Kaisar Ahmad (E+G+E)
前往频道在 Telegram
6 268
订阅者
+524 小时
无数据7 天
+2430 天
帖子存档
6 268
চীন সফরকে সফল দূরের কথা বরং ব্যর্থ বলা যায়৷ হাসিনার মত তারেক রহমানও চীনের শুধু বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সাহায্য চায়। স্ট্রাটেজিক কোনো সম্পর্ক চায় না। অন্যদিকে চীন চায় স্ট্রাটেজিক গেইন। তিস্তা প্রকল্প, সামরিক চুক্তি, চীন-মিয়ানমার- বাংলাদেশ করিডোর। চীনের কোনো ঠেকা নেই বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার, পুরো বিশ্ব তাদের কাছে পরে আছে। ট্রাম্পও চীনা বিনিয়োগের জন্য দুয়ারে দাড়িয়ে থাকে। হাসিনার মত চীন তারেক রহমানকে অপমানিত না করলেও মেসেজ ঠিকই দিয়ে দিয়েছে।
ভারতের ভয়ে বাংলাদেশ যদি হাসিনার সরকারের মতই পদক্ষেপ নেয়, তাহলে বলা যায় সরকার বদলালেও পররাষ্ট্রনীতি বদলায়নি। এখনো দুই নৌকায় পা দিয়ে রাখতে চাচ্ছে।
6 268
চুক্তি হবার ঠিক আগ মুহূর্তে আবার যুদ্ধ শুরু হল। চুক্তি হোক তা ইসরাইল কোনো ভাবেই চায় না।
- ট্রাম্প জানালো আগামী দুয়েকদিনে চুক্তি হয়ে যেত।
- ইরান ইসরাইলে মিসাইল হামলা চালিয়েছে, ইসরাইলের ফাইটার ইরানের উদ্দেশ্যে হামলা করতে যাচ্ছে।
- ইরাক, সিরিয়া, কাতার ইতিমধ্যে আকাশ সীমানা বন্ধ করেছে।
6 268
চীন আমেরিকাকে মিলিটারিলি ও ইকোনোমিকালি চেস করছে। বলা যায় চীন মাত্র কয়েকবছর পিছিয়ে রয়েছে। তাই প্রোএক্টিভ এন্ড এগ্রেসিভ রোল প্লে করে ট্রাম্প চাচ্ছে আমেরিকার সাথে চীনের সক্ষমতার ব্যবধান কয়েকবছর থেকে কয়েক দশক করে দিতে৷ তাই তার প্রয়োজন নতুন সম্পদ সংগ্রহ করা ও চীনের উন্নয়ন যাত্রা ঠেকানো। ফলে আমেরিকা চীন-রাশিয়ার ছোটো ছোটো মিত্র দেশগুলোকে নিস্ক্রিয় করা এবং খনিজ সম্পদ বিশেষত জালানি সম্পদ দখল করা। এই জন্যই ভেনেজুয়েলার তেল দখল করা হল। কিউবাকে অবরোধ দেয়া হল। গ্রিনল্যান্ড ও কানাডা দখল করার কথা জানালো৷ অতপর মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান এলাই, চীনের অন্যতম জালানী সোর্স, অন্যতম তেল উৎপাদনকারী, ইরানকে পাকড়াও করা হল। উদ্দেশ্য রেজিম চেঞ্জ যাতে করে এক তীরে ইরানের তেল দখল করা যায় এবং এক চীনকে জালানী সংকটে ফেলে যায়। উপরুন্ত ডলারের পজিশন রক্ষা করা যায়। এভাবে আমেরিকাকে আবার গ্রেট বানানো হবে।
এটি আমেরিকা ইরান যুদ্ধ নয়। এটি আমেরকা চীন যুদ্ধ।
6 268
Kuwait orders all citizens to stay home tonight in anticipation of large scale escalations.
