খোরাসান আপডেট...
前往频道在 Telegram
3 775
订阅者
-124 小时
-57 天
-2430 天
吸引订阅者
七月 '26
七月 '26
+2
在0个频道中
六月 '26
+45
在2个频道中
Get PRO
五月 '26
+72
在2个频道中
Get PRO
四月 '26
+55
在2个频道中
Get PRO
三月 '26
+434
在4个频道中
Get PRO
二月 '26
+703
在3个频道中
Get PRO
一月 '26
+177
在4个频道中
Get PRO
十二月 '25
+196
在3个频道中
Get PRO
十一月 '25
+274
在6个频道中
Get PRO
十月 '25
+2 377
在9个频道中
Get PRO
九月 '25
+5
在5个频道中
Get PRO
八月 '25
+9
在2个频道中
| 日期 | 订阅者增长 | 提及 | 频道 | |
| 02 七月 | +1 | |||
| 01 七月 | +1 |
频道帖子
Repost from সীরাতে মুহাম্মাদ ﷺ
আমাদের সপ্তম সীরাত প্রতিযোগিতার রেজিস্ট্রেশনের শেষ দিন আজ...
যারা এখনও রেজিস্ট্রেশন করেন নি, দ্রুত সময়ের মধ্যে করে নিন...রেজিস্ট্রেশন লিংক: https://forms.gle/3xMDq5v6AgrVoX9i6
| 2 | আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের ৩৯ জনের কাফেলা মদীনায় পৌঁছেছে...
জুলাই মাসে দুইটি কাফেলা যাবে, ইনশাআল্লাহ
হোয়াটসঅ্যাপ: 01855640147 | 242 |
| 3 | ভাবা যায়? এক সময়ের ধ্বংসস্তূপ থেকে আজ এক অবিশ্বাস্য উত্থান। আফগানিস্তান তালেবের নিয়ন্ত্রণের ৪ বছরে-----
▪️আফগানিস্থানে দুর্নীতি এখন প্রায় শূন্যের কোটায়।
▪️সমস্ত বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে। আফগান নাগরিকরা এখন সম্পূর্ণ ঋণমুক্ত। আর বর্তমানে বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ প্রায় ৭৫ হাজার টাকা।
▪️ ২০২১ সাল থেকে এপর্যন্ত আফগানিস্তানে মাত্র ৩টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে এবং ধর্ষকদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছে। অথচ আমেরিকায় প্রতি বছর ৫০ হাজারের উপর ধর্ষণ, ভারতে প্রতি ১৫ মিনিটে ১ জন, বাংলাদেশের হিসাব বাদই দিলাম।
▪️গত ১ বছরে পুরো দেশে ব্যক্তিগত দ্বন্দে খুন হয় মাত্র ৫৮ জন, অথচ আমেরিকা ৪০ হাজারের উপর, ভারতে ৫-১০ হাজার, বাংলাদেশেও অগনিত।
▪️ পৃথিবীর একমাত্র রাজধানী আফগানিস্তানের কাবুল যেখানে কোন ভিক্ষুক নাই। ভিক্ষুকদের ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা ও মাসের খাবার দেওয়া হয়। বর্তমানে কান্দাহারেও এক কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে। অথচ আমেরিকার মত দেশেও ভিক্ষুকের অভাব নাই।
▪️ পুরো আফগানিস্তান এখন মাদক মুক্ত। মাত্র ৪ বছরেই ৩০ লক্ষ মাদক আসক্ত নাগরিক পুনর্বাসিত হয়েছে। পাশাপাশি তাদেরকে বিভিন্নরকম কাজের প্রশিক্ষন দিয়ে দক্ষ করে তোলা হয়েছে।
▪️ আফগানে এখন সব ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠা কর মুক্ত। চীন সহ কেবলমাত্র পৃথিবীর হাতে গুনা ২/৪ টা দেশে এই সুবিধা আছে।
▪️ ইভটিজিং ও নারী নির্যাতন শূন্য শতাংশে নেমে এসেছে। কোনো যুবক ইভটিজিং করেছে বলে প্রশাসনের কানে খবর পৌছালে পরদিন থেকে তাকে আর এলাকায় পাওয়া যায়না, তাকে পাওয়া যায় পুনর্বাসন কেন্দ্রে।
▪️ নারীদের জন্য আলাদা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কেবলমাত্র নারী শিক্ষিকা, নারী ডাক্তাররা নিয়োগ পাচ্ছে। এভাবে নারীদের নিরাপদ কর্মসংস্থানও তৈরি হচ্ছে।
▪️ চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ প্রায় শূন্য শতাংশে। এমনকি তালেব সরকার ক্ষমতা গ্রহনের পর অতিতে চুরি করা সম্পদ মালিককে ফিরিয়ে দেবার ঘটনাও ঘটেছে।
▪️আফগানে বেকারত্বের হার অনেক কমে এসেছে। স্বনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে আফগান সরকার প্রচুর প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পাশাপাশি যুবকদেরকে ট্রেনিং দিয়ে বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত করছে।
▪️বিদেশি সাহায্য নির্ভর নয়, আফগানিস্তান এখন আত্মনির্ভরশীল রাষ্ট্র।
ভাবা যায়? এক সময়ের ধ্বংসস্তূপ থেকে আজ এক অবিশ্বাস্য উত্থান।
© সংগৃহীত | 452 |
| 4 | অনেকেই আজ আশ্চর্য হয়ে প্রশ্ন করেন:
“দ।জ্জ।ল সম্পর্কে এত স্পষ্ট ও বিস্তারিত দিকনির্দেশনা থাকার পরও মানুষ কীভাবে তার অনুসারী হবে? মানুষ কীভাবে একজন চোখা-খোঁড়া মানুষকে ‘রব’ হিসেবে মেনে নেবে? বিশেষ করে নামধারী মুসলিমরাই বা কীভাবে এই ধোঁকায় পা দেবে?”
এই কঠিন প্রশ্নগুলোর সহজ এবং বাস্তবসম্মত জবাব পেতে হলে, বর্তমান সময়ের ফুটবল উন্মাদনা ও ফুটবলার প্রেমের মনস্তত্ত্বের দিকে একটু নজর দিন:
আমরা ঠিক যেই কারণে, যেই উদ্দেশ্যে এই তারকাদের ভালোবাসি; যেভাবে তাদেরকে নিজের 'আইডল' বানিয়ে অন্যের কাছে উপস্থাপন করি এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো কটু কথা সহ্য করতে পারি না—ঠিক এই মানসিক দুর্বলতাগুলোই একদিন মানুষকে দ।জ্জ।লের ধোঁকায় পতিত করবে।
১. অলৌকিকত্ব ও মোহের কাছে অন্ধত্ব:
আজ আমরা কোনো ফুটবলারের জাদুকরী পারফরম্যান্সে এতটাই মুগ্ধ থাকি যে, মাঠের বাইরে তার ব্যক্তিগত বা নৈতিক চরিত্র কেমন, তা নিয়ে মাথা ঘামাই না। মোহের কারণে আমাদের যুক্তি-বুদ্ধি লোপ পায়।
দ।জ্জ।লের ক্ষেত্রে: দ।জ্জ।ল যখন তীব্র দুর্ভিক্ষ ও সংকটের সময়ে আসবে, তখন তার একহাতে থাকবে রুটির পাহাড়, অন্যহাতে পানির নদী। তার ইশারায় আকাশ থেকে বৃষ্টি পড়বে, জমিন শস্য-শ্যামল হবে। ক্ষুধার্ত মানুষ তখন তার চরিত্রের চেয়ে নিজের পেটের ক্ষুধা মেটানো এবং তার অলৌকিক ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে তাকে অনুসরণ করবে।
২. তারকাদের মনস্তাত্ত্বিক দাসত্ব:
আজকের দিনে মানুষ যেভাবে প্রিয় খেলোয়াড়ের জার্সি গায়ে জড়ায়, তার প্রতিটি আচরণ অন্ধভাবে অনুকরণ করে এবং তার কোনো সমালোচনা সহ্য করতে পারে না; এটা এক ধরণের মনস্তাত্ত্বিক দাসত্ব।
দ।জ্জ।লের ক্ষেত্রে: মানুষের এই ‘চমকপ্রদ ক্ষমতার প্রতি অন্ধ আকর্ষণ’ এবং ‘ব্যক্তিপূজা’র মানসিকতাকেই দ।জ্জ।ল সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করবে। সে যখন মৃত মানুষকে জীবিত করে দেখাবে, তখন এই তারকা-পূজারী মন খুব সহজেই তাকে ‘সুপারহিরো’ বা (নাউজুবিল্লাহ) ‘রব’ হিসেবে মেনে নেবে।
৩. নামে মুসলিমদের ঈমানী দুর্বলতা:
অনেকে ভাবেন, “আমি তো জানি সে দ।জ্জ।ল, আমি কেন তাকে মানব?” কিন্তু ঈমান শুধু জানার নাম নয়, মানার নাম।
বাস্তবতা: একজন মুসলিম খুব ভালো করেই জানেন যে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ। অথচ স্রেফ একটা ফুটবল ম্যাচের উত্তেজনায় কোটি কোটি মুসলিম সালাত কাজা করছেন, রাত জেগে ঈমানী শক্তি ক্ষয় করছেন, এমনকি প্রিয় দলের হার-জিতে একে অপরের সাথে বিবাদে জড়াচ্ছেন।
আসল সংকট: যে মন আজ সামান্য একটা চামড়ার বলের খেলা আর বিনোদনের মোহে আল্লাহর হুকুম অনায়াসে ভুলে যেতে পারে, সে চরম সংকটের মুহূর্তে দ।জ্জ।লের বিশাল ফেতনা ও দুনিয়াবী লোভের সামনে নিজের ঈমান ধরে রাখতে পারবে!? তার নিশ্চয়তা কী?
মূল কথা:
দ।জ্জ।লের ফেতনা হঠাৎ করে আকাশ থেকে পড়বে না। আজকের মিডিয়া, বিনোদন আর তারকা সংস্কৃতি যেভাবে মানুষের মন থেকে আল্লাহর ভয় তাড়িয়ে দিয়ে "চাকচিক্য ও মোহের" দাস বানাচ্ছে, এটাই আসলে দা-জ্জা-লের অনুসারী হওয়ার প্রাথমিক মানসিক প্রস্তুতি (Groundwork)।
যে হৃদয় আজ আল্লাহর চেয়ে দুনিয়ার কোনো সৃষ্টিকে বেশি ভালোবাসতে শিখেছে, সেই হৃদয় আগামীতে দা.জ্জা.লের জাদুতে অন্ধ হয়ে তাকে 'প্রভু' ডাকতেও দ্বিধা করবে না।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই ভয়াবহ ফেতনা থেকে হিফাজত করুন। আমিন।
✍️Iqbal Ahmed | 260 |
| 5 | বাড়ি-গাড়ি ধ্বংসস্তুপের এই দৃশ্য দেখে প্রথমেই আপনার মাথায় কী চিন্তা আসবে? নিশ্চয়ই আপনার কাছে মনে হবে এটা হয়তো গা.জা বা লেবাননের কোনো এলাকার চিত্র, যেখানে দখলদার ইজ্রা.য়েল বিমান হাম.লা চালিয়ে সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছে।
কিন্তু ঘটনা এমন কিছু না। বরং এই কাজ করেছে কথিত ‘খোদা দাদ মুলক’ পাকিস্তান। গতরাতে পাকিস্তানের জালিম সেনাবাহিনী আফগানিস্তানের নিরীহ সাধারণ মুসলিম জনগণের বাড়ি লক্ষ্য করে এমন ন্যাক্কারজনক হাম.লা চালিয়েছে, যা ইজ্রা.য়েল কর্তৃক গা.জা বা লেবাননে হাম.লার অনুরূপ ছিল। যাতে ৪০+ সাধারণ মুসলমান শহিদ হয়েছে, যাদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। | 1 890 |
| 6 | প্রথম পর্ব:
https://www.facebook.com/share/p/1Ft5egCJV8/
দ্বিতীয় পর্ব:
https://www.facebook.com/share/p/19bCWEHkKT/
তৃতীয় পর্ব:
https://www.facebook.com/share/p/1HAMdqGU8r/ | 321 |
| 7 | ২০২৭ সালের হজ্জের প্রাক নিবন্ধন চলমান, দ্রুত সময়ের মধ্যে আপনার নিবন্ধন সম্পন্ন করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:
হোয়াটসঅ্যাপ: 01855640147 | 433 |
| 8 | আমাদের সাথে হজ্জ ও উমরাহ এর বরকতময় সফরের সঙ্গী হতে জয়েন করুন: https://t.me/shatabdi_aviation | 600 |
| 9 | বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
🌿 ছোট ছোট ১০টি সূরা ও নামাজের জরুরি দোয়া শিক্ষা কোর্স 🌿
📍 আপনি কি নামাজে প্রয়োজনীয় সূরা ও দোয়াগুলো শুদ্ধভাবে শিখতে চান? তাহলে আপনার জন্যই আমাদের বিশেষ ১৫ দিনের অনলাইন শিক্ষা কোর্স।
📖 কোর্সে যা শিখানো হবে:
✅ ছোট ছোট ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সূরা।
✅ নামাজের জরুরি দোয়াসমূহ।
✅ শুদ্ধ উচ্চারণ ও তাজবীদের মৌলিক নির্দেশনা।
✅ নিয়মিত অনুশীলন ও সংশোধনের সুযোগ।
📅 কোর্স শুরু: ৬ জুলাই।
⏳ কোর্সের মেয়াদ: ১৫ দিন।
🕗 ক্লাস সময়: রাত ৮:০০ – ৮:৪০।
💰 রেজিস্ট্রেশন ফি: ২৫০ টাকা।
বিকাশ: 01855640147
নগদ: 01732725745
টাকা পাঠানোর সময় রেফারেন্সে an nahda লিখবেন।
🌸 কুরআন ও নামাজের প্রয়োজনীয় শিক্ষা অর্জনের এই সুযোগ হাতছাড়া করবেন না।
রেজিস্ট্রেশন লিংক:
https://forms.gle/2uo9hrtzSXRLwc3P9
📌 আসন সীমিত। আজই রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।
রাসূল ﷺ বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে কুরআন শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।" — (সহীহ বুখারী) | 64 |
| 10 | বর্তমান সময়ের ফুটবল উন্মাদনা ও দাজ্জালের অনুসরণ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি লেখা পড়তে পারেন, ইনশাআল্লাহ।
লিংক:
https://www.facebook.com/share/p/1Bhmwd7c51/ | 629 |
| 11 | আমাদের ১৫ দিনের স্পেশাল কোরআন শিক্ষা কোর্সে অংশ নিতে ভিজিট করুন:
https://t.me/ANE_BD/86 | 432 |
| 12 | সিলেটের শাহজালাল মাজারের দান বাক্সের হিসাবের স্বচ্ছতার পরিকল্পনা ও মাজারে চলা মদ ও জুয়ার আসর বন্ধের পদক্ষেপ নেওয়ার সাথে সাথেই ডিসি সাহেবের বদলির নির্দেশ:
ডিসি সারোয়ার আলম কি মদখোর গাজাখোরদের কাছে হেরে গেলেন, নাকি পর্দার আড়ালের কারো কাছে হেরে গেলেন?
এই দেশে ভালো মানুষের ভাত নেই | 652 |
| 13 | بسم الله الرحمن الرحيم
সীরাত প্রতিযোগিতা ২০২৬ (সপ্তম)
আয়োজনে: সীরাতে মুহাম্মাদ ﷺ গ্রুপ।
⭕ রেজিস্ট্রেশন: চলছে, ইনশাআল্লাহ।
রেজিস্ট্রেশন: সম্পূর্ণ ফ্রি।
⚠️ রেজিস্ট্রেশন ০১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।
👉 ঐচ্ছিক ডোনেশন: ২০/৫০/১০০+২০০+৫০০ টাকা। টাকা পাঠানোর সময় রেফারেন্সে অবশ্যই s2026 লিখে দিবেন।
নগদ নাম্বার: 01732725745
বিকাশ নাম্বার: 01855640147
📌📌 বিঃদ্রঃ: আপনাদের ঐচ্ছিক ডোনেশন আমাদের কাজকে সহজ ভাবে সামনে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে ইনশাআল্লাহ।
◼️ রেজিস্ট্রেশন লিংক 👇👇👇
https://forms.gle/3xMDq5v6AgrVoX9i6
⭕◼️ পুরস্কার ◼️⭕
◼️ প্রথম পুরষ্কার: ৫,০০০ টাকা
◼️ দ্বিতীয় পুরস্কার: ৩,০০০ টাকা
◼️ তৃতীয় পুরস্কার: ২,০০০ টাকা
◼️ ৪-৩০ নাম্বার: ৪০০×২৭= ১০,৮০০ টাকা
◼️⭕ সর্বমোট ৩০ জন প্রতিযোগীকে পুরস্কৃত করা হবে ইনশাআল্লাহ ⭕◼️
📌📌 নির্ধারিত গ্রন্থ: নূরের পর্বত থেকে সবুজ গম্বুজ।
⚠️পরীক্ষা: ০৩ সেপ্টেম্বর, রাত ৯:৩০ মিনিটে, ইনশাআল্লাহ।
👉 পরীক্ষা অনলাইনে গুগল ফরমের মাধ্যমে হবে ইনশাআল্লাহ।
➡️ মোট ১০০ টি MCQ এর উত্তর ৪০ মিনিটের মধ্যে দিতে হবে।
""جزاكم الله خيرا في الدارين"" | 564 |
| 14 | একে অপরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রতিযোগিতায় আমাদের প্রাপ্তি কেবল বিচ্ছিন্নতা... | 486 |
| 15 | ইসলামের চির দুশমন আবু জাহিলের পেটে যে দুই কিশোর ছুড়ি ঢুকিয়েছিলেন তাঁরা বর্তমানের দৃষ্টিতে যুবক ছিলেন না। শিশুই বলা চলে। অথচ তাঁরা ইতিহাসের পাতায় মহানায়ক।
আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস, আব্দুল্লাহ বিন উমর, উসামা বিন যায়দরা (রাদিআল্লাহু আনহুম) যে বয়সে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য পীড়াপীড়ি করছিলেন সেই বয়সের ছেলেরা এখন একাএকা কোথাও যায় না ছোট বলে। বাবা-মায়েরাও চোখেচোখে রাখেন বাচ্চা মানুষ বলে।
মক্কা বিজয়ের পর মক্কার গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন ইতাব বিন উসায়দ। সেসময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২১ বছর। অথচ এখনকার ২১ বছর বয়সীরা দায়িত্ব থেকে পালিয়ে বেড়ালেও ঠিক ফজরের সময় তড়িঘড়ি করে উঠে প্রিয় দলের খেলা দেখতে টিভির সামনে বসে।
মক্কা বিজয়ের পর মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন আবু মাহজুরা রাদিআল্লাহু আনহু। এই দায়িত্ব যখন নবী ﷺ তাঁর ওপর অর্পণ করেছিলেন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ষোলো বছর। বর্তমানে ষোলো বছরের ছেলেপেলে মসজিদে গিয়ে আজান দেবে তো দূরের কথা, মসজিদ দেখেই পালিয়ে বেড়ায়। বাবার কাছ থেকে জোর করে টাকা নিয়ে বানায় কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ পতাকা।
উহুদ যুদ্ধে কম বয়সের কারণে যায়দ বিন সাবেত রা.-কে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। তখন তাঁর বয়স ছিল ১৩-১৪ বছর। কিন্তু তাঁর মেধার গভীরতায় মুগ্ধ হয়ে নবী ﷺ তাঁকে ওহী লেখক এবং ভিনদেশী ভাষা (হিব্রু ও সুরিয়ানি) শেখার দায়িত্ব দেন, যা তিনি মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আয়ত্ত করেছিলেন। আজকের কিশোররা যেখানে সস্তা বিনোদনে মগ্ন, প্রিয় টিমের সাপোর্টে মিছিল করতে ব্যস্ত, সেখানে তিনি ছিলেন ইসলামের অফিসিয়াল অনুবাদক ও বুদ্ধিবৃত্তিক পাহারাদার।
রাসূল ﷺ-এর ভবিষ্যদ্বাণী করা সেই বিখ্যাত রোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপল (ইস্তাম্বুল) জয় করেছিলেন সুলতান মুহাম্মদ আল-ফাতেহ মাত্র ২১ বছর বয়সে। যে অপরাজেয় দেয়াল শত শত বছর ধরে কেউ ভাঙতে পারেনি, তা একজন ২১ বছরের যুবকের রণকৌশল ও ঈমানের সামনে ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছিল। আর আমাদের ২১ বয়সী ভাই হাস্যরসের রিলস বানাতে কী কসরত করছে!
স্পেনের মাটিতে পা রেখেই যিনি নিজের জাহাজগুলো পুড়িয়ে দিয়ে তারেক বিন যিয়াদ সৈন্যদেরকে বলেছিলেন, "পেছনে সমুদ্র, সামনে শত্রু—যাও লড়াই করো।" তাঁর এই অদম্য সাহসী সিদ্ধান্ত গোটা ইউরোপের ইতিহাস বদলে দিয়েছিল। আর আমরা বদলে দিব তো দূর কি বাত, নিজেরাই বদলে যাচ্ছি।
সিন্ধু ও মুলতান বিজয়ের মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামের যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল, তার সেনাপতি ছিলেন মাত্র ১৭ বছরের এক তরুণ—মুহাম্মদ বিন কাসিম। বর্তমানের ১৭ বছরের একটা ছেলে যেখানে ক্যারিয়ার বা গেমসের নেশায় বুঁদ, সেখানে তিনি একটি গোটা সামরিক অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
ইতিহাসের এই ফিরিস্তি অনেক লম্বা। দুঃখের বিষয় হল আমাদের ইতিহাসের সাথে নিজেদের কাজের কোনো মিল নেই। ব্যর্থতা, অযোগ্যতা, আত্মতুষ্টি এবং স্বার্থপরতার জালে আমরা বন্দী। আমাদের সুখের সংজ্ঞা এখন পরিবর্তিত। জয়-পরাজয়ের ধারণাও এখন পাল্টে গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে যেটা বিজয় সেটাই এখন আমাদের বিবেচনায় উগ্রতা।
আমরা যদি আমাদের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে পারতাম এবং সেভাবে না হোক, অন্তত আমাদের পূর্বসূরিদের ৫০% চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে পারতাম তাহলে অন্তত প্রতিটি এলাকায় একটা মডেল মসজিদ এবং উন্নত মানের মাদ্রাসা পরিচালনা করা আমাদের দ্বারা অবশ্যই সম্ভব হত। অথচ বর্তমানে কতো বাধা! কোনোমতে দাঁড়িয়ে থাকারও যেন শক্তি নেই আমাদের।
হে যুবকদল! কী জবাব দেবেন আল্লাহর দরবারে? এই বয়সের হিসাব কিন্তু আল্লাহ নেবেনই। পুরো জীবনের হিসাবের পাশাপাশি আল্লাহ আলাদা করে যৌবনকালের হিসাব নেবেন। সুতরাং আল্লাহ যে কাজের জন্য এই উদ্যম-শক্তি আপনাকে দিয়েছেন সেই কাজে ব্যয় না করলে অবশ্যই অবশ্যই কঠিন জবাবদিহিতার মুখোমুখি হবেনই হবেন।
আর কতো নির্ভার এবং নিশ্চিন্ত থাকব আমরা? আমরা না জাগলে কে জাগাবে এই জনপদের মানুষদেরক?
জাগুন। পরামর্শ নিয়ে আসুন। মানবপ্রাচীর নির্মাণ করুন। হাতে হাত রেখে সুন্দর এবং সুখময় সমাজ গঠনে আত্মনিয়োগ করুন। আপনারা জাগলে বাতিলের চোখ নষ্ট হবেই।
যৌবনের এই উত্তাল জোয়ারকে যারা আল্লাহর দেওয়া আমানত মনে না করে কেবল ভোগ-বিলাসে উড়িয়ে দিচ্ছে, তারা আসলে এক চরম মরীচিকার পেছনে ছুটছে।
হে যুবক, ইতিহাস আমাদের দিকে তাকিয়ে ফরিয়াদ করছে! যে বয়সে আলী (রা.) রাসুল ﷺ-এর বিছানায় নিজের জীবন বাজি রেখে শুয়েছিলেন, মুসআব বিন উমাইর (রা.) মদিনার ঘরে ঘরে ইসলামের আলো পৌঁছে দিয়েছিলেন—সেই বয়সটা কি আপনি শুধু স্ক্রিন স্ক্রল করে, খেলায় মত্ত হয়ে, আর বন্ধুদের পেছনে অন্ধের মতো ছুটে পার করে দেবেন? জেগে উঠুন, কারণ আপনার জাগরণের ওপরই নির্ভর করছে এই উম্মাহর আগামী দিনের সকাল!
জাগুন, দায়িত্ব নিন, উম্মাহকে মুক্ত করুন।
কপি | 637 |
| 16 | بسم الله الرحمن الرحيم
সীরাত প্রতিযোগিতা ২০২৬ (সপ্তম)
আয়োজনে: সীরাতে মুহাম্মাদ ﷺ গ্রুপ।
⭕ রেজিস্ট্রেশন: চলছে, ইনশাআল্লাহ।
রেজিস্ট্রেশন: সম্পূর্ণ ফ্রি।
⚠️ রেজিস্ট্রেশন ০১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।
👉 ঐচ্ছিক ডোনেশন: ২০/৫০/১০০+২০০+৫০০ টাকা। টাকা পাঠানোর সময় রেফারেন্সে অবশ্যই s2026 লিখে দিবেন।
নগদ নাম্বার: 01732725745
বিকাশ নাম্বার: 01855640147
📌📌 বিঃদ্রঃ: আপনাদের ঐচ্ছিক ডোনেশন আমাদের কাজকে সহজ ভাবে সামনে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে ইনশাআল্লাহ।
◼️ রেজিস্ট্রেশন লিংক 👇👇👇
https://forms.gle/3xMDq5v6AgrVoX9i6
⭕◼️ পুরস্কার ◼️⭕
◼️ প্রথম পুরষ্কার: ৫,০০০ টাকা
◼️ দ্বিতীয় পুরস্কার: ৩,০০০ টাকা
◼️ তৃতীয় পুরস্কার: ২,০০০ টাকা
◼️ ৪-৩০ নাম্বার: ৪০০×২৭= ১০,৮০০ টাকা
◼️⭕ সর্বমোট ৩০ জন প্রতিযোগীকে পুরস্কৃত করা হবে ইনশাআল্লাহ ⭕◼️
📌📌 নির্ধারিত গ্রন্থ: নূরের পর্বত থেকে সবুজ গম্বুজ।
⚠️পরীক্ষা: ০৩ সেপ্টেম্বর, রাত ৯:৩০ মিনিটে, ইনশাআল্লাহ।
👉 পরীক্ষা অনলাইনে গুগল ফরমের মাধ্যমে হবে ইনশাআল্লাহ।
➡️ মোট ১০০ টি MCQ এর উত্তর ৪০ মিনিটের মধ্যে দিতে হবে।
""جزاكم الله خيرا في الدارين"" | 644 |
| 17 | আজ মাগরিব থেকে হিজরী নববর্ষ শুরু হতে পারে : ১ মুহাররম ১৪৪৮ হিজরী
“সাহাবায়ে কেরাম নতুন মাস বা নতুন বছর শুরুর এ দুআটি তেমন গুরুত্ব দিয়ে শিখতেন, যেভাবে কুরআনুল কারিম শিখতেন।"
اَللّٰهُمَّ أَدْخِلْهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالإِسْلَامِ وَجِوَارٍ مِنَ الشَّيْطَانِ وَرِضْوَانٍ مِنَ الرَّحْمٰن
হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মাঝে এ মাস/বছরের আগমন ঘটান- শান্তি ও নিরাপত্তা এবং ইমান ও ইসলামের (উপর অবিচলতার) সাথে; শয়তান থেকে সুরক্ষা ও দয়াময় আল্লাহর সন্তুষ্টির সাথে। | 728 |
| 18 | সম্প্রতি আফগানিস্তানের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ‘আজীজি ব্যাংক’-এর মহাপরিচালক মিরওয়াইস আজীজির একটি বিস্ফোরক মন্তব্য বৈশ্বিক অর্থিনীতিবিদদের নজর কেড়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন– ‘বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি আর নানাবিধ প্রতিবন্ধকতার মাঝেও যেভাবে ইসলামিক আমিরাত এই ব্যাংকিং খাতকে টেনে তুলেছে, তা দেখে পুরো বিশ্ব আজ বিস্মিত।’
বৈরুত বনাম কাবুল: দুই মেরুর গল্প
নিজের বক্তব্যের সপক্ষে মিরওয়াইস আজীজি টেনে এনেছেন লেবাননের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের প্রসঙ্গ। একসময় যাকে বলা হতো ‘মধ্যপ্রাচ্যের প্যারিস’ কিংবা আরবের ব্যাংকিং রাজধানী, সেই লেবানন মাত্র কয়েক বছরের অব্যবস্থাপনায় আজ দেউলিয়া। ব্যাংকে নিজের জমানো টাকা তুলতে পারছে না সাধারণ মানুষ।
অথচ তার ঠিক বিপরীতে দাঁড়িয়ে কাবুল। দীর্ঘ চার দশকের যুদ্ধ, বৈদেশিক রিজার্ভ ফ্রিজ হওয়া এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার পাহাড় মাথায় নিয়েও আফগানিস্তান ব্যাংকিং খাতকে কেবল ধসের হাত থেকেই বাঁচায়নি, বরং করে তুলেছে ঈর্ষণীয় রকম শক্তিশালী।
সুদকে বিদায়, সংকটকে জয়
গত পাঁচ বছরে আফগান আর্থিক খাতে যে নীরব বিপ্লব ঘটে গেছে, তার সবচেয়ে বড় মাইলফলক হলো, সুদভিত্তিক অর্থব্যবস্থার পুরোপুরি বিলুপ্তি।
পুরো দেশ এখন শতভাগ ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থায় রূপান্তর হয়েছে। শুরুর দিকে পশ্চিমা অর্থনীতিবিদরা একে ‘আত্মঘাতী’ পদক্ষেপ মনে করলেও, বাস্তবে তা অভ্যন্তরীণ বাজারে তারল্য সংকট কাটাতে এবং সাধারণ মানুষের আস্থা ফেরাতে দারুণভাবে কাজ করেছে।
নেপথ্যের ম্যাজিক: কীভাবে সম্ভব হলো?
আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, কাবুলের এই অভাবনীয় আর্থিক স্থায়িত্ব কিন্তু হুট করে আসেনি। এর পেছনে রয়েছে তিনটি পরিকল্পনা—-
প্রথমত, সুপরিকল্পিত মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কারণে বর্তমানে এশিয়ায় অন্যতম সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতির হার ধরে রাখতে পেরেছে আফগানিস্তান, যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা স্বাভাবিক রেখেছে।
দ্বিতীয়ত, চরম বৈশ্বিক চাপ সত্ত্বেও তাদের চমৎকার কারেন্সি স্ট্যাবিলিটি বা মুদ্রা স্থিতিশীলতার নীতি ডলারের বিপরীতে আফগান মুদ্রা ‘আফগানি’র মানকে শক্ত অবস্থানে ধরে রেখেছে।
তৃতীয়ত, পুরো ব্যবস্থার মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করছে তাদের কঠোর আর্থিক সুশাসন। যেখানে দুর্নীতি, অর্থ পাচার ও কালোবাজারি বন্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করায় পুরো আর্থিক খাতে এক ধরনের কাঠামোগত শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। মূলত এই ত্রিমুখী কৌশলের জোরেই সব পূর্বাভাস ভুল প্রমাণ করে টিকে আছে আফগান অর্থনীতি।
মিরওয়াইস আজীজির এই স্বীকারোক্তি প্রমাণ করে, ব্যাংকিং খাতের সাফল্য কেবল পশ্চিমা ফর্মুলা বা বিদেশি খয়রাতির ওপর নির্ভর করে না, বরং তা নির্ভর করে সৎ নীতি ও কঠোর প্রশাসনিক সদিচ্ছার ওপর। গ্লোবাল ব্যাংকিং যখন ক্রান্তিকাল পার করছে, তখন কাবুলের এই ‘সারপ্রাইজ রাইজ’ নিশ্চিতভাবেই আগামী দিনের অর্থনীতিবিদদের গবেষণার খোরাক জোগাবে। | 3 637 |
| 19 | যেখানে সুইজারল্যান্ড কিংবা লেবাননের মতো বিশ্ববিখ্যাত ব্যাংকিং হাবগুলো সামান্য অর্থনৈতিক ধাক্কায় তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে, সেখানে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আর যুদ্ধবিদ্ধস্ত অর্থনীতি নিয়ে এক অবিশ্বাস্য রূপকথা লিখল আফগানিস্তান। বিশ্ব অর্থনীতিকে তাক লাগিয়ে দেশটির ব্যাংকিং খাত এখন কেবল স্থিতিশীলই নয়, বরং আমূল বদলে যাওয়া এক নতুন মডেলের নাম। | 3 245 |
| 20 | ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশে বিপুল সংখ্যক মুসলিম নারী একত্রিত হয়ে হিজাবের সমর্থনে স্লোগান দিয়েছেন। তারা ইমারাতে ইসলামিয়ার হিজাব সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে সম্পূর্ণ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, হেরাত শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে নারীরা এই সমাবেশে অংশ নেন। তাঁরা হাতে ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে হিজাবের পক্ষে শ্লোগান দিতে থাকেন। বক্তারা বলেন, হিজাব শুধু একটি পোশাক নয়, বরং এটি একজন মুসলিম নারীর ইমান, মর্যাদা ও আত্মসম্মানের প্রতীক।
সমাবেশে উপস্থিত নারীরা ইসলামি বিধান অনুযায়ী হিজাবের বিধান বাস্তবায়নে ইমারাতে ইসলামিয়ার ভূমিকার প্রশংসা করেন। তাঁরা বলেন, ‘শত্রুদের বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় কেউ যেন প্রতারিত না হয়। ইসলামের এই ফরজ বিধানকে বাধা দেওয়ার অপচেষ্টা চিরদিন ব্যর্থ হবে।’
বক্তারা আরও বলেন, পাশ্চাত্যের অপসংস্কৃতি ও নগ্নতার বিরুদ্ধে হিজাব হলো একটি ঢাল। এটি নারীদের সুরক্ষা দেয় এবং সমাজে শ্লীলতা ও শালীনতা প্রতিষ্ঠা করে। হেরাতের এই নারীরা বিশ্বের সকল মুসলিম নারীর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা হিজাবকে ধারণ করে ইসলামি বিধান মেনে চলেন। | 990 |
现已上线!2025 年 Telegram 研究 — 年度关键洞察 
