ch
Feedback
It's time to wake up

It's time to wake up

前往频道在 Telegram

জাগ‌তে হ‌লে জান‌তে হ‌বে। ইনশাআল্লাহ আমরা জানবো। (হে মুসলিমগণ,) তোমরা হীনবল হয়ো না এবং চিন্তিত হয়ো না । তোমরা প্রকৃত মুমিন হলে তোমরাই বিজয়ী হবে । [সুরা আল ইমরান: ১৩৯]

显示更多
2 462
订阅者
+124 小时
-57
-4030
帖子存档
Repost from Sorwar Alam
ঈদুল আজহাকে ঘিরে ভারতের মহারাষ্ট্রে পশুবাজার বন্ধের নির্দেশ, সমালোচনার ঝড় আগামী ৭ জুন ঈদুল আজহা। তার আগেই মহারাষ্ট্র গোসেবা আ
ঈদুল আজহাকে ঘিরে ভারতের মহারাষ্ট্রে পশুবাজার বন্ধের নির্দেশ, সমালোচনার ঝড় আগামী ৭ জুন ঈদুল আজহা। তার আগেই মহারাষ্ট্র গোসেবা আয়োগ রাজ্যের সকল কৃষি বিপণন সমিতিকে (APMC) নির্দেশ দিয়েছে, ৩ জুন থেকে ৮ জুন পর্যন্ত পশুবাজার বন্ধ রাখতে। এর ফলে ঈদের আগে গরু, ছাগল, ভেড়া—সব ধরনের পশু কেনাবেচা বন্ধ থাকবে। এই পদক্ষেপ ঘিরে ইতোমধ্যেই সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন মহল প্রশ্ন তুলেছে, ঈদের ঠিক আগের সপ্তাহেই সব পশুর কেনাবেচা বন্ধ করে দেওয়ার উদ্দেশ্য কী? মহারাষ্ট্র সরকার এখনও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি। (hn)

Repost from Sorwar Alam
গাজা অবরোধ ভাঙতে ইতালির কাটানিয়া বন্দর ছেড়েছে 'মাদেলেইন' জাহাজ গাজা উপত্যকার ওপর দখলদার ইসরাইলের অবরোধ ভাঙার নতুন উদ্যোগ হি
গাজা অবরোধ ভাঙতে ইতালির কাটানিয়া বন্দর ছেড়েছে 'মাদেলেইন' জাহাজ গাজা উপত্যকার ওপর দখলদার ইসরাইলের অবরোধ ভাঙার নতুন উদ্যোগ হিসেবে ইতালির কাটানিয়া বন্দর থেকে রওনা দিয়েছে 'মাদেলেইন' নামের একটি জাহাজ।
জাহাজটিতে রয়েছেন ১২ জন খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব, যাদের মধ্যে আছেন সুইডিশ পরিবেশ আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, আইরিশ অভিনেতা লিয়াম কানিংহাম এবং ফরাসী - ফিলিস্তিনি এমপি রিমা হাসান।
৭ দিনের এই যাত্রার জন্য জাহাজটির নামকরণ করা হয়েছে গাজার কনিষ্ঠতম জেলে শিশু মাদেলেইন কাল্লাব-এর নামে। (hn)

Repost from Sorwar Alam
🟥 রাশিয়ান বিমানঘাঁটিতে বড় ইউক্রেনীয় হামলা (২০২২–২০২৫) 👉 আজকের হামলাটি দীর্ঘমেয়াদী এক অভিযানের অংশ — এবং রাশিয়া এখনো যেন কিছুই শিখতে পারেনি।২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ – মিলেরোভো (রোস্তভ): তোচকা-ইউ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কমপক্ষে একটি Su-30SM যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়। এটি ছিল ইউক্রেনের প্রাথমিক কৌশলগত আঘাতগুলোর একটি। ★ ৯ আগস্ট ২০২২ – সাকি বিমানঘাঁটি (ক্রিমিয়া): বৃহৎ বিস্ফোরণে নয়টিরও বেশি বিমান (Su-24, Su-30) ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইউক্রেন পরে এই হামলার দায় স্বীকার করে। ★৫ ও ২৬ ডিসেম্বর ২০২২ – এঙ্গেলস-২ (সারাতভ) ও দ্যাগিলেভো (রিয়াজান): দীর্ঘপাল্লার ড্রোন হামলায় Tu-95MS ও Tu-22M3 বোমারু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হতাহত এবং ধ্বংসাবশেষের খবর পাওয়া যায়। ★ ১৯ আগস্ট ২০২৩ – সল্টসি (নভগোরদ): একটি গভীর স্ট্রাইক ড্রোন হামলায় Tu-22M3 বোমারু বিমান ধ্বংস হয়। ★ ২৭ আগস্ট ২০২৩ – কুর্স্ক খালিনো বিমানঘাঁটি (কুর্স্ক): হামলায় চারটি Su-30, একটি MiG-29, একটি S-300 রাডার এবং দুটি Pantsir প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ★ ৩০ আগস্ট ২০২৩ – প্সকভ বিমানঘাঁটি (উত্তর-পশ্চিম রাশিয়া): ড্রোন হামলায় চারটি Il-76 সামরিক পরিবহন বিমান ধ্বংস বা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ★ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ – চকালভস্কি বিমানঘাঁটি (মস্কো অঞ্চল): একটি An-148, একটি Il-20, এবং একটি Mi-28 হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ★ ১৭ অক্টোবর ২০২৩ – বেরদিয়ানস্ক ও লুহানস্ক (অধিকৃত ইউক্রেন): ATACMS ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় হেলিকপ্টার, অস্ত্রগুদাম ধ্বংস এবং রানওয়েতে ক্ষতি হয়। ★ ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ – বেলবেক বিমানঘাঁটি (ক্রিমিয়া): ইউক্রেনীয় হামলায় রাশিয়ান বিমান ও অবকাঠামোর ক্ষতির খবর পাওয়া যায়। ★ ৫ এপ্রিল ২০২৪ – মোরোজোভস্ক, এঙ্গেলস-২, ইয়েইস্ক: মোরোজোভস্ক: ছয়টি Su-34 ধ্বংস হয় এঙ্গেলস-২: তিনটি Tu-95MS বোমারু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয় ইয়েইস্ক: দুটি Su-25 বিমান ধ্বংস হয় ★ ১৭ এপ্রিল ২০২৪ – জাঙ্কয় বিমানঘাঁটি (ক্রিমিয়া): ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় S-400 প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, গোলাবারুদ গুদাম এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো আক্রান্ত হয়। ★ ২৭ এপ্রিল ২০২৪ – কুশচিওভস্কায়া বিমানঘাঁটি (ক্রাসনোদার): ড্রোন হামলায় গ্লাইড বোমা কিট ধ্বংস হয় এবং একটি Su-34 বিমান ধ্বংস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছিলো। ★ ১৫ মে ২০২৪ – বেলবেক (ক্রিমিয়া): ATACMS ও ড্রোন ব্যবহারে শক্তিশালী হামলায় MiG-31, Su-27 ধ্বংস হয় এবং একটি জ্বালানি ডিপোতে আগুন লাগে। ★ মে ২০২৪ – ভোরোনেজ-ডিএম ও ভোরোনেজ-এম রাডার ঘাঁটি: আক্রমণে রাশিয়ার প্রাথমিক সতর্কীকরণ রাডার ব্যবস্থায় ক্ষতি হয়, যার ফলে তাদের মহাকাশ প্রতিরক্ষা দুর্বল হয়ে পড়ে। ★ ১৪ আগস্ট ২০২৪ – একাধিক বিমানঘাঁটিতে ড্রোন আক্রমণ: সভাসলেয়কা (নিজনি নভগোরদ): MiG-31K ঘাঁটি আক্রান্ত হয় খালিনো (কুর্স্ক): দ্বিতীয় দফা হামলা বোরিসোগ্লেবস্ক ও বাল্টিমোর (ভোরোনেজ): জ্বালানি, অস্ত্র গুদাম ও হ্যাঙ্গারে ক্ষয়ক্ষতি হয় ★★★ ১ জুন ২০২৫ – অপারেশন “স্পাইডার’স ওয়েব” আক্রান্ত বিমানঘাঁটি: বেলায়া (ইরকুৎস্ক), ওলেন্যা (মুরমান্স্ক), দ্যাগিলেভো (রিয়াজান), ইভানোভো দাবিকৃত ক্ষয়ক্ষতি: ৪০টিরও বেশি বিমান আক্রান্ত, যার মধ্যে রয়েছে Tu-95MS, Tu-22M3, এবং A-50 AEW&C আর্থিক ক্ষতি: আনুমানিক ২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি কৌশল: রাশিয়ার অভ্যন্তরে লুকানো ট্রাক থেকে FPV ড্রোন উৎক্ষেপণ করা হয়। [mh]

Repost from Sorwar Alam
এ হামলায় টার্গেট করা হয়েছে তিন ধরনের স্ট্র্যাটেজিক এয়ারক্রাফটকে: A-50, Tu-95 ও Tu-22M3। A-50 “Mainstay” রাশিয়ার আকাশে চোখ। এই উড়ন্ত রাডার বিমান S-400 এর মতো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সমন্বয় করে এবং শত শত কিমি দূরে থাকা শত্রু লক্ষ্য শনাক্ত করতে পারে। রাশিয়ার কাছে এই বিমানের সংখ্যা এতই কম যে, একটি ধ্বংস হওয়াও বিশাল ক্ষতি। Tu-95 “Bear” রাশিয়ার পরমাণু ত্রিকোণের অংশ। ১৫,০০০ কিমি পর্যন্ত উড়তে সক্ষম এই কোল্ড ওয়ার যুগের বোমারু এখনো রাশিয়ার প্রধান স্ট্র্যাটেজিক অস্ত্র। এটা পারমাণবিক ও প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম, এবং প্রায়ই ন্যাটোর সীমান্তে শক্তি প্রদর্শনে ব্যবহৃত হয়। Tu-22M3 “Backfire” রাশিয়ার সুপারসনিক স্ট্রাইক ওয়ার্কহর্স। ভূমি ও নৌ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য তৈরি এই বিমান সিরিয়া থেকে শুরু করে ইউক্রেন পর্যন্ত সব যুদ্ধেই ব্যবহৃত হয়েছে। এটি পারমাণবিক ও কনভেনশনাল ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম। এই তিন ধরনের বিমানই রাশিয়ার আকাশ থেকে আঘাত হানার ক্ষমতার মূল ভিত্তি। একদিনেই এতগুলো এয়ারক্রাফট হারানো মানে শুধু বাহিনীর নয়, পুরো স্ট্র্যাটেজিক সক্ষমতার চরম ধস। (hn)

Repost from Sorwar Alam
দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে এই হামলার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে ইউক্রেন ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা SBU আজ যে ভয়াবহ ড্রোন হামলার মাধ্যমে রাশি
+4
দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে এই হামলার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে ইউক্রেন ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা SBU আজ যে ভয়াবহ ড্রোন হামলার মাধ্যমে রাশিয়ার ৪১টি কৌশলগত যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে, সেটি ছিল এক অভূতপূর্ব পরিকল্পনার ফল—অপারেশন "ওয়েব", যার প্রস্তুতি নিয়েছিল পুরো দেড় বছর ধরে। এই মিশনের নেতৃত্ব দিয়েছেন SBU প্রধান ভাসিল মালিউক, এবং প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি নিজে এর তত্ত্বাবধান করেছেন। সূত্র জানায়, অভিযানের জন্য FPV ড্রোন ও কাঠের তৈরি মোবাইল কেবিন রাশিয়ার অভ্যন্তরে পাচার করা হয়। এসব কেবিন ছিল ট্রাকের ওপর, যেগুলোর ছাদ ছিল রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে খোলার ব্যবস্থা। ট্রিগার দিলে ছাদ খুলে আত্মঘাতী ড্রোন উড়ে যায় রুশ বোমারু ঘাঁটির দিকে। রাশিয়ার TU-95, TU-22M3, A-50 এর মতো অত্যন্ত মূল্যবান বিমানগুলোকে লক্ষ্য করেই এই অভিযান চালানো হয়, যার মাধ্যমে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি। SBU জানিয়েছে, অভিযানে অংশ নেওয়া সব সদস্য ইতোমধ্যেই নিরাপদে ইউক্রেনে ফিরে এসেছে। রাশিয়া যদি কেউকে গ্রেপ্তার দেখায়, সেটি মূলত অভ্যন্তরীণ প্রচারণার উদ্দেশ্যেই সাজানো নাটক হবে বলে জানিয়েছে তারা। (hn)

Repost from Sorwar Alam
+1
রুশ ঘাঁটিতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় অভিনব কৌশল
ঘাঁটির পাশে ট্রাক এনে সেখান থেকে ছোড়া হয় ড্রোন, পরে আত্মবিস্ফোরণ ঘটায় ট্রাকগুলো
সাইবেরিয়ার ইর্কুৎস্কে রুশ ঘাঁটির কাছে ইউক্রেন একটি মোবাইল ড্রোন লঞ্চার ব্যবহার করেছে—একটি সাধারণ ট্রাক, যার ছাদ খুলে একের পর এক FPV কামিকাজে ড্রোন ছোড়া হয়। স্থানীয় এক রুশ বাসিন্দা জানান, ট্রাকটি ঘাঁটির পাশে এসে দাঁড়ায়, এরপর ছাদ খুলে ড্রোন উড়তে শুরু করে। ড্রোন লঞ্চ শেষ হওয়ার পর ট্রাকটি নিজেই বিস্ফোরিত হয়, আত্মবিস্ফোরক ব্যবস্থার মাধ্যমে। এর ফলে ড্রোন লঞ্চের সরঞ্জাম ধ্বংস হয়ে যায় এবং পরিচয় গোপন থাকে। এই একই কৌশল ব্যবহার করে ইউক্রেন সম্প্রতি চারটি রুশ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালায়—FPV ড্রোনের পাশাপাশি ছোট ক্যাটাপল্টচালিত ড্রোনও ব্যবহার হয় (hn)।

Repost from Sorwar Alam
+2
ইউক্রেনের ড্রোন ঝড়ে রুশ ঘাঁটিতে ধ্বংস ৪০টির বেশি যুদ্ধবিমান, ক্ষতি ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রাশিয়ার কৌশলগত বিমানঘাঁটিতে ইউক্রেনের নজিরবিহীন ড্রোন হামলায় অন্তত ৪০টির বেশি যুদ্ধবিমান ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থা SBU-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে "Operation Web"। হামলার লক্ষ্য ছিল ওলেনিয়া ও বেলায়া ঘাঁটি। ক্ষতিগ্রস্ত বিমানের তালিকায় রয়েছে রাশিয়ার দূরপাল্লার বোমারু Tu-95MS, Tu-22M3 এবং নজরদারি বিমানের মধ্যে A-50। বিশ্লেষকরা বলছেন, রাশিয়ার বিমানঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা প্রায় ভেঙে পড়েছে — না ছিল হ্যাঙ্গার, না জ্যামিং ব্যবস্থা, না সশস্ত্র নিরাপত্তা। এই হামলায় ক্ষতির পরিমাণ ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি রাশিয়ার কৌশলগত বিমান সক্ষমতায় এক বড় ধাক্কা। (hn)

⁉️⁉️গাজার মানুষ যখন খাবার আনতে গিয়ে ইহুদীদের গুলি খাচ্ছে, আমিরাত ইহুদীদের উৎসবের শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। 🔴 ইসরায়েলে অবস্থিত সংযু
⁉️⁉️গাজার মানুষ যখন খাবার আনতে গিয়ে ইহুদীদের গুলি খাচ্ছে, আমিরাত ইহুদীদের উৎসবের শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। 🔴 ইসরায়েলে অবস্থিত সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাস ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব শাভুতের শুভেচ্ছা জানিয়েছে।

❌❌রাফাহে যুক্তরাষ্ট্রের ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের আশপাশে গুলি চালিয়ে আজ ভোর থেকে এখন পর্যন্ত ৩০ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা এবং ১৫০শের ও অধিককে আহত করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনি। সোর্স - আল জাযিরা

Repost from Sorwar Alam
//ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষে জেট হারানোর কথা অবশেষে স্বীকার করল ভারত// গত মে মাসের ৭ তারিখে পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘর্ষে ভারতীয় যুদ্ধবিমান ক্ষতির বিষয়টি নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে নীরব থাকার পর অবশেষে মুখ খুলেছেন ভারতের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা। তিনি স্বীকার করেছেন, ভারতীয় যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। তবে ঠিক কতটি জেট হারানো হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। পাকিস্তান দাবি করেছে, তারা ছয়টি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। এ প্রসঙ্গে ভারতের প্রতিক্রিয়া ছিল, “এটি একেবারেই ভুল।” তবে তারা কোনো সংখ্যাগত তথ্য দেয়নি—শুধু বলেছে, বিশ্বাস রাখুন। ভারতের প্রতিরক্ষা প্রধান অনিল চৌহান বলেছেন, আসল বিষয় হচ্ছে কটি জেট হারানো হয়েছে তা নয়, বরং কেন এগুলি হারানো হয়েছে, সেটিই মুখ্য। তিনি একে “কৌশলগত ভুল” বলে অভিহিত করেন এবং জানান, এ ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সে ব্যবস্থা ইতোমধ্যেই নেওয়া হয়েছে। তার বক্তব্যের সারাংশ দাঁড়ায়:
যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে এবং অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া হয়েছে।
উৎস: ব্লুমবার্গ [mh]

Repost from Sorwar Alam
বড় ধরণের প্যারাট্রুপার মহড়ার ভিডিও প্রকাশ করেছে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। (hn)

🔻🔻গাজায় হামাসের একশন গাজায় ইজ্রাইলি সেনাকে সরাসরি স্নাইপিং করে টার্গেট  ও বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী সেনাকে ফাঁদে ফেলে বিস্ফোরক ডিভাইস দ্বারা সরাসরি টার্গেটের ভিডিও প্রকাশ করেছে হামাসের কাসসাম ব্রিগেড

🔻🔻আল্লাহু আকবার!! 🥷 Al-Qassam Brigades 🥷 🔻 রাফাহ'র পূর্বে, একদল ইজ্রাইলি আন্ডারকাভার সন্ত্রাসী সেনাদেরকে বিস্ফোরক ডিভাইস দ্বারা সরাসরি টার্গেটের ভিডিও প্রকাশ করেছে আল-কাসসাম ব্রিগেড। নজরদারি, ঘরবাড়ি ধ্বংস ও অন্যান্য মিশনে এরা ইজ্রাইলি বাহিনীর সাথে অংশ নেয়। One of them lost his head 🔻💥

🔻"Shuja'iya" এরিয়ায়, আগে থেকে বিপুল সংখ্যক বিস্ফোরক ডিভাইস দ্বারা "বুবি-ট্র‍্যাপিং" ফাঁদ তৈরিকৃত বিল্ডিংয়ে, ইজ্রাইলি সন্ত্রাসী সেনারা অবস্থান নেয়ার পর ডিরেক্ট বিস্ফোরণ ঘটানোর ভিডিও প্রকাশ করেছে আল-কুদস ব্রিগেড।

Repost from Sorwar Alam
🟥 রকফেলারের ছকে WHO এখন বড়বড় ওষুধ কোম্পানির দাস! বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) আজকে যেমন কাজ করে, সেটা কেবল মানুষকে ভালো রাখার জন্য না—বরং বড় বড় ওষুধ কোম্পানির (যেমন Pfizer, Moderna) ব্যবসা বাড়ানোর জন্য গড়ে তোলা হয়েছে। এই পুরো পরিকল্পনার পিছনে ছিল রকফেলার ফাউন্ডেশন। চলুন ধাপে ধাপে দেখে নেই তারা কীভাবে এটা করেছে: ১️. রোগের প্রতিকার নয়, চিরস্থায়ী চিকিৎসা - মানুষ যেন সারাজীবন ওষুধ খেতে থাকে, সেইভাবে রোগ ব্যবস্থাপনা বানানো হয়। - ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মার মতো রোগের জন্য এমন ব্যবস্থা করা হয় যাতে রোগ পুরোপুরি না সারে, শুধু নিয়ন্ত্রণে থাকে। - দারিদ্র্য, অপুষ্টি—এসব আসল সমস্যার দিকে কোনো গুরুত্ব দেয়া হয়নি, কারণ এতে কোনো কোম্পানির লাভ হয় না। --- ২️. WHO-তে ওষুধ কোম্পানির পছন্দের লোক বসানো - WHO-এর প্রথম প্রধান ছিলেন একজন রকফেলার ফান্ডেড মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, যিনি বলতেন—জনসংখ্যা বেশি হলে বিপদ বাড়ে। - WHO ও বড় ওষুধ কোম্পানির মধ্যে এমন সম্পর্ক তৈরি হয়, যেন একে অপরের লোক এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ঘুরে বেড়াতে পারে। - কিছু কোম্পানিকে নিয়ম তৈরি করার সময়ও অংশ নিতে দেয়া হয়, যাতে তারা নিজের সুবিধামতো নিয়ম বানাতে পারে। --- ৩️.টিকার মাধ্যমে ব্যবসা বিস্তার -১৯৭৪ সাল থেকে WHO টিকাদানকে মূল কাজ বানিয়ে ফেলে। - ২০০০ সালে এমন একটি প্রকল্প চালু হয় (Gavi), যার মাধ্যমে টিকার নামে বিলিয়ন ডলার Pfizer/Moderna-কে দেয়া হয়। - বাধ্যতামূলক টিকাদান যেন সাধারণ নিয়ম হয়, সেটা তৈরি করা হয়। --- ৪️. প্রতিযোগীদের সরিয়ে দেওয়া - রকফেলারের টাকা দিয়ে চালিত মেডিকেল স্কুলগুলো প্রথাগত ও দেশীয় চিকিৎসাকে বলেছে "অবৈজ্ঞানিক"। - আইভারমেক্টিনের মতো সস্তা বিকল্প চিকিৎসাগুলো দমন করা হয়েছে। - কিছু রোগ (যেমন: এইডস, ডায়াবেটিস) এমনভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে যেন মানুষ সারাজীবন ওষুধ খেতে বাধ্য হয়। --- ৫️. মহামারির সুযোগে লাভ - ২০১৯ সালে "ইভেন্ট ২০১" নামে করোনা মহামারির অনুশীলন করা হয় রকফেলারের টাকায়। - ২০২০ সালে WHO অল্প সময়েই পরীক্ষামূলক mRNA টিকা অনুমোদন করে। - এরপর ডিজিটাল হেলথ পাসপোর্ট চালু করা হয়, যার মাধ্যমে মানুষকে নজরদারির আওতায় আনা যায়। --- 🎯 শেষ কথা? এই স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বানানো হয়েছে এমনভাবে: - মানুষ যেন সারাজীবন চিকিৎসা নেয়, রোগ ভালো না হয়। - মানুষের উপকার নয়, ওষুধ কোম্পানির লাভ নিশ্চিত করতে। - দেশগুলো নিজের স্বাস্থ্যনীতি ঠিক করতে না পারে, সব নিয়ন্ত্রণ থাকে কর্পোরেট কোম্পানির হাতে। [Geopolitics live এর থ্রোব্যাক থার্সডে বিশেষ প্রতিবেদন] [mh]

Repost from Sorwar Alam
রকফেলারের ছকে WHO এখন বড়বড় ওষুধ কোম্পানির দাস! বিস্তারিত....👇👇👇
রকফেলারের ছকে WHO এখন বড়বড় ওষুধ কোম্পানির দাস! বিস্তারিত....👇👇👇

📌📌২২ এপ্রিল, ১৪৫৩—ওসমানীয় নৌবহর হঠাৎ গোল্ডেন হর্নে হাজির হলে বাইজেন্টাইন প্রতিরক্ষা বিভক্ত হয়ে পড়ে। আর এক মাস পর, ২৯ মে, চূড়ান্ত আক্রমণে কনস্টান্টিনোপল পতনের মাধ্যমে ১,০০০ বছরের বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের অবসান ঘটে। এই বিজয় শুধু একটি নগর দখল নয়, বরং সভ্যতার পালাবদলের একটি সন্ধিক্ষণ। এটি প্রমাণ করে দেয়—দূরদর্শী নেতৃত্ব, সাহসিকতা আর কৌশলগত বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া যায়। আজকের দিনে তাই শুধু এক শহর নয়, স্মরণ করা উচিত সেই কৌশলী নেতৃত্বকে, যিনি বিশ্বমানচিত্রের ভবিষ্যত রচনা করেছিলেন।

📌📌আজ ইস্তাম্বুল বিজয়ের ৫৭২তম বার্ষিকী: যে বিজয় এসেছিল পাহাড়ের উপর দিয়ে জাহাজ চালনার মত দু:সাহসিকতার মধ্য দিয়ে আজ ২৯ মে—ইস্তাম্বুল বিজয়ের ৫৭২তম বার্ষিকী। এই দিনে ১৪৫৩ সালে ইতিহাসের এক মোড় ঘোরানো অভিযানে অটোমান সুলতান মেহমেদ ফাতিহ বিজয় করেন বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপল, যেটি পরে হয়ে ওঠে ইসলামি জগতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নগর—ইস্তাম্বুল। কিন্তু শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে নয়, এই বিজয় এসেছিল এক অবিশ্বাস্য কৌশল আর দূরদর্শিতার মাধ্যমে। বাইজেন্টাইনরা গোল্ডেন হর্ন উপসাগরের মুখে বিশাল লোহার শিকল বসিয়ে দিয়েছিল যাতে কোনো নৌবাহিনী প্রবেশ করতে না পারে। মেহমেদ ফাতিহ সেই বাধা ডিঙান এক অসম্ভবকে সম্ভব করে—৭০ থেকে ৮০টি ওসমানীয় যুদ্ধজাহাজ তিনি ভূমির উপর দিয়ে টেনে উপসাগরে নামিয়ে আনেন।
আজকের মানচিত্র অনুযায়ী, দোলমাবাহচে থেকে শুরু করে তাকসিম স্কয়ার পেরিয়ে কাসিমপাশা পর্যন্ত প্রায় ৩ কিমি পথ জুড়ে পশুর চর্বি মাখা গাছের গুঁড়ির উপর দিয়ে, গভীর রাতে এই পুরো অভিযান সম্পন্ন হয়।

🔻🔻 আল্লাহু আকবার🔻🔻 Operation Series:- Stones of David 🔻 খান ইউনিসের পূর্বে, Al-Qarara শহরে ইজ্রাইলি সন্ত্রাসী ও সামরিক যানের বিপক্ষে সিরিজ এম্বুশের আংশিক ভিডিও প্রকাশ করেছে আল-কাসসাম ব্রিগেড। প্রথমে ফাঁদে ফেলে তাদেরকে একটি টানেলের নিকট আনার পর তাতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। রেস্কিউ ফোর্সকে  ২টি এন্টি-পার্সোনেল বোম্ব দ্বারা টার্গেট করা হয়। আশেপাশের ৩টি বিল্ডিংয়ে আশ্রয় নেয়া সন্ত্রাসী সমেত বিস্ফোরণ ঘটানো হয়!