7 629
订阅者
无数据24 小时
-237 天
-13830 天
帖子存档
এইটারেই হাবু মিয়ার ভাষায় বলে, "পুট ইউর হ্যান্ড ইনটু ইউর অ্যাস।" বাকীটা শিক্ষক মানুষ বলে বাংলায় লিখতে পারতেছি।
একদিন রিজভীরা থাকবে না। BNP যদি সত্যিই আওয়ামীলীগ পূনর্বাসনের এমন ঘৃণ্য প্রতারণা করে, আরেকটা জেনারেশন বিএনপির আদর্শের লোকজন নিজেদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে DB পুলিশের সাথে কাবাডি-কাবাডি খেলার জন্য রেডি হোন।
আপনারা যদি এগুলাকে সাপোর্ট করেন, যতদিন বেঁচে থাকবো, আপনাদেরকে শিরদাঁড়াহীন প্রানী মনে করে যাবো।
প্রয়োজন হলে আবার আমরা রাস্তাতে নামবো। ভারতীয় দালালদের কথাতে দেশ চলবে না।
১১ই মার্চ,সময় দুপুর ২:৩০।
কিছুদিন আগে আমি আপনাদের বলেছিলাম যে, 'রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ' নামে নতুন একটি ষড়যন্ত্র নিয়ে আসার পরিকল্পনা চলছে। এই পরিকল্পনা পুরোপুরি ভারতের। সাবের হোসেন চৌধুরী, শিরিন শারমিন, তাপসকে সামনে রেখে এই পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে।
আমি সহ আরও দুইজনের কাছে ক্যান্টনমেন্ট থেকে এই পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয় ১১ই মার্চ দুপুর ২:৩০এ। আমাদেরকে প্রস্তাব দেওয়া হয় আসন সমঝতার বিনিময়ে আমরা যেন এই প্রস্তাব মেনে নিই।আমাদেরকে বলা হয়- ইতোমধ্যে একাধিক রাজনৈতিক দলকেও এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে - তারা শর্তসাপেক্ষে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনে রাজি হয়েছে। একটি বিরোধী দল থাকার চেয়ে একটি দুর্বল আওয়ামী লীগসহ একাধিক বিরোধী দল থাকা না-কি ভালো। ফলশ্রুতিতে আপনি দেখবেন গত দুইদিন মিডিয়াতে আওয়ামীলীগের পক্ষে একাধিক রাজনীতিবিদ বয়ান দেওয়া শুরু করেছে।
আমাদেরকে আরো বলা হয়-রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ যাদের দিয়ে করা হবে, তারা এপ্রিল-মে থেকে শেখ পরিবারের অপরাধ স্বীকার করবে, হাসিনাকে অস্বীকার করবে এবং তারা বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ করবে এমন প্রতিশ্রুতি নিয়ে জনগণের সামনে হাজির হবে।
আমাদেরকে এই প্রস্তাব দেওয়া হলে আমরা তৎক্ষণাৎ এর বিরোধিতা করি এবং জানাই যে, আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের পরিকল্পনা বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের বিচার নিয়ে কাজ করুন।
এর উত্তরে আমাদের বলা হয়, আওয়ামী লীগকে ফিরতে কোন ধরণের বাধা দিলে দেশে যে সংকট সৃষ্টি হবে, তার দায়ভার আমাদের নিতে হবে এবং 'আওয়ামী লীগ মাস্ট কাম ব্যাক'।
আলোচনার এক পর্যায় বলি-যেই দল এখনো ক্ষমা চায় নাই, অপরাধ স্বীকার করে নাই,সেই দলকে আপনারা কিভাবে ক্ষমা করে দিবেন! অপরপক্ষ থেকে রেগে গিয়ে উত্তর আসে,' ইউ পিপল নো নাথিং। ইউ ল্যাক উইজডোম এন্ড এক্সপিরিয়েন্স। উই আর ইন দিজ সার্ভিস ফর এটলিস্ট ফোর্টি ইয়ার্স।তোমার বয়সের থেকে বেশি। তাছাড়া আওয়ামী লীগ ছাড়া 'ইনক্লুসিভ' ইলেকশন হবে না।'
উত্তরে বলি, ' আওয়ামীলীগের সাথে কোন ইনক্লুসিভিটি হতে পারে না।আওয়ামীলীগকে ফেরাতে হলে আমাদের লাশের উপর দিয়ে ফেরাতে হবে।আওয়ামী লীগ ফেরানোর চেষ্টা করা হলে যে সংকট তৈরি হবে, তার দায়ভার আপনাদের নিতে হবে'।
পরে- মিটিং অসমাপ্ত রেখেই আমাদের চলে আসতে হয়।
জুলাই আন্দোলনের সময়ও আমাদের দিয়ে অনেককিছু করানোর চেষ্টা করা হয়েছে। কখনো এজেন্সি কখনো বা ক্যান্টনমেন্ট থেকে নানা ধরণের প্রেসক্রিপশন গ্রহণ করতে চাপ দেয়া হয়েছে। আমরা ওসব চাপে নতি স্বীকার না করে আপনাদের তথা জনগণের উপরেই আস্থা রেখেছি। আপনাদের সাথে নিয়েই হাসিনার চূড়ান্ত পতন ঘটিয়েছি।
আজকেও ক্যান্টনমেন্টের চাপকে অস্বীকার করে আমি আবারও আপনাদের উপরেই ভরসা রাখতে চাই। এ পোস্ট দেওয়ার পর আমার কী হবে আমি জানি না। নানামুখী প্রেশারে আমাকে হয়তো পড়তে হবে হয়তো বিপদেও পড়তে হতে পারে। কিন্তু আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধের প্রশ্নে কোন ধরণের আপোষ করার সুযোগ নাই।
জুলাইয়ের দিনগুলোতে জনগণের স্রোতে ক্যান্টনমেন্ট আর এজেন্সির সকল প্রেসক্রিপশন আমরা উড়িয়ে দিয়েছিলাম। আজ আবারও যদি আপনাদের সমর্থন পাই, রাজপথে আপনাদের পাশে পাই তবে আবারও এই আওয়ামীলীগ পুনর্বাসনের ভারতীয় ষড়যন্ত্রও আমরা উড়িয়ে দিতে পারবো।
আসুন, সকল যদি কিন্তু পাশে রেখে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। আওয়ামী লীগ রাজনীতি করতে পারলে জুলাই ব্যর্থ হয়ে যাবে। আমাদের শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্ত আমাদের শহীদদের রক্ত আমরা বৃথা হতে দিবো না। ৫ আগস্টের পরের বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কামব্যাকের আর কোন সুযোগ নাই বরং আওয়ামীলীগকে অবশ্যই নিষিদ্ধ হতেই হবে।
এইমাত্র পাওয়া!
রাজধানীর জুরাইনে ছিন'তাই করার সময় এক ছিন'তাইকারীকে আটক করে ছাত্র জনতা,তারপর তুমুল উত্তম মাধ্যম দিয়ে উ'লঙ্গ করে খাম্মার সাথে বেঁধে রেখে দিছে!!
কুয়েটের শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রদলের সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।
সময়ঃ আজ রাত ৮.৩০
স্থানঃ শিববাড়ি চত্ত্বর।
আয়োজনে:বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, খুলনা মহানগর ও খুলনা জেলা।
কুয়েটের শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রদলের স/ন্ত্রা/সী হা/ম/লা/র প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল
সময়: সন্ধ্যা ৭.৩০
স্থান: রাজু ভাস্কর্য
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
কুয়েটের শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রদলের সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল
সময়: রাত ৭.৩০ ঘটিকা (জোহা স্যারের ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী শেষে)
তারিখ: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
স্থান: জোহা চত্বর, রাবি
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
পুলিশ এবং সেনাবাহিনী কুয়েটের অভ্যন্তরে হামলার পরেও সেখানে যায়নি। কুয়েটের শিক্ষার্থীরা এখনো হলে আটকা অবস্থাতে আছে। আপনারা সবাই কুয়েটের অবস্থা নিয়ে পোস্ট করেন। বারবার রাজনৈতিক দলগুলো থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপরে হামলা কেন হবে তার বিচার লাগবেই
রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাসে ছাত্রদলকে কর্মসূচি করতে মানা করায় কুয়েটের শিক্ষার্থীদের উপরে বহিরাগতদের নিয়ে সশস্ত্র হামলা করেছে ছাত্রদল। এসময় প্রোভিসির উপরেও হামলা হলে তাকে সরিয়ে নিয়ে যায় শিক্ষার্থীরা। অসংখ্য শিক্ষার্থী আহত, কয়েকজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোও হয়েছে।
ছবি- কুয়েট সংলগ্ন রাস্তায়
ছাত্রদল কুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালিয়েছে। প্রোভিসি সহ কুয়েটের অনেক সাধারণ শিক্ষার্থী ভয়াবহ ভাবে হতাহত।
