Al Asar
前往频道在 Telegram
নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিপতিত। তবে তারা ব্যতীত, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, পরস্পরকে হকের উপদেশ দেয় এবং পরস্পরকে ধৈর্যের উপদেশ দেয়’ (সূরা আসর)
显示更多1 393
订阅者
无数据24 小时
-67 天
-2430 天
帖子存档
1 393
এই ধরনের চাক্ষুষ প্রমাণের পুলিশ লীগ কেমনে বলে যে তারা নিরুপায়, তারা নাকি অর্ডারের বাইরে কিছু করতে পারে না! 🤬
1 393
Repost from ছাত্র আন্দোলন
গণভবনের কর্তৃত্বের অবসান ডাকলেন আপনি। বাংলাদেশের ছাত্রসমাজের প্রতি প্রতিটি ইউনিটে (স্কুল,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয়) গণকমিটি গঠনের আহ্বান করছি।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
সমন্বয়ক,
মাহিন
1 393
(৩)
ফেনিতে হুজুরের জুমার বয়ানে আন্দোলন নিয়ে আলোচনা চলছিল অতঃপর কমেটির সাথে প্রচুর কথা কাটাকাটি হয়। এরপর হুজুর মাইক হাতে নিয়ে বলেন, আমি নিজে থেকে আমার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিচ্ছি কেউ আমাকে থাকার জন্য জোর করবেন না।
©আব্দুল্লাহ আল মামুন
1 393
গুরুত্বপূর্ণ। সেই পুরানো খেলা। যে খেলার ফলাফল আপনি জানেন। সাবধানে এই খেলায় যেন আপনি-আমি যেন ওদের হাতের পুতুল না হই।
⚠️এলার্ট⚠️
1 393
ছাত্রদের পক্ষ থেকে আজকের কর্মসূচী ঘোষিত হয়েছে "দোয়া ও গণমিছিল"।
এই কর্মসূচীতে ছাত্রসমাজ আলেমদের পাশে চেয়েছেন এবং তাদেরকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন। এরপরও যদি আলেম সমাজ ছাত্রদের পক্ষে আওয়াজ উঁচু করতে না পারেন, তাহলে সাধারণ ছাত্রদের কাছে আলেমদের অবস্থান ও সম্মান প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাবে। একটু সাহসের অভাব দীর্ঘমেয়াদী বঞ্চনায় ফেলতে পারে।
মাওলানা ইফতেখার সিফাত
1 393
যখন আন্দোলনে যেতাম (একেবারে শুরুর দিকে), সবাই যখন স্লোগান দিত, আপোষ না সংগ্রাম?
কোটা না মেধা?
এইইইইই, জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্র সমাজ জেগেছে।
এইইইইইই, লেগেছে রে লেগেছে রক্তে আগুন লেগেছে।
...................
এই মনে হতো নারায়ে তাকবীর স্লোগান দিয়ে দিল বোধহয়। (মুহুর্তটা এমনি ছিল)
কেন যেন মনে হচ্ছিল (এখনো হয়), আমরা যারা এই সরকারি চাকরিতে কোটা নিপাতের জন্য রাজপথে নেমেছি, এই ভগ্ন হৃদয়গুলো যদি একটু খানি আল্লাহর ভালোবাসা পেয়ে যায় , এই দেহ যেন ছুটবে আল্লাহর পথে, শাহাদাতের তামান্নায়, ইসলামের জন্য ভালোবাসায়, ইমারতের জন্য রক্ত দিতেও প্রস্তুত থাকবো।
1 393
যখন আন্দোলনে যেতাম (একেবারে শুরুর দিকে), সবাই যখন স্লোগান দিত, আপোষ না সংগ্রাম?
কোটা না মেধা?
এইইইইই, জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্র সমাজ জেগেছে।
এইইইইইই, লেগেছে রে লেগেছে রক্তে আগুন লেগেছে।
...................
এই মনে হতো নারায়ে তাকবীর স্লোগান দিয়ে দিল বোধহয়। (মুহুর্তটা এমনি ছিল)
কেন যেন মনে হচ্ছিল (এখনো হয়), আমরা যারা এই সরকারি চাকরিতে কোটা নিপাতের জন্য রাজপথে নেমেছি, এই ভগ্ন হৃদয়গুলো যদি একটু খানি আল্লাহর ভালোবাসা পেয়ে যায় , এই দেহ যেন ছুটবে আল্লাহর পথে, শাহাদাতের তামান্নায়, ইসলামের জন্য ভালোবাসায়, ইমারতের জন্য রক্ত দিতেও প্রস্তুত থাকবো।
1 393
দুঃখিত, আমি ১৭ বছরের ফাইয়াজের চোখে সামান্য ভয় দেখিনি। কী হতে পারে কারাগারে, ভেবে কাতর হতে দেখিনি সেই ছেলেকে, যার মা এসে পিঠ চাপড়ে বলেছে, তুমি বীরের বাচ্চা, ভয়ের কিছু নেই। হাতে হাতকড়া পরেও তার চেহারায় আমি রাজ্যের হাসি দেখেছি।
১৫ বছরের তন্ময় কুমারের চোখে দেখলাম আগুন জ্বলে আছে। সে পিতা-মাতাকে বলে এসেছে, বাসায় না ফিরলে দরজা লাগিয়ে দিয়ো। আমার ভাইয়ের রক্ত আর বোনের ইজ্জতের বদলা না নিয়ে রাজপথ থেকে ফিরব না।
আপনি কি নুরুল হকের চেহারায় বাঁচার আকুতি দেখেছেন? আমি তো দেখলাম, সে জীবনের মায়া ছেড়ে দিয়ে বলছে, সবকিছুর শেষ আছে। গণ-আন্দোলন ব্যতীত এসব চলবেই, আপনারা নেমে আসুন।
জানি না এসব কীসের ইঙ্গিত দেয়। কিন্তু আবু সাইদের হত্যাকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা অনেক বড়ো মিসটেক। চোখের সামনে চার-চারটে গুলি করতে দেখে, সে নিজেও বিশ্বাস করতে পারেনি। একটা বুলেট গায়ে লাগতেই সে সরে যেতে পারত। কিন্তু জাতি ভাবত সে ভয় পেয়েছে। ভাবত, জীবনের প্রতি তার অনেক মায়া।
তাই সে সরে যায়নি। বীরত্বের সবটুকু প্রদর্শন করে একে-একে তিনটি গুলি সহ্য করেছে। তারপরও হাত প্রসারিত করলে যখন চতুর্থ বুলেট তাকে ভেদ করে যায়, আবু সাইদ বিশ্বাস করতে পারেনি। অসহায় চোখে পুলিশের দিকে তাকিয়েছিল। যেন বলছিল, সত্যিই গুলি করে দিলি?
আবু সাইদের সেই অসহায় চোখ বারুদ হয়ে ফুটছে অসংখ্য চোখে। এ ছাইচাপা আগুন যত নাড়া দেবে, দাউদাউ করে আরো জ্বলে উঠবে। আবু সাইদের ত্যাগ আমাদের ফাইয়াজের ভেতর দেখুন। তাকান তন্ময়ের দিকে, যেন যাবার আগে নিজের রূহটা আবু সাইদ তাকে দান করে গেছে।
নতুন প্রজন্ম জানান দিচ্ছে, ভয়ের দিন শেষ। সরকারও পদে পদে ভুল করছে। ১৭ বছরের বাচ্চাকে রিমান্ডে নেয়ার প্রতিবাদ হয়েছে আদালতে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরাও অন্যায়ের বিরুদ্ধে মিছিল করেছে। পুরো জাতির হৃদয়ে সাহসের জোয়ার এনেছে তরুণ এ প্রজন্মের দুঃসাহসী নাবিকেরা। ফাইয়াজের হাতের দড়ি যদি বর্তমান বাংলাদেশের চিত্র হয়, তাহলে তার চোখে আগুন দেখুন। সেটাই স্বাধীনতার বারুদশক্তি।
স্বপ্ন দেখতে ভুলো না বাংলাদেশ....
সাদিক ফারহান
1 393
জামাআতে ইসলামী আর ছাত্রশিবির নিষিদ্ধ করার পর সবচেয়ে লাইকলি আউটকাম হল কিছু ফলস ফ্ল্যাগ হামলা করে সেটার দায় জা-শি'র ওপর দেয়া, তারপর জা-শি দমনের নামে সব বিরোধী দল এবং সব আন্দোলনকারীদের ওপর আবারও ব্রুট ফোর্স অ্যাপ্লাই করার অজুহাত তৈরি করা।
.
এর আগেও আমরা দেখেছি টোকাই লীগ বিভিন্ন বাসে আগুন দিয়ে সেটার দায় জা-শি এবং বিএনপির ওপর চাপিয়েছে। এই রিজিমের ঝুলিতে ভিলেজ পলিটিক্সের সবচেয়ে নোংরা ট্যাকটিক্স আর নির্লজ্জ মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছু নেই। তাই সামনে এধরণের ফলস ফ্ল্যাগ ঘটনা ঘটাবার আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না। এ ব্যাপারটা নিয়ে সবার সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
.
আরেকটা কথা। এখন, এঈ মূহুর্তে জা-শি নিষিদ্ধ করার ব্যাপারটা একটা ডেসপারেট মুভ ছাড়া কিছুই না। রিজিম তার চেতনার লেবুর শেষ ফোঁটাগুলো নিংড়ে এনে আরও দমনপীড়নের মঞ্চ প্রস্তুত করার জন্য এই কাজটা করছে।
.
যারা এখন এই ধরনের ম্যানুভারে সমর্থন দেবে তারা রিজিমের সমর্থক হিসেবেই ইতিহাসে স্থান পাবে।
- আসিফ আদনান
1 393
পারলে একটা কাজ করি সবাই।
শিবির শব্দটাই পঁচিয়ে দেই। যেভাবে বলা হয়েছিল, তুমি কে, আমি কে? রাজাকার, রাজাকার।
