en
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

Open in Telegram

Show more
The country is not specifiedThe category is not specified
1 099
Subscribers
No data24 hours
+227 days
+2630 days
Posts Archive
photo content

photo content

আজ আরেকটা সিক্রেট বলি। দুআ কবুলের সিক্রেট। ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহিমাহুল্লাহ একবার এক শহরে গেলেন। সেখানে যেতে যেতে রাত হয়ে যায়। তিনি একটা মসজিদে শুয়ে পড়লেন। কিন্তু মসজিদের দারোয়ান এসে ইমামকে না চিনে মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে বলে। কিন্তু ইমাম অনুরোধ করলেন রাতটা কাটাতে দেয়ার। সে শুনল না। এমনকি ইমাম আহমাদকে টেনেহিঁচড়ে মসজিদ থেকে বের করে মসজিদে তালা লাগিয়ে দিলো। অগত্যা তিনি এক রুটির দোকানে গিয়ে দোকান মালিকের কাছে অনুমতি চেয়ে সেখানে শুয়ে পড়লেন। ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল হঠাৎ খেয়াল করলেন রুটিওয়ালা প্রত্যেকটা রুটি বেলে হাতে থাবা দিয়ে তন্দুরে লাগাতে লাগাতে বলছে: আস্তাগফিরুল্লাহ! আস্তাগফিরুল্লাহ! ইমাম অবাক হলেন। যদিও তিনি এই হাদিস জানেনই যে ইস্তিগফার পড়লে শুধু গুনাহ মাফ হয় তা না। ছোটবড় যাবতীয় দুআও কবুল হয়। তাই তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন: তোমাকে দেখলাম অনেক ইস্তিগফার পড়ছো। ভাই! তুমি কি তোমার অত্যাধিক ইস্তিগফারের ফসল পেয়েছো? রুটিওয়ালা খুবই সাধারণ ভঙ্গিতেই উত্তর দিলো: হ্যাঁ জনাব! আমি যত দুআ করেছি এই পর্যন্ত সব দুআই আল্লাহ তায়ালা কবুল করেছেন। শুধু একটা দুআ এখনো বাকী। ইমাম জানতে চাইলেন: কী সেই দুআ? এরপর রুটিওয়ালা যা বলল তা পড়ে আমি আম্মারুল হক বসা থেকে দাঁড়িয়ে গেছি 'আল্লাহু আকবার' বলে। রুটিওয়ালা কী বললেন জানেন? সে বলল: সেই দুআটা হলো: ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বলকে যেন আল্লাহ পাক আমার এই দুই চোখ দিয়ে দেখায়। ইয়া সুবহান! আল্লাহু আকবার! ইমাম বললেন: আমিই আহমাদ ইবনে হাম্বল। আল্লাহ তায়ালা তার এক রুটিওয়ালা বান্দার ইস্তিগফারের পুরষ্কার দিয়ে তার দুআ কবুল করাতে কি আয়োজনটাই না করলেন! ইমাম আহমাদকে সেই শহরে এনে মসজিদ থেকে দারোয়ানকে দিয়ে বের করিয়ে রুটিওয়ালার দোকানে এনে শোয়ালেন। চিন্তা করা যায়! এজন্যই তো হুযুরে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: مَن لَزِمَ الاستغفارَ ، جعل اللهُ له من كلِّ ضِيقٍ مَخْرَجًا ، ومن كلِّ هَمٍّ فَرَجًا، ورَزَقَهُ من حيثُ لا يَحْتَسِبُ যে ব্যক্তি ইস্তিগফারকে আবশ্যিক করে নেবে আল্লাহ তায়ালা তাকে সমস্ত পেরেশানী থেকে উদ্ধার করবেন। সমস্ত দুশ্চিন্তা থেকে শান্তি দেবেন। এমন জায়গা থেকে রিযিক দিবেন যা সে ধারণাও করে না। [আবু দাউদ ১৫১৮] এবার বলুন কার কী চাওয়ার আছে আল্লাহর কাছে। ইস্তিগফার করবেন না? © আম্মারুল হক

চাচাতো বোন মুহসিনা, যে ছিল আমার সামান্য বড়, ক্লাস ফাইভে থাকতে মারা গেল, আজ থেকে প্রায় ১৯/২০ বছর আগে। বন্ধু উমর ফারুক তার মিশকাতে পড়ালেখাকালীন মারা গেল। চাচাতো ভাই বেলাল পানিতে ডুবে মারা গিয়েছিল সেই কবে, ভুলেই গেছি। গত বছরদুয়েক আগে তাগড়া যুবক, সম্পর্কে ভাগনা, সেও মারা গেল। আমি এখনো গাফলতির ঘুমে বিভোর, দুনিয়ার নেশায় ব্যস্ত...

photo content
+1

photo content
+6

photo content
+9

চাচাকে প্রতি নামাজের আগে-পরে এই মসজিদেই দেখা যায়। হাতে তাসবীহ। যেন দুনিয়ার কোনো টেনশন নেই। চিন্তা নেই। কেমন যেন প্রশান্ত অন্ত
চাচাকে প্রতি নামাজের আগে-পরে এই মসজিদেই দেখা যায়। হাতে তাসবীহ। যেন দুনিয়ার কোনো টেনশন নেই। চিন্তা নেই। কেমন যেন প্রশান্ত অন্তর। সুকুনে ভরপুর। দেখলে ঈর্ষা লাগে... ঈদের দিন। আমি, রায়হান, আনাস-সহ আরও দুয়েকজন বিকেলে গিয়েছিলাম ইয়াসীন মসজিদে। উদ্দেশ্য ছিল একটু ঘুরাঘুরি। সাথে নিজেদের কয়েকটা সুন্দর ছবি তোলা। সেদিন ডিএসএলআর ক্যামেরা থাকায় ইচ্ছেটা আরও প্রবল ছিল। কার যেন ছবি তোলা হচ্ছিল। ক্যামেরার পেছন থেকে চোখে পড়ল চাচাকে। মনে হলো একটা ছবি তুলে রাখা যাক। এমন মানুষ, এমন সুযোগ জীবনে বারবার আসবে না। একজনকে চাচার দিকে দাঁড় করিয়ে ছবি তোলার বাহানা করে চাচার ছবিটা তোলা হয়েছিল। একসময় ভালো বইছবি তোলার শখ জেগেছিল। সেই কারণে রেডমি নোট সেভেন প্রোও কিনেছিলাম। এই ছবি তোলার আইডিয়াটাও আমার ছিল। এই স্মৃতি যখনই মনে পড়ে, বেশ ভালোলাগা কাজ করে নিজের অজান্তেই। চাচা এখন কেমন আছেন জানি না। দোয়া করি আল্লাহ ভালো রাখুক। আফিয়ত, ঈমান ও আমলের সাথে বাকি যিন্দেগী কাটানোর তাওফীক দিন।

photo content

photo content

বোনেরা শোনেন, আমি অনেক আমলদার নারীর দাফনে শরীক হয়েছি, যাদের লাশ কবরস্থ করেছে বেগানা পুরুষ। তাই যদি সুন্নত শরীয়ত অনুযায়ী কবরস্থ হতে চান, পৃথিবীর শেষ মুহূর্তটায় বেগানা পুরুষের স্পর্শ থেকে বাঁচতে চান, ঘরে মেহনত করুন। আত্মীয়দের ওপর মেহনত করুন। নিজ ঘরে তালীম করুন, আত্মীয়দের ঘরে তালীম চালুর চেষ্টা করুন। লিস্ট করে দাওয়াতী কাজ করুন। দ্বীনী বই ছড়িয়ে দিন। দ্বীনি ভিডিও হোয়াটসঅ্যাপে নিকটাত্মীদের পাঠাতে থাকুন। মাহরাম-অনলি গ্রুপ করে নিয়মিত দাওয়াহ করুন। একটা দিন আসবে, আপনার আশপাশে একঝাঁক দ্বীনদার মাহরাম থাকবে। অনেক হাফেজ আলেম থাকবে। পরিবারের আল্লাহওয়ালা ব্যক্তিরা আপনাকে কবরস্থ করবে। কবরে ফেলে এসে ভুলে যাবে না। নিয়মিত আমলের হাদিয়া পাঠাতে থাকবে। এগিয়ে যান। © মুহাম্মদ হোসাইন