পাঠশালা
前往频道在 Telegram
কুরআন ও সুন্নাহের আলোকে জীবন যাপনের প্রয়োজনীয় পাঠ শিখতে জয়েন করুন পাঠশালায়! পড়ুন, শিখুন, শেয়ার করুন।
显示更多339
订阅者
无数据24 小时
无数据7 天
无数据30 天
吸引订阅者
九月 '239月 '23
九月 '23
+6
在0个频道中
八月 '23
+22
在0个频道中
Get PRO
七月 '23
+9
在0个频道中
Get PRO
六月 '23
+22
在0个频道中
Get PRO
五月 '23
+15
在0个频道中
Get PRO
四月 '23
+15
在0个频道中
Get PRO
三月 '23
+5
在0个频道中
Get PRO
二月 '23
+10
在0个频道中
Get PRO
一月 '23
+8
在0个频道中
Get PRO
十二月 '22
+5
在0个频道中
Get PRO
十一月 '22
+35
在0个频道中
Get PRO
十月 '22
+257
在0个频道中
| 日期 | 订阅者增长 | 提及 | 频道 | |
| 23 九月 | 0 | |||
| 22 九月 | +1 | |||
| 21 九月 | +1 | |||
| 20 九月 | 0 | |||
| 19 九月 | +1 | |||
| 18 九月 | 0 | |||
| 17 九月 | 0 | |||
| 16 九月 | 0 | |||
| 15 九月 | 0 | |||
| 14 九月 | +1 | |||
| 13 九月 | 0 | |||
| 12 九月 | 0 | |||
| 11 九月 | 0 | |||
| 10 九月 | 0 | |||
| 09 九月 | 0 | |||
| 08 九月 | 0 | |||
| 07 九月 | 0 | |||
| 06 九月 | 0 | |||
| 05 九月 | 0 | |||
| 04 九月 | 0 | |||
| 03 九月 | +2 | |||
| 02 九月 | 0 | |||
| 01 九月 | 0 |
频道帖子
পাঠশালা #১৪
দাইয়ুস ব্যক্তির ইবাদত-বন্দেগি কি কবুল হবে?
==============================
যে ব্যক্তি তার স্ত্রী, বোন ও পরিবারের নারীদের অবাধ চলাফেরা, অশালীন জীবনযাপন ও পাপপূর্ণ জীবনাচার মেনে নেয় এবং তাদের এসব গর্হিত কাজ করা থেকে বাধা দেয় না, তাকে ইসলামের পরিভাষায় দাইয়ুস বলা হয়। দাইয়ুস ব্যক্তি হতে পারে স্বামী, পিতা কিংবা ভাই। অনেকে হয়তো জানে না যে তারা দাইয়ুস। তারা পরিবারের সদস্যদের পাপপূর্ণ চলাফেরায় বাধা দেয় না, শালীনতা ও ভদ্রতার পথে আসার জন্য চেষ্টা করে না।
অথচ কী জঘন্য অন্যায় তারা করছে, যদি বুঝতে পারত তাহলে বেহায়াপনা, পাপপূর্ণ জীবন মেনে নিত না।
ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন : ‘তিন ধরনের ব্যক্তির জন্য (সফলকাম মুমিনদের সঙ্গে) জান্নাতে প্রবেশ করা আল্লাহ হারাম করেছেন। ১. মাদকাসক্ত ব্যক্তি, (যে নিয়মিত মদপানে আসক্ত) ২. মা-বাবার অবাধ্য সন্তান। ৩. দাইয়ুস ব্যক্তি, যে তার পরিবারের (অর্থাৎ, স্ত্রী, দাসী এবং নিকটাত্মীয়দের) পাপ কাজ (তথা, ব্যভিচার ও ব্যভিচারের দিকে আহ্বান করে—এমন কাজকর্ম) মেনে নেয়।
[ইমাম তিবি (রহ.) বলেন, অর্থাৎ সে তার পরিবারকে অন্যায় গর্হিত কাজ করতে দেখে, কিন্তু তা সত্ত্বেও তার আত্মমর্যাদবোধে বাধে না। তাদের এসব করা থেকে বাধা দেয় না। উল্টো সব কিছু মেনে নেয়]। (মিরকাতুল মাফাতিহ, খণ্ড : ০৬ হাদিস নং : ৩৬৫৫, মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৬১১৩, নাসায়ি, হাদিস : ২৫৬২)।
আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-এর মুসনাদে আহমদের বর্ণনা এমন : ‘তিন ধরনের ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
১. মা-বাবার অবাধ্য ব্যক্তি। ২. দাইয়ুস ব্যক্তি। ৩. ওই সব নারী—যারা চলায় বলায় পুরুষদের বেশভূষা গ্রহণ করে।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৬১৮০)
দাইয়ুস ব্যক্তির ইবাদত-বন্দেগি কি কবুল হবে?
এ ব্যাপারে ফতোয়া নিম্নরূপ : ‘যদি কোনো ব্যক্তির স্ত্রী পর্দা না করে তাহলে সে ব্যক্তির ওপর কর্তব্য হচ্ছে স্ত্রীকে পর্দা করার ওপর বাধ্য করা। কিন্তু তা না করে যদি সে স্ত্রীর বেপরোয়া, পাপপূর্ণ জীবনযাপন মেনে নেয় এবং সে ইবাদত-বন্দেগিও করে তাহলে এ অবস্থায় স্বামী গোনাহগার ও জাহান্নামি হবে।
আর নামাজ ও ইবাদত গোনাহগারেরও কবুল হয়। (আপ কে মাসায়েল অওর উন কা হল : ৮/৬৮, ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া : ২৮/৯১)।
সুতরাং ইবাদত-বন্দেগি পরিপূর্ণরূপে কবুল হওয়ার জন্য অবশ্যই দাইয়ুসের মন্দ গুণাবলি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তা না হলে আল্লাহর কঠিন আজাব থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে না।
| 2 | 20230808_060323.jpg | 63 |
| 3 | 没有文字... | 60 |
| 4 | 20230629_160232.jpg | 91 |
| 5 | 没有文字... | 77 |
| 6 | আরাফাতের দিন আল্লাহ তা'য়ালা এতো বেশি মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন, যা অন্য কোন দিন দেন না। মহান আল্লাহ এই দিনে বান্দার খুব নিকটবর্তী হন এবং ফেরেশতাদের কাছে গর্ব করে বলেন, আমার এই বান্দারা আমার জন্যে এতো কষ্ট করেছে এর বিনিময়ে আমার কাছে কি চায়?
(সুনানে ইবনে মাজাহ:৩০১৪; মুসলিম:১৩৪৮)
আল্লাহ তা'য়ালা ফেরেশতাদের উদ্দেশ্য করে আরো বলেন,
‘আমার ঐ বান্দাগণ আলুথালু কেশে ধূলামলিন বেশে দূর-দূরান্তর পথ অতিক্রম করে আমার কাছে এসে আমার রহমতের আশা করে এবং আমার আযাবকে ভয় করে, অথচ তারা আমাকে দেখেনি। তাহলে তারা আমাকে দেখলে কি করত?
(হাদিস সম্ভার:১১৩৯; ত্বাবারানী ১৩৩৯০)
আরাফার দিনের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো সিয়াম রাখা।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
❝যে ব্যক্তি আরাফার দিনের ছিয়াম পালন করবে, আল্লাহ তাআলা তাঁর এক বছর আগের এবং এক বছর পরের ছগীরা গুনাহ মাফ করে দিবেন❞।
(সহীহ মুসলিম:১১৬২; মিশকাত:২০৪৪)
আরাফার দিনের একটি বিশেষ দুয়া আছে।
আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন,
সর্বশ্রেষ্ঠ দো‘আ হচ্ছে আরাফাত দিবসের দো‘আ। আর আমি এবং আমার পূর্ববর্তী নবীগণ যা বলেছি, তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ হচ্ছে:
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মূলক, ওয়া লাহুল হামদ, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বদীর।
একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর; আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
(তিরমিযী:৩৫৮৫)
আসুন আমরা সিয়াম রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করি, বেশি বেশি দুয়া করি, তাসবীহ তাহলীল পাঠ করি। এসকল নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য প্রাপ্তির এবং জান্নাতুল ফেরদৌসের প্রত্যাশা করি। আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের তাওফিক দিন। | 105 |
| 7 | 没有文字... | 72 |
| 8 | ৪টা কাজ রিযিক বাড়িয়ে দেয়:
(১) রাত জেগে তাহাজ্জুদ পড়া
(২) সূর্য উঠার আগেই আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ক্ষমা চাওয়া ! (ফজরের নামাজের পর)
(৩) প্রতিদিন দান-সদকা করা
(৪) দিনের শুরুতে ও শেষে আল্লাহর যিকর (স্মরণ) করা ! (ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর)
— ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.)
[যাদুল মাআদ, ৪/৩৭৮] | 51 |
| 9 | 20230531_095612.jpg | 56 |
| 10 | 没有文字... | 55 |
| 11 | 20230528_215940.jpg | 78 |
| 12 | 没有文字... | 77 |
| 13 | সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ
আমি আমার উম্মাতের কতক দল সম্পর্কে অবশ্যই জানি যারা কিয়ামতের দিন তিহামার শুভ্র পর্বতমালার সমতুল্য নেক আমলসহ উপস্থিত হবে। মহামহিম আল্লাহ সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করবেন। সাওবান (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! তাদের পরিচয় পরিষ্কারভাবে আমাদের নিকট বর্ণনা করুন, যাতে অজ্ঞাতসারে আমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত না হই। তিনি বলেনঃ তারা তোমাদেরই ভ্রাতৃগোষ্ঠী এবং তোমাদের সম্প্রদায়ভুক্ত। তারা রাতের বেলা তোমাদের মতই ইবাদত করবে। কিন্তু তারা এমন লোক যে, একান্ত গোপনে আল্লাহর হারামকৃত বিষয়ে লিপ্ত হবে।
সুনানে ইবনে মাজাহ ৪২৪৫ | 80 |
| 14 | 没有文字... | 86 |
| 15 | 没有文字... | 99 |
| 16 | কার দরজায় কড়া নাড়ছেন?
.
বান্দা যে সময়েই আল্লাহ তাআলাকে ডাকুক না কেন, তিনি শোনেন, নিকটে থাকেন, জবাব দেন। দুজনের মাঝে কোনো পর্দা থাকে না, দরজায় কোনো দারোগা থাকে না। কোনো মাখলুকের কাছে চাওয়া হলে বেশির ভাগ সময় সাথে সাথেই প্রাচীর উঁচু হয়ে ওঠে, দরজা বন্ধ হতে শুরু করে, আর সব রকমের বাধা দেখা দিতে শুরু করে।
.
আতা রহিমাহুল্লাহ-কে তাউস রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এমন কারও কাছে কিছু চাওয়া থেকে সাবধান থাকো, যে তোমার মুখের উপর দরজা আটকে দেবে আর বাধা খাড়া করে দেবে। বরং এমন কারও কাছে যাও, যার দরজা কিয়ামাত পর্যন্ত খোলা, যিনি তোমাকে আদেশ করেছেন তাঁর কাছে চাইতে এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জবাব দেওয়ার।”
. | 79 |
| 17 | সুস্থতা স্থায়ী হলে অবহেলিত হয়, অসুস্থতা হলে এর মূল্য বুঝা যায়। তাই সবসময় আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ হোন। | 79 |
| 18 | উক্ত নামায কাযা করার দুটি সময় হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। ফজরের পর কোন নফল পড়া নিষিদ্ধ হলেও ফজরের আগে ছুটে যাওয়া সুন্নতকে ফরযের পর পড়া যায়। আর এটি হল ব্যতিক্রম নামায। একদা এক ব্যক্তি মসজিদে এসে দেখল আল্লাহর নবী (ﷺ) ফজরের ফরয পড়ছেন। সে সুন্নত না পড়ে জামাআতে শামিল হয়ে গেল। অতঃপর জামাআত শেষে উঠে ফজরের ছুটে যাওয়া দুই রাকআত সুন্নত আদায় করল। মহানবী (ﷺ) তার কাছে এসে বললেন, “এটি আবার কোন্ নামায? (ফজরের নামায কি দুইবার?)” লোকটি বলল, ‘ফজরের দুই রাকআত সুন্নত ছুটে গিয়েছিল।’ এ কথা শুনে তিনি আর কিছুই বললেন না (চুপ থাকলেন)। (আহমাদ, মুসনাদ, আবূদাঊদ, সুনান ১২৬৭, তিরমিযী, সুনান, ইবনে মাজাহ্, সুনান ১১৫৪, ইবনে খুযাইমাহ্, সহীহ, ইবনে হিব্বান, সহীহ)
আর এক হাদীসে মহানবী (ﷺ) বলেন, “যে ব্যক্তি ফজরের ২ রাকআত (সুন্নত) না পড়ে থাকে, সে যেন তা সূর্য ওঠার পর পড়ে নেয়।” (আহমাদ, মুসনাদ, তিরমিযী, সুনান,হাকেম, মুস্তাদরাক, ইবনে খুযাইমাহ্, সহীহ, সিলসিলাহ সহীহাহ, আলবানী ২৮৩, জামে ৬৫৪২নং)
এই নামায বিষয়ক আরো কিছু মাসায়েল :
মসজিদে এসে সুন্নাতে মুআক্কাদাহ পড়লে পৃথক আর তাহিয়্যাতুল মসজিদ নামায পড়ার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু কেউ যদি তা পড়ে সুন্নাতে মুআক্কাদাহ পড়ে তাহলেও কোন ক্ষতি হয় না। তবুও ফজরের সময় উত্তম হল তাহিয়্যাতুল মাসজিদ না পড়ে কেবল ফজরের সুন্নত পড়া। কারণ, মহানবী (ﷺ) ফজরের সুন্নতই বড় সংক্ষেপে পড়তেন। (ফাতাওয়া তাতাআল্লাকু বিজামাআতিল মাসজিদ ১৭-১৮পৃ:) তাছাড়া তিনি বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে উপস্থিত ব্যক্তি অনুপস্থিত ব্যক্তিকে যেন পৌঁছে দেয় যে, ফজরের (আযানের) পর দু’ রাকআত (সুন্নত) ছাড়া আর কোন (নফল) নামায পড়ো না।” (আহমাদ, মুসনাদ, আবূদাঊদ, সুনান ১২৭৮ নং) “ফজরের পর দুই রাকআত ছাড়া আর কোন নামায নেই।” (তিরমিযী, সুনান, ইরওয়াউল গালীল, আলবানী ৪৭৮, জামে ৭৫১১নং) | 66 |
| 19 | ফজরের পূর্বে দুই রাকআত সুন্নাত নামাজ এর ফযীলত
===========================
হযরত আয়েশা رضي الله عنها হতে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেন, “ফজরের দুই রাকআত (সুন্নত) পৃথিবী ও তন্মধ্যস্থিত সকল বস্তু অপেক্ষা উত্তম।” (মুসলিম ৭২৫নং, তিরমিযী)
মা আয়েশা رضي الله عنها বলেন, ‘নবী (ﷺ) ফজরের সুন্নতের মত অন্য কোন নফল নামাযে তত নিষ্ঠা প্রদর্শন করতেন না।’ (আহমাদ, মুসনাদ, বুখারী, মুসলিম, সহীহ)
হযরত আবু উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেন, “(ফজরের সময়) যে ব্যক্তি (স্বগৃহে) ওযু করে। অতঃপর মসজিদে এসে ফজরের (ফরয) নামাযের পূর্বে দুই রাকআত নামায পড়ে। অতঃপর বসে (অপেক্ষা ক’রে) ফজরের নামায (জামাআতে) পড়ে, সেই ব্যক্তির সেদিনকার নামায নেক লোকদের নামাযরুপে লিপিবদ্ধ করা হয়। আর তার নাম পরম করুণাময় (আল্লাহর) প্রতিনিধিদলের তালিকাভুক্ত হয়।” (ত্বাবারানীরানী, মু’জাম, সহিহ তারগিব ৪১৩নং)
এ নামাযকে হাল্কা করে পড়া :
হযরতহাফসা (রাঃ) বলেন, নবী (ﷺ) ফজরের নামাযের পূর্বে আমার ঘরে দুই রাকআত সুন্নত পড়তেন এবং তা খুবই হাল্কা করে পড়তেন।’ (আহমাদ, মুসনাদ, বুখারী, মুসলিম, সহীহ)
হযরত আয়েশা رضي الله عنها বলেন, ‘ নবী (ﷺ) ফজরের নামাযের পূর্বে দুই রাকআত নামায পড়তেন এবং তা এত সংক্ষেপে পড়তেন যে, আমি সন্দেহ্ করতাম, তিনি তাতে সূরা ফাতিহা পড়লেন কি না।’ (আহমাদ, মুসনাদ)
এ নামাযের ক্বিরাআত :
এই নামাযের প্রথম রাকআতে নবী মুবাশ্শির (ﷺ) সূরা কাফিরুন এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা ইখলাস (ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ) পড়তেন। (মুসলিম, সহীহ ৭২৬, আবূদাঊদ, সুনান ১২৫৬, তিরমিযী, সুনান ৪১৭, ইবনে মাজাহ্, সুনান ১১৪৯নং)
তিনি বলতেন, “উত্তম সূরা সে দুটি, যে দুটি ফজরের পূর্বে দুই রাকআতে পড়া হয়; ‘ক্বুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরুন’ এবং ‘ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ।” (ইবনে মাজাহ্, সুনান ১১৫০, ইবনে হিব্বান, সহীহ, বায়হাকী শুআবুল ঈমান, সিলসিলাহ সহীহাহ, আলবানী ৬৪৬নং)
কখনো কখনো তিনি এই নামাযের প্রথম রাকআতে সূরা বাক্বারার ১৩৬ নং আয়াত এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা আলে ইমরানের ৬৪নং আয়াত পাঠ করতেন। (মুসলিম, সহীহ ৭২৭নং, ইবনে খুযাইমাহ্, সহীহ,হাকেম, মুস্তাদরাক, বায়হাকী)
আবার কোন কোন সময়ে প্রথম রাকআতে সূরা বাক্বারার ১৩৬নং আয়াত এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা আলে ইমরানের ৫২ নং আয়াত পড়তেন। (আবূদাঊদ, সুনান ১২৫৯নং)
এ ছাড়া ফজরের সুন্নত হাল্কা করে পড়া সুন্নত। অতএব তাতে যদি কেবল সূরা ফাতিহা পড়া যায়, তাহলেও বৈধ। (ফিকহুস সুন্নাহ্)
প্রকাশ থাকে যে, ফজরের সুন্নত পড়ার পর নির্দিষ্ট কোন দুআ পড়ার হাদীস সহীহ নয়। (তামামুল মিন্নাহ্, আলবানী ২৩৮-২৩৯পৃ:)
এই নামাযের পর ডান কাতে শয়ন :
হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, ‘নবী (ﷺ) যখন ফজরের সুন্নত পড়ে নিতেন, তখন ডান কাতে শয়ন করতেন।’ (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ১১৯০নং)
তিনি আরো বলেন, ‘নবী (ﷺ) ফজরের সুন্নত পড়তেন। তারপর যদি আমি ঘুমিয়ে থাকতাম তাহলে তিনি শয়ন করতেন। নচেৎ, আমি জেগে থাকলে তিনি আমার সঙ্গে কথা বলতেন।’ (আহমাদ, মুসনাদ, বুখারী, মুসলিম, সুনানু আরবাআহ (আবূ দাঊদ, তিরমিযী, নাসাঈ ও ইবনে মাজাহ্), মিশকাত ১১৮৯নং)
মহানবী (ﷺ) বলেন, “তোমাদের কেউ যখন ফজরের দুই রাকআত সুন্নত পড়ে নেয়, তখন সে যেন ডান কাতে শয়ন করে।” (আবূদাঊদ, সুনান, তিরমিযী, সুনান, ইবনে হিব্বান, সহীহ, ইবনে খুযাইমাহ্, সহীহ, জামে ৬৪২নং)
সম্ভবত: উক্ত শয়ন যে ব্যক্তি তাহাজ্জুদ পড়বে তার জন্য সুন্নত। যাতে একটানা নামায পড়ার পর ফরয নামায পড়ার আগে একটু জিরিয়ে নিতে পারে। পরন্তু তার জন্য সুন্নত নয়, যে একবার মাটিতে পার্শ্ব রাখলে চট করে ঘুমিয়ে পড়ে এবং তার ফলে ফজরের জামাআতই ছুটে যায়। (আলমুমতে’, শারহে ফিক্হ, ইবনে উষাইমীন ৪/১০০)
তদনুরুপ উক্ত শয়ন যে ব্যক্তি বাসায় সুন্নত পড়বে তার জন্য সুন্নত ও মুস্তাহাব। পক্ষান্তরে যে মসজিদে সুন্নত পড়বে তার জন্য মুস্তাহাব নয়। কারণ, মহানবী (ﷺ)-এর শয়নের কথা তাঁর বাসায় থাকা অবস্থায় উল্লেখ হয়েছে। মসজিদে সুন্নত পড়ে যে তিনি শয়ন করতেন, তার উল্লেখ নেই। ইবনে উমার উক্ত মত পোষণ করতেন। তাই মসজিদে কেউ ফজরের সুন্নতের পর শয়ন করলে তাকে কাঁকর ছুঁড়ে উঠিয়ে দিতেন। (ফাতহুল বারী, ইবনে হাজার, ইবনে আবী শাইবা, ফিকহুস সুন্নাহ্ ১/১৬৬)
এই জন্যই ফজরের সুন্নতের পর মসজিদে শয়নকে অনেকে বিদআত বলে মন্তব্য করেছেন। (মু’জামুল বিদা’ ৩৩৭পৃ:)
এই নামাযের কাযা :
অন্যান্য সুন্নাতে মুআক্কাদাহ নামাযের তুলনায় উক্ত নামাযের এত বেশী গুরুত্ব যে, মহানবী (ﷺ) ঘরে-সফরে তা পড়তেন এবং তা ছুটে গেলে কাযা করতে উদ্বুদ্ধ করতেন।
একদা মহানবী (ﷺ) সাহাবাবর্গের সাথে এক সফরে ছিলেন। ফজরের নামাযের সময় সকলে গভীরভাবে ঘুমিয়ে থাকলে সময় উত্তীর্ণ হয়ে গেল। সূর্যের ছটা তাঁদের মুখে লাগলে চেতন হলেন। অতঃপর একটু সরে গিয়ে মহানবী (ﷺ) বিলাল (রাঃ)-কে আযান দিতে বললেন। এরপর ফজরের দুই রাকআত সুন্নত পড়লেন। তারপর ইকামত দিয়ে ফজরের ফরয পড়লেন। (আহমাদ, মুসনাদ, বুখারী,মুসলিম, সহীহ ৬৮১নং) | 47 |
| 20 | 没有文字... | 39 |
