en
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

Open in Telegram

Show more
The country is not specifiedThe category is not specified
1 221
Subscribers
+424 hours
+347 days
+4630 days
Posts Archive
দুআ এমন জিনিস, যদি আপনি দুনিয়াবী উদ্দেশ্যেও দুআ করেন—যেমন বললেন, হে আল্লাহ! আমাকে একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দিন। আমার রিযিকে বরকত দান করুন। আমাকে সমৃদ্ধ ও প্রশস্ত রিযিক দান করুন। আমাকে সুস্থতা দান করুন। আমার পরিবার পরিজনকে সুস্থতা দান করুন। এই সবগুলো দুনিয়াবী প্রয়োজন। এই দুনিয়াবী প্রয়োজন পূরণের দুআ করাও ইবাদত ও সাওয়াবের কাজ। ওই মহান দয়ালু রবের দরবার তো এমন যে, তিনি আমাদেরকে ডেকে বলেন—আসো, এবং আমার কাছে চাও। বান্দা যখন চাওয়ার জন্য তার দরবারে উপস্থিত হয়, তখন বলেন—তুমি যা-কিছু চাচ্ছ সেগুলো তো আমি তোমাকে পরে দেব। তার আগে তুমি যে আমার কাছে এসেছ এবং চেয়েছ, সেজন্য এখনই তোমার জন্য সাওয়াব ও নেকী লিখে দিচ্ছি। এমনকি তুমি যত চাইবে তত সাওয়াব ও নেকী দেব। এটা তোমার দুআ ও প্রার্থনার নগদ পুরস্কার। এমন উদার দয়ালু আর কে আছে, যিনি শুধু এতটুকুর জন্য পুরস্কার দেন যে, আপনি তার কাছে চাইতে গিয়েছেন! মূলত দুআর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার সাথে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং তার সাথে সম্পর্ক বাড়ে। অতএব দুআকে সাধারণ বিষয় মনে করবেন না। - মুফতী তাকী উসমানী হাফি. [কুরআনী দুআসমূহের ব্যাখ্যা : ১/৩৯, মাকতাবাতুল আশরাফ]

photo content

photo content

তিনটাই পছন্দের বই।
+1
তিনটাই পছন্দের বই।

এই বইয়ের তিনটা অনুবাদ আসতে চলেছে। মাকতাবাতুল আশরাফ, হেরা ও নাশাত থেকে... কিয়া বাত হে!
এই বইয়ের তিনটা অনুবাদ আসতে চলেছে। মাকতাবাতুল আশরাফ, হেরা ও নাশাত থেকে... কিয়া বাত হে!

আজকাল তো আমাদের তালিবে ইলম ভাইদের থেকে এ ধারণাও হারিয়ে যাচ্ছে যে, আদবও একটা শেখার বিষয়। অথচ সালাফে সালেহীনের অবস্থা ছিল, তাঁর
আজকাল তো আমাদের তালিবে ইলম ভাইদের থেকে এ ধারণাও হারিয়ে যাচ্ছে যে, আদবও একটা শেখার বিষয়। অথচ সালাফে সালেহীনের অবস্থা ছিল, তাঁরা ইলমের আগে আদব শিখতেন এবং শিখাতেন। ইমাম ইবনে সিরীন (রহ.) বলেন, তারা ইলম যেমন শিক্ষা করতেন তেমনি জীবনাচারও শিক্ষা করতেন। ইমাম মালেক (রহ.) বলেন, আমার আম্মা আমাকে পাগড়ি পরিয়ে ইমাম রাবিয়াতুর রায় (রহ.)-এর নিকট পাঠাতেন এবং বলতেন তাঁর ইলমের আগে তাঁর আদবগুলো শিখে নাও। ইমাম আবু হানীফা (রহ.)-এর ব্যাপারে এ কথা খুবই প্রসিদ্ধ যে, তাঁর চলাফেরা আগমন প্রস্থান সবকিছুইতে তার আকলের বহিঃপ্রকাশ ঘটত। [তালিবানে ইলম : পথ ও পাথেয়, ১৪১]

এ বছর বেশকিছু দারুণ বই আসবে মনে হচ্ছে। বেছে বেছে, নিজের জন্য জরুরি ও প্রয়োজনীয় বই সংগ্রহ করুন। ভালো ভালো বই ভালো করে বারবার প
এ বছর বেশকিছু দারুণ বই আসবে মনে হচ্ছে। বেছে বেছে, নিজের জন্য জরুরি ও প্রয়োজনীয় বই সংগ্রহ করুন। ভালো ভালো বই ভালো করে বারবার পড়ুন। যাকগে, টাকা জমান। বইটা অবশ্যই সংগ্রহ করুন। কালকে শর্ট পিডিএফ পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ। আপাতত চাইলে আপনি বইটার প্রচারে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

একটা সময় ছনের ঘর ছিল। তারপর এলো টিনের ঘর। এখন তো বিল্ডিং আর বিল্ডিং... তালেরতল গিয়েছিলাম এক ক্লাসমেটের জন্য পাত্রীর খোঁজখবর ন
একটা সময় ছনের ঘর ছিল। তারপর এলো টিনের ঘর। এখন তো বিল্ডিং আর বিল্ডিং... তালেরতল গিয়েছিলাম এক ক্লাসমেটের জন্য পাত্রীর খোঁজখবর নিতে। ১৯ সালের দিকে। পাত্র নিজেও ছিল। যেতে রাত প্রায় ৮/৯ টা। পাত্রীর বাড়ির একটু আগে এক ঘরের সামনে যেতেই বৃষ্টির হানা। যে ছেলেকে পাত্রীর বাড়ির রাস্তা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, সে-ই ওই পাশের বাড়ির ঘরে নিয়ে গেল বৃষ্টির কারণে। মাটি আর টিনের সংমিশ্রণ। বৃষ্টির টাপুরটুপুর। পাত্র নিজেই পাত্রীর ব্যাপারে ঘরওয়ালী থেকে তথ্য নিচ্ছিল। ঘরওয়ালী ভাবছিল পাত্র বোধহয় আমি। একসময় বৃষ্টি থামল। আমরা পাত্রীর বাড়ি দেখে চলে এলাম। পাশের বাড়ির ওরা কলা আর কী দিয়ে যেন আতিথেয়তা করেছিল ভুলে গেছি। তাদের সেদিনের আতিথেয়তায় যে আন্তরিকতা ছিল, এটা অনেক নিকটাত্মীয়ের বাড়িতেও আজ অনুপস্থিত। ছবির ঘরটা দেখার পর পুরোনো স্মৃতি...

কসদুস সাবীল পরকালের ভালোবাসা হায়াতুল মুসলিমীন জাযাউল আমাল
কসদুস সাবীল পরকালের ভালোবাসা হায়াতুল মুসলিমীন জাযাউল আমাল

হাহাহা। রান্না করার ভয়ে মেসে দুই মাস থেকেও রান্না শিখিনি। এখন পস্তাচ্ছি। জীবনে কাজ শিখে রাখলে লস নেই। এটা অনেক পরে এসে বুঝরাম
হাহাহা। রান্না করার ভয়ে মেসে দুই মাস থেকেও রান্না শিখিনি। এখন পস্তাচ্ছি। জীবনে কাজ শিখে রাখলে লস নেই। এটা অনেক পরে এসে বুঝরাম। ভালো রান্না শেখার তীব্র ইচ্ছা ও লোভ হচ্ছে এখন।

ভালো লাগা কিছু ছবি।
+8
ভালো লাগা কিছু ছবি।

মাযহাব ও তাকলীদ কী ও কেন, মাকতাবাতুল আশরাফ আহাফি বইটা গল্পের ভাষায় লেখা। যদিও পড়িনি। এটা রশীদ জামিল সাহেবের ব্যাপক বিক্রয় হওয়
মাযহাব ও তাকলীদ কী ও কেন, মাকতাবাতুল আশরাফ আহাফি বইটা গল্পের ভাষায় লেখা। যদিও পড়িনি। এটা রশীদ জামিল সাহেবের ব্যাপক বিক্রয় হওয়া একটা বই।

নারীর প্রথম ও প্রধান কাজ হলো তিনি একজন আদর্শ মা হবেন, সংসারের প্রধান হবেন। তাহলে আমরা নারীকে কেন এমন শিক্ষার কথা বলি, যা নারীর নিজস্ব কর্মক্ষেত্রে তার কোনো কাজে আসে না? পুরুষ যেমন প্রতিদিন কর্মক্ষেত্রের উদ্দেশ্যে বের হয়ে যায়, একজন নারীও যদি এভাবে প্রতিদিন ঘর-সংসার ছেড়ে ভিন্ন কর্মক্ষেত্রের উদ্দেশ্যে বের হয়, তাহলে ঘর-সংসারের দায়িত্ব কে পালন করবে? কাজের বুয়া? পুরুষ যখন কাজ শেষে ঘরে ফিরে আসবে, ঘরে স্ত্রী অনুপস্থিত, তখন তার জন্য কি ঘরে একান্তে পরনারীর সঙ্গে অবস্থান করা জায়েজ হবে? হতে পারে কাজের বুয়া যুবতি, হতে পারে সে ঘরের স্ত্রীর চেয়েও আকর্ষণীয়। এখন দুজন পরপুরুষ-পরনারী ঘরে একান্তে অবস্থান করলে শয়তান তো তাদের সঙ্গে থাকবেই। যখন সন্তান জন্ম হবে, তখন সন্তানদের কে লালনপালন করবে? মায়ের জায়গায় কাজের বুয়া? এরই নাম পারিবারিক জীবন? এরই নাম দাম্পত্য সংসার? বলুন তো, এমন ঘরে কি কখনো উম্মত তৈরি হতে পারে? মায়ের কোল থেকে বঞ্চিত শুধুমাত্র কাজের বুয়ার হাতে প্রতিপালিত হয়েই কি গড়ে উঠবে ভবিষ্যতের নতুন প্রজন্ম? -আলী তানতাবী রহ. [সমাজ জীবন: বোধ ও চৈতন্য, ১১১]

photo content

আকাবির-কথন.pdf1.87 KB

photo content