ch
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

前往频道在 Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

显示更多

📈 Telegram 频道 Abdullah bin bashir 的分析概览

频道 Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 11 299 名订阅者,在 宗教与灵性 类别中位列第 8 134,并在 孟加拉国 地区排名第 2 025

📊 受众指标与增长动态

невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 11 299 名订阅者。

根据 24 六月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 81,过去 24 小时变化为 4,整体触达仍然可观。

  • 认证状态: 未认证
  • 互动率 (ER): 平均受众互动率为 19.46%。内容发布后 24 小时内通常能获得 8.31% 的反应,占订阅者总量。
  • 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 2 199 次浏览,首日通常累积 939 次浏览。
  • 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 48

📝 描述与内容策略

作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

凭借高频更新(最新数据采集于 25 六月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 宗教与灵性 类别中的关键影响点。

11 299
订阅者
+424 小时
+317
+8130
帖子存档
আমাদের মুরব্বি হযরত Ismail Bin Abdul Wahhab সাহেব দা.বা.-এর এই আলোচনাটি আমাদের সকলের হৃদয়ঙ্গম করা দরকার। . আল্লাহ হযরতকে জাযায়ে খায়ের দান করুন।

পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে ইলিয়াসের ভিডিও দেখলাম। ৫৭ জন আর্মির মৃত্যুর কথা জানলেও, এর পরবর্তী সময়ে হাজারো বিডিআর ও তার পরিবারের সাথে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের বিষয়ে আমরা কজনই বা জানি! . https://youtu.be/L8kEtIZCXXY?si=ehRixqBUms-wxpS6

মাওলানা আবরার সিদ্দিকি সাহেব রচিত ইসলামি সিয়াসাত বইটির শর্ট পিডিএফ।

মাওলানা আবরার সিদ্দিকি সাহেবের সময়ের অতি গুরুত্বপূর্ণ বইটা চলে এসেছে। এই খণ্ডটা মাদরাসা আর ভার্সিটি—সকলের জন্যই জরুরি। . এই ব
মাওলানা আবরার সিদ্দিকি সাহেবের সময়ের অতি গুরুত্বপূর্ণ বইটা চলে এসেছে। এই খণ্ডটা মাদরাসা আর ভার্সিটি—সকলের জন্যই জরুরি। . এই বইটা মূলত মাওলানা আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেবের ‘রাষ্ট্র-রাজনীতি’ বইয়ের খন্ডনে লেখা প্রথম খণ্ড। . আচ্ছা, মাওলানা আবরার সিদ্দিকি সাহেবের তত্ত্বাবধানে এই রমাজানে সিয়াসাত বিষয়ে বিশদিন ব্যাপি গুরুত্বপূর্ণ মুহাজারা হবে৷ আগ্রহী তালেবে ইলম ভাইরা মিস দিয়েন না।

একজন মানুষ, একজন চিন্তক, একজন উম্মাহের প্রতি দরদ রাখা ব্যক্তি উম্মাহের বিভিন্ন বিষয়ে আপনার সাথে শত শত মাসআলায় একমত। এক দুই মাসআলায় হয়তো দ্বিমত রাখে, বা তার অবজারভেশন ভিন্ন, এতটুকুতেই যদি তাকে আমরা বিরোধি বানিয়ে ফেলি, তাহলে এটা খুবই বাজে একটা চর্চা! এই চর্চা আপনার দাওয়াতের ময়দানকে, আপনার বিজয়ের রাস্তাকে সংকীর্ণ করে ফেলবে। এই বিষয়টিতে আমরা খুবই সতর্ক হই ভাই। খুবই মানি খুবই। বিশেষত যারা উম্মাহের সামগ্রিক বিজয় চান, উম্মাহকে এই কু*ফ*রি জীবনব্যবস্থা থেকে বের করে আনতে চান তাদের জন্য তো অন্যদের তুলনায় এটা আরো বেশি জরুরি। সাথে, এটাও মনে রাখতে হবে, কেউ আমার কোনো কথা বা কাজের বিরোধিতা করলেই বা শক্ত প্রতিক্রিয়া দেখালেই তাকে আমার দুশমন ভাবাটাও ঠিক না৷ আমার ভুল ধরতে গিয়ে হয়তো ভাইতা কিছুটা বাড়াবাড়ি করছে, আমি নসিহার সাথে ভাইদের সাথে বিষয়গুলো ডিল করতে পারি। আল্লাহ আমাদের উম্মাহের স্বার্থে আল্লাহর জন্য এক বানিয়ে দিক। আমীন।

কথিত আছে, একবার সুলতান গিয়াস আল-দীন আযম শাহের তীর নিক্ষেপকালে একজন বিধবার পুত্র নিহত হয়। পুত্রহারা মা কাযির দরবারে নালিশ করলে সুলতান সাধারণ বিবাদীর মতো কাযির বিচারালয়ে হাজির হন। বিচারের রায় সুলতানের বিপক্ষে গেলে বিধবা সন্তুষ্ট হয়। কাযির এমন দুঃসাহসিকতা দেখে সুলতান খুশি হয়ে তাকে পুরষ্কৃত করেন। এই ঘটনা তৎকালীন বাংলায় বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে। দ্র. রিয়াজ-উস সলাতীন, পৃ. ১০৬-১০৮; M. A. Rahim, . সূত্র : সুলতানি আমলে বাংলার শিক্ষাব্যবস্থা, পৃ. ১০৬, ড. আবু নোমান, প্রকাশকাল: ২০২৪

তেমনিভাবে ডাকাতি করার পর, মালিক ডাকাতকে কোথাও দেখতে পায়, তাহলে মালিক ডাকাত থেকে তার মাল ছিনিয়ে আনতে পারবে। তবে এমতবস্থায় মালিকের জন্য ডাকাতকে হত্যা করা জায়েয হবে না। যদি করে তাহলে তার উপর কিসাস ওয়াজিব হবে৷ -ফাতাওয়ায়ে বাইয়িনাত ৪। ডাকাতির সময় সম্পদের মালিকের চিৎকারে মানুষজন সাহায্যে বের হয়ে আসে, এটা দেখে ডাকাত পালিয়ে যায়, আর ডাকাত কোথায় থাকে এটা জনগনের জানা থাকে এবং তারা চাইলে মালিকের মাল ফিরিয়ে আনতে পারবে, এমতবস্থায় জনগন যদি মাল ফিরিয়ে আনতে গেলে ডাকাত বাধা দেয় আর এতে ডাকাতদের জনগন হত্যা করে ফেলে তাহলে জনগনের উপর কোনো জরিমানা আসবে না। لو أن لصوصًا أخذوا متاع قوم فاستغاثوا بقوم، و خرجوا في طلبهم إن كان أرباب المتاع معهم حل قتلهم، و كذا إذا غابوا و الخارجون يعرفون مكانهم و يقدرون على رد المتاع عليهم، و إن كانوا لايعرفون مكانهم و لايقدرون على الرد عليهم لايجوز لهم أن يقاتلوهم، ولو اقتتلوا مع قاطع فقتلوه لا شيء عليهم؛ لأنهم قتلوه لأجل مالهم.

ডাকাত ও ছিনতাইকারীর শরয়ী বিধান প্রকাশ্যে অস্ত্রের জোরে অন্যের নেসাব পরিমান সম্পদ শরয়ী কোনো কারণ ছাড়া ছিনিয়ে নেওয়াকে ফিকহের পরিভাষায় ‘ডাকাতি’ বলা হয়। ইসলামি দণ্ডবিধি অনুযায়ী ডাকাতের শাস্তি অপরাধ ভেদে ভিন্ন রকম হয়। ১। কেউ যদি ডাকাতি করার জন্য বের হয়, এবং কিছু করার পূর্বেই গ্রেফতার হয়, তাহলে মুনাসিব মত শাস্তি দিয়ে তাওবা করা পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করে রাখা হবে। তাওবা শুধু মৌখিক কথা বলার মাধ্যমে হবে না, অপরাধীর মাঝে তার কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্তের এবং আর কখনো এই কাজ করবে না, এমন আলামত প্রকাশ হতে হবে। -আল-ইখতিয়ার ৬/১২৬, কিতাবুস সারিক্বাহ, ফাসলুন: ফি কতয়িত তারিক; ফাতাওয়ায়ে শামী ৪/১১৩ ২৷ যদি অস্ত্রের জোরে শুধু অন্যের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়, মালিককে হত্যা না করে, তাহলে এমন অপরাধীর ডান হাত ও বাম পা কেটে দেওয়া হবে। ৩। ডাকাতির সময় সম্পদ না নিয়ে সম্পদের মালিককে অথবা অন্য কাউকে খুন করে তাহলে এমন ডাকাতের শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড৷ ভিক্টিম যদি ক্ষমাও করে দেয়, তাও এই শাস্তি মাফ হবে না। কারণ, এই শাস্তি হদ হিসেবে দেওয়া হবে, কিসাস হিসেবে নয়। (وإن قتل) معصوما (ولم يأخذ) مالاً (قتل) وهذه حالة ثالثة (حدًّا) لا قصاصًا(ف) لذا (لا يعفوه ولي، ولا يشترط أن يكون) القتل (موجبا للقصاص) لوجوبه جزاء لمحاربته لله تعالى بمخالفة أمره. ৪। ডাকাতির সময় খুনের পাশাপাশি সম্পদও লুট করে তাহলে এই ধরনের ডাকাতের শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে বিচারক কয়েক ধরনের শাস্তি দিতে পারেন। ক. ডাকাতের হাত পা কেটে তাকে হত্যা করা হবে। খ. হাত পা কেটে জীবিত শুলে চরানো হবে। অতপর বর্ষা দিয়ে পেটে আঘাত করে করে তাকে হত্যা করা হবে। গ. শুধু হত্যা করা হবে। ঘ. শুধু শুলিতে চরানো হবে। হত্যার পর তিনদিন অপরাধীকে প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে রাখা হবে। অত:পর পরিবারের কাছে স্থানান্তরিত করা হবে যেনো দাফন কাফন করতে পারে৷ (و) الحالة الرابعة (إن قتل وأخذ) المال خير الإمام بين ستة أحوال: إن شاء (قطع) من خلاف (ثم قتل أو) قطع ثم (صلب) أو فعل الثلاثة (أو قتل) وصلب أو قتل فقط (وصلب فقط) كذا فصله الزيلعي ويصلب (حيًّا) في الأصح وكيفيته في الجوهرة (ويبعج) بطنه (برمح) تشهيرا له ويخضخضه به (حتى يموت ويترك ثلاثة أيام من موته) ، ثم يخلى بينه وبين أهله ليدفنوه و (لا أكثر منها) على الظاهر وعن الثاني يترك حتى يتقطع (وبعد إقامة الحد عليه لا يضمن ما فعل) من أخذ مال وقتل وجرح زيلعي... বি.দ্র. ১, এই শাস্তি ডাকাতির কাজে অংশগ্রহণ করা সকলকে দেওয়া হবে। - ফাতাওয়ায়ে শামী (وتجري الأحكام) المذكورة (على الكل بمباشرة بعضهم) الأخذ و القتل و الإخافة. বি.দ্র. ২, হত্যার কাজ ডাকাত দলের মধ্যে একজনও করে তাহলে পুরো দলকেই এই শাস্তু দেওয়া হবে। -আল-ইখতিয়ার ৬/১৩১ وإن باشر القتل واحد منهم أجري الحد على الكل؛ لأنَّ المحاربة تتحقق بالكل؛ لأنهم إنما أقدموا على ذلك اعتماداً عليهم، ৫। কারো সম্পদ ডাকাতি করে মালিককে আহত করে শুধু, তাহলে শাস্তি হলো হাত পা কেটে ফেলতে হবে। و) الحالة الخامسة: (إن انضم إلى الجرح أخذ قطع) من خلاف ৬। ডাকাতির পর ডাকাতদের ধরার পূর্বেই যদি তারা তাওবা করে ফেলে তাহলে শাস্তি মাফ হয়ে যাবে। কিন্তু ডাকাতি করা মাল ফিরিয়ে দিতে হবে। হাঁ, যদি ডাকাতির সময় কাউকে খুন করে তাকে তাহলে খুনের শাস্তি হিসেবে ডাকাত থেকে কিসাস নেওয়া হবে। -আল-ইখতিয়ার ৬/১৩৩ وإذا تاب قطاع الطريق قبل أن يؤخذوا سَقَطَ عنهم الحد، وبقي حق العباد في المال والقصاص؛ لقوله تعالى: {إِلَّا الَّذِينَ تَابُوا مِن قَبْلِ أَن تَقْدِرُوا عَلَيْهِمْ} [المائدة: ٣٤] ، فيقتضي خروجه عن الجملة عملاً بالاستثناء দ্বিতীয় মাসআলা : ১। ডাকাতির সময় সম্পদের মালিক নিজের জান-মাল রক্ষা করতে ডাকাতকে আহত করে বা হত্যা করে ফেলে তাহলে এজন্য সে গুনাহগারও হবে না এবং তার উপর কোনোরূপ জরিমানাও আসবে না। ২। তেমনিভাবে তৃতীয় কোনো ব্যক্তি যদি ডাকাতের হাত থেকে কাউকে রক্ষা করতে গিয়ে ডাকাতের কোনো ক্ষতি করে অথবা ব্যক্তিকে বাচাতে গেলে ডাকাতমে হত্যা করা ছাড়া আর কোনো উপায় না থাকে তখন ডাকাতকে একদম হত্যাই করে ফেলে তাহলে সাহায্যকারী ব্যক্তি গুনাহগারও হবে না, এবং তার উপর কোনোরকমের দণ্ড বা জরিমানা আসবে না। إذا أشهر على رجل سلاحا فقتله أو قتله غيره دفعا عنه فلا يجب بقتله شيء لما بينا ولا يختلف بين أن يكون بالليل أو بالنهار في المصر أو خارج المصر؛ لأنه لا يلحقه الغوث بالليل ولا في خارج المصر، فكان له دفعه بالقتل بخلاف ما إذا كان في المصر نهارا وفي النوادر يغسل ويصلى عليه وعن الثاني يغسل ولا يصلى عليه.(البحر الرائق شرح كنز الدقائق. كتاب الجنايات، باب ما يوجب القصاص وما لا يوجبه، ٨ / ٣٤٤، ط: دار الكتاب الإسلامي ৩। ডাকাতির সময় সম্পদের মালিক যদি চিৎকার করে আর এতে ভয় পেয়ে ডাকাত পালিয়ে যায়, এরপরও মালিক ডাকাতকে ধরে হত্যা করে তাহলে মালিকের উপর কিসাস ওয়াজিব হবে, অর্থাৎ মালিককে হত্যা করা হবে।

কাফেরদের জন্য দোয়া করা ১. কোনো ব্যক্তি কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে তার জন্য মাগফেরাতের দোয়া করা জায়েয নয়, তাই সান্ত্বনা দেওয়ার কালে এ বিষয়ে সতর্ক থাকা কাম্য। কুরআনে কারিমে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, مَا كَانَ لِلنَّبِيِّ وَالَّذِينَ ءَامَنُوا أَن يَسْتَغْفِرُوا لِلْمُشْرِكِينَ وَلَوْ كَانُوا أُوْلِي قُرْبَى مِنْ بَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُمْ أَنَّهُمْ أَصْحَابُ الْجَحِيمِ. নবী ও ঈমানদারদের পক্ষে মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা সংগত নয়, যদিও তারা আত্মীয়স্বজন হোক, যখন এ কথা স্পষ্ট হয়ে গেল যে, তারা দোজখি। (সুরা তাওবা) আল-বাহরুর রায়েক গ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে, والحق أنه يكون عاصيا بالدعاء للكافر بالمغفرة غير عاص بالدعاء بالمغفرة لجميع المؤمنين. (البحر الرائق ٠٥٣/١، كتاب الصلاة، باب صفة الصلالصلاة সঠিক কথা হলো কাফেরদের জন্য মাগফেরাতের দোয়া করার দ্বারা ব্যক্তি গোনাহগার হবে। কিন্তু সমস্ত মুসলমানের জন্য মাগফেরাতের দোয়া করার দ্বারা গোনাহগার হবে না। বাকি রইল জীবিত কাফেরদের জন্য মাগফেরাতের দোয়া করার বিধান। এই বিষয়ে ফকিহদের মাঝে মতানৈক্য দেখা যায়। কতক আহলে ইলমের মতে তা জায়েজ। ' আল-মুতাসার মিনাল মুখতাসার' কিতাবে উল্লেখ হয়েছে, ومما يدل على جواز الاستغفار للمشرك مادام حيا قوله صلى الله عليه وسلم : اللهم اغفر لقومي فإنهم لا يعلمون المعتصر من المختصر من مشكل الآثار ۱۲۱/۱، كتاب الجنائز، باب في الاستغفار للمشرك) জীবিত কাফেরের জন্য মাগফেরাতের দোয়া জায়েয হওয়ার দলিল হলো, যেমনটা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উহুদযুদ্ধের সময় করেছেন- হে আল্লাহ আমার কওমকে ক্ষমা করে দেন, কেননা তারা জানে না। আর কতকের মতে কুরআনে মাগফেরাতের দোয়া করতে যে নিষেধ করা হয়েছে তা ব্যাপক অর্থেই করা হয়েছে। তাই জীবিত ও মৃত সব কাফেরই এই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হবে। কিন্তু বাহ্যত এটাই মনে হয় যে, যদি জীবিত কাফেরের জন্য তার কুফরি অবস্থায় মাগফেরাতের দোয়া করা হয়, তাহলে তা নাজায়েয হবে। তবে যদি এভাবে মাগফেরাত চাওয়া হয় যে, কাফেরের যেন সঠিক ধর্ম ইসলাম কবুলের তাওফিক হয়, তাহলে দোয়া করার সুযোগ আছে। এতে কোনো সমস্যা নেই। ২. হেদায়েত ও সত্য দ্বীন গ্রহনের তাওফিক হয়, এজন্য দোয়া করা। এটা সম্পূর্ণ জায়েজ। বরং কেউ যদি ইখলাসের সাথে দোয়া করে, তাহলে সে অবশ্যই অনেক বড় একটি সওয়াবের কাজ করল। আর এটা হলো তাবলিগের একটি নীরব পদ্ধতি। ৩. দীর্ঘজীবন, নিরাপত্তার জন্য ও সুখশান্তির জন্য দোয়া করা। এখানেও মতানৈক্য রয়েছে। কারও নিকট জায়েয আর কারও নিকট নিষেধ। তবে মাসআলাটির মূল ভিত্তি এটাই মনে হয়, যে দোয়া করছে তার উদ্দেশ্য কী সেটা দেখতে হবে। যদি উদ্দেশ্য হয়, দীর্ঘজীবন পেলে এবং সুখশান্তিময় জীবন লাভ করলে কাফের ব্যক্তিটি ইসলাম গ্রহণ করবে, অথবা দীর্ঘজীবী হলে তার জিজিয়ার মাধ্যমে মুসলমানদের উপকার হবে, এমন উদ্দেশ্য হলে এ ধরনের দোয়ায় কোনো সমস্যা নেই। আর যদি উদ্দেশ্য হয় কুফর নিয়ে সে দীর্ঘজীবী হোক, তাহলে স্পষ্টই এটা নিষিদ্ধ।

photo content

গ*ণতন্তেএর রাজনীতির একটা কমন প্যাটার্ন হলো, কোনো কিছু আদায় করতে হলে মাঠ গরম করতে হয়, এবং মাঠের সে গরম গরমকে দিয়ে সুচতুর রাজনীতিবিদরা দলীয় ও ব্যক্তি স্বার্থ আদায় করে নেয়। এটা সবদলই করে, এবং এটা করতেই হয়। . কিন্তু আমাদের কিছু ইসলামপন্থী ভাইরা, যারা একটু রাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় কথা বলতে পারেন, তারা নিজেকে রাষ্ট্রের কাছে সৎ প্রমাণ করতে মাঠ পর্যায়ের এই গরমকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেন। তাদেরকে আমি রাজনৈতিক দৃষ্টিতে নিরেট মুর্খ ভাবি। তাদের হয়তো অনেক পড়াশোনা আছে, কিন্তু মডার্ন এই দুনিয়ার বৈশ্বিক রাজনীতির প্রয়োগে বাচ্চা শিশুই মনে হয় এদের। আপাতত আর গভীরে যাচ্ছি না৷

photo content

ইলিয়াস শাহ-ই প্রথম সুলতান যার শাসনামল থেকে বাঙালি একটি জাতিসত্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। সামগ্রিক অর্থেও, বাংলা নামকরণে মুসলিম সুলতানদের অবদানই অনস্বীকার্য। -ড. আবু নোমান সুলতানি আমলে বাংলার শিক্ষাব্যবস্থা পৃ. ৩৭, প্রকাশকাল ২০২৪ ইং . চিন্তাকরেন, শাহবাগী হারামীগুলো কতবড় পদধারী গুন্ডা! এই বাংলার আবেগ দিয়ে মুসলিমদের কত হেনস্তা করে এগুলো! অথচ...

রাখালকে ক্ষমা করা হবে কি না, তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো তাকে বাংলার মুসলমানদের শিক্ষাসিলেবাসের সংশোধনীর মত গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে কোনোভাবেই থাকতে দেয়া যাবে না। তাকে চিরস্থায়ী বহিষ্কার করতে হবে। . এই বহিষ্কারের পরই তার ক্ষমা বিষয়ক আলোচনা হবে। এর আগে ক্ষমা সংক্রান্ত যেকোনো আলোচনা সম্পূর্ণ অনর্থক।

একটা কথা সাফ মনে রাখতে হবে সবার, লিবারেল আর সেকুলার এই কু*ফ*রি জীবনব্যবস্থার মধ্যে বসবাস করে আল্লাহ ও তার রাসুলের ইজ্জত রক্ষার একমাত্র হাতিয়ার হলো এই সব বিষয়ে মুসলমানদের অনমনীয় আচরন। . ইংরেজদের আমল থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত পৃথিবীর সর্বস্থানে রাসুলের ইজ্জতের বিষয়ে মুসলমানদের অনমনীয় আচরণই কেবল আয়িম্মাতুল কু*ফ*রকে বাধা দিয়ে রেখেছে। নাহলে লিবা*রেলি*জমের কু*ফ*র চর্চার আড়ালে বাকস্বাধীনতার নামে নাটক, সিনেমা, গল্প, উপন্যাস, কার্টুন ইত্যাদিতে আল্লাহ ও তার রাসুলকে শয়তানের দোষররা কী জঘন্য চিত্রায়ণ যে করতো, তা আল্লাহই ভালো জানে! . সুতরাং, রাষ্ট্রের কী হলো, দেশকে কে নিয়ে গেলো, কোন দেশের আর্মি বাংলাদেশে আক্রমণ করে বসলো তা নিয়ে সামান্য ভাবার সময় আমাদের নাই। আমাদের একটাই কথা, আল্লাহ ও তার রাসুলকে নিয়ে তাদের শানের বিপরীত একটি টু-শব্দও এই পৃথিবীর কোথাও উচ্চারণ কেউ করতে পারবে না। কেউ করলে তার একমাত্র শাস্ত্রি মৃত্যুদণ্ড! হয়, কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়ন করবে, অন্যথায় মুসলমানরা নিজেদের দায়িত্ব নিজেরাই বুঝে নিবে৷ . তাই, দেশের কথিত শান্তি ঠিক রাখতে হলে, যে বা যারা আল্লাহ ও তার রাসুলের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয় এমন কোনো কথা বা কাজ করবে তাদের শাস্তি বাস্তবায়ন করুন।

স্পষ্ট। কোনো অস্পষ্টতা নেই। আগামীকাল ঈমানের দাবী থেকে উপস্থিত হবো সবাই বাইতুল মুকাররম ইনশাআল্লাহ।

আগামীকাল ইনশাআল্লাহ। এসকল দাবী দাওয়াতে আপনারা বিশ্বাসী? -না, এগুলোতে মৌলিকভাবে আমরা বিশ্বাসী না। আমরা ভিন্নকিছুতে বিশ্বাসী। এ
আগামীকাল ইনশাআল্লাহ। এসকল দাবী দাওয়াতে আপনারা বিশ্বাসী? -না, এগুলোতে মৌলিকভাবে আমরা বিশ্বাসী না। আমরা ভিন্নকিছুতে বিশ্বাসী। এগুলো কোনো ফল বয়ে আনবে? -ফল দ্বারা কী উদ্দেশ্য সেটা ঠিক করতে হবে প্রথমে। আজকে বাংলাদেশে যুবসমাজের যে উত্থান তা কিন্তু ১৩-এর পরে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবমাননার ইস্যুতেই হয়েছিলো। সুতরাং....

যাদের জীবনে কোনো হাসি নাই।

শাসক নির্বাচনের তুরাসি একটি ধারা . বইটির সংক্ষিপ্ত পরিচয়ে যাওয়ার আগে ভূমিকায় লেখকদ্বয় সম্পর্কে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তা প্রথমে সংক্ষেপে বলে নেই। ১। মাওলানা মুশাররফ বেগ আশরাফ। কম্পিউটার সাইন্সে মাষ্টার্স করা এই মাওলানা বর্তমানে পাকিস্তানের একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে উলুমে শরয়িয়্যাহতে অধ্যাপনায় নিয়োজিত রয়েছেন। সাথে দর্শন ও ইসলামি আকিদা বিষয়ে ইসলামাবাদ ইসলামি ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করছেন। ২। যাহেদ সিদ্দিক মোঘল যাহেদ সিদ্দিক মোঘল দ্বীনি মাদরাসায় পড়াশোনা করেছেন। অর্থনীতিতে পিএইচডি করা যাহেদ সিদ্দিক মোঘল বর্তমানে কর্মরত আছেন ইসলামাবাদের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজিতে এসোসিয়েট প্রফেসরের দায়িত্বে। . এই দুজন লেখকের সমন্বিত কাজ হলো এই বইটি। . গণ*তন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতারা জনগণ ছাড়া শাসক নির্বাচনের আর যত পদ্ধতি আছে সবগুলোর বিরুদ্ধে এমন অপপ্রচার পৃথিবীব্যাপি চালিয়েছে যে, শাসক নির্বাচনের একমাত্র বৈধ ও যুক্তিসঙ্গত পদ্ধতি কেবল ভুখণ্ডের সকল মানুষ মিলে ভোটের মাধ্যমে শাসক নির্বাচন করবে। শাসক কর্তৃক অপর শাসক নিয়োগের পদ্ধতিকে এমন ঘৃণিতরূপে হাজির করা হয়েছে যে, এর মত জঘন্য কাজ আর জুলুম দ্বিতীয়টি হতে পারে না! এই অপপ্রচারে প্রচুর পরিমান বিভ্রান্ত হয়েছেন উপমহাদেশে মাওলানা মওদুদিসহ আরো অসং্খ্য মানুষ। অথচ আমাদের যত তুরাসের কিতাব আছে, সালাফের যত ফিকহি আলোচনা আছে, তার প্রায় সবটিতেই দেখা যায়, একজন মুসলিম শাসক তার পরবর্তীতে উম্মাহের জন্য কল্যাণকামী ও সকল শর্ত পাওয়া যায় এমন শাসক নিয়োগ দিতে পারবেন এবং উম্মাহের উপর তাকে মান্য করা ওয়াজিবও হবে। ইসলামি শরীয়তে এই বিষয়টিকে বলা হয় ইসতিখলাফ বা ওলিয়ে আহদ। . গণতন্ত্রকে ভালো মেনে নিয়ে সে সকল।আলেমরা সিয়াসাত বিষয়ক কিতাব ধরেছেন তাদের প্রায় অধিকাংশই এই মাসআলাকে হয়তো ইসলামই সিয়াসাতে স্বীকৃতিই দেয়নি অথবা যে কজন স্বীকৃতি দিয়েছেন তারা এর সাথে এমন কিছু উদ্ভট শর্ত আরোপ করেছেন যার সাথে ফিকহের কিতাবের কোনো সম্পর্কই নেই! . সালাফদের এমন একজনও পাওয়া যাবে না, যারা এই মাসআলাকে নাজায়েয বলেছেন। বরং অসং্খ্য সালাফের এমন ইবারত পাওয়া যাবে যে, ইসতিখলাফ হলো শাসক নির্বাচনের অন্যতম উত্তম পদ্ধতি! যে বিষয়টিকে সালাফরা এভাবে পেশ করেছেন আজ সে বিষয়টিকেও গণ তন্ত্র মনা কিছু মানুষ অনেকটা মুছে দিতেই চাচ্ছে! এরা তুরাস তুরাস করে দুনিয়া চিল্লাফাল্লা করলেও আধুনিক বিশ্বব্যবস্থার সাথে সাঙ্গর্ষিক বিষয়গুলোতে এদের আর খুজে পাওয়া যায় না! . যাইহোক, ড. যাহেদ সিদ্দিক মোঘল ও মাওলানা মুশাররফ বেগ সাহেব এই বিষয়ের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরে কলম ধরেছেন এবং চারো মাজহাবের আলোকে এই মাসআলার পূর্ণ হক আদায় করেছেন। . ইমাম আশআরি রহিমাহুল্লাহের বক্তব্য, একজন আহলুল হাল্লি ওয়াল আকদের মাধ্যমেই শাসক নিয়োগ হয়ে যাবে, এই মাসআলাটা যখন কিতাবে পড়তাম অদ্ভুত লাগতো কিছু। কিন্তু এই মাসআলার গোড়া যে এত শক্ত তা এই বইতে এত চমৎকার উপস্থাপন করা হয়েছে যে, বেশ অবাক হলাম! আমাদের ফকিহদের চিন্তা কত গভির! . বইটিতে ইসতিখলাফের মাসআলা ছাড়াও আহলুল হাল্লি ওয়াল আকদের মাসআলাও আলোচনা চলে এসেছে বেশ সুন্দর করে। . তবে সবেচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছে ও লেখকদ্বয়ের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবো একটি মাসআলায়, আর তা হলো, শাসক ও জনগনের মাঝের সম্পর্ক কী হবে এই আলোচনাটি। গ ণ ত ন্ত্র ও তার সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আবশ্যকীয় বিধানকে বর্তমান সময়ে ইসলামিকরণের সবচেয়ে বড় যে হাতিয়ার, এবং যে হাতিয়ার দিয়ে গণতান্ত্রিক নির্বাচনকে জায়েয করা হয় খুব জোরেশোরে, তার মধ্যে একটি হলো শাসক আর জনগনের মাঝে যে চুক্তি হয় তা হলো, আকদে তাওকিল অর্থাৎ, শাসক হলো জনগনের পক্ষ থেকে ওকিল। আর এটা মেনে নিলে অসং্খ্য মাসআলা অটোমেটিক গ ণ ত ন্ত্রের ছাছে তৈরি করা সম্ভব। (এই মাসআলায় বহু মুখলিস আলেমরাও হোচট খেয়েছেন, আল্লাহ তাদের ক্ষমা করুন।) লেখকদ্বয় এখানে ফিকহের বক্তব্যের আলোকে এটাকে বেশ শক্তিশালীভাবে স্পষ্ট করেছেন যে, ইসলামি শরীআর দৃষ্টিতে শাসক ও জনগনের যে আকদ হয় তা মূলত ‘আকদে বিলায়াত’ অর্থাৎ, জনগন তাদের জীবনকে কুরআন সুন্নাহের আলোকে পরিচালনা করার জন্য শাসককে নিজের অবিভাবক হিসেবে মেনে নিয়েছে, সুতরাং এখন তাদের কাজ হলো শাসকের চূড়ান্ত আনুগত্য করে যাওয়া, যতক্ষণ না শাসক আল্লাহ ও তার রাসুলের আইনের খেলাফ কিছু করে। এই একটি মাসআলা গণতন্ত্রকামীদের পুরো কোমর ভেঙ্গে দিতে সক্ষম। . যাইহোক, যারা ইসলামি সিয়াসাতকে ইসলামের জায়গা থেকে বিস্তর পড়তে চান তাদের জন্য অবশ্যই পাঠ্য এই বইটি।

انعقاد خلافت اور ولی عہدی.pdf27.90 MB