1 961
订阅者
无数据24 小时
-37 天
-930 天
帖子存档
1 961
আজকাল ভাই-বোনদের মাঝে শ্রদ্ধা, সম্মান এবং সীমাবদ্ধ ভালোবাসা না থাকায় এবং বাবা-মার অসচেতনতার কারণে এসব বেশি দেখা যাচ্ছে..
সাবালক হওয়ার পর-ই ভাই-বোনদের মাঝে একটা স্বাভাবিক দূরত্ব বজায় চলা উচিত,সেই সাথে বাবা-মায়েরও সর্বদা সজাগ দৃষ্টি রাখা উচিত..যুগ পরিবর্তন হচ্ছে সেই সাথে শয়তানের কুমন্ত্রণা তো আছেই..ভাই-বোনের মাঝে অতিরিক্ত মেলামেশা ভালোবাসা প্রদর্শন করা অনেকের ক্ষেত্রে যেমন শারীরিক আকর্ষণের সৃষ্টি করে আবার অন্য দিকে বিয়ের পরও এই ভালোবাসার কারণে ভাই-বোনের সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করতে যথেষ্ট..ভাই-বোন ফেরেস্তা হলেও তাদের কখনো একা কোথাও থাকার পারমিশন দিবেন না, অনুরোধ রইলো..আমার কথাগুলো অন্যরকম মনে হলেও এটাই বাস্তবতা..
তাই সব বাবা-মা-ই ছেলে-মেয়ে সাবালক হওয়ার পর থেকেই সাবধান হন..
1 961
১. বাঙালি ওয়াইন খেয়ে মাতাল হতে চায়! অথচ এই স্বর্গীয় পানীয়টি তৈরী হয়েছে এক গ্লাস/কয়েক ঢোক খাবারের সাথে ( খাবারের একটু আগে এক ঢোক দিয়ে শুরু করতে হবে ) পানের জন্যে! ক্ষুধা এবং রুচিকে উস্কে দেয়ার জন্যে এই পানীয়! ফরাসিরা প্রতিদিন দুইবেলা নিয়ম হিসেবেই ওয়াইন পান করেন। তবে মনে রাখবেন—রেড ওয়াইন গোজ উইথ মিট। হোয়াইট ওয়াইন গোজ উইথ ফিস! আর জানেন তো—শ্যাম্পেন হচ্ছে হোয়াইট ওয়াইনের একটি উন্নত রূপ।
২. বাঙালি ভদকা খায় (পান নয়) গরমে। আরে ভাই, এই পানীয় সৃষ্টি হয়েছে শীত থেকে বাঁচতে! রাশিয়ায় এই পানীয় শ্রমিকদের দেয়া হয় প্রচন্ড শীত থেকে জীবন বাঁচাতে। জেনে রাখুন—শ্রেষ্ঠ ভদকার নাম- Stolichnaya! গরমে ভদকা কিন্তু নারকীয়। সাবধান!
৩. বাঙালি জিন খায় (পান নয়) শীতে! আরে ভাই, এই পানীয় সৃষ্টি হয়েছে গরম থেকে বাঁচতে! শীতে জিন পান করলে তো শীতে মরবি! অথচ গরমে একচামচ জিন মিশিয়ে একগ্লাস জল খেলে শরীরে প্রশান্তি। বিজ্ঞান জেনে নে হে মদ অনভিজ্ঞ বাঙাল। গরমে গলফ খেলোয়াড়দের রক্ষাকবচ এই জিন।
৪. বাঙালি ‘ব্লাডি মেরি’ খায় (পান নয়) মূল ড্রিংক হিসেবে। আরে ভাই, এই ককটেল সৃষ্টি হয়েছে একটি অন্তর্বর্তী নিরপেক্ষ পানীয় হিসেবে। এটি তোমার আগের পানীয় খাওয়ার আমেজকে নিরপেক্ষ করে নতুন পানীয় খাওয়ার পরিবেশ তৈরী করে। এই কারণেই টমেটো জুস! এটি মূলত একটি প্রতি-পানীয় (মানে এন্টি ড্রিংক)!
৫. বাঙালি হুইস্কি খায় ‘র’ বা জল মিশিয়ে। আরে ভাই, এই পানীয় সৃষ্টি হয়েছে পৃথিবীর বিশুদ্ধতম স্কটিশ জল দিয়ে যা পান করতে হয় ‘অন দ্য রকস’ মানে বরফের উপর ঢেলে। স্কচ ঢেলে উপরে বরফ দেয়া নয় কিন্তু! বরফ গ্লাসে স্তুপ করে তারপর স্কচ। তারপর সেই স্বর্গীয় বস্তু বরফ বেয়ে নিচে নেমে যতটুকু পানীয় হবে ততটুকু ঢোক।
এবার মদ সম্পর্কে আমার মতামত:
আজকে এইটুকু থাক! তবে শেষে বলে রাখি—মাতালের জন্যে মদ হারাম! আর হারাম তাদের জন্যে যারা মদ পান করতে পারেনা—মদ যাদের খেয়ে ফেলে।।
1 961
ভিডিওটা ২.৫ বছর আগে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ইমার্জেন্সি ডাক্তার হিসেবে যখন কর্মরত ছিলাম তখনকার।
রোগীর ৮ দিন ধরে হেচকির সমস্যা ছিল।সমস্যা সমাধান না হওয়ায় সদর হাসপাতালে চলে আসে।
আসার পর রোগীকে একটা পলিথিন ব্যাগ নিয়ে আসতে বললাম।
তারপর ১০মিনিট পলিথিন ব্যাগ দিয়ে দিয়ে চেষ্টা করলাম।আলহামদুলিল্লাহ একদম কমে গেছে।
হেচকির জন্য এটা একটা সহজ ঘরোয়া সমাধান। হাসপাতালে আসার আগে নিজে কিছুটা চেষ্টা করে নিবেন। আশা করি কাজে দিবে।
#DrSifat
1 961
অতিরিক্ত পছন্দ, ডিজিটাল আসক্তি এবং একাকীত্ব নীরবে আমাদের ভেতর থেকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। Gelong Thubten জানাচ্ছেন, কেন আধুনিক জীবন আমাদের অসুখী করে তুলছে এবং এর থেকে বেরিয়ে আসার উপায় কী।
থুবটেন মনে করেন, আমরা এক নীরব মানসিক স্বাস্থ্য সংকটের মধ্যে বাস করছি। আমাদের আধুনিক জীবনযাত্রা, বিশেষ করে পশ্চিমা সংস্কৃতি, আমাদের মধ্যে উদ্বেগ, হতাশা এবং বিচ্ছিন্নতা বাড়িয়ে তুলছে। প্রযুক্তির কারণে আমরা সবার সাথে যুক্ত থেকেও আগের চেয়ে অনেক বেশি একাকী।
জীবনের উদ্দেশ্য কি কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো? থুবটেন বলেন, না। জীবনের আসল উদ্দেশ্য হলো বর্তমান মুহূর্তে বেঁচে থাকা এবং নিজের ভেতরের সত্তার সাথে যুক্ত হওয়া। উদ্দেশ্য কোনো ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নয়, এটি বর্তমান মুহূর্তে আপনার সচেতন উপস্থিতির মধ্যেই রয়েছে। আমরা প্রায়শই ভাবি, "এটা অর্জন করলেই আমি সুখী হব," কিন্তু সেই অর্জন আমাদের সাময়িক আনন্দ দিলেও, দীর্ঘমেয়াদী শান্তি দেয় না।
আমরা বস্তুগত সমৃদ্ধি এবং বাহ্যিক সাফল্যের পেছনে ছুটতে গিয়ে নিজেদের ভেতরের সত্তার সাথে সংযোগ হারিয়ে ফেলেছি। আমরা ক্রমাগত নিজেদেরকে অন্যের সাথে তুলনা করি এবং আরও বেশি পাওয়ার এক অন্তহীন দৌড়ে আটকে গেছি।
থুবটেন একসময় একজন অভিনেতা ছিলেন এবং নিউ ইয়র্কে থাকতেন। কিন্তু খ্যাতি এবং সাফল্যের মাঝেও তিনি তীব্র উদ্বেগ এবং প্যানিক অ্যাটাকের শিকার হতেন। তার হার্টের একটি জন্মগত সমস্যা ছিল, যা চাপের মধ্যে আরও বেড়ে যেত। এই মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি খুঁজতেই তিনি বৌদ্ধধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং অবশেষে একজন সন্ন্যাসী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
আমাদের মনের ভেতরের সেই সমালোচক কণ্ঠ, যা আমাদের বলে, তুমি যথেষ্ট নও, তা আসে আমাদের শৈশবের অভিজ্ঞতা এবং সমাজের চাপ থেকে। থুবটেন বলেন, "আমার মনে হতো আমার মধ্যে কিছু একটা ভুল আছে, আমি broken." এই self-hate থেকেই তিনি মুক্তি খুঁজছিলেন।
থুবটেন বলেন, যৌনতা থেকে বিরত থাকা বা ব্রহ্মচর্য তাকে তার শক্তিকে অন্যদিকে চালিত করতে সাহায্য করেছে। তিনি মনে করেন, যৌন আকাঙ্ক্ষা একটি শক্তিশালী শক্তি, যা আমাদের মনকে বিক্ষিপ্ত করে। ব্রহ্মচর্যের মাধ্যমে তিনি সেই শক্তিকে নিজের আধ্যাত্মিক বিকাশের কাজে লাগাতে পেরেছেন।
বৌদ্ধধর্ম কোনো ঈশ্বর-কেন্দ্রিক ধর্ম নয়, এটি মনকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার একটি পদ্ধতি। এর মূল লক্ষ্য হলো নিজের মনকে বোঝা, আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং অভ্যন্তরীণ শান্তি অর্জন করা।
মেডিটেশন মানে মনকে খালি করা বা চিন্তা বন্ধ করে দেওয়া নয়। এটি হলো চিন্তাগুলোকে বিচার না করে, শুধু পর্যবেক্ষণ করা। মেডিটেশন হলো চিন্তার সাথে আপনার সম্পর্ক পরিবর্তন করা। যখন আপনি আপনার চিন্তাকে দূর থেকে দেখতে শিখবেন, তখন আপনি আর সেই চিন্তার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন না।
বৌদ্ধধর্ম বলে, আমাদের যন্ত্রণা আমাদের নিজেদের মনেরই সৃষ্টি। এর মানে এই নয় যে, যা ঘটেছে তার জন্য আপনি দায়ী। বরং এর অর্থ হলো, সেই ঘটনার প্রতি আপনার প্রতিক্রিয়া পরিবর্তন করার ক্ষমতা আপনার হাতেই আছে। আপনি আপনার অতীতকে বদলাতে পারবেন না, কিন্তু আপনি আপনার বর্তমান এবং ভবিষ্যৎকে বদলাতে পারেন।
আমরা যত বেশি আমাদের যন্ত্রণা বা কষ্টকে উপেক্ষা করার চেষ্টা করি, তা তত বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। যন্ত্রণা থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হলো, সেটির মুখোমুখি হওয়া এবং সেটিকে গ্রহণ করা।
থুবটেন একটি অনুশীলনের কথা বলেন: loving-kindness meditation. প্রথমে নিজের জন্য শুভকামনা করুন (May I be well, may I be happy). তারপর আপনার প্রিয়জন, বন্ধু, এমনকি শত্রুদের জন্যও একই শুভকামনা করুন। এই অনুশীলনটি ধীরে ধীরে আপনার মধ্যে আত্ম-প্রেম এবং করুণা জাগিয়ে তুলবে।
থুবটেন বলেন, ক্ষমা করা মানে এই নয় যে, যা ঘটেছে তা ঠিক ছিল। ক্ষমা করা মানে হলো, সেই ঘটনার সাথে যুক্ত রাগ এবং ঘৃণা থেকে নিজেকে মুক্ত করা। ক্ষমা আপনি অন্যের জন্য করেন না, নিজের মানসিক শান্তির জন্য করেন।
মিডিয়া এবং সমাজ আমাদের মধ্যে ক্রমাগত ভয় ঢুকিয়ে দেয় - অসুস্থতার ভয়, ব্যর্থতার ভয়, ভবিষ্যতের ভয়। এই ভয় আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে এবং আমাদের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়।
মেডিটেশন আমাদের আবেগ এবং সেই আবেগের উপর কাজ করার মধ্যে একটি ব্যবধান তৈরি করতে শেখায়। এই ব্যবধানটিই আমাদের চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেয় এবং আমাদের ক্ষতিকর আচরণ থেকে বিরত রাখে।
মনের উপর কাজ করা কি কখনও শেষ হয়? এটি একটি আজীবনের অনুশীলন। থুবটেন বলেন, "এমন কোনো দিন আসবে না যখন আপনার মন পুরোপুরি নিখুঁত হয়ে যাবে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।"
#thediaryofaceo #TheTripod
1 961
আর কয়েকদিন পর, ইন্টারনেটে আপনার-আমার গোপন বলতে কিছুই থাকবেনা!! 🙁
জ্বি এটাই সত্যি!!
এমনটাই বলছে Telegram এর প্রতিষ্ঠাতা Pavel Durov!!
তার ৪১ তম জন্মদিনে মুক্ত ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়ে আশংকা প্রকাশ করে এক স্টাটাস দেয় যেখানে সে বলে " ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুক্তভাবে ইন্টারনেট চালানোর সুযোগ হারাবে। কারন, সবকিছু এখন নিয়ন্ত্রণাধীন হয়ে যাচ্ছে।
UK তে “Digital ID” চালু করছে, যা অনলাইনে নাগরিকদের পরিচয় ট্র্যাক করবে।
Australia তে “Online age check” সিস্টেম, যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ করবে।
EU তে “Mass scanning of private messages” আইন চালু হচ্ছে, যা চ্যাটও পড়ে দেখতে পারবে।
Germany তে ইন্টারনেট অফিসিয়ালদের সমালোচনা করলে মামলা হয়।
France: টেকনোলজি নেতাদের (যারা স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলে) ক্রিমিনাল তদন্তে টেনে নিচ্ছে। "
এতে খুব সহজেই বুঝা যাচ্ছে, আমি-আপনি বা আমাদের সবার তথ্য-ই এখন আর ব্যক্তিগত থাকার সম্ভাবনা নেই, ইন্টারনেটে যুক্ত হওয়া মানেই নিজের গোপনীয় বলতে কিছুই থাকবেনা, অদূর ভবিষ্যতে!!
আর এর অপব্যবহার হলে কি হতে পারেন ভাবেন তো??
1 961
নিজের স্নায়ু ও মানসিক শান্তি ঠিক রাখো।
তোমাকে প্রতিটি মেসেজের উত্তর দিতে হবে না।
প্রতিটি কল রিসিভ করতে হবে না।
সব আলোচনায় অংশগ্রহণ করারও প্রয়োজন নেই।
সবাইকে কাছে রাখতে হবে না।
যেকোনো পরিস্থিতিতেই প্রতিক্রিয়া জানানোরও দরকার নেই।
তুমি চাইলে 'না' বলতে পারো এবং সেটা কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই বলতে পারো।
কারণ জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সবাইকে খুশি করা নয়, নিজেকে ভালো রাখা।
পৃথিবীতে এমন কিছুই নেই যা তোমার মানসিক শান্তির চেয়ে বেশি মূল্যবান।
আজকাল আমরা প্রতিদিন অন্যকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে নিজের ভেতরের শান্তিটাই হারিয়ে ফেলছি।
সত্যি বলতে যখন মন শান্ত থাকে, জীবন তখনই সুন্দর হয়।
তাই প্রতিজ্ঞা করা যাক —
সবকিছুর আগে আমি আমার মানসিক শান্তির খেয়াল রাখব।
সবাইকে নয়, আগে নিজের ভেতরের মানুষটাকেই ভালো রাখব।
---------------
Azizul Haque
1 961
আমি সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহেই আমার বড় মা *নানুর মা* এর কাছ থেকে সস্তায় কৃষিজমি কিনে নিয়েছি ৫ বিঘা । এটা একদম পদ্মার কাছাকাছি । সেসব জায়গা গত ২০-৩০ বছর চাষাবাদ হয় । পানি শুকিয়ে নদী সরে গেছে কিলো খানেক দূরে । একদম প্রত্যন্ত এলাকা । আশেপাশের সেরা বাড়িগুলির চারপাশে ইট ও উপরে টিন দেয়া । আমি সব বিচার করে তারপর কিনেছি । কারণ আমার অল্প টাকা । সেটা যেন সঠিক বিনিয়োগ হয় সেভাবে চেষ্টা করি ।
আপনি যখন শত্রুর গ্রিপে থাকবেন, তখন তার ভেতর থেকেই বাঁচার জন্য কৌশল নিতে হবে যেন শত্রু আপনাকে ধ্বংস করতে না পারে । আপনার জমি যদি দূরে গ্রামে হয় সেই গ্রামে দেখবেন স্থলপথে হামলা করে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিবে । মানুষ হত্যা করবে কিন্তু মিলিয়ন ডলারের একটা বোমা ফেলে টাকা কেউ নষ্ট করবে না । তাই আপনি বেঁচে থাকবেন কৌশলগত দিক থেকে । আপনি এমন দিন না পান, আপনার সন্তান পাবে নিশ্চিত থাকতে পারেন । কারণ গ্লোবাল কন্ডিশন ভাল না । আমেরিকা তার রাজত্ব সহজেই ছেড়ে দিবে না । আমেরিকার এই অবস্থাতেও তারা যেকোনো দেশকে ধ্বংস করে ফেলার ক্ষমতা রাখে । একদম মুছে ফেলতে পারে যদি অলআউট যুদ্ধ বেঁধে যায় । কিন্তু এই দিন বেশী টিন স্থায়ী হবে না । তাই তারা বড় যুদ্ধের পায়তারা করছে । সেটা নিকট সময়ের যেকোনো সময় শুরু হবে ।
সোনা দিন দিন দাম বেড়ে এটা কেবল বিগ ট্রেডের বাহন হয়ে উঠবে এবং রুপা হবে কমন ট্রেড কারেন্সি । আগের দিনে যা হয়েছে তেমন দিন ফিরে আসছে ধীরে ধীরে । তাই আপনার কাছে রুপা থাকা লাগবে যদি টিকে থাকতে চান, সোনা থাকতে হবে যদি বড় মুসিবত থেকে পরিবার থেকে বাঁচাতে চান ও স্থায়ী ভূমি থাকতে হবে যেখানে আপনি সরে গিয়ে বাঁচতে পারেন ।
1 961
প্রত্যন্ত অঞ্চলে জমি কেনার ব্যাখ্যা
.
.
যাদের কাছে জমি রয়েছে কিংবা ভালো পজিশনে কৃষি জমি কেনার কথা ভাবছেন তারা আমার পরামর্শ শুনলে ভালো মত বেঁচে থাকবেন । আগে চলুন সেই হাদিসটা আবারো জেনে নিই । হাদিসটা নিজের মত লিখছি -
রাসুল সা; বলেছেন, ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য মুমিন ব্যক্তি যেন তার মেষপাল নিয়ে লোকালয়ের বাইরে চলে যায় । তাহলেই সে ফিতনা থেকে বেঁচে থাকবে ।
এই হাদিসটার গভীরতা মারাত্মক । আমি কয়েকটা উদাহরণ দেই -
একটা যুদ্ধ শুরু হলে শত্রুপক্ষ সর্বদা অর্থনীতি পঙ্গু হয় এমন স্থাপনা টার্গেট করে । বন্দর ধ্বংস করে দেয় । গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নষ্ট করে দেয় । বিদ্যুৎ, জ্বালানী সরবরাহ বন্ধ হলে একটা দেশের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হয় । রাষ্ট্র থেমে যায় ।
ধরুন আপনার গ্রামে অনেক শিল্প কারখানা রয়েছে । বড় একটা ঘাট রয়েছে । বড় ব্রিজ রয়েছে । হাসপাতাল রয়েছে । অন্যদিকে আরেকটা গ্রামের তেমন উন্নয়নই হয় নি । ভালো একটা পাকা মসজিদও নাই । বৃষ্টি হলে রাস্তায় হাঁটু সমান কাঁদা জমে ।
এখন শত্রু হিসাবে আপনি কোন গ্রামে হামলা করবেন ? শিল্প সমৃদ্ধ গ্রামে নাকি হাঁটু সমান কাঁদা জমে সেই গ্রামে মিলিয়ন ডলারের দামী বোমা ফেলে টাকা নষ্ট করবেন ? পেছনের ইতিহাস দেখলে ও কমনসেন্স থাকলে বুঝা যায় দামী দামী মিসাইল-বোমা কেউ এমন জায়গায় ফেলে না যেখানে ধ্বংস করার কিছু নাই । জীবনযাপন বাঁধাগ্রস্থ করার কিছু নাই ।
আপনি যদি ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে এমন জায়গায় জমি কেনেন ও আশেপাশে শিল্প সমৃদ্ধ জায়গায় থাকেন তাহলে নিশ্চিত থাকেন যুদ্ধের সময় আপনি আক্রান্ত হতে পারেন । বড় সম্ভাবনা থাকে । আমরা বিপদের সম্ভাবনাকে বড় করে ধরি । ছোট করে ধরলেই বোকামি হয় ।
আমাদের চারপাশ ভারত দ্বারাবেষ্টিত । আমাদের শত্রু তালিকায় বড় নাম ভারত । এরপর মায়ানমার । যদি যুদ্ধ শুরু হয় তাহলে ভারত আমাদের উপর কেবল বিমান হামলা করবে না । আমাদের শিল্প, অর্থনীতি, বন্দরসমুহ ধ্বংস করে আমাদের পঙ্গু করে দিতে চেষ্টা করবে । তারা জানে যে, আমাদের শাসন করা সম্ভব না । ভিন্ন ধর্মের জাতিকে শাসন করা যায় না বরং তাদের ধ্বংস করে দিতে হয় । নয়ত তারা সংগঠিত হয়ে পাল্টা আক্রমণ করতে সময় নেয় না ।
চ্যাটজিপিটি বলছে ভারতের কাছে অগ্নি ১-২-৩, সুরিয়া, পৃথিবী, ধানুস, সাগরিকা, কে-৪, ব্রাম্মস, নির্ভয়, প্রাহার, পিনাকা মাল্টি রকেট সিস্টেম, অস্ত্র, আকাশ - এই ১৫ ধরণের মিসাইল রয়েছে । হয়ত আরও বেশী হতে পারে । যার ভেতর গোটা বাংলাদেশ রেঞ্জে রয়েছে ১২ টি মিসাইল । এই ১২ টি মিসাইল যেখানে নিক্ষেপ করা হবে সেই ভূমিতে ১ মাস থেকে অনির্দিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত কৃষিকাজ করা যাবে না । সেখানে ফসল উৎপাদন হবে না । তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে যাবে । পানি নষ্ট হবে । একটা বোমা কেবল মানুষ হত্যা করে না, ভবন ধ্বংস করে না । মাটি, পানি, বাতাসে ছড়িয়ে সেখানকার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত করে । আগে ১ মণ ফসল উৎপাদন হলে পরে সেটা অর্ধেকের কম হবে । সেই ফসলে বিষক্রিয়া হতে পারে । আমি এইসব বিষয়ে অভিজ্ঞ নই তাই বিস্তারিত বলা সম্ভব না । কিন্তু বেসিক হল আপনার জমির ক্ষতি হবে ও ফসল উৎপাদন ব্যাহত হবে ।
ধরুন, আপনার কৃষি জমি রয়েছে ভাল পজিশনে । এখন আশেপাশে যদি উল্লেখিত মিসাইল এসে ধ্বংসযজ্ঞ চালায় তাহলে আপনার জমির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাবে । কৃষি কাজ হবে না । তাহলে জমি দিয়ে লাভ কি ? সেজন্য হাদিসের সায়েন্টিফিক দিক বিশ্লেষণ করে আমাদের হাদিসের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে ।
যদি গোটা দুনিয়ায় বড়সর যুদ্ধ শুরু হয় তাহলে ভারত বাংলাদেশকে ছায়া দিবে না । সবাই সবার শত্রুকে শেষ করতে মাঠে নেমে যাবে । বর্তমান যুগের যুদ্ধে সাহসের কোন দাম নাই । যুদ্ধ হয় আকাশে । হাজার মাইল দূর থেকে টার্গেট লক করে শত্রুকে ঘায়েল করা হয় । তাই আপনাকে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে হবে ও পালাতে হবে যদি বেঁচে থাকতে চান ।
এরকম বড় যুদ্ধ শুরু হলে খাবারের সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যাবে । একটু দেখুন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলেই আটার দাম বেড়ে গেছে, তেলের সাপ্লাই কমে যাওয়ায় দাম বেড়ে গেছে । জ্বালানী শক্তি ব্যাহত হচ্ছে । মাত্র একটা যুদ্ধের ফলে দুনিয়াজুড়ে এই অবস্থা । যখন বিভিন্ন ফ্রন্টে যুদ্ধ শুরু হবে তখন যার যার পেট তাকে বাঁচাতে হবে । সেজন্য লাগবে কৃষিজমি । তাছাড়া সামনের কঠিন সময়গুলিতে প্রতিযোগিতামুলক বাজারে টিকে থাকতে আপনার কাছে যদি একটু জমি থাকে তাহলে কিছু বেসিক উতপাদনের মাধ্যমে খরচ কমানো যায় । চাল উৎপাদন, সবজি, মাছের যোগান, মাংসের যোগান যদি আপনি নিজেই ব্যবস্থা করতে পারেন তাহলে আপনার বাৎসরিক খরচ অনেক কমে যাবে । আপনি সঞ্চয় করতে পারবেন, বাজারে বিক্রি করে আরও আয় করতে পারবেন ।
সেজন্য জমি ক্রয় করতে হবে একটু দূরে । এতে আপনি যেকোনো হামলা থেকে নিরাপদ থাকবেন । আপনি জমি বর্গা দিয়ে ফসল উৎপাদন করতে পারবেন । পরিচিত শত্রুরা জানতে পারবে না আপনি কোথায় জমি কিনেছেন । যেকোনো বড় সমস্যায় জমির আশেপাশে আশ্রয় নিতে পারবেন ।
1 961
মা-সি-কের সময় দিনে যদি ৬টির বেশি প্যা-ড লাগে, বা প্রতি ১–২ ঘন্টায় ভিজে যায়, সেটি অস্বাভাবিক । এরকম হলে আজই ডাক্তারের পরামর্শ নিন ।
#drmahmuda #womenshealth
1 961
আপনার ফোনের ক্যামেরা দিয়েই এখন জুতা Try On করা যাবে!
দোকানে না গিয়েই আপনার বসার ঘরে বসে শত শত ব্র্যান্ডের জুতা পায়ে দিয়ে দেখতে পারবেন যে কোনটায় মানায় আপনার সাথে :)
ছবি দেখে দারুণ লাগলো, অর্ডারও করে দিলেন। কিন্তু বাসায় আসার পর দেখলেন, আপনার পায়ে জুতাটা ঠিক মানাচ্ছে না বা ছবির মতো লাগছে না। ফলাফল? রিটার্ন করার ঝামেলার মধ্যে যাওয়া।
এই সমস্যার এক জাদুকরী সমাধান নিয়ে এসেছে Google!
তারা তাদের সার্চ ইঞ্জিনে এমন এক AI ফিচার যুক্ত করেছে, যা দিয়ে আপনি কোনো জুতা কেনার আগেই নিজের পায়ে virtually try on করে দেখতে পারবেন।
[পোস্টটা সেইভ করে রাখুন। অনলাইন শপিংয়ের ভবিষ্যৎ এটাই!]
চলুন, ধাপে ধাপে জেনে নিই এই জাদুটা কীভাবে কাজ করবে:
Step 1: Google Search-এ যান
আপনার স্মার্টফোন থেকে Google Search অ্যাপ বা ব্রাউজার খুলুন।
Step 2: আপনার পছন্দের জুতা খুঁজুন
সার্চ বারে আপনার পছন্দের কোনো ব্র্যান্ডের জুতার মডেল লিখে সার্চ করুন। যেমন: "Nike Air Max" বা "Adidas Ultraboost"।
Step 3: "Try On" বাটনটি খুঁজুন
সার্চ রেজাল্টে, যে জুতাগুলো এই ফিচার সাপোর্ট করে, সেগুলোর ছবির নিচে একটি "Try On" বাটন দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।
Step 4: আপনার ক্যামেরা পায়ের দিকে ধরুন
এবার আপনার ফোনের ক্যামেরাটি খুলবে। আপনাকে শুধু ক্যামেরাটি আপনার পায়ের দিকে ধরতে হবে।
Step 5: এবার দেখবেন আসল ম্যাজিক!
মুহূর্তের মধ্যেই, Augmented Reality (AR) ব্যবহার করে AI আপনার পায়ে সেই জুতাটি পরিয়ে দেবে! আপনি পা নাড়াচাড়া করতে পারবেন, বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে ঘুরিয়ে দেখতে পারবেন জুতাটি আপনার পায়ে ঠিক কেমন লাগছে। এটা কোনো সাধারণ ছবির মতো নয়, এটা আপনার পায়ের মুভমেন্টের সাথে সাথে রিয়েল-টাইমে পরিবর্তিত হবে!
এখন আর আপনাকে অনুমান করতে হবে না। আপনি কেনার আগেই নিশ্চিত হতে পারবেন, কোন জুতাটি আপনার জন্য পারফেক্ট। এতে যেমন আপনার সময় বাঁচবে, তেমনই কোম্পানিগুলোর রিটার্নের সংখ্যাও কমে আসবে।
আপাতত এই ফিচারটি US-এ চালু হলেও, খুব শীঘ্রই এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা করা যায়।
বিস্তারিত জানতে The Verge-এর এই রিপোর্টটি পড়ুন:
https://www.theverge.com/news/796308/google-ai-shopping-try-on-shoes
শেয়ার :)
#GoogleAI #AR #OnlineShopping #FutureOfRetail #Sneakerhead #TechNews #Bangladesh #TryOn
1 961
♦️আমার চেম্বারে এক রোগী আসলেন বয়স ২১। রোগীর সমস্যা ছিল অনেক বেশি পেটে ব্যথা নিয়ে,সাথে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
রোগীটিকে দেখে আমার স্বাভাবিক মনে হচ্ছিল না। দেখলাম তার শরীর, হাত পা, সব ফ্যাকাসে হয়ে আছে। কয়েকদিন ধরেই তার পেটে ব্যথা ছিল। কিন্তু উনি ভেবেছিলেন ব্যথাটি হয়তো ভালো হয়ে যাবে।
♦️রোগীটি বলে তার মাসিক দেড় মাস ধরে বন্ধ। আমি তাকে আল্ট্রাসনো, রক্ত , প্রসাব পরীক্ষা দেই প্রেগ্ন্যাসি আছে কিনা দেখার জন্য ।এর মাঝে প্রচন্ড ব্যথার জন্য কিছু ঔষুধ দেই।
সমস্যা হল প্রস্রাবের চাপ হচ্ছিল না যে আমি আল্ট্রা করবো। এর মাঝে রক্তের রিপোর্ট পেয়ে যাই, হিমোগ্লোবিন ৪। প্রসাব পরিক্ষায় পজিটিভ আসে।
আমার মাথাটা ঘুরে গেল। মনে মনে ভাবলাম রাপচার্ড এক্টপিক প্রেগনেন্সি না তো!!! তাড়াতাড়ি করে রোগীকে আল্ট্রাসনো করে দেখলাম আমি যেটা মনে মনে চিন্তা করেছি তাই হয়েছে। ভিতরে টিউব পেতে রক্ত জমাট বেঁধে রয়েছে পুরো পেট জুড়ে।
রোগীর এর মধ্যে আরো খারাপ হতে লাগলো। এখন রোগীটিকে সাথে সাথে অপারেশন না করে, রক্ত না দিলে রোগীকে বাঁচানোর সম্ভব হবে না।
রোগীর গার্ডিয়েন কে ভালো করে বুঝিয়ে পাঠিয়ে দিলাম অপারেশন করার জন্য এবং ৫ব্যাগ রক্ত রেডি করতে বলে দিলাম।
এটা একটি মফস্বল অঞ্চল। সাথে সাথে অপারেশন করার মত কোন হাসপাতাল ছিল না। আমি একটি হাসপাতালের নাম বলে দিলাম যেখানে এই অপারেশনটি হয়।ওনারা চলে গেলেন।
কিন্তু আমি মনে মনে টেনশন চিন্তা করতে লাগলাম। রোগী ভালো আছে কিনা জানতে চাইলাম। পরের দিন রোগীর হাজব্যান্ড জানালো তারা আমার কথা মতো হাসপাতালে গিয়ে রক্ত দিয়ে অপারেশন করেছেন। এবং রোগী এখন ভালো আছেন। দীর্ঘ শ্বাস নিলাম। রোগী মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন। আলহামদুলিল্লাহ।
এমন হলে প্রতিটা সময় অনেক মূল্যবান। আরেকটু দেরি করে যদি আসতেন রোগীটিকে হয়তো বাঁচানো যেত না।
♦️আমাদের গ্রাম দেশের মা-বোনেরা অনেক কিছু সহ্য করে থাকেন। মাসিক বন্ধ হলে অবশ্যই বাসায় একটি কিট পরীক্ষা করে নিবেন। যদি পেট ব্যথা থাকে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। প্রেগনেন্সি আসলে আল্ট্রাসনো করে দেখতে হবে জরায়ু মধ্যে বাচ্চাটি রয়েছে কিনা।
♦️আমার এই রোগিটি মাসিক বন্ধ হওয়ার পর কোন পরীক্ষা করেননি। দীর্ঘদিন ব্যাথা থাকার পরও ডাক্তারের কাছে আসেননি। উনার বাচ্চাটি জরায়ুর মধ্যে না এসে জরায়ুর টিউবে বাচ্চাটি বড় হচ্ছিল। দেড় মাস যখন হয় তখন টিউবটি ফেটে যায় আর রোগীটি মৃত্যুর সম্মুখীন হন। তাই এমন হলে কখনই বাসায় বসে থাকা উচিত নয়।
প্রেগনেন্সি আসলেই অনেকেই চিন্তা করেন তিন মাস পরে ডাক্তার দেখাবো। কিন্তু মানুষের এত জটিল জটিল সমস্যা থাকে যেটা সঠিক সময় চিকিৎসা না করলে মৃত্যুর সম্মুখীন হতে হয়।
♦️প্রত্যেক মায়েদের উচিত গর্ভের শুরুতে ফলিক এসিড শুরু করা যেন বাচ্চাটি বিকলঙ্গ না হয় এবং সাথে সাথে একটি আল্ট্রাসনো করে দেখা শিশুটি জরায়ুর সঠিক স্থানে সুন্দরভাবে আছে কিনা।
আপনার একটু সর্তকতায় বেড়ে উঠতে পারে একটি সুন্দর,সুস্থ শিশু। যে কোন সমস্যায় অভিজ্ঞ একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ধন্যবাদ❤️
ডা.শারমিন সুলতানা বিথী
1 961
ইমাম শুরাইহ رحمه الله তাঁর স্ত্রী যায়নাব সম্পর্কে বলেছেন:
رَأَيْتُ رِجَالًا يَضْرِبُونَ نِسَاءَهُم فَشَلَّتْ يَمِينِي حِينَ أَضْرِبُ زَيْنَبَا
وَزَيْنَبُ شَمْسٌ وَالنِّسَاءُ كَوَاكِبٌ إِذَا طَلَعَتْ لَمْ تُبْقِ مِنْهُنَّ كَوْكَبَا
❝ আমি এমন পুরুষদের দেখেছি, যারা তাদের স্ত্রীদের মারধর করে। আল্লাহ আমার ডান হাত অকেজো করে দিন যদি আমি যায়নাবকে কখনো মারি। যায়নাব সূর্যের মতো, আর অন্যান্য নারীরা নক্ষত্রের মতো। সূর্য উঠলে নক্ষত্রদের আর আলো থাকে না।❞🌼✨
[ সিয়ার আলাম আন-নুবালা ( ৫/৫২) ]
1 961
যৌনতা র সময় স্ত্রী র গোপনঙ্গে হাত দিলে স্ত্রী র প্রাইভেসী লস হয়না, অথচ স্ত্রী র হোয়াটস্যাপ বা মেসেঞ্জার টা খুললে প্রাইভেসী লস হয় কেন? তবে কি স্ত্রীর গোপনঙ্গ অপেক্ষা ফোন টা বেশী প্রাইভেট?
@Collected
1 961
আসুন জেনে নেই পিজি হাসপাতালের ১ নং এবং ২ নং আউটডোরে কোথায় কোন বিভাগ এবং সকল তথ্য।
পোস্টটি সবাই শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিবেন।
(২নং আউটডোর পরিচিতি)
বেজমেন্ট -১:
ল্যাবরেটরি সার্ভিস সেন্টার ( ওয়ান পয়েন্ট)
পূবালী ব্যাংকের বুথ
রিসিপ্ট কাউন্টার
ব্লাড কালেকশন কাউন্টার
নিচতলা :
পূবালী ব্যাংকের টিকেট কাউন্টার
হাসপাতাল ফার্মেসী
অভ্যর্থনা ও তথ্য কেন্দ্র
report delivery counter
ART ( এআরটি) সেন্টার
দ্বিতীয় তলা :
জেনারেল সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ২০১-২০৩
হেপাটোবিলিয়ারি এন্ড প্যানক্রিয়াটিক সার্জারি কক্ষ, ২০৪
নাক কান ও গলা বিভাগ কক্ষ, ২০৯-২১৩
ব্রেষ্ট ক্লিনিক ডাটা এন্টি কক্ষ,২১৭
ব্রেষ্ট এন্ড এন্ডোক্রাইন সার্জারি কক্ষ, ২০৫
জেনারেল সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ২০৬-২০৮
ইউরোলজি বিভাগ কক্ষ, ২১৪-২১৫
তৃতীয় তলা :
ইনফার্টিলিটি কক্ষ, ৩০১
আল্ট্রাসনোগ্রাম কক্ষ, ৩০৩
গাইনোকোলজিক্যাল অনকোলজি কক্ষ, ৩০৫
পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক কক্ষ, ৩০৯
রেন্ট কালেক্টর অফিস ও প্রধান রোগী ভর্তি কাউন্টার কক্ষ, ৩১৪
অবস্ অ্যান্ড গাইনি ( পিএমটিসিটি) কক্ষ, ৩০২
ফিটোম্যাটারানাল কক্ষ, ৩০৪
অবস্ অ্যান্ড গাইনি বিভাগ কক্ষ ৩০৬- ৩০৮
শিশু সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ৩১০-৩১১
নিউরো সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ৩১২-৩১৩
চতুর্থ তলা :
চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগ কক্ষ, ৪০১-৪০৫
চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগ ও কমিউনিটি অফথালমোলজি বিভাগ রেটিনা ক্লিনিক কক্ষ, ৪০৫
অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ৪০৬-৪০৯
পঞ্চম তলা :
ডে কেয়ার ও টি
ষষ্ঠতলা :
ল্যাবরেটরি মেডিসিন
সপ্তম তলা :
ভাইরোলজি বিভাগ
অষ্টম তলা :
বায়োকেমেস্টি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগ
নবমতলা :
ফিজিওলজি বিভাগ
দশমতলা :
এনামটি বিভাগ
১১ তম তলা :
ফার্মাকোলজি বিভাগ
১২ তম তলা :
পদ্মা মেঘনা ও যমুনা পরীক্ষা হল
আসুন এবার আমরা ১ নং আউটডোর সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।
(১ নং আউটডোর পরিচিতি)
বেজমেন্ট -১:
ল্যাবরেটরি সার্ভিস সেন্টার ( ওয়ান পয়েন্ট)
পূবালী ব্যাংকের বুথ
রিসিপ্ট কাউন্টার
ব্লাড কালেকশন কাউন্টার
নিচ তলা:
পূবালী ব্যাংক টিকেট কাউন্টার, হাসপাতাল ফার্মেসী, অভ্যর্থনা ও তথ্য কেন্দ্র, রিপোর্ট ডেলিভারী কাউন্টার, সমাজসেবা তথ্য কেন্দ্র
২য় তলা:
ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগ, কক্ষ: ২০১–২০৬
কার্ডিওলজি বিভাগ, কক্ষ: ২০৮–২১১
বক্ষব্যাধি বিভাগ, কক্ষ: ২১৬–২১৭
কার্ডিয়াক সার্জারী, কক্ষ: ২০৭
ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগ, কক্ষ: ২১২–২১৫।
৩য় তলা:
ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার ওয়ার্ড, কক্ষ: ৩০১
নিউরোলজী বিভাগ, কক্ষ: ৩০২
ই.পি.আই, কক্ষ: ৩০৩
শিশু নেফ্রোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৩০৪
শিশু গ্যাষ্ট্রোএন্ট্রোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৩০৫
শিশু সার্জারি, কক্ষ: ৩০৬–৩০৯
নিউরো মেডিসিন বিভাগ, কক্ষ: ৩১০–৩১৩
নবজাতক বিভাগ, কক্ষ: ৩১৪
শিশু রিউমাটোলজি এন্ড এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৩১৫–৩১৬
৪র্থ তলা
কিডনী বিভাগ, কক্ষ: ৪০১–৪০২
হেমাটোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৪০৩–৪০৪
লিভার বিভাগ, কক্ষ: ৪০৫–৪০৬
গ্যাষ্ট্রোএন্ট্রোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৪০৭–৪০৮
রিউমাটোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৪০৯–৪১০
শিশু হেমাটোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৪১১–৪১২
৫ম তলা:
চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগ, কক্ষ: ৫০১–৫০৫
এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৫০৬–৫১০
মনোরোগবিদ্যা বিভাগ, কক্ষ: ৫১২–৫১৫
অনকোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৫০৫–৫০৮
পেইন ক্লিনিক এন্ড প্যালিয়েটিভ কেয়ার, কক্ষ: ৫১১
৬ষ্ঠ তলা:
ইউরোলজি (রিজিওনাল ট্রেনিং সেন্টার), কক্ষ: ৬০১
ভাসকুলার সার্জারি, কক্ষ: ৬০২–৬০৬
কোলোরেক্টাল সার্জারি, কক্ষ: ৬০৭
অনকোলজিক ক্লিনিক, কক্ষ: ৬১০
কর্ণিয়া ক্লিনিক, কক্ষ: ৬১১
আরবোভাইরাল ক্লিনিক, কক্ষ: ৬১১
পিসিআর ল্যাবরেটরি (ভাইরোলজি বিভাগ), কক্ষ: ৬১২
এক্সট্রা কপির কর্নার
পূবালী ব্যাংক শাখা (ট্রেজারি বিভাগ)
৭ম তলা:
নজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি এন্ড এন্ডোডন্টিক বিভাগ, কক্ষ: ৭০১–৭০৩
পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি বিভাগ
৮ম তলা:
কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি এন্ড এন্ডোডন্টিক বিভাগ
৯ম তলা:
প্রস্থডন্টিক বিভাগ
১০ম তলা:
ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিভাগ
১১তম তলা:
অর্থোডন্টিক বিভাগ
১২তম তলা:
রূপসা হল
মমতাময়ী পরীক্ষা হল
1 961
তোমার ফোনের নেটওয়ার্ক সিগন্যাল দাগ তোমার সাথে মিথ্যা কথা বলছে — তাহলে সত্যি টা কি?
মনে করো তুমি আর আমি একই জায়গায় রয়েছি, আমরা দুজনে এয়ারটেল সিম ব্যবহার করছি। তুমি ব্যবহার করছো ওয়ানপ্লাস ফোন, আমি ব্যবহার করছি নাথিং ফোন। তোমার ফোনে ফুল সিগন্যাল পাচ্ছে, কিন্তু আমার ফোনের সিগন্যাল বারে ৩ দাগ শো করছে 🥲 আরেকজনের আইফোনে হয়তো ২ দাগ নেটওয়ার্ক শো করবে। কিন্তু কেনো?
তোমার ফোনের ফুল নেটওয়ার্ক সিগন্যাল অন্য কারো ফোনের অর্ধেক নেটওয়ার্ক শো করতে পারে। তাহলে সত্যি কোনটা?
নেটওয়ার্ক সিগন্যাল কে আসলে সিগন্যাল বার দিয়ে মাপার কোনো সিস্টেম নাই। এইটা ফোনের প্রস্তুতকারী কোম্পানিরা UI দিয়ে বুঝানোর খাতিরে সিগন্যাল বার শো করায়। কিন্তু একেক কোম্পানি একেক মানদন্ড ব্যবহার করার ফলে একেক ফোনে একেক সিগন্যাল দাগ শো করতে পারে। তাই এই সিগন্যাল বার আসলে গল্পের অর্ধেক কাহিনী।
প্রকৃতপক্ষে ফোনের সিগন্যাল কে মাপা হয় "নেগেটিভ dBm" প্রতীক দিয়ে। LTE বা 4G নেটওয়ার্কে RSRP ভ্যালুর সিগন্যাল dBm পরিমাপ করে বুঝা যায় তোমার সিগন্যাল স্ট্রং, চলার মত, নাকি একেবারেই দুর্বল। তোমার ফোন সেলফোন টাওয়ার থেকে ঠিক কতটুকু রেডিও সিগন্যাল/পাওয়ার রিসিভ করছে তুমি সহজেই বুঝতে পারবে।
ফোনের হিডেন সেটিংস *#*#4636#*#* ডায়াল করে সহজেই RSRP ভ্যালু দেখতে পারবে। অথবা গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করো NetMonster অ্যাপ, এবার দেখো তোমার RSRP ভ্যালুর কি অবস্থা।
🟢 -70 dBm থেকে -80 dBm — সিগন্যাল পেলে বুঝবে তুমি অত্যন্ত স্ট্রং সিগন্যাল পাচ্ছো। টাওয়ারের ক্যাপাসিটি ভালো থাকলে তুমি ম্যাক্সিমাম সার্ভিস পাবে, ম্যাক্সিমাম ডাউনলোড/আপলোড স্পিড পাওয়া সম্ভব।
🟢 -80 dBm থেকে -90 dBm — সিগন্যাল মানে গুড সিগন্যাল কোয়ালিটি। এই সিগন্যালেও ভালো ডাটা স্পিড এবং কোয়ালিটি সার্ভিস পাওয়া সম্ভব।
⚠️ -90 dBm থেকে -100 dBm — এই সিগন্যাল কোয়ালিটিতে তুমি -90 হতে যতোই -100 এর দিকে যাবে, সার্ভিস কোয়ালিটি ততো খারাপ হতে থাকবে। ডাউনলোড স্পিড কমে যেতে পারে, আপলোড তো অনেক কম পাবে, সাথে প্যাকেট লস শুরু হয়ে যাবে।
❌ -100 dBm থেকে সিগন্যাল যত -105, -110, -115 ইত্যাদিতে চলে যাবে। সার্ভিস ততো খারাপ, কল ড্রপ, 2G হয়ে যাওয়া, নো নেটওয়ার্ক এগুলো ইস্যু শুরু হয়ে যাবে।
তাহলে দুই ফোনের মধ্যে কোনটায় বেটার সিগন্যাল পাচ্ছো সেটা বুঝার জন্য দুই ফোন থেকে RSRP রিডিং দেখতে হবে। তোমার ফোনে ১ দাগ কম নেটওয়ার্ক পাচ্ছো বলেই যে তোমার ফোনের মডেম খারাপ ব্যাপার টা এমন নয়।
তো কার সিগন্যাল কত স্ট্রং নিচে কমেন্ট করে জানাও। পোস্ট কাজের মনে হলে, নতুন কিছু শিখলে শেয়ার করতে ভুলবে না 😉
#LTE #MobileNetwork #Tech #GSM
1 961
বাসায় Robi Wifi বা GPFi নিতে চাচ্ছেন? — এই পোস্ট না পড়লে পস্তাবেন 😑
আমি দীর্ঘ ৬ মাস যাবত রবি ওয়াইফাই ব্যবহার করছি এবং জিপিফাই টেস্ট করেছি। এধরনের মোবাইল ব্রডব্যান্ড আপনার জন্য কতটা উপযোগী বোঝার চেষ্টা করি।
⚠️ প্রথমত, আপনার কাজ যদি আপলোডিং হয়ে থাকে, এরকম সার্ভিস থেকে দূরে থাকুন। ফাইবারের সাথে আপলোড স্পিডে আপনি রাত দিনের তফাৎ পাবেন।
⚠️ ভুল করেও বেসিক রাউটার কিনবেন না। রবি জিপি দুজনেরই কম দামের বেসিক রাউটার রয়েছে। এগুলা সিঙ্গেল LTE ব্যান্ড সাপোর্ট করে এবং সিঙ্গেল WiFi ব্যান্ড সাপোর্ট করে। — এগুলোর স্পিড কখনোই কনস্ট্যান্ট পাবেন না। LTE ব্যান্ড লক করলে হয়তো 2100mhz বা 1800mhz ব্যান্ড এ বেটার পারফরমেন্স পেতে পারেন। কিন্তু মোস্ট লোকেশনে স্পিড আপ ডাউন করতে দেখতে পাবেন। ধরুন সকালে স্পিড পাচ্ছেন 20Mbps, কিন্তু সন্ধ্যায় দেখবেন স্পিড কমে 2mbps হয়ে গেছে।
⚠️ রবি ওয়াইফাই বা জিপি ফাই রাউটার গুলো ব্রডব্যান্ড সাপোর্ট করলেও বেশিরভাগ মডেলে ব্রডব্যান্ড লক করা। মানে সিমের পারফরমেন্স ভালো না হলে ব্রডব্যান্ড রাউটার হিসেবে যে ব্যবহার করবেন, সেটা করতে পারবেন না। রবি ZTE রাউটারে ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করা গেলেও ZLT রাউটারে ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করতে পারবেন না।
⚠️ এই রাউটার গুলো ক্যারিয়ার লক করা — জিপি রাউটারে জিপি এবং রবি রাউটারে রবি/এয়ারটেল সিম ব্যতীত আলাদা কোনো সিম ব্যবহার করতে পারবেন না। যেহেতু আপনি সম্পূর্ণ টাকা দিয়েই রাউটার কিনছেন সেক্ষেত্রে Unlocked রাউটার সেল করা উচিত ছিলো। এক সিমে ভালো নেট না পাইলে এটলিস্ট অন্য সিমে ট্রাই করতে পারতেন।
জিপির পূর্বের রাউটার গুলো আনলক করা ছিলো, কিন্তু বর্তমানে ফার্মওয়ার আপডেট দিয়ে ওরা সব রাউটার লক করে দিচ্ছে। 🥲
⚠️ আপনার বাসা যদি গ্রাউন্ড ফ্লোরে হয়, তাহলে বেশির ভাগ সময় আপনি স্পিড বা সিগন্যাল খারাপ পাবেন। টিনের বাড়ি হলেও স্পিড খারাপ আসবে। ফোনে NetMonster অ্যাপ থেকে আগে সিগন্যাল চেক করে নিন। কোনভাবে যদি -95dbm এর নিচে সিগন্যাল যায়। এগুলা রাউটার কেনা থেকে বিরত থাকুন। (-70dBm to -95dBm সিগন্যাল থাকলে ভালো হয়)।
⚠️ রবি এবং জিপি উভয়ের বেশিরভাগ রাউটার গুলো খুবই নিম্ন মানের। অলরেডি ডিসকাউন্ট দিয়ে তারা দাম কমিয়েছে। এগুলা চায়না থেকে রিব্র্যান্ড করা রাউটার। রিব্রান্ডিং এ কোনো সমস্যা নাই, সমস্যা হচ্ছে খুবই সস্তা জিনিস। স্পিড ফ্ল্যাকচুয়েট করে প্রচুর, ওয়াইফাই রেঞ্জ অনেক কম। একটু দেওয়াল পড়লেই নেটওয়ার্ক বিশাল ড্রপ করে। গরম হলে পারফরমেন্স ড্রপ করে।
⚠️ টাওয়ারের দুরত্ব, বাইরের আবহাওয়া, এমন কি লোকেশন ভেদে অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ চলে গেলেও নেট স্পিডের উপরে প্রভাব পরে।
তাহলে পরামর্শ কি?
🟢 যদি আসেপাশে ফাইবারের ব্যবস্থা থাকে, ১০০/১০০ এগুলা রবি জিপি রাউটার ইগনোর করুন। জ্বালার থেকে যন্ত্রণায় বেশি পাবেন 😉। ৫০০ টাকার ব্রডব্যান্ড নিলেও প্যারা কম পাইবেন গ্যারান্টি। আপনি মোটামুটি কোনো শহরে বসবাস করলে ব্রডব্যান্ড ই আপনার জন্য বেস্ট সলিউশন।
⚠️ রবি ওয়াইফাই বা জিপিফাই ব্যবহার করতে চাইলে তাদের প্লাস বা প্রো ডিভাইস গুলো নিতে হবে, যেগুলোতে LTE+ সাপোর্ট থাকবে এবং WiFi Dual Band সাপোর্ট থাকবে। সমস্যা হচ্ছে এতে আপনার কানেকশন প্রাইস অনেক বেশি হাই হয়ে যাবে। এই দামে কিন্তু অনেক ভালো কোয়ালিটি ব্রডব্যান্ড রাউটার কিনতে পারবেন।
⚠️ আপনি এমন জায়গায় বাস করেন, যেখানে একেবারেই কোনো উপায় নাই, কোনোভাবেই ব্রডব্যান্ড আসে নাই, বা সিঙ্গেল ISP আছে যাদের সার্ভিস অত্যন্ত খারাপ। সেক্ষেত্রে আপনার জীবন হয়তো এমনিতেই ধ্বংস হয়ে আছে। তাহলে এগুলা রবি ওয়াইফাই বা জিপি ফাই বিবেচনা করে দেখতে পারেন।
উপসংহার হচ্ছে, কোনো ভাবে যদি ফাইবার নেওয়ার অপশন থাকে। সেটাপ ফী যদি ২০০০/৩০০০ টাকাও লাগে, স্টিল ফাইবারের সাথে যাওয়া আইডিয়াল হবে। একেবারেই যদি হাতে অপশন না থাকে, তাহলে এগুলা ওয়ারলেস ব্রডব্যান্ড বিবেচনা করতে পারেন।
#robiwifi #gpfi #broadbandinternet #wirelessbroadband
1 961
গ্রাম আদালত:
গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত, এই আদালতগুলি স্থানীয়ভাবে এবং দ্রুততার সাথে কিছু ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে কাজ করে। তারা ৩,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত দাবির মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে।
মামলা দায়েরের পদ্ধতি: আবেদনকারীদের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটি ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে, তা সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে এবং চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিতে হবে, সাথে ফৌজদারি মামলার জন্য ১০ টাকা এবং দেওয়ানি মামলার জন্য ২০ টাকা ফি জমা দিতে হবে।
ফৌজদারি বিরোধের ৩০ দিনের মধ্যে এবং দেওয়ানি বিরোধের ৬০ দিনের মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে। তবে, স্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার তারিখ থেকে এক বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করা যেতে পারে।
গ্রাম আদালতে সুযোগ: গ্রাম আদালতগুলি দ্রুত, কম খরচে এবং সহজ বিরোধ নিষ্পত্তি প্রদান করে। আবেদনকারী এবং বিবাদী উভয়েরই প্রতিনিধি মনোনীত করার সমান অধিকার রয়েছে।
এই আদালতগুলিতে কোনও আইনজীবীর প্রয়োজন হয় না।
এই ব্যবস্থাটি উভয় পক্ষের মধ্যে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারেরও চেষ্টা করে। দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষ - বিশেষ করে নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং জাতিগত সংখ্যালঘুরা - সহজেই ন্যায়বিচারের এই সুযোগটি গ্রহণ করতে পারে।
বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ: গ্রাম আদালত চুরি, জালিয়াতি, আক্রমণ, বেআইনিভাবে আটকে রাখা, ভীতি প্রদর্শন, মহিলাদের প্রতি অশালীন আচরণ এবং কিছু সম্পত্তি সংক্রান্ত অপরাধের মতো ফৌজদারি মামলা পরিচালনা করতে পারে।
দেওয়ানি মামলার মধ্যে পাওনা আদায়, স্থাবর সম্পত্তির দখল, অন্যায় কাজের জন্য ক্ষতিপূরণ, পশুপালন সংক্রান্ত ক্ষতিপূরণ, কৃষি মজুরি সংক্রান্ত বিরোধ এবং স্ত্রীদের ভরণপোষণের দাবি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
৬১টি জেলার গ্রাম আদালতগুলি দ্রুত এবং সাশ্রয়ী মূল্যের ন্যায়বিচার প্রদান করছে, যার ফলে দরিদ্র এবং প্রান্তিক সম্প্রদায়গুলি ন্যূনতম খরচ এবং বিলম্বের সাথে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে সক্ষম হচ্ছে।
আদালত গঠন: প্রতিটি গ্রাম আদালতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্য থাকে, যাদের মধ্যে দুজন বাদী কর্তৃক মনোনীত এবং দুজন বিবাদী কর্তৃক মনোনীত।
যদি চেয়ারম্যান অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে প্যানেল চেয়ারম্যান অথবা অন্য কোন সদস্য সভাপতিত্ব করবেন। মহিলাদের সাথে সম্পর্কিত ক্ষেত্রে, মহিলা প্রতিনিধিত্ব বাধ্যতামূলক।
জরিমানা এবং অবমাননা: গ্রাম আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করলে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
যেকোনো সাক্ষী যদি ইচ্ছাকৃতভাবে আদালত কর্তৃক জারি করা সমন উপেক্ষা করে, তাহলে তাকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা যেতে পারে।
একইভাবে, আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানাও করা যেতে পারে।
আমার দেয়া তথ্যে ত্রুটি থাকতে পারে, সংশোধন করে দিলে কৃতজ্ঞ হবো।
বিস্তারিত জানার জন্য একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করতে পারেন।
সূত্র: https://www.tbsnews.net/bangladesh/court/village-courts-justice-just-tk10-28-days-poor-and-marginalised-1241861
