ch
Feedback
Come Towards Allah

Come Towards Allah

前往频道在 Telegram

তুমি তোমার রবের কাছে ফিরে এসো সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হয়ে - সূরা আল-ফাজর (আয়াত-২৮)

显示更多
5 044
订阅者
-124 小时
-317 天
-10630 天

数据加载中...

标签云
无数据
有任何问题?请刷新页面或联系我们的客服
进出提及
---
---
---
---
---
---
吸引订阅者
九月 '26
九月 '26
+2
在0个频道中
八月 '26
+48
在0个频道中
Get PRO
七月 '26
+36
在0个频道中
Get PRO
六月 '26
+40
在0个频道中
Get PRO
五月 '26
+38
在0个频道中
Get PRO
四月 '26
+22
在1个频道中
Get PRO
三月 '26
+25
在0个频道中
Get PRO
二月 '26
+27
在0个频道中
Get PRO
一月 '26
+154
在2个频道中
Get PRO
十二月 '25
+103
在0个频道中
Get PRO
十一月 '25
+125
在0个频道中
Get PRO
十月 '25
+110
在0个频道中
Get PRO
九月 '25
+213
在0个频道中
Get PRO
八月 '25
+164
在0个频道中
Get PRO
七月 '25
+158
在0个频道中
Get PRO
六月 '25
+67
在0个频道中
Get PRO
五月 '25
+149
在1个频道中
Get PRO
四月 '25
+113
在0个频道中
Get PRO
三月 '25
+262
在1个频道中
Get PRO
二月 '25
+368
在2个频道中
Get PRO
一月 '25
+1 626
在0个频道中
Get PRO
十二月 '24
+1 513
在0个频道中
Get PRO
十一月 '24
+842
在0个频道中
Get PRO
十月 '24
+574
在0个频道中
Get PRO
九月 '24
+440
在0个频道中
Get PRO
八月 '24
+301
在0个频道中
Get PRO
七月 '24
+327
在1个频道中
Get PRO
六月 '24
+273
在0个频道中
Get PRO
五月 '24
+16
在0个频道中
Get PRO
四月 '24
+15
在0个频道中
Get PRO
三月 '24
+19
在0个频道中
Get PRO
二月 '24
+32
在0个频道中
Get PRO
一月 '24
+42
在0个频道中
Get PRO
十二月 '23
+30
在0个频道中
Get PRO
十一月 '23
+9
在0个频道中
Get PRO
十月 '23
+13
在0个频道中
Get PRO
九月 '23
+464
在0个频道中
日期
订阅者增长
提及
频道
04 九月0
03 九月+1
02 九月0
01 九月+1
频道帖子
Nazar is soo real!But reading these will make you untouchable from Nazar. 1. Surah Al-Ikhlaas 3x 2. Surah Al-Nas 3x 3. Surah
Nazar is soo real!But reading these will make you untouchable from Nazar.
1. Surah Al-Ikhlaas 3x 2. Surah Al-Nas 3x 3. Surah Al-Falaq 3x 4. Surah Al-Fatiha 5. Ayatul Kursi Make it a habit!
May Allah protect us from all sorts of evil.
©collected

2
মন যা চায় তাই কর, তুমি অনেক মজা পাবে। আসলে কি তাই? সূরা কাফ এর পঞ্চম আয়াতে আল্লাহ তা'আলা বলেন— بَلۡ كَذَّبُوۡا بِالۡحَقِّ لَمَّا جَآءَهُمۡ فَهُمۡ فِیۡۤ اَمۡرٍ مَّرِیۡجٍ -"তাদের কাছে সত্য আসার পর তারা তা অস্বীকার করেছে, কাজেই এখন তারা সংশয়ের মধ্যে পড়ে আছে।" এখানে মারিজ শব্দের অর্থ সংশয়। এর আরেকটি অর্থ হলো disturbance. বিরক্তিকর অবস্থা, অস্থির অবস্থা, অশান্তি। আপনি হয়তো ভাবছেন, তারা তো মন যা চায় তাই করতে পারে। তাদেরকে তো কোন বিধি-নিষেধ মানতে হয় না। আর এটা তো তাদেরকে সুখী করার কথা। তারা কেন অস্থির অবস্থায় থাকবে? জানেন কী হয় তখন, যখন আপনার মন যা চায় তাই করতে পারেন? ডিস্টারবেন্স। অস্থিরতা। যখন আপনার সামনে অনেকগুলো চয়েস থাকে, অনেকগুলো বিকল্প থাকে—এটা ভালো জিনিস না। ছোট্ট একটা উদাহরণ দিচ্ছি। আপনাদের অনেকের বাসায় টিভি আছে, ডিস এন্টেনার কানেকশন আছে, হয়তো কয়েকশো চ্যানেল আছে। রিমোটটা হাতে নিয়ে মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা কী করে? একটার পর একটা চ্যানেল খালি পাল্টাতে থাকেন, আচ্ছা এখানে কিছু দেখি, না ওইখানে মনে হয় আরও ভালো কিছু হচ্ছে, কিছুক্ষণ খেলা দেখি, না একটা মুভি দেখি... না দেখি ওই চ্যানেলে কি হচ্ছে—এভাবে কয়েক ঘন্টা পার হয়ে যায়। আপনি আসলে কিছুই দেখতে পারেননি। এর নাম মারাজ। অস্থিরতা। কিন্তু যদি আপনার একটি goal থাকে, একটি উদ্দেশ্য থাকে—আপনি শুধু একটা বিষয় নিয়ে ফোকাসড থাকেন। এটা তখন আপনাকে প্রশান্তি দেয়। আপনাকে মানসিক পরিপূর্ণতা দেয়। শান্তি দেয়। অন্তরটাকে সন্তুষ্টিতে পূর্ণ করে তোলে। আপনি যদি ইসলাম অনুসরণ করেন, সত্য মেনে চলেন তখন আপনার একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য আছে। দৈনিক সুনির্দিষ্ট কিছু কাজ আছে। নির্ধারিত সীমানা আছে এর বাইরে আপনি যেতে পারবেন না। আপনি তখন ফোকাসড থাকতে পারেন। জান্নাত আমার লক্ষ্য, আমাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচতে হবে। আমাকে আমার রবের সন্তুষ্টির পথে থাকতে হবে। আমি কিয়ামতের দিন অপমানিত হতে চাই না। আমার হাতে বেশি সময় নেই, আমি যত বেশি সম্ভব ভালো কাজ করে যেতে চাই। এভাবে আপনার মন মানসিকতা কাজকর্ম সবকিছু একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে ফোকাসড থাকে। তখন মনে একটি প্রশান্তি বিরাজ করে। অস্থিরতা থাকে না। আল্লাহ বলছেন সত্য অস্বীকারকারীরা এটা চায় না। তারা মারিজ অবস্থায় থাকে। তারা ভাবে, ফ্রি হয়ে যা ইচ্ছা তা-ই করার মাঝে শান্তি আছে। কিন্তু তারা শান্তি পায় না। জানেন? কোন জায়গায় আমরা ফ্রি হয়েও প্রশান্তি পাব? সেটা জান্নাতে। জান্নাতে আমাদের মন যা চায় আমরা তাই করতে পারব, আর তাতে আমরা পরিপূর্ণ তৃপ্তি পাবো, পরিপূর্ণ প্রশান্তি পাবো। কারণ আল্লাহ তায়ালা জান্নাতকে ওইভাবে ডিজাইন করবেন। আল্লাহ তাআলা বলেন—وَ لَكُمۡ فِیۡهَا مَا تَشۡتَهِیۡۤ اَنۡفُسُكُمۡ وَ لَكُمۡ فِیۡهَا مَا تَدَّعُوۡنَ—"সেখানে তোমাদের জন্য থাকবে যা তোমাদের মন চাইবে এবং সেখানে তোমাদের জন্য আরো থাকবে যা তোমরা দাবী করবে।" (৪১:৩১) আর সূরা কাফে আল্লাহ তাআলা জান্নাতের জীবন সম্পর্কে বলেন—فَهُوَ فِي عِيشَةٍ رَاضِيَةٍ – সে এমন এক জীবন অতিবাহিত করবে যেখানে প্রত্যেকটি জিনিস, একদম সবকিছু তাকে আনন্দিত করবে। আল্লাহ জান্নাতের জীবনটাকে যে কতটা মুবালাগা সহকারে বর্ণনা করেছেন, কতটা অতিরঞ্জন সহকারে বর্ণনা করেছেন…তিনি বলেনেনি মানুষটা সুখী হবে। বরং তিনি বলেছেন--জীবনটা নিজেই তৃপ্তিকর হবে। তিনি বলেননি, فَهُوَ رَاضِِ فِيْ عِيْشَةِ الْجَنَّةْ - ফাহুয়া রা-দিন ফিই 'ইইশাতিল জান্নাহ, সে জান্নাতের জীবনে পরিতৃপ্ত হবে। বরং তিনি বলেছেন, ফাহুয়া ফিই ইইশাতিন রাদিয়া। যা খুবই অদ্ভুত ধরণের اِسْتِعَارَةْ - ইস্তি’আরাহ। যা ইঙ্গিত করছে জান্নাতের প্রতিটি অংশ, জান্নাতের প্রতিটি অভিজ্ঞতা আপনাকে একেবারে সম্পূর্ণরূপে পরিতৃপ্ত করে দিবে। সম্পূর্ণরূপে সুখী করে দিবে। প্রতিবার শতভাগ তৃপ্তি এনে দিবে। পক্ষান্তরে, দুনিয়াকে কিন্তু এভাবে ডিজাইন করা হয়নি। দুনিয়াতে আপনি মন মত চললে, আল্লাহর বিধি নিষেধের পরোয়া না করলে—অবশ্য অবশ্যই ঝামেলায় পড়বেন। শয়তান আপনাকে প্রতারিত করে বলবে, মন যা চায় তাই কর, তুমি মজা পাবে। কিন্তু এই সামান্য মজার সাথে হাজারো রকমের ঝামেলা আপনাকে জড়িয়ে ধরবে, মানসিক অস্থিরতা তৈরি হবে, কখনোই শতভাগ তৃপ্তি পাবেন না। তাহলে কেন ইসলামের সীমার ভিতরে থাকবেন না? শরীয়তের সীমার ভিতরে থাকুন। দুনিয়াতে প্রশান্তির জীবন যাপন করুন; আর অনন্তকালের শতভাগ তৃপ্তির জীবন, শতভাগ আনন্দের জীবন, সম্পূর্ণ মুক্ত এক জীবন আপনার অপেক্ষায় আছে। —নোমান আলী খানের আলোচনা অবলম্বনে।
512
3
স্থান: গুলিস্তান জিরো পয়েন্টের পশ্চিম পার্শ্ব সময়: এশার নামাজ শেষ/ রাতের প্রথম প্রহর এক নিঃসঙ্গ এক নারী একাকী দাঁড়িয়ে রয়েছেন ফুটপাথে। পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন এক মাওলানা সাহেব। মহিলা ডাক দিলেন- "হুজুর, আমি একেবারে অসহায়। সব কিছু হারিয়েছি, পথে পড়ে গেছি। বাসায় ফেরার উপায় নেই। একটু সাহায্য করুন, আল্লাহ খুশি হবেন।" মানবিকতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মাওলানা সাহেব পকেট থেকে পঞ্চাশ বা একশ টাকার একটি নোট বের করে এগিয়ে দিলেন। মহিলা হাতে নিতেই যেন বিদ্যুৎচমক! চিৎকারে ফেটে পড়লেন তিনি,  "এই হুজুর! আপনি আমাকে খারাপ  প্রস্তাব দিছেন কেন? ধর্মের মানুষ হয়ে এত নীচ হতে পারেন? লজ্জা করে না?" যেন যাদুবলে চারপাশ থেকে ছুটে এল কয়েকজন পুরুষ—তাঁদের যেন অপেক্ষাই ছিল। ঘিরে ধরলেন মাওলানা সাহেবকে।   "মহিলাকে হয়রানি? চলুন থানায়, এবার শাস্তি পাবেন!হুজুর হয়ে খারাপ প্রস্তাব দিছেন কেনো? " মুহূর্তেই বিশৃঙ্খলা। মাওলানা সাহেব হতভম্ব, নিজের সম্ভ্রম বাঁচাতে অস্থির। সেই ফাঁকে চক্রের সদস্যরা হাতিয়ে নেয় তাঁর মোবাইল, মানিব্যাগ, পকেটের নগদ টাকা চোখের পলকে। শেষমেশ এক জন কাছে এসে কানে কানে বলে,  "হুজুর, কোনও প্রতিবাদ না করলেন বলে ধন্যবাদ।" অদৃশ্য হয়ে গেল তারা রাতের অন্ধকারে। ভাবছেন কি, এটা কাল্পনিক গল্প? না ভাই।   রাজধানীর একাধিক স্থানে এমন প্রতারণার খবর বারবার উঠে এসেছে। কিন্তু ভুক্তভোগীরা সমাজে মুখ দেখাতে লজ্জায় থানায় যান না। তাই অসংখ্য ঘটনা রয়ে যায় অবহেলিত, অজানা। কাউকে সাহায্য করতে চাইলে জনাকীর্ণ জায়গা, পাশের লোকজন, কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিন। একা কোনো অপরিচিতের আবেগে ভেসে যাবেন না। - কপিড
376
4
ইন শা আল্লাহ! @qalbunsaleem19
ইন শা আল্লাহ! @qalbunsaleem19
476
5
❤️ ইহুদিদের কাছে গেলে আপ্নার মনে প্রশ্ন আসবে....!!
❤️ ইহুদিদের কাছে গেলে আপ্নার মনে প্রশ্ন আসবে....!!
645
6
মেয়েদের জন্য ছয়টি সাজ হারাম। ১। ঘন্টাযুক্ত নুপুর পড়া। ঘন্টি বাজা ঘুঙুর শয়তানের বাদ্যযন্ত্র। (সহীহ মুসলিম:২১১৪) ২। কপালে টিপ পড়া। ইব্রাহিম (আঃ) এর সময়ে পতীতার মেয়েরা কপালে চিন্থ দিতো, যা এখন টিপ হিসেবে পরিচিত।আস্তাগফিরুল্লাহ। ৩। পরচুল বা নকল চুল লাগানো। (সহীহ বোখারি ৫৯৩৩) ৪। ভ্রু প্লাগ। রাসুলের অভিশাপ পায় ঐসব নারী যারা চোখের উপরের লোম উঠায়, চেঁছে সরু করে আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তন আনে। (বুখারি হাদিস ৪৮৮৬) ৫। শরীরে ট্যাটু করা। আল্লাহর লানত ঐসকল নারী পুরুষদের উপর যারা শরীরে উল্কি আঁকে (ট্যাটু) এবং অন্যদের এঁকে দেয়।(আবু দাউদ ৪১৭০) ৬। পারফিউম ব্যবহার। কোনো নারী যদি (কোন প্রকার) সুগন্ধি ব্যবহার করে (পুরুষের) মজলিসের পাশ দিয়ে যায় তবে সে নারী ব্যাভিচারিণী। আস্তাগফিরুল্লাহ। (আবু দাউদ,তিরমিযী,নাসাঈ,সহীহুল জামে,৪৫৪০নং) . ~ @TasawwufOfficial
716
7
# জ্বিলহজ্জ_সিরিজ পর্ব- ১০ একনজরে কুরবানি আদায় হওয়ার শর্ত দেখে নিই।+6
# জ্বিলহজ্জ_সিরিজ পর্ব- ১০ একনজরে কুরবানি আদায় হওয়ার শর্ত দেখে নিই।
664
8
没有文字...
499
9
বান্দার প্রতি আল্লাহর একটি দয়া হলো– তিনি তাকে এমন কিছু পরীক্ষায় ফেলেন যা সে না পারে কাউকে বলতে, আর না পারে কাউকে নিজের কষ্টটা বোঝাতে। আল্লাহ এটা এই জন্যই করেন যাতে বান্দার মন অন্য সবার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে কেবল আল্লাহর দিকেই নিবিষ্ট হয় এবং সে যেন নিজের সবটুকু দুঃখ নিয়ে একমাত্র তাঁর কাছেই হাজির হয়। — ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) [সূত্র : আল-ওয়াবিলুস সায়্যিব, ৩৫]
581
10
জীবনে যদি অনেক বেশি বিপদে থাকেন। ঠিকঠাক মত আমল ও হচ্ছে না, দুআ, তাহাজ্জুদ কিছুই না, তাহলে দুরুদ পাঠ বাড়িয়ে দিন। বসে বসে টানা দুরুদ পড়ুন। ৫০০/১০০০ বার, কিংবা কয়েক ঘন্টা.... আজ জুমার রাত। এই আমলটার অভ্যাস করি, ইন শা আল্লাহ জীবনে কঠিন সময়ে খুব কাজে লাগবে।
649
11
গুনাহের একটি শাস্তি হলো, ব্যক্তি হেদায়াত হারিয়ে ফেলবে এবং দ্বীনি জ্ঞান থেকে বঞ্চিত থাকবে। আল্লাহুম্মাগফিরলী! -ইমাম ইবনু তাইমিয়‍্যাহ রাহিমাহুল্লাহ [মাজমুউল ফাতাওয়া, ১৪/১৫২
731
12
নরমাল বনাম সিজার: শরয়ী বিশ্লেষণ -মুফতি আফফান বিন শারফুদদীন বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম। • কোন গর্ভবতী নারীর নরমালে বাচ্চা হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও মিথ্যা ভয় দেখিয়ে অনর্থক সিজার করতে বাধ্য করা প্রতারনা ও জুলুম। সুস্পষ্ট না জায়েজ। এবং প্রতারণা ও জুলুমের মাধ্যমে উপার্জিত টাকাও অবৈধ। • সত্যিকারের ন্যায়পরায়ণ, দ্বীনদার, অভিজ্ঞ, মুসলিম ডাক্তার যদি কোন পেশেন্টের ক্ষেত্রে বলেন যে, 'সিজার' না করলে বাচ্চা অথবা মায়ের জীবন বিপন্ন হতে পারে কিংবা অঙ্গহানীর প্রবল আশঙ্কা আছে তখন সিজার করা ওয়াজিব। এ ধরণের পরিস্থিতিতে স্বামী/শশুর/শাশুড়ী কিংবা অন্য কেউ 'নরমাল' ডেলিভারীর জন্য গর্ভবতী মেয়েকে বাধ্য করা না জায়েজ। • যদি ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতেও ন্যায়পরায়ণ অভিজ্ঞ ডাক্তারের সিদ্ধান্তের বিপরীতে গিয়ে পরিবারের লোকজন নরমালে বাধ্য করে, সুযোগ ও সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও উপযুক্ত ব্যাবস্থা গ্রহণ না করে এবং এ কারনে মা কিংবা সন্তান মারা যায় অথবা ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে ইসলামী আইনে (ইসলামী শাসনাধীন অঞ্চলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) তারা কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হবে। ক্ষেত্রবিশেষে সংশ্লিষ্টদেরকে রক্তপণ (দিয়ত) দেয়া লাগতে পারে। • নরমাল ডেলিভারী করতে গিয়ে ইন্তিকাল করলে, এবং কষ্ট সহ্য করলে যে সওয়াব হয় সিজার করতে গিয়ে মারা গেলে কিংবা অপারেশনের পরে নারীদের যে কষ্টের সম্মুখীন হতে হয় তাতেও ইনশাআল্লাহ একই রকম সওয়াব হবে। কারন এই ফযীলত নির্দিষ্টভাবে নরমাল ডেলিভারীর সাথে সম্পৃক্ত না বরং সন্তান জন্মদানের সাথে সম্পৃক্ত। • নরমাল ডেলিভারী অবশ্যই প্রাকৃতিক কারনে উত্তম। নিজের সাধ্য ও সহ্যক্ষমতা অনুসারে প্রতিটি মায়েরই আল্লাহ প্রদত্ত এই পদ্ধতিতে ডেলিভারীর সর্বোচ্চ চেষ্টা করা উচিত। তবে অবশ্যই সেটা দক্ষ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে হতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতেও পরিবারের সদস্যদের খেয়াল খুশি ও স্বেচ্ছাচারিতার ফলে জোরপূর্বক নরমাল ডেলিভারী করতে গিয়ে স্ত্রী বা বাচ্চার জীবনকে হুমকির মুখে ফেলার নাম তক্বওয়া না বরং জাহালত। নিরেট মূর্খতা। • মাওলানা গুনবী সাহেবের এ সংক্রান্ত বক্তব্যে আবেগ নির্ভর অতিরঞ্জন ও সুস্পষ্ট ভুল দৃশ্যমান। পাবলিক প্লেসে মাসআলা বলার ক্ষেত্রে তার আরও সতর্ক হওয়া উচিত। • মনে রাখবেন, আপনাদের পছন্দ অপছন্দের নাম ইসলাম না। ইসলামী আইনের নিজস্ব মূলনীতি আছে। তাই যারা শরীয়ত ও চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা রাখেননা তারা এই বিষয়ে অন্যদের উপরে কোন ধরনের মতামত চাপিয়ে দেয়া বৈধ না। শুধুমাত্র আবেগের বশে যারা এই টপিকে অনর্থক ঝগড়া বিবাদ ও গালাগালি করছেন তাদের উচিত আল্লাহকে ভয় করা এবং নিজেদেরকে নিয়ন্ত্রন করা। মাসআলা মাসাইল ও চিকিৎসা  বিষয়ে শুধুমাত্র সার্টিফাইড মুফতী ও ডাক্তাররা কথা বলা উচিত। বাকিদের জন্য চুপ থাকা আবশ্যক। মুফতী আফফান বিন শরফুদ্দীন বিভাগীয় প্রধান, উচ্চতর ইসলামী আইন অনুষদ, জামিয়া উসমান রা. ইমাম ও খতীব, বাইতুল মাহফুয জামে মসজিদ, নিকুঞ্জ- ২, খিলক্ষেত, ঢাকা The Ilm Of Sunnah
796
13
সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে আমরা এমন সব মানুষের সাথে ঝগড়া, গীবত, অপবাদ এর মত জঘণ্য গুনাহ করছি, যাদের সাথে হয়ত আমৃত্য দেখা হয়নি, হবেও না। অনিয়ন্ত্রিত জবানের এসব গুনাহ আমাদের আমলনামাকে ধ্বংস করছে একইসাথে মনমানসিকতা ও। ফলে, অশান্ত আর দুনিয়ামুখী অন্তর নিয়ে চাইলে ইবাদতে মন বসে না। আমরা কি ভেবে দেখছি আমরা কি করছি, কেন করছি, এসবের পরণতি কি? এমন সব গুনাহ তে নিজেকে জড়িত করছি যা নিজের জীবনের সাথে কোনোভাবেই জড়িত না... বেশি বেশি তাহাজ্জুদ আর কুরআনে নিজেদের অভ্যস্ত করি... সবসময় স্মরণ রাখব, যার জবান তাহাজ্জুদ এ নড়ে না, যার জবানে কুরআন নেই, তার জবান অকল্যাণ, অনুত্তম কাজেই ব্যাস্ত থাকবে।
522
14
@VoiceOfAlif
@VoiceOfAlif
604
15
সে গল্প আমি বলব কাকে? 'আমি আপনাকে ভালোবাসি!' এই অদ্ভুত সত্যটা যেদিন থেকে উপলব্ধি করতে পেরেছি, ততদিনে সাড়ে চৌদ্দশ বছর অতিবাহিত
সে গল্প আমি বলব কাকে? 'আমি আপনাকে ভালোবাসি!' এই অদ্ভুত সত্যটা যেদিন থেকে উপলব্ধি করতে পেরেছি, ততদিনে সাড়ে চৌদ্দশ বছর অতিবাহিত হয়ে গিয়েছে ইয়া রাসুলাল্লাহ; ﷺ আপনি চলে গিয়েছেন আপনার প্রিয় বন্ধুর সাক্ষাতে। পৃথিবীতে তখনও আমার আগমন ঘটেনি। জন্মায়নি কালের বহু রথি-মহারথি। আপনি ছিলেন। আপনি ছিলেন ইয়া রাসুলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আজও কত গল্প হয়। কত স্লোগান উত্থিত হয় মাশরিক থেকে মাগরিবে। অথচ আপনি নেই। আপনি নেই ইয়া রাসুলাল্লাহ। এই বিরহী আর্তনাদ কেউ কি শুনতে পাবে! নির্জনতার মাঝে দাঁড়িয়ে আমি যে ফেতনা নামক মহামারির গন্ধ পাই নাকে—সে গল্প আমি বলব কাকে? বই : জীবনের ভাঁজে ভাঁজে; পৃষ্ঠা : ২৭ The Ilm Of Sunnah
565
16
একজন প্রশ্ন করলেন ভাই রাট ২টা ৩টা পর্যন্ত তো জেগেই থাকি তখন যদি নফল পড়ি সেটা কি তাহাজ্জুদ হিসেবে গণ্য হবে নাকি সেটা কিয়ামুল লাইল হবে? প্রশ্নটা এখন পর্যন্ত অনেকেই করেছেন মনে হলো প্রশ্নটা অনেকের মনেই আছে তাই কিছু কথা: আরবিতে স্পেসিফিকালি রাত্রিকালীন ঘুমকে "হাজাদা" বলা হয় আর এই "হাজাদা" থেকেই তাহাজ্জুদ আর যদি আরবি গ্রামার ইন ডেপ্থ স্টাডি করেন তাহলে দেখতে পাবেন যে এই তাহাজ্জুদ এসেছে তাফাউউল ফর্মে যার বৈশিষ্টই হলো এটা বুঝানো যে "এমন কিছু করা" যা করতে এফোর্ট দিতে হয় অর্থাৎ তাহাজ্জুদের অর্থ হলো এফোর্ট দিয়ে ঘুম থেকে উঠে ইবাদাহ করা সো বাই ডেফিনিশন আপনি যদি জেগেই থাকেন তাহলে তা তাহাজ্জুদ হবে কি করে? তবে বলে রাখা উচিত যে রাতের নামাজসমূহকে কিয়ামুল লাইল বলা হয় কিয়াম অর্থ দাঁড়িয়ে থাকা আর লাইল অর্থ রাত্রি অর্থাৎ রাত্রিকালীন নামাজে দাঁড়িয়ে থাকাটাই হচ্ছে কিয়ামুল লাইল তাহাজ্জুদ হচ্ছে এক ধরণের কিয়ামুল লাইল, বাট এ স্পেশাল কিয়ামুল লাইল! যদিও আরবিতে রাত্রিটা শুরু হয় মাগরিবের পর থেকেই তবে উলামারা সর্বসম্মতভাবে ভাবে ইশার পর থেকে ফজর পর্যন্ত নফলগুলোকেই কিয়ামুল লাইল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তবে পাশাপাশি ছোট্ট একটা হিসেবে দেই ধরেন আমাদের মাগরিব শুরু হয় সাড়ে ৬ টায় আর ফজর শুরু হয় সাড়ে ৪ টায় এর অর্থ রাত্রিটা হচ্ছে ১০ ঘন্টার অর্থাৎ একে যদি তিন ভাগ করি তাহলে প্রতি ভাগে ৩ ঘন্টা ২০ মিনিট করে হয় প্রথম ভাগ: ৬:৩০ থেকে ০৯:৫০ পর্যন্ত দ্বিতীয় ভাগ: ০৯:৫০ থেকে ১:১০ পর্যন্ত আর তৃতীয় ভাগ: ১:১০ থেকে ৪:৩০ পর্যন্ত আল্লাহর রাসূলুল্লাহ আমাদের জানান: আল্লাহ প্রতি রাত্রির শেষ ভাগে আমাদেরকে ডাকতে থাকেন তিনি বলতে থাকেন যে কে আছে যে আমায় ডাকবে, আমি তো তার ডাকে সাড়া দেব? কে আছে যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তো তাকে ক্ষমা করে দেব?’” কে আছে যে আমার কাছে চাইবে, আমি তো তাকে যা চাইবে তা ই দিব? [সহি বুখারি ১১৪৫] সো তাহাজ্জুদ না কিয়ামুল লাইল সেটা আপাতত সাইডে রাখেন আপনি যদি ২টা ৩টা পর্যন্ত জেগেই থাকেন তাহলে বলবো লিস্ট বানিয়ে দাঁড়িয়ে যান সারা জাহানের মালিক, সারা জাহানের বাদশাহ, সারা জাহানের সব থেকে ক্ষমতাবান সত্তা আপনাকে ওপেন ইনভিটেশন দিচ্ছে যা খুশি চাওয়ার এই অপরচুনিটি আপনি বাদ দেবেন কেন? লম্বা সূরা বা দুয়া না জানলে সমস্যা নাই আবার আরবিটাও পারফেক্টলি জানা না থাকলে সমস্যা নাই জাস্ট লিস্ট নিয়ে সেজদায় গিয়ে নিজের ভাষায় ফিসফিস করে বলা শুরু করেন ইয়া রব! শুনেছি আপনি "কেউ কি আছে?" বলে এখন ডাকছেন জি আমি আছি, ইয়া রব! এই মুহূর্তে আপনাকে যে আমার বড্ড দরকার লম্বা লিস্ট নিয়ে এসেছি! এখন কি চাওয়া শুরু করতে পারি?
739
17
চারটি বিষয় মাথায় রেখে দুরুদ পড়ুন, আপনার দুরুদের প্রতি আকর্ষণ বাড়তেই থাকবে ইনশাআল্লাহ। ১) আপনি যখনি রাসূল ﷺ এর উপর দুরুদ পড়েন,
চারটি বিষয় মাথায় রেখে দুরুদ পড়ুন, আপনার দুরুদের প্রতি আকর্ষণ বাড়তেই থাকবে ইনশাআল্লাহ। ১) আপনি যখনি রাসূল ﷺ এর উপর দুরুদ পড়েন, সাথে সাথে একজন ফেরেশতা রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে গিয়ে আপনার নাম বলে। হ্যাঁ, স্বয়ং রাসূল ﷺ কে আপনার "নাম" বলে। ২) রাসূল ﷺ এর প্রতি ১বার সালাম পাঠালে, স্বয়ং আল্লাহ, জ্বি স্বয়ং আল্লাহ, আপনার উপর ১০ বার সালাম পাঠান। ৩) অবিরত দুরুদ পড়লে আপনার সমস্ত সমস্যার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ নিয়ে নেন। এমনকি যদি আপনি ঐসব সমস্যার জন্য আলাদা করে দুআ নাও করেন। ৪) আপনি তাঁর প্রতি সালাম পাঠাচ্ছেন, যিনি শুধুমাত্র আপনাকে আমাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচানোর জন্য বারবার রক্তাত্ত হয়েছিলেন। যার সামনে তাঁর প্রিয় সাহাবীদের হত্যা করা হয়েছিল। সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ~ সংগৃহীত
657
18
দু'আ কবুলে দেরি হচ্ছে বলে অভিযোগ করো না, অথচ দু'আ কবুলের পথকে তুমিই গুনাহের মাধ্যমে বন্ধ করে রেখেছ। ~ ইয়াহইয়া বিন মুআয [রাহ.] [ ইমাম যাহাবী (রাহ.), সিয়ারু আ'লামিন নুবালা: ১৩/১৫]
680
19
Allah is always with you ☝️
Allah is always with you ☝️
2 443
20
এক তওবাকারীকে জিজ্ঞেস করা হলো– তুমি রাতে ঘুমাও না কেন? . সে বলল– আমি আমার গুনাহ স্মরণ করি। কল্পনায় নিজেকে আল্লাহর সামনে দাঁড়া
এক তওবাকারীকে জিজ্ঞেস করা হলো– তুমি রাতে ঘুমাও না কেন? . সে বলল– আমি আমার গুনাহ স্মরণ করি। কল্পনায় নিজেকে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানো দেখি— তখন আমার হৃদয় কেঁপে ওঠে, চোখ থেকে অশ্রু ঝরে, আর সেই অশ্রুতেই আমি ঘুমিয়ে পড়ি। . এক রাতে, মানুষ তাকে তার সিজদার জায়গায় পড়ে থাকতে দেখল— রুহ আল্লাহর কাছে ফিরে গিয়েছিল। আর তার চোখের অশ্রু তখনও শুকায়নি… . [আত-তওবিন, ইবন কুদামাহ; পৃ. ৪৬৭] আল্লাহু আকবার কাবীরা! @qalbunsaleem19
917