ch
Feedback
Mohammad Abid

Mohammad Abid

前往频道在 Telegram

কোনও নির্দিষ্ট টপিক ফিক্সড নাই, যা মনে আসে তাই লিখি মাঝে মাঝে। ভিন্নমত স্বাগতম জানাই কিন্তু অভদ্র আচরণ অপছন্দ করি। ব্যক্তিগত চ্যানেল, তাই কখনও কখনও হাবিজাবি জিনিসপত্র শেয়ার করি।

显示更多

📈 Telegram 频道 Mohammad Abid 的分析概览

频道 Mohammad Abid (@abidmohammad) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 13 409 名订阅者,在 新闻与媒体 类别中位列第 13 571,并在 孟加拉国 地区排名第 1 039

📊 受众指标与增长动态

невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 13 409 名订阅者。

根据 06 十二月, 2024 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 117,过去 24 小时变化为 0,整体触达仍然可观。

  • 认证状态: 未认证
  • 互动率 (ER): 平均受众互动率为 10.01%。内容发布后 24 小时内通常能获得 9.81% 的反应,占订阅者总量。
  • 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 1 342 次浏览,首日通常累积 1 316 次浏览。
  • 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 45

📝 描述与内容策略

作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
কোনও নির্দিষ্ট টপিক ফিক্সড নাই, যা মনে আসে তাই লিখি মাঝে মাঝে। ভিন্নমত স্বাগতম জানাই কিন্তু অভদ্র আচরণ অপছন্দ করি। ব্যক্তিগত চ্যানেল, তাই কখনও কখনও হাবিজাবি জিনিসপত্র শেয়ার করি।

凭借高频更新(最新数据采集于 18 三月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 新闻与媒体 类别中的关键影响点。

13 409
订阅者
无数据24 小时
无数据7
+11730
帖子存档
আজ জুমার দিন, আলেপ্পো বিজয় হলে ঐতিহাসিক দিন হয়ে থাকবে।

হায়াত তাহরির আল- শাম, সুলতান মুরাদ ডিভিশন (সিরিয়ান ন্যাশনাল আর্মির একটি ডিভিশন) এবং আহরার আল-শাম যৌথভাবে আলেপ্পোর উপশহর নিউ আলেপ্পোতে আক্রমণ শুরু করেছে। #SYRIA

তাহরির আল-শাম, সুলতান মুরাদ ডিভিশন (সিরিয়ান ন্যাশনাল আর্মির একটি ডিভিশন) এবং আহরার আল-শাম যৌথভাবে আলেপ্পোর উপশহর নিউ আলেপ্পোতে আক্রমণ শুরু করেছে। #SYRIA

সংগৃহীত
সংগৃহীত

হায়াত_তাহরীর_আলশাম_ও_আফগান_তালিবান.pdf7.01 KB

ফিলিস্তিনের সংবাদ জানান জন্য অধিকাংশ মানুষই যেসব টেলিগ্রাম চ্যানেলের উপর নির্ভর করেন সেগুলোর বড় অংশ প্রো-ইরান বা প্রো-রাশিয়া। ইরান ও রাশিয়া যেহেতু আসাদের ঘনিষ্ঠ মিত্র (আসাদ ক্ষমতায় থাকতেই পারতো না এরা সাহায্য না করলে) তাই এই চ্যানেলগুলো আসাদ বাহিনীর পক্ষে বিভিন্ন অতিরঞ্জিত সংবাদ প্রচার করছে। বিভ্রান্ত হবার প্রবল সম্ভাবনা আছে এই চ্যানেলগুলোর সংবাদ থেকে। এজন্য আপনারা চেষ্টা করবেন স্বাধীন ও স্থানীয়দের দ্বারা পরিচালিত চ্যানেলগুলোর সংবাদ দেখতে। এটাই নিরাপদ।

ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলনে যুক্ত বেশ কিছু সংগঠন ও গ্রুপের বিষয়ে আমার লেখাগুলোর লিংক https://t.me/News_and_Analysis/138 * এই চ্যানেলের "এডমিন" যে একাউন্ট থেকে ছিলাম, বিশেষ কারণে সেই একাউন্ট ডিলিট করে দিতে হয়েছিল। তখন এই চ্যানেলের এক্সেস চলে গিয়েছিল।

অনেক আগে নোট লেখা শুরু করার কারণে কিছু বিষয় এখন সম্পূর্ণ প্রাসঙ্গিক নাও হতে পারে তবে ধারণা পাবার জন্য সহায়ক হবে। ইন শা আল্লাহ

সিরিয়ার যুদ্ধ সিরিজের লেখাগুলো একত্রিত করে দিয়েছেন আব্দুর রহমান আল হাসান ভাই। সিরিজ সংশ্লিষ্ট অনেকগুলো লেখাও এখানে রয়েছে। @abidmohammad

এদিকে দারোয়ান এত লোক দেখে ভয় পেয়ে গেল। তাকে হুমকি ধামকি দিতেই সে গেইট খুলে দিল। সবাই এলাকার স্থানীয় পোলাপান। এদেরকে ক্ষেপিয়ে দারোয়ানের চাকরি করা যাবে না। গেইট খোলা পেয়েই হুড়মুড় করে ছাত্ররা বিল্ডিং এ ঢুকে পড়ল। একদল ৪ তলার টার্গেটেড ফ্ল্যাটের দরজায় আরেকদল ৬ তলার ফ্ল্যাটের দরজা ধাক্কা দিতে লাগল। ৪ তলার দরজা খুলল না কিন্তু ৬ তলার দরজা খুলে ফেলল। ভেতরে ভয়ার্ত বাসার লোকজনকে দেখে বুঝল এখানে কোন স্নাইপার থাকার কথা না। ৪ তলার দরজা কেউ খুলছে না। শব্দ শুনে পাশের রুমের দরজা খুলে একজন দেখা দিয়ে বললেন "এই বাসাটা ফাঁকা।" ফাকা বাসার কথা শুনে পোলাপানদের উৎসাহ আরো বেড়ে গেল। এক পর্যায়ে তারা দরজা ভেংগে ফেলল। ভেতরে হুড়মুড় করে ঢুকেই তারা সেই কাঙ্ক্ষিত স্নাইপারের দেখা পেল। পুলিশের পোষাক পরা দুইজন লোক রাইফেল হাতে এই বাসায় অবস্থান করছে। এই বাসাটা আসলেই ফাঁকা। দুইজন পুলিশ প্রাণ ভিক্ষার উদ্দেশ্যে মাফ চাওয়ার ভঙ্গিতে হাত জোড় করে রাখল। উত্তেজিত জনতার এখন এসব দেখার সময় নেই। তারা পুলিশ দুইজনকে উত্তম মধ্যম লাগানো শুরু করল। একজন এক রুমে দুইটা রাইফেল খুজে পেল। রাইফেলের নল এখনো গরম। তার মানে এই রাইফেল থেকেই গুলি করা হয়েছে। পুলিশ দুইজনকে মারতে মারতে বিল্ডিং এর নিচে নামানো হলো। এদিকে শোরগোল টের পেয়ে বিল্ডিং এর মালিক পালিয়ে গেল। তাকে অবশ্য বিল্ডিং এ হামলাকারী আন্দোলনকারীরা চিনত না। চিনলে তার পালানোর সুযোগ হতো না। আধা ঘণ্টা পরে যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভারে দুইটা উলঙ্গ লাশ ঝুলে রইল। তাদের পা উপরের দিকে আর মাথা নিচের দিকে। এদিকে সূর্য উঠে গেছে। রাস্তায় হাজার হাজার মাদ্রাসার ছাত্র তাকবির ধ্বনি দিচ্ছিল। আশেপাশের মাদ্রাসা থেকে পঙপালের মত ছাত্র আসছিল। খুনি পুলিশের এই পরিণতি দেখে সমবেত জনতার উৎসাহ বেড়ে গেলো। আজকে যাত্রাবাড়ীর বেরিকেড ভাঙতেই হবে। এমনিতেই যাত্রাবাড়ী থেকে কাঁচপুর ব্রীজ ৩ দিন ধরে অচল৷ কয়েকশো গাড়ির চাকা পাংচার করে রাখা হয়েছে। চাইলেও এখান দিয়ে কোনো গাড়ি আসা যাওয়া করতে পারবে না। ১৮ জুলাই ২০২৪ ছিল আন্দোলনের একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন। রক্তের বন্ধন | সাইফুল ইসলাম

১৮ জুলাই ২০২৪ যাত্রাবাড়ীর এক গলি থেকে ফজর নামাজ পড়ে ৩/৪ টা ছেলে মেইন রোডের দিকে যাচ্ছিল। তাদের উদ্দেশ্য, ভোর হবার আগেই যাত্রাবাড়ী চিটাগং রোড হাইওয়ে দখলে নেয়া। আর মাত্র ৫ টা বিল্ডিং পরে গলি শেষ, সামনে মেইন রোড। হঠাৎ গুলির শব্দ, তাদের একজন সঙ্গী লুটিয়ে পড়ল। ছেলেটার নাম মারুফ। হতবিহ্বল বাকীরা বুঝতে পারছিল না কোথা থেকে গুলি এসেছে, কে গুলি করেছে। এদিকে লুটিয়ে পড়া সঙ্গীর শরীর থেকে গলগল করে রক্ত বের হচ্ছে। তার দিকে ভালো ভাবে তাকাতেই ২য় গুলির শব্দটা শোনা গেল। উপস্থিত সবাই মাটিতে শুয়ে পড়ল। এদের গায়ে গুলি লাগে নি। এরা নিরাপত্তার জন্য শুয়েছে৷ আহত মারুফকে টেনে হিঁচড়ে গলির ভেতরে নিয়ে যাওয়া হলো। মারুফের কাঁধ ছুয়ে গুলি বেরিয়ে গেছে। রাবার বুলেট না। এটা স্নাইপার বুলেট। এগুলো যুদ্ধে ব্যবহার করা হয় আরেক দেশের সৈন্য হত্যা করতে। এদিকে যাত্রাবাড়ী বাসী গত ৩ দিন গুলির শব্দ শুনে অভ্যস্ত তবে এখন ভোর হওয়ায় শব্দের মাত্রাটা বেশি ছিল। এলাকার সবার ঘুম ভেঙে গেল। অনেকে বাসা থেকে নেমে গেল। বাইরে কী হচ্ছে জানার জন্য। গুলির শব্দের উৎস নিয়ে আলোচনা করে বের করা হলো গলির মাথায় কোনো বাড়িতে স্নাইপার আছে। গলি থেকে বের হলেই গুলি করবে। কিন্তু কোন বিল্ডিং এ স্নাইপার সেটা জানে না কেউ। আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতে হলে মেইন রোডে যেতে হবে। যদিও এটা যাত্রাবাড়ী। মেইন রোডে যাওয়ায় অনেকগুলো রাস্তা আছে। আশেপাশের গলি থেকেও সেইম তথ্য এলো। গলি থেকে বের হতেই অদৃশ্য স্থান থেকে তাদের উপর গুলি করা হয়েছে। এলাকাবাসী সিদ্ধান্ত নিল যে করেই হোক স্নাইপারের লোকেশন বের করতে হবে। এটা বের করার জন্য জানবাজ কিছু লোক দরকার যার গুলি খাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কয়েকজনকে আগে গলি থেকে বের হতে হবে। পেছনে পেছনে কিছু লোক দেখবে কোন বাসা থেকে গুলি করছে। কে হবে সেই জানবাজ? ইন্টার পড়ুয়া একটা ছেলে আগে যেতে রাজি হলো। সে একা একা আগে যাবে। ছেলেটার নাম অনিক। সে বন্ধুর সাথে কোলাকুলি করল। এক বন্ধুর কানে কানে বলল "আমার কিছু হলে মাকে সান্ত্বনা দিস।" বন্ধু দুস্টামি করে উত্তর দিল "আর তোর ক্রাশ?" অনিক উত্তর দিল "তাকে আমার কথা বলিস।' হাসিমুখে অনিক গলির মুখের দিকে এগোলো। তার চোখে সতর্ক দৃষ্টি। আগে যেখানে মারুফ গুলি খেয়েছে ঠিক সেই স্থানে আসার সাথে সাথে গুলির শব্দ শোনা গেল। এদিকে অনিক আগে থেকেই একে বেঁকে চলছিল। গুলি তার গায়ে লাগে নাই। তবে গুলিটা আশেপাশের কোথাও দিয়ে গেছে বোঝা গেছে। অনিক পেছন দিকে না গিয়ে সামনের দিকে দৌড় দিল। এবার আরেকটা গুলি হলো। এটাও অনিকের গায়ে লাগে নাই। এদিকে অনিকের পেছন পেছন আরো ২ টা ছেলে এলোমেলো ভাবে দৌড়াচ্ছিল। পেছন থেকে শরীফ আর শাহাদাৎ ভাই মোটামুটি একটা ধারনা পেলেন কোন বিল্ডিং থেকে গুলি করেছে। এদিকে অনিক ও ২ টা ছেলে গলির মাথায় পৌঁছে গেছে। তারা একটা বিল্ডিং এর ঠিক নিচে অবস্থান করছে। এখানে উপর থেকে কেউ গুলি করতে পারবে না। এদিকে শরীফ আর শাহাদাৎ আগের জায়গায় ফিরে গেল। সেখানে এখন মিনিমাম ১০০ জন আন্দোলনকারী। আরো অনেকেই জড়ো হচ্ছে। সবাই ইতিমধ্যে জেনে গেছে গলির মুখে অদৃশ্য স্নাইপার অবস্থান করছে। কোন বিল্ডিং থেকে গুলি করা হয়েছে সেই ধারনাও পেয়ে গেছে। তারা এটা নিয়ে বলাবলি করল। এক পর্যায়ে তারা জানতে পারল ঐ বিল্ডিংটার মালিক এক আওয়ামীলীগ নেতা। তার মানে তাদের ধারণা সঠিক। আওয়ামীলীগ নেতার বাসায় পুলিশ অথবা আওয়ামীলীগের স্নাইপার অস্ত্র তাক করে বসে আছে। বিল্ডিং টা ৬ তলা। গুলি করা হয়েছে ৩ থেকে ৬ তলার মধ্য থেকে যেকোনো একটা ফ্ল্যাট থেকে। গলির যে পয়েন্টে ভোরে মারুফ গুলি খেয়েছে সেখান থেকে ৪/৫/৬ তলা ভালো করে দেখা যায়। তার মানে ৩ তলা থেকে গুলি করা হয় নি। আবার ছাদ থেকেও গুলি করা হয় নি। এদিকে ২ টা করে মোট ৬ টা ফ্ল্যাট আছে। ৩ টা ফ্ল্যাট আগেই বাদ দেয়া হলো। কারণ এই ৩ টা ফ্ল্যাট থেকে মেইন রোডের দিকে গুলি করা যাবে, গলির ভেতরের দিকে নয়। ৪/৫ ও ৬ তলাকে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা হলো কিন্তু কাউকে দেখা গেলো না। ৫ তলার একজন মহিলা বারান্দায় এসে কী যেন দেখে রুমে ঢুকে গেলেন। তার মানে ৫ তলাতেও স্নাইপার নেই। অর্থাৎ ৪ ও ৬ তলার এদিকের ফ্ল্যাটের যেকোনো একটায় স্নাইপার আছে। এখন আন্দোলনকারীরা টার্গেট নিয়েছে এই বিল্ডিং এর দখল নিবে। তারপর বিল্ডিং এ ঢুকে স্নাইপারকে বের করবে। কাজটা খুবই ভয়ানক কারণ আন্দোলনকারী কারো হাতে পিস্তল নাই। লাঠি ও ইটের টুকরাই একমাত্র ভরসা। আন্দোলনকারীরা এক এক করে গলির বিল্ডিং গুলোর দেয়ালের সাথে গা ঘেঁষে ঘেঁষে মেইন রোডের দিকে এগোলো। একজন একজন করে আগানোর কারণে উপর থেকে কেউ দেখার সুযোগ নেই। তাই গুলিও হলো না। ৫ মিনিটের মধ্যে আওয়ামিলীগ নেতার বাড়ির সামনে প্রায় শ খানেক আন্দোলনকারী হাজির হয়ে গেল।

Repost from News Box Bangla
আসাদ সরকার আলেপ্পোর কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করেছে তারা যেনো দ্রুত সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টসমূহ নিয়ে পরিবারসহ নিরাপদ স্থানে সরে আসে। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে অন্তত সাময়িক সময়ের জন্য হলেও আলেপ্পো ছেড়ে দিচ্ছে আসাদ বাহিনী। আসাদ বিরোধীরা আলেপো শহরের একদম নিকটে চলে এসেছে। #SYRIA

ভর দুপুরের নৈশব্দতায় যারে আমি খুঁজি, সে কি জানে? তারে রোজ কত করে চাই! ভরা জোছনায় আমি যার কথা স্মরণ করি, সে কি জানে? তার জন্য কত সহস্র স্বপ্ন দেখি রোজ! আমার শেষ রাত্তিরের মুনাজাতে যার নামহীন উপস্থিতি, সে কি জানে? কতটা আবেগ জমিয়েছি দিনে দিনে তার জন্য! একটা একটা নিরস বিকাল আর সন্ধ্যা জমিয়েছি জীবন থেকে, তার সাথে গল্প করবো বলে! সে কি জানে? সে কি জানে? নীল আকাশের দিকে একান্তে চেয়ে আমি তার কথাই ভাবি? রাত দুপুরের নৈশব্দতার মাঝে আমি তারে খুঁজি, সে কি জানে? তারে রোজ কত করে চাই!

তুমি দ্বীনদারীকেই প্রাধান্য দেবে নতুবা তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। (বুখারি ৫০৯০, মুসলিম ১৪৬৬, মুসনাদে আহমাদ ৯৫২৬)

SNA এর সকল বিগ্রেড লড়াইয়ে শামিল হয়নি। তবে সবাই এলার্ট আছে।

উপরের ৫ টা পিডিএফ পড়ে ফেলেন।

Repost from Mohammad Abid
শামের_ভূখণ্ড_থেকে_অসহায়ের_আর্তনাদ (পর্ব ৫) https://t.me/newsboxbangla/14744

Repost from Mohammad Abid
শামের_ভূখণ্ড_থেকে_অসহায়ের_আর্তনাদ (পর্ব ৪)

Repost from Mohammad Abid
শামের_ভূখণ্ড_থেকে_অসহায়ের_আর্তনাদ (পর্ব ৩)