ch
Feedback
Crypto Tech BD

Crypto Tech BD

前往频道在 Telegram

🔴Business Inquiry 👉 @hassanrobiul999

显示更多
4 264
订阅者
无数据24 小时
-267 天
-17230 天
帖子存档
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের আওয়ামী চেয়ারম্যান ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ায় জনগন গনধোলাই দেয়। এই চেয়ারম্যান নোয়াব আলী কোন ধরনের নির্বাচন ছাড়া চেয়ারম্যান হয়। তাকে ভোট ছাড়া চেয়ারম্যান বানিয়েছিল সাবেক অবৈধ ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। যার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামসহ সারাদেশে ভূমিদস্যুতার বিস্তর অভিযোগ রয়েছে।

এই অসহ্য যন্ত্রণা জাতিকে ভোগ করতে হয়েছে!
+1
এই অসহ্য যন্ত্রণা জাতিকে ভোগ করতে হয়েছে!

যেভাবে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে হিন্দুত্ববাদীরা নিজেদের মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুর করে দেখেন। নিরীহ সাধারণ হিন্দু ভাই-বোনেরা এই হিন্দ
+2
যেভাবে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে হিন্দুত্ববাদীরা নিজেদের মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুর করে দেখেন। নিরীহ সাধারণ হিন্দু ভাই-বোনেরা এই হিন্দুত্ববাদীদের এই ষড়যন্ত্রে কোনভাবেই পা দিবেন না। আপনাদের পাশে আছে বাংলাদেশ।

photo content

বাংলাদেশের জনগণের পকেট কেটে যেভাবে ভারতকে খুশি করতো গণহত্যাকারী, খুনি হাসিনা।
বাংলাদেশের জনগণের পকেট কেটে যেভাবে ভারতকে খুশি করতো গণহত্যাকারী, খুনি হাসিনা।

জামায়াত যেভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে চায়...
জামায়াত যেভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে চায়...

কর্মী পাঠানোর নামে ৪ এমপির ২০ হাজার কোটি টাকা লোপাট! সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালসহ চারজন সাবেক সংসদ সদস্যের (এমপি)
কর্মী পাঠানোর নামে ৪ এমপির ২০ হাজার কোটি টাকা লোপাট! সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালসহ চারজন সাবেক সংসদ সদস্যের (এমপি) নেতৃত্বাধীন সিন্ডিকেট মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছে। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে থাকা অন্য সদস্যরা হলেন সাবেক এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারী, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও বেনজীর আহমেদ। মাত্র দেড় বছরে তাঁদের মালিকানাধীন রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে প্রায় সাড়ে চার লাখ শ্রমিক পাঠিয়ে ওই অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়।

আজ রবিবার ১৮ আগস্ট ২০২৪ ১২ সফর ১৪৪৬ হিজরি ০৩ ভাদ্র ১৪৩১ ------------------------- ফজর- ৪:১৫ মিনিট জোহর- ১২:০৬ মিনিট আসর- ৪:৩৮ মিনিট মাগরিব- ৬:৩৫ মিনিট ইশা- ৭:৫৩ মিনিট ------------------------- আজ সূর্যোদয়- ৫:৩৪ মিনিট আজ সূর্যাস্ত- ৬:৩০ মিনিট

এইসব ইতিহাস মনে রেখেছে বাংলাদেশ। বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি হাসিনার অনুগত পুলিশ সদস্যরা বিগত দিনগুলোতে নূন্যতম দয়া-মায়া না দেখালেও পুলিশের প্রতি বিরোধীদলীয় মানবিক কর্মীদের সহমর্মিতা এই ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট। গত ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ এ নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছিল দুই পুলিশ সদস্য। এইসময় পুলিশের এক সদস্য হোঁচট খেয়ে রাস্তায় পড়ে গেলে তাকে টেনে তুলছে আটককৃত ঐ বিরোধী রাজনৈতিক কর্মী।

বিটিভিতে এই দিনটা এত দ্রুত আসবে কেউ ভাবছিলেন...?
বিটিভিতে এই দিনটা এত দ্রুত আসবে কেউ ভাবছিলেন...?

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপস্থিত হয়েছেন লালবাগ জোনের নবনিযুক্ত ডিসি। আগের ডিসি মশিউর(যে একটা বড় মাপের ক্রিমিনাল) ও বর্তমান লালবাগ থানার ওসি সাবেক ছাত্রলীগ নেতা খন্দকার মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে অতিদ্রুত চাকরি থেকে অপসারণ করতে হবে। আর নবনিযুক্ত ডিসিকেও কেন মামলা নিতে এত দেরি হলো, কেন তিনি ওসিকে প্রেশার দেননি, কেন তিনি ছাত্র-জনতাকে রাত ৩টা পর্যন্ত ওয়েইট করে রেখেছেন তার জবাবদিহি করতে হবে।

লালবাগ থানায় ছাত্রজনতার অবস্থানের মাঝে কথা বলছেন শহীদ খালেদ হাসান সাইফুল্লাহর আইনজীবী। আমরা বিশ্বস্থ সূত্রে জানতে পেরেছি, ৭২টি গুলি খেয়ে শহীদ হওয়া সাইফুল্লাহ'র বাবার মামলাটা না নেওয়ার পেছনে মূল অভিযুক্ত হলো লালবাগ জোনের সদ্য সাবেক ডিসি মশিউর ও ওসি হেলাল। থানায় ২ দিন ধরে ভিক্টিমের পরিবারকে ঘুরিয়েছে এরা। এই মশিউর আন্দোলন চলাকালীন সময়ে একাধিক শিক্ষার্থীকে সরাসরি গুলি করে হত্যা করেছিল। আন্দোলনরত একজন শিক্ষার্থীকে গুম করে রেখেছিল। তার পরিবার এই নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করতে গেলে গুমকৃত ছাত্রের ভাইকে তুলে নিয়ে এই মশিউরের নেতৃত্বে ভয়াবহ শারীরিক নিপীড়ন চালানো হয়েছিল। এই গণহত্যাকারী-খুনি হাসিনার প্রেতাত্মাদের দিয়ে কীভাবে ন্যায় বিচার আশা করবেন? এরা নিজেরাই যেহেতু খুনি তাই স্বাভাবিক ভাবেই মামলা নিচ্ছেনা। আর মামলা নিলেও দেখা যাবে বিভিন্ন ভাবে মামলার নথিপত্র গায়েব করে দিবে অথবা নষ্ট করে দিবে। তারপর আসামীদের গ্রেপ্তারে সহযোগিতা না করা, তদন্তে ভুল রিপোর্ট দেওয়া তো আছেই! এই মশিউরের সেই কুকীর্তি সম্পর্কে জানতে এই পোস্ট টি পড়তে পারেন: https://t.me/basherkella/40997

পতন অত্যাসন্ন দেখে ২২ জুলাই শীর্ষ ব্যবসায়ীদেরকে গণভবনে ডেকে বৈঠক করেছিল খুনি হাসিনা। বৈঠকে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ
পতন অত্যাসন্ন দেখে ২২ জুলাই শীর্ষ ব্যবসায়ীদেরকে গণভবনে ডেকে বৈঠক করেছিল খুনি হাসিনা। বৈঠকে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান বলেছিলেন— 'আমাদের থেকে বেশি চিন্তা প্রধানমন্ত্রীর; যিনি এসব গড়েছেন, যিনি বাংলাদেশকে এ-পর্যায়ে এনেছেন, আমি নিশ্চিত তার ঘুম হয় না। কারফিউ আরো আগে দেওয়া হলে ভালো হতো। কিন্তু আমি জানি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কোনোদিন চান না, চাইতে পারেন না যে, এত এক্সট্রিম লেভেলে চলে যান। সাত দিন, পনেরো দিন, এক মাস ব্যবসা বন্ধ থাকলে ইনশাআল্লাহ আমাদের কিছু হবে না। কিন্তু এই সন্ত্রাসী-জঙ্গি বাহিনীকে ধ্বংস করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে, বিশ্বাস আছে; মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আপনার প্রতি এ আস্থা-বিশ্বাস থাকবে ইনশাআল্লাহ।' আর বসুন্ধরা গ্রুপের টিশুপেপার 'বাংলাদেশ প্রতিদিন'-এর ৬ আগস্টের শিরোনাম ছিল— রক্তসমুদ্রে স্বৈরাচারের পতন ছাত্র-অভ্যুত্থানে উড়ে গেল দম্ভ, পালিয়ে গেলেন হাসিনা

শুক্রবার সাজেক যাওয়ার সময় ৭ জন পর্যটকের একটি দলের গাড়ী আটকে নারী পর্যটককে অপহরণ করার চেষ্টা চালায় একদল পাহাড়ী। সাজেক যাওয়ার পথে মাচালং ব্রিজপাড়া এলাকায় ৬ জন পাহাড়ী দুর্বৃত্ত তাদের গাড়ির গতিরোধ করে। এসময় গাড়ি থেকে টেনে হিঁচড়ে ওই নারীকে নামিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় অপহরণে বাঁধা দেয়ায় আরো ৪জন পর্যটক হামলার শিকার হন। সাজেক থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান খান এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ভাগ্য ভালো ছিল সেনাবাহিনীর একটি টহল দল সেদিক দিয়ে যাচ্ছিল। তারা দ্রুত সেখানে পৌঁছে নারী পর্যটককে উদ্ধার করে অপহরণকারীদের ১জনকে আটক করে। আটকের খবর পেয়ে স্থানীয় প্রায় শতাধিক গ্রামবাসী সেনাবাহিনীর গাড়ি ঘেরাও করে। তারা অপহরণকারীকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। একইসাথে উদ্ধারকৃত পর্যটককে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় বাধা প্রদান করে। এসময় গ্রামবাসী অপহরণে বাধা প্রদানকারী আরও ৪ জন পর্যটককে মারধর করে। উত্তেজিত গ্রামবাসীর বাধা প্রদান সত্ত্বেও অপহরণ চেষ্টার শিকার পর্যটকদের নিকটস্থ ক্যাম্পে নিরাপদে নিয়ে যেতে সমর্থ্য হন সেনা সদস্যরা। এখানে জিনিসটা খেয়াল করেন, শুধু পাহাড়ী সন্ত্রাসীরা নয়, পুরা গ্রামবাসীই অপহরণে সহায়তা করে। অথচ এসব নিয়ে কথা বলতে দেখবেন না কাউকে। কারণ পাহাড়ীরা সন্ত্রাসী হতে পারে, এটা ঢাকার বাঙালীরা চিন্তাও করতে পারে না। - তাহমিদুল ইসলাম (মূলত শাহবাগী বামেরা পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী দুর্বৃত্তদের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে নিয়ে বিভিন্ন প্রপাগান্ডা ও অপপ্রচার চালায়। তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকার অনেক সড়কের দেয়ালে এই সেনাবাহিনীকে জড়িয়ে প্রপাগান্ডামূলক বিভিন্ন লেখাও লিখেছে। শাহবাগ থানায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে আপনারা হয়তোবা দেখেছেন, এক ন্যাড়িবাদী শাহবাগী কর্তৃক সেনাবাহিনীর এক তরুণ কর্মকর্তাকে অশালীন ভাষায় কটূক্তি করা এরই অংশ বিশেষ।)

photo content

প্রকাশ্যে ভারতের দালালি করার ঘোষণা দিয়েছিল রাতের ভোটের আওয়ামী এমপি শিবলী সাদিক! উল্লেখ্য, দিনাজপুর-৬ আসনের এই অবৈধ আওয়ামী সাংসদের বিরুদ্ধে সাঁওতালদের জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে। এই দালালদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার সময় এসেছে। #BasherkellaArchive

যুক্তরাজ্যে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া উচিত হবে না : ব্রিটিশ এমপি রূপা হক
যুক্তরাজ্যে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া উচিত হবে না : ব্রিটিশ এমপি রূপা হক

২০০৯ এর ২৫শে ফেব্রুয়ারী। আমি তখন সিটিসেলে নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টারে সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত। বিডিআর বিদ্রোহ শুরু হল
২০০৯ এর ২৫শে ফেব্রুয়ারী। আমি তখন সিটিসেলে নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টারে সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত। বিডিআর বিদ্রোহ শুরু হলো। কিছুক্ষনের মধ্যেই অফিস ছুটি দিয়ে দিল। আমি বাসায় আসলাম। আমার এক ফ্রেন্ড Miraj Hyder Chowdhury সেনাবাহিনী তে ছিল সে পাগলের মতন সবাইকে কল দিচ্ছিল। আমাকেও কল দিয়ে বলল, " মুনা কিছুই না জাস্ট একটা ট্যাংক নিয়ে আমরা ঢুকে যেতে পারি কিন্তু আমাদের কে অর্ডার ই তো দিচ্ছে না কেউ। পরবর্তীতে সে চাকরি হারায় এসব নিয়ে কথা বলার জন্য। অন্যদিকে ২০০৯ এর ২৬ তারিখে আমি অফিসে গেলাম সেদিন সিটিসেলের উপরের লেভেল থেকে এসে আমাদের কে নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টার থেকে সরে যেতে বলল। বলল তোমাদের ছুটি। এদিকে আমার কাজ শেষ হয়নাই আমি এক কোনায় বসে কাজ করছি। আমাকে উনারা দেখে নাই। উনারা যেটা করছিল মোবাইল নম্বর দিয়ে আর্মি অফিসার যারা লুকিয়ে আছে তাদের পজিশন বের করছিল আর কাকে জানি সেই পজিশন জানাছিল। পরবর্তীতে ওই এরিয়ার সম্পুর্ন মোবাইল কানেকশন বিছিন্ন করে দেওয়া হয় । এটা দুপুর ১২ টার ঘটনা। আমি চুপচাপ বসে সব বুঝলাম যে এটা কোন বিডিআর বিদ্রোহ না বরং সরকার পক্ষ থেকেই এই বিদ্রোহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। - নাজিফা চৌধুরী

এই উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা আমাদের দেশ নিয়ে, আমাদের ১৬ কোটি মানুষদের নিয়ে আর কতভাবে ষড়যন্ত্র করবে?
এই উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা আমাদের দেশ নিয়ে, আমাদের ১৬ কোটি মানুষদের নিয়ে আর কতভাবে ষড়যন্ত্র করবে?

ওইদিন ফুটেজ নিচ্ছিলাম যমুনার ক্যামেরাম্যান আলমগীর আর আমি। রাতে রেইড দিয়ে আটক করবে বলে আন্দোলনকারীদের হুমকি দিচ্ছিলেন। সেই সাথে আমাকেও শাসালেন গুলির ফুটেজ নেওয়ার কারনে। ওই পুলিশের কথায় বোঝা যাচ্ছে সুস্থ মাথায় নেই। হায়রে দিন! - সেলিম সরকার পুলিশের মধ্যে যারা এভাবে অতি উৎসাহী হয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে লিপ্ত ছিল তাদেরকে অতিসত্ত্বর বহিস্কার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। এদের ক্ষমা করলে এরা পুনরায় ষড়যন্ত্র শুরু করবে ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে।