4 264
订阅者
无数据24 小时
-267 天
-17230 天
帖子存档
4 264
মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামে হারুনের শতকোটি টাকার প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট!
4 264
+2
৫ আগস্ট বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জের মো. আল মামুন আমানত (৪১)। স্ত্রীকে বলে এসেছিলেন রাজধানীর শাহবাগে সরকার পতনের বিজয় মিছিলে অংশ নিতে যাচ্ছেন। এরপর আর তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে ৯ দিন পর গত বুধবার ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে মামুনের লাশ পাওয়া যায়। মামুন নারায়ণগঞ্জে একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। তাঁর স্ত্রী হাসিনা মমতাজ চিকিৎসক। এই দম্পতির দুই মেয়ে। একজনের বয়স সাত বছর, আরেকজনের এখনো দুই বছর হয়নি। মামুনের মা–বাবা বেঁচে নেই। এক বোন যুক্তরাষ্ট্রে, আরেক বোন থাকেন ঢাকায়। ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে দেশে রওনা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বোন।
হাসিনা মমতাজ বলেন, তাঁর স্বামীর মাথায় ভারী কিছু দিয়ে হয়তো আঘাত করা হয়েছিল। পেটে গুলিও লেগেছিল হয়তো। গত বুধবার এক ব্যক্তির কাছ থেকে লাশের একটি ছবি এবং ছোট একটি ভিডিও ফুটেজ হাতে পেয়েছেন। সেখানে সড়কের ওপর মামুনের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে কোন এলাকায়, তা ভিডিও দেখে বোঝার উপায় নেই।
4 264
🤷🏼♂️ এমন স্বাধীনতাই কি চেয়েছিলাম আমরা?
🗣 তুই স্বাধীনতা চাইসিলি? কবে? তোরে তো একদিনও চাইতে দেখি নাই।
4 264
তখন মায়ের জানাজায় অংশ নিতে বজলুল হুদার প্যারোলে মুক্তির আবেদন জানায় তার পরিবার। কিন্তু মায়ের জানাজায় অংশ নিতে অনুমতি পাননি। তখন মায়ের লাশ জেলগেটে দেখার আবেদন করেন। জেলগেটে ৭ ঘন্টা তার মায়ের লাশ রেখে অনেক তালবাহানা করে বজলুল হুদাকে ১ মিনিটের জন্য মায়ের লাশ দেখতে দেয়।
নির্মমতার এখানেই শেষ নয়।
২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ঘটে সবচেয় পৈশাচিক নিষ্ঠুরতা।
রাত ১১টায় তৎকালীন স্বরাষ্ট্র সচিব আব্দুস সোবহান শিকদার, কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশরাফুল ইসলাম খান, ঢাকার জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অমিতাভ সরকার, ডিএমপি কমিশনার এ কে এম শহীদুল হক, ঢাকার সিভিল সার্জন ডা. মুশফিকুর রহমানসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১১টা ২০ মিনিটে পাঁচটি কফিন বক্স কারাগারের ভেতরে ঢোকানো হয়।
রাত ১১:৪০ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের আশেপাশের ও কারাগারের অভ্যন্তরে বিদ্যুৎ একসাথে চলে যায়। ঠিক তখন দুইটা কালো টিল্টেড গ্লাসের পাজেরো জীপ ঢুকে কারা অভ্যন্তরে। এর একটা পাজেরোতে ছিলো শেখ হাসিনা স্বয়ং। হাসিনা নিজে সেদিন ফাঁসির মঞ্চের সামনে উপস্থিত থেকে চারজনের ফাঁসি কার্যকর দেখে।
এরপর ঘটে সেই পৈশাচিক ঘটনা। মেজর বজলুল হুদাকে ফাঁসির মঞ্চে না নিয়ে কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের একটি রুমে রাখা হয়েছিল। চার জনের ফাঁসির কাজ সমাপ্তির পর হাসিনা সেই রুমে যায়।
সেখানে কোরবানির গরু যেভাবে জবাই করা হয় ঠিক একই ভাবে চারজন মেজর হুদার শরীর চেপে ধরেছিল। আর হাসিনা মেজর হুদার বুকের উপর এক পা দিয়ে চেপে রেখে প্রথমে নিজ হাতে মেজর হুদার গলায় ছুরি চালায়। এসময় মেজর হুদার রক্ত ফিনকি দিয়ে বেরিয়ে হাসিনার শাড়ির বেশকিছু অংশ ভিজে যায়। পরে কাশিমপুর কারাগার থেকে নেওয়া এক হিন্দু জল্লাদ বাকি জবাই কাজ সম্পন্ন করে।
শহীদ মেজর (অব.) বজলুল হুদার লাশ পরেরদিন ১০টায় চুয়াডাঙার আলমডাঙ্গার হাটবোয়ালিয়া গ্রামে তার নিজ বাড়িতে নেওয়ার আগে কয়েক হাজার পুলিশ, বিডিআর ও র্যাব অবস্থান নিয়েছিল। লাশ নেওয়ার সাথে সাথে র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ৫ মিনিটের মধ্যে লাশ দাফনের জন্য চাপ দিতে থাকে তার পরিবারের সদস্যেদের। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা ও কয়েক লক্ষ উপস্থিত জনতার চাপের মুখে র্যাব কর্তারা পিছু হটে।
এরপর কফিন খুলে দেখা যায় শহীদ বজলুল হুদার লাশ অর্ধেক ডুবে আছে রক্তের মধ্যে। আবার গোসল করানোর জন্য লাশ নামানোর পর দেখা যায় মেজর হুদার গলা কাটা যা জাল বোনার মোটা সুতা দিয়ে সেলাই করা। আর জবাই করে হত্যা করা হয়েছিল বলে ফাঁসির আসামীদের হাত, পা ও ঘাড়ের রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করার কিছুই করা হয়নি। বরং তার লায় ছিল স্রেফ জবাই করা আর হাতের উপর একটু চামড়া ছিলা।
২০১০ সালের এ ঘটনার পর এক যুগেরপ বেশি সময় মেজর বজলুল হুদার স্বজনরা তাদের জীবনের নিরাপত্তার কারণে হাসিনার পৈশাচিকতা নিয়ে মুখ খোলেননি।
তবে ২৪ সালের ৫ আগস্ট শত শত ছাত্র হত্যাকারী হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেলে মহাবীর মেজর (অব.) বজলুল হুদার ভাই মুখ খুলেছেন।
4 264
সাইকোপ্যাথ হাসিনা যেভাবে বিপ্লবী মেজর বজলুল হুদাকে জেলখানায় জবাই করেছিল
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পাকিস্থান বন্দি শিবির থেকে যে কয়জন অফিসার পালিয়ে এসে বাংলাদেশে যুদ্ধ করেছিলেন তাদের অন্যতম মহান বীর মেজর বজলুল হুদা।
স্বাধীনতার পর শেখ মুজিব বিনা ভোটে ক্ষমতা দখল করে দেশকে ভারতের কলোনী বানাতে জনগণকে জিম্মি করে ফেলে। ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধী প্রধান ইসলামী দল জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা হয়। আগ্রাসন বিরোধী কমিউনিস্ট ও বামপন্থী দলগুলোর নেতাকর্মীদের হত্যা করা হয়।
এক পর্যায়ে ১৯৭৫ সালের ২ জানুয়ারি মহান বীর শহীদ কমরেড সিরাজ সিকদারকে শেখ মুজিব নিজে নেতৃত্ব দিয়ে নির্যাতন করে এবং ক্রসফায়ার করে হত্যা করা হয়। হত্যার আগে শহীদ সিরাজ সিকদার ভারতীয় দালাল ফ্যাসিস্ট হিসাবে মুজিবকে ঘৃণা জানান। এই শাহাদাতের ২৩ দিন পর মুজিব গণতন্ত্র বিলুপ্ত করে একদলীয় ফ্যাসিবাদ বাকশাল কায়েম করে। এরপর সর্বহারা পার্টি ও সেনাবাহিনীর বিপ্লবীরা শেখ মুজিবকে উৎখাতের পরিকল্পনা করে।
১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট একদল বীর সেনানী জাতিকে দিয়েছিলো এক 'ডিভাইন জাস্টিস'। জাতিকে মুক্ত করেছিলো এক রাহুগ্রাস থেকে। মুজিবকে উৎখাত করে ধরে এনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ধরে এনে বিচার করার পরিকল্পনা ছিল বিপ্লবীদের। কিন্তু মুজিব পরিবারের সদস্যরা ছিল প্রকৃত সন্ত্রাসী ফ্যাসিস্ট। এরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে অস্ত্রের মুখে তুলে এনে জোর করে বিয়ে থেকে শুরু করে ব্যাংক ডাকাতিও করেছিল। এই সন্ত্রাসী তথা শেখ কামাল ও জামালই প্রথম সেনাদের ব্রাশফায়ার করে।
তখন সেনাবাহিনী বাধ্য হয়ে পাল্টা গুলি চালালে মুজিব পরিবারের নারী ও শিশুরাও নিহত হয়। দেখবেন আওয়ামী মিথ্যাচারীরা কখনোই বলে না যে কামাল জামাল আগে গুলি করায় সেনারা পাল্টা গুলি করেছিল।
হ্যা, একমাত্র মুজিবকেই ঠাণ্ডা মাথায় গুলি করে হত্যা করেছিলেন মেজর নূর। তিনি সর্বহারা পার্টির কমরেড ছিলেন। শহীদ সিরাজ শিকদার হত্যার বদলা হিসাবে তিনি মুজিবকে হত্যা করেন।
তবে মুজিবকে হত্যার মধ্য দিয়ে জাতি ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি পাওয়ার কৃতজ্ঞতা স্বরূপ বিপ্লবী সেনাদের ৭৫ এর ২৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন খোন্দকার মোশতাক সরকার ইন্ডেমনিটি আইনের মাধ্যমে দায়মুক্তি দিয়েছিল।
১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ সরকার দায়মুক্তি অধ্যাদেশটি বাতিল করে৷ জাতীয় বীরদের হত্যার বিচারিক নাটক শুরু করে।
সাজানো মামলায় বিশ জনকে শেখ মুজিব হত্যার আসামি করা হয়েছিল। প্রায় চার বছর মিথ্যা বিচার শেষে রায় দেওয়া হয়। রায়ে ১৫জনকে ফাঁসি ও ৫জনকে খালাস দেওয়া হয়।
তবে ওই রায় এতটা বেআইনী ও ভুয়া ছিল যে হাইকোর্টের ৮জন বিচারপতি এটির কনফার্মেশনের শুনানিতে বিব্রতবোধ করেন। পরে খাঁটি বাকশালী ফ্যাসিস্ট বিচারকরা কনফার্মেশন দেয়।
এতে মোট ১২জনের ফাঁসির রায় বহাল থাকে। তারা হলেন, মেজর (অব.) বজলুল হুদা, মেজর (অব.) এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ (ল্যান্সার), লে. কর্নেল (অব.) সুলতান শাহরিয়ার রশিদ, লে. কর্নেল (বরখাস্ত) সৈয়দ ফারুক রহমান, লে. কর্নেল (অব. ) মহিউদ্দিন আহমেদ (আর্টিলারি), আব্দুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম, এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী, মোসলেমউদ্দিন, রাশেদ চৌধুরী, আব্দুল মাজেদ এবং আব্দুল আজিজ পাশা।
আর খালাস পান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, কে এম ওবায়দুর রহমান, নুরুল ইসলাম মঞ্জুর, তাহের উদ্দিন ঠাকুর ও মেজর (অব.) খায়রুজ্জামান।
তবে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর তৎকালীন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদূদ আহমেদের অবহেলায় বিপ্লবীদের আপিল আবেদন পাঁচ বছর ধরে শুনানি হয়নি। মাঝখানে ওয়ান ইলেভেন চলে আসে। তারপর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর তৎকালীন সেনাপ্রধান মঈন উ ভোট জালিয়াতি করে হাসিনাকে ক্ষমতায় বসায়।
হাসিনা ক্ষমতায় বসার দুই মাসের মাথায় সেনাবাহিনীর ভারত বিরোধী অফিসারদের পিলখানা ম্যাসাকারের মাধ্যমে হত্যা করে। ফলে দেশকে দীর্ঘ সময় ধরে শাসন শোষণ করার, ১৫ আগস্টের বীরদের ও জামায়াত-বিএনপি নেতাদের হত্যার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যায়।
যার প্রথম ঘটনাটি ঘটে ২০১০ সালের জানুয়ারিতে। তড়িঘড়ি করে সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগ আপিল আবেদন খারিজ করে দেয়। মানে নিম্ন আদালতের ফরমায়েশি রায়ের ত্রুটি নিয়ে বিপ্লবের আপিলের শুনানিই হয়নি। বরং আপিল আবেদন খারিজ করার পরপর ২৮ জানুয়ারি বিপ্লবীদের জেলখানায় হত্যা করা হয়।
এই শহীদ বীররা হলেন
মেজর (অব.) বজলুল হুদা, মেজর (অব.) এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ (ল্যান্সার), লে. কর্নেল (অব.) সুলতান শাহরিয়ার রশিদ, লে. কর্নেল (বরখাস্ত) সৈয়দ ফারুক রহমান এবং লে. কর্নেল (অব. ) মহিউদ্দিন আহমেদ (আর্টিলারি)।
জেলখানায় হত্যার শিকার নেতাদের মধ্যে মেজর (অব.) বজলুল হুদা গ্রেপ্তার থেকে শুরু করে শহীদ হওয়া পর্যন্ত অকল্পনীয় নির্মমতার শিকার হন।
মূলত ১৯৯৬ সালে মেজর (অব.) বজলুল হুদাকে গ্রেফতারের পর তার মাকে আওয়ামী লীগের লোকজন লাথি মারতে মারতে ঘর থেকে রাস্তায় এনে ফেলে দেয়। সেই থেকে বৃদ্ধ মহিলা অসুস্থ হয়ে পড়েন। ২০০০ সালের ১৫ মার্চ তিনি ইন্তেকাল করেন।
4 264
সময় হয়েছে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদের সংখ্যা বিতর্ক অবসানের।
'ত্রিশ লক্ষ' স্বীকৃত কোন সংস্থা কর্তৃক জরিপকৃত সংখ্যা নয়। সেনাবাহিনী, ছাত্র ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধীর সমন্বয়ে পাইলট প্রকল্প দিয়ে দ্রুত জরিপ সম্পন্ন করে শহীদের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশ করতে হবে।
মিথ্যা চেতনা ব্যবসার মূলৎপাটন করে শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের জায়গা তৈরী করার এটাই উপযুক্ত সময়। আওয়াজ তুলতে হবে বিপ্লবী ছাত্র-জনতা।
4 264
স্বৈরাচার সরকারের সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রী ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ভোটচোর সাংসদ রমেশ চন্দ্র সেনকে সাদা পোশাকধারী পুলিশ সদস্যরা আটক করেছে বলে জানিয়েছে পরিবার।
4 264
খুনি হাসিনার অপরাধের শেষ নেই!
তাও এখনো এদেশের ছুঁপা আওয়ামী ঘাতক-দালালেরা এই খুনির পক্ষে কিছু বলতে না পেরে তার স্বৈরাচার বাপের দালালি করছে। এরাই গণহত্যা করে পালিয়ে যাওয়া খুনি হাসিনাকে এদেশের রাজনীতিতে আবারো পুনর্বাসন করতে চায়। এদের সম্মিলিত ভাবে রুঁখে দিতে হবে।
4 264
চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া থানার বাসিন্দা ইসমামুল। তার বাবা নুরুল হক ২০১৭ সালে মারা যান।
তার মৃত্যুর পর একমাত্র উপার্জনকারীকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে যায় পরিবারের সদস্যরা। ৩ সন্তানকে নিয়ে জীবন যুদ্ধ শুরু করেন মা সাহেদা বেগম। স্বামীর মৃত্যুর পর ধার দেনা করে সংসার চালান। পরিবারের অভাব দূর করতে ও আহার জোগাতে কাজের সন্ধানে বের হয় ইসমামুল। মৃত্যুর আগেও সে রাজধানীর চকবাজারে একটা জুয়েলারি দোকানে চাকরী করতো। জুয়েলারি দোকান থেকে যে টাকা আয় করতেন তা গ্রামে পাঠাতো।
গত ৫ আগস্ট গুলিবিদ্ধ হয়ে ৭ আগস্ট মারা যায় এই তরুণ।
4 264
আরবীতে প্রবাদ আছে:
لا يُحفَظُ الْمَرْأَةُ إِلَّا بَيْتُهَا أَوْ زَوْجُهَا أَوْ قَبَرُهَا
নারীর নিরাপত্তা তার ঘরে, নাহয় তার স্বামীর ছায়ায়, আর নাহয় কবরে।
4 264
আজ শনিবার
১৭ আগস্ট ২০২৪
১১ সফর ১৪৪৬ হিজরি
০২ ভাদ্র ১৪৩১
-------------------------
ফজর- ৪:১৫ মিনিট
জোহর- ১২:০৬ মিনিট
আসর- ৪:৩৮ মিনিট
মাগরিব- ৬:৩৫ মিনিট
ইশা- ৭:৫৩ মিনিট
-------------------------
আজ সূর্যোদয়- ৫:৩৩ মিনিট
আজ সূর্যাস্ত- ৬:৩১ মিনিট
4 264
কুমিল্লার দেবিদ্বারে আওয়ামী লীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা সিদ্দিকুর রহমান (৪৫) নামের এক বিএনপি সমর্থক কে কুপিয়ে হত্যা করেছে।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের সাইচাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সিদ্দিকুর রহমান সাইচাইপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস কুদ্দুস মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশাচালক ছিলেন।
দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘সাবেক এমপি আবুল কালামের সন্ত্রাসী বাহিনী আমির হোসেন মেম্বারের নেতৃত্বে আমাদের সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়ে সিদ্দিকুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই।’
4 264
ভয়ঙ্কর এক ক্রিমিনাল এই জিয়াউল আহসান। এদের গুম-খুনের ওপর ভর করেই এতদিন ক্ষমতা দখল করে রেখেছিল স্বৈরাচার হাসিনা।
দেখেন কেমন সাইকোপ্যাথ, শত-শত মানুষকে গুম-খুনে নেতৃত্ব দেওয়ার পরেও এর কোন অনুশোচনা নেই। উল্টো এমন তাচ্ছিল্যের হাসি হাসছে। গত কয়েকদিন ধরে এই সন্ত্রাসীটা কয়েকবার বিদেশে পালিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু দেশপ্রেমিক কিছু মানুষের জন্য এই নরপিশাচটাকে এখনপর্যন্ত আটক করে রাখা গেছে। এই নরপিশাচটা এদেশের শীর্ষ অপরাধীর তালিকা করলে একেবারে ১ থেকে ১০ এর মধ্যে অবস্থান করে নিবে। এছাড়াও সে এদেশের "র" এর অন্যতম এজেন্ট। তাকে দেশত্যাগে সরাসরি "র" সহযোগিতা করছিল।
4 264
+2
আয়নাঘরের বিভিষিকাময় দিন পার করেছেন ব্রিগ্রেডিয়ার আমান আল আজমী এবং ব্যারিস্টার আরমান।
শারীরিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও মানসিক ভাবে তাদের উপর গিয়েছে অসহ্য যাতনা। পিতার শাহাদাতের খবর পর্যন্ত পাননি ব্যারিস্টার আরমান, আমান আজমী আয়নাঘর থেকে বের হয়ে শুনেন মা আর নেই। এরপরও তারা ধৈর্য ধরেছেন, এখন চিকিৎসা নিচ্ছেন। আল্লাহ তাদের এই কষ্টগুলো কবুল করুন। কষ্ট গুলোকে প্রশান্তি আকারে ফিরিয়ে দিন। তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা সুন্দর হোক।
4 264
+3
এই চক্রটি এখন নতুন নিযুক্ত উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামকে তাদের ইচ্ছামতো বোঝানোর জন্য নানারকম ছক কষছে, অন্যদিকে তাদের সহযোগীদেরকে দিয়ে প্রকিউরমেন্ট খাতে কোটি কোটি টাকার ভাউচার বানিয়ে শেষসময়ের লু'ট'পা'ট চালিয়ে যাচ্ছে।
জয় এবং পলকের সহযোগী এই কর্মকর্তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা, সম্পদের তথ্য বিবরণী দাখিল এবং বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞাসহ তাদেরকে এটুআই প্রকল্প থেকে দ্রুততম সময়ে না সরালে এরা গোপনে বর্তমান জনবান্ধব সরকারের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়া, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করা এবং সরকারকে তথা দেশকে পুনরায় ঝুঁকির মধ্যে নিয়ে যাবে।
