ch
Feedback
Ummah Network

Ummah Network

前往频道在 Telegram
7 825
订阅者
-524 小时
-247 天
-9630 天

数据加载中...

相似频道
无数据
有任何问题?请刷新页面或联系我们的客服。
标签云
无数据
有任何问题?请刷新页面或联系我们的客服。
进出提及
---
---
---
---
---
---
吸引订阅者
9月 '26
九月 '26
+46
在0个频道中
八月 '26
+58
在0个频道中
Get PRO
七月 '26
+58
在2个频道中
Get PRO
六月 '26
+142
在2个频道中
Get PRO
五月 '26
+297
在6个频道中
Get PRO
四月 '26
+240
在8个频道中
Get PRO
三月 '26
+106
在4个频道中
Get PRO
二月 '26
+225
在5个频道中
Get PRO
一月 '26
+124
在0个频道中
Get PRO
十二月 '25
+99
在4个频道中
Get PRO
十一月 '25
+221
在4个频道中
Get PRO
十月 '25
+378
在8个频道中
Get PRO
九月 '25
+105
在3个频道中
Get PRO
八月 '25
+340
在4个频道中
Get PRO
七月 '25
+281
在4个频道中
Get PRO
六月 '25
+183
在2个频道中
Get PRO
五月 '25
+674
在5个频道中
Get PRO
四月 '25
+342
在5个频道中
Get PRO
三月 '25
+5 720
在9个频道中
Get PRO
二月 '250
在8个频道中
Get PRO
一月 '25
+5
在14个频道中
日期
订阅者增长
提及
频道
26 九月+4
25 九月0
24 九月0
23 九月+1
22 九月+1
21 九月0
20 九月+1
19 九月+1
18 九月+1
17 九月+1
16 九月+3
15 九月+3
14 九月+12
13 九月0
12 九月0
11 九月+1
10 九月0
09 九月+2
08 九月+1
07 九月+2
06 九月+2
05 九月+4
04 九月+2
03 九月+2
02 九月+2
01 九月0
频道帖子
এই মহাবিজয় আমাদের কী শিক্ষা দেয় Shaikh Tamim Al Adnani-২য় অংশ (শেষ) © শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ ..

2
এই মহাবিজয় আমাদের কী শিক্ষা দেয়? | Shaikh Tamim Al Adnani-১ম অংশ © শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ ..
এই মহাবিজয় আমাদের কী শিক্ষা দেয়? | Shaikh Tamim Al Adnani-১ম অংশ © শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ ..
1 048
3
এই বিজয় নববি মানহাজের | শাইখ তামিম আল আদনানী © শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ ..
এই বিজয় নববি মানহাজের | শাইখ তামিম আল আদনানী © শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ ..
1 422
4
আল্লাহ তাআলা বলেছেন- مَنۡ عَمِلَ صَالِحًا مِّنۡ ذَكَرٍ اَوۡ اُنۡثٰی وَ هُوَ مُؤۡمِنٌ فَلَنُحۡیِیَنَّهٗ حَیٰوۃً طَیِّبَۃً ۚ وَ لَنَجۡزِیَنَّهُمۡ اَجۡرَهُمۡ بِاَحۡسَنِ مَا كَانُوۡا یَعۡمَلُوۡنَ ﴿۹۷﴾ নারী হোক বা পুরুষ যেই সৎকাজ করবে মুমিন অবস্থায়, তাকে আমি অবশ্যই উত্তম জীবন দান করব আর তারা যেই আমল করেছে আমি তাদেরকে এর উত্তম প্রতিফল দান করব। -[সুরা নাহল ৯৭] - যদি কেউ 'ব্যক্তি জীবনে' আল্লাহর আনুগত্য করে তাহলে সে ব্যাক্তি জীবনে উত্তম জীবন লাভ করবে। আর যখন সমাজ ও রাষ্ট্র আল্লাহর দেওয়া হুকুম আহকাম অনুযায়ী পরিচালিত হয় তখন সেই সমাজ ও রাষ্ট্র আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্রে পরিণত হয়। সেখান থেকে মারামারি হানাহানি, অশান্তি অন্যায় অবিচার বিদায় নেয়, সর্বত্র বিরাজ করে এক শান্তিময় পরিবেশ। পক্ষান্তরে কেউ যদি আল্লাহর হুকুম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় তাহলে দুনিয়াটা প্রশস্ত হওয়া সত্ত্বেও তার জীবনটা সংকীর্ণ হয়ে যায়। সে তখন প্রকৃত সুখের পরিবর্তে মেকী সুখের পেছনে দৌড়াতে শুরু করে। সে তখন একটুখানি সুখের আশায় যাবতীয় অপরাধমূলক কাজ করে বেড়ায়। কেউ মদের নেশায় সুখ খোঁজে, কেউ যিনা ব্যভিচার ও অন্যায় অশ্লীলতায় সুখ খোঁজে, কেউ আবার মিউজিক গান আর বারে গিয়ে সুখ খোঁজে। সর্বত্র সে সুখ হাতড়ে বেড়ায় কিন্তু কোথাও সুখের দেখা পায়না। এই ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা বলেছেন- وَ مَنۡ اَعۡرَضَ عَنۡ ذِكۡرِیۡ فَاِنَّ لَهٗ مَعِیۡشَۃً ضَنۡكًا وَّ نَحۡشُرُهٗ یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ اَعۡمٰی ﴿۱۲۴﴾ আর যে আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার জন্য হবে নিশ্চয় এক সংকীর্ণ জীবন এবং আমি তাকে কিয়ামত দিবসে উঠাবো অন্ধ অবস্থায়। -[সুরা ত্বহা ১২৪] একইভাবে সমাজ ও রাষ্ট্র যখন আল্লাহর দেওয়া বিধি বিধান দ্বারা পরিচালিত হয়না, আসমানী জীবনব্যবস্থাকে সর্বত্র প্রতিষ্ঠা করা হয়না তখন সেই সমাজ ও রাষ্ট্র অধিবাসীদের জনপদের জন্য সংকীর্ণ হয়ে আসে। কখন কে কোথায় অন্যায় ও জুলুমের শিকার হয়, চুরি, ছিনতাই, ঘুষ ও ডাকাতির সম্মুখীন হয় এই ভয় সবাইকে তাড়া করে বেড়ায়। এখানে কেউ নির্বিঘ্নে নিশ্বাসটুকু পর্যন্ত ফেলতে পারেনা। সব সময় একটা ভয় আর আতঙ্ক বিরাজ করে সবার মনে। - যেই সমাজ ও রাষ্ট্র আল্লাহর দেওয়া বিধি বিধান দ্বারা পরিচালিত হয়, আইন আদালতে ইসলামী বিচারব্যবস্থার অনুসরণ করা হয়, মানুষ ব্যাপকভাবে আল্লাহর নাফরমানি থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করে। সেই সমাজ ও রাষ্ট্রে অবিরত আল্লাহর রহমত বর্ষণ হতে থাকে, জমিন বরকতে ভরে যায়। আল্লাহ তাআলা বলেছেন- وَ لَوۡ اَنَّهُمۡ اَقَامُوا التَّوۡرٰىۃَ وَ الۡاِنۡجِیۡلَ وَ مَاۤ اُنۡزِلَ اِلَیۡهِمۡ مِّنۡ رَّبِّهِمۡ لَاَكَلُوۡا مِنۡ فَوۡقِهِمۡ وَ مِنۡ تَحۡتِ اَرۡجُلِهِمۡ ؕ مِنۡهُمۡ اُمَّۃٌ مُّقۡتَصِدَۃٌ ؕ وَ كَثِیۡرٌ مِّنۡهُمۡ سَآءَ مَا یَعۡمَلُوۡنَ ﴿۶۶﴾ আর যদি তারা তাওরাত, ইনজীল ও তাদের নিকট তাদের রবের পক্ষ থেকে যা নাযিল করা হয়েছে, তা কায়েম করত, তবে অবশ্যই তারা খাবার পেত তাদের উপর থেকে এবং তাদের পদতল থেকে। তাদের মধ্যে সঠিক পথের অনুসারী একটি দল রয়েছে, আর তাদের অনেকেই যা করছে, তা কতইনা মন্দ! -[ সুরা মায়িদা ৬৬] - আল্লাহর দেওয়া বিধি বিধান অনুযায়ী সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনা করার সুফল অনেক। শুধু আখিরাতের সুফলই নয় দুনিয়াতেও লাভ হয় অনেক বরকত ও কল্যাণ। যখন কোন রাষ্ট্রে একটা হদ বাস্তবায়ন করা হয়, তখন সেখানে আল্লাহ এত পরিমাণ রহমত বর্ষণ করেন যে, লাগাতার চল্লিশ দিন রহমতের বৃষ্টি হওয়ার চেয়েও মানুষের জন্য হদ কায়েম বেশি কল্যাণকর। হাদিসে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- إِقَامَةُ حَدٍّ مِنْ حُدُودِ اللَّهِ خَيْرٌ مِنْ مَطَرِ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً فِي بِلاَدِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ আল্লাহর নির্ধারিত হদসমূহের মধ্য হতে কোন একটা হদ কায়েম করা, মহামহিম আল্লাহ তাআলা কোন জনপদে চল্লিশ রাত বৃষ্টি বর্ষণ করার চেয়েও উত্তম। -[সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫৩৭, সুনানে নাসাই ৪৯০৫] - দুঃখজনক ব্যাপার হল, মানুষ কল্যাণ লাভের জন্য কোথাকার কোন গণতন্ত্র আর কল্যাণরাষ্ট্রের পেছনে ছুটছে। অথচ আল্লাহ তাআলা বরকত ও কল্যাণ রেখেছেন ইসলামী শরীয়াহ দ্বারা শাসিত রাষ্ট্র ও সমাজে।
1 405
5
দুনিয়া কখন আমাদের জন্য বরকতে ভরে উঠবে? - আমরা যে দ্বীন পালন করি এই দ্বীন শুধু আখিরাতের জীবনকেই সুন্দর করেনা, দুনিয়ার জীবনকেও
দুনিয়া কখন আমাদের জন্য বরকতে ভরে উঠবে? - আমরা যে দ্বীন পালন করি এই দ্বীন শুধু আখিরাতের জীবনকেই সুন্দর করেনা, দুনিয়ার জীবনকেও করে সুন্দর। যেই ব্যক্তি সঠিকভাবে দ্বীন পালন করে, আল্লাহর দেয়া হুকুম আহকামগুলো ইখলাসের সাথে সুন্নাহ সম্মতভাবে আদায় করে সে দুনিয়াতেই লাভ করবে এক টুকরো জান্নাত।
961
6
উম্মাহর মহান মু'জ|হিদ শায়েখ উ স!মা রহিমাহুল্লাহ আল্লাহপ্রদত্ত দূরদৃষ্টি ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা দিয়ে বহু আগেই বুঝতে পেরেছিলেন, আমেরিকাই হল সাপের মাথা। আমেরিকাকে পরাজিত করা ছাড়া ই/সর|য়েল ধ্বংস হবেনা, মাসজিদুল আকসা পুনরুদ্ধার হবেনা। যতই দিন যাচ্ছে, উম্মাহর সামনে তাঁর এই তত্ত্বের হাকীকত দিনের আলোর মত পরিষ্কার হচ্ছে। তুফানুল আকসার ঘটনাপ্রবাহ বারবার যেন এই সত্যকেই প্রমাণ করে যাচ্ছে। যদি আমেরিকা ই/সর|য়েলের পাশে না থাকতো তবে গা*জ্জা এমন ভয়াবহ গণ"হ/ত্যার শিকার হতোনা, ধ্বংসস্তুপে পরিণত হতোনা। হামাসের মু'জ|হিদ ভাইদের হাতেই হয়তো ই/সর|য়েলের পরাজয় ঘটতো। উম্মাহর সামনে তিনি শুধু এই বৈপ্লবিক তত্ত্ব পেশ করেই ক্ষান্ত থাকেন নি, বরং নিজের জান-মাল সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়ে তত্ত্বের বাস্তবায়নও করে গেছেন। তিনি ও তাঁর আমীর মো ল্লা মুহাম্মাদ উ মর রহিমাহুল্লাহ আমেরিকাকে লজ্জাজনক পরাজয়ের স্বাদ আস্বাদন করিয়েছেন, উম্মাহর হারানো আধিপত্য ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে সাহসী অভিযাত্রার সূচনা করে দিয়ে গেছেন। আমরা অনেকেই হয়তো এই মহান দুই ইমামকে যথাযথ মূল্যায়ন করতে পারিনি। এখন সময় এসেছে তাঁদেরকে চেনার, তাঁদের মানহাজ জানার এবং তাঁদের অনুসারী কাফেলার সঙ্গী হয়ে উম্মাহকে নুসরত করার। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদেরকে তাওফিক দান করুন। আমীন। © শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ ..
1 325
7
আমরা যেন বনী ইসরাইলের মত না হই- মুসা আলাইহিস সালাম যখন বনী ইসরাইলকে কওমে আমালিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে পবিত্রভূমিতে প্রবেশের আদেশ দিয়েছিলেন তখন তারা উত্তরে বলেছিলঃ قَالُوۡا یٰمُوۡسٰۤی اِنَّا لَنۡ نَّدۡخُلَهَاۤ اَبَدًا مَّا دَامُوۡا فِیۡهَا فَاذۡهَبۡ اَنۡتَ وَ رَبُّكَ فَقَاتِلَاۤ اِنَّا هٰهُنَا قٰعِدُوۡنَ হে মূসা! তারা ওখানে যতদিন থাকবে ততদিন আমরা ওখানে কখনো প্রবেশ করবোনা, কাজেই তুমি আর তোমার প্রতিপালক যাও, গিয়ে যুদ্ধ করো, আমরা এখানেই বসে রইলাম। (সূরা মায়িদা ২৪) এই বেয়াদবি ও ঔদ্ধত্যের কারণে আল্লাহ তাআলা তাদেরকে কঠিন শাস্তি দেন। চল্লিশ বছরের জন্য পবিত্র ভূমিতে প্রবেশ হারাম করে দেন। এই পুরো সময়কাল তারা ময়দানে তীহে উদ্ভ্রান্তের ন্যায় ঘুরপাক খেতে থাকে। সকালে যেখান থেকে রওয়ান করতো, সন্ধ্যায় যাত্রাবিরতি করার পর সেই জায়গায়ই আবার ফিরে আসতো। আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারীমে এই ঘটনা বর্ণনা করেছেন যেন আমরা এখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারি, যেন আমাদের থেকে এমন বেয়াদবী প্রকাশ না পায়। কিন্তু দুঃখজনক ব্যপার হল আমাদের মধ্যেও অনেকে না বুঝে এরকম বা এর কাছাকাছি কিছু কথা বলে থাকেন। যেমন অনেকে বলে- এই যমানা বুলেটের নয় বরং ব্যালটের। ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য বা মজলুমদের মুক্ত করার জন্য আমাদের কিছু করার নেই। কারণ আমাদের শক্তি নেই, শক্তি অর্জনের চেষ্টা করারও সুযোগ নেই। আমরা যদি কিছু করতে যাই তাহলে অমুক দেশ এসে হা*মলা করে সব শেষ করে দেবে। অতএব আমাদের পক্ষে বসে বসে দেখা ছাড়া কিইবা করার আছে। আল্লাহ যদি অলৌকিকভাবে কিছু করেন তাহলে হবে নয়তো অমুক রাষ্ট্র যেই শক্তিশালী তাদের বিরুদ্ধে কিছু করার সামর্থ্য কি কারো আছে? তারা তো স্যাটেলাইট দিয়ে সব দেখতে পায়, আমরা কি করি না করি সব তাদের নখদর্পনে। তাদের গো/য়ে/ন্দাবিভাগ এতটাই শক্তিশালী যে, আমরা যদি ফিস ফিস করে কথা বলি তাও তারা টের পেয়ে যায়। তাদেরকে হারানো সম্ভব নয়, তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো মানে আত্মহত্যা করা। তাই তাদের বিরোধিতা না করে তাদের এঁকে দেওয়া ছকের মাঝে জীবন যাপন করাই হল নিরাপদ। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। বুঝতে পারছিনা আমরাও কি এই ধরণের কথা এবং নিষ্ক্রিয়তার কারনে এত বছর ধরে শাস্তি পাচ্ছি? আমরা তো গত একশো বছরে কম প্রাণ দেইনি, কম জুলুম নির্যাতন সহ্য করিনি। (যদি লড়াইয়ের ময়দানে এর অর্ধেক মানুষও জীবন দিতো তাহলে হয়তো চিত্র ভিন্ন হতো) তবুও কেন ঘুরেফিরে সেই পুরনো গর্তে গিয়েই পড়ছি। ঘুষ দূর্নীতি অন্যায় অবিচার ও লাঞ্ছনা বঞ্চনাই বারবার ফিরে পাচ্ছি। সমাজ ও রাষ্ট্রে ঘুরেফিরে সেই কুফর ও ইলহাদই দেখতে পাচ্ছি। - উম্মতে মুসলিমার আদর্শ সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম কখনো এমন কথা বলেননি, তারা কুফফারদের বিশাল শক্তি দেখে ভয় পাননি বরং এসব তাদের ঈমান আরো বাড়িয়ে দিয়েছিল। ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন, شَهِدْتُ مِنَ الْمِقْدَادِ بْنِ الْأَسْوَدِ مَشْهَدًا لَأَنْ أَكُوْنَ صَاحِبَهُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِمَّا عُدِلَ بِهِ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يَدْعُوْ عَلَى الْمُشْرِكِيْنَ فَقَالَ لَا نَقُوْلُ كَمَا قَالَ قَوْمُ مُوْسَى (اذْهَبْ أَنْتَ وَرَبُّكَ فَقَاتِلَا) وَلَكِنَّا نُقَاتِلُ عَنْ يَمِيْنِكَ وَعَنْ شِمَالِكَ وَبَيْنَ يَدَيْكَ وَخَلْفَكَ فَرَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَشْرَقَ وَجْهُهُ وَسَرَّهُ يَعْنِيْ قَوْلَهُ (বদর যুদ্ধের আগে) আমি মিকদাদ ইবনে আসওয়াদের এমন একটি ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছি, যেই কাজটি আমি করতে পারলে সেটি আমার নিকট এর পরিবর্তে অন্য সমস্ত কিছুর তুলনায় অধিক প্রিয় হতো। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মুশরিকদের বিরুদ্ধে বদ দোয়া করছিলেন তখন তিনি তাঁর নিকট আসলেন। এসে বললেন, মূসা আলাইহিস সালামের কওম যেমন কথা বলেছিল আমরা তেমন কথা বলবোনা। মুসা আলাইহিস সালামের কওম বলেছিলঃ ‘‘তুমি আর তোমার প্রতিপালক যাও এবং যুদ্ধ করো’’- । বরং আমরা আপনার ডানে, বামে, সামনে, পেছনে সর্বদিক থেকে যুদ্ধ করব। ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি দেখলাম, এই কথা শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল এবং তিনি খুব আনন্দিত হলেন। - বুখারী ৩৯৫২ আচ্ছা আমরা কি পারিনা, মিকদাদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর মত সাহসিকতার পরিচয় দিতে এবং সব ভয়কে ছুঁড়ে ফেলে কুফরী বিশ্বব্যবস্থাকে ভেঙ্গে ইসলামী বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গিকার নিতে? © শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ .
1 331
8
আমরা সবকিছু দেখেও না দেখার ভান করে বসে আছি। সন্তানদের জাহান্নামের দিকে টেনে নিতে দেখেও চুপ করে আছি, যেন আমাদের কিছুই করার নেই, কিছুই বলার নেই। - নিজেরা ভাল জিনিস শেখা যেমন জরুরী তেমনি সন্তানদের জন্যেও সুশিক্ষা নিশ্চিত করা জরুরী। যদি আমরা তাদেরকে সুশিক্ষা না দিয়ে কুশিক্ষা দেই তাহলে এই সন্তানেরাই কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলার কাছে আমাদের বিরুদ্ধে নালিশ করবে। তারাই আমাদের জাহান্নামে যাওয়ার কারণ হবে। তাই সময় থাকতেই সচেতন হতে হবে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে উপকারী ইলম শেখার এবং শেখানোর তাওফিক দান করুন। আমীন সুম্মা আমীন
1 511
9
মানুষের জীবনে উপকারী ইলমের প্রভাব অনেক। উপকারী ইলম একজন মানুষের চিন্তা ভাবনা, আচার আচরণ আমল আখলাককে প্রতিনিয়ত উন্নত থেকে উন্নততর করে। তার ভেতরে সদা সর্বদা আল্লাহভীতিকে জাগ্রত রাখে। হারাম ও অন্যায়-অশ্লীল কাজ থেকে বিরত রাখে। উপকারী ইলম একজন উপকারী বন্ধুর মতই কাজ করে। যখনই তাকে অন্যায়ের দিকে পা বাড়াতে দেখে বাধা দেয়। মুখ দিয়ে খারাপ কথা বের হতে দেখলে মুখে লাগাম পরিয়ে দেয়। অন্তরে কুচিন্তা আসলে ভাল চিন্তা দিয়ে পরিবর্তন করে দেয়। হারামের দিকে পা বাড়াতে দেখলে মনে আল্লাহর ভয় জাগিয়ে দেয়। সর্বদা মানুষের কল্যাণে এবং রবের ইবাদতে নিমগ্ন থাকার প্রেরণা যোগায়। দুনিয়া আখিরাত সব জায়গায় কিভাবে কল্যাণ লাভ করা যাবে সেই পথ দেখায়। তাই তালিবে ইলম এবং বিদ্যার্থীদের উপকারী ইলম অর্জন করার পেছনেই ছোটা উচিত। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহ তাআলার কাছে এই ইলমের জন্য দোয়া করেছেন। দোয়াটি হল- اللَّهُمَّ انْفَعْنِي بِمَا عَلَّمْتَنِي وَعَلِّمْنِي مَا يَنْفَعُنِي وَزِدْنِي عِلْمًا الْحَمْدُ لِلَّهِ عَلَى كُلِّ حَالٍ وَأَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ حَالِ أَهْلِ النَّارِ অর্থাৎ হে আল্লাহ! আপনি আমাকে যে জ্ঞান দান করেছেন সেই জ্ঞান দ্বারা উপকৃত করুন এবং এমন বিষয় শিক্ষা দিন যা আমার উপকারে আসবে, এবং আমার ইলম বৃদ্ধি করে দিন। সর্বাবস্থায় সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তাআলারই জন্য এবং আমি জাহান্নামীদের অবস্থা থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ চাই। [সুনানুত তিরমিজিঃ ৩৫৯৯] আমাদের সালাফরা উপকারি ইলম অর্জনের ব্যাপারে অনেক বেশি সচেষ্ট ছিলেন। তারা চেষ্টা করতেন যেন বেশি বেশি উপকারী ইলম অর্জন করা যায় এবং তদানুযায়ী আমল করা যায়। তারা শুধু নিজেদের ব্যাপারেই চিন্তা করতেন না, সন্তানদেরকেও উপকারী ইলম শিক্ষাদানের ফিকির করতেন। এমন সব ইলম অর্জন এবং শিক্ষাদান থেকে বিরত থাকতেন যা দুনিয়া আখিরাতে কোন উপকার বয়ে আনবেনা। আল্লাহ তাআলা আমাদের জন্য উপকারী ইলম অর্জন করাকে সহজ করুন। - আর ক্ষতিকর ইলম হল ওই ইলম যা বান্দাকে আল্লাহ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। অন্যের ক্ষতিসাধন করার কুমন্ত্রণা দেয়, আল্লাহর বিধান লঙ্ঘন করা এবং অন্যায় ও অশ্লীলতার পথে চলার কুপরামর্শ দেয়। আল্লাহ তাআলা এই সম্পর্কে ইরশাদ করেছেন- وَیَتَعَلَّمُوۡنَ مَا یَضُرُّهمۡ وَلَا یَنۡفَعُهمۡ ؕ وَلَقَدۡ عَلِمُوۡا لَمَنِ اشۡتَراه مَا لَه فِی الۡاٰخِرَۃِ مِنۡ خَلَاقٍ তারা এমন জিনিস শেখে যা তাদের কোন উপকারে আসেনা, শুধু ক্ষতিই বয়ে আনে। অথচ তারা ভালভাবেই জানতো যে, যে এসব শেখে তার জন্য আখিরাতে কোন অংশ নেই। [সুরা বাকারা-১০২] রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্ষতিকর ইলমের ব্যাপারে আমাদের সতর্ক করেছেন এবং নিজেও ক্ষতিকর ইলম থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ চেয়েছেন। আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لَا يَنْفَعُ وَمِنْ قَلْبٍ لَا يَخْشَعُ وَمِنْ نَفْسٍ لَا تَشْبَعُ وَمِنْ دُعَاءٍ لَا يُسْمَعُ অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমি অনুপকারী ইলম, ভয় ডরহীন অন্তর, অতৃপ্ত নফস এবং ঐ দোয়া থেকে আপনার নিকট পানাহ চাই, যা কবুল করা হয়না। [সুনানুন নাসাইঃ ৫৫৩৬] রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহ তাআলার সম্মানিত নবী হয়েও তাঁর কাছে ক্ষতিকর ও অনুপকারী ইলম থেকে পানাহ চেয়েছেন। অথচ আমরা অনেকে জেনে বুঝে সন্তানদের দুনিয়া আখেরাত ধ্বংসকারী বিভিন্ন বিষয় শিখতে সুযোগ করে দিচ্ছি। জাতীয় শিক্ষা কারিকুলামে ঈমানবিধ্বংসী বিভিন্ন বিষইয়ের অনুপ্রবেশ দেখেও অনেকে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করছিনা, নীরবে মেনে নিচ্ছি। - এনজিও এবং বিদেশী শক্তির ইন্ধনে অনেক দিন ধরেই দেশে শিক্ষা কারিকুলামের মাধ্যমে মুসলিম শিশুদের ইসলামবিরোধী ও ধর্মহীন বানানোর ষড়যন্ত্র হচ্ছে। শিশুদের মনে কুফরের বিষ ঢোকানোর জন্য দেওয়া হচ্ছে রামায়ন মহাভারতের পাঠ। শিরককে স্বাভাবিক করার জন্য পড়ানো হচ্ছে হিন্দুদের পূজার গল্প। অশ্লীলতা শেখানোর জন্য শারীরিক শিক্ষার নামে ছেলেমেয়েদের একসাথে প্রেম ভালোবাসা আর যৌনতার পাঠ দেওয়া হচ্ছে। নাচ-গান বেহায়াপনা শেখানোর জন্য স্কুলে নাচ-গানের শিক্ষক নিয়োগের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এছাড়া হিন্দু মুসলিমের মাঝে হারাম সম্পর্ক, ট্রান্সজেন্ডার, ফেমিনিজম সহ নানান ধরণের ইমানবিধ্বংসী পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বইয়ে।
1 545
10
উপকারী ইলম ও ধ্বংসাত্মক জ্ঞান- ইলম বা জ্ঞান হল আলো। ইলমের মাধ্যমে একজন মানুষ ভাল মন্দের মাঝে পার্থক্য করার শক্তি অর্জন করে। ক
উপকারী ইলম ও ধ্বংসাত্মক জ্ঞান- ইলম বা জ্ঞান হল আলো। ইলমের মাধ্যমে একজন মানুষ ভাল মন্দের মাঝে পার্থক্য করার শক্তি অর্জন করে। কল্যাণ ও ন্যায়ের পথে চলার দিশা লাভ করে। তবে সব জ্ঞানই যে মানুষকে সত্যের দিশা দেয় এমন নয়। কিছু কিছু জ্ঞান মানুষকে অন্ধকারের পথও দেখায়। তাই আমাদের করণীয় হল, উপকারী ইলম সম্পর্কে অবগত হওয়া এবং উপকারী ইলম অর্জনে সচেষ্ট হওয়া আর ক্ষতিকর জ্ঞান থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা। উপকারী ইলম কী? উপকারী ইলম হল ওই ইলম যার মাধ্যমে একজন মানুষ তাঁর রবকে চিনতে পারে, তাঁর দেয়া বিধি নিষেধ সম্পর্কে জানতে পারে, দুনিয়া-আখিরাতের কল্যানের পথে চলতে পারে এবং হক বাতিলের মাঝে পার্থক্য বুঝতে পারে। উপকারী ইলম বান্দার অন্তরে আল্লাহর ভয় জাগ্রত করে। আল্লাহ তাআলা বলেছেন- إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্য থেকে ইলমের অধিকারীরাই আল্লাহকে ভয় করে [সুরা ফাতির – ২৮]
1 057
11
অন্তিম শয্যায় কেমন ছিল সালাফের অবস্থা-Shaikh Tamim Al Adnani-১ম অংশ. © শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ ..
অন্তিম শয্যায় কেমন ছিল সালাফের অবস্থা-Shaikh Tamim Al Adnani-১ম অংশ. © শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ ..
843
12
জি&হ|দ করতে গেলে অনেক সময় কটুকথা শুনতে হয়; কেউ বলে জ&ঙ্গি, কেউ বলে জজবাতি, কেউ বলে আতংকবাদী। এছাড়া ইসলামের আরো কিছু বিধান পালন করতে গেলেও (যেমন পরিপূর্ণ পর্দা করা, হালাল হারাম বেছে চলা) এমন কটুকথা শুনতে হয়। হক দলের অনুসারীরা এসকল কটুকথা ও নিন্দার পরোয়া করেনা। তারা তাদের পথে অটল থাকে এবং গন্তব্যে পৌঁছেই তবে ক্ষান্ত হয়। প্রিয় ভাইয়েরা, আমরা যারা হক দলের তালাশে আছি তারা এইসকল গুণ দেখে দল নির্বাচন করি, এই গুণগুলো যাদের মধ্যে আছে তাদের সাথে থাকার চেষ্টা করি। যারা ইতিমধ্যে কোন দলে নাম লিখিয়ে ফেলেছি তারা নিজ দলের মাঝে এই গুণগুলো আছে কিনা খুঁজে দেখি, না থাকলে দ্রুত সরে আসি। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হক দল চেনার এবং তাদের সাথে থাকার তাওফিক দান করুন। © শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ ..
1 455
13
কোন দল হকের উপর আছেঃ কিভাবে চিনবো হক দল? - . হাজারো দলের ভীড়ে কোন দলটি যে হক দল, সেটি খুঁজে বের করা ভালোই কঠিন। যে যেই দলের সাথে আছেন সে সেই দলকে হক মনে করছেন। নিজ দলকে হক বানানোর জন্য সবাই নিজের মত করে কিছু মূলনীতি ও মাপকাঠি বানিয়ে নিয়েছেন। যেই মূলনীতি ও মাপকাঠির আলোকে নিজ দলের যাবতীয় অন্যায় ও ইসলামবিরোধী কাজও হক হয়ে যায়। কেউ ভুল ধরিয়ে দিলে তাকে বন্ধু নয় বরং শত্রু মনে হয়। এ ধরনের দলান্ধতার ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা বলেছেনঃ كُلُّ حِزۡبٍۭ بِمَا لَدَیۡهِمۡ فَرِحُوۡنَ প্রত্যেক দলই নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে উৎফুল্ল। (সুরা রুমঃ ৩২) কিন্তু আমাদের একটি বিষয় মনে রাখতে হবে যে, হক কখনো আমাদের মতের অনুগামী হবেনা বরং আমাদের মতকে হকের অনুগামী বানাতে হবে। . আমরা তো সকলে এইকথা বিশ্বাস করি যে, আল্লাহ তাআলা সব ব্যাপারে আমাদের চেয়ে অনেক বেশি ভাল জানেন, সেই হিসেবেই তিনি আমাদেরকে প্রতিটি বিষয়ে আমাদেরকে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। অতএব জীবনের অন্যন্য বিষয়ের ন্যায় এই বিষয়েও (অর্থাৎ হক দলের ব্যপারেও) তিনি দিক নির্দেশনা দিয়েছেন, তাদেরকে চেনার জন্য কিছু আলামত বাতলে দিয়েছেন, যেন আমরা খুব সহজে তাদেরকে চিনতে পারি এবং তাদের সাথে থেকে দুনিয়া আখিরাতের যাবতীয় কল্যাণ লাভ করতে পারি। আল্লাহ তাআলা সুরা মায়িদায় ইরশাদ করেছেনঃ یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا مَنۡ یَّرۡتَدَّ مِنۡكُمۡ عَنۡ دِیۡنِهٖ فَسَوۡفَ یَاۡتِی اللّٰهُ بِقَوۡمٍ یُّحِبُّهُمۡ وَ یُحِبُّوۡنَهٗۤ ۙ اَذِلَّۃٍ عَلَی الۡمُؤۡمِنِیۡنَ اَعِزَّۃٍ عَلَی الۡكٰفِرِیۡنَ ۫ یُجَاهِدُوۡنَ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰهِ وَ لَا یَخَافُوۡنَ لَوۡمَۃَ لَآئِمٍ ؕ ذٰلِكَ فَضۡلُ اللّٰهِ یُؤۡتِیۡهِ مَنۡ یَّشَآءُ ؕ وَ اللّٰهُ وَاسِعٌ عَلِیۡمٌ হে মুমিনগণ, তোমাদের মধ্যে যারা দ্বীন থেকে ফিরে যাবে তাহলে অচিরেই আল্লাহ এমন কওমকে নিয়ে আসবেন, যাদেরকে তিনি ভালবাসবেন এবং তারা তাঁকে ভালবাসবে। তারা মুমিনদের প্রতি অত্যন্ত সদয় , কাফিরদের উপর কঠোর হবে। তারা আল্লাহর রাস্তায় জি&হ|দ করবে এবং কোন নিন্দুকের নিন্দার পরোয়া করবেনা। এটি আল্লাহর অনুগ্রহ, তিনি যাকে ইচ্ছা তাকে তা দান করেন। আর আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ। (সুরা মায়িদাঃ ৫৪) . এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা হক দলের ছয়টি আলামত বর্ণনা করেছেন। আলামতগুলো হলঃ . ১। আল্লাহ তাদেরকে ভালোবাসেন। . আল্লাহ কাদেরকে ভালোবাসেন এটি আসলে আমাদের পক্ষে জানা সম্ভব না। তবে আল্লাহ তাআলা কুরআনের বিভিন্নস্থানে বিশেষ কিছু গুণের অধিকারী লোকদের ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন। এর মধ্যে মুত্তাকী, তাওবাকারী, নেক আমলকারী, ভালোভাবে পবিত্রতা অর্জনকারী, তাওয়াক্কুলকারী এবং সীসাঢালা প্রাচীরের ন্যায় কিতালকারী ইত্যাদি গুণের অধিকারী লোকেরা আছেন। এই গুণগুলো কোন দলের লোকদের মধ্যে অধিক পরিমাণে আছে তা দেখে আমরা আল্লাহর ভালোবাসার লোকদের চিনতে পারবো ইনশাআল্লাহ। . ২। তারা আল্লাহকে ভালোবাসে। . যারা আল্লাহকে ভালোবাসে তারা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর দেয়া বিধি বিধানগুলো মেনে চলে এবং কোনভাবে যেন তাঁর নাফরমানি না হয় এই ব্যপারে সতর্ক থাকে। এমনিভাবে তাঁরা সদা সর্বদা রাসুলের দেখানো পথে চলে, কারণ আল্লাহকে ভালোবাসার দাবি হল জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে রাসুলের আনুগত্য করা, আল্লাহ তাআলা সুরা আলে ইমরানের ৩১ নাম্বার আয়াতে বলেছেনঃ قُلۡ اِنۡ كُنۡتُمۡ تُحِبُّوۡنَ اللّٰهَ فَاتَّبِعُوۡنِیۡ یُحۡبِبۡكُمُ اللّٰهُ وَ یَغۡفِرۡ لَكُمۡ ذُنُوۡبَكُمۡ ؕ وَ اللّٰهُ غَفُوۡرٌ رَّحِیۡمٌ হে নবী! আপনি বলে দিন- যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাসো তবে আমার অনুসরণ করো, তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে ভালবাসবেন এবং তোমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করবেন, আর আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। - (সুরা আলে ইমরান ৩১) . ৩। মুমিনদের প্রতি সদয় . অর্থাৎ তারা মুমিনদের ব্যাথায় ব্যাথিত হয় এবং মুমিনদের আনন্দে আনন্দিত হয়। কোথাও কোন মুমিন জু/লু/মের শিকার হলে তারা তাদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করে। ‘তাদের আক্বিদা ও আমল খারাপ হওয়ার কারণে মার খাচ্ছে’ এই বলে জু/লু/মকে ন্যায্যতা দেয়না। ছোটখাটো বিষয় ও শাখাগত মতপার্থক্যের কারণে মুমিনদের সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়না, বিরোধী মতের কেউ জু/লু/মের শিকার হলে খুশি হয়না। বরং ছোটখাটো ইখতিলাফ ভুলে উম্মাহর জন্য কাজ করে যায়। . ৪। কাফেরদের প্রতি কঠোর . অর্থাৎ তাদের সমস্ত রাগ ক্ষোভ বিদ্বেষ ঘৃণা ও শত্রুতা কাফেরদের প্রতি থাকে। কাফেররা মুসলিমদের উপর নির্যাতন করলে তারা কাফেরদেরকে ছেড়ে কথা বলেনা, উপযুক্ত পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। কাফেরদের খুশি করার জন্য হেকমতের দোহাই দিয়ে ইসলামের কোন বিধানকে গোপন করেনা। . ৫। আল্লাহর রাস্তায় জি&হ|দ করে . হক দলের অন্যতম একটি গুণ হল, তারা মজলুমদের সাহায্য এবং আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করার জন্য আল্লাহর রাস্তায় জি&হ|দ করে। . ৬। নিন্দুকের নিন্দার পরোয়া করেনা .
1 476
14
তালিবুল ইলমদের প্রতি নাসিহাহ - ২য় অংশ (শেষ)- Shaikh Tamim Al Adnani - Important Reminder © শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ
তালিবুল ইলমদের প্রতি নাসিহাহ - ২য় অংশ (শেষ)- Shaikh Tamim Al Adnani - Important Reminder © শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ ..
1 353
15
তালিবুল ইলমদের প্রতি নাসিহাহ -১ম অংশ- Shaikh Tamim Al Adnani - Important Reminder © শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ ..
তালিবুল ইলমদের প্রতি নাসিহাহ -১ম অংশ- Shaikh Tamim Al Adnani - Important Reminder © শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ ..
1 495
16
একজন সাহাবীর ঘটনা এবং আত্মজিজ্ঞাসা- عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ أَنَّهُ سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ كَانَ أَبُو طَلْحَةَ أَكْثَرَ الأَنْصَارِ بِالْمَدِينَةِ مَالاً مِنْ نَخْلٍ وَكَانَ أَحَبُّ أَمْوَالِهِ إِلَيْهِ بَيْرُحَاءَ وَكَانَتْ مُسْتَقْبِلَةَ الْمَسْجِدِ وَكَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَدْخُلُهَا وَيَشْرَبُ مِنْ مَاءٍ فِيهَا طَيِّبٍ قَالَ أَنَسٌ فَلَمَّا أُنْزِلَتْ هَذِهِ الآيَةُ (لَنْ تَنَالُوا الْبِرَّ حَتَّى تُنْفِقُوا مِمَّا تُحِبُّونَ) قَامَ أَبُو طَلْحَةَ إِلَى رَسُولِ اللهِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ اللهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى يَقُولُ : (لَنْ تَنَالُوا الْبِرَّ حَتَّى تُنْفِقُوا مِمَّا تُحِبُّونَ) وَإِنَّ أَحَبَّ أَمْوَالِي إِلَيَّ بَيْرُحَاءَ وَإِنَّهَا صَدَقَةٌ للهِ أَرْجُو بِرَّهَا وَذُخْرَهَا عِنْدَ اللهِ فَضَعْهَا يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم حَيْثُ أَرَاكَ اللهُ قَالَ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بَخٍ ذَلِكَ مَالٌ رَابِحٌ ذَلِكَ مَالٌ رَابِحٌ وَقَدْ سَمِعْتُ مَا قُلْتَ وَإِنِّي أَرَى أَنْ تَجْعَلَهَا فِي الأَقْرَبِينَ فَقَالَ أَبُو طَلْحَةَ أَفْعَلُ يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَقَسَمَهَا أَبُو طَلْحَةَ فِي أَقَارِبِهِ وَبَنِي عَمِّهِ আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: মদিনার আনসারী সাহাবীগণের মধ্যে আবূ তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু সবচাইতে বেশী খেজুর বাগানের মালিক ছিলেন। এর মধ্যে মসজিদে নববীর নিকটবর্তী বায়রুহা নামক বাগানটি তাঁর কাছে সবচেয়ে প্রিয় ছিল। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই বাগানে প্রবেশ করে সুপেয় পানি পান করতেন। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যখন এই আয়াত নাযিল হলোঃ لَنْ تَنَالُوا الْبِرَّ حَتَّى تُنْفِقُوا مِمَّا تُحِبُّونَ তোমরা যা ভালোবাসো তা হতে ব্যয় না করা পর্যন্ত তোমরা পরিপূর্ণ কল্যাণ লাভ করতে পারবেনা - আলে ইমরান ৯২ তখন আবূ তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে গিয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা বলেছেনঃ لَنْ تَنَالُوا الْبِرَّ حَتَّى تُنْفِقُوا مِمَّا تُحِبُّونَ (তোমরা যা ভালবাস তা হতে ব্যয় না করা পর্যন্ত তোমরা পরিপূর্ণ কল্যাণ লাভ করবে না- আলে ইমরান ৯২) আর বায়রুহা বাগানটি আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয়। তাই এটি আল্লাহর নামে সাদাকা করছি, আমি এর মাধ্যমে কল্যাণ লাভের এবং আখিরাতে সঞ্চয়ের আশা রাখছি। কাজেই আপনি যেখানে দেয়া ভাল মনে করেন সেখানে দিয়ে দিন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ বাহ, এটা তো লাভজনক সম্পদ, এটা তো লাভজনক সম্পদ। তুমি যা বলেছ তা শুনলাম। আমার মত হল, এটা তোমার আপন জনদের মধ্যে বণ্টন করে দাও। আবূ তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তাই করব। অতঃপর তিনি তাঁর আত্মীয়-স্বজন ও চাচাত ভাইদের মাঝে বণ্টন করে দিলেন। (সহীহ বুখারী-১৪৬১) . প্রিয় পাঠক! এই আয়াতটি তো আমরা অনেকবারই তিলাওয়াত করেছি বা অন্তত রামাদানে তারাবীতে শুনেছি। কিন্তু আবু তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহুর মাঝে আয়াতটি যে প্রভাব সৃষ্টি করেছিল এবং তাকে যেভাবে সবচেয়ে প্রিয় জিনিস দান করতে উদ্বুদ্ধ করেছিল আমার মধ্যেও ঠিক একই অবস্থা তৈরি হয়েছে? . যদি এমনটা না হয়ে থাকে তাহলে বুঝতে হবে আমার এখনো সাহাবাওয়ালা ঈমান অর্জন হয়নি। সাহাবাওয়ালা ঈমান অর্জনের পেছনে এখনো অনেক মেহনত বাকি রয়ে গেছে। তাই আমাদের ঈমানকে সাহাবাওয়ালা ঈমানে পরিণত করার চেষ্টা করতে হবে। কারণ আমাদের রব সাহাবাওয়ালা ঈমানই পছন্দ করেন, এজন্য তিনি সবাইকে সাহাবায়ে কেরামের মত ঈমান আনয়নের তাগিদ দিয়েছেন এবং তাঁদের ঈমানকে হেদায়াতের মাপকাঠি নির্ধারণ করেছেন। সুরা বাকারায় ইরশাদ করেছেন- فَاِنۡ اٰمَنُوۡا بِمِثۡلِ مَاۤ اٰمَنۡتُمۡ بِهٖ فَقَدِ اهۡتَدَوۡا ۚ সুতরাং তারা যদি তেমন ঈমান আনে, যেমন তোমরা (অর্থাৎ সাহাবীরা) ঈমান এনেছো, তাহলে তারা হেদায়াত প্রাপ্ত হবে। সুরা বাকারা-১৩৭ . এজন্য আমরা যেন সাহাবায়ে কেরামের মত দৃঢ় ঈমানের অধিকারী হওয়ার এবং জীবনের সব ক্ষেত্রে তাঁদের পরিপূর্ণ অনুসরণ করার চেষ্টা করি। তাহলে আমরাও তাঁদের মত দুনিয়াতে রাজত্ব এবং আখিরাতে সফলতার দেখা পাবো ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবার জন্য কাজগুলো সহজ করুন। আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন © শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ .
1 735
17
সম্ভবত আমরা যে রিমাইন্ডারটিকে সবচাইতে বেশি অবহেলা করি, সেটা হলো 'মৃত্যু'। বর-কনের হৃদয়বিদারক মৃত্যু: গাফিলদের জন্য সতর্কবার্ত
সম্ভবত আমরা যে রিমাইন্ডারটিকে সবচাইতে বেশি অবহেলা করি, সেটা হলো 'মৃত্যু'। বর-কনের হৃদয়বিদারক মৃত্যু: গাফিলদের জন্য সতর্কবার্তা [Powerful Reminder ᴴᴰ] Shaikh Tamim Al Adnani
1 689
18
প্রিয় দেশবাসী! জনপ্রত্যাশা পূরণে আজ অবধি কোন সরকার কাজ করেছে? খুন, গুম, জেল-জুলুম, দুর্নীতি, অর্থপাচার, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা, দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি, এগুলো ছাড়া এদেশের ইতিহাসে গ'ণ'ত|ন্ত্রিক সরকারগুলো আর কী দিয়েছে জনগণকে? আপনাকে? আমাকে? সমস্যা শুধু সরকারের না, সমস্যা এই সিস্টেমেরও। বরং সিস্টেমের সমস্যাই মূল। গ'ণ'ত|ন্ত্রিক এই সিস্টেমই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ। যারা বিরোধী দলে থাকে, তারা সরকারি দলের প্রত্যেকটা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলে, আন্দোলন করে, মিছিল মিটিং আর সমাবেশ করে, হরতালও ডাকে। এসব দেখে মনে হয়, গ'ণ'ত|ন্ত্রিক এই সিস্টেমে প্রত্যেকটা অন্যায়ের প্রতিবাদ করার সুন্দর সুযোগ আছে। কিন্তু খেয়াল করলে দেখবেন, এই বিরোধী দলই যখন ক্ষমতাসীন হয় তখন তারাও একই পথে হাটে। আর এতদিনের সরকারি দল তখন বিরোধী দল হয়ে ন্যায় ও ইনসাফের গীত গাওয়া শুরু করে। সবাই শুধু প্রতিবাদ করে, কেউ সমস্যার সমাধান করে না। বরং সমস্যাকে আরো প্রকট করে। এটাই গ'ণ'তন্ত্রের ধোঁকা। গ'ণ'ত|ন্ত্রিক এই সিস্টেমের ফলে প্রত্যেকটা দেশের জনগণ রাজনৈতিকভাবে বিবাদে জড়িয়ে পড়েছে। সরকারি দল আর বিরোধী দল। সরকারি দলের কাজ হলো লুটপাট করা আর বিরোধি দলের কাজ হলো প্রতিবাদ করা। প্রতিবাদ ছাড়া আর কিছুই তারা করতে পারে না। একদলের দায়িত্ব লুটপাট আর জুলুম করা আর অপর দলের দায়িত্ব হলো শুধু প্রতিবাদ করা। এই হলো গ'ণ'ত'ন্ত্র।
2 279
19
গ'ণ'ত|ন্ত্রিক এই সিস্টেমে সমস্যার সমাধান নেই, আছে শুধু প্রতিবাদ - দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি। স্বল্প আয়ের মানুষদের বাজা
গ'ণ'ত|ন্ত্রিক এই সিস্টেমে সমস্যার সমাধান নেই, আছে শুধু প্রতিবাদ - দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি। স্বল্প আয়ের মানুষদের বাজার করতে নাভিশ্বাস ওঠে যাচ্ছে। জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ বিল, চাল আর গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল জিনিসের দাম বাড়িয়েছে সরকার। বিশেষত যেগুলো অনিবার্য এবং বিকল্পহীন। বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল, গ্যাস-এগুলো বিকল্পহীন প্রয়োজনীয় জিনিস। যেগুলোর দাম বাড়লেও এড়িয়ে চলার সুযোগ নেই। জনগণের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে। ক্ষমতায় আসার ৬ মাসের মধ্যে এলপিজি গ্যাসের দাম বেড়েছে চারবার। এরপরও গ্যাসের সংকট। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে ফের বাড়বে এই দাম। এই সরকার নতুন এক পলিসি গ্রহণ করেছে। প্রথমে সংকট তৈরি, তারপর দাম বাড়িয়ে সংকট নিরসন। বিগত দিনে এভাবেই বাড়িয়েছিল জ্বালানি তেলের দাম।
1 672
20
তাঁরা কি দুয়ার যোগ্য নন? - Shaikh Tamim Al Adnani - A POWERFUL REMINDER
তাঁরা কি দুয়ার যোগ্য নন? - Shaikh Tamim Al Adnani - A POWERFUL REMINDER
1 730