ch
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

前往频道在 Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

显示更多

📈 Telegram 频道 Abdullah bin bashir 的分析概览

频道 Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 11 300 名订阅者,在 宗教与灵性 类别中位列第 8 141,并在 孟加拉国 地区排名第 2 028

📊 受众指标与增长动态

невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 11 300 名订阅者。

根据 23 六月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 85,过去 24 小时变化为 5,整体触达仍然可观。

  • 认证状态: 未认证
  • 互动率 (ER): 平均受众互动率为 19.42%。内容发布后 24 小时内通常能获得 7.99% 的反应,占订阅者总量。
  • 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 2 194 次浏览,首日通常累积 903 次浏览。
  • 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 48

📝 描述与内容策略

作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

凭借高频更新(最新数据采集于 24 六月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 宗教与灵性 类别中的关键影响点。

11 300
订阅者
+524 小时
+357
+8530
帖子存档
সোমালিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠী শাবাব সেখানকার রাজধানীকে কার্যত অবরোধ করে রেখেছে। অনেকটা অসহায় অবস্থায় আছে স্থানীয় সরকার। বাহিরের সাহায্য ছাড়া বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হাত থেকে সোমালিয়াকে রক্ষা প্রায় অসম্ভব। ঠিক এই মুহুর্তে মোগাদিশুর সরকারকে সাহায্যের জন্য যারপরনাই চেষ্টা করে যাচ্ছে এরদোয়ান। মোগাদিশুতে গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য নতুন তিনটি অত্যান্ত শক্তিশালী যুদ্ধ বিমান পাঠিয়েছে তুরস্ক। . ইসলামী গণতন্ত্র রক্ষায় তুরস্কের এই মহান খেদমত ইতিহাসে বরনীয় হয়ে থাকবে। সাথে, আমেরিকা, আফ্রিকান ইউনিয়ন, পার্শ্ববর্তী খ্রিস্টান দেশ ইথিওপিয়া, সকলেই ইসলামি গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে যে ত্যাগ দিচ্ছে তা ইতিহাস কখনোই ভুলবে না। . পার্শ্ববর্তী ফিলিস৩-এ যুদ্ধবিমান না পাঠালেও মোগাদিশুতে নিয়মিত অস্ত্র ও সেনা সরবরাহ করছে তুরস্ক, শুধু শুধু মুর্খের মত এইধরনের প্রশ্ন করবেন না। এটাও জিজ্ঞাসা করবেন না, ফিলিস৩-এর পক্ষে সবচেয়ে সোচ্চার তুরস্ক কেনো হিজ্রাইলের সাথে শীর্ষ বানিজ্যে অবস্থান করছে। এগুলো বুঝতে হলে দুনিয়া সম্পর্কে আরো অনেক জ্ঞান অর্জন করা জরুরি। জিওপলিটিক্সের উপর ডাবল মাস্টার্স ছাড়া এটা বুঝা প্রায় অসম্ভব।

১৯৯৫-পূর্বে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সকলেই মু জা হি দ ছিলো। উ*সা*মা, আল *কা*য়*দা ইত্যাদি। হঠাৎ করে আমেরিকার পক্ষ থেকে ফতোয়া আসলো যে, এরা মু জা হিদ নয় এরা সন্ত্রাসী, বাস আমাদের পাকিস্তান রাষ্ট্র সে ফতোয়া কবুল করে নিলো। এবং আমাদের দ্বীনি জামাতগুলোর একটি অংশও মেনে নিলো। . আমাদের পীরগুলোর কাছে কোটি কোটি টাকা, আপনি একদিন তাদের দস্তরখানে বইসা দেখবেন, তারা কেমন সাচ্ছন্দ্যময় জীবন কাটায়, এই জীবন থেকে বের হয়ে এসে তারা বিদ্যমান সিস্টেমের বিরুদ্ধে কস্মিনকালেও কথা বলতে পারবে না। এটা সম্ভবই না। কারণ তখন আর তাদের এই সুন্দর জীবন থাকবে না। . আমি জিন্নাহকে কায়েদে আজম মানি না। সে তো ইংরেজদের পক্ষ থেকে ছিলো। যেনো তার মাধ্যমে ইংরেজরা তাদের আইন বাস্তবায়ন করতে পারে। স্বাধীনতা আন্দোলনে তার কয়জন লোক, তার পরিবারের কয়জন লোক শহিদ হয়েছে? বা জেলে গেছে? . তারা আমার সাথে জামিয়া হাফসা নিয়ে একটা চুক্তিতে আসতে চেয়েছে, আমি সে চুক্তি পত্র ছিড়ে ফেলেছি। তারা পুরো জামিয়া হাফসাকে তাদের হাতে তুলে দিতে বলেছি। আমি অস্বীকার করেছি। বলেছি, তোমরা তোমাদের পূর্ণ শক্তি—আর্মি, পুলিশ, সব নিয়ে আসো। আমরা আমাদের সাধ্যে যা আছে তা দিয়েই লড়বো। আল্লাহ চাহেতে শহিদ হয়ে যাবো। . মাওলানা আব্দুল আজিজ গাজি হাফিজাহুল্লাহ খতিব, লাল মসজিদ পাকিস্তান, ইসলামাবাদ . পডকাষ্টটা অবশ্যই পুরোটা শুনতে পারেন। . https://youtu.be/lFzzLlhqk_4?si=Xz9MtMcBc_vQdXyX

ছবি ভালো তুলতে না পারার কারণে কলিজার স্বাদটা ভালোমতো বুঝতে পারতেছেন না। . এই কলিজার স্বাদ আর অন্যান্য দুনিয়ার খাবারের স্বাদ!
ছবি ভালো তুলতে না পারার কারণে কলিজার স্বাদটা ভালোমতো বুঝতে পারতেছেন না। . এই কলিজার স্বাদ আর অন্যান্য দুনিয়ার খাবারের স্বাদ!

গুরুত্বপূর্ণ এই লেখাটা পড়েন। অবশ্যই পড়েন। কেনো আমরা কুরবানির ঈদ নিয়ে এত উৎসাহিত! এই ঈদ শুধুই ঈদ নয় এটা আমাদের অস্তিত্বের জানা
গুরুত্বপূর্ণ এই লেখাটা পড়েন। অবশ্যই পড়েন। কেনো আমরা কুরবানির ঈদ নিয়ে এত উৎসাহিত! এই ঈদ শুধুই ঈদ নয় এটা আমাদের অস্তিত্বের জানান। লিংক : https://www.facebook.com/share/p/15SnHAJuev/

৭. নিজে ভালো করে জবাই করতে না পারলে অন্যকে দিয়ে জবাই করানো যাবে । তবে এক্ষেত্রে আলেমদের দিয়ে করানোই উত্তম। ইমাম নববি রহ. (মৃত্যু ৬৭৬ হি.) বলেন, وَلَهُ أَنْ يُوَكِّلَ فِي ذَبْحِهَا مَنْ تَحِلُّ ذَبِيحَتُهُ، وَالْأَوْلَى أَنْ يُوكِّلَ مُسْلِمًا فَقِيهًا، لِعِلْمِهِ بِشُرُوطِهَا. নিজে জবাই করতে না পারলে অন্যকে দিয়ে জবাই করানো যাবে। তবে উত্তম পশু জবাইয়ের শরয়ী বিষয় জানেন এমন একজন আলেমকে দিয়ে জবাই করানো।- রওজাতুত তালেবিন ৩/২০০ ৮. কুরবানির পশু নিজে জবাই না করলেও জবাইয়ের নিজে উপস্থিত থাকা সর্বোত্তম। এক্ষেত্রে পর্দার পরিপূর্ণ লক্ষ্য রেখে মহিলারাও উপস্থিত থাকতে পারেন। যদি কুরবানি মহিলার পক্ষ থেকে হয়। ورواه أبو القاسم الأصبهاني عن عليّ ولفظه: أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: يا فاطمة قومي فاشهدي أضحيتك، فإنَّ لك بأوَّل قطرةٍ تقطرُ من دمها مغفرةً لكلِّ ذنبٍ. হযরত আলী রা. বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতেমা রা.কে উদ্দেশ্য করে বলেন, হে ফাতেমা! তুমি তোমার কুরবানিতে উপস্থিত থাকবে। কারণ কুরবানির রক্ত মাটিতে পড়ার সাথে আল্লাহ তোমার সকল গুনাহ মাফ করে দিবেন।- তারগিব ওয়াত তারহিব ২/১৫৫। মুস্তাদরাকে হাকেম ৪/২১১। قال المنذري : وقدْ حسن بعض مشايخنا على هذا، والله أعْلمُ.(الترغيب والترهيب للمنذري ت عمارة ,٢/ ١٥٥) ইমাম সারাখসি রহ. (মৃত্যু ৪৮৪হি.) বলেন, فَإِنْ كَانَ يَخَافُ أَنْ يَعْجِزَ عَنْ ذَلِكَ فَالْأَفْضَلُ أَنْ يَسْتَعِينَ بِغَيْرِهِ، وَلَكِنَّهُ يَنْبَغِي لَهُ أَنْ يَشْهَدَهَا بِنَفْسِهِ لِمَا رُوِيَ أَنَّ «النَّبِيَّ - عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ - قَالَ لِفَاطِمَةَ - رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهَا - قُومِي فَاشْهَدِي أُضْحِيَّتَكِ فَإِنَّهُ يُغْفَرُ لَكِ بِأَوَّلِ قَطْرَةٍ مِنْ دَمِهَا كُلُّ ذَنْبٍ أَمَا أَنَّهُ يُجَاءُ بِلَحْمِهَا وَدَمِهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ যদি নিজে পশু জবাই করতে না পারে তাহলে উত্তম হলো, অন্য কাউকে দিয়ে করানো। তবে নিজে উপস্তিত থাকা ভালো। কারণ হাদিসে উৎসাহিত করা হয়েছে।- আল মাবসুত ১২/১৮। ৭. গোস্ত তিনভাগে বন্টন করা। قال أبو جعفر الطحاوي: وينبغي له أن يتصدق منها، ولا يقصر عن الثلث. ইমাম তহাবী রহ. (মৃত্যু ৩২১হি.) বলেন, কুরবানির গোস্ত থেকে সদকা করা উচিত এবং তা একতৃতিয়াংশের কম না হওয়া চাই।- মুখতাসুত তাহাবী পৃ.৩০৬ আবু ওয়াফা আফগানী রহ.-র তাহকীককৃত নুসখা। قال أحمد: الصدقة عندهم بالثلث استحبابًا..... وقد روي عن عبد الله بن مسعود أنه كان يهدي الثلث منها إلى أولاد أخيه، ويأكل الثلث، ويتصدق بالثلث، وكذا قال أصحابنا في ذلك، ইমাম জাসসাস রহ. (মৃত্যু ৩৭০হি.)বলেন, তিন ভাগের একভাগ সদকা করা মুস্তাহাব।... আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণনা করা হয়, তিনি একভাগ তার ভাতিজাদের হাদিয়া দিতেন। একভাগ নিজে খেতেন। আর একভাগ সদকা করে দিতেন। আমাদের ওলামায়ে আহনাফও এমনটিই বলেন।- শরহু মুখতাসারুত তাহাবী ৭/৩৩৭-৩৪১। ৮. গোস্ত পরিমানে কম হয় আর পরিবার বড় হয় তাহলে কাউকে না দিয়ে নিজ প্রয়োজন ও পরিবারের জন্যে গোস্ত রেখে দেওয়াই উত্তম। ইমাম কাসানী রহ. (মৃত্যু ৫৮৭হি.) বলেন, إلَّا أَنْ يَكُونَ الرَّجُلُ ذَا عِيَالٍ وَغَيْرَ مُوَسَّعِ الْحَالِ فَإِنَّ الْأَفْضَلَ لَهُ حِينَئِذٍ أَنْ يَدَعَهُ لِعِيَالِهِ وَيُوسِعَ بِهِ عَلَيْهِمْ؛ لِأَنَّ حَاجَتَهُ وَحَاجَةَ عِيَالِهِ مُقَدَّمَةٌ عَلَى حَاجَةِ غَيْرِهِ قَالَ النَّبِيُّ - عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ - «ابْدَأْ بِنَفْسِك ثُمَّ بِغَيْرِك. ব্যক্তি যদি গরিব আর আর অসচ্ছল হয় তাহলে উত্তম হলো নিজ পরিবারের জন্যে রেখে দেওয়া। পরিবারের প্রয়োজন পুরণ করা অন্যের প্রয়োজন থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।-বাদায়েয়ুস সানায়ে ৫/৮১। قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ابْدَأْ بِنَفْسِكَ فَتَصَدَّقْ عَلَيْهَا، فَإِنْ فَضَلَ شَيْءٌ فَلِأَهْلِكَ، فَإِنْ فَضَلَ عَنْ أَهْلِكَ شَيْءٌ فَلِذِي قَرَابَتِكَ، فَإِنْ فَضَلَ عَنْ ذِي قَرَابَتِكَ شَيْءٌ فَهَكَذَا وَهَكَذَا» يَقُولُ: فَبَيْنَ يَدَيْكَ وَعَنْ يَمِينِكَ وَعَنْ شِمَالِكَ রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রথমে নিজের জন্য খরচ করো। যদি অতিরিক্ত হয় তাহলে পরিবারের জন্যে খরচ করো। আরো অতিরিক্ত হয় তাহলে আত্মীয়স্বজনের জন্য খরচ করো।-সহিহ মুসলিম হাদিস নং ৯৯৭ (হাঁ, তবে কেউ যদি পুরো অংশই নিজের জন্যে রেখে দিতে চায় কোনো কারণ ছাড়া তাও জায়েয হবে। -আলমুহিতুল বুরহানি ৬/৯৪) আল্লাহ আমাদের সকলের কুরবানি কবুল করে নিক। এবং কুরবানির পূর্ণ শিক্ষা আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করার তাওফিক দান করুক। আমীন।

যে কাজগুলো আমার কুরবানিকে করবে আরো সুন্দর ‘কুরবানি’ আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের এক সুবর্ণ সুযোগ। ইমানি চেতনায় বলিয়ান হয়ে মিল্লাতে ইবরাহিমিয়ার জাগরণের জাগ্রত হওয়ার প্রশিক্ষণ হলো মহামান্বিত এই কুরবানি। যুক্তি আর তর্কের উর্ধ্বে উঠে শুধু আল্লাহর আদেশের সামনে নিজেকে সমর্পণ করার মাস হলো এই জিলহজ্জ। এখানের কাজগুলো যুক্তির নিরিখে নয় করতে হবে ইমানের নিরিখে। আল্লাহর আদেশে, নবির পথের অনুসারী হয়ে। এটাই শিক্ষা। আর এই শিক্ষাটুকু মুমিনকে প্রতি বছর স্মরণ করিয়ে দিতে আসে কুরবানি। কুরবানি একটি ওয়াজিব আমল। প্রতিটি সচ্ছল (শরিয়তের দৃষ্টিতে) মুকিম ব্যক্তির জন্যে তা আবশ্যক। তাই সে সংক্রান্ত বেশকিছু বিধানও রয়েছে। আমি এখানে বিধান নিয়ে কিছুই বলবোনা। শুধু কুরবানির এমনকিছু বিধান যেগুলো আমাদের কুরবানির মত এই মহৎ আমলকে করবে আরো সুন্দরময়। ১. কুরবানির পশু সাধ্যমতো দ্রুত ক্রয় করা বা সংগ্রহ করা যাতে তার সাথে একটা মহব্বতের সম্পর্ক তৈরি করা যায় ইমাম কাসানী রহ. (মৃত্যু ৫৮৭হি.) বলেন, فيستحب أن يربط الأضحية قبل أيام النحر بأيام لما فيه من الاستعداد للقربة وإظهار الرغبة فيها فيكون له فيه أجر وثواب، কুরবানির কয়েকদিন পূর্বেই পশুর ব্যবস্থা করে ফেলা। এতে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের জন্যে নিজেকে প্রস্তুত করা ও আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। আর তাতে রয়েছে সাওয়াব।-বাদায়েয়ুস সানায়ে ৫/৭৮। ২. শরীকে পশু কুরবানি করার চেয়ে একা ছাগল কুরবানি করা উত্তম। ইবনে কুদামা রহ. বলেন, الشاة أفضل من شرك في بدنة لأن إراقة الدم مقصود في الأضحية، و المنفرد يتقرب بإراقته كله. এক গরুতে শরিক হওয়ার চেয়ে আলাদা ছাগল কুরবানি করা উত্তম। কারণ কুরবানিতে আসল উদ্দেশ্য হলো পশুর রক্ত প্রবাহিত করা। আর একা কুরবানিতে তা পূর্ণভাবে হয়।-আল মুগনি ৫/১৬৩ ৩. কুরবানির পশু ক্রয় করার পূর্বেই শরীক নির্ধারণ করে নেওয়া। যদি কেউ শরীকে কুরবানি করতে চায় তাহলে ক্রয় করার পূর্বেই তা নির্ধারণ করে নেওয়া। যদি ব্যক্তি ধনী হয় তাহলে ক্রয় করার পরেও অংশীদার নিতে পারবে। তবে গরিব হলে পারবেনা। ইমাম সারাখসি রহ. (মৃত্যু ৪৮৪হি.) বলেন, (وَإِنْ اشْتَرَى بَقَرَةً يُرِيدُ أَنْ يُضَحِّيَ بِهَا عَنْ نَفْسِهِ، ثُمَّ اشْتَرَكَ مَعَهُ سِتَّةٌ أَجْزَأَهُ اسْتِحْسَانًا)، ... (وَلَوْ فَعَلَ ذَلِكَ قَبْلَ أَنْ يَشْتَرِيَ كَانَ أَحْسَنَ)؛ لِأَنَّهُ أَبْعَدُ عَنْ الِاخْتِلَافِ، وَلَيْسَ فِيهِ مَعْنَى الرُّجُوعِ فِي الْقُرْبَةِ لَا صُورَةً، وَلَا مَعْنًى فَكَانَ ذَلِكَ أَفْضَلَ. গরু ক্রয়ের পর কাউকে শরিক করে তাহলে তা বৈধ হবে। তবে উত্তম হলো, ক্রয়ের পূর্বেই শরীক ঠিক করে নেওয়া।- আলমাবসুত লিস সারাখসি ১২/১৫। ৪. কুরবানির পশু দেখতে সুন্দর ও নাদুসনুদুস ক্রয় করা। হযরত আনাস রা. বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি শিংওয়ালা দুটো মোটাতাজা দুম্বা কুরবানি জবাই করতেন। আমিও তদ্রুপ করতাম।- সহিহ বুখারি হাদিস নং ৫৫৫৩-৫৫৫৪ হযরত আবু উমামাহ রহ. বলেন, আমরা মদিনায় মোটাতাজা পশু কুরবানি করতাম। অন্যান্য মুসলমানরাও তাই করতো।-সহিহ বুখারি ৪/২২৫, মুয়সসাসাতুর রিসালাহ। ইমাম কাসানী রহ. (মৃত্যু ৫৮৭হি.) বলেন, فَالْمُسْتَحَبُّ أَنْ يَكُونَ أَسْمَنَهَا وَأَحْسَنَهَا وَأَعْظَمَهَا لِأَنَّهَا مَطِيَّةُ الْآخِرَةِ কুরবানির পশু নাদুসনুদুস, দেখতে সুন্দর ও বড়সড় হওয়া মুসতাহাব।-বাদায়েয়ুস সামায়ে ৫/৮০ ৫. কুরবানির গরুর মহত্ত্ব ও গুরুত্ব বুঝানোর উদ্দেশ্য তা সাজানো উত্তম। কুরবানি করা ইসলামের শায়ায়েরে অন্তর্ভুক্ত। হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানি রহ. বলেন, ولا خلاف كونها -الأضحية- من شعائر الدين. এই বিষয়ে কোনো ইমামের মাঝে ইখতেলাফ নেই কুরবানি দ্বীনের একটি শিয়ার।- ফাতহুল বারী ১০/৩, মাকতাবাতুস সফা। কুরআনের সুরা হজ্জের ৩২ নং আয়াতে দ্বীনের শিয়ারকে সম্মান করতে বলা হয়েছে। ঐ আয়াতকে সামনে রেখে কাসানী রহ. বলেন, فَيُسْتَحَبُّ أَنْ يُقَلِّدَهَا وَيُجَلِّلَهَا اعْتِبَارًا بِالْهَدَايَا، وَالْجَامِعُ أَنَّ ذَلِكَ يُشْعِرُ بِتَعْظِيمِهَا قَالَ اللَّه تَعَالَى {ذَلِكَ وَمَنْ يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللَّهِ فَإِنَّهَا مِنْ تَقْوَى الْقُلُوبِ} [الحج: 32] হজ্জের পশুর মত কুরবানির গরুকে সাজানো এবং তার প্রতি আলাদা যত্নবান থাকা মুস্তাহাব। কারণ এতে পশুকে সম্মান করা হয় যা কুরআনে এসেছে।-বাদায়েয়ুস সানায়ে ৫/৭৮ ৬. নিজ হাতে কুরবানি করা। হযরত আনাস রা. বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ হাতে দুটো নাদুসনুদুস দুম্বা কুরবানি করেছেন।- বুখারি হাদিস নং ৫৫৫৮। ইমাম কাসানী রহ. (মৃত্যু ৫৮৭হি.) বলেন, فَالْأَفْضَلُ أَنْ يَذْبَحَ بِنَفْسِهِ إنْ قَدَرَ عَلَيْهِ لِأَنَّهُ قُرْبَةٌ فَمُبَاشَرَتُهَا بِنَفْسِهِ أَفْضَلُ مِنْ تَوْلِيَتِهَا غَيْرَهُ كَسَائِرِ الْقُرُبَاتِ، উত্তম হলো, যদি সক্ষম হয় তাহলে নিজের পশু নিজেই জবাই করা। কারণ কুরবানি করা ইবাদত। আর নিজের ইবাদত নিজে আদায় করাই সর্বোত্তম।- বাদায়েয়ুস সানায়ে ৫/৮৯

দ্বীনকে সোজাসাপ্টা ও আকিদার জায়গা থেকে না বুঝে যারাই ইন্টেলেকচুয়াল নামক ইরান-তুরান দিয়ে দ্বীন বুঝেছে এবং সেগুলোর প্রতি আহবান করছে এগুলো একেকটা সফট সেকুলার ছাড়া আর কিছুই হয় নাই। চাই সেকুলারিজমের বিরুদ্ধে এই জ্ঞানপাপীদের যতই আলাপ আলোচনা থাকুক না কেন!

গতকাল মাদরাসাতুস সুন্নাহ নোয়াখালীতে কুরবানি পূর্বক ছাত্রদের ইলমি প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আসা যাওয়ার খরচ ও খাবারের চুক্তিতে জোর পূর্বক দাওয়াত নেই। সেটার শাস্তি স্বরূপ কিছু কথা বলতে হয়, যা দাওয়াতের চুক্তিতে ছিলো না। . যাইহোক, শুনতে পারেন। . এটা শুনলেই বুঝবেন কেনো আমার জন্য ভিডিওতে না আসা জরুরি।

মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান সাহেব শুধু উপমহাদেশই নয় বরং বর্তমান পুরো পৃথিবীর জন্যই রহমত। আল্লাহ হযরতকে যেমন ফিকহি যোগ্যতা দিয়েছেন তেমন দিয়েছেন সময়ের বাস্তবতা বুঝা ও উম্মাহের প্রতি দরদ। যার কারনে সময়ের প্রয়োজনীয় কাজগুলো আল্লাহ তার থেকে নিচ্ছেন। এরমধ্যে একটি হলো বয়কটের শরয়ী বিধান; কিছু আপত্তি ও জবাব এই প্রবন্ধটি। প্রবন্ধটি প্রকাশ হয় আরো কয়েকমাস আগে পাকিস্তানের বিখ্যাত ও নির্ভরযোগ্য পত্রিকা মাহনামায়ে সফদার-এ। সেখান থেকে অনুবাদ করেছি। আশা করি আমরা এই বিষয়টি সঠিকভাবে অনুধাবন করবো এবং নিজেদের জিম্মাদারী আদায় করবো।

এসব বক্তব্য...!
এসব বক্তব্য...!

কুরবানির ঈদে বংশীয়ভাবে আমরা কয়েকটা দায়িত্ব পেয়েছি। এক. গরুর হাটে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঝগড়া। দুই. দ্রুত গরু কিনার জন্য ঝগড়া। তিন. বড় গরু কিনার জন্য ঝগড়া। ছোট বেলায় বুঝ হওয়ার পর থেকেই দেখি আব্বু ও চাচার সাথে বড় আপুরা এই ঝগড়া করতো। উপরের তিনোটা কাজের কোনোটাই বাপ-চাচা করতে চাইতো না। তাই আপুদের দেখতাম অধিকার আদায়ের জন্য কান্নাকাটি করা ও রাত জেগে আব্বু-চাচার অপেক্ষায় বসে থাকতে। আর এই পালে হাওয়া দিতো আমার ফুফাতো ভাইরা। তারা আব্বু ও চাচার দোকানে কাজ করতো। আমাদের বাসায় থাকতো। . এখন মনে হচ্ছে এই মিরাছ আলহামদুলিল্লাহ খাদিজারও খুব ভালোভাবেই দখলে আসছে। গতকাল এক বায়না ভাঙ্গাতে গিয়ে বললাম, কাল সকালে তোমাকে গরুর হাটে নিয়ে যাবো। রাতে জযবায় বলেছি, তখন থেকেই কয়েক ধফা কান্না হয়েছে তাহলে এখনই কেনো নিচ্ছি না। বহু কষ্টে বুঝালাম, রাতে গরুর হাটে ভালোভাবে গরু দেখা যায় না আর গরু তো তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যায়। সকালে আলো আসলে তখন যেতে হয়। খাদিজা খুব ভালোভাবেই বুঝেছে এগুলো ওকে শুধু শুধু সান্ত্বনা। যাইহোক সে অন্যে খেলার ব্যস্ত হয়ে যায়। আর আমিও গরুর কথা ভুলে যাই। সকাল সারে সাতটা বা আটটার দিকেই খাদিজা ঘুম থেকে উঠে গেছে। যেখানে এগারোটা বা বারোটার আগে কখনোই ঘুম ভাঙ্গে না। উঠেই আমাকে ঘুম থেকে টেনে তুললো। সকাল তো হয়েছে, এখন কেনো হাটে নিয়ে যাচ্ছি না। আমি ঘুমের ঘোরে বললাম, নিবো তো বলেছি। মাত্রই তো সকাল হলো। আগে ঘুমিয়ে নেই তারপর। এরপর থেকে প্রতি দশ-বিশ মিনিট পর পর শুধু একটাই প্রশ্ন আর কতক্ষন ঘুমাবা বাবা? গরু দেখতে যাবা না? এগারোটা পর্যন্ত এই খেনখেন চলতেই থাকলো! এরপর ঘুম থেকে উঠে বললাম আগে নাস্তা খাও তারপর যাবো। তার একটাই কথা, আগে গরুর হাট তারপর সব। এছাড়া সে কিছুই খাবে না। বাধ্য হয়ে না খেয়েই বের হলাম হাটে। . হাটে ঢুকেই প্রথম ঘোষণা দিলো তাকে যেনো গরুর সামনে না নেই। আমি বললাম, গরুর সামনে না গেলে আসলা কেনো। প্রথমের ভয়টা অল্প সময়ের মধ্যেই কেটে গেলো। এত গরু একসাথে দেখার উচ্ছ্বাস একটু পর পর বলতে থাকলো। পরে লক্ষ্য করলাম, গরুর বিষয়ে খাদিজার যে সাহস এখন আছে দনিয়া কলেজের ‘পাপা কি পারি’দের থেকেও বেশি। হাটে আইসা হুদাই গ্রামের ব্যাপারীদের বিনোদন দেওয়া ছাড়া এদের আসলে কি কাম তাই বুঝি না! আসার সময় রিক্সায় বসে বললো তার জন্য যেনো বড় দুইটা গরু কিনে বাসায় নিয়ে আসি। বুঝলাম পরের মিরাছগুলোও সে অল্প সময়েই অধিকার করে নিবে। আর ‘পাপ বাপেরেও ছাড়ে না’ এটার উৎকৃষ্ট একটি উদাহরণ হয়ে যাবো।

ইসলামি বিচারব্যবস্থা ও বিচার পরিচালনা বিষয়ক নিজের জাহালাত কাটানোর জন্য সামর্থ্যের মধ্যে কিছু পড়ার ও সংগ্রহের চেষ্টা করছি। সেই সুবাধেই ইমাম সিমনানি রহিমাহুল্লাহের এই কিতাবটি সন্ধান পাই। আলহামদুলিল্লাহ, কিতাবটির এক তৃতীয়াংশ নেড়েচেড়ে দেখে ব্যাপক উপকৃতও হয়েছি এবং আমাদের সালাফদের প্রতি নিজের আকিদত ও মহব্বতও আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। . কিতাবটি সন্ধান ও সুদূর কুয়েত থেকে হাদিয়া নিয়ে আসেন Farid Imdad ভাই। আল্লাহ তাকে ও তার পরিবারকে সিহহাত ও আফিয়াতের সাথে রাখুক। আমীন। . ইমাম সিমনানি রহিমাহুল্লাহের সাথে পরিচয় এই কিতাবের মাধ্যমেই। কিতাবটির সন্ধান পাওয়ার পর সিয়ারু আলামিন নুবালা ও বিভিন্ন জায়গা থেকে তার তরজমা দেখে দিলে খুশিই লাগলো। হানাফি মাজহাবের একজন ইমাম থেকে এই বিষয়ে কিতাব আছে যেখানে আলোচনা প্রসঙ্গে ইমামতের গুরুত্বপূর্ণ মাসআলাগুলোও চলে আসছে! . সিমনানি রহিমাহুল্লাহ এই কিতাবটি মূলত লেখেছেন উনার সময়ের এই উম্মতের উপর আল্লাহর বিশেষ রহমত নেজামুল মুলকের আবদারে। কিতাবটি লেখা হয়েছে একজন বিচারকের বিচারকার্য পরিচালনা করতে শুরু থেকে শেষ যা যা বিষয় প্রয়োজন তা যেনো সংক্ষেপে হলেও চলে আসে। সাথে মুসলিম জনসাধারণও যেনো ইসলামি বিচারকার্য ও কাজির দরবারে গিয়ে নিজের বিচার সঠিকভাবে আদায় করে নিতে পারে সে বিষয়গুলোও যেনাও হল থাকে। এজন্য বইটি লেখক একদম সহজ উসলুবে লেখেছেন। ছোট ছোট শিরোনাম দিয়ে শুধু মুল মুল মাসআলাগুলো বলে গিয়েছেন। বিশেষ তেমন প্রয়োজন ছাড়া দলিলও উল্লেখ করেননি। কিতাবটির এত এত বৈশিষ্ট্য নজরে পড়েছে যে, যত পড়া সামনে এগিয়েছে ততই শুধু লেখকের প্রতি মুগ্ধ হয়েছি এবং সে সময় এমন আন্দাজে কিতাব লেখা দেখে বেশ অবাক হয়েছি! . কিতাবটিকে মোটাদাগে চারভাগে ভাগ করা যায়। ১। প্রথম ভাগে ইসলামি শরীয়াতে একজন কাজি হওয়ার জন্য কী কী শর্ত ও গুনাবলি প্রয়োজন সে বিষয়ক বিস্তারিত আলোচনা করেছেন লেখক। তো, কাজির নিয়োগ যেহেতু ইমামের পক্ষ থেকে হওয়া জরুরি, তাই প্রসঙ্গে ইমামের পরিচয়, শর্ত ইত্যাদি বিষয়গুলোও নিয়ে আসা হয়েছে। যদি ধরে নেই কখনো আমাদের মধ্যে ইমাম না থাকে তখন কী করনীয় সে বিষয়ক লেখক চমৎকার একটি উসুল বলেছেন, وإذا خلا الزمان من الإمام والمتغلبين على سبيل الفرض والتقدير، فكل حكم يلزم العامة والإمام بين أظهرهم فهو لازم لهم مع عدمه، وكل حكم لا يلزمهم ولا يجوز لهم فعله مع وجوده فهم فيه أيضاً مع عدمه غير مخاطبين بفعله، والأول كالزكاة والصلاة وسائر العبادات التي يتفردون بها، والعقود التي يعقدونها. ١١٤ - والثاني كالحدود والقطع في السرقة وضرب الجزية والإحياء وما هو مفوض إلى الإمام، فإنه لا يستوفي ولا يأخذه بعضهم من بعض، وكذلك الأحكام وتوليها ২। এরপর একজন কাজি নিয়োগ হওয়ার পর থেকে বিচারকার্য শুরু করা পর্যন্ত কি কি করবে, কীভাবে করবে সে সংক্রান্ত মাসআলাগুলো সহজ সাবলিলভাবে বলেছেন! যেমন, নিয়োগের পর নিজ এলাকায় গিয়ে প্রথম কাজি কী করবে? কোথায় বসবে? জনগনের সাথে কতটুকু হাসবে, জনগন সালাম দিলে উত্তর নিবে কি না, ঘুষের মাসআলা ইত্যাদি ছোট্ট ছোট্ট বিষয়গুলোও সিমনানি রহিমাহুল্লাহ উল্লেখ করেছেন। ৩। এরপর একজন কাজি সাহেব বিচারকার্য পরিচালনা করার জন্য কিতাবুল বুয়ু থেকে নিয়ে কিতাবুল মিরাস পর্যন্ত প্রতিটি বাবের মৌলিক মাসআলা ও বিচারকার্য সংক্রান্ত বিষয়গুলো তুলে এনেছেন। বলা যায় প্রতিটি অধ্যায়ের একদম মৌলিক বিষয়গুলো চলে এসেছে এই বইয়ে। ৪। একদম শেষে লেখক রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে নিয়ে লেখকের জামানা পর্যন্ত মুসলিম শাসক ও তাদের সময়কালে যারা তাদের প্রধান বিচারক ছিলো তাদের পরিচয় উল্লেখ করেছেন। . কিতাবটির যে দুটো বৈশিষ্ট্য মুগ্ধ করেছে। ১। সাধারণত সে সময়ের কিতাবগুলো দেখবেন, একটি ব্যাপক শিরোনামের অধিনে সে সংক্রান্ত যাবতীয় মাসআলাগুলো দলিল ইখতিলাফ বিভিন্নভাবে উল্লেখ করেন। যার ফলে অনেক সময় পড়তে পড়তে খেই হারিয়ে ফেলতে হয়। মাসআলা মনে রাখতে যথেষ্ট কষ্ট হয়। এই বইতে লেখক একদম ছোট ছোট শিরোনাম দিয়ে প্রতিটি মাসআলা উল্লেখ করেছেন। ফলে মাসআলা বুঝতে ও মনে রাখতে বেশ সহজ। ২। একজন কাজির জন্য যা যা প্রয়োজিন কিতাবটিতে তা এসে গেছে। এবং সুক্ষ সুক্ষ বিষয়ও লেখক লেখেছেন, যেগুলো এই সংক্রান্ত লেখা বইয়ে সালাফগণ প্রয়োজনও বোধ করেন না। যেমন কাজি সাহেবের জন্য লেখক রাখা, দারোয়ান রাখা, যে এলাকায় তার নিয়োগ সেখানে কিভাবে যাবে কখন যাবে, সে এলাকায় যাওয়ার পূর্বে কী করবে, কাজির দরবারে কেউ আসলে কাজি উঠে গিয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানাতে পারবে কি না, জনগন এসে কাজির দরবারে কি ধরনের প্রশংসাবানী করতে পারবে, কী ধরনের পারবে না ইত্যাদি প্রায় সব বিষয় চলে এসেছে এই বইতে! . আল্লাহ মৃত্যু পর্যন্ত ইলমের হক আদায় করে তার সাথে যুক্ত থাকার তাওফিক দান করুন। আমার গুনাহ ও গাফলতির কারণে যেনো আল্লাহ আমাকে দ্বীন ও ইলম থেকে বঞ্চিত না করেন, সকলের কাছে সে দোয়া চাই।

ইমাম সিমনানি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৪৯৯ হি.)। নিজ সময়ের অনেক বড় হানাফি হুজুর। সেলজুকি মন্ত্রী নিজামুল মুলকের আবদারে তিনি মুসলিম কাজিদের (বিচারকদের) জন্য জগত বিখ্যাত কিতাব লেখেন “রওজাতুল কুজাত ও তরিকুন নাজাত” নামে।

গাজার প্রতি সংহতি জানিয়ে আগামী এক সপ্তাহে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানে এক সপ্তাহব্যাপি কার্যক্রমের ঘোষণা দিয়েছে!
গাজার প্রতি সংহতি জানিয়ে আগামী এক সপ্তাহে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানে এক সপ্তাহব্যাপি কার্যক্রমের ঘোষণা দিয়েছে!

গণ তন্ত্রের মাধ্যমে দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে যেকোনো ধরনের কাজ করা যায়। কারণ এখানে ব্যক্তির অনেক সীমাবদ্ধতা থাকে। কিন্তু জি হা দের মাধ্যমে দ্বীন প্রতিষ্ঠার মেহনতের জন্য ‘ইসমতে আম্বিয়া শর্ত’। এখানে মু জা হি দদের কোনো ভুল হলে নগদ নিজেকে সেই দল থেকে বারায়াতের ঘোষণা দিতে হবে, এবং এগুলো ইসলাম সমর্থন করে না বলে জানান দিতে হবে। সূত্র: এসো রাজনীতি করি ৩/৪২০

মাত্র তিন মাসে সাড়ে ছয় হাজারেরও বেশি মামলার নিষ্পত্তি করেছে ইমারাতে ইসলামিয়ার আদালত। যেগুলো ছিল নারীদের অধিকারসংক্রান্ত—যেমন উত্তরাধিকার, মালিকানা, দেনমোহর এবং শরঈ দলিলপত্র নিয়ে। এটি নিছক কােনাে পরিসংখ্যান নয়; বরং ইসলামী শরীয়াহর ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জীবন্ত উদাহরণ। শরীয়া আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হলে তা যে কতটা কার্যকর ও মানবিক হতে পারে, এসব ঘটনাই তার প্রমাণ। এ উদ্যোগ শুধু নারীদের প্রাপ্য অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা নারীর ক্ষমতায়নের এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ইমারাতে ইসলামিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নারীদেরকে তাদের শরয়ী অধিকার বুঝিয়ে দিতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। সূত্র: আফগান বিল-আরাবিয়্যি | ভাষান্তর: সাদিক শাহরিয়ার

ড্রোন বিশেষজ্ঞ ৫০০ নতুন সেনা পাঠাচ্ছে এরদোয়ান, সোমালিয়াকে ইসলামের হাত থেকে রক্ষা করতে। ভালোবাসা❤️
ড্রোন বিশেষজ্ঞ ৫০০ নতুন সেনা পাঠাচ্ছে এরদোয়ান, সোমালিয়াকে ইসলামের হাত থেকে রক্ষা করতে। ভালোবাসা❤️

‘ইসলামে খলিফা হওয়ার জন্য শর্ত হলো পুরুষ হতে হবে। নারীদের জন্য খলিফা হওয়া জায়েয নেই। খারেজিদের মধ্যে একদল আছে যারা নারীদের খলিফা হওয়াকে জায়েয বলেন।” -রওজাতুল কুজাত পৃ. ৫৬ ইমাম সিমনানি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৪৯৯ হি.)। নিজ সময়ের অনেক বড় হানাফি হুজুর। সেলজুকি মন্ত্রী নিজামুল মুলকের আবদারে তিনি মুসলিম কাজিদের (বিচারকদের) জন্য জগত বিখ্যাত কিতাব লেখেন “রওজাতুল কুজাত ও তরিকুন নাজাত” নামে। সে কিতাবে তিনি এই কথাটি লেখেছেন। মন্তব্য : যিন্দেগী ম্যে ক্যেয়া ক্যেয়া দেখনা প্যারতা হ্যায়! কে কীভাবে কোথায় খারেজি হয়ে যায়! ভাভা যায় এগ্লা!

পঞ্চগড়ের ঝুঁকি আর দশটা এলাকার মতো না। ওখানে কাদিয়ানীদের নিজস্ব গ্রাম আছে। মারকায আছে। অর্থবিত্ত আছে। তারা নানাভাবে অর্থকে ব্যবহার করে মানুষকে প্রভাবিত করে। কুরবানীর মাংসও যাদেরকে দিলে ওদের প্রতি দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা আছে, তাদের দেয়। এটা তাদের একটা দাওয়াতী টুল। ধীরে ধীরে এভাবেই দলে দলে মানুষকে কাদিয়ানী বানানো হয়। অভাবের দিনে মানুষের দ্বীন ও ঈমানকেও প্রভাবিত করে। উলামায়ে কেরাম পঞ্চগড় নিয়ে এসব কারণেই বেশি পেরেশান। এসব সমস্যার সমাধানে নানামুখী উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়। আলহামদুলিল্লাহ, গতবছর আমরা পঞ্চগড়ের মুরতাদ ও ইরতিদাদের ফিতনায় আক্রান্ত পঞ্চগড়ের নির্দিষ্ট এলাকার দরিদ্র‍ মুসলমান এবং ৩ শতাধিক দরিদ্র‍ নব মুসলিমের মাঝে ঈদে কুরবানির গোশত ও ঈদের বাজার পৌছে দেয়ার একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলাম। মারকাযুদ্দাওয়া ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন এ ব্যাপারে কিছু সহযোগিতা করেছিলেন। বিশেষ করে আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি। পাশাপাশি আমাদের বেশকিছু ভাই-বোন কুরবানীর জন্য অর্থ দান করেছিলেন। এবারও ইনশাআল্লাহ আমরা সেই চেষ্টা করব। আপনারা চাইলে নিজের, প্রবাসী ভাই বন্ধুর বা কয়েকজন মিলে এই কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন। নিজেদের ওয়াজিব বা নফল কুরবানীর অংশ তুলে দিতে পারেন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের দ্বীনি ভাইবোনদের হাতে। পরিবারে একাধিক ব্যক্তির ওপর কুরবানী ওয়াজিব হলে পরামর্শক্রমে একজনের কুরবানী দিতে পারেন পঞ্চগড়ে। অনেকেই মরহুম মা-বাবা বা অন্যান্য কবরবাসী আত্মীয়স্বজনের নামে কুরবানী দিয়ে থাকেন। এমন কুরবানীর পুরোটাই যদি গরীব মানুষের হাতে ওঠে, তাহলে মরহুমের আমলনামা আরও সমৃদ্ধ হবে ইনশাআল্লাহ পাশাপাশি ঈদের বাজারের জন্য অনুদান দিয়ে শরীক হতে পারেন। গরু: প্রতি ভাগ ১২০০০/= (১২ হাজার) টাকা ছাগল/খাসি: প্রতি ভাগ ১২-১৫ হাজার টাকা বি: দ্র: ১. কুরবানীর বিষয়ে আগে যোগাযোগ করে পরে টাকা পাঠানোর অনুরোধ রইল। ২. সাধারণ অনুদানের জন্য জাকাত ও সদকার টাকা দেয়া যাবে। রেফারেন্সে Eid লিখে দিলে ভালো হয়। যোগাযোগ: বিকাশ ও নগদ পার্সোনাল 01311338237 রকেট পার্সোনাল 013113382378 ব্যাংক একাউন্ট Mohammad hossain epu Dutch bangla bank ltd Uttarkhan branch 21410123583

রিসালাতুল ইসলাম বিডির গা*যওয়াতুল হিন্দ সংক্রান্ত নতুন ভিডিও দেখলাম। এই বিষয়ে আমার কিছু বলার নাই। আগ্রহও নাই। তবে একটা জায়গা একটু অস্পষ্ট লাগলো, ১। ভিডিওতে বানুরীটাউনের ব্যাপারে বলা হয়েছে, উনারা আবু হুরাইরা রা.-এর দুর্বল হাদিসের উপর ভিত্তি করে গাযওয়া শেষ জামানায় হবে, অথচ বাস্তবতা হলো উনারা শুধুই আবু হুরাইরার হাদিস নয় বরং হযরত সাওবানের সহিহ হাদিস থেকেই ইঙ্গিত নিচ্ছেন যে, শেষ জামানায় হওয়াটাই রাজেহ। এছাড়া এই বিষয়ে আমার শেষ কয়েকটা কথা। ১। হযরতের সাওবানের সহিহ হাদিসে একটা নির্দিষ্ট দলই এই হাদিসের মিসদাক হবে বলা হইলো, এখন এই একদল আম কীভাবে হলো? আর যদি খাস হয় তাহলে এই মিসদাক তো হযরত ওমর রা.-এর আমলেই পূরণ হয়ে গেছে, এটার জন্য মুহাম্মদ বিন কাসেম পর্যন্ত আসার কী দরকার? ভাষার দালালত হলো অন্যান্য দলিল থেকেও মজবুত, সাওবান রা.-এর সহিহ হাদিসে হিন্দে যুদ্ধ করা একটা দলের সাথেই বলা হচ্ছে, এবং এটা একটা শক্তিশালীই ইঙ্গিত। যাইহোক, এটা নিয়ে কিছু বলা আর মুনাসিব মনে করছি না। ২। গা*যওয়াতুল হিন্দের হাদিস নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে আর লেখার সামান্যতম আগ্রহ নাই। কারণ এই হাদিসের সাথে আমাদের উপর আরোপিত কোনো বিধানের সম্পর্ক নাই। যদি হতো তাহলে এটার পিছনে সময় দেওয়ার যৌক্তিকতা ছিলো। ৩। যারা বলছেন গাযওয়াতুল হিন্দ হয়ে গেছে, এবং এটা নিয়ে প্রচুর জোরাজোরি করছেন, তাদের কাছে হিন্দ সামনে কীভাবে মুসলমানদের করায়ত্বে আসবে, ভারতের মুসলমানরা আবার কীভাবে মাথা উচু করে আল্লাহর যমীনে আল্লাহর দ্বীনকে বিজয় করবে এমন কোনো বাস্তবিক রোডম্যাপ নাই। আর যারা বলছে হয়নি বা এটা একটি আম বিষয়, হিন্দের মুশরিকদের সাথে যেকোনো যুদ্ধই এখানের অন্তর্ভুক্ত, তারা হিন্দকে পূনরায় বিজয়ী করতে, হিন্দ বিজয় করে আকসায় পৌঁছতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং সেটার জন্য পূর্ণ রোড ম্যাপ ও সে অনুযায়ী কাজে রয়েছে। এখানে দুই জামাতের মৌলিক একটা পার্থক্যের বিষয়। . আল্লাহ আমাদের রাসুল সুসংবাদ অর্জন করার তাওফিক দান করুন। আমীন।