RAIYAN
前往频道在 Telegram
2 849
订阅者
-124 小时
-57 天
-5830 天
吸引订阅者
十月 '2610月 '26
十月 '26
+14
在0个频道中
九月 '26
+36
在0个频道中
Get PRO
八月 '26
+44
在0个频道中
Get PRO
七月 '26
+60
在1个频道中
Get PRO
六月 '26
+107
在1个频道中
Get PRO
五月 '26
+132
在1个频道中
Get PRO
四月 '26
+152
在1个频道中
Get PRO
三月 '26
+451
在2个频道中
Get PRO
二月 '26
+983
在1个频道中
Get PRO
一月 '26
+359
在2个频道中
Get PRO
十二月 '25
+299
在2个频道中
Get PRO
十一月 '25
+383
在2个频道中
Get PRO
十月 '25
+447
在2个频道中
Get PRO
九月 '25
+171
在2个频道中
Get PRO
八月 '25
+170
在0个频道中
Get PRO
七月 '25
+227
在1个频道中
Get PRO
六月 '250
在6个频道中
Get PRO
五月 '25
+24
在1个频道中
Get PRO
四月 '250
在3个频道中
Get PRO
三月 '25
+16
在7个频道中
Get PRO
二月 '250
在5个频道中
Get PRO
一月 '25
+75
在3个频道中
Get PRO
十二月 '240
在3个频道中
Get PRO
十一月 '240
在2个频道中
Get PRO
十月 '24
+41
在7个频道中
| 日期 | 订阅者增长 | 提及 | 频道 | |
| 20 十月 | 0 | |||
| 19 十月 | +1 | |||
| 18 十月 | 0 | |||
| 17 十月 | 0 | |||
| 16 十月 | +1 | |||
| 15 十月 | +4 | |||
| 14 十月 | 0 | |||
| 13 十月 | +2 | |||
| 12 十月 | 0 | |||
| 11 十月 | +1 | |||
| 10 十月 | 0 | |||
| 09 十月 | +2 | |||
| 08 十月 | 0 | |||
| 07 十月 | 0 | |||
| 06 十月 | 0 | |||
| 05 十月 | 0 | |||
| 04 十月 | +2 | |||
| 03 十月 | 0 | |||
| 02 十月 | 0 | |||
| 01 十月 | +1 |
频道帖子
| 2 | গতকাল ছিলো ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলনের প্রবাদপুরুষ ইয়াহইয়া সিনওয়ার এর দ্বিতীয় শাহাদাতবার্ষিকী।
২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর সাথে সম্মুখসমরে তিনি লড়াইরত অবস্থায় শাহাদাতবরণ করেন। | 26 |
| 3 | এখন তিনি বড় বড় কথা বলেন। | 52 |
| 4 | মাওলানা বলেন, | 78 |
| 5 | 没有文字... | 153 |
| 6 | যাঁর নাম উচ্চারণেই জেগে ওঠে এক তাহরীকের স্মৃতি — সাইয়্যিদ মওদূদী রাহ.। | 168 |
| 7 | "প্রেসিডেন্ট জিয়া রেগে গিয়ে তারেক রহমানকে বলেন--- কেন গাল দিয়েছিস, ও কি তোর বাপের চাকরি করে, যা মাফ চেয়ে আয়"
তারেক রহমান তখন ষষ্ঠ বা সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র। বয়স কম, কিন্তু গালাগাল সে ভালোই রপ্ত করেছে। সময় ও সুযোগ পেলে গালাগালের সুযোগ হাতছাড়া করতো না।
একদিন তারেক রহমান মঈনুল রোডের বাসভবনের বাইরের গেটের সামনে সন্ধ্যাবেলা প্রতিবেশী বন্ধুদের সঙ্গে খেলায় মেতে উঠেছিল।
রাস্তা দিয়ে মাঝেমধ্যেই গাড়ি যাতায়াত করছিল। তাই দুর্ঘটনার আশঙ্কার কারণে বাসার গেটে ডিউটিরত সেনাবাহিনীর গার্ড তারেক রহমানকে বলেন --'ভাইয়া সন্ধ্যা হয়ে গেছে, ভেতরে যান।'
আর যায় কোথায়। খেলার মধ্যে ব্যাঘাত ঘটায় তারেক রহমান ডিউটিরত সেই গার্ডকে যা মুখে এলো স্বরচিত কবিতার মতো বলে গালাগাল করে।
অতঃপর খেলা শেষে ক্লান্ত শরীরে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে এবং কোনোমতে পড়া শেষ করে রাতের খাওয়া কোনোমতে খেয়ে ঘুম।
ঘুমানোর দুই ঘন্টা পরে হঠাৎ মনে হলো বাসায় অনেক শোরগোল হচ্ছে। তাই তারেক রহমানের ঘুম ভেঙে যায় এবং তিনি চোখ খুলে দেখেন প্রেসিডেন্ট জিয়া অত্যন্ত রাগান্বিত হয়ে তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে।
আদরের প্রিয় পুত্রের মাথার চুল ধরে টেনে তুলে বাঘের মতো গর্জন করে প্রেসিডেন্ট জিয়া প্রচন্ড রেগে বলেন--- 'কেন গাল দিয়েছিস ? ও কি তোর বাপের চাকরি করে ? যা মাফ চেয়ে আয়।'
প্রেসিডেন্ট জিয়া বেগম জিয়াকে নির্দেশ দিলেন---
'ওকে নিয়ে যাও। ও মাফ চাইবে, তারপর ঘরে ঢুকবে।'
এরপর বেগম জিয়া তারেক রহমানকে নিয়ে গেলেন সামনের বারান্দায় এবং বিনা দোষে গাল খাওয়া গার্ডকে ডেকে আনা হলো।
সেনাবাহিনীর সেই গার্ড অত্যন্ত ভদ্রতার সঙ্গে বেগম জিয়াকে বলেন ---' না ম্যাডাম, ভাইয়ার কথায় আমি কিছু মনে করিনি। ছোট মানুষ। ওমন করেই।' | 172 |
| 8 | কেউ আপনাকে সরাসরি মিথ্যা বলতে বাধ্য করবে না। তারা শুধু আপনাকে স্পষ্ট করে দেখিয়ে দেবে যে সত্য বললে কী পরিণতি হবে। আর শেষমেশ... আপনি নিজেই মুখ বন্ধ করে ফেলবেন।
জনাব কামালের ঘটনার পর, আমি টানা ১৭ বছর অফিশিয়াল রিপোর্টে কখনো পরজীবীর কথা লিখিনি। কিন্তু বিশ্বাস করুন... একটা সপ্তাহের জন্যও আমি এদের উপস্থিতি পাওয়া থেকে রেহাই পাইনি।
একটার পর একটা লাশ। ঠিক একইভাবে ফুলে থাকা অন্ত্র, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে আঠালো মিউকাস বা বায়োফিল্মের প্রলেপ, ৩০, ৪০, ৫০ বা ৬০ বছর বয়সী—এমনকি তার চেয়েও কম বয়সী পুরুষ ও মহিলাদের টিস্যু কুড়ে কুড়ে খাওয়া পরজীবীর সাম্রাজ্য। প্রত্যেকের মেডিকেল হিস্ট্রিতে লেখা ছিল দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগে ভোগার কথা। প্রত্যেকের ল্যাব রিপোর্ট বলত "সব নরমাল"। ডাক্তাররা বলতেন "আপনার তো কোনো সমস্যা নেই।"
কিন্তু তারা প্রত্যেকেই ভর্তি ছিলেন হাজার হাজার পরজীবীতে, যা কেউ কোনোদিন শনাক্ত করতে পারেনি। যতক্ষণ না তাদের লাশ আমার কাটার টেবিলে এসে পৌঁছাত... যখন আর কিছুই করার থাকত না।
আমি লাশ কাটতাম, পরজীবী দেখতাম, ব্যক্তিগত খাতা ও ক্যামেরায় ছবি তুলে রাখতাম (অফিসিয়াল কাজের জন্য নয়), তারপর মনের ক্ষোভ চেপে কাগজে লিখে দিতাম: "অঙ্গ অকেজো, স্বাভাবিক মৃত্যু", তারপর বাড়ি চলে যেতাম।
আমি একটা গোপন ডায়েরি বানিয়েছিলাম, যা কেউ জানত না। সেখানে শুধু তারিখ, বয়স এবং আমি যে আসল সত্য পেয়েছি তা লিখে রাখতাম। ছয় সপ্তাহ আগে আমার অবসরের দিন পর্যন্ত, সেই ডায়েরিতে মোট ২,৭০০ জন মানুষের নাম নথিভুক্ত হয়েছিল।
২,৭০০ জন মানুষ! যাদের পরিবারকে বলা হয়েছিল "ডাক্তাররা মৃত্যুর কারণ বুঝতে পারেননি", অথচ আমি বুক চাপড়ে জানতাম আসল সত্যটা কী!
এই অপরাধবোধই আমি ৩১ বছর ধরে মনে বহন করে আসছিলাম। আর এটাই সেই টার্নিং পয়েন্ট যা এই গোপনীয়তাকে কেবল অপরাধবোধে আটকে রাখেনি, বরং এটিকে এমন এক পরিস্থিতিতে রূপান্তর করেছিল যা আমি আর উপেক্ষা করতে পারিনি... যখন ঘটনাটি ঘটল আমার নিজের স্ত্রী শাহনাজের সাথে।
আমাদের বিয়ের ৩৪ বছর হয়েছে। এখন তার বয়স ৬০ বছর, অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষিকা। প্রতিদিন সকালে তিনি ৫ কিলোমিটার হাঁটেন। যেকোনো জায়গায় গেলে তাকেই সবচেয়ে সুস্থ ও প্রাণবন্ত মানুষ মনে হতো।
কিন্তু প্রায় দুই বছর আগে, তার পেট ফাঁপা বা পেট ফুলে থাকার সমস্যা শুরু হয়।
প্রথমে মনে হয়েছিল স্বাভাবিক ব্যাপার, রাতের খাবারের পর প্যান্টের বোতাম আলগা করতে হতো। তিনি হেসেই উড়িয়ে দিতেন, বলতেন: "বয়স হচ্ছে তো, শরীর বদলে যাচ্ছে।" কিন্তু আমার মুখে হাসি ফুটত না।
এরপর শুরু হলো তীব্র ক্লান্তি। শাহনাজ জীবনে কখনো দুপুরে ঘুমাননি। কিন্তু হঠাৎ করেই প্রতিদিন বিকেল ৪টায় চেয়ারেই ঘুমিয়ে কাদা হয়ে যেতেন। ক্লান্তি কাটিয়ে চোখ মেলে রাখাই তার জন্য কঠিন হয়ে উঠত।
তারপর শুরু হলো রাত ৩টায় চমকে ঘুম ভেঙে যাওয়া। একদম ঘড়ির কাঁটা ধরে রাত ৩টায় তিনি জেগে উঠতেন। অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে বিছানায় এপাশ-ওপাশ করতেন, রাত কাবার হয়ে যেত। এভাবে কয়েক মাস চলল।
আর সবচেয়ে ভীতিকর ছিল ব্রেন ফগ। শাহনাজ ছিলেন তীক্ষ্ণ মেধার মানুষ, চমৎকার স্মৃতিশক্তি ছিল তার। কিন্তু তিনি কথা বলতে গিয়ে শব্দ ভুলে যেতে লাগলেন, কিছুক্ষণ আগের কথা ভুলে যেতেন। এক সপ্তাহের মধ্যে তিনি ৩ বার তার মেয়ের নাম আর নাতনির নাম প্যাঁচ লাগিয়ে ফেললেন! তিনি হেসে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতেন, কিন্তু আমার কলিজা শুকিয়ে যেত... কারণ আমি তো জানি এর পেছনের রহস্য!
ময়নাতদন্তের টেবিলে আসা শত শত, হাজার হাজার লাশের মেডিকেল হিস্ট্রিতে আমি এই লক্ষণগুলো পড়েছি। সবার শুরুটা হতো ঠিক একইভাবে: পেট ফাঁপা, ক্লান্তি, অনিদ্রা, ব্রেন ফগ এবং মিষ্টি খাবারের তীব্র ইচ্ছা।
আর সবার শেষ পরিণতি হতো একই জায়গায়... আমার ময়নাতদন্তের টেবিলে।
শাহনাজ ডাক্তার দেখালেন। রক্ত পরীক্ষা, মল পরীক্ষা, সাধারণ চেকাপ—সব করানো হলো। ল্যাব রিপোর্ট এলো: "সবকিছু একদম স্বাভাবিক (Normal)!"
অবশ্যই স্বাভাবিক আসবে!
আমি জীবনে ২,৭০০-এর বেশি লাশের ময়নাতদন্ত করেছি, যাদের জীবনভর ল্যাব রিপোর্ট আসত "নরমাল"! কারণ সাধারণ স্টুল টেস্টে কেবল সেই ডিম বা পরজীবীগুলো ধরা পড়ে, যেগুলো মলত্যাগের সময় খাবারের বর্জ্যের সাথে ভেসে আসে। কিন্তু যেসব পরজীবী অন্ত্রের ভেতরের দেয়ালে ১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত শক্তভাবে গেঁথে থাকে এবং বায়োফিল্মের ঘন মিউকাস দিয়ে নিজেদের সুরক্ষিত রাখে, তারা মল দিয়ে বাইরে আসে না। ল্যাব টেস্টে তা কখনোই ধরা পড়ে না। ল্যাবের কাছে এই পরজীবীদের কোনো অস্তিত্বই নেই।
সাধারণ ল্যাব টেস্টগুলো তৈরিই করা হয়েছে এভাবে—যাতে এগুলোকে "দেখা না যায়"!
সেদিন রাতে আমি ড্রয়িংরুমে বসে ছিলাম। দেখছিলাম শাহনাজ গত সপ্তাহে দেখা একটা সিনেমার নাম মনে করতে গিয়ে ছটফট করছেন। আর তখনই আমি ৩১ বছরের জমানো নীরবতার ভারী বোঝাটা অনুভব করলাম। আমি জানি তার শরীরের ভেতরে এখন কী তৈরি হচ্ছে। আমি সারা জীবন এই জিনিসের সাথে কাজ করেছি। গোপন ডায়েরিতে ২,৭০০ বার এটা লিখেছি। কিন্তু ২০১১ সালের সেই হুমকি আর সিস্টেমের ভয়ে আমি মুখ ফুটতে পারছিলাম না।
কিন্তু এ তো শাহনাজ... আমার সহধর্মিণী!
আমি কিছুতেই নিজের স্ত্রীর ডেথ সার্টিফিকেটে স্বাক্ষর করে "অঙ্গ অকেজো" লিখতে পারি না! | 103 |
| 9 | গত ৩১ বছর ধরে আমি ৭,০০০-এরও বেশি প্রাণহীনদেহের (লাশের) সাথে সময় কাটিয়েছি। আর আজ আমি এমন এক সত্য প্রকাশ করতে যাচ্ছি, যা এতদিন আগে বললে আমাকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরিচ্যুত করা হতো এবং আমার পেনশন বাজেয়াপ্ত করা হতো।
প্রথমে আমি ভেবেছিলাম মুখ খুলব না। আমার স্ত্রী বলেছিল ব্যাপারটা চেপে যেতে, আর আমার সাবেক সহকর্মীরা সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে আমি প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করছি। এমনকি সিভিল সার্জন বা প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা যেকোনো সময় তদন্তের অজুহাতে আমার পেনশন স্থগিত করে দিতে পারেন। কিন্তু এখন আমার বয়স ৬২ বছর। দীর্ঘ ৩১ বছর ধরে আমি এই গোপন সত্য বুকে চেপে রেখেছি। আর চোখের সামনে শত শত মানুষকে এভাবে মরতে দেখে আমি আর চুপ করে থাকতে পারছি না।
সত্যিটা হলো...
গত ৩১ বছরে আমি যতগুলো লাশের ময়নাতদন্ত করেছি, তার প্রায় প্রতিটির ভেতরেই একটি কমন জিনিস ছিল। কিন্তু ডেথ সার্টিফিকেট বা মৃত্যুসনদে আমাকে একবারের জন্যও সেটি উল্লেখ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
সেটি হলো পরজীবী (প্যারাসাইট)...! তারা শরীরের ভেতরে নিজেদের একটি বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল। সিমেন্টের দেয়ালে গাছের শিকড় যেভাবে ফাটল ধরিয়ে শক্তভাবে গেঁথে থাকে, ঠিক সেভাবেই পরজীবীগুলো অন্ত্রের দেয়ালে গভীরভাবে কামড়ে আটকে ছিল। ভেতরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের চারপাশে ধূসর রঙের ঘন মিউকাসের একটা প্রলেপ জমছিল—চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলা হয় "বায়োফিল্ম" (Biofilm)। দেখে মনে হচ্ছিল যেন কেউ আঠালো ঘন একধরনের কাদা দিয়ে পুরো অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলো ঢেকে দিয়েছে।
লিভার অস্বাভাবিক বড় হয়ে গিয়েছিল, অন্ত্র ফুলেফেঁপে উঠেছিল, বছরের পর বছর—কারো কারো ক্ষেত্রে কয়েক দশক ধরে—টিস্যুগুলো ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছিল। কিন্তু প্রতিটি মৃত্যুসনদে, যেখানে আমাকে স্বাক্ষর করতে হতো, বারবার একই কারণ লেখা হতো: অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অকেজো হওয়া (Organ Failure), স্বাভাবিক মৃত্যু, অথবা রোগজনিত জটিলতা।
কোথাও "পরজীবী" শব্দটি ছিল না... সত্যটা কখনোই সেই কাগজে লেখা হতো না।
আমি আপনাদের আমার জীবনের এমন একটি ঘটনার কথা বলতে চাই, যখন আমি সত্যটা রিপোর্টে লেখার চেষ্টা করেছিলাম, এবং তার পরিণতি কী হয়েছিল...
সেটি ছিল ২০১১ সালের কথা। ততদিনে এই পেশায় আমার ১৪ বছরের অভিজ্ঞতা হয়ে গেছে। চোখের সামনে যা দেখছি তা বোঝার মতো যথেষ্ট অভিজ্ঞতা যেমন ছিল, তেমনই সততা যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস—সেটি বিশ্বাস করার মতো সহজ-সরল মনোভাবও তখন আমার ছিল।
সেই মৃতদেহটি ছিল জনাব কামালের।
জনাব কামালের বয়স ছিল ৪৯ বছর। তিনি একটি হাইস্কুলের বাস্কেটবল কোচ ছিলেন। ২৩ বছরের বিবাহিত জীবন, ৩টি সন্তান ছিল। বড় দুজন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, আর ছোটটি তখনো স্কুলে। তিনি বেশ চওড়া ও শক্তসমর্থ স্বাস্থ্যের অধিকারী ছিলেন—এমন একজন মানুষ যিনি ঘরে ঢুকলেই চারপাশের মানুষ একধরনের নিরাপত্তার অনুভূতি পেত।
তার স্ত্রী মেডিকেল টিমকে জানিয়েছিলেন, তিনি বহু বছর ধরে গ্যাস্ট্রিক ও হজমের সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রতিবার খাওয়ার পর পেট ফেঁপে থাকত, কোনো কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত ক্লান্তি লাগত অথচ বাইরে থেকে তাকে সুস্থ মনে হতো, মাথায় ব্রেন ফগ (স্মৃতি ও চিন্তাশক্তি ধীর হয়ে যাওয়া) হতো, এবং প্রায়ই মাঝরাতে গায়ে ঘাম দিয়ে চমকে উঠতেন।
ডাক্তাররা তাকে বলেছিলেন: "আপনি বেশি মানসিক চাপে আছেন।" পরে তাকে "ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (IBS)"-এর রোগী বলে চিহ্নিত করা হয় এবং শেষমেশ বলা হয়: "বয়স তো পঞ্চাশের কাছাকাছি, শরীরে তো কিছু পরিবর্তন আসবেই, এটা স্বাভাবিক।"
এক রবিবার সকালে জনাব কামাল মারা যান। ছোট মেয়েকে সকালের নাস্তায় গরম গরম পরোটা ভেজে দেওয়ার সময় তিনি রান্নাঘরের মেঝেতে হুট করে লুটিয়ে পড়েন। তার ১৬ বছরের ছোট মেয়েটি চোখের সামনে পুরো ঘটনাটি ঘটে যেতে দেখে।
জরুরি বিভাগের প্রাথমিক রিপোর্টে মৃত্যুর কারণ লেখা হয়: সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া একাধিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অকেজো হয়ে যাওয়া (Multi-organ failure)।
মঙ্গলবার তার দেহটি এলো আমার ময়নাতদন্তের টেবিলে।
আমি ময়নাতদন্ত শুরু করলাম... পেটের গহ্বর খুলতেই দেখি, তার অন্ত্রের আকার স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ ফুলে আছে। লিভার অনেক বড় হয়ে গেছে এবং রঙ বদলে গেছে—এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে ভালো টিস্যুর চিহ্নমাত্র অবশিষ্ট নেই। আর ভেতরের প্রতিটি অঙ্গ ঢেকে আছে ঘন ধূসর বায়োফিল্মের আঠালো মিউকাসে। কিছু জায়গায় সেই আস্তরণ এত ঘন ছিল যে ভেতরের অঙ্গ দেখা পর্যন্ত যাচ্ছিল না।
আমি ক্ষুদ্রান্ত্রের একটি অংশ আমার যন্ত্র দিয়ে তুলে ধরলাম...
সেখানে ছিল পরজীবীর এক বিশাল সাম্রাজ্য! শত শত পরজীবী অন্ত্রের দেয়াল ফুঁড়ে ভেতরে গভীরভাবে আটকে ছিল, যার ফলে অন্ত্রের কয়েক জায়গায় ছিদ্র তৈরি হয়েছিল। তারা অন্ত্র ভেদ করে পেটের গহ্বর ও লিভারে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং ড্রিলিং মেশিনের মতো বছরের পর বছর ধরে ভেতরের টিস্যুগুলোকে ঝাঁঝরা করে ফেলেছিল। আর বাস্তব সত্যটাও ঠিক সেটাই ছিল।
জনাব কামাল কোনো "অজ্ঞাত কারণে অঙ্গ অকেজো হয়ে" মারা যাননি। তিনি মারা গিয়েছিলেন কারণ বিগত ১৫-২০ বছর ধরে পরজীবীগুলো তার শরীরের ভেতর থেকে তাকে তিলে তিলে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছিল। অথচ তার ডাক্তাররা তাকে কেবল মানসিক চাপ সামলানোর পরামর্শ দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেছিলেন!
আমি তার দেহের দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। ৪৯ বছরের এক বাস্কেটবল কোচ, তিন সন্তানের বাবা, যার ছোট মেয়েটি নাস্তা বানানোর সময় বাবাকে লুটিয়ে পড়তে দেখেছে। আর আমি আমার পুরো কর্মজীবনে প্রথম ও একমাত্র বারের মতো সিদ্ধান্ত নিলাম—রিপোর্টে যা সত্য, তাই লিখব।
আমি খুঁটিনাটি সবকিছু বিস্তারিতভাবে নথিবদ্ধ করলাম: পরজীবী, বায়োফিল্মের ঘন আঠালো আস্তরণ, অন্ত্রের দেয়ালের ক্ষতি এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত লিভারের টিস্যু। অফিসিয়াল ময়নাতদন্ত সিস্টেমে আমি কারণ হিসেবে লিখলাম: দীর্ঘস্থায়ী পরজীবী সংক্রমণ এবং বায়োফিল্মের ঘন আস্তরণের কারণে একাধিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অকেজো হয়ে মৃত্যু।
বুধবার আমি রিপোর্ট জমা দিলাম... আর শুক্রবার আমাকে প্রতিষ্ঠানের সিভিল সার্জন / প্রধান চিকিৎসকের কক্ষে ডেকে পাঠানো হলো।
তিনি আমার ওপর চিৎকার করেননি। তা করলে হয়তো সহ্য করা সহজ হতো। কিন্তু তিনি কথা বললেন একদম শান্ত, পেশাদার এবং গা-শিউরে-ওঠা নরম স্বরে।
— "রফিক, এই রিপোর্টটা কিন্তু অনেক বড় সমস্যা তৈরি করবে।"
— "কিন্তু স্যার, আমি তো সেটাই পেয়েছি যা বাস্তবে আছে।"
— "তুমি যা পেয়েছ তা নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই, রফিক। কিন্তু আমি সন্দেহ করছি তোমার বুদ্ধিমত্তা নিয়ে—তুমি যেভাবে এই শব্দগুলো বেছে নিয়েছ।"
তিনি একটা একটা করে বিষয় ব্যাখ্যা করতে লাগলেন। জনাব কামাল গত ১১ বছর ধরে জেলা হাসপাতালের অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। ৪ জন আলাদা ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা করিয়েছেন, ডজন ডজন বার একই উপসর্গের কথা বলেছেন, কিন্তু কোনো ডাক্তারই কোনোদিন পরজীবী পরীক্ষার নির্দেশ দেননি।
যদি আমার এই রিপোর্ট বাইরে বেরিয়ে যায়, জনাব কামালের স্ত্রী হাসপাতালের বিরুদ্ধে মামলা করবেন, হাসপাতালে তোলপাড় শুরু হবে ও তদন্ত কমিটি বসবে, একাধিক ডাক্তারের বিএমডিসি (BMDC) রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স ঝুঁকিতে পড়বে, এবং পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর বড় ধরনের কেলেঙ্কারির কালো ছায়া নেমে আসবে।
— "স্যার, আপনি কি আমাকে রিপোর্ট সংশোধন করতে বলছেন?"
— "আমি তোমাকে তোমার শব্দগুলো পুনর্বিবেচনা করতে বলছি। 'অঙ্গ অকেজো হওয়া' কথাটি একদম সঠিক। আর পরজীবী পাওয়ার ব্যাপারটা কেবল... একটা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা গৌণ বিষয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে এমন গৌণ বিষয় টেনে আনার কোনো দরকার নেই।"
— "কিন্তু তার স্ত্রীর তো জানা উচিত কীসের জন্য তার স্বামী মারা গেলেন!"
তিনি অনেকক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন, তারপর বললেন:
— "স্ত্রীকে জানানো হবে অঙ্গ অকেজো হয়ে মারা গেছেন, যা আসলেই ঘটেছে। আমাদের কাজ সরাসরি মৃত্যুর কারণ লিপিবদ্ধ করা, বেঁচে থাকা মানুষদের আইনি ঝামেলায় ফেলার জন্য পেছনের ইতিহাস খোঁড়া নয়।"
আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম...
— "কিন্তু স্যার, যদি আবার এমন ঘটনা ঘটে?"
— "তুমিও সরাসরি মৃত্যুর কারণটাই লিখবে, যেমনটা এই ঘরের সবাই করে, যেমনটা এই দেশের প্রতিটি ফরেনসিক ডাক্তার করে।"
তিনি দাঁড়িয়ে পড়লেন। কথা সেখানেই শেষ।
— "তুমি খুব ভালো ফরেনসিক ডাক্তার, রফিক। নিজেকে সিস্টেমের শত্রু বানিয়ে ফেলো না।"
ব্যস... তার ভদ্রভাষার আড়ালে লুকিয়ে থাকা আসল বার্তাটা ছিল এটাই। যার সহজ অর্থ: "আবার এমন করলে তোমার ক্যারিয়ার শেষ!"
আমি আমার রুমে ফিরে এলাম। জনাব কামালের রিপোর্ট সংশোধন করলাম। মৃত্যুর কারণ বদলে লিখলাম 'অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অকেজো হওয়া'। পরজীবীর কথা মুছে ফেললাম, বায়োফিল্মের সমস্ত তথ্য বাদ দিলাম, এবং অন্ত্রের ক্ষয়ক্ষতির সব ছবি সিস্টেম থেকে ডিলিট করে দিলাম।
জনাব কামালের স্ত্রী বাকি সব পরিবারের মতো একই উত্তর পেলেন: "অঙ্গ অকেজো হয়ে মারা গেছেন, আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত, সুনির্দিষ্ট কারণ বোঝা যায়নি।"
কয়েকদিন পর একটা সুপারমার্কেটে তার সাথে আমার দেখা হয়েছিল। তিনি একাই একটি হিমায়িত খাবারের প্যাকেট বেছে নিচ্ছিলেন। তার চোখ দুটো লাল হয়ে ছিল, তিনি আমাকে খেয়ালও করেননি। সেদিন আমি গাড়িতে করে বাড়ি ফিরলাম এবং গাড়ির ভেতরে বসেই প্রায় ২০ মিনিট ধরে ডুকরে ডুকরে কাঁদলাম।
আর তারপর... আমি টানা ১৭ বছর ধরে ঠিক একইভাবে মৃত্যুর কাগজে সই করে গেলাম।
সাধারণ মানুষ আমাদের এই ব্যবস্থার গোপনীয়তা সম্পর্কে যা ভাবে, তা সম্পূর্ণ ভুল। তারা মনে করে আড়াল করার প্রক্রিয়াটা বোধহয় খুব নাটকীয়—স্যুট-টাই পরা প্রভাবশালী মানুষ, গোপন নথি পুড়িয়ে ফেলা, কিংবা অন্ধকার ঘরের গোপন বৈঠক। কিন্তু মোটেও তা নয়! এটা শুরু হয় খুব সাধারণভাবে, একটা ঘরের ছোট টেবিলে বসে বলা একটা ছোট বাক্য দিয়ে: "সিস্টেমের সাথে পাঙ্গা দিতে যেয়ো না।" ব্যস, আপনি বুঝে যাবেন, আপনি আত্মসমর্পণ করবেন, আর শান্ত মাথায় লিখে দেবেন "অঙ্গ অকেজো হওয়া", তারপর বাড়ি ফিরে যাবেন। | 81 |
| 10 | "প্রেসিডেন্ট জিয়া রেগে গিয়ে তারেক রহমানকে বলেন--- কেন গাল দিয়েছিস, ও কি তোর বাপের চাকরি করে, যা মাফ চেয়ে আয়"
তারেক রহমান তখন ষষ্ঠ বা সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র। বয়স কম, কিন্তু গালাগাল সে ভালোই রপ্ত করেছে। সময় ও সুযোগ পেলে গালাগালের সুযোগ হাতছাড়া করতো না।
একদিন তারেক রহমান মঈনুল রোডের বাসভবনের বাইরের গেটের সামনে সন্ধ্যাবেলা প্রতিবেশী বন্ধুদের সঙ্গে খেলায় মেতে উঠেছিল।
রাস্তা দিয়ে মাঝেমধ্যেই গাড়ি যাতায়াত করছিল। তাই দুর্ঘটনার আশঙ্কার কারণে বাসার গেটে ডিউটিরত সেনাবাহিনীর গার্ড তারেক রহমানকে বলেন --'ভাইয়া সন্ধ্যা হয়ে গেছে, ভেতরে যান।'
আর যায় কোথায়। খেলার মধ্যে ব্যাঘাত ঘটায় তারেক রহমান ডিউটিরত সেই গার্ডকে যা মুখে এলো স্বরচিত কবিতার মতো বলে গালাগাল করে।
অতঃপর খেলা শেষে ক্লান্ত শরীরে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে এবং কোনোমতে পড়া শেষ করে রাতের খাওয়া কোনোমতে খেয়ে ঘুম।
ঘুমানোর দুই ঘন্টা পরে হঠাৎ মনে হলো বাসায় অনেক শোরগোল হচ্ছে। তাই তারেক রহমানের ঘুম ভেঙে যায় এবং তিনি চোখ খুলে দেখেন প্রেসিডেন্ট জিয়া অত্যন্ত রাগান্বিত হয়ে তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে।
আদরের প্রিয় পুত্রের মাথার চুল ধরে টেনে তুলে বাঘের মতো গর্জন করে প্রেসিডেন্ট জিয়া প্রচন্ড রেগে বলেন--- 'কেন গাল দিয়েছিস ? ও কি তোর বাপের চাকরি করে ? যা মাফ চেয়ে আয়।'
প্রেসিডেন্ট জিয়া বেগম জিয়াকে নির্দেশ দিলেন---
'ওকে নিয়ে যাও। ও মাফ চাইবে, তারপর ঘরে ঢুকবে।'
এরপর বেগম জিয়া তারেক রহমানকে নিয়ে গেলেন সামনের বারান্দায় এবং বিনা দোষে গাল খাওয়া গার্ডকে ডেকে আনা হলো।
সেনাবাহিনীর সেই গার্ড অত্যন্ত ভদ্রতার সঙ্গে বেগম জিয়াকে বলেন ---' না ম্যাডাম, ভাইয়ার কথায় আমি কিছু মনে করিনি। ছোট মানুষ। ওমন করেই।' | 1 |
| 11 | 'এটা দেখে ফেলাই কাল হয়েছে আমার'
রিমান্ড ফেরত সালাহউদ্দীন তানভীর গুরুতর অসুস্থ। আজকে প্রেস কনফারেন্স করছে, সেখানেও দেখা গেল স্যালাইন লাগাইয়াই আসছেন। কথাও বলতে পারতেছেন না ঠিক মতো।
তবে একটা স্টেটমেন্ট দিয়া আবারো ঝড় তুললেন। বললেন, 'আওয়ামী লীগের নেতাদের রাতে গাড়িতে করে বের করে আবার ভোরে কারাগারে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়। এটা দেখে ফেলাই কাল হয়েছে আমার।' | 82 |
| 12 | নাম অধ্যাপক নিলুফার সুলতানা। তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক এবং নবাব ফয়জুন্নেছা হলের তৎকালীন সহকারী প্রভোস্ট ছিলেন।
নিয়মিত হলে তিন ছাত্রীকে নামাজ পরতে দেখতেন। পর্দা করতে দেখতেন। ইশারা ইঙ্গিতে সাবধান করেছে অনেকবার। তারা থামেনি। লুকিয়ে লুকিয়ে তাদের বই পরা দেখতেন!
তাদের ইসলামিক বই পরা ও পর্দা করা মানতে পারে নাই নিলুফা নাটক সাজানোর পরিকল্পনা করে।
তৎকালীন লীগের এমপির সাথে ছিলো তার আবার খুব খাতির। তখন লীগের ঢঙ্গি ঢাঙ্গী খেলা সবে মাত্র শুরুর পথে।
২০১৬ সালের ২৭ জুলাই মধ্যরাতে নবাব ফয়জুন্নেছা হলের সেই ৩ জন ছাত্রীর কক্ষে তল্লাশি চালানো হয় নিলুফার তথ্যর ভিত্তিতে।
তাদের পড়ার টেবিলে ইসলামিক বক্তা ডা. জাকির নায়েকের লেকচার সমগ্রসহ সাধারণ কিছু ইসলামিক বই পাওয়া যায়। এই বইগুলোকে 'ঢ*ঙ্গি*বাদের বই' হিসেবে আখ্যা দিয়ে নিলুফা ওই ৩ ছাত্রীকে পুলিশে সোপর্দ করেন এবং তাদের বিরুদ্ধে স*ন্ত্রা*সবি*রো*ধী আইনে মামলা দেওয়া হয়।
মিথ্যা ঢঙ্গি অপবাদের কারণে কানিজ ফারহানা বাতুল, আরজিনা আক্তার চম্পা ও সালমা আক্তার নামের এই ৩ ছাত্রীকে দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর (৯ বছর ৯ মাস ২৭ দিন) সামাজিক কলঙ্ক ও আইনি হয়রানি ভোগ করতে হয়।
পরবর্তীতে কলেজের তদন্ত কমিটিও নিশ্চিত করে যে বইগুলো সাধারণ ইসলামিক বই ছিল, জঙ্গিবাদের নয়।
অবশেষে ২০২৬ সালের ২৪ মে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালত তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের সম্পূর্ণ খালাস দেন।
তাদের জীবন থেকে নষ্ট হয়ে যায় ১০ টি বছর। এক শু*য়োরের মিথ্যা অপবাদে। সেই দায়ে তাকে জেলে ভরা তো দূরের কথা, দেয়া হয়েছে পদন্নোতি।
সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিতর্কিত এই নিলুফার সুলতানাকে পদোন্নতি দিয়ে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) প্রশিক্ষণ বিশেষজ্ঞ হিসেবে বদলি ও পদায়ন করা হয় বলে নিশ্চিত হয়েছি।
লেখা ~ খলিদ বিন মিয়াজ | 90 |
| 13 | বাকপ্রতিবন্ধী একটা ছেলে। নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করত আর অবসরে কাগজ দিয়ে ফুল বানাত৷ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে বিক্রি করত সেই ফুলগুলো।
কিছু টাকা জমিয়ে নিজেদের ভাঙা ঘরটা মেরামত করবে—এমন স্বপ্ন নিয়ে এসেছিল ঢাকা শহরে। ঢাকার বারিধারায় একটা রাস্তার ফুটপাতে বসে জিরিয়ে নিচ্ছিল একটু।
আচমকা একটা কালো প্রাইভেট কার এসে উঠে গেল ফুটপাতের উপর৷ ঠিক বাকপ্রতিবন্ধী মেহেদি হাসানের গায়ের উপর। মেহেদি হাসানের জীবন আর স্বপ্নের সেখানেই সমাপ্তি ঘটল৷
যে কালো প্রাইভেট কারটা মেহেদির গায়ের উপর উঠে গিয়েছিল, সেটা ড্রাইভ করছিল বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের এক সিনিয়র কর্মকর্তার ছেলে। গাড়িটা ফুটপাতে তুলে দেওয়ার পর, দ্রুত ড্রাইভারের পজিশান থেকে নেমে আসে জিন্স আর গেঞ্জি পরা এক কিশোর। মধ্যবয়েসি একটা লোক (গাড়ির ড্রাইভার) নামে অন্যপাশ থেকে।
গুলশান থানা মামলা নিলো ঠিকই, কিন্তু সেই মামলায় মূল যে অপরাধী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্মকর্তার ছেলে, তার নাম রাখেনি৷ আসামি হিশেবে রেখেছে ড্রাইভারকে যে আদতে গাড়িটা ড্রাইভই করেনি।
দুঃখিত মেহেদি।
বাংলাদেশটা তোমার-আমার না। এই দেশটা বারিধারা, গুলশান, বনানীর বড়লোকদের।
-আরিফ আজাদ | 90 |
| 14 | 没有文字... | 147 |
| 15 | Assalamualaikum ভাই।
কেমন আছেন? আশা করি ভালো আছেন।
গতকাল ইলিয়াস হোসেনের পর্ব দেখলাম খুব ভালোভাবে। আমি ঢাকার দক্ষিণখানে থাকি। গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া, উত্তরখান ও দক্ষিণখান আমার ডিউটি এলাকা।
লাস্ট কয়েকদিন যাবত একটা বিষয় খুব গভীরভাবে খেয়াল করলাম—এই সব এলাকায় আগের তুলনায় অটোওয়ালা বাড়ছে প্রায় ৯০গুণ। প্যাসেঞ্জার নাই কিন্তু অটো রিকশার অভাব নাই।
আমার মনে হয় এইগুলা সব ঢাকার বাইরের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ অ্যান্ড ছাত্রলীগের পোলাপাইন। এরা যেকোনো সময় গ্রীন সিগন্যাল পাইলে ঢাকাকে ব্লকড করে ফেলবে।
___ইনবক্সে পাওয়া। | 157 |
| 16 | 没有文字... | 173 |
| 17 | 没有文字... | 181 |
| 18 | ফ্যাসিস্ট ও ইন্ডিয়ার এজেন্টরা দাউদ ইব্রাহিম কাসকারকে টেরোরিস্ট ও ক্রিমিনাল বলে।
ফ্যাসিস্ট ও ইন্ডিয়ার এজেন্টদের কাছে লরেন্স বিশনোই ও আজিত কুমার ডোভাল এবং নরেন্দ্র মোদি রিয়েল হিরো ও খুব ভালো মানুষ।
দাউদ ইব্রাহিম কাসকার এর বাবা ইব্রাহিম কাসকার ইন্ডিয়ান পুলিশ (আইপি) এর ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন
ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) হেড কনস্টেবল ছিলেন।
৩০ বছর ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) তে একজন ইমামদার হেড কনস্টেবল হিসেবে কাজ করেছিলেন বাট কোনো প্রমোশন পান নাই ইব্রাহিম কাসকার।
ইন্ডিয়ার মুসলিম পিপলসদের চাকরি বা জবে প্রমোশন দেয় না ইন্ডিয়ান গর্ভমেন্ট।
ইন্ডিয়াতে জবে কাঁদের প্রমোশন দেওয়া হয় সেটা আপনারা সবাই জানেন।
১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর রবিবার ইন্ডিয়া উত্তর প্রদেশ স্টেট অযোধ্যা ডিস্ট্রিক্ট অযোধ্যা সিটিতে অবস্থিত বাবরি মাসজিদ ধ্বংস করে ফেলে হিন্দু পলিটিক্যাল পার্টি গুলো ও হিন্দু গ্ৰুপ গুলো।
এই সময় ইন্ডিয়ার মুসলিম পিপলসদের বাসা ও বাড়ি এবং বিজনেস সেন্টার গুলোতে কোনো কারণ ছাড়া এট্যাক করা শুরু করে হিন্দু পলিটিক্যাল পার্টি গুলোর মেম্বাররা।
পাশাপাশি দাউদ ইব্রাহিম কাসকার এর ফ্যামিলির উপর এট্যাক করা হয়।
দাউদ ইব্রাহিম কাসকার ডিসিশন নেন বাবরি মাসজিদ ধ্বংস করার রিভেঞ্জ ও ইন্ডিয়ার মুসলিম পিপলসদের উপর চালানো টর্চার ও জেনোসাইড এর রিভেঞ্জ নিবেন।
১৯৯৩ সালের ১২ মার্চ ইন্ডিয়া মহারাষ্ট্র স্টেট মুম্বাই সিটিতে অবস্থিত হিন্দু পলিটিক্যাল পার্টি গুলো ও হিন্দু গ্ৰুপ গুলোর হেডকোয়ার্টার গুলোতে এট্যাক করে দাউদ অ্যান্ড কোম্পানি গ্ৰুপ (ডিএসিজি) মেম্বাররা।
এতে করে টানা ৩ দিন পুরো ইন্ডিয়া থেকে মুম্বাই সিটির সঙ্গে কালেকশন বন্ধ হয়ে যায়।
পরে ইন্ডিয়ার গর্ভমেন্ট বুঝতে পারে তাঁরা যদি এট্যাক করে এর জবাবে পাল্টা কাউন্টার এট্যাক হবে।
সালমান সুফিয়ান
১৫/৯/২০২৬ | 157 |
| 19 | Once a wise men said, 'জজ সাহেব, এই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল যেন চালু থাকে! | 104 |
| 20 | 没有文字... | 116 |
