ch
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

前往频道在 Telegram

🙂🙂🙂

显示更多
1 954
订阅者
无数据24 小时
-77 天
-1830 天
帖子存档
ঘূর্ণিঝড় মোখা সংক্রান্ত যেকোন প্রয়োজনে জাতীয় দুর্যোগ কেন্দ্র, ফায়ার সার্ভিসসহ বেশ কয়েকটি সংস্থা জরুরি সেবা নম্বর চালু করেছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় জাতীয় দুর্যোগ কেন্দ্রের হটলাইন নম্বর ৫৫১০১১১৫ এবং ৫৫১০১২১৭। ফায়ার সার্ভিস বা তাদের হটলাইন নম্বর ১৬১৬৩। দুর্যোগের আগাম বার্তা জানতে টোল ফ্রি নম্বর চালু রয়েছে ১০৯০। কক্সবাজারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের হটলাইন নম্বর ০১৮৭২৬১৫১৩২। চট্টগ্রামবাসীরা ঘূর্ণিঝড় সংক্রান্ত সব ধরনের তথ্য ও সেবা পাবেন ০২৩৩৩৩৬৩০৭৩৯ এই হটলাইন নম্বরে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি ভবনে কন্ট্রোল রুম খুলেছে। কন্ট্রোল রুমের নাম্বার হচ্ছে : ০১৩১৮২৩৪৫৬০ এবং ০১৭৭৫৪৮০০৭৫।

ইসতিখারার জন্য ঘুমানো শর্ত নয়। ইসতিখারার জন্য স্বপ্নে দেখা আবশ্যক কোনো বিষয় নয়। এমনকি ইসতিখারার জন্য নামাজও (সালাতুল ইসতিখারা) বাধ্যতামূলক নয়; তবে নামাজ পড়তে পারলে ভালো। ইসতিখারার মূল বিষয় হলো, আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া। সিদ্ধান্তকৃত বিষয় কল্যাণকর হলে আল্লাহ যেন তা সহজ করেন ও বরকত দেন আর অকল্যাণকর হলে তা থেকে সরিয়ে নেন। সিদ্ধান্ত নেবে ভাবনাচিন্তা করে বা সম্ভব হলে পরামর্শ করে। পরামর্শ করা স্বতন্ত্র সুন্নাহ। এরপর সেই সিদ্ধান্ত সঠিক আছে কি না, তা যাচাই করার জন্য আলিমুল গাইবের উদ্দেশে ইসতিখারা করবে। সংক্ষিপ্ত দুয়া দিয়ে হোক, সালাত আদায় করে নির্দিষ্ট বাক্য পাঠ করে হোক অথবা হোক আসমায়ে হুসনার জিকির করে; যেকোনোভাবে আল্লাহর হাওয়ালা করা হবে বিষয়টা। এরপর দিলের ঝোঁক যে দিকে অনুভব করবে, তা চালিয়ে যাবে। একান্ত তাতে সমস্যা থাকলে আল্লাহই তা থেকে সরিয়ে নেবেন। এটাই ইসতিখারা। বিষয়টা সিম্পল। তবে অযথাই অধিক জটিল মনে করে আমরা এ থেকে দূরে থাকি। অথচ বলা হয়ে থাকে, 'যে ইসতিখারা করে, সে ব্যর্থ হয় না আর যে পরামর্শ করে, সে লজ্জিত হয় না।' • ✒️ মুফতি আলী হাসান ওসামা...

কোনো কাজের শেষে পুরস্কার বা পরিণতি থাকলে আমরা সেই কাজটাকে গুরুত্ব দিই। বাচ্চাদের বলতে পারেন যে পুরোনো গেমগুলি বিক্রি করে যে টাকা পাওয়া যাবে তার পুরোটাই তাদের। . ৩. কে কোন কাজ করবে তা ঠিক করতে লটারি করতে পারেন পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে বাচ্চাদের ডিক্লাটারিংয়ে আগ্রহী করতে পুরো প্রক্রিয়াটাকে একটা খেলার মতো করতে পারেন। সবগুলি কাজের নাম আলাদা কাগজে লিখে একটি পাত্রে নিন। তারপর একেকজন একেকটা কাগজ তুলুন। যার কাগজে যে কাজের নাম থাকবে, সে সেটা করবে। . এভাবে সবাই মিলে কাজ করলে অনেক বড় ডিক্লাটারিংয়ের কাজও সহজ হয়ে যাবে। #ডিক্লাটারিং #বাসা #টিপস

ডিক্লাটার করার কাজকে সহজ করতে যে ছোট কাজগুলি করতে পারেন সাহায্য না চাইলে সাধারণত অন্য কেউ নিজ থেকে এসে আপনার বাসার অতিরিক্ত জিনিসপত্র ফেলে দেয়া বা কাউকে দিয়ে দেয়ার দায়িত্ব নেবে না। এই কাজটা আপনাকেই করতে হবে। বাসা গোছানো দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার হতে পারে। তাই এটিকে যে কোনোভাবে শুরু না করে আগে একটি পরিকল্পনা বানিয়ে নিন। যেভাবে কাজটি করবেন: # শিডিউল তৈরি করুন একদিনে সবকিছু না করে, বাসার অতিরিক্ত ও অগোছালো জিনিসপত্র পর পর তিন দিন ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট সময় নিয়ে গোছান। অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলি ফেলে দিন বা কাউকে দিয়ে দিন। অনেকে বৃহস্পতি-শুক্র-শনিবার এসব কাজ করেন, আপনিও নিজের সুবিধা মতো এমন তিন দিন বের করুন। সপ্তাহের যেকোনো তিন দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা রাতে খাওয়ার পর ডিক্লাটারিং এর কাজ করুন। . # অন্যের সাহায্য নিন দরকার হলে অবশ্যই অন্য কারো সাহায্য নিন। পরিবারের সদস্যদের সাহায্য নিতে পারেন, বন্ধুদের সাহায্য নিতে পারেন। পরিবারের সবাইকে একসাথে কাজ করতেও অনুপ্রাণিত করতে পারেন। . # নিজের পরিকল্পনার কথা প্রচার করুন পরিবারের সদস্য, রুমমেট কিংবা প্রতিবেশীদের আগে থেকেই আপনার পরিকল্পনা জানান। ডিক্লাটারের কাজে কোন সময়টা ব্যস্ত থাকবেন তা তাদের জানিয়ে দিন, যাতে তারা আপনার কাজে ব্যাঘাত না ঘটায়। আর তারা যদি আপনাকে সাহায্য করে, তাহলে এই সময়ের মধ্যে তাদের নিজস্ব কিছু কাজ এগিয়ে রাখতে বলুন। . # প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে আসুন ডিক্লাটারের জন্য এই জিনিসগুলি হাতের কাছে রাখুন: মার্কার, ইনডেক্স কার্ড, স্টিকি নোট ও স্বচ্ছ বা ট্রান্সপারেন্ট টেপ (যাতে সহজে লেবেল বানানো যায়)। কার্ডবোর্ডের বক্স ও প্লাস্টিক ব্যাগ (যেসব জিনিসপত্র কাউকে দিয়ে দেবেন সেগুলি আলাদা ভাবে গুছিয়ে রাখার জন্য)। যেসব জিনিস ফেলে দিতে চান সেগুলির জন্য আলাদা পলিথিন বা ব্যাগ ও কাঁচি বা অ্যান্টিকাটার। . # উপযুক্ত পোশাক পরুন ডিক্লাটারিংয়ের সময় আরামদায়ক ও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন এমন জামাকাপড় পরুন। তাতে ডিক্লাটার করার সময় অন্য জামাকাপড় ট্রায়াল দিয়ে দেখা সুবিধার হবে। . # উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করুন পছন্দের পডকাস্ট বা গান ছেড়ে কাজ করুন। পছন্দের পানীয় বা জলখাবার রাখতে পারেন হাতের কাছে। . # ঘড়ি ধরে কাজ করুন মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে একটি টাইমার সেট করুন। এই সময়ের মধ্যে যতটা সম্ভব কাজ শেষ করার চেষ্টা করুন। তারপর ৫ মিনিট বিরতি নিন। আরো কাজ বাকি থাকলে, আরেক বার সময় সেট করে কাজ শেষ করুন। আর যদি ক্লান্ত লাগে, তাহলে পরের দিন আবার একই জায়গা থেকে কাজ করুন। . # একবারে সিদ্ধান্ত নিন ডিক্লাটারিংয়ের প্রধান বিষয় হচ্ছে, আপনি একটা জিনিস রাখবেন নাকি ফেলে বা কাউকে দিয়ে দেবেন সেই সিদ্ধান্ত নেয়া। একটা জিনিস হাতে নিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করুন, “আমার কি এটা রাখা উচিত?” এতে করে উত্তর পেয়ে যাবেন। আপনার যদি তৎক্ষণাৎ মনে হয় কোনো কিছু রাখা বা ফেলা দরকার, তাহলে নিজের মনের কথা শুনুন। . # চারটি চূড়ান্ত অপশন মাথায় রাখুন ডিক্লাটারিংয়ের সময় যে জিনিসগুলি রেখে দিচ্ছেন না সেগুলির কী হবে তা নিয়ে শুরুতেই দুশ্চিন্তা করবেন না। সেগুলি পরে বিক্রি করতে পারেন, কাউকে দিয়ে দিতে পারেন, দান করতে পারেন কিংবা রিসাইকেল করতে পারেন। . #গুণগত মান ও কার্যকারিতার দিকে মনোযোগ দিন ডিক্লাটারিংয়ের সময় নিজেকে ঠিক প্রশ্নগুলি জিজ্ঞেস করতে পারলে কোন জিনিসগুলি রাখবেন আর কোনগুলি রাখবেন না সেই সিদ্ধান্ত দ্রুত ও আত্মবিশ্বাসের সাথে নিতে পারবেন। ভালো ও কার্যকর জিনিসগুলি রাখুন ও বাকিগুলি বাদ দিন। . # আবেগের বাইরে দেখার চেষ্টা করুন যেসব জিনিসের সাথে আপনার আবেগের সম্পর্ক আছে (কালেকশন, হাতে বানানো জিনিস, বই ইত্যাদি), সেগুলি ডিক্লাটার করতে নিরপেক্ষ কারো সাহায্য নিন। নিরপেক্ষ ব্যক্তি একটা একটা করে জিনিস তুলে ধরে জিজ্ঞেস করবে আপনি তা রাখতে চান কিনা। ছোটবেলার পছন্দের খেলনা কিংবা দশ বছর আগে পড়া একটা উপন্যাস নিজের হাতে ধরে না দেখলে আপনার জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া সহজ হবে। . # কাজ করতে থাকুন ডিক্লাটারিংয়ের সময় এমন অনেক জিনিস পাবেন যেটা আপনি রাখবেন নাকি বাদ দিবেন সেই সিদ্ধান্ত দ্রুত নিতে পারবেন না। এমন জিনিসগুলি একপাশে রেখে দিয়ে কাজ করতে থাকুন। প্রতি সেশনের শেষ ৫-১০ মিনিট এই জিনিসগুলি নিয়ে কী করা যায় তা ভাবুন। . # প্রতি সেশনের শেষে নিজের জন্য ভাল কিছু রাখুন প্রতিটি সেশনের শেষে ইতিবাচক কিছু করুন। সেটা হতে পারে পছন্দের চকলেট খাওয়া, এক গ্লাস বরফ পানি খাওয়া ইত্যাদি যেকোনো কিছু। . # টিমওয়ার্কের কৌশল ডিক্লাটারিংয়ের শুরু থেকেই পরিবারের সদস্যদের নিজের কাজটুকু করার জন্য অনুপ্রেরণা যোগান। ১. নির্দিষ্ট করে সব তথ্য দিন ঠিক কোন ক্ষেত্রে আপনার সাহায্য দরকার তা বলে দিন, একটি ডেডলাইন ঠিক করুন। যেমন, বাচ্চাদের বলতে পারেন, “শনিবারের মধ্যে তোমার সব ভিডিও গেম দুই ভাগে ভাগ করবে: যেগুলি তুমি খেলো ও যেগুলি খেলো না।” . ২. ডেডলাইনের কথা বার বার মনে করিয়ে দিন

জোরে বাতাশ (ঝড়) প্রবাহিত হলে রাসূল সা: এই দোয়া পড়তেন; ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাহা, ওয়া আউযুবিকা মিন শাররিহা’ অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এর কল্যাণটাই কামনা করি। এবং আপনার কাছে এর অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই। -আবু দাউদ ৪/৩২৬, হাদিস : ৫০৯৯

Repost from Reflections
উস্তাযা নায়লার নুযহাত এর লেকচার থেকে নেয়া তারবিয়ার উপর কিছু কথা (নোট নিয়েছেন বোন ইসরাত জেরিন) ২ এই সমস্যাগুলো বার বার সামনে আসে দেখে reminder হিসাবে এই কথা গুলো বলা। তাই সংক্ষেপে আমি বলে যাচ্ছি কয়েকটা point মাথায় রাখবেন বোনেরা । নিজেদের সন্তানদের জন্য এবং যদি নিজেদের সন্তান না থাকে অন্যদেরকে সচেতন করবেন । সেটা হচ্ছে: ১) সন্তানদের দিকে একটু খেয়াল রাখতে হবে। সন্তানেরা কী করে, কী করছে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে । তাদেরকে আমরা entertainment এর নামে হোক অথবা পড়াশুনার নামে হোক internet এ expose করবো না। internet এ কী হয় এটা আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু অনেকে হয়তো আছি এরকম যার idea নাই যে internet এ আসলে কী হয়, কিভাবে whatsapp চলে, কিভাবে instagram চলে, কিভাবে browsing হয় --- অনেকেই এগুলো জানি না আমরা । সেক্ষেত্রে সন্তানদেরকে এটাতে exposed করার কোনো মানে নাই। যখন আমি খেয়ালই রাখতে পারবো না, যখন আমি জানি না কী চলছে তখন সন্তানদেরকে এটাতে expose ও আমরা করবো না। এবং "না ওরা শুনে না " এসব বলে লাভ নাই । আপনি চান কি না যে আপনার সন্তান আল্লাহর পথে থাকবে এটা হচ্ছে প্রথম প্রশ্ন যা আপনার নিজের কাছে নিজের করতে হবে। যদি সেটা চান তাহলে যেটা আপনি বোঝেন সেটা তো আপনি বুঝে বুঝে দিবেন সন্তানকে । কিন্তু যেটা আপনি বোঝেন না সেটা আপনি সন্তানকে দিবেনই না। তাই নিজেদেরকে সচেতন হতে হবে যে কী চলছে internet এ, সেখানে কী করতে পারে সন্তানেরা সে বিষয়ে জানতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে: যা আমি control করতে পারি না, যা কিছু আমি খেয়াল রাখতে পারি না, সেটাতে আমি সন্তানকে expose ই করবো না in first place । (চলবে)

বর্তমান জামানার সবচেয়ে বাজে দিক হলো, সকল দিক থেকে আমাদের রুচি শূন্যের কোঠায়।আমাদের মস্তিষ্ক পুরোপুরি বিকৃত। শুধু ভাইরালের নেশ
বর্তমান জামানার সবচেয়ে বাজে দিক হলো, সকল দিক থেকে আমাদের রুচি শূন্যের কোঠায়।আমাদের মস্তিষ্ক পুরোপুরি বিকৃত। শুধু ভাইরালের নেশা ও অশ্লীলতার ছড়াছড়ি। এমন এক সমাজ আর প্রজন্মে বসবাস করছি আমরা যে যত অশ্লীলতাকে বিকৃত ভাবে উপস্থাপন করতে পারে সে ততো ভাইরাল ও আইডল। ইদানিং ফেসবুক ও ইউটিউব খুললেই দেখছি অশ্লীলতাকে এমন ভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে এটা যেন খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। আমরাও তা হাসিমুখে গ্রহন করছি ও শেয়ার করছি। আল্লহ তায়ালা বলেন, اِنَّ الَّذِیۡنَ یُحِبُّوۡنَ اَنۡ تَشِیۡعَ الۡفَاحِشَۃُ فِی الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَهُمۡ عَذَابٌ اَلِیۡمٌ ۙ فِی الدُّنۡیَا وَ الۡاٰخِرَۃِ ؕ وَ اللّٰهُ یَعۡلَمُ وَ اَنۡتُمۡ لَا تَعۡلَمُوۡنَ ﴿۱۹﴾ নিশ্চয় যারা এটা পছন্দ করে যে, মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ুক, তাদের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব। আর আল্লাহ জানেন এবং তোমরা জান না। আমাদের রুচির চরম পর্যায়ে অবনতি হয়েছে চরম তাই এসব গ্রহণ করছি