en
Feedback
সমকামী গল্প

সমকামী গল্প

Open in Telegram

গল্পঃ গুলো নিয়ে কারোর কোনো মতামত থাকলে আমাকে message করতে পারো @Panutaru_bot Email us: panutaru319@gmail.com অন্যান্য channel গুলো: https://t.me/addlist/WK8ntttrKkkzOTZl https://t.me/mytelegramchannelslink

Show more
নতুন বাংলা গল্পNetwork:নতুন বাংলা গল্পThe country is not specifiedThe category is not specified
1 596
Subscribers
No data24 hours
No data7 days
No data30 days
Posts Archive
ওরা দুই তিনবারের চেষ্টায় মার যোনিতে একসাথে দুটো বাড়া গেথে তবেই ছাড়লো। একমুহুর্তের জন্য মার মুখ যন্ত্রণায় বিকৃত হয়ে গেল, মা চেচিয়ে uthechilo খুব, যদিও সাউন্ড mute করে দেওয়ায় আমার কানে পৌঁছালো না, তার পরেও ঐ দৃশ্য দেখে মার যন্ত্রনা বিদ্ধ মুখ দেখে আমি আতঙ্কে চিৎকার করে উঠলাম। আর দেখতে পারলাম না। ভিডিও টা বন্ধ করে দিলাম । আমার চিৎকার শুনে দিয়া স্টাডি টে চলে এসেছিল। ওকে দেখে আমি নিজেকে সামলে নিয়েছিলাম। ওকে মিথ্যা বললাম, যে কাজ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন দেখে চেচিয়ে উঠেছি। আমার মুখে চোখে হাত বুলিয়ে বলল, এখন উঠে পর ইউ নীড রেস্ট, চলো আমার সাথে আমি তোমার মাথায় হাত বুলিয়ে দেব দেখবে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়বে। এই বলে দিয়া আমার গালে একটা আলতো কিস করলো। আমি দিয়ার কথাতে সহমত হয়ে সব কিছু গুছিয়ে স্টাডি রুমে র আলো পাখা নিভিয়ে দিয়ার হাত ধরে নিজের বেডরুমের দিকে পা বাড়ালাম। মার জন্য চিন্তা মাথা থেকে গেলো না।

ফোনের কনভারসেশন যেদিকে টার্ন নিচ্ছিল, আমি আর বেশিক্ষন রবি আঙ্কেল এর সাথে ফোনে কথা বার্তা চালিয়ে যেতে পারলাম না। আমার রুচিতে বাঁধছিল। আমি ফোনটা কেটে দেওয়ার পর পরই ইমেইলে মেসেজ ঢুকবার নোটিফিকেশন এর আওয়াজ হলো। মেইল বক্স ওপেন করে দেখলাম রবি আঙ্কেল কথা অনুযায়ী ভিডিওর ফাইল গুলো পাঠানো শুরু করেছে। ডাউনলোড যখন কমপ্লিট হল, নিজের অজান্তেই আমার আঙ্গুল ঐ ভিডিওর প্রথম লিংকে ক্লিক করে ফেললো। সাথে সাথে 22 সেকেন্ডের একটা বিদেশি sex toy manufacturer কোম্পানির বিজ্ঞাপন হবার পরেই আসল ভিডিও শুরু হলো। দেখলাম, স্ক্রিনে সাদা ব্যাক গ্রাউন্ড সাদা মখমলের মতন সোফায়, দুজন নগ্ন লম্বা কালো সুদর্শন পুরুষ বসে আছে। তার কিছু সেকেন্ড পর, এক জন ভীষন হট অ্যান্ড সেক্সী ভারতীয় mature মডেল খোলা চুল আর ভীষন খোলা মেলা ড্রেস পরে ক্যামেরার দিকে পিছন করে pacha dolate dolate ese হাজির হলো। ছবিতে মডেল যিনি ছিলেন উনি ভালো করে ওয়েল ম্যাসাজ নিয়ে স্বচ্ছ ঐ পোশাক টা পড়ে স্ক্রিনে প্রবেশ করেছিল। ভিডিওটে যে পোশাক টা পড়ে ছিল সেধরনের কস্টিউম কে babydoll bola hay। তার তেল জব জবে শরীর থেকে যৌন আবেদন চুইয়ে পড়ছিল। পাছার নিচে এক বিশেষ স্থানে একটা প্লে বয় ট্যাটু ছিল। যা ওনার রূপের জৌলুস আরো বেশি বাড়িয়ে দিয়েছিল। দুজন পুরুষ এর একজন হাত ধরে টেনে ঐ মডেল টিকে সোফার সামনে টেনে আনলো, মডেল টার চোখের একটা মুখোশ পরা ছিল, তবুও যখন উনি একটি বার ক্যামেরার দিকে ফিরলেন আমার মা বলে চিনতে আমার কোনো অসুবিধা হলো না। মাকে ঐ চেঞ্জড লুকে এত সাবলীল ভাবে সম্পূর্ণ অচেনা দুজন কো স্টার্স এর সঙ্গে ঐ ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করতে দেখে আমি পুরো স্তম্ভিত হয়ে গেছিলাম। মাঝে মাঝে তো বিশ্বাসই হচ্ছিল না যা দেখছি তা সত্যি কিনা। নিজের হাতে চিমটি কেটে বুঝলাম এটা কোনো ভ্রম না, কঠোর বাস্তব, কটা বেশি টাকার জন্য মা নিজেকে ঠিক কোথায় নামিয়ে গেছে বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করছিল না। মার প্রসাধন ও অন্যান্য দিনের তুলনায় দেখলাম একটু বেশি ব্যাবহার করা হয়েছে। সারা গায়ে তেল থাকলেও মুখে গ্লাম মেক আপ সেট করা হয়েছিল টা ক্যামেরায় স্পষ্ট ধরা পরছিল। ক্যামেরার সামনে আরো বেশি যাতে সেক্সী দেখাতে লিপস্টিক বেশি ডার্ক করে লাগিয়েছিল। মা এমনিতে বিবাহিত নারীদের সোহাগের নিশান শাখা সিদুর পড়া অনেক দিন হল বন্ধ করে দিয়েছিল, তাই মা কে দেখে বুঝবার উপায় ছিল না মা বিবাহিত। এছাড়া কানে বড়ো রাউন্ড রিংয়ের মতন কানের দুল পড়েছিল। সব মিলিয়ে দেখতে সত্যি মা কে একেবারে অন্য রকম লাগছিল। মা ওদের সামনে যেতেই আরেক জন পুরুষ মার পাছার উন্মুক্ত অংশে হাত দিল। আর হাত দিয়ে একটা হালকা চাপড় মারলো। মা তাতে একটু আহঃ উহঃ আওয়াজ বার করলো। অন্য ব্যাক্তি টান মেরে প্যানটিটা স্বচ্ছ babydoll dresser ভেতর থেকে খুলে ফেললো। তারপর ওদের কোলে তুলে এমন ভাবে ঠাপাতে শুরু করলো, যে আমার ঐ দৃশ্য দেখে কপাল থেকে বিন্দু বিন্দু ঘাম বেরোনো শুরু হলো। খানিক খন বাধে প্রাথমিক শক কাটতে না কাটতেই দেখলাম মা কে ওরা দুজনে নিজেদের মাঝে এনে স্যান্ডউইচ করে ডাবল penetration sex করতে আরম্ভ করে দিল। ভিডিওয় মার গলায় natural moaning ক্রমে বেড়েই যাচ্ছিল। দিয়া নিজের ঘর থেকে পাছে শব্দ শুনে আমার স্টাডি টে চলে আসে, আমি সাউন্ড অফ করে ঐ ভিডিও দেখতে লাগলাম। এই ভিডিও দেখতে দেখতে আমার বড্ড গরম লাগছিলো, গলা শুকিয়ে আসছিল তবুও আমি বন্ধ করতে পারলাম না। দেখতে দেখতে লোক দুজন পাগলের মতন মত্ত হয়ে ঐ পাতলা লজ্জা নিবারণের শেষ তম অস্ত্র ড্রেস তাকে দুই টুকরো করে ছিড়ে ফেললো। তারপর পজিশন পাল্টে ওরা আদর করা শুরু করলো, মানে যে সামনের দিকে ছিল সে পিছনের দিকে এলো আর যে লোকটা পিছনের দিক থেকে করছিল সে সামনে উঠে আসলো। পজিশন পাল্টাপাল্টি হতেই সেক্স এর পেস যেন এক লহমায় অনেক টাই বেড়ে গেছিল। মার ঐ পেসে সেক্স করতে একটু অসুবিধাই হচ্ছিল যদিও দেখলাম মা বেশ তাড়াতাড়ি পরিস্থিতির মানিয়ে নিল। মা কে শুরু থেকে ভিডিওয় যে ভাবে যন্ত্রের মতন নড়াচড়া করছিল তাকে দেখে আমার খুব একটা স্বাভাবিক মনে হচ্ছিলো না। ওরা নিচ্ছয় কিছু একটা নেশার ওষুধ খাইয়েছিল শুটিং এর ঠিক আগে, মা দেখলাম খুব তাড়াতাড়ি হিট খেয়ে ওদের উপর চড়ে খোলাখুলি থ্রীসাম সেক্স করতে লাগলো। দারুন গতিতে ঠাপাতে ঠাপাতে ১০ মিনিটের মধ্যে ঘন সাদা ফ্যাদায় মার দুটো ছিদ্রই ভরিয়ে দিল। তারপরেও ছাড়লো না, পরের পার্ট এর শুরুতেই দেখা গেল আমার মা কে তার দুই পা ফাঁক করে, নগ্ন অবস্থায় ঐ সাদা রঙের সোফায় শোয়ানো হয়েছে। তার হাত পিছন মোড়া করে বাঁধা হয়েছে, আর ঐ দুই পুরুষ ও যথাক্রমে একসাথে মার সামনের যোনিতে একসাথে তাদের বিশাল সাইজের বাড়া গুলো ঢোকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। মা এতক্ষন মুখে কুলুপ এটে ওদের কথা মতন সব কিছু মেনে নিলেও এইবারে বাধা দিচ্ছে। তবে বেশিক্ষণ ধরে বাধা দিতে পারলো না। হাত বাঁধা থাকায়,

দিয়া আমাকে বাধা তো দিলই না। উল্টে নিজের হাতে পান্টি সরিয়ে আমাকে ইন্টারকোর্স করার জন্য জায়গা করে দিল। আমি নিজেকে সামলাতে পারলাম না। দিয়ার সুন্দর সেক্সী নরম শরীরের কাছে মানষিক ভাবে হেরে গেছিলাম। দিয়ার আহ্বান স্বীকার করে ওকে বিছানায় চেপে জড়িয়ে ধরলাম। কনডম পরে লাগাতেই দিয়া উত্তেজনায় ছট ফট করছিল। ঠোঁটে ঠোঁট রেখে কিস করতে করতে দিয়া কে আদর করতে শুরু করতেই ও যেন আরো বেশি গরম হয়ে উঠলো। আমাকে আকরে ধরে আমার বুকে নিজের মুখ ঘষতে লাগলো। আমিও আস্তে আস্তে গরম হয়ে উঠেছিলাম, দিয়া কে আস্তে পৃষ্টে বেঁধে sex korte shuru korlam। oi আমাকে শেষের দিকে ডমিনেট করছিল। দেখতে দেখতে দিয়ার চোখের কাজল ঠোঁটের লিপস্টিক সব আমার ছোয়া লেগে লেপ্টে গেছিল। আমি যেমন উত্তেজিত ছিলাম, দিয়াও তেমনি সেক্সে র জন্য আকুল ছিল। আমাকে বিছানায় সম্পুর্ণ উজাড় করে দিল। তিনবার মতন অর্গানিজম রিলিজ করে ওকে জড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। দুদিন বেশ নিরুপদ্রব ভাবে কাটলো। নন্দিনী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছিল। আর আমিও আমার অফিসে কাজে নির্দিষ্ট দিনে join করেছিলাম। দিয়ার মা নার্সিংহোম থেকে বাড়ি ফিরে আসলেও, দিয়া ওর বাবা মার অনুমতি নিয়ে আমার সঙ্গেই থাকছিল। এদিকে সব কিছু ভালো মতন চললেও, মনে মনে একটা নতুন আশঙ্কা জন্ম নিয়েছিল আমার মার কারণে। Goa যাবার পর থেকে তাকে কিছুতেই ফোনে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। সাইলেন্ট মোডে সেট করে রেখেছিল, রিং হয়ে যাচ্ছিল কোনো এক অজ্ঞাত কারণে রিসিভ করতে পারছিল না। প্রথম দুদিন মার সঙ্গে কথা না বলে কাটালেও, তৃতীয় দিন ও যখন ফোনে যোগাযোগ করতে পারলাম না,আমি বেশ চিন্তায় পড়ে গেলাম। শেষে আমাকে বাধ্য হয়ে অনিচ্ছা স্বত্বেও রবি আঙ্কল এর নম্বরে কল করতে হলো, দুইবারের চেষ্টায় রবি আঙ্কল কে লাইনে পেয়েও গেলাম। রবি আঙ্কেল বললো, " হ্যালো সুরো.... হোয়াট আ প্রেজেন্ট সারপ্রাইজ, আমাকে ভুল করে ফোন করে ফেলেছ নাকি?" আমি: একচুয়ালি আঙ্কেল তিনদিন হলো মায়ের কোনো খোজ খবর পাচ্ছিনা। ফোন ও ধরছে না। মা ঠিক আছে কিনা , তোমার সঙ্গে গেছে তাই ফোন করলাম। রবি আঙ্কেল: ওহ মায়ের খবর জানতে ফোন করেছ। সত্যি সুরো... তুমি আর কবে বড়ো হবে বলো তো, কোথায় ফাঁকা বাড়িতে চুপ চাপ নিজের কে আইটেম নিয়ে মস্তি করবে তা না, মা মা করে যাচ্ছে। আমি: মা ফোন ধরছে না কেন? এরকম করে না তো কখনো। বাইরে গেলেও দিনে একবার করে হলেও কথা তো বলেই... আমার না খুব চিন্তা হচ্ছে। প্লিজ তুমি মা কে বলো না আমাকে একটু কল করতে। কথা বলতে ইচ্ছা করছে। রবি আঙ্কেল: সুরো তোমার মা কি এখানে এসে অব্ধি এক মুহূর্তের জন্য ফ্রী আছে? সব সময় কারোর না কারোর সাথে লাগিয়ে বেড়াচ্ছে। ফুল প্যাকড শিডিউল। ঘন্টায় ঘন্টায় রোজগার করছে হা হা হা... এই তো কাল সন্ধ্যে বেলা চার জনের এক আমেরিকান বিদেশি প্রতিনিধি দের দল তোমার মা কে বুক করে নিয়ে গেছে, টু নাইটস ইন্দ্রানী ওদের সঙ্গে সমুদ্রের মধ্যে একটা ক্রুজের মধ্যে থাকবে। কাল তোমার মা কে বিকেল নাগাদ ফেরত দিয়ে যাবার কথা। তারপর রাত টা আমার সঙ্গে কাটিয়ে, পরের দিন থেকে আরো পার্টি আছে। আমি রবি আনকেল এর কথা শুনে জাস্ট স্তম্ভিত হয়ে গেলাম। তাও তাড়াতাড়ি নিজের মনের হতাশা ভাব লুকিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, মার সাথে বলা যাবে না তার মানে? তোমরা goa theke kobe ফিরছ?? Uncle: aar char pach din por Delhi theke Ekjon substitute lady asle tomar Maa free haye jaabe। Obosyo tar poreo Amader aro kichu din ekhane কাটানোর ইচ্ছা আছে। তুমি যদি এখানে আসতে, তোমার মা কে নতুন রূপে দেখতে, আই থিঙ্ক তোমার ও এখান থেকে যেতে ইচ্ছে করতো না। আর কথা বলতে পারো তবে খরচা করতে হবে। তোমাকে আমি একটা লিঙ্ক share korchi, ওখানে তোমার কালকে থেকে একঘন্টা লাইভ আসবে। ওখানে অনলাইন পর্টাল থেকে কয়েন কিনে তুমি মার সঙ্গে কথা বলতে পারো। অবশ্য তোমার মা লাইভে যে ভাবে থাকবে তোমার মুখ দিয়ে তখন কথা বেরোলে হয়, হা হা হা হা।" আমি : না না আমার দরকার নেই লাইভ দেখার, মা সময় করে ওষুধ খাবার সব কিছু খাচ্ছে তো? দূরে আছি চিন্তা হচ্ছে। রবি আঙ্কেল: সব কিছু সময় মতন নিচ্ছে। প্রয়োজনে ওষুধ খেয়ে কাজ এর জন্য ৭ ঘণ্টার ঘুম ওকে ঘুমাতেই হচ্ছে। ওতো ভেবো না। তোমার ইমেইল আইডি তে তোমার মায়ের নতুন কিছু ফিল্মের আনকাট ফুটেজ ক্লিপ share Kore dicchi। Mayer kotha khub Mone পরলে চালিয়ে দেখে নিও। মজা পাবে। হা হা হা হা... আরে খুলে বলি তোমায়,। কি হয়েছে বলো তো, এই গোয়া আসার আগে কদিন মুম্বাইতে থাকতে হয়েছিল, সেখানে তোমার মা দুটো স্পেশাল অ্যাডাল্ট বিগ্রেড ফিল্মে কাজ করেছে, অবশ্যই লিড রোল। সব গুলোই অবশ্য বাইরের দেশে টেলিভিশনে দেখানো হবে, তোমার মা ফাটিয়ে কাজ করেছে... প্রোডিউসার তো আরো কাজ করতে চায় ইন্দ্রানীর সাথে। হা হা হা... এই বারে ass leg side EI Beshi focus Kora hayeche, Suro Tumi dekhecho toh Tomar Mayer naked ass... "

" সুরো আমি বেরিয়ে যাচ্ছি। রবি এসে গেছে আমাকে পিক আপ করতে। সাত টার ফ্লাইট। দিন পাঁচেক তোর সাথে দেখা হবে না ভাবতেই মন খারাপ লাগছে। কিন্তু কাজ করতে যেতেই হবে। এই কটা সাবধানে থাকিস। দিয়া কেও দেখে রাখিস। " আমি ওটা দেখে, "have a great jouney, nijer kheyal rekho maa। আর হ্যা majhe majhe call koro।" Likhe reply dilam। Rat sare আটটা অব্ধি নার্সিং হোমে ছিলাম। তার মধ্যে visting hour e নন্দিনীর কেবিনে গিয়ে একবার দেখা করে আসলাম। নন্দিনীর জ্ঞান ফিরেছিল। আমাকে দিয়া কে পাশাপাশি দেখে নন্দিনী আমার দিকে তাকিয়ে হাসল। তারপর আমি আঙ্কল এর কাছে গিয়ে বিদায় নিয়ে বাড়ি ফেরার জন্য অনুমতি চাইলাম। Uncle nursing home e onek ta somoy eksathe কাটিয়ে আমার সঙ্গে অনেকটা সহজ হয়ে উঠেছিলেন। আমাকে দিয়া কে নিয়ে যাবার অনুমতি দিলেন। বললেন কাল রাত থেকে মেয়ে টা পড়ে আছে নার্সিংহোমে , তুমি ওকেও নিয়ে যাও।" আমি আপত্তি করলাম না। দিয়া যদিও আপত্তি করছিল। কিন্তু ওকে বুঝিয়ে সুজিয়ে নিজের বাড়ি আনতে আমাকে বিশেষ বেগ পেতে হলো না। দিয়া বাড়ি ফিরে আমার মার কথা জিজ্ঞেস করল, আমি ওকে সাময়িক ভাবে মিথ্যে কথা বললাম মা অফিস টুরে আজ মুম্বাই বেরিয়ে গেছে, সেখান থেকে বন্ধুদের সঙ্গে goa jabe। আমার কথা দিয়া বিশ্বাস করে নিল। ডিনার সেরে ওকে যখন গেস্ট রুমে ছেড়ে দিয়ে নিজের রুমে চলে আসছি, দিয়া আমার হাত টা ধরে আমার যাওয়া আটকে দিয়ে বললো," আজকের রাত টা আমাকে একা ছেড়ে pls কোথাও যেও না। আমি একা থাকতে পারবো না।" আমি ওর হাতে হাত রেখে ওকে আশ্বস্ত করে বললাম। " আমি তো তোমার পাশের ঘরেই রইলাম। আমার চলে যাওয়াই ভালো বুঝলে, এখানে থাকলে আমি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারবো না।" দিয়া আমার কথা টে কান দিল না, "তোমাকে যেতে দেব না" এই বলে আমাকে জড়িয়ে ধরলো। আমার আর ওকে ছেড়ে নিজের রুমে আসা সম্ভব হল না। দরজা ভেজিয়ে দিয়ে এসে দিয়ার সাথে আস্তে আস্তে বিছানায় এলাম। আমাকে জড়িয়ে আদর করতে করতে নিজে নিজেই ওর নাইট ড্রেস খুলতে শুরু করলো, ওর শরীরের উপর থেকে পোশাকের সব আবরণ ধীরে ধীরে সরে যেতেই আমি আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। দিয়ার ঠোঁটে ঠোঁট রেখে কিস করতে শুরু করলাম। দিয়া ও চোখ বুজে আমাকে রেসপন্স দেওয়া আরম্ভ করলো। তারপর নিজের t-shirt khule, Alo নিভিয়ে দিয়ার উপরে শুয়ে পরলাম।

মার কথা শুনে আমার বুকের ভেতর টা কেমন একটা আশঙ্কায় দুলে উঠলো। কার ফোন এসেছিল, আর কেনই বা মা কে এত তড়িঘড়ি লাগেজ গুছিয়ে নিয়ে বেরিয়ে যেতে হচ্ছে কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। আরো আশ্চর্য লাগছিল মার ঐ ট্রিপের জন্য পোশাক নির্বাচন দেখে। যেসব ড্রেস মা লাগেজে নেওয়ার জন্য বের করেছিল সেসব পোশাক মা কে সাধারণত পড়তে দেখা যায় না , আসলে মা আধুনিক Western outfits e totota comfortable Noy jotota sari sawar কামিজে অভ্যস্ত। প্যাকিং করার সময় আমি ওখানে উপস্থিত ছিলাম, তাই মা যখন একটিও শাড়ী ব্লাউজ salwar লাগেজে ভরলো না, খুব অবাক লাগছিল। মা ড্রেস বেশি একটা না নিলেও, ৭-৮ সেট ট্রান্সপারেন্ট ব্রা আর প্যানটি নিয়েছিল। রবি আঙ্কেল মা কে একটা stocking gift করেছিল। আমাকে অবাক করে দেখলাম মা সেটাও নিয়ে নিল। বিছানায় সামনে চেঁয়ার এনে বসে, মা কে আবারো প্রশ্ন করলাম, " মা তুমি কোথায় যাচ্ছো?" মা সরাসরি উত্তর দিল না , ঘুরিয়ে বললো, " রাজ্যের বাইরে যাচ্ছি, আমার ইচ্ছে থাকলেও, তুই এবার আমার সঙ্গে যেতে পারবি না। তোর অফিসে জইনিং আছে তো।" আমি শুনে তাজ্জব বনে গেছিলাম। ফেল ফেল করে তাকিয়ে রইলাম মায়ের মুখের দিকে। আমার দিকে তাকিয়ে নিয়ে ভালো করে দুবার সিগারেটের ধোওয়া ছেড়ে মা বললো, " মিস্টার দুবে কল করেছিল। আমাকে ওদের কোম্পানির একটা বিশেষ টিমের সঙ্গে গোয়া যেতে হবে।" আমি বললাম," মিস্টার দুবে বললে তোমায় যেতে হবে কেন? তুমি তো সেদিন বললে এই কর্পোরেট কোম্পানির এসকর্ট সার্ভিস এর জব ছেড়ে দিচ্ছ।" মা আলতো হেসে সিগারেট টা শেষ করে জবাব দিল, " বিষয় টা একটু কমপ্লিকেটেড। তুই পুরোটা বুঝবি না। শুধু এইটুকু জেনে রাখ, রুমার ওপর ভরসা করতে পারছি না। তাই মিস্টার দুবের সঙ্গে সেদিন আলাদা ভাবে মিট করে কথা বলে mutual separation er babostha korechi। এই goa trip i Amar oder sathe last assignment। Ora amake erpor বিরক্ত করবে না।" আমি: ওদের সঙ্গে একাই যাচ্ছো ? মা মুখ টা আমার দিক থেকে ঘুরিয়ে নিয়ে, নিজের নতুন কেনা কসমেটিক আইটেম গুলো একটা ছোটো ব্যাগে ভরতে ভরতে বললো, " উহু তোর রবি আঙ্কেল সাথে যাচ্ছে। আসলে ওর একটা স্বার্থ আছে সেটাও আমাকে রাখতে হবে।" আমি মা কে আর বিরক্ত না করে মার রুম থেকে বেরিয়ে নিজের ঘরে চলে আসলাম। মা পাঁচ দিনের জন্য চলে যাচ্ছে বলে মন খারাপ লাগছিল। মাঝে মনে হচ্ছিল, মাকে বলি তুমি কোথাও যাবে না। আমার এসব ভালো লাগছে না। কিন্তু মার পক্ষেও সেই সময় পিছিয়ে আসা অসম্ভব ছিল। সে মিস্টার দুবে কে ফাইনাল কথা দিয়ে দিয়েছিল। মার নামে ফ্লাইটের টিকিট ফোর স্টার রিসোর্টে রুম সব বুকিং হয়ে গেছিল। একঘন্টার মধ্যে গোছগাছ সেরে আমাকে এক সপ্তাহের জন্য খরচের পর্যাপ্ত টাকা দিয়ে, মা বিউটি পার্লার এর উদ্দ্যেশে বেরিয়ে গেল। গোয়া যাবার আগে নিজেকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে নেওয়ার বিশেষ প্রয়োজন ছিল। পার্লারে যত সময় লাগার কথা মিস্টার দুবে দের ইচ্ছা অনুযায়ী নিজে র রূপ কে ঘষে মেজে প্রস্তুত করতে তার চেয়ে অনেক বেশি টাইম লেগে গেলো। মা বাড়িতে আমার সঙ্গে লাঞ্চ মিস করলো। মা পার্লারে যাওয়ার ঘণ্টা খানেক এর মধ্যে দিয়ার ফোন আসলো। ফোনের ভেতর দিয়ার গলা টা শুনে আমার কেন জানি ভালো লাগল না। ও খুব চিন্তায় অস্থির হয়ে কল টা করেছিল। আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম, কি হয়েছে সুইটহার্ট? আমাকে খুলে বল। দিয়া যা বললো শুনে আমার বুক ধর পর করে উঠলো। ওর মার গোয়া যাবার কথা ছিল মিস্টার দুবের টিমের সাথে, কিন্তু গতকাল রাতে একটা নৈশ পার্টি টে কেটামিন overdose ER fole Nandini etotai অসুস্থ হয়ে পড়ে যে তাকে একটা বেসরকারি নার্সিংহোমে অ্যাডমিট করতে হয়। প্রাণে বেঁচে গেলেও, নন্দিনীর বিপদ পুরোপুরি কাটে নি। আমি কোন নার্সিং হোমে নন্দিনী অ্যাডমিট রয়েছে জেনে নিয়ে চট জলদি পোশাক পাল্টে বেরিয়ে পরলাম। নার্সিংহোমে পৌঁছলাম দিয়া আর তার বাবাকে লনেই পেয়ে গেছিলাম। অন্য সময় দিয়ার বাবা আমাকে খুব একটা পছন্দ না করলেও , বিপদের সময় উনি আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করলেন না। দিয়ার কাছে আমার সম্পর্কে ভালো করে জেনে উনি হয়তো আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। দিয়া আর আঙ্কল কে যথা সম্ভব স্বান্তনা দিলাম। নার্সিং হোমের অনেকক্ষন ছিলাম। সময়ের খেয়াল ছিল না। সন্ধ্যে ৬ টা নাগাদ নার্সিংহোমে লনে দিয়ার সঙ্গে পায়চারি করতে করতে মায়ের sms pelam।

দু এক শব্দে ফোনে প্রশ্নকর্তার কিছু প্রশ্নের জবাব দিল। তারপর পাঁচ মিনিটের মধ্যে ফোন রেখে দিল, অর্ধেক কথা বাইরে থেকে শুনতে পারলেও কিছু বুঝতে পারছিলাম না। আমি দুই কাপ কফি বানিয়ে যখন মার রুমে ফেরত এলাম, দেখলাম মা তার লাগেজ টা বের করে বিছানার উপর রেখেছে, আর তার সাথে ওয়ার্দ্রব খুলে কাপড় চোপড় বের করতে শুরু করেছিল, আমি সেটা দেখে, কফি টা টেবিলের উপর রেখে মা কে জিজ্ঞেস করলাম, " কি ব্যাপার বল তো, তুমি কি কোথাও যাচ্ছ?" মা আমার দিকে পিছন ফিরে লাগেজ গোছানো আরম্ভ করেছিল। আমার প্রশ্ন শুনে এক মুহূর্তের জন্য থমকে দাড়ালো। একটা সিগারেট ধরিয়ে বেশ কয়েক রাউন্ড ধোয়া ছেড়ে বলল, " হ্যারে, আমাকে বেরোতে হবে আজই সন্ধ্যে বেলা। তিন চার দিনের জন্য যাচ্ছি।"

মা পুরো এক্সপার্টের মতো নিজের হাতের সাহায্যে আমাকে হ্যান্ড জব দিচ্ছিল। বাড়ায় হাত লাগিয়ে, একটা ক্রিম দিয়ে ভালো করে মালিশ করে মা আসল কাজ শুরু করেছিল। ব্যাপার টা শুরু হতেই আমার সুখ সপ্তমে পৌঁছে দিয়েছিল। মাঝে মাঝেই মুখের থেকে লালা নিয়ে মাখিয়ে বাড়াটা হ্যান্ড জব দেওয়ার উপযোগী করে তুলেছিল। মায়ের হাতের জাদুতে আমি বেশিক্ষন টিকতে পারলাম না। পাঁচ মিনিটের মধ্যে আমার যাবতীয় প্রতিরোধ ভেঙে অর্গানিজম বের হয়ে গেছিল। একবারে অনেক টা অর্গানিজম রিলিশ করে খুব শান্তি peyechilam। আমার বাড়াটা নিয়ে খেলার ফলে মাও ভেতরে ভেতরে গরম হয়ে উঠেছিল। আমি ওয়াস রুমে গিয়ে ফ্রেশ হবার জন্য উঠে পড়তেই, মা চোখ বুজে নিজের প্যানটি টা হাঁটুর কাছে নামিয়ে, দুই পা ফাঁক করে নিজের ডান হাতের মধ্যমা আঙ্গুল রসালো গুদের ভেতর ঢুকিয়ে, জোরে উংলি করা স্টার্ট করল। আমি স্বভাবতই মার এই কাণ্ড দেখার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। মার উংলি করার দৃশ্য চোখের সামনে দেখে আমি বাক রুদ্ধ হয়ে গেছিলাম। দেখতে দেখতে আমার বাড়াটা আবার ঠাটিয়ে খাড়া হয়ে উঠলো। মা কে বিছানায় সে সময় অসাধারণ সেক্সী আর সেডাক্টিভ দেখাচ্ছিল। তার থেকে চোখ ফেরানো যাচ্ছিলো না। মার নিজে নিজেই আঙ্গুলের সাহায্যে অর্গানিজম বার করার দৃশ্য থেকে আমি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারলাম না।আমি ওয়্যস রুমের দরজায় দাড়িয়ে মা কে দেখে হ্যান্ডেল মারতে আরম্ভ করলাম। এরকম একজন হট অ্যান্ড বিউটিফুল নারী কে মা রূপে পেয়ে আমি ভাগ্যবান মনে করছিলাম। পাঁচ মিনিটের মধ্যে , মা নিজেকে সেলফ স্যাটিসফাই করে তৃপ্ত হল। তারপর চট জলদি, বেড সাইড টেবিলের ড্রয়ার খুলে টিস্যু পেপার বের করে বিছানায় শুয়ে শুয়ে নিজের যোনীর উপর লেগে থাকা কাম রস পরিষ্কার করে ফেলল। মা প্যানটি টা পরে নিয়ে , জল খেয়ে ফের শুয়ে পড়বার আরো দুমিনিট পর আমি বিছানায় ফেরত আসলাম। ওয়াশ রুম থেকে ফিরতে কেনো দেরি হলো মা জিজ্ঞেস করলো না আর আমিও কিছু বললাম না। বিছানায় ফেরত এসে মা কে ভালো ভাবে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়লাম। সারা রাত মা ছেলে জোরাজুরি অবস্থায় এক blanket share korechilam। Aar Sab theke boro kotha দুজনেই সারা রাত টপলেস থাকলাম। মা আর আমি অতি সহজে একে অপরের শরীরের উষ্ণতা ভাগ করে নিলাম। মা অবশ্য আমার অর্গানিজম বের হয়ে যাবার পর, নাইটি পরে নিতে চেয়েছিল কিন্তু আমি তাকে সে রাতে ড্রেস পড়তে allow korlam na। মা প্রথমে একটু মৃদু আপত্তি করলেও শেষে আমার আবদার রাখতে চুপ চাপ টপ লেস অবস্থায় শুতে রাজি হয়ে গেছিল। মা আমার জন্য হাসি মুখে টপলেস অবস্থায় ঘুমানোর সিদ্ধান্ত নিল। রবি আঙ্কেল দের সৌজন্যে মার বিবস্ত্র হয়ে রাতে বিছানায় শোয়ার ভালো মতন অভ্যাস হয়ে গেছিল, মার নতুন জীবনে রাতে পার্টনার দের সামনে ধাকাধাকির কোনো ব্যাপার থাকে না। সেখানে টপলেস অবস্থায় শুধু মাত্র প্যানটি পরে সারা রাত আমার সঙ্গে এক বিছানায় কাটানোয় মার আপত্তি করবার কোনো কথা ছিল না। মা আমার পাশে শুয়ে পরবার পর আমি অনেক্ষন জেগে তার নগ্ন শরীরের শোভা উপভোগ করলাম। বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে বুকের উপর যেন আরো আকর্ষণীয় করে তুলেছিল। মতন হট একজন নারী টপলেস অবস্থায় আমার পাশে শুয়ে আছে এমন পরিস্থিতি টে আমার ঘুম আসবার কথা না কিন্তু দুবার অনেকখানি করে অর্গানিজম বের করে আমি ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। তারপর মার বুকে মাথা রেখে তার গায়ের মিষ্টি গন্ধ তে মাতোয়ারা হয়ে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম খেয়াল করি নি। আমার ঘুম ভাঙ্গার পর আমি মায়ের নগ্ন বুকের বিভাজিকা র উপর নিজের মুখ পড়ে আছে আবিষ্কার করি। ঐ ভাবে মার সাথে নিজেকে শুয়ে থাকতে আবিষ্কার করে দারুন লজ্জা হয়। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার ফলে আমি নিজেকে সরিয়ে নি মার দিক থেকে। মা আমি সরে যেতে তার ঘুম ও ভেঙে যায়। আমি ভেবেছিলাম মা জেগে উঠে নিজেকে এই অবস্থায় আমার সামনে পেয়ে বিব্রত বোধ করবে। আর চটজলদি নাইটি টা পড়ে নিয়ে নিজের নগ্ন দেহ কে আড়াল করতে সচেষ্ট হবে। কিন্তু আমি ভুল ছিলাম। মা জেগে উঠে কাপড় পড়বার কোনো উৎসাহ দেখালো না। বরং চ নিজেকে অনেক টা সহজ করে আমার সামনে নিজের মুখ টা ene amake good morning kiss দিল। শুধু তাতেই থামলো না, আমাকে গালে পর পর পর দুবার চুমু খেয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকলো। আমি ও আর মা কে ছাড়লাম না। জাপটে ধরে যতক্ষণ না ঘুম এর ঘর ঘোর কাটলো, আমি মা কে জড়িয়ে শুয়ে ছিলাম। সকালে ঘুম ভাঙ্গার পরেও আমরা দুজনে একে অপরকে জড়িয়ে বেশ কিছুক্ষন শুয়ে ছিলাম। তারপর মার ফোনে কার একটা ফোন আসলো, মা নিজের সেল ফোন টা নিয়ে বিছানা ছেড়ে আমাকে ছেড়ে উঠে পড়লো। হাউ স কোট টা গায়ে চাপিয়ে, ফোনে দু একটা কথা বলার পর, " তুই একটু বাইরে যা plz, Private call acche। " Bole amake রুমের বাইরে পাঠিয়ে, দরজা ভেজিয়ে কানে ফোন রেখে কথা বলতে লাগলো। কে ফোন করেছিল বুঝতে পারলাম না, শুধু দেখলাম মা হিন্দি আর ইংলিশ মিশিয়ে কথা বলছিল। একটানা কথা বলছিল না,

আমি তারপর মাকে ছুয়ে কথা দিলাম আর কোনোদিন রুমা আন্টির সাথে যোগাযোগ রাখব না। এর ফলে মা আমার উপর প্রসন্ন হল। এই তো আমার Good boy। আমাকে ছুয়ে কথা দিয়েছিস, কথা টা মনে থাকে যেন।" এই বলে মা আমার পাশে শুয়ে, বুলিয়ে দিতে লাগল। অনেক দিন পর মায়ের স্নেহ মাখা মমতার স্পর্শ আমার মনের জ্বালা যন্ত্রণা সব যেন জুড়িয়ে দিচ্ছিল। মা কে কাছ থেকে দেখে যেন আরো বেশি সুন্দরী লাগছিল। রাতে খাবার পর মার সঙ্গে এক বিছানায় শোওয়ার জন্য আবদার করলাম। আমি ভেবেছিলাম এর জন্য মার কাছে বকা খেতে হবে। কিন্তু মা আলতো হেসে আমার প্রস্তাবে রাজি হয়ে গেল। পনেরো মিনিট পর মায়ের বেডরুমে গিয়ে দেখলাম মা সতিন নাইটসুট পরে বিছানায় যাবার জন্য রেডী। মা ড্রেসিং টেবিলের সামনে বসে, রাতের প্রসাধন সারছিল। আমি ডাব ডাব করে তাকিয়ে আছি দেখে, মা একটু হেসে আর রাত না করে, আমাকে শুয়ে পড়তে বললো। আমি শার্ট খুলে টপলেস হয়ে blanket Gaye diye বিছানার অর্ধেক টা জুড়ে শুয়ে পড়লাম। মা একটা সিগারেট ধরিয়ে ধোওয়া ছাড়তে ছাড়তে নিজের স্মার্ট ফোনটা বার করে খুট খাট করতে লাগলো। সিগারেট টা শেষ করে, আরো পাঁচ মিনিট পর নিজের ফোনটা বেড সাইড টেবিলে রেখে, বেড সাইড টেবিলের ড্রয়ের খুলে কি একটা ওষুধ বের করে ( সম্ভবত ঘুমের ওষুধ) পাশেই কাচের গ্লাসে রাখা জল এর সঙ্গে খেলো। ওষুধ খাবার পর, বেড সাইড লাম্প এর আলো নিভিয়ে আমার পাশে এসে blanket ER ভিতর জায়গা করে নিয়ে শুয়ে পড়লো। মায়ের গায়ের মিষ্টি পারফিউম এর গন্ধ আমাকে বেশীক্ষন অন্য পাশে শুয়ে থাকতে দিল না। আমি মার দিকে ঘুরলাম। অপলক দৃষ্টিতে মার সৌন্দর্য দেখছিলাম। যদিও মা সেসময় চোখ বুজে ছিল কিন্তু আমি যে মার দিকে তাকিয়ে আছি সেটা কিছুক্ষন পর মা টের পেয়ে গেছিল। আমি ঘুমাতে পারছি না দেখে মা আমাকে কাছে টেনে নিল। আমাকে জড়িয়ে আমার গালে চুমু খেয়ে বললো, "কি হয়েছে ঘুম আসছে না?"আমি বললাম , " তুমি ভীষন সুন্দর, তোমাকে এত কাছ থেকে দেখে মনে সব আজে বাজে খেয়াল আসছে মা।" মা আবারো গালে চুমু খেয়ে বললো, তুই বড় হয়ে গেছিস। আর তোর আমার বয়স এর নারীদের পছন্দ আমি সেটা বুঝতে পেরেছি। কিন্তু মা হয়ে কি করে তুই যেটা চাইছিস টা হতে দিতে allow kori bol toh।" আমি মাকে বুকে জড়িয়ে ধরে বললাম, আমি শুধু তোমার সাথে থাকতে চাই এই ভাবে। আর কিছু আমার লাগবে না। প্লিজ আমাকে ছেড়ে তুমি অন্য কারোর কাছে চলে যাবে না তো? মা আমার কপালে চুমু খেয়ে বললো, দূর পাগল ছেলে তোকে ছেড়ে কোথায় যাবো। আমার তুই ছাড়া আর কে আছে বল তো? তোকে আর দিয়া কে একসাথে সুখে শান্তিতে সংসার করতে দেখে তবে না আমি চোখ বুজবো। আমি আবেগে মা কে জাপটে ধরে বললাম, তোমাকে যেতে দিচ্ছে কে। এই ভাবে আটকে রাখবো। আমি আর দিয়া মিলে তোমার সেবা করবো। তোমার সব ইচ্ছে পূরণ করব। মা আমাকে বুকে টেনে বললো, সে তো জানি । সেই জন্য হাজার প্রপোজাল থাকা সত্ত্বেও তোকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবতেও পারি না। তোর সুখ ছাড়া আমার কিচ্ছু চাওয়ার নেই। দিয়া তোর জীবনে পার্মানেন্ট ভাবে চলে আসলেওকে সব কিছু শিখিয়ে দেব। ও তোর ভালো খেয়াল রাখতে পারবে। মা আমার প্রতি সামান্য দুর্বল হয়েছে দেখে, আমার মধ্যে দুষ্টু বুদ্ধি ভর করলো। আমি হাত বাড়িয়ে মার নাইটি টা খুলে দিতে শুরু করলাম। মা আমাকে আটকালো না। বরং চ আমাকে নাইটি টা খুলতে সাহায্য করলো। মা কে টপলেস করে, তাকে জড়িয়ে ধরলাম। মার সুন্দর সুগঠিত নরম দুধেল মাই গুলো চোখের সামনে দেখে আমার বাড়াটা ঠাটিয়ে উঠলো। ওটা প্যান্টের ভিতর থেকে উচিয়ে উঠে মার তলপেটে ধাক্কা মারছিল। মা "আমাকে তোর এত ভালো লাগে। জানি না আমি এটা ঠিক করছি না ভুল।" বলে আমার প্যান্ট নামিয়ে পেনিস টা বাইরে বার করে আনলো। তারপর আমার পুরুষ অঙ্গের সেনসিটিভ জায়গায় হাত বোলাতে লাগলো। আমার পুরুষ অঙ্গ টা ভালো করে নেড়ে চড়ে দেখার পর, " "উফফ কি বড়ো বানিয়েছিস রে... রুমা কেনো তোকে ছাড়তে চাইছে না এইবার বুঝতে পারছি।" এই বলে মা আমাকে অবাক করে অনায়াস ভঙ্গিমায় hand job dite লাগল। আমি চোখ বুজে সেই পরম সুখ উপভোগ করতে করলাম।

মা নিজের হাতে আমাকে খাইয়ে দেওয়ার পর, মুখ মুছিয়ে দিয়ে বললো, " কি হয়েছে রে তোর? মুখে হাসি নেই কেনো? কাল আবার ঐ রূপার কাছে গেছিলি? তোকে মানা করছি তাও যাচ্ছিস কেন রে। থাকতে পারছিস না sex ছেড়ে?" আমি বললাম," ব্যাপার টা সেরকম নয়। হ্যা অামাকে যেতে হয়েছিল, রূপা আন্টি আমার অসহায়তার অ্যাডভান্টেজ নিয়েছে।আসলে একবার করেই ভিডিও তুলে নিয়েছে তোমার সাথে সাথে আমারও। কাজেই ওর কথা না শুনলে বিপদ আছে। আমি ভয়ে ভয়ে রুমা আন্টির আবদার রেখে করেছি। আর এমন ভাবে করেছে, আমার সারা গায়ে হাত পা ব্যাথা করে ছেড়েছে।" মার মুখ আমার কথা শুনে কিছুটা গম্ভীর হল। তার মুখে রাগের অভিব্যক্তি ফুটে উ ঠেছিল, যেটা সামান্য সময় পর মিলিয়ে গেলো। তারপর মা বললো তুই উপুর হয়ে শুয়ে পর আমি ম্যাসাজ করে দিচ্ছি, দেখবি আরাম লাগবে।" আমি মায়ের কথা মতন শুলাম, আর মাও একটা বিশেষ ক্রিম এনে সেটা হাতের তালুতে নিয়ে ঘষে আস আমার পিঠ আর কাধে ম্যাসাজ করতে আরম্ভ করলো। ম্যাসাজ টা নিতে সত্যি দারুন রিলিফ লাগছিল। পাশাপাশি মায়ের নরম আঙ্গুলের স্পর্শ পেয়ে অনেক টা রিফ্রেশিং ফিল করছিলাম, ম্যাসাজ দিতে দিতে মা নিজের বুকের উপরের অংশ আমার পিঠের উপর এনে স্পর্শ করাচ্ছিল। মার থেকে আমি এই লেভেল এর ইরোটিক বডি ম্যাসাজ এক্সপেক্ট করি নি। আমি প্রতি মুহূর্তে, সুখের সাগরে ভেসে যাচ্ছিলাম। মিনিট দশ পর মা কে জিজ্ঞেস করলাম, এত সুন্দর ম্যাসাজ দেওয়া তুমি শিখলে কোথায়? মা একটা হার্বাল ওয়েল এনে আমার পিঠে লাগাতে লাগাতে হাসি মুখে জবাব দিল, কর্পোরেট ক্লায়েন্ট দের satisfy korte giye EI massage শিখতে হয়েছে একজন এক্সপার্ট মাসিউর এর কাছে কটা ট্রেনিং সিজন অ্যাটেন্ড করেছিলাম। তোর ভালো লাগছে? আমি: ভীষণ ভালো লাগছে। অনেক টা ঝরঝরে লাগছে। মনের স্ট্রেস আস্তে আস্তে রিলিফ হচ্ছে। মা আমার পিঠের উপর চড়ে ম্যাসাজ করতে করতে আমায় জিজ্ঞেস করলো, সুরো, তোর রূপা আন্টি তোকে কি কি করতে বলছে সব আমায় খুলে বল? আমি চুপ করে রইলাম। উত্তর দিতে পারলাম না। মা আবারো একই প্রশ্ন করলো। তার সাথে বলল, দেখ বাবা, এখনো সময় আছে। সব কথা খুলে বল। আমার কাছে কিছু লোকাস না। রূপার কথা বিশ্বাস করিস না। বুঝতে পারছিস না রূপা তোকে সহজ সরল ভালোমানুষ পেয়ে বাজে কাজে ইউজ করছে রে। ওর কথা শুনে চললে তুই শেষ হয়ে যাবি ধীরে ধীরে। তোকে sex অ্যালকোহলিক বানিয়ে দেবে এই আমার মতন।" আমি চুপ করে রইলাম। মা আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বলে চললো, " আমাকে কথা দে, তুই যা করে ফেলেছিস করে ফেলেছিস, আর কখনো রূপা আন্টির কাছে যাবি না। এখন থেকে শুধু নিজের জবে আর দিয়ার প্রতি কনসেন্ট্রেট করবি। আমাকে ছুয়ে কথা দে।" আমি উত্তেজিত হয়ে বিছানায় উঠে বসলাম। মা আমাকে আবার শুইয়ে দি ল। আমি শোওয়া অবস্থায় ভয়ার্ত কন্ঠে বললাম , " রুমা আন্টি ওতো সহজে আমাকে ছাড়বে না। আমি চাইলেও এখন এটা পসিবল না।" মা বললো, " কি সম্ভব কি সম্ভব না সেটা আমি দেখছি। তুই শুধু আমাকে ছুয়ে কথা দে। বাকিটা আমি রুমা র সাথে বোঝাপড়া করে নেব।"

রুমা আণ্টি ব্লাউজ খুলে নিজের বিরাট মাই দুটো আমার মুখে চেপে ধরলো। আমার নিশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। কিছুক্ষন পর রুমা আণ্টি ওটা সরাতেই আমি হাঁপাতে হাঁপাতে ক্লান্ত গলায় রুমা আণ্টি কে জিজ্ঞেস করলাম, আচ্ছা রবি আঙ্কেল কে তুমিই পাঠিয়েছ না ফোন করে আজ আমাদের বাড়িতে? রুমা আণ্টি মাথা নাড়িয়ে ইশারায় হ্যা বলল। আমি বললাম, "কেনো করছো আমাদের সাথে এরকম? আমরা কি ক্ষতি করেছি তোমার? এই বার মুক্তি দাও না। রুমা আণ্টি ঠোঁটে ঠোঁট রেখে কিস করতে করতে বলল, " তুই আর তোর মা আমার কাছে সোনার ডিম পাড়া হাঁস। সেই জন্য এত পছন্দ করি। আর তোদের যা চাহিদা উফফ, এত তাড়াতাড়ি কি করে মুক্তি দি বল তো? আর দেখ তুই যদি চাস এবার থেকে তুইও এসব করে তোর মায়ের মতন ক্লায়েন্ট দের থেকে টাকা পাবি বুঝলি।" আমি বললাম, " এসব তুমি কি বলছো?" রুমা আণ্টি : " ঠিক ই তো বলছি, দেখ মাঝে মাঝে যখন তোকে আমাদের সাথে করতেই হবে, আই থিঙ্ক এভাবে তোর ফ্রীতে শরীর বিলোনোর কোনো অর্থ নেই। তোর যা বডি আর শান্ত ব্যাবহার আছে, তুই চাইলে দিব্যি ভালো টাকা কামাতে পারিস।" আমি: না না তুমি পাগল হয়ে গেছো। আমি এসব করতে পারবো না। রুমা আণ্টি: চাইলেই পারবি। আজকে তো টেস্ট হলো। তুই সসন্মানে পাশ করে গেছিস। সপ্তাহে মাত্র একটা দিন করে করবি। তোর real Identity কেউ জানবে না। ক্লায়েন্ট এর সামনে তোর মুখ ঢাকা থাকবে মাস্ক দিয়ে। আমি: না না প্লিজ আমাকে এসব ব্যাপারে involved Koro naa। আমি এসব পারবো না। আমার সাথে মা কে ছেড়ে দাও এবার।। রুমা আণ্টি আমার কোমরের উপর বসে আমার পুরুষ অঙ্গ নিজের gude set Kore sexual intercourse korte korte bollo, " Dekh Suro, toke Ami pochondo kori, tui Jodi Amar proposal mene nis, Amar kichu abdar rakhis, I promise tor maa ke esab ধান্দা থেকে আমরা অচিরেই মুক্তি দিয়ে দেবো। আর তুই রাজি না হলে তোর মায়ের দুর্বলতা আমার জানা আছে। তাছাড়া ইন্দ্রানী এখন যা সেক্সী গতর বানিয়েছে পুরুষ রা ওর চারপাশে ছুক ছুক করবেই, ও চাইলেও আটকাতে পারবে না। তোর মায়ের নেশা ধরে গেছে একাধিক পুরুষ মানুষ এর সঙ্গে শুয়ে, এখন তোদের বাড়িতে রোজ ক্লায়েন্ট পাঠালেও তোর মা কিছু বলতে পারবে না, চুপ চাপ মোটা টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে তাদের সার্ভ করতে থাকবে। এখন তুই ভেবে দেখ কি করবি। তোকে ডিসিশন নেওয়ার জন্য দুটো দিন দিচ্ছি....। " এই বলে রুমা আণ্টি আমাকে গায়ের জো রে চেপে ধরে ইন্টারকোর্স করতে লাগলো। আমি বাধা দিতে পারলাম না। রাত ভোর বিছানায় রুমা আণ্টি র সাথে কাটিয়ে তার চাহিদা মিটিয়ে সকালে র আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে আমি শার্ট আর প্যান্ট গলিয়ে নিয়ে taxi ডেকে বাড়ি ফিরলাম। রুমা আণ্টি তখন ও ঘুমাচ্ছিল। আমি তার সাহায্য নিয়ে যে কত বড় ভুল করেছিলাম টা হারে হারে টের পারছিলাম। বাড়ি ফিরে দেখলাম আমাদের বাড়ির সামনে একটা বড়ো গাড়ি দাড়িয়ে আছে। কলিং বেল বাজাতেই রবি আঙ্কেল হাসি হাসি মুখ নিয়ে দরজা খুলে বেরিয়ে গাড়ির দিকে চলে গেল। যাওয়ার আগে আমাকে অভিযোগ করলো " তুমি যদি আরো ১০ মিনিট বাদে আসতে তাহলে তোমার সুন্দরী মায়ের পুরো স্নান টা আমি দেখতে পেতাম। Next time পুরোটা দেখতে হবে, হি হি হি...।" আমি তখন নিজের জ্বালায় জ্বলছিলাম, রবি আঙ্কেল কে তাড়াতাড়ি বিদায় করে দরজা বন্ধ করে ভেতরে আসলাম। এসে দেখলাম মা তখনো নিজের ঘরে শাওয়ার নিচ্ছে। সব থেকে আশ্চর্য লাগলো মায়ের পার্সোনাল ওয়াশ্রুমের দরজা টা হাট করে খোলা ছিল। মার বেডরুমে ঢুকে ওয়াশ্রুমের দরজার পাশাপাশি খাটের দিকে ও দৃষ্টি চলে গিয়েছিল। রাত রবি আঙ্কেল এর সঙ্গে অভিসারের ফলেই হয়তো মায়ের বিছানাটা ভীষন এলো মেলো অবস্থায় ছিল। স্পষ্ট দুটো ইউজ করা কনডম মেঝে টে পরে থাকতেও দেখেছিলাম। মা কে নিজের বাড়ির ভেতর এত নির্লজ্জ কান্ড কারখানা করতে দেখবো কল্পনাও করতে পারি নি। আমার গলার আওয়াজ পেয়ে মা আমাকেও শাওয়ার নেবার জন্য খোলা আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। কিন্তু আমি এবার মায়ের আহ্বান রিফিউজ করলাম। আমি ভীষন ক্লান্ত ছিলাম। নিজের ঘরের ভিতর এসে , নিজের ফোন টা অন করলাম, দেখলাম অনেকগুলো মিসকল এসেছে দিয়া র নম্বর থেকে। ওকে একবার কল করে কথা বলে নিয়ে, আমি বিছানায় শুয়ে ঘুমিয়ে পরলাম। ঘুম যখন ভাঙলো বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে হব হব করছে। আমি বিছানা ছেড়ে উঠে ওয়ারুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আসতেই দেখলাম, মা একটা বেগুনি রঙের পাতলা হাতকাটা একটা নাইটি পরে খাবারের ট্রে নিয়ে আমার ঘরে প্রবেশ করেছে। মার ক্লিভেজ খোলা ছিল আর নাইটি টা কেবল হাঁটু র কয়েক ইঞ্চি উপরে শেষ হবার ফলে তার সেক্সী লেগ হাঁটু ও পরিষ্কার দেখা যাচ্ছিল। আমি সব কিছু ভুলে কয়েক মুহূর্তের জন্য মুগ্ধ হয়ে নিজের মায়ের অপরূপ সৌন্দর্য্যে মজে গেছিলাম। আমি সেসময় কেবল মাত্র একটা শর্ট প্যান্ট পরে টপলেস অবস্থায় মায়ের সামনে ছিলাম।মা আমাকে বিছানায় বসিয়ে নিজের হাতে পরম যত্নে খাইয়ে দিতে লাগলো।

এই উত্তর শুনে আমার মন আরো খারাপ হয়ে গেল। আমি ভিডিও থেকে মুখ সরিয়ে নিলাম। ruma aunty এগিয়ে এসে nijer হাতে আমার pant er button khule zip namiye belt khule pant খুলবার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিল। প্যান্ট খুলবার সাথে সাথে একহাতে মদ এর গ্লাস নিয়ে কবিতা আণ্টি সোফা থেকে উঠে এসে আমার কাছে এসে হাত ধরে নাচতে শুরু করলেন। অন্য দিক দিয়ে রুমা আন্টিও নাচছিল। নাচতে নাচতে কবিতা আণ্টি তার গ্লাসের পানীয় জোর করে আমার মুখের ভেতর ঢেলে দিল। র অ্যালকোহল ড্রিংক মুখে যেতেই আমি কেসে উঠলাম। আরো এক পেগ জোরাজুরি করে খাওয়ানো হলো। আর তার পরেই আমার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গেলো। কবিতা আণ্টি আমাকে জড়িয়ে ধরে কিস করতে শুরু করলো। কবিতা আণ্টি কে কিস করতে দেখে মিসেস বর্মন ও হিট খেয়ে আমার দিকে এগিয়ে এলেন। আমার শরীর কে কিছুক্ষণ জড়িয়ে ঘনিষ্ঠ ভাবে কোমর দুলিয়ে নাচার পর আমাকে সোফার ওপরেই ঠেলে ফেলে আমার উপর চড়ে বসলো। আমি পাস কাটিয়ে সরতে যাবো কবিতা আণ্টি সেখানেও আমার রাস্তা আটকে দাড়ালেন। দুজন মত্ত অভিজাত নারীর মাঝে পড়ে তাদের চাহিদা পূরণ করতে করতে আমি আমার জ্ঞান হারিয়ে ফেললাম। কয়েক ঘণ্টা পর যখন আমার জ্ঞান ফিরল আমি আমার শরীরে রন্ধ্রে রন্ধ্রে ব্যাথা অনুভব করলাম। আমার তখন সোফা থেকে উঠে দাঁড়ানোর শক্তি নেই। খানিক ক্ষণ ঐ ভাবে শুয়ে থেকে নিজের যাবতীয় শক্তি কে একজোট করে উঠে বসবার চেষ্টা করলাম, কিন্তু রুমা আন্টি এসে আমাকে আবারো শুইয়ে দিল। রুমা আণ্টি কে দেখে অবাক হয়ে গেছিলাম। শাড়ী খুলে ফেলেছিল। শুধুমাত্র সায়া আর ব্লাউজ পরে আমার সামনে এসেছিলাম। আমি বললাম, ছাড়ো আমাকে বাড়ি যাবো। রুমা আণ্টি: এই অবস্থায় তোকে ছাড়ছি না। রেস্ট নে ফ্রেশ হ আমার সঙ্গে কিছু টা কোয়ালিটি টাইম স্পেনট কর, তবে না বাড়ি ফিরবি। আমি: না না আমি বাড়ি ফিরবো, অনেক রাত হয়ে গেছে। মা চিন্তা করবে। রুমা আণ্টি: তোর মা রবি আঙ্কেল কে নিয়ে ব্যাস্ত আছে। এখন বাড়ি ফিরে করবি কি। আয় আমার সাথে আমার রুমে। কাল সকালে ফ্রেশ হয়ে ফিরে যাবি। এই বলে আমাকে টানতে টানতে নিজের রুমে নিয়ে গিয়ে বিছানায় শুয়ে দিল। তারপর আমার সামনে নিজের ব্লাউজ খুলতে শুরু করলো। আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম, এটা কি করছো রুমা আণ্টি? রুমা আণ্টি বললো, আমার সামনে দুজন এসে তোকে লুটে নিয়ে ফুর্তি করে চলে গেলো। এইবার তো আমার টার্ন suro। আমি বললাম " pls ruma aunty aaj chere dao amay।" রুমা আণ্টি আমার কোনো কথা না শুনে মায়ের ফের একটা অশ্লীল ভিডিও চালিয়ে নিজের ব্লাউজ খুল তে শুরু করলো।

রুমা আন্টির ফ্ল্যাটে পৌঁছে ওয়ার্ম ওয়েলকাম পেলাম। সেখানে রুমা আণ্টি ছাড়া মিসেস কামিনী বর্মন উপস্থিত ছিলেন। ওকে দেখে আমার উপর ভীষন চটা মনে হলো। একটা ওয়েস্টার্ণ আউটফিট পরে কামিনী বর্মন কে দারুন হট অ্যান্ড অ্যাট্রাক্টিভ দেখাচ্ছিল। রুমা আণ্টি কেও as usual Saree aar স্লিভলেস ব্লাউজ পরে sundor দেখাচ্ছিল। ওর দিকে তাকাতে পারছিলাম না। রুমা আণ্টি কথা বলে আমাদের মধ্যে ব্যাপার টা সহজ করে দিল। রুমা আণ্টি বলল, " কম অন মিসেস বর্মন, আই নো, সুরো মিসটেক করেছে, অ্যান্ড তার জন্য একটা punishment প্রাপ্য। যাবতীয় রাগ বিছানায় মিটিয়ে নিন। আগামী কয়েক ঘণ্টা সুরো আপনার সেক্স স্লেভ হয়ে থাকবে। আসুন সব ভুলে আমরা যৌনতার খেলায় মেতে উঠি।" রুমা আণ্টি র কথা মিসেস বর্মন এর পছন্দ হলো। উনি বললেন ঠিক আছে,তাহলে সেক্স স্লেভ কে রেডি করা হোক। ওর জামা প্যান্ট সব খুলে দাও। ওকে শুধু কলার ওলা টাই পরে নুড হয়ে আসতে বলা হোক। আমি এসব কথা শুনে একটু ঘাবরে গেলাম। মৃদু প্রতিবাদ করার চেষ্টা করলাম, কিন্তু এটে মিসেস বর্মন চটে গেলেন। উনি আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, " একদম চুপ... যা যা বলবো ভালো চাস তো তাই তাই করবি, কি ভেবেছিস তোর হিস্টরি আমি জানি না। একটা খানকীর ছেলে হয়ে তোর এত কিসের অহংকার রে?" কামিনী বর্মন এর কথা শুনে আমার কান লাল হয়ে গেল। রুমা আণ্টি র দিকে তাকালাম। রুমা আন্টিও আমাকে ঝামেলা না বাড়িয়ে চুপ চাপ মিসেস বর্মন এর কথা মেনে নিতে বললো। অগত্যা আর কোনো উপায় না দেখে আমি নিজের শার্ট খুলতে আরম্ভ করলাম। শার্ট খুলবার সাথে সাথে কলিং বেল বাজলো। ওরা যে কবিতা আণ্টি কেও ইনভাইট করেছে জানতাম না। রুমা আণ্টি গিয়ে দরজা খুলে দিতেই কবিতা আণ্টি এসে আমাকে জড়িয়ে ধরলো। তারপর সোফায় গিয়ে মিসেস বর্মণের পাশে বসে মদ এর পেয়ালায় চুমুক দিয়ে বললো, " আশা করি আমি কিছু মিস করি নি ঠিক সময় এসে গেছি।" রুমা আন্টি কবিতা আণ্টি কে আশ্বস্ত করলো। তারপর কবিতা আণ্টি আমার দিকে মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে হেসে বললো, " রুমা হ্যাটস অফ টু ইউ। একে কি থেকে কি বানিয়ে ফেললে। উফফ unbelievable!" কবিতা আন্টির কথা বার্তা আমার পছন্দ হচ্ছিল না। প্রতি sentence e uni amake tease করছিলেন। মিসেস বর্মন এরপর নির্দেশ দিলেন, কি হলো দাড়িয়ে গেলে " কেনো এইবার জিন্স ট্রাউজার টা খোল। নিজের জকি টা আমাদের দেখাও। কবিতা আন্টি নির্লজ্জ ভাবে হাসতে হাসতে বললো, "আমার আবার জকির তলায় লুকিয়ে রাখা এসেট টা দেখতেই বেশি ইন্টারেস্ট। আমি আর wait korte পারছি না। Come on Suro, তাড়াতাড়ি প্যান্ট খোলো।" আমি রুমা আন্টির দিকে তাকালাম। রুমা আণ্টি আমাকে ইশারায় আশ্বস্ত করে বললেন, " তিন জন সুন্দরী সেক্সী লেডি থাকা স্বত্তেও সুরো যথেষ্ট চার্জ আপ হচ্ছে না। ওকে চার্জ আপ করবার জন্য আমাকে এখন ই একটা বিশেষ ভিডিও চালাতে হবে। কি তোমরা রেডি তো? " মিসেস বর্মন আর কবিতা আণ্টি রুমা আন্টির প্রপোজাল এ সায় দিল। রুমা আন্টি দু মিনিটের মধ্যে একটা হোম মেড পর্ণ ভিডিও প্লে করলো, রুমের ৫৬" র টিভি টে পেনড্রাইভ সেট করে। ভিডিও টা প্লে হতেই, আমার গলা শুকিয়ে গেলো। ভিডিও টায় যে মাস্ক পরা B grade mature porn actress tike dekha যাচ্ছিল ওটা আর অন্য কেউ ছিল না আমার মা স্বয়ং ওটায় লিড করছিল। আর ভিডিও টে দেখা যাচ্ছিল, আমার মা দাড়িয়ে দাড়িয়ে দিব্যি অনায়াস ভঙ্গিতে দুজনের সঙ্গে একবারে সেক্স করছে। মুখ দিয়ে পেশাদার অ্যাডাল্ট বি গ্রেড অ্যাকট্রেস দের মতন জোরে জোরে aaah aaah aaah aahhh moaning sound baar korche। Sob theke আশ্চর্য্যর bishot দুজন পুরুষ মা কে লাগাচ্ছিল কোনরকম প্রটেকশন ছাড়াই। মার সঙ্গে ভিডিও টে যারা সেক্স করছিল, ওদের ঠিক চিনতে পারলাম না। দুজনের মুখ এর portion video te blur Kore dewa হয়েছিল। তবে দুজনেই যে শক্তিশালী সুপুরুষ সে বিষয়ে সন্দেহ ছিল না। মা কে সম্ভবত ওটা শুট করবার আগে নেশার দ্রব্য খাওয়ানো হয়েছিল, মা চোদা খেতে খেতে চোখ বুজে ফেলছিল মাঝে মাঝেই অস্বাভাবিক আচরণ করছিল। ওরা দুজন মেশিনের মতন চুদছিল। দুমিনিট দেখেই আমার চোখ দিয়ে জল বেরিয়ে এলো। রুমা আণ্টি এসে আমার চোখের জল মু ছিয়ে দিয়ে বললো, " দুর পাগল ছেলে, মন খারাপ করে না, let's enjoy, ETA resort e giye recently shoot koriyeche, aar ETA Kore Bhalo taka peyeche। she looks amazing। Come on pant ta khol Ebar, tui joto deri korbi, Bari firte Toto late Hobe।" আমি বললাম তোমরা মা কে দিয়ে জোর করে এই সব করাচ্ছ কেনো? রুমা আণ্টি আমার মাথায় হাত বুলিয়ে উত্তর দিল, " দুর বোকা আমরা করাতে যাবো কেন? তোর মা কি কচি খুকি নাকি? সে নিজের ইচ্ছেতেই টাকার বিনিময়ে এসব করছে...

EI bole ruma aunty phone kete dilo। Ami bishoy ta niye bhabhte Bhabte Bari পৌঁছলাম। বাড়ি পৌঁছে ড্রইং রুমে আমার জীবনের দুজন সব থেকে ইম্পর্ট্যান্ট সদস্য কে পেয়ে গেলাম। দেখলাম দিয়া মার সঙ্গে রীতিমত জমিয়ে নিয়েছে। ওদের দেখে আমি দুজন কে পালা করে জড়িয়ে ধরলাম। মা সুন্দর একটা পারফিউম মেখেছিল, তার গা থেকে বেশ একটা মিষ্টি গন্ধ আসছিল। ওদের কে একসাথে দেখে আমার মনের অনেক চিন্তা এক নিমেষে দুর হয়ে গেল। দুজনকেই নতুন কেনা housecoat পরে দারুন সেক্সী দেখাচ্ছিল। দিয়া নিজের বুক ঢেকে রাখলেও মা বুকের উপর কার বোতাম খোলা রেখে নিজের ক্লিভেজ শো করছিল। মা আর দিয়া দুজনেই আমার জন্য লাঞ্চ না করে অপেক্ষা করে বসে ছিল। তাই কথা না বাড়িয়ে হাত মুখ ধুয়ে চেঞ্জ করে এসেই dinning টেবিলে lunch khete বসলাম। বাবার সঙ্গে সেরকম সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও আমার খবর টা মা বাবার কাছ থেকে ফোনে পেয়েছিল্। দিয়া ও খবর টা মার থেকে পেয়েছিল। অনেকদিন পর মা নিজের হাতে খাবার পরিবেশন করলো। স্বাভাবিক ভাবেই আমার আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে গেল। ডাইনিং টেবিলে বসে খেতে খেতে তিনজনে বেশ হাসি মজা গল্প হচ্ছিল। অনেক দিন পর মা কে দেখে বেশ ঝড় ঝড়ে লাগছিল। আমি চলে আসবার পর সেদিন রাতে রুমা আন্টির ফ্ল্যাটে কি কি হলো জিজ্ঞেস করে আমি পরিবেশ টা নষ্ট করলাম না। দিয়ার সামনে মা সহজ ভাবে যা যা ঘটেছে উত্তরও দিতে পারতো না। রুমা আন্টির কথা মতন বাড়ি থেকে বেরোনোর সুযোগ ও খুব দারুন ভাবে এসে গেল। দিয়ার বাড়ি থেকে ফোন এসেছিল। ওর বাবা বাড়ি ফেরত আসার জন্য ফোন করেছিলেন। নিজের বাবার request Diya ফেলতে পারল না। দুদিনের জন্য হলেও বাড়ি ফেরার ডিসিশন নিল। ফোন রেখে অবশ্য আমাদের প্রমিজ ও করলো যে দুদিন পর পার্মানেন্ট লি ও চলে আসবে আর আমাদের সঙ্গেই থাকবে। মা ওকে চুলে স্নেহের হাত বুলিয়ে আদর করে আমাকে বাড়ি ড্রপ করে আসতে বললো। আধ ঘন্টার মধ্যে আমি দিয়া কে নিয়ে বেরিয়ে গেলাম। ওর বাড়িতে গিয়ে দিয়ার মা বাবা দেখলাম নিজেদের মধ্যে দারুন দাম্পত্য কলহ করছে। সম্ভবত নন্দিনীর কারেন্ট প্রফেশন এর কথা ভদ্রলোক জেনে ফেলেছিলেন আর তা নিয়ে ঝামেলা শুরু হয়েছিল। অবশ্য আমাদের দরজায় দাড়িয়ে থাকতে দেখে ওদের ঝামেলা থেমে গেলো। নন্দিনী আমাকে দেখে এগিয়ে এসে ভেতরে নিয়ে আসলো। দিয়ার বাবা খুব রাশ ভারী লোক , উনি আমার দিকে একবার তাকিয়ে দিয়ার হাত ধরে ওকে নিয়ে ভেতরে র ঘরে নিয়ে চলে গেল। নন্দিনী বললো, " প্লিজ সুরো ওর ব্যাবহারে কিছু মাইন্ড কর না। আমরা মা মেয়ে তোমার সঙ্গে আছি। দিয়া তোমাকে পছন্দ করে খুব বুদ্ধিমানের কাজ করেছে। ওর বাবা যদি তোমাদের সম্পর্ক মেনেও না নেয়, আমি তোমাদের সাপোর্ট করবো, কিছুটা নিজের স্বার্থে। এখন এসো আমার সাথে।" এই বলে একটা মিস্তেরিয়াস হাসি হেসে আমার হাত ধরে টানতে টানতে নিজের বেডরুমের দিকে নিয়ে গেল। আমি নন্দিনী কে আটকাতে পারলাম না। আমাকে রুমে এনে দরজা বন্ধ করে, শাড়ির আঁচল টা নিজের থেকে বুকের উপর থেকে সরিয়ে নিয়ে, আমাকে বিছানায় বসিয়ে ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুমু খেতে শুরু করলো। আমি বললাম কি করছো ? ছাড়ো আমায়। নন্দিনী পাগলের মতো কিস করতে করতে বলল "দুদিন আমার মেয়েকে পেয়ে আমাকে ভুলে যাবে টা কি করে হয় সুরো। আমাকেও এবার তোমার সময় দিতে হবে, তবেই দিয়া কে কাছে পাবে বুঝেছ?" এই বলে নন্দিনী আমার ট্রাউজারের বেল্ট আর বাটন খুলতে লাগলো। নন্দিনীর শরীরী ভাষা দেখে পরবর্তী ইঙ্গিত বুঝতে অসুবিধা হল না। কিস করবার সময় নন্দিনীর মুখে পরিষ্কার মদ এর গন্ধ পেলাম। এই নন্দিনী কে আমার খুব অচেনা লাগছিল, প্রথমবার নন্দিনীর সঙ্গ আমার ভালো লাগছিল না। আমি বেশ বুঝতে পারছিলাম দিয়া কেনো বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিল। এই অবস্থায় নন্দিনী কে বুঝিয়ে কোনো কাজ দিত না। নন্দিনী আমাকে দেখে সেক্স এর বাই চেপেছিল, ১০ মিনিটের জন্য আমাকে নিজের প্যান্ট খুলে নন্দিনীর সাথে শুয়ে ওর শখ রাখতে হলো। রুমা আণ্টি র কাছে যাওয়ার ছিল, তাই কোনো রকমে ওকে ম্যানেজ করে, দিয়া দের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বেরিয়ে আসলাম।

" মা কে দেখে মনে হচ্ছিল আগের রাতের হাং ওভার পুরোপুরি কাটে নি। গাড়ির শব্দ শুনে দিয়াও কিছুক্ষন পর রুম থেকে বাইরে ড্রইং রুমে আসলো। এসে আমাকে জিজ্ঞেস করলো, " আণ্টি ফিরলো?" আমি জবাব দিলাম, " হ্যা ফিরেছে, তবে খুব tired। Ma ke ekhon disturb Koro na। শোনো Ami ekhon বেড়াচ্ছি, ইউনিভার্সিটি যাবো result collect korbo, tarpor সেখান থেকে virtual interview debo। ফিরে এসে একসাথে লাঞ্চ করব। যদি দেরি হয় তুমি খেয়ে নিও। রান্নার লোক একটু বাদেই আসবে। যা খেতে ইচ্ছে হয় বলবে বানিয়ে দেবে। আর তোমার কিছু প্রয়োজন হলে ফোন করো আমি ফেরবার পথে নিয়ে আসবো। Ok?" দিয়া আমার কথায় সম্মতি সূচক মাথা নাড়ল, তারপর ওর কপালে চুমু খেয়ে আমি আমার ফাইল নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। ইউনিভার্সিটির কাজ সারতে আধ ঘন্টা সময় লাগলো। বন্ধুদের সঙ্গে গ্রুপ ছবি তুলতে আরো দশ মিনিট। তারপর সেখান থেকে আমি সেই রিসার্চ ফাউন্ডেশন এর অফিসে চলে গেলাম। বাবার যিনি বন্ধু অর্থাৎ কোম্পানির কর্ণধার বাইরে থাকেন। তবে তার সঙ্গে ঐ রিজিওনাল অফিসে বসে virtual ইন্টারভিউ এর ব্যাবস্থা হয়েছিল। ১৫ মিনিট ধরে ইন্টারভিউ চলল। সব শেষে স্যালারি নিয়ে আলোচনা হলো। স্টার্টিং এ আমার ৫৫০০০ টাকা মাইনে ধার্য হল। আমি রাজি হয়ে গেলাম । উনি আমাকে congratulate Kore Mon diye kaj korte utsah dilen। আরো আধ ঘন্টা অপেক্ষা করলাম হেড অফিস থেকে appointment letter fax Kora Holo। সেটা আমার হাতে দেওয়া হলো। সেই সাথে বলা হলো পরশু থেকে জয়নিং। রিজিওনাল অফিসের manager মিস্টার swaminathon খুব my dear person। আমাকে জব পাওয়ার খুশিতে মিষ্টিও খাওয়ালেন। তারপর আরো সব কলিগ দের সাথে আলাপ করে দিলেন। প্রথম দর্শনে সবাই বেশ আন্তরিক আর হেল্পফুল মনে হলো। Interview sesh hobar por Ami dher ঘণ্টা ঐ অফিসে ছিলাম। তারপর অফিস থেকে বেরিয়েই বাবা কে ফোন করে good news janiye dilam। Ami or kotha sunechi dekhe Baba bes সন্তুষ্ট হয়েছিল। বাবা সব শুনে বললো এরপর যেদিন দেখা হবে বাবা আমাকে একটা বড়ো ট্রিট দেবে। তারপর ফোন রেখে ek packet Misti kine বাড়ির দিকে রওনা দিলাম। ফেরার পথে রুমা আণ্টি কে ফোন করলাম, আমি চাকরির খবর টা বলে রুমা আণ্টি কে request korlam, he Mrs burman er byapar ta Ektu dekhe nite। Uni hayto Amar upor khoche giye Kono step nite paren।" Ruma aunty Amar nijer যোগ্যতায় job pabar khobor ta peye khub khusi হয়েছিলেন। তাও আমাকে একটু টিজ করে বললো, " হ্যা তোমরা মা ছেলে মিলে একটার পর একটা কান্ড করবে আমি সেটা manage korbo। Mrs burman onek গভীর জলের মাছ। O এটা সহজে ভুলবে না।" আমি বললাম, " দেখো আমি ওনার সাথে দেখা করে ক্ষমা চাইতে ও রাজি আছি। আমি অনেক তাই বয়েসে ছোট। Nicchoi এবারের মতন মাপ করে দেবেন।," রুমা আণ্টি: দেখ সুরো প্রত্যেক ভুলের একটা মূল্য চোকাতে হয়। তোর মা কেও চোকাতে হচ্ছে এখন তোকে ও হবে। তুই এক কাজ কর আজ রাতে আমার এখানে চলে আয়। কামিনী বর্মন এর সঙ্গে একটা মিটিং ফিক্স করছি। ওকে আরো একবার বিছানায় খুশি করে দে। কাজ হয়ে যাবে। আমি: আজ কে কি করে বেড়াবো আণ্টি? মা বাড়িতে আছে তার উপর gf eseche। Ruma aunty: byapar ta fele rakhle interest diye dam চোকাতে হবে। আজকে যাই হোক করে একটিবার চলে আয় , চেষ্টা করবো যত তাড়াতাড়ি ছেড়ে দেওয়ার। ৯ টা নাগাদ চলে আয়। আসলে তোর মায়ের লেটেস্ট এমএমএস ভিডিও টাও তোকে দেখতে পারবো। তুই নিচ্ছয় এবার ইন্টারেস্টেড হবি। চল bye।

মায়ের চিন্তায় একটু বেশি মদ খেয়ে ফেলেছিলাম। দিয়া কোনো মতে একটা taxi ডেকে আমাকে বাড়িতে ফেরত এনেছিল। বাড়িতে এসে ও আমাকে আমার ঘরে এনে শুইয়ে দিল। ঘরে শুইয়ে দিয়ে যখন দিয়া বেরিয়ে যাচ্ছে আমি ওকে হাত ধরে টেনে নিজের কাছে আনলাম, তারপর ওকে পুষ করে বিছানায় আমার সাথে শুইয়ে দিলাম। দিয়া অবাক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকালো , আমি ওর টপ টা টেনে খুলতে লাগলাম, ও কোনো বাধা দিল না। ওকে শক্ত করে ধরে নিজের কাছে আনলাম, এইভাবে আস্তে আস্তে দুজনের ঠোঁট এক জায়গায় আসলো। আমরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে খানিক খন আদর কর বার পর একে অপরকে জড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। সকালে ঘুম ভাঙ্গলো নিজেকে আরও একবার দিয়ার সাথে এক চাদরের তলায় শুয়ে থাকতে আবিষ্কার করলাম। দিয়া কে আমার পাশে অর্ধ নগ্ন অবস্থায় দারুন মিষ্টি লাগছিল। দিয়ার গালে ভালোবাসা ভরা চুমু খেয়ে, আমি বিছানা ছেড়ে উঠে পরলাম। বিছানা ছেড়ে উঠেই, প্রথমে কিচেনে গেলাম। আমার আর দিয়ার জন্য বেশ কড়া করে কফি বানালাম। তারপর একটা ট্রে টে করে কফি আর বিস্কিট নিয়ে আমার রুমে আসলাম। দিয়া কে ঘুম থেকে তুললাম, ওর হাতে কফি মাগ এগিয়ে দিলাম। ও আমাকে ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুমু খেয়ে বললো, " তুমি না আমার অভ্যাস খারাপ করে দিচ্ছ। বাড়িতে আমি বেড এ বসে বাসি মুখে কফি খেতাম না।" আমি জবাবে হাসলাম । তারপর ফ্রেশ হয়ে বাবার পরিচিত সেই ব্যাক্তির কোম্পানির ইন্টারভিউ এর জন্য তৈরি হচ্ছি এমন সময় বাইরে একটা গাড়ি থামার আওয়াজ পেলাম। যা আন্দাজ করেছিলাম তাই মা অবশেষে বাড়ি ফিরলো। মা ফিরেই কোনো কথা না বলে, গট গট করে ওপরে উঠে সোজা নিজের রুমে চলে গেল। এক ঝলক যা দেখলাম সেসময় মার চুল অবিনস্ত আর চোখ লাল হয়ে ছিল।

এরপর নির্দিষ্ট অনলাইন সাইটে গিয়ে রেজাল্ট চেক করলাম। প্রত্যাশা মতন ফার্স্ট ক্লাস পেয়েই পাস করে ছিলাম। রেজাল্ট বেরোনোর পর বন্ধু আত্মীয় স্বজন দের ফোন আসতে লাগলো। একে একে সবার সাথে কথা বলে সবার থেকে শুভেচ্ছা গ্রহণ করার পর , বাবার সাথে ও অনেকদিন বাদে কথা হল। বাবা আমার রেজাল্ট শুনে খুব খুশি হয়ে ছিলেন। বাবা আমার জন্য ওর এক বন্ধুর ফার্মে ব্যাবস্থা করে রেখেছিলেন। কালকেই সেখানে গিয়ে রিপোর্ট করতে বললেন, বাবা সাথে সাথে তার সুপারিশের একটা চিঠি ইমেইল ও করে দিয়েছিলেন। বাবার বন্ধুর এই কোম্পানি টা ব্যাঙ্গালোরের হলেও আমি আমার শহরে থেকেই রিজিওনাল অফিসে থেকেই কাজ করতে পারবো শুধু মাসে এক দু বার আমাকে ওদের হেড অফিসে গিয়ে রিপোর্ট করতে হতে পারে। সব মিলিয়ে আমার মতন ছেলের পক্ষে এর চেয়ে সন্মানের কাজ হয় না। বাবা বললো অন্তত দুই বছর এই রিসার্চ ফাউন্ডেশন এর সাথে যুক্ত থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করে আমি আরো বড়ো জায়গায় কাজের জন্য এপ্লাই করতে পারি। আমি বাবার ফোন রেখে একটা কথাই চিন্তা করছিলাম বাবার করে দেওয়া এই যোগাযোগ মা কিভাবে নেবে। মার কথা ভাবতে ভাবতে রুমা আন্টির ফোন এলো, congrats Suro bole ruma aunty amake suveccha barta দিলেন। শুভেচ্ছা পর্ব মেটার পর আমি ওকে ডিরেক্ট আমার মার কথা জিজ্ঞেস করলাম, রুমা আন্টি গলার voice Ektu namiye বলল, " সুরো তোর মা কাল রাতে কামাল করে দিয়েচে, পার্টির ওকে এত পছন্দ হয়ে গেছে যে ওকে বুক করে একটা রিসোর্ট এ নিয়ে গেছে। চিন্তা করিস না রিসোর্ট থেকে সন্ধ্যের মধ্যেই তোর মা বাড়ি ফিরে আসবে।" " হ্যা আরেকটা কথা কাল রাতে তোর মার সৌজন্যে আমরা দারুন সব ফুটেজ পেঁয়েছি। একদিন চলে আয় আমার কাছে সব দেখাবো হা হা হা.. ইন্দ্রানী সত্যি দারুন উন্নতি করেছে।" রুমা আণ্টি র ফোন রাখার সাথে সাথে দিয়া এসে আমাকে পিছন দিক থেকে জড়িয়ে ধরলো, আমি ওকে সামনে এনে ওর ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুমু খেলাম। আমার রেজাল্ট দেখে দিয়া ও ভীষন আনন্দ পেয়েছিল, ওকে আগের রাতের তুলনায় অনেক টা ঝড় ঝড়ে relax লাগছিল। চুমু খাবার পর আমরা দুজনেই আস্তে আস্তে sexually heat kheye gechilam। দিয়া আমাকে ছাড়তে চাইছিল না। আমাকে হাত ধরে রুমের ভেতর নিয়ে গেলো, আমি মন্ত্র মুগ্ধের মতন দিয়ার সঙ্গে গেলাম। তারপর আমরা আবার সেই গেস্ট রুমের গিয়ে একে ওপর এর সঙ্গে আবারও অবাধ যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হলাম। দিয়া আমাকে এবার তাকে ভোগ করতে কোনো বাধা দিল না। খোলাখুলিই লাগাতে দিল। সারা দুপুর ওকে নিয়ে বিছানায় খেলবার পর মার চিন্তা আস্তে আস্তে আমার মাথার মধ্যে আসছিল। ফোনে কিছুতেই তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না ফলে চিন্তা হাওয়া স্বাভাবিক। তারপর সন্ধ্যের পর ও মা না ফেরায় আমি চিন্তায় চিন্তায় অস্থির হয়ে গেলাম। আমাকে মার চিন্তায় অস্থির দেখে দিয়া ও আপসেট হয়ে পড়েছিল। শেষে ও আমাকে নিয়ে সন্ধ্যের পর একটু ঘুরতে বেড়ালো। ঘরে বসে বসে ভালো লাগছিল না। কাজেই আমি দিয়ার সঙ্গে বাইরে একটু ঘুরে আসার ব্যাপারে আপত্তি করলাম না। শপিং মল ঘুরে হালকা শপিং করে, আমরা একটা চাইনিজ রেস্তোঁরা টে ডিনার সারতে গেলাম। সেখানে আমার কিছু পুরনো বন্ধু বান্ধব ও by chance জুটে গেছিল। রেজাল্ট আউট এর celebration korte ora sabai hard drink ER order dilo। আমার আর দিয়া অবশ্য হার্ড ড্রিংক খাবার ব্যাপারে আপত্তি করেছিলাম, কিন্তু আমাদের আপত্তি ধোপে টিকলো না। আমাদের টেবিলে যখন মদ ভর্তি সব পেয়ালা আসলো, আমি তখন মা কে কনস্ট্যান্ট try Kore যাচ্ছিলাম ফোনে। কিছুতেই মা কে লাইনে পারছিলাম না। একবার তো মার লাইন তিনবার রিং হয়ে কেটে গেল। আরো একবার ট্রাই করলাম দেখলাম মার ফোন টা সুইচ অফ হয়ে গেছে শোনাচ্ছে, এরপর আমি কিছুটা আপসেট হয়ে ই মদের পেয়ালা টে চুমুক দিলাম।

আমি: মনের জোর টা পারছিলাম না। তুমি আসা টে ফিরে পেলাম। আচ্ছা তুমি কিছু খেয়েছো? নাকি না খেঁয়েই বাড়ি থেকে চলে এসেছ আমার কাছে? দিয়া মাথা নাড়লো, আমি উঠে কিচেনে গিয়ে ওর আর আমার জন্য সামান্য কিছু খাবার গরম করে নিয়ে আসলাম। দিয়া ওয়াশ রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে এসে আমার সাথে বসে বেশ আয়েশ করে সেটা খেল। তারপর একসাথে বসে গল্প গুজব করে ওকে গেস্ট রুমে নিয়ে গিয়ে ওর শোওয়ার ব্যাবস্থা করে দিলাম। আমি যখন ওকে গুড নাইট বলে চলে আসছি, এমন সময় দিয়া এসে আমাকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরলো, আদুরে গলায় বলল, " আমার সঙ্গে আরও কিছু খন কাটিয়ে যাও না সুরো, আজকে আমি একা থাকতে পারবো না।" বাধ্য হয়ে আমিও অগত্যা দিয়ার সঙ্গে ঐ গেস্ট রুমের ভেতর আটকা পড়ে গেলাম। দিয়া আমাকে জড়িয়ে ধরলো, আমি ওকে বললাম, " কি করছো দিয়া , ছেড়ে দাও আমায়, এরপর আমি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারব না।" দিয়া আমার বুকে মুখ ঘষতে ঘষতে বলল," তোমাকে এত কাছে পেয়ে ছাড়তে ইচ্ছে করছে না।" দিয়ার সাথে জড়াজড়ি অবস্থায় বিছানায় গেলাম। দিয়া ভেতরে ভেতরে খুব অশান্ত হয়ে ছিল। তাকে শান্ত করতে আমিও ওকে আদর করতে শুরু করলাম । দিয়া বাধা দিল না বরং চ নিজের সব কিছু খুলে দিল। আস্তে আস্তে নিজের হাফ প্যান্ট সরিয়ে নিজের পুরুষ অঙ্গটা বের করলাম, ওটা দেখে দিয়া নিজের থেকেই পা ফাঁক করে দিল। আমি ইতস্তত বোধ করছি দেখে নিজেই বলল, আমার মা কে তো দিব্যি ভোগ করেছো, টা আমার সঙ্গে করবার সময় তুমি এত uncomfortable feel Koro keno? Come on baby..." দিয়ার ধমকে আমার পুরুষ স্বত্বা যেন আঘাত পেয়ে জেগে উঠল। আমি ওর গুদ এর মুখে সেট করে আস্তে আস্তে ভেতরে ঢুকিয়ে দিলাম। দিয়া উত্তেজনায় কেপে উঠলো, আমি ওর দুই হাত বিছানার উপর চেপে ধরে আস্তে আস্তে ঠাপ দিতে আরম্ভ করলাম। দিয়া নিজের সব টুকু উজাড় করে দিয়ে আমাকে সন্তুষ্ট করবার চেষ্টা করছিল। আমিও ওকে মন থেকে আদর করছিলাম, ওর যাতে বেশি অসুবিধা বা কষ্ট না হয় সেদিকে নজর দিচ্ছিলাম। দিয়া মাঝে মাঝে ই অস্ফুটে আই লাভ ইউ সুরো, কথা টা উচ্চারণ করে আমাকে গরম করে দিচ্ছিল। দুজনে দুজনের মনের উদ্বেগ কমাতে সেক্স কে বেছে নিয়েছিলাম। আমি আর দিয়া মিলে আমাদের বাড়ির গেস্ট রুমের বিছানায় একটা দারুন যৌণ উত্তেজনাময় রাত কাটানোর পর সকাল হতে দুজনে প্রায় একসাথে বিছানা ছাড়লাম। দিয়া কে কফি করে এনে দিলাম। তারপর একসাথে বসে কফি খেলাম। সকালে বিছানায় বাসি কাপড়ে ওকে যেন আরো সেক্সী দেখাচ্ছিল। একসাথে বসে ব্রেকফাস্ট ও করলাম। মাঝে একবার নন্দিনী কে এসএমএস করে জানিয়ে দিয়েছিলাম যে ওর মেয়ে আমার সাথে আছে গতকাল রাত থেকেই, দুই মিনিটের মধ্যে রিপ্লাই ও আসলো " আমি জানি ও তোমাকে পছন্দ ক রে ওর খেয়াল রেখো।"

দিয়া আমার কাছে এসে অব্ধি একটা কথা না বললেও, দিয়ার চোখে আমি স্পষ্ট সমর্পণের দৃষ্টি খুঁজে পারছিলাম, যা আমি এর আগে কোনো নারীর চোখে দেখি নি। যা দেখে আমি কার্যত ভয় পেয়ে গেলাম। আমি ওর জন্য এক গ্লাস জল এনে ওকে দিলাম। আমি দেখলাম ঢক ঢক করে এক নিশ্বাসে খেয়ে নিল। তারপর আমার হাত ধরে আমার চোখে চোখ রেখে বললো," আমাকে তোমার এখানে থাকতে দেবে প্লিজ, আমি বাড়ি ছেড়ে চলে এসেছি। ঐ নরকে আমি আর থাকবো না।" আমি বললাম, " কি হয়েছে দিয়া, আমায় খুলে বলবে?" দিয়া: মা বাবা দুজনেই নিজেদের মতো ব্যভিচারে লিপ্ত। কাল তো বাবা নেশার ঘোরে মনোরমা আণ্টি কে বাড়িতে এনে তুলেছে, মা তিন দিন হলো বাড়ি ফিরছে না। আমার ওখানে দম বন্ধ হয়ে আসছে। ওখানে থাকলে আমি মারা পড়বো। প্লিজ আমাকে থাকতে দাও, আমার কোথাও যাওয়া র নেই বিশ্বাস করো। আমি ওকে সোফায় বসিয়ে শান্ত স্বরে বললাম, সে তুমি তোমার যতদিন ইচ্ছে থাকতেই পারো, কিন্তু তোমাকে জানিয়ে রাখা দরকার আমার মাও একই রকম চরিত্রহীন নারী। এখানে থাকলে চোখের সামনে অনেক পুরুষ মানুষ কে মার সঙ্গে দেখবে। তাছাড়া আমি ও তোমার মতন হাপিয়ে উঠেছি মা কে নিয়ে তাড়াতাড়ি বাইরে চলে যাবো চাকরি নিয়ে। বাইরে বলতে দেশের বাইরে না। অন্য রাজ্যে বড়ো শহরে। দিয়া আমার কথা শুনে বলল, " আমি একটু হলেও মানুষ চিনতে পারি। তুমি আমার সামনে অন্তত নিজের থেকে কোনো ব্যভিচার করবে না। তুমি ঐ ধরনের ছেলে নও। তোমার মা যখন তোমার সঙ্গে যেতে সায় দিয়েছেন তিনিও তোমার মতন ভালো মনের মানুষ ই হবেন।আমার মা তো টাকার নেশায় অন্ধ হয়ে আমার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছে। নাহলে আমিও তো বাইরের ইউনিভার্সিটি থেকে স্কলারশিপ পেয়েছিলাম। আমি চুপ করে গেলাম, এরপর দিয়া ওর মায়া ভরা চোখে আমার দিকে সমর্পণের দৃষ্টি টে তাকিয়ে বলল, " আচ্ছা তোমার জীবনে বিশেষ কেউ আছে? আমাকে খুলে বলো, আমার জানা টা ইম্পর্ট্যান্ট।" আমি বললাম , " তোমার মার প্রতি আমার সামান্য দুর্বলতা ছিল। কিন্তু সে আমায় প্রত্যাখ্যান করেছে বুঝতে পারছি। তাকে ছাড়া সেদিনের পর থেকে আমি তোমার প্রতি দুর্বল।" দিয়া বললো, " আমারও তো সেদিনের পর থেকে তোমার কথাই শুধু আমার মনে হয় জানো, আমি মনে হয় না তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবো না।" আমি: কি বলছ ভেবে বল দিয়া আমার জীবনে অনেক নারী এসেছে বিছানায়।তারা আমাকে ব্যাবহার করেছে। দিয়া: তারপরেও আমি তোমার সঙ্গে থাকতে চাই। তোমাকে ওদের হাতে নষ্ট হতে দিতে পারি না। আমি আর থাকতে না পেরে জড়িয়ে ধরলাম , সেদিনই তো বলতে পারতে, আমি তাহলে এই জব এর জন্য বন্ড পেপারে সাইন করতাম না। এই বলে দিয়া কে সব খুলে বললাম। সব কথা শুনে দিয়া আশ্চর্য হয়ে গেছিল। যাই হোক কোন পরিস্থিতির শিকার হয়ে আমি ওটা করতে বাধ্য হয়েছি সেটা বুঝতে পেরে দিয়া আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছিল। দিয়া: আজ তো তোমাকে মনের কথা বললাম। আর আমার মনে হয় তুমি ওটা নিয়ে বেকার চিন্তা করছো। আদৌ ওটা নিয়ে ভাবার কিছু হয় নি। তবে জয়ন যখন করো নি। আই থিঙ্ক ঐ টার্ম পেপারের কোনো মূল্য নেই। তুমি যখন সই করেছিলে কোনো উইটনেস ছিল না তো? আমি: না কেউ ছিল না। দিয়া: তবে আর কি, কাল তোমার রেজাল্ট বেরাক, তারপর ভালো দেখে একটা জায়গায় application kore debe। Ar Ami toh Tomar sange acchi।

বাড়ি ফিরে এসে একা একা খুব বোর লাগছিল। তখন নন্দিনীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলাম। দু তিন বার চেষ্টা করার পর ফোনে সংযোগ স্থাপন হয়েছিল, সেই সময় হোটেল রুমে সেক্স সার্ভিসে ব্যাস্ত থাকায় নন্দিনী আমার সঙ্গে ভালো করে কথা বলতে পারলো না। ওর গলার সুর শুনে কেনো জানি মনে হচ্ছিল প্রথম বার নন্দিনী আমার সাথে কথা বলতে খানিকটা বিরক্ত বোধ করছে। তাও যতটুকু বলল, তার জন্য ওর ক্লায়েন্ট এর কাছে হিন্দিতে গালি খেলো। আমার তাতে খারাপ লাগলো, আমি ফোন টা রেখে দিলাম। নন্দিনীর মতন নারী কে পেয়েও ভাগ্যের পরিহাসে হারিয়ে ফেলেছিলাম। আমি নন্দিনীর কাজের সময় নষ্ট না করে ফোন টা রেখে দিলাম। রাত এর খাবার নিজেই গরম করে খেয়ে যখন নিজের রুমে গিয়ে শুয়ে পড়ব ভাবছি। এমন সময় দরজায় কলিং বেল শুনে কিছুটা অবাক ই হলাম। এত রা তে আবার কে এসেছে দেখার জন্য দরজা খুলে বিস্ময়ে অবাক হয়ে গেলাম। দিয়া মুখ নিচু করে দাড়িয়ে ছিল তার সামনে ওর লাগেজ ও ছিল। আমি দরজা খুলতেই ও কোনো কথা না বলে গট গট করে হেঁটে লাগেজ নিয়ে ভেতরে চলে আসলো। আমি দরজা বন্ধ করে ওর পেছন পেছন ড্রইং রুমের মধ্যে প্রবেশ করলাম। দিয়ার এই অপ্রত্যাশিত আগমন আমাকে বাকরুধ্ব করে দিয়েছিল।