ch
Feedback
Al Asar

Al Asar

前往频道在 Telegram

নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিপতিত। তবে তারা ব্যতীত, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, পরস্পরকে হকের উপদেশ দেয় এবং পরস্পরকে ধৈর্যের উপদেশ দেয়’ (সূরা আসর)

显示更多
1 393
订阅者
无数据24 小时
-67 天
-2430 天
帖子存档
Al Asar
1 393
. জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘‘সর্বশ্রেষ্ঠ যিকর হলো, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।’’ [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৩৮৩; হাদিসটি হাসান] . (৬) জীবিত ও মৃত সকল মুমিনের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা এবং ভালো দু‘আ করা: . ইবরাহিম (আ.)-এর দু‘আটি পড়তে পারেন— . ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻭَﻟِﻮَﺍﻟِﺪَﻱَّ ﻭَﻟِﻠْﻤُﺆْﻣِﻨِﻴﻦَ ﻳَﻮْﻡَ ﻳَﻘُﻮﻡُ ﺍﻟْﺤِﺴَﺎﺏُ . অর্থ: হে আমাদের রব! আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং সকল ঈমানদারকে আপনি সেদিন ক্ষমা করে দিয়েন, যেদিন হিসাব কায়েম করা হবে। [সুরা ইবরাহিম, আয়াত: ৪১] . হাদিসে এসেছে, কেউ অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্য দু‘আ করলে, ফেরেশতারা বলেন, ‘‘তোমার জন্যও অনুরূপ হোক!’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৬৮২০] . (৭) বিশেষ একটি দু‘আ বেশি বেশি পড়া: . আয়িশা (রা.) বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আমি যদি বুঝতে পারি, কোন্ রাতটি লাইলাতুল কদর, তাহলে ওই রাতে কী বলব?’ নবিজি বলেন, তুমি বলো— . اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّيْ . [আল্লা-হুম্মা ইন্নাকা ‘আফুউ-উন, তু‘হিব্বুল ‘আফওয়া ফা‘অ্ফু ‘আন্নি] . অর্থ: হে আল্লাহ্! আপনি ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে পছন্দ করেন। অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দিন। [ইমাম ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ৩৮৫০; হাদিসটি সহিহ] . (৮) সাধ্যানুসারে কিছু দান-সাদাকাহ করা। . নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “প্রত্যেক ব্যক্তি (হাশরের মাঠে) তার সদাকার ছায়াতলে থাকবে, যতক্ষণ পর্যন্ত লোকদের মাঝে ফয়সালা শেষ না হবে।” [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ১৭৩৩৩; শায়খ আলবানি, সহিহুত তারগিব: ৮৭২; হাদিসটি সহিহ] . যদি সম্ভব হয়, তবে রাতেই সাদাকাহ করুন। এটাই উত্তম। এক টাকা দান করলে হাজার মাস (৮৩ বছর) ধরে এক টাকা দান করার নেকি পাবেন। এই রাতের প্রতিটি আমল এভাবেই বৃদ্ধি পাবে। কারণ আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, ‘‘কদরের রাতটি (মর্যাদার দিক থেকে) হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ।’’ [সুরা ক্বাদর, আয়াত: ০৩] . যদি রাতে দিতে না পারেন, তবে রাতেই কিছু টাকা সাদাকাহ করার জন্য আলাদা করে রেখে দিন। এগুলো দিনের বেলা গরিবদের দিয়ে দিন। . উল্লেখ্য, হায়েযা অবস্থায় নারীদের কুরআন স্পর্শ করা জায়েয নেই। এমনকি মুখস্থ পড়াও জায়েয নেই। এটি অধিকাংশ ফকিহের মত। . #মহান_রজনী (দ্বিতীয় পর্ব) . #Nusus ইতিকাফ এমন এক মহান ইবাদত, যেটিকে নবিজি শত ব্যস্ততা সত্ত্বেও গুরুত্ব দিয়ে পালন করতেন। এই পোস্টে আমরা ইতিকাফের মৌলিক কিছু বিষয় এবং ইতিকাফ সুন্দর করতে করণীয়গুলো আলোচনা করেছি। . ❑ ইতিকাফের পরিচয়: . আরবি ইতিকাফ শব্দের অর্থ হলো: নিঃসঙ্গতা, বিচ্ছিন্নতা, একাকী অবস্থান ইত্যাদি। পরিভাষায় ইতিকাফ হলো, দুনিয়াবি সকল কাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আল্লাহর সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধির জন্য নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মাসজিদে অবস্থান করা। . ❑ ইতিকাফের বিধান এবং শুরু ও শেষ: . আলিমগণের সর্বসম্মত (ইজমা) মতানুসারে, রামাদানের শেষ দশকে ইতিকাফ করা সুন্নাহ, এটি ওয়াজিব (আবশ্যক) নয়। [ইমাম নববি, আল-মাজমু’: ৬/৪০৪; ইমাম ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনি: ৪/৪৫৬] . হানাফি ইমামগণের মতে, এটি সুন্নাহ তবে, তাকিদপূর্ণ সুন্নাহ কিফায়া। অর্থাৎ, এক মহল্লার মধ্যে কমপক্ষে একজন ইতিকাফ করলে সবার পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যাবে। না হয় সবাইকে গুনাহগার হতে হবে। . রামাদানের ইতিকাফ ১০ দিনই করতে হয়। ২০ রামাদানের সূর্যাস্তের পূর্বেই মাসজিদে প্রবেশ করতে হয়। কারণ সূর্যাস্ত থেকে ২১ তম রামাদান শুরু হয়ে যায়। আপনারা জানেন, আরবি দিবস বা তারিখ শুরু হয় সূর্যাস্ত থেকে, এরপরপর শেষ হয় পরের দিন সূর্যাস্তের আগে। অর্থাৎ, আগে দিন পরে রাত। সহজে বললে, রামাদানের ২০ তারিখে ইফতারের বা মাগরিবের ওয়াক্ত (সূর্যাস্ত) শুরু হওয়ার আগেই ইতিকাফের উদ্দেশ্যে মাসজিদে প্রবেশ করতে হবে। সূর্যাস্ত থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে ইতিকাফ শুরু হয়ে যাবে। আর সেটি চলবে ঈদের চাঁদ ওঠা পর্যন্ত (১০ দিন)। রাতে যখন শাওয়াল মাসের (ঈদের) চাঁদ দেখা যাবে, তখনই চাইলে ইতিকাফ শেষ করে ফেলা যাবে। তবে, কেউ চাইলে ঈদের রাতটা মাসজিদেই কাটিয়ে আসতে পারে। এটি ভালো। আলিমগণ এমনটিই বলেছেন। . আর, যারা নফল ইতিকাফ করতে চান, তাদের জন্য বিষয়টি খুব সহজ। তারা এক দিন, এক রাত, বা কয়েক দিন কিংবা কয়েক রাত অথবা কয়েক মুহূর্তের জন্যও ইতিকাফ করতে পারেন। কেউ চাইলে শুধু রামাদানের বিজোড় রাতগুলোতেও নফল ইতিকাফ করতে পারবেন। নফল ইতিকাফ রামাদানের বাইরেও করা যায়। যারা রামাদানে ১০ দিনের সুন্নাত ইতিকাফ করতে পারবেন না, তারা অন্তত নফল ইতিকাফ করতে পারেন। এ ব্যাপারে নারী-পুরুষ সবার জন্য একই কথা। . ❑ ইতিকাফের সূচনা: . ইতিকাফের সূচনা হয়েছিলো বহু আগে থেকে। যেমন: ইবরাহিম (আ.)-কে আল্লাহ্ বলেন, ‘‘আমি ইবরাহিম ও ইসমাইলকে আদেশ করলাম: তোমরা আমার ঘরকে তাওয়াফকারী, ইতিকাফকারী ও রুকু-সিজদা আদায়কারীদের জন্য পরিচ্ছন্ন করো।’’ [সুরা বাকারাহ, আয়াত: ১২৫]

Al Asar
1 393
. আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেয়ে আর কাউকে এটি অধিক পরিমাণে পড়তে দেখিনি— . أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ وَأَتوبُ إِلَيْهِ [আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতু-বু ইলাইহি] . অর্থ: আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি এবং তাঁর নিকট তাওবাহ্ করছি। [ইমাম ইবনু হিব্বান, আস-সহিহ: ৯২৮, হাদিসটি সহিহ] . পাশাপাশি আরেকটি সহজ ও গুরুত্বপূর্ণ ইস্তিগফার বেশি বেশি পড়তে পারেন। . রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যুর আগে এই ইস্তিগফারটি খুব বেশি পড়তেন— . سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ . [সুব‘হা-নাল্লা-হি ওয়া বি‘হামদিহি, আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতু-বু ইলাইহি] . অর্থ: আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করছি। আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁর নিকট তাওবাহ করছি। [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৯৭৫] . সম্ভব হলে সায়্যিদুল ইস্তিগফার বেশি বেশি পড়া উচিত। হাদিসের ভাষায় এটি হলো শ্রেষ্ঠ ইস্তিগফার। [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৬৩০৬] . এর পাশাপাশি তাওবাহর শর্তগুলো পূরণ করে অবশ্যই নিজের সমস্ত গুনাহ থেকে তাওবাহ্ করা উচিত। তাওবাহর তিনটি শর্ত হলো: কৃত গুনাহ স্বীকার করে সেসব আগে ছেড়ে দেওয়া, নিজ অপরাধের জন্য অনুতপ্ত ও লজ্জিত হওয়া এবং ভবিষ্যতে এসব গুনাহ আর না করার ব্যাপারে দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করা। [ইমাম নববি, রিয়াদুস সলিহিন] . (৩) নবিজির উপর দরুদ পাঠ করা: . নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার প্রতি ১০ বার রহমত বর্ষণ করবেন, ১০ টি গুনাহ মোচন করবেন এবং তার জন্য ১০ টি (মর্যাদার) স্তর উন্নীত করবেন।’’ [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ১২৯৭; ইমাম ইবনু হিব্বান, আস-সহিহ: ৯০৪; হাদিসটি সহিহ] . নামাজের শেষ বৈঠকে যে দরুদটি আমরা পড়ি, সেটি সর্বোত্তম দরুদ। এটি পড়াই উত্তম। তবে, অন্যান্য দরুদও পড়া যাবে। . সহজ দরুদ হিসেবে এটি পড়া যায়। . اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ، وَعَلٰى آلِ مُحَمَّدٍ . [আল্লা-হুম্মা সল্লি ‘আলা মু‘হাম্মাদ, ওয়া ‘আলা আ-লি মু‘হাম্মাদ] . অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ এবং মুহাম্মাদের পরিবারের উপর রহমত বর্ষণ করুন। . রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমরা আমার প্রতি দরুদ পড়ো এবং সাধ্যানুযায়ী দু‘আ করো ও বলো (উপরের দরুদটি)।’’ [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ১২৯১; হাদিসটি সহিহ] . আবু বকর (রা.)-এর কন্যা আসমা (রা.) যে বাক্য দিয়ে রাসুলের উপর একই সাথে দরুদ ও সালাম পাঠ করতেন, সেটিও পড়া যেতে পারে। . صَلَّى اللّٰهُ عَلٰى رَسُوْلِهِ وَسَلَّمْ . (সল্লাল্লা-হু ‘আলা রাসু-লিহি ওয়া সাল্লাম) . অর্থ: আল্লাহ তাঁর রাসুলের উপর সালাত (দরুদ) ও সালাম বর্ষণ করুন। [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৮৯৪] . (৪) সুবহানাল্লাহ্, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ এবং আল্লাহু আকবার—প্রতিটি ১০০ বার করে মোট ৪০০ বার পড়া। . রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মে হানি (রা.)-কে বলেন— ◉ তুমি ১০০ বার তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ) বলবে, এটি তোমার পক্ষে ইসমাইল (আ.)-এর বংশের ১০০ ক্রীতদাস মুক্ত করার সমতুল্য হবে; ◉ তুমি ১০০ বার আল্লাহর হামদ বা প্রশংসা (আলহামদুলিল্লাহ) বলবে, এটি তোমার পক্ষে আল্লাহর রাস্তায় যু[দ্ধে]র জন্য ১০০ টি সাজানো ঘোড়ায় মু[জা]হিদ প্রেরণের সমতুল্য হবে; ◉ তুমি ১০০ বার তাকবির (আল্লাহু আকবার) বলবে, এটি তোমার পক্ষ থেকে ১০০টি মাকবুল (কবুলকৃত) উট কুরবানির সমতুল্য হবে; ◉ তুমি ১০০ বার তাহলিল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) বলবে, এত সওয়াব পাবে, যার ফলে আসমান ও যমিন পূর্ণ হয়ে যাবে। [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ২৬৯১১; শায়খ আলবানি, সহিহুত তারগিব: ১৫৫৩; হাদিসটি হাসান] . (৫) সহজ ৩টি যিকর ও তাসবিহ পাঠ করা: . রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ওহে আব্দুল্লাহ ইবন কায়েস! আমি কি জান্নাতের এক রত্নভাণ্ডার সম্পর্কে তোমাকে অবহিত করবো না?” আমি বললাম, নিশ্চয়ই হে আল্লাহর রাসুল! তিনি বলেন, “তুমি বলো— . لَا ﺣَﻮْﻝَ ﻭَﻻَ ﻗُﻮَّﺓَ ﺇِﻻَّ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ . (লা ‘হাউলা ওয়ালা ক্বুও-ওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ) . অর্থ: আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো উপায় নেই এবং কোনো শক্তি নেই।’’ [ইমাম বুখারি আস-সহিহ: ৬৩৮৪] . রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, দুটি বাক্য এমন রয়েছে, যা উচ্চারণে সহজ, আমলের পাল্লায় অনেক ভারী এবং আল্লাহর কাছে অতি প্রিয়। তা হলো— . سُبْحَانَ اللّٰهِ وبِحَمْدِهِ سُبْحَانَ اللّٰهِ الْعَظِيمِ . (সুব‘হা-নাল্লা-হি ওয়া বি‘হামদিহি সুব‘হা-নাল্লা-হিল ‘আযি-ম) . অর্থ: আল্লাহ পবিত্র, প্রশংসা কেবল তাঁরই; মহান আল্লাহ ত্রুটিমুক্ত। [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৬৬৮২]

Al Asar
1 393
Nusus: শবে কদর ও রামাদানের শেষ ১০টি রাত কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? এই রাতগুলোকে আমাদের কীভাবে মূল্যায়ন করা উচিত? ▬▬▬▬▬▬▬❂▬▬▬▬▬▬▬ রামাদানের শেষ দশ রাতের কোনো একটি রাতে লাইলাতুল কদর বা শবে কদর হয়। . ❑ নবিজি যা করতেন: . আয়িশা (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (রমাদানের) শেষ দশকে (ইবাদতের জন্য) যে চেষ্টা-সাধনা করতেন, অন্য কোনো সময়ে সে পরিমাণ সচেষ্ট হতেন না।’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৭৮] . ❑ পরিবারকেও ইবাদতে শামিল রাখা: . আয়িশা (রা.) আরো বলেন, ‘যখন রামাদানের শেষ দশক আসতো, তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরিধেয় বস্ত্রকে শক্ত করে বাঁধতেন, রাত জাগতেন (ইবাদত করতেন) এবং পরিবার-পরিজনকে জাগিয়ে দিতেন।’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ২০২৪] . তাই, শুধু নিজে ইবাদতে মশগুল না হয়ে পরিবারের সদস্যদেরও শামিল রাখা উচিত। তাদেরকে জাগিয়ে দিলে, তারাও তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বেন এবং অন্যান্য ইবাদত করবেন। . ❑ ইতিকাফ: কদরের রাতপ্রাপ্তির মহাসুযোগ! . রামাদানের শেষ দশকে ইতিকাফের অন্যতম একটি কারণ হলো, লাইলাতুল কদর তালাশ করা। কারণ, যে ব্যক্তি রামাদানের শেষ দশটি দিন ও দশটি রাত উত্তমভাবে মসজিদের নির্জন পরিবেশে আল্লাহর ইবাদতে কাটাবে, সে ইনশাআল্লাহ্ সহজেই মহিমান্বিত রাত লাইলাতুল কদরের সৌভাগ্য হাসিল করে ধন্য হতে পারবে। . এই প্রসঙ্গে হাদিসে এসেছে— . রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আমি (রমাদানের) প্রথম ১০ দিন ইতিকাফ করে এ মহান রাতটি খুঁজলাম, এরপর দ্বিতীয় ১০ দিন ইতিকাফ করলাম। অতঃপর আমার কাছে (ফেরেশতা) আসলেন। আমাকে বলা হলো, এ রাতটি শেষ দশকে রয়েছে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তিই ইতিকাফ করতে চায়, সে যেন ইতিকাফ করে।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৬১] . আয়িশা (রা.) বলেন, ‘মহান আল্লাহ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মৃত্যু দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি রামাদানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন। তাঁর (ইন্তিকালের) পর তাঁর স্ত্রীগণ ইতিকাফ করতেন।’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৭৪] . যাদের পক্ষে সম্ভব, তাদের অবশ্যই ইতিকাফ করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা উচিত। কারণ ইতিকাফ করলে লাইলাতুল কদর নসিব হওয়ার প্রায় শতভাগ সম্ভাবনা থাকে। আর, জীবনে যদি কদরের একটি রাতও সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায়, তবে এটি নিজের আমলনামার জন্য মহাসৌভাগ্যের সোপান হবে, ইনশাআল্লাহ। . ❑ ভাগ্যরজনী: লাইলাতুল কদর . প্রতি কদরের রাতে আগামী এক বছরের যাবতীয় সিদ্ধান্ত হয়। তাই, এটিকে ‘ভাগ্যরজনী’ বলা হয়। যদিও সমাজে ভুল প্রচলন রয়েছে যে, শবে বরাত ভাগ্যরজনী। এটি সঠিক নয়। . আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘লাইলাতুল কদর (কদরের রাত) হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাতে ফেরেশতাগণ এবং রুহ (জিবরাইল) তাঁদের রবের অনুমতিক্রমে সকল বিষয় (সিদ্ধান্ত) নিয়ে অবতরণ করেন। শান্তিময় সে রাত, ফজরের সূচনা পর্যন্ত।’’ [সুরা ক্বাদর, আয়াত: ৩-৫] . কুরআনের অন্যত্র আল্লাহ্ বলেছেন, ‘‘এতে (এই রাতে) প্রত্যেক বিষয় স্থিরকৃত (সিদ্ধান্ত) হয়।’’ [সুরা দুখান, আয়াত: ০৪] . ❑ কদরের সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত হওয়া: . আনাস (রা.) বলেন, রামাদান শুরু হলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘রামাদান মাস তোমাদের মাঝে উপস্থিত। এ মাসে রয়েছে এমন এক রাত, যা হাজার মাস থেকেও উত্তম। যে ব্যক্তি এ (রাত) থেকে বঞ্চিত হলো; সে সকল কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত হলো। শুধু বঞ্চিতরাই এর কল্যাণ হতে বঞ্চিত থাকে।’’ [ইমাম ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ১৬৪৪; হাদিসটি হাসান সহিহ] . মিনহাজুল কাসিদিন (১/৩৪৩) কিতাবে এসেছে, ‘মর্যাদাপূর্ণ দিন ও রাতগুলো থেকে উদাসীন থাকা উচিত নয়, কেননা ব্যবসায়ী যদি লাভের মৌসুমেই উদাসীন থাকে, তাহলে সে কখন লাভবান হবে?’ . #মহান_রজনী (প্রথম পর্ব) লাইলাতুল কদরে করণীয় আমল ও অন্যান্য বিষয়ে ধারাবাহিক লেখা আসবে, ইনশাআল্লাহ। . #Nusus পিরিয়ডে (হায়েজ অবস্থায়) থাকা নারীরা রামাদানের শেষ দশকে এবং লাইলাতুল কদর তালাশে যেসব আমল করতে পারেন: ▬▬▬▬▬▬▬▬❂▬▬▬▬▬▬▬▬ (১) দু‘আ করা: . পিরিয়ডকালে দু‘আ করতে কোনো অসুবিধা নেই। সুতরাং, উত্তম হবে—অজু করে লাইলাতুল কদরের মহান রজনীতে আন্তরিকভাবে দু‘আয় মনোনিবেশ করা। এই রাতে দু‘আ কবুল হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। দু‘আ কোনো সাধারণ বিষয় নয়। হাদিসে এসেছে, ‘‘দু‘আ হলো ইবাদত।’’ [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৪৭৯; হাদিসটি সহিহ] . আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেবো।’’ [সুরা মুমিন, আয়াত: ৬০] . দু‘আর আদব ও নিয়মগুলো অনুসরণ করে দু‘আ করলেই যথেষ্ট হবে, ইনশাআল্লাহ। . (২) তাওবাহ-ইস্তিগফার পাঠ করা: . এই রাতের গুরুত্বপূর্ণ নেক আমল হলো, আল্লাহর নিকট তাওবাহ্ ও ইস্তিগফার পড়া। ইস্তিগফারের যত বাক্য মুখস্থ আছে, সবই পড়তে পারেন। ইস্তিগফারের জন্য নিচের বাক্যটি খুব সহজ।

Al Asar
1 393
photo content

Al Asar
1 393
. ❑ ইতিকাফের উদ্দেশ্য: . ইতিকাফের উদ্দেশ্য হলো, সৃষ্টির সাথে যাবতীয় সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে একান্ত নিভৃতে আল্লাহর ধ্যানে নিমগ্ন থাকা, যাতে মানবমনের যাবতীয় চিন্তা জুড়ে কেবল আল্লাহর যিকর, তাঁর ভালোবাসা এবং আকর্ষণই প্রাবল্য লাভ করে। [ইমাম ইবনুল কায়্যিম, যাদুল মা‘আদ: ২/৮৭] . সেজন্য, উত্তম হলো: এমন মাসজিদে ইতিকাফ করা, যেখানে মানুষ চিনবে না। ফলে কেউ তার সাথে কথা বলতে আসবে না। সে নিরবে আল্লাহর সান্নিধ্যে থাকতে পারবে। তবে, এমনটি করা জরুরি নয়। . এছাড়া, ইতিকাফের প্রধান উদ্দেশ্য হলো, লাইলাতুল কদর তালাশ করা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আমি (রমাদানের) প্রথম ১০ দিন ইতিকাফ করে এ রাতটি খুঁজলাম, এরপর মাঝের ১০ দিন ইতিকাফ করলাম। অতঃপর আমার কাছে (ফেরেশতা) আসলেন। আমাকে বলা হলো, এ রাতটি শেষ দশকে রয়েছে। সুতরাং, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তিই ইতিকাফ করতে চায়, সে যেন ইতিকাফ করে।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৬১] . তাছাড়া, ইতিকাফের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো: নিজের কামনা-বাসনার উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা এবং প্রবৃত্তিদমন ও অহেতুক কাজ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার অভ্যাস গড়ে তোলা। ইতিকাফ এ বিষয়ে নজিরবিহীন সমাধানের পথ, ইনশাআল্লাহ। . ❑ ইতিকাফ সুন্দর করতে করণীয়: . (১) মোবাইল ও অনলাইন থেকে দূরে থাকা উচিত। বিশেষ করে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল। খুব বেশি প্রয়োজন না হলে ইতিকাফ অবস্থায় অনলাইনে আসা একদম অনুচিত। কারণ মাসজিদের পরিবেশ ইবাদতময় আর অনলাইনের পরিবেশ গুনাহময়। (২) আড্ডায় লিপ্ত হওয়া যাবে না। অধিকাংশ ইতিকাফকারী এই কাজটা করেন। কেউ আড্ডা দিতে আসলে তাকে সঙ্গ দেওয়া যাবে না। (৩) অধিক পরিমাণে পানাহার থেকে বিরত থাকা উচিত। তাহলে ইবাদতে উৎসাহ পাওয়া যাবে। (৪) প্রয়োজনের বেশি ঘুমানো উচিত নয়। ঘুমের জন্য সারা বছর পড়ে আছে। অন্তত এই মূল্যবান দিনগুলো আমলের মধ্যে কাটুক। (৫) প্রস্রাব-পায়খানা ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সেকেন্ডের জন্যও মাসজিদের বাইরে যাওয়া যাবে না; ইতিকাফ নষ্ট হয়ে যাবে। খুব সাবধান! (৬) ইতিকাফের মাসয়ালাগুলো আগেই ভালো করে জেনে নিতে হবে। না হয় কোনো ভুলের কারণে এই কষ্টের ইবাদত বিফলে যেতে পারে। (ইতিকাফের মাসয়ালা নিয়ে শীঘ্রই আলাদা পোস্ট দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ) (৭) ইতিকাফে নেক আমল করার ক্ষেত্রে বৈচিত্র আনা খুব ভালো। কারণ কোনো একটি আমলে দীর্ঘ সময় ব্যয় করলে কখনও কখনও বিরক্তি ও ক্লান্তি আসতে পারে। তাই, পালাক্রমে নফল নামাজ (অন্তত তাহাজ্জুদ, চাশত, যাওয়াল), কুরআন তিলাওয়াত, তাসবিহ-যিকর, দরুদ, ইস্তিগফার এবং দু‘আ এই সবগুলো আমলের স্বাদ নেওয়া উচিত। তাহলে প্রোডাক্টিভিটির সাথে ক্লান্তিহীন সময় কাটবে, ইনশাআল্লাহ। . #ইতিকাফ (প্রথম পর্ব) আরও কয়েকটি পর্ব আসবে, ইনশাআল্লাহ। নারীদের ইতিকাফ নিয়ে আজই স্বতন্ত্র লেখা আসবে। সবরের সাথে অপেক্ষা করুন। . #Nusus

Al Asar
1 393
photo content

Al Asar
1 393
শেষের গল্প: পিতামাতার সুন্দর মৃত্যু পর্ব: ৪ #Rain_Drops https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya

Al Asar
1 393
শেষের গল্প: লাল পিঁপড়ায় ঢাকা লাশ পর্ব: ৩ #Rain_Drops https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya

Al Asar
1 393
Repost from Vaiya
৩১৩ > ১০০০ ১৭ই রমাদান #Islamography
৩১৩ > ১০০০ ১৭ই রমাদান #Islamography

Al Asar
1 393
বদরের_জিহাদী_চেতনা_উম্মাহর_বিজয়ের_পথ_Shaikh_Tamim_Al_Ad_WH1xFElDC9E.m4a8.34 MB

Al Asar
1 393
শেষের গল্প: চোখের কোণে অশ্রু পর্ব: ২ #Rain_Drops https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya

Al Asar
1 393
photo content

Al Asar
1 393
শেষের গল্প: ভূমিকা পর্ব: ১ #Rain_Drops https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya

Al Asar
1 393
মৃত্যু নিয়ে সাহিত্যিকদের মধ্যে অনেক ভাবনা বিলাস আছে। তাদের কারো কাছে মৃত্যু মানে যেন বাদামী মাটিতে শুয়ে, ঘাসের বিছানায় লুটিয়ে পড়ে মাথার উপরে নীল আকাশ দেখতে থাকা-- আর এভাবেই দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়া। এরপর চারিদিকে নীরব, নিশ্চুপ, যেখানে নৈঃশব্দেরা খেলা করে! যেখানে সবকিছু থেমে যায়, মৃত্যু যেন শুধুই একটা বিরাট যতিচিহ্ন! আর কোন আগামীকাল নেই, কোনো গতকাল নেই, কোনো ভাবনা নেই সময় ভুলে শুধু শান্তি আর শান্তি! কিন্তু বাস্তবতা হলো-- মৃত্যু কোনো সমাপ্তি নয়। শুধুই এক অবস্থা থেকে আরেক অবস্থার দিকে যাত্রার শুরু। মুমিনের জন্য মৃত্যু উপহারস্বরূপ, কিন্তু কাফেরদের জন্য মৃত্যু মানে এক ভয়ংকর বাস্তবতার সামনে দাঁড়ানো। মানুষ ঘুমিয়ে আছে, বেখেয়াল হয়ে আছে, জেগে উঠে কেবল মৃত্যুতে। "শেষের গল্প" সিরিজে আমরা জানবো এমনই কিছু ভালো মৃত্যু এবং কিছু ভীতিকর মৃত্যুর ঘটনা। বেশিরভাগ ঘটনা বর্ণনা হয়েছে সৌদি আরবের জেদ্দার শায়েখ আব্বাস বাতাওয়ী রাহিমাহুল্লাহ থেকে। তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর জেদ্দার সবচেয়ে বড় কবরস্থানের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নিজে সরাসরি বহু মানুষের মৃতদেহ গোসল দিয়েছেন, আর তার অধীনে কাজ করেছে আরো অনেকে। এভাবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে নির্বাচিত কিছু শিক্ষনীয় ঘটনা পেশ করা হচ্ছে এই সিরিজে। সংক্ষিপ্ত কিন্তু অন্তর্ভেদী এই আলোচনাগুলো হতে পারে আমাদের জন্য পরিবর্তনের রসদ। মৃত্যুর থেকে বড় উপদেশ যে আর কিছু নেই! #Rain_Drops

Al Asar
1 393
Happy ending. এই শব্দজোড়া শুনলে কী মাথায় আসে? সিনেমার শেষ দৃশ্য কিংবা উপন্যাসের শেষ পাতায় সুন্দর এক সমাপ্তি? যেখানে সত্য আর ন্যায়ের জয় হয়, বিচ্ছেদ আর বিরহকে ম্লান করে সুখ আর ভালোবাসা স্থান করে নেয়। মানুষ গল্প খুব ভালোবাসে। তারচেও ভালোবাসে গল্পের শেষে মধুর সমাপ্তি। প্রবাদই তো আছে, সব ভালো যার শেষ ভালো। একটু তলিয়ে চিন্তা করলে দেখবেন, আপনার জীবনটাও একটা গল্পই বটে। এই গল্পের শেষটা কেমন হবে কখনো ভেবেছেন কী? এই যে এত এত মানুষ দুনিয়ার বুকে আসছে আর যাচ্ছে, কার গল্পটা হ্যাপি এন্ডিং পাচ্ছে? কার গল্পের শেষটা শেষ নয় আফসোস? এই রামাদান হোক আমাদের জীবনের গল্পের দিকে ফিরে তাকানোর রামাদান। আমাদের গল্পগুলোকে সুন্দর সমাপ্তির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার রামাদান। আর এর জন্য জরুরি হচ্ছে সুন্দর সমাপ্তিগুলো থেকে অনুপ্রাণিত হওয়া, ভয় আর আফসোসে মিশে যাওয়া শেষগুলো থেকে শিক্ষা নেওয়া। তাই এই রামাদান ১৪৪৪ হিজরীতে রেইনড্রপস আপনার জন্য নিয়ে এসেছে, সত্য ঘটনা অবলম্বনে সুন্দর ও ভীতিকর কিছু মৃত্যুর বিবরণী, শেষের গল্প। আমাদের শেষগুলো হোক শুভ্র, সুন্দর আর অনন্তজীবনের এক সুখের শুরু, এই প্রত্যাশায় শুনুন, শোনান, ছড়িয়ে দিন, শেষের গল্প। #Rain_Drops

Al Asar
1 393
Repost from Mashwara Official
বুকটা হাহাকার করে উঠলো ভাইটার মনের কষ্ট উপলব্ধি করতে পেরে। আল্লাহ উত্তম ফয়সালা করুন, প্রতিদান দিন তার মুখলিস বান্দাদের, এখানে
বুকটা হাহাকার করে উঠলো ভাইটার মনের কষ্ট উপলব্ধি করতে পেরে। আল্লাহ উত্তম ফয়সালা করুন, প্রতিদান দিন তার মুখলিস বান্দাদের, এখানে জালিমের চক্রান্ত থাকলে তাকে হিদায়াত দিন, হিদায়াত নসিবে না থাকলে দুনিয়াতেই তার ফয়সালা করুন, আমিন। রমাদ্বান দুআ কবুলের মাস। আমরা কি পারিনা একটু আমাদের মাজলুম ভাইদের জন্যে দুআ করতে? মুমিনরা তো পরস্পর ভাই-ভাই। হাদীসে এসেছে, “ঈমান ছাড়া তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না, পরস্পরকে ভালোবাসা ছাড়া তোমরা মুমিন হতে পারবে না” (সহীহ মুসলিম)

Al Asar
1 393
রাব্বে কারীম সহজ করে দিন। আমিন

Al Asar
1 393
Happy ending. এই শব্দজোড়া শুনলে কী মাথায় আসে? সিনেমার শেষ দৃশ্য কিংবা উপন্যাসের শেষ পাতায় সুন্দর এক সমাপ্তি? যেখানে সত্য আর ন্যায়ের জয় হয়, বিচ্ছেদ আর বিরহকে ম্লান করে সুখ আর ভালোবাসা স্থান করে নেয়। মানুষ গল্প খুব ভালোবাসে। তারচেও ভালোবাসে গল্পের শেষে মধুর সমাপ্তি। প্রবাদই তো আছে, সব ভালো যার শেষ ভালো। একটু তলিয়ে চিন্তা করলে দেখবেন, আপনার জীবনটাও একটা গল্পই বটে। এই গল্পের শেষটা কেমন হবে কখনো ভেবেছেন কী? এই যে এত এত মানুষ দুনিয়ার বুকে আসছে আর যাচ্ছে, কার গল্পটা হ্যাপি এন্ডিং পাচ্ছে? কার গল্পের শেষটা শেষ নয় আফসোস? এই রামাদান হোক আমাদের জীবনের গল্পের দিকে ফিরে তাকানোর রামাদান। আমাদের গল্পগুলোকে সুন্দর সমাপ্তির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার রামাদান। আর এর জন্য জরুরি হচ্ছে সুন্দর সমাপ্তিগুলো থেকে অনুপ্রাণিত হওয়া, ভয় আর আফসোসে মিশে যাওয়া শেষগুলো থেকে শিক্ষা নেওয়া। তাই এই রামাদান ১৪৪৪ হিজরীতে রেইনড্রপস আপনার জন্য নিয়ে এসেছে, সত্য ঘটনা অবলম্বনে সুন্দর ও ভীতিকর কিছু মৃত্যুর বিবরণী, শেষের গল্প। আমাদের শেষগুলো হোক শুভ্র, সুন্দর আর অনন্তজীবনের এক সুখের শুরু, এই প্রত্যাশায় শুনুন, শোনান, ছড়িয়ে দিন, শেষের গল্প।

Al Asar
1 393
রহমতের সবচেয়ে প্রশস্ত দরজাটা রমাদান মাসে খুলে দেওয়া হয়। যে এই মাসে দরজার ভিতরে প্রবেশ করতে পারে না, সে অন্য মাসেও পারে না।' . — শাইখ আব্দুল আযীয আত-তারিফী (হাফি.)

Al Asar
1 393
শায়খ আহমাদ মুসা জিবরীল “রমাদান এমন এক নিয়ামত, যার জন্য অনেক কবরবাসীই উদগ্রীব হয়ে আছে। অন্ধকার মাটির ঘরে শুয়ে তারা আফসোস করে যাচ্ছে—ইশ! যদি আরেকটি বারের জন্যেও তারা রামাদান পেত। সেই সাথে আমরা যারা রামাদান পেয়েছি, তাদের মধ্যেও অনেকেই রামাদানের সদ্ব্যবহার না করার জন্য পরে আফসোস করবে।” -শায়খ আহমাদ মুসা জিবরীল (হাফিযাহুল্লাহ) (ধূলিমলিন উপহার রমাদান, ১০)