ch
Feedback
Mohammad Abid

Mohammad Abid

前往频道在 Telegram

“If you're not ready to die for it, put the word 'freedom' out of your vocabulary.” — Malik El-Shabazz (Malcolm X)

显示更多
4 639
订阅者
无数据24 小时
+47 天
+630 天
帖子存档
আহত নারীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন আফগান নারী চিকিৎসকরা। ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে নেওয়া।
+1
আহত নারীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন আফগান নারী চিকিৎসকরা। ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে নেওয়া।

বিশ্বাস করেন ভাই NYT এর রিপোর্টে আসছে
বিশ্বাস করেন ভাই NYT এর রিপোর্টে আসছে

মূলত নারীদের পরদা বিঘ্নিত হবে তাই এই ধরনের ছবি/ভিডিও ধারণ ও প্রকাশ থেকে বিরত থাকছেন আফগানরা। তারা তো আর আমাদের মতো ভিউ ব্যবসায়ী না, যে আহত নারী দেখিয়ে ভিউ কামাবে।

+1
বেশ কিছু দিন ধরেই দেখছি বাংলাদেশের মিডিয়া দাবি করছে আফগানিস্তানের নারীদের নাকি উদ্ধার কাজে বঞ্চিত করা হচ্ছে। ভিডিওতে দেখুন তালিবান সদস্যদের একটি দল, কুনার থেকে একটি পরিবারকে উদ্ধার করে নিয়ে যাচ্ছে যেখানে বালিকা শিশু এবং নারীও রয়েছেন। ভিডিওটি যুক্তরাজ্য ভিত্তিক একটি মানবসেবামূলক সংস্থার টুইট থেকে সংগৃহীত।

জামায়াতের নিকট ইসলাম অত্যধিক রাষ্ট্র ও রাজনীতি অন্যদিকে কওমী ট্র্যাডিশনালিস্টদের নিকট ইসলাম অত্যধিক ধর্ম ও প্রথা। দুটোরই ভালো খারাপ দিক আছে, সুবিধা অসুবিধা আছে। ইসলাম একটি সামগ্রিক বিষয়, এখানে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক দিককে অত্যধিক প্রাধান্য প্রদান করে যেমন ধর্ম ও তার প্রথাকে গৌণ করা যাবে না তেমনভাবেই ধর্ম ও প্রথার দিকে অত্যধিক প্রাধান্য প্রদান করে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক দিককে গৌণ করা যাবে না। জরুরি না, সবাই সবদিক নিয়ে কাজ করবে, জরুরি হলো কেউ না কেউ কোনও না কোনও দিক নিয়ে কাজ করবে, অন্যান্য দিকগুলোকেও উপস্থিত রাখবে এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও চর্চাকে স্বীকার করবে। খিলাফত পরবর্তী যুগের থেকেই আমরা অনৈসলামিক কাঠামোর ভেতর বসবাস করছি, তাৎক্ষণিক ইসলামীকরণ অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব না। আবার সহনশীলতা দেখাতে গিয়ে মৌলিক বিষয়াবলীতে কম্প্রোমাইজ করাও যাবে না। সবদিক সামনে রেখে, বুঝে শুনে অগ্রসর হতে হবে।

জামায়াতের নিকট ইসলাম অত্যধিক রাষ্ট্র ও রাজনীতি অন্যদিকে কওমী ট্র্যাডিশনালিস্টদের নিকট ইসলাম অত্যধিক ধর্ম ও প্রথা। দুটোরই ভালো খারাপ দিক আছে, সুবিধা অসুবিধা আছে। ইসলাম একটি সামগ্রিক বিষয়, এখানে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক দিককে অত্যধিক প্রাধান্য প্রদান করে যেমন ধর্ম ও তার প্রথাকে গৌণ করা যাবে না তেমনভাবেই ধর্ম ও প্রথার দিকে অত্যধিক প্রাধান্য প্রদান করে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক দিককে গৌণ করা যাবে না। জরুরি না, সবাই সবদিক নিয়ে কাজ করবে, জরুরি হলো কেউ না কেউ কোনও না কোনও দিক নিয়ে কাজ করবে এবং অন্যান্য দিকগুলোকেও উপস্থিত রাখবে এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও চর্চাকে স্বীকার করবে। খিলাফত পরবর্তী যুগের থেকেই আমরা অনৈসলামিক কাঠামোর ভেতর বসবাস করছি, তাৎক্ষণিক ইসলামীকরণ অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব না। আবার সহনশীলতা দেখাতে গিয়ে মৌলিক বিষয়াবলীতে কম্প্রোমাইজ করাও যাবে না। সবদিক সামনে রেখে, বুঝে শুনে অগ্রসর হতে হবে।

ইমাম ইবনে তাইমিয়্যা রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
আল্লাহ কাফিরদের সাথে বন্ধুত্ব নিষিদ্ধ করেছেন এবং সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, মুমিনদের মাঝে এটা থাকবে না। কাফিরদের সাথে বন্ধুত্ব হলো মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্য, আল্লাহ তাআলা সেটাও পরিষ্কার করে দিয়েছেন।
(মাজমুউল ফাতাওয়া, ইবনু তাইমিয়া: ২৮/১৯০) বই: ইসলামি জীবনব্যবস্থা (পৃষ্ঠা ৮৮) লেখক: মুফতি তারেকুজ্জামান

চ্যানেল আই অনলাইন এখানে একটা কপটতা করেছে। মেয়েটির বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর, অথচ তরুণী লিখেছে।

লক্ষীপুরে মুসলিম তরুণী ধর্ষণ | ধর্ষক হিন্দু সম্প্রদায়ের জয়কুড়ি https://www.channelionline.com/young-woman-held-captive-and-raped-in-lakshmipur-house-rapist-arrested/

লক্ষীপুরের মুসলিম কিশোরী ধর্ষণ ঘটনার নতুন কিছু তথ্য সামনে এনেছে চ্যানেল আই অনলাইন। সত্যতা নিয়ে আমি কিছু বলবো না, কেননা যাচাই করা সম্ভব না। ১] মেয়ের সাথে ধর্ষক জয়কুড়ির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। হিন্দু ছেলে জয় তার ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে প্রেম করেছিল। ২] চ্যানেল আই অনলাইন এর তথ্যমতে, মেয়ে বাবা ইয়াবা বিক্রির সাথে জড়িত এবং জয়কুড়ির সাথে এই সূত্রেই মেয়েটির পরিচয়। এখানে দুটো কথা বলার আছে, জয়কুড়ির গুরুতর অপরাধ দুটো। প্রথম অপরাধ, সে ধর্ষণ করেছে। দ্বিতীয় অপরাধ, সে সম্পর্ক করার সময় পরিচয় গোপন করেছে। মেয়ের বাবা ইয়াবা বিক্রি করেন তাই অনেকেই নাক সিটকাচ্ছে, তো ভাই ইয়াবা বিক্রি করলে তার মেয়েকে ধর্ষণ করা কি বৈধ হয়ে যায়? এছাড়াও ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে প্রেম তো অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ, এটা সামাজিক শান্তি ও সহাবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। আমি যদি ধর্মীয় দিক থেকে বলি, ইসলাম মতে হিন্দু ছেলের সাথে কোনও মুসলিম মেয়ের বিয়েই হবে না। ধর্ম মতে না বললেও, ধর্ষণের জন্য জয়কুড়ির উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা দরকার। শেষকথা: ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ ইস্যুতে আমার কথা বলতে অস্বস্তি লাগে। খুবই বাজে অবস্থা।

তারা আসে তারা চলে যায় আমরা চিৎকার করি সালাউদ্দীন পাঠাও আল্লা অথচ যুগের সালাউদ্দীনের লাশ আমাদের সামনে পড়ে রয়
তারা আসে তারা চলে যায় আমরা চিৎকার করি সালাউদ্দীন পাঠাও আল্লা অথচ যুগের সালাউদ্দীনের লাশ আমাদের সামনে পড়ে রয়

ইন্দোনেশিয়ায় গণআন্দোলন চলছে, দেখা যাক কি হয়। আল্লাহ ইনসাফের জন্য লড়াইরতদের সফল করুন।

একরাতে উবাইদা ইবনুল জাররাহ (রাযিঃ) স্বপ্নে দেখলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে বলেছেন: হে আবু উবাইদা ! ইনশাআল্লাহ আজ রাতের মধ্যেই এই শহর (দামেস্ক) বিজিত হয়ে যাবে কথাটিই বলে যেন হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাড়াহুড়ো করে চলে যাচ্ছিলেন আবু উবাইদা রাযিঃ অনুযোগের সুরে বললেন : ইয়া রাসুলুল্লাহ! এতো তাড়াতাড়ি চলে যাবেন? জবাব দিলেন: আবু বকরের ইন্তেকাল হয়ে গেছে, তার জানাযায় শরীক হতে হবে (স্বপ্নটি শেষ হলো) হিজরী ১৩ সনে ১১ই জমাদীউস সানী তারিখে হযরত আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ রাযিঃ বিজয়ীর বেশে দামেস্কে প্রবেশ করেন, একই দিনে প্রথম খলিফা আবু বকর সিদ্দিক রাযিঃ এর ইন্তেকাল হয় কিতাব: স্বপ্নযোগে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লেখক: মহিউদ্দিন খান রাহি. সংগৃহীত

যেনো মদপানের মজলিশে বলা হচ্ছে নবী অপচয় করতেন না, অতএব আপনারা গ্লাসের সবটুকু শেষ করুন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে তাওহীদের দাওয়াত দিয়েছেন, যে শরিয়তের জন্য দাওয়াত দিয়েছেন, সেই তাওহীদ ও শরিয়তের বিপরীত ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলার সময় সেখানে রাসূলুল্লাহ এর হায়াত থেকে উদাহরণ পেশ করা নববী ইজ্জতের অবমাননা। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

শাহবাগ কি? - ডা. শামসুল আরেফীন শক্তি

আমাদের বড় ভাইয়েরা অনেক পরিশ্রম আর ত্যাগ দিয়ে — শাহবাগী — শব্দটাকে ঘৃণার বিকল্প শব্দে পরিণত করেছিলেন। তোমরা যদি এই শব্দ যখন তখন, যেখানে সেখানে ব্যবহার করতে থাকো — শব্দটা তখন হাল্কা হয়ে যাবে। শাহবাগী কারা? নিচে শক্তি ভাইয়ের একটা ভয়েস দিলাম, শুনে নিন। (ছোটদের বলেছি, তাই তুমি লিখেছি)

আপনাদের বিলাই কুত্তার পেছনে যে খরচ! ঐ খরচে গাজা, আফ্রিকা, সিরিয়ার বাচ্চাদের খরচ চালানো যায়। https://www.facebook.com/share/p/19EzkdDzTv/

আল্লাহর বড়ত্বকে আমরা কখনও অনুভব করিনাই, সাহাবায়ে কেরাম এইটা করছিলেন। আমরা যখন কারো বড়ত্ব অনুভব করি, যখন সেই বড়ত্ব অনুসারে তার হুকুমের পাবন্দী করি। আল্লাহ কত বড়, তার ক্ষমতা কত বেশি, তার পরাক্রম কত তা অনুভব করলে — শিরক করা, নেফাকি করা, ফাসেকি করা অসম্ভব।

মুফতি তারেকুজ্জামান হাফিজাহুল্লাহ আল্লামা সাদি রাহিমাহুল্লাহ এর বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন, আল্লামা সাদি (রাহি.) বলেন: ইমানের দাবি হলো, আল্লাহর আইনের প্রতি আত্মসমর্পণ এবং সকল বিষয়ে আল্লাহকেই বিচারক ও বিধানদাতারূপে মেনে নেওয়া। সুতরাং যে নিজেকে মুমিন বলে দাবি করবে, আবার আল্লাহর হুকুমের ওপর তাগুতের হুকুমকে প্রাধান্য দেবে, সে ইমানের দাবিতে মিথ্যাবাদী। (তাফসিরুস সাদি: ১/১৮৪) বই: ইসলামি জীবনব্যবস্থা (পৃষ্ঠা ৮৪) লেখক: মুফতি তারেকুজ্জামান