলেন, “সেলিম ভাই তো কখনোই দলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখেননি, তাহলে উনাকে কেন সভাপতির দায়িত্ব দিতে হবে? এটা আমরা মানলেও কেউ মানবে না। আপনি আপাকে বিষয়টা ভালো করে বোঝাতে পারবেন, আমরা আশা করি আপনি এখন এই বিষয়ে আপার (শেখ হাসিনা) সাথে কথা বলবেন। উনি (শেখ সেলিম) ছাড়া কি আর কেউ নাই?”
আরেকজন নেতা বিডিনিউজকে বলেছেন, শেখ হেলালের বাসায় জমায়েত মূলত ছিল জাহাঙ্গীর কবির নানককে ‘বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে তুলে ধরা। | 38 |
| 5 | 📘 মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা
সামি হামদি: শরণার্থীরা কখনও বোঝা না। তাদেরকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে তারা হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় সম্পদ। উদাহরণ: তুরস্কের শরণার্থীরা।
বাংলাদেশে যে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা সম্পদ হয়ে উঠতে পারেনি, বরং বোঝা হয়ে উঠেছে, তার একটা কারণ বাংলাদেশ তাদেরকে ঠিকমতো ব্যবহার করেনি।
বাংলাদেশ যে রোহিঙ্গাদেরকে প্রথমেই আশ্রয় দিয়েছিল, যদিও সেটা অত্যন্ত মহৎ কাজ ছিল, কিন্তু তার পেছনে একটা উদ্দেশ্য হয়তো ছিল নোবেল পুরস্কার বাগানো।
এবং যখনই এই ধরনের কাজের পেছনে স্ট্র্যাটেজিক কোনো ভিশন থাকে না, শুধুমাত্র নোবেলের মতো ব্যক্তিগত অর্জন যখন প্রধান উদ্দেশ্য হয়, তখন সেটা ব্যর্থ হয়।
যেরকম ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাযা বোর্ড অব পিস ব্যর্থ হচ্ছে। কারণ এর পেছনেও সিরিয়াস কোনো উদ্যোগ নাই। আছে শুধু ট্রাম্পের নোবেল পুরস্কারের লোভ। | 39 |
| 6 | 📘 The Dissent | Dhaka
শিল্পী রানী স্বামী রবিন্দ্র লাল সুশীল দ্য ডিসেন্টকে জানান, “ছেলে ছাত্রলীগ করার কারণে হত্যাকান্ডের দাবি সত্য নয়। আশা করি প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিচার করবেন।”
স্থানীয় হিন্দু নেতা শান্তি নন্দী বলেন, রবি সওদাগরের পরিবার এলাকায় শান্ত ও সামাজিক পরিবার হিসেবে পরিচিত। তাদের সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ নেই। রবি ও শিল্পী দম্পতির সন্তানরা পড়াশোনার কারণে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় থাকেন। নিজ বাড়িতে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
বিস্তারিত দেখুন কমেন্টে। | 49 |
| 7 | 📘 Mirza Galib
আওয়ামীলীগের মধ্যে যারা অপরাধী, বিগত সময়ে গুম-খুনের সাথে জড়িত ছিল, তাদের এবং দল হিসেবে আওয়ামীলীগের বিচার যদি আমরা আগামী কয়েক বছরে শেষ করতে না পারি—তাহলে জাতি হিসেবে এক সময় আমাদের কাফফারা দিতে হবে। এবং সেই কাফফারা অনেক বড় হবে।
সরকারের উচিত এই বিচার প্রক্রিয়া তত্ত্বাবধান করার জন্য একটি সর্বদলীয় সংসদীয় কমিটি করা। এই কমিটি বিচার প্রক্রিয়া তত্ত্বাবধান করবে এবং প্রতি মাসে একবার সংবাদ সম্মেলন করে জাতিকে বিচার প্রক্রিয়ার আপডেট জানাবে। | 120 |
| 8 | 📘 Imrul Hasan
বদরুদ্দীন উমর'রে যখন পড়বেন, তখন দেখবেন উনার ইতিহাস বর্ননায় ঘটনাগুলা খুব লিনিয়ার এবং ইন্টার-কানেক্টিভিটি খুবই মিসিং!
/২০২৫ | 118 |
| 9 | 📘 Sharif Muhammad
এই লোককে কি গ্রেফতার করা হয়েছে?
মূলধারার মিডিয়াগুলো গুরুত্ব দিয়ে এই নিউজ প্রকাশ করেছে? এদিকেও তো খেয়াল করা দরকার।
কোনো গ্রুপ, বলয়, শ্রেণী, প্রতিষ্ঠান কিংবা এম্বাসিকে ভয় পেয়ে এই নিউজ এবং এই অভিযুক্তকে নিয়ে করনীয় বিষয়ে খামখেয়ালি দেখতে চাই না। যথাযথ ব্যবস্থা নিন।
. | 120 |
| 10 | No text... | 101 |
| 11 | 📘 Rajib Ahamod
ভয়াবহ ঘটনা। অন্য কারো সম্পর্ক রয়েছে সন্দেহে স্ত্রীকে বিছানায় শিকল দিয়ে বেল্ট দিয়ে বেঁধে মেরেছে সোহেল নামের এই অমানুষটা। সেটার আবার ভিডিও করেছে। পাশের ঘরে তখন শিশু সন্তানরা কাঁদছিল। নিহত মাওয়া তখন বলছিল, 'মারবা ঠিক আছে, শুধু দুই বাচ্চারে ঘুম পাড়িয়ে আসি'।
কিন্তু সোহেল নামক পিশাচটা বউকে ছাড়েনি। মেয়েটা তখনও বলছিল, সে স্বামীকে ভালোবাসে।
সোহেল টাইপের লোকগুলো ঘরের বাইরে গিয়ে মেয়ে দেখলে ছোঁকছোঁক করে। আর ঘরে ফিরে বউকে সন্দেহ করে। শিক্ষিত ভদ্রলোকেও কাজটা করে। | 61 |
| 12 | 'শুধু রিটেনটা পাশ কর, ভাইবা আমরা দেখবো।'
সরকারি কর্মচারী নিয়োগে গ্রেড ১১–২০-এর ক্ষেত্রে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি গ্রহণযোগ্য নয়।
এটি একটি চরম আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। ভাইভার নম্বর বাড়িয়ে বিএনপি সরকার সরকারি চাকরির নিয়োগে আবারও লবিং, স্বজনপ্রীতি, ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও রাজনৈতিক প্রভাবের সুযোগ বাড়িয়ে দিচ্ছে। যে জায়গায় দীর্ঘদিনের দাবি ছিল লিখিত পরীক্ষায় মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন বাড়িয়ে ভাইভার প্রভাব কমানো, সেখানে তারা ঠিক তার উল্টো পথে হাঁটছে। এর ফলে মেধাবী প্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং পুরো নিয়োগব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
লিখিত পরীক্ষায় একজন প্রার্থী ভালো করেও যদি ভাইভায় লবিং, মামা-খালু বা টাকার জোরে পিছিয়ে যায়, তাহলে মেধাভিত্তিক নিয়োগের আর অর্থ কী?
সরকারি চাকরি কোনো দলের লোক নিয়োগের জায়গা নয়। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাব কমানোর বদলে যদি পুরোনো সেই পথ আবার খুলে দেওয়া হয়, তাহলে এর চেয়ে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত আর কী হতে পারে!
প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় গ্রেড ১১–১২-তে লিখিত ১০০-এর বিপরীতে ভাইভা ৫০, গ্রেড ১৩–১৬-তে ৪০ এবং গ্রেড ১৭–২০-তে ২৫ নম্বর। অর্থাৎ লিখিত পরীক্ষায় একজন প্রার্থী কতটা ভালো করেছেন, তার ফলাফলকে interview board-এর subjective assessment দিয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
এখানেই আপত্তি।
লিখিত পরীক্ষা তুলনামূলকভাবে objective। সবাই একই প্রশ্নে, একই সময়ে পরীক্ষা দেন। কিন্তু ভাইভা অনেক বেশি subjective। ফলে ভাইভার নম্বর যত বাড়বে, interview board-এর discretionary power তত বাড়বে। আর এই discretion-এর জায়গায় transparency ও accountability দুর্বল হলে পক্ষপাত, পরিচিতি এবং রাজনৈতিক বিবেচনার সুযোগও বাড়বে।
আর গ্রেড ১১–২০-এর কর্মচারীরা মূলত street-level bureaucrat—সরাসরি জনগণের service provider। সাধারণ মানুষ সরকারি সেবা নিতে গেলে তাদের মাধ্যমেই সবচেয়ে বেশি সেবা নিতে হয়। তাই এই পর্যায়ের নিয়োগে partisan consideration ঢোকার সুযোগ তৈরি করা কোনোভাবেই ছোট বিষয় নয়।
কারণ মনে রাখা দরকার, এই পর্যায়ের সরকারি কর্মচারীরা যদি দলীয় বিবেচনায় কাজ করে, তাতে জনগণ যে শুধু সেবা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে তাই নয়, বরং ব্যাপক জনঅসন্তোষ তৈরি হবার সম্ভাবনা থাকে। street level bureaucrat রা যদি fair এবং জনগণের সেবক না হন, তাহলে সরকার যে সেবাই চালু করুক, হোক তা ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষক কার্ড, তা কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলের লোকজনের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।
সরকারি চাকরি কোনো দলের লোক নিয়োগের জায়গা নয়। একজন মানুষকে রাষ্ট্রের হয়ে জনগণকে সেবা করার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। নিয়োগের সময় যদি রাজনৈতিক আনুগত্য, ব্যক্তিগত পরিচয় বা পক্ষপাতের প্রভাব রাখার সুযোগ তৈরি হয়, তাহলে সেই কর্মকর্তা ভবিষ্যতে কতটা নিরপেক্ষভাবে জনগণকে সেবা দেবেন—সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।
আমরা ভাইভা বাতিলের কথা বলছি না। বরং ভাইভাকে আরও structured, transparent এবং accountable করতে হবে। কিন্তু লিখিত পরীক্ষায় অর্জিত মেধাক্রমকে বড় ধরনের subjective নম্বর দিয়ে উল্টে দেওয়ার সুযোগ রাখা উচিত নয়।
আমাদের অবস্থান পরিষ্কার—ভাইভা থাকুক, কিন্তু নির্দিষ্ট Rubrics মেনে। Subjective assessment থাকুক, কিন্তু নির্দিষ্ট criteria-এর মধ্যে। Interview board থাকুক, কিন্তু unchecked discretion নয়।
আর সরকারি নিয়োগে রাজনৈতিক পরিচয় নয়, মেধা ও যোগ্যতাই হোক একমাত্র ভিত্তি।
সরকার যদি সত্যিই নিরপেক্ষ ও জনবান্ধব প্রশাসন চায়, তাহলে নিয়োগে discretionary power বাড়ানোর পরিবর্তে transparency, accountability এবং merit-based recruitment শক্তিশালী করা উচিত।
আমাদের আপত্তি ভাইভায় নয়; আপত্তি এমন একটি ব্যবস্থায়, যেখানে ভাইভার subjective নম্বর দিয়ে objective merit-কে পরাজিত করার সুযোগ তৈরি হয়।
আমরা দিনশেষে সেই বাংলাদেশে ফিরতে চাইনা যেখানে সরকার দলীয় নেতা ঘোষণা করার ক্ষমতা পায় যে, 'তোরা রিটেনটা পাশ কর, ভাইবা আমরা দেখবো।' | 76 |
| 13 | No text... | 65 |
| 14 | 📘 The Dissent | Dhaka
বাংলাদেশের ইসলামি বক্তা মাওলানা জয়নাল আবেদীন আল কাদেরী একটি আলোচনায় ওয়াই-ফাই ও মোবাইল নেটওয়ার্কের রেডিয়েশন নিয়ে তিনি তিনটি দাবি করেন।
তবে এসব দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বিস্তারিত দেখুন কমেন্টে। | 104 |
| 15 | 📘 Mirza Galib
আওয়ামী সন্ত্রাসীরা মনে করতেছে যে আরও বেশি সন্ত্রাস করলে তারা ফিরতে পারবে। সন্ত্রাস করার কারণেই যে তারা নাই হয়ে গেছে—এই আত্মোপলব্ধিটুকুও তাদের নাই।
এইসব সন্ত্রাসী কাজকর্মের মধ্য দিয়ে তারা বারবার প্রমাণ করতেছে যে, আওয়ামী লীগ মূলত কোনো রাজনৈতিক দল না, এইটা একটা সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক। এবং এর নিষিদ্ধ থাকাই সঠিক নিয়তি। | 173 |
| 16 | 📘 Imrul Hasan
যারা আওমি-লিগের বিচারের কথা না বইলা রিকন্সিলিয়েশনের কথা কয়, তারা আওমি-লিগেরই বি-টিম! | 169 |
| 17 | 📘 মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা
একজনে বলল, "বাঁধনের উপর যে হামলা হইছে, এর মূল দায় তো আপনাদের"।
আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম - এইগুলি কী বলে? আমি আবার কবে কী করলাম?
পরে ব্যাখ্যা করল, "আপনাদের" বলতে সে আসলে লিবিয়ানদের বুঝাইছে। দায়টা লিবিয়ান সরকারের। ওরা এইসব ইতরকে লিবিয়া হয়ে ইতালিতে যেতে দিছে বলেই আজকে এই ঘটনা ঘটছে :/ | 167 |
| 18 | 📘 Rajib Ahamod
সূত্রের বরাতে আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, ভারতীয় প্রতিনিধি দল গত মাসে বাংলাদেশকে জানিয়েছে, শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে না দিল্লী। তবে তিনি যদি নিজেই বাংলাদেশে ফেরেন, তবে তাঁর সঙ্গে অসম্মানজনক আচরণ করা উচিত হবে না। জেলে পাঠালে নিরাপত্তায় বিশেষ নজর দেওয়া উচিত হবে।
খবরটা দেখলাম শেখ হাসিনা সমর্থকদের অনেকে ফেসবুকে দিচ্ছেন। কিন্তু আমার কাছে তো এটা ভানু ব্যানার্জির উকিল ও আসামির কমেডির মত লাগছে। যেখানে উকিল ভানু আসামি খোকনের পরিবারকে বারবার আশ্বাস দেন কিছুই হবে না। খালাস করিয়ে আনবেনই। কিন্তু যখন খোকনের ফাঁসি আদেশ হয়ে যায়; তখন ভানু বলেন, "আরে ঝুইল্লা পড়। কিছুই হবে না। আমি তো আছি"।
আনন্দবাজারের খবর যদি সত্য (সম্ভাবনা কম) হয়, তাহলে ঘটনা তেমনই। যেখানে ভারত বলছে, শেখ হাসিনা ফিরলে তোমাদের ইচ্ছা হলে জেলে দিয়ো, তবে বাপু নিরাপত্তা দিয়ো।
জেলই সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা, এই পরামর্শই বোধহয় দিচ্ছে ভারত। হিউমার আছে মানতে হবে। | 162 |
| 19 | 📘 Ali Ahmad Mabrur
শুধু মেঘমল্লার নয়; উত্তর আধুনিকতার এই সময়ে প্রতিটি মানুষের জীবনের কোনো না কোনো সময়ে ব্যর্থতা, নৈরাশ্য বা হতাশা নেমে আসবেই। মানুষের জীবনে স্বস্তির একমাত্র আশ্রয় হলো দ্বীন বা ধর্মীয় জীবন ব্যবস্থা এবং আধ্যাত্মিকতা। জীবনের রুঢ় বাস্তবতা আধ্যাত্মিকতা কেড়ে নিতে চায়। কিন্তু বিশ্বাস করুন, ধর্ম না মানলে, একান্তে চোখের পানি ফেলার মতো একজন আল্লাহর সাথে সম্পর্ক না থাকলে এই সময়ে জীবন বয়ে নিয়ে যাওয়া সত্যিই কঠিন। | 112 |
| 20 | ইতিহাসের নিয়মগুলো কীভাবে কাজ করে
আল্লাহর যে সুন্নাহ বা নিয়মগুলো জাতি ও সভ্যতার উত্থান-পতনে কার্যকর হয়, সেগুলো কখনো একা কাজ করে না। একটি জাতির জীবনে একই সময়ে একাধিক সুন্নাহ কার্যকর থাকতে পারে। কোনো সুন্নাহ হয়তো তাকে পতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, আবার অন্য কোনো সুন্নাহ তাকে টিকিয়ে রাখছে। ফলে একটি জাতি কতদিন টিকে থাকবে, তা কোনো একটি নিয়মের ওপর নির্ভর করে না। বরং তার মধ্যে কোন কোন সুন্নাহ একসঙ্গে কাজ করছে এবং সেগুলোর প্রভাব কতটা প্রবল, তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে।
ধরা যাক, কোনো জাতির মধ্যে বিলাসিতা ও ভোগপ্রবণতা বেড়ে গেছে। এটি তাকে পতনের দিকে নিয়ে যেতে পারে। কিন্তু একই সঙ্গে যদি সেখানে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত থাকে এবং মানুষের অধিকার রক্ষা করা হয়, তাহলে ন্যায়বিচারের সুন্নাহ সেই পতনকে পিছিয়ে দিতে পারে। আবার কোনো জাতির মধ্যে নৈতিক অবক্ষয়, অশ্লীলতা ও পাপাচার ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু তারা যদি সামরিক শক্তি ধরে রাখে এবং বিপদ সম্পর্কে সতর্ক থাকে, তাহলে তাদের পতন বিলম্বিত হতে পারে। কোনো জাতির মধ্যে জুলুম ছড়িয়ে পড়লেও বিপুল জনসংখ্যা ও প্রচুর সম্পদ তাকে দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখতে পারে।
আবার এমনও হতে পারে, একটি জাতির মধ্যে দূর্বলতার অনেক কারণ বিদ্যমান আছে। কিন্তু তার আশপাশে এমন কোনো শক্তিশালী শত্রু নেই, যে তার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে আক্রমণ করবে। ফলে ভেতর থেকে দুর্বল হয়ে পড়লেও জাতিটি দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে।একই ঘটনা কোনো রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও ঘটতে পারে। দুই শক্তিশালী রাষ্ট্রের মাঝখানে থাকা কোনো দুর্বল রাষ্ট্র যদি উভয়ের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, তাহলে সেটি দুর্বল হয়েও দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে। তখন তার টিকে থাকার কারণ নিজের শক্তি নয়, বরং তার চারপাশে কাজ করা অন্য বাস্তবতা ও সুন্নাহ।
এভাবেই ইতিহাসের বিভিন্ন সুন্নাহ পরস্পরের সঙ্গে মিলেই কাজ করে। একটি জাতির উত্থান, শক্তি, দুর্বলতা ও পতনের পেছনে একই সময়ে একাধিক সুন্নাহ সক্রিয় থাকতে পারে। তাই ইতিহাস বুঝতে হলে কোনো জাতির একটি বৈশিষ্ট্য বা একটি কারণের দিকে তাকালেই হয় না। দেখতে হয়, তার মধ্যে একই সময়ে কোন কোন সুন্নাহ কাজ করছে এবং সেগুলো পরস্পরের ওপর কী প্রভাব ফেলছে।
(ইতিহাস কেন জরুরি) | 139 |
