ch
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

前往频道在 Telegram

🙂🙂🙂

显示更多
1 954
订阅者
无数据24 小时
-77 天
-1830 天
帖子存档
সুরা মুলক ঘুমানোর আগে তিলাওয়াতকারীকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করে। [বায়হাকি] . রাব্বে কারীম তাওফীক দিন, আ-মীন ইয়া রব্বাল ‘আলামীন
সুরা মুলক ঘুমানোর আগে তিলাওয়াতকারীকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করে। [বায়হাকি] . রাব্বে কারীম তাওফীক দিন, আ-মীন ইয়া রব্বাল ‘আলামীন!

অতএব তুমি উত্তমরূপে ধৈর্যধারণ কর | সূরা আল-মা'আরিজ | আয়াত: ৫-১০ | Hamza Boudib #islamzone

Repost from Daily Ayah
শাওয়াল মাসের আইয়ামে বীজের রোজাগুলো রাখতে হবে আগামী ৪, ৫ এবং ৬ মে (বৃহস্পতিবার, শুক্রবার এবং শনিবার)। বুধবার দিবাগত রাতে সাহরি
শাওয়াল মাসের আইয়ামে বীজের রোজাগুলো রাখতে হবে আগামী ৪, ৫ এবং ৬ মে (বৃহস্পতিবার, শুক্রবার এবং শনিবার)। বুধবার দিবাগত রাতে সাহরি খেয়ে বৃহস্পতিবার রোজা শুরু করতে হবে। এরপর যথাক্রমে শুক্রবার এবং শনিবার সহ মোট তিনটি রোজা রাখতে হবে। আইয়ামে বীজের রোজার কিছু হাদিসঃ ★আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন , আমার বন্ধু (রাসূল ﷺ) আমাকে তিনটি বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন , প্রতি মাসে তিন দিন করে সাওম পালন করা এবং দু’রাকআত সালাতুদ দুহা এবং ঘুমানোর পূর্বে বিতর সালাত আদায় করা। [বুখারী, হাদিস ১৮৫৭] ★রাসূল ﷺ বলেছেনঃ কেউ যদি প্রতি মাসে তিন দিন সিয়াম পালন করে তবে তা যেন সারা বছরই সিয়াম পালন করা হলো। [তিরমিযী, হাদিস ৭৬০] ★ইবন মিলহান আল-কায়সী তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ ﷺ আমাদেরকে ইয়াওমিল বীয্ অর্থাৎ চন্দ্র মাসের তেরো, চৌদ্দ ও পনের তারিখে রোযা রাখার নির্দেশ দিতেন। তিনি (ইবন মালহান) বলেন, তিনি বলেছেনঃ এ রোযাগুলোর মর্যাদা (ফযীলত) সারা বছর রোযা রাখার সমতুল্য। [আবু দাউদ, হাদিস ২৪৪১]

স্বামী মারা গেলে স্ত্রীর করণীয়: 1- স্বামী মারা গেলে স্ত্রী স্বামীর জন্য শোক প্রকাশ করবেন। আর সেটার সীমা হচ্ছে চার মাস দশ দিন। এটাকে ইদ্দত পালন করা বলে। 2- এ সময়ে তিনি তার স্বামীর বাড়িতে শোক প্রকাশ করার জন্য অবস্থান করবেন। 3- এ সময়ে তিনি নিজ ঘরেই রাত্রি যাপন করবেন। নির্ধারিত একটি ঘরকে বাছাই করে নিবেন। স্বামীর ভাড়া করা বাড়ীও হতে পারে। 4- এ সময়ে তিনি সাজ-সজ্জার পোষাক বর্জন করবেন। 5- এ সময়ে তিনি সব রকমের গহনা বর্জন করবেন। 6- এ সময়ে তিনি যাবতীয় সুগন্ধি ব্যবহার ছেড়ে দিবেন। তবে নিজের পরিচ্ছন্নতার জন্য যা দরকার তা করতে পারবেন। 7- এ সময়ে তিনি একান্ত প্রয়োজনে (খাবার, পানীয়, বাথরুম ঘরে ব্যবস্থা না থাকলে) বাইরে যেতে পারবেন তবে দ্রুত ঘরে ফিরে আসবেন। 8- এ সময়ে কোনো মাহফিল, ওয়াজ, দারস, তালিমের জন্য বাইরে যেতে পারবেন না। 9- এ সময়ে তিনি কোনো খাবারের প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে বাইরে যেতে পারবেন না। 10- এ সময়ে তিনি কোনো দাওয়াত খেতে কোথাও যেতে পারবেন না।। ---------‐---------------- 11- এ সময়ে তিনি অন্য কোনো দেশ তো দূরের কথা হজ বা উমরার সফরেও যেতে পারবেন না।। 12- তেমন কোনো সফরে স্বামী মারা গেলে দ্রুততম সময়ে ইদ্দত পালন শুরু করবেন। যদি বিদেশে সেটা সম্ভব হয় সেখানেও করতে পারবেন, সম্ভব না হলে দেশে এসে পূর্ব বর্ণিত নিয়মে ইদ্দত পালন করবেন। প্রফেসর ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া।

বর্তমানের এই দ্রুতগতির সময়ে আমরা প্রতিনিয়তই নতুন তথ্য গ্রহণ করতে থাকি। কিন্ত এই তথ্য নিয়ে চিন্তা করার জন্য আমাদের হাতে সময় থাকে কম। কিছু সময় বিরতি নিয়ে আমরা যদি গ্রহণ করা তথ্য নিয়ে চিন্তা, পর্যালোচনা ও পুনর্বিবেচনা করি, তবে তথ্যগুলি আমাদের মস্তিষ্কে দীর্ঘ সময়ের জন্য রয়ে যাবে। একসাথে অনেক তথ্য গ্রহণ করলে যে এর সবকিছু আপনার মস্তিষ্কে স্থায়ী হয়ে থাকবে, এমনটা ভাবা ভুল। এমন না করে নতুন তথ্য গ্রহণ করার পর সেটা নিয়ে কিছুক্ষণ ভাবুন, যাতে আপনার মনে বিষয়টা স্থায়ী হয়। তারপর অন্য কাজে মনোযোগ দিন। . ৩. পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা পড়ার মাধ্যমে আপনি নতুন কিছু শিখলেন। এবং এরপর নিজের ক্যারিয়ার বা ব্যবসাতে কীভাবে এই নতুন শিক্ষা কাজে লাগানো যায়, সেটা চিন্তাভাবনা করে খুঁজে বের করলেন। এরপর আপনাকে নতুন পাওয়া জ্ঞান বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হবে। ৫ ঘণ্টার নীতির সবচেয়ে মূল্যবান অংশটাই হল অর্জিত জ্ঞান নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা। একটা বিষয় নিয়ে পড়ার পরে কিছুক্ষণ ভাবলেই আপনি দৃশ্যমান কোনো ফলাফল পাবেন না। বরং নিজের শিক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে যখন নতুন আইডিয়া বা কৌশল নিজের জীবনে কাজে লাগানোর চেষ্টা করবেন, তখন দেখবেন আপনার পেশাগত জীবনে উন্নতি ও সমৃদ্ধি আসছে। নিজেরা কী শিখলাম, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা কাজে লাগানোর চেষ্টা করলে এই শিক্ষা কতটা কার্যকর, তা যাচাই করা যায়। একইসঙ্গে এভাবে নতুন উপায় ও সমাধান বের করা যায়, যা আমাদের আত্ম উন্নয়নে কাজে লাগে। #আত্মউন্নয়ন #মোটিভেশন #টিপস

৫ ঘণ্টার নীতি: আত্ম উন্নয়নের চমৎকার এক কৌশল কখনো কি মনে হয়েছে কর্মজীবনে একই জায়গায় আটকা পড়ে আছেন? দিনের পর দিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, কিন্ত দীর্ঘ মেয়াদে কোনো উন্নতিই করতে পারছেন না? বন্ধু আর কলিগরা একের পর এক প্রমোশন পেয়ে যাচ্ছে আর আপনি এখনো আগের পদে রয়ে গেছেন? এমন কিছু মনে হলে প্রতিদিনের রুটিনে কাজে লাগাতে পারেন ‘৫ ঘণ্টার নীতি’। ৫ ঘণ্টার নীতি আমাদের জীবনকে আরো গুছিয়ে আনতে সাহায্য করতে পারে। কীভাবে এই নীতি নিজের জীবনে প্রয়োগ করবেন, তা নিয়ে ‌এই লেখা। কিন্তু তার আগে ব্যক্তি হিসেবে আপনি সারাদিনের সময় কীভাবে কাটান, সেটা ভেবে দেখুন। . # একটা সাধারণ দিন আমরা কীভাবে কাটাই? পৃথিবীতে মানুষের আয়ু গড়ে ৭৯ বছর বা ২৮,৮৩৫ দিন। এই সময়ের এক তৃতীয়াংশই মানুষ ঘুমিয়ে কাটায়। তবে এই সময়টা দেশ অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন হয়। যেমন জাপানের মানুষ গড়ে সাড়ে ৬ ঘণ্টার চেয়েও কম ঘুমায়। ৩৫% আমেরিকান গড়ে ৭ ঘণ্টার কম ঘুমায়। অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের মানুষের ঘুম একটু বেশি, তারা প্রতিরাতে গড়ে ৮ ঘণ্টার বেশি ঘুমায়। কিন্ত জেগে থাকা বাকি ১৬ ঘণ্টায় আমরা কী করি? ধারণা করা যায়, আমরা এ সময় আমাদের সবচেয়ে জরুরি কাজগুলি করে থাকি। ‘ওইসিডি’ (OECD) এর ‘বেটার লাইফ ইনডেক্স’ এর মতে জাপান, জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রের মত দেশের মানুষ প্রতিবছর অর্থ আয়ের জন্য প্রায় ১৭০০ ঘণ্টা কাজ করে থাকে। তবে অর্থ উপার্জনের বাইরেও আমাদের দৈনিক আরো কিছু কাজ করতে হয়। যেমন গৃহস্থালির কাজ, নিজের যত্ন নেয়া, খাওয়া, গোসল, টিভি দেখা, খেলা এবং পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটানোর মত অবসর সময়ের বিনোদন ইত্যাদি। অবশ্যই আমাদের যার যার আগ্রহ এবং প্রাধান্যের ওপর অনেকটাই নির্ভর করে আমরা কীভাবে দিনের সময় কাটাতে চাই। একটা সুন্দর, স্বার্থক জীবনের জন্য কাজ ও বিশ্রামের সুন্দর ভারসাম্য প্রয়োজন। কিন্ত নিজের ব্যক্তিগত উন্নতির জন্যও রাখা দরকার কিছু সময়। আর সেটা করার জন্যই আমরা কাজে লাগাতে পারি ৫ ঘণ্টার নীতি। . # ৫ ঘণ্টার নীতি আসলে কী? আপনি কি শুধু এক কাজ থেকে অন্য কাজের পেছনে ছুটতে থাকেন, তবুও আপনার কাজের লিস্ট থেকে কোনো কাজই করা শেষ হয় না? কিংবা আপনি কি নিজের দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ খুঁজছেন, কিন্ত ব্যস্ত শিডিউলের মধ্য থেকে কোনো মতেই সময় বের করতে পারছেন না? এমনটা হয়ে থাকলে ৫ ঘণ্টার নীতি সাহায্য করতে পারে আপনাকে। এই নীতি অনুসারে, প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা অথবা সপ্তাহে অন্তত ৫ ঘণ্টা আত্ম উন্নয়নের পেছনে কাজে লাগানো এবং নতুন কিছু শিখতে ব্যয় করতে হবে। যদি এভাবে প্রতি সপ্তাহে ৫ ঘণ্টা সময় পুরো বছর জুড়ে দিতে পারেন, তবে আপনার দক্ষতা কোন পর্যায়ে পৌঁছে যেতে পারে সেটা ভেবে দেখুন। সারাদিনে এক ঘণ্টা হয়ত বেশি সময় বলে মনে হবে না, কিন্ত ধারাবাহিকভাবে যদি প্রতি সপ্তাহে আপনি ৫ ঘণ্টা সময় দিতে থাকেন, তাহলে তা ব্যক্তিগত উন্নয়নে বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে। এই নীতি অনুসারে চলা শুরু করে দেখুন, দুয়েক মাসের মধ্যেই পরিবর্তন দেখতে পারবেন। কারণ ৫ ঘণ্টার নীতি আমাদের আত্ম উন্নয়নের সম্ভাবনা অনেক বাড়িয়ে দেয়। . # এই নীতি অনুসারে যেভাবে আপনার সময় ব্যয় করবেন কখনো কি আপনার মনে হয়েছে, যদি দিনে আরো কয়েক ঘণ্টা সময় বেশি পাওয়া যেত তবে নিজের সকল লক্ষ্য ও স্বপ্ন পূরণ করার সময় পাওয়া যেত? দুঃখের বিষয় হচ্ছে শত চেষ্টা করলেও আমরা দিনে ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় কখনোই পাব না। তবে একটা সহজ কৌশল এই ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আমাদের প্রোডাক্টভিটি চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে এবং আরো দক্ষ হয়ে উঠতে সাহায্য করতে পারে। আর এই কৌশলটাই হচ্ছে ৫ ঘণ্টার নীতি। উদ্যোক্তা এবং লেখক মাইকেল সিমন্স এই নীতি জনপ্রিয় করে তোলেন। আগেই যেমনটা বলা হয়েছে, সপ্তাহে অন্তত ৫ ঘণ্টা কোনো কিছু শেখা এবং অনুশীলনের কাজে ব্যয় করাটাই এই নীতির মূলমন্ত্র। এছাড়া প্রয়োজন অনুসারে এই নীতিতে আরো কিছু নিয়ম যোগ করতে পারেন। প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা বা সপ্তাহে ৫ ঘণ্টা সময় আত্ম উন্নয়নের কাজে ব্যয় করার জন্য যে ৩টি বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রাখতে পারেন, তা এরকম: ১. পড়া প্রথমেই পড়ার দিকে নজর দিতে হবে। অনেক দেশে প্রচলিত পুরোনো এক প্রবাদের অনুবাদ হল, “আমরা তাই, যা আমরা পড়ি”। এই প্রবাদটাই কাজে লেগেছে অনেক সফল ব্যক্তির জীবনে। জীবনে অনেক কিছু যারা অর্জন করেন, তারা প্রচুর বই পড়েন। এবং এর মাধ্যমেই তারা প্রতিনিয়ত নতুন তথ্য ও জগতকে দেখার জন্য নতুন দৃষ্টিভঙ্গি খুঁজতে থাকেন। ‘ইংক ডট কম’ এর মতে, সফল সিইওদের মধ্যে ৬০% প্রতি সপ্তাহে অন্তত একটি বই পড়েন এবং ২০% প্রতি সপ্তাহে একটার বেশি বই পড়েন। তাই এটা অবাক হওয়ার মতো বিষয় না যে, এসব সফল মানুষদের প্রতিদিনের রুটিনে বই পড়ার বিষয়টি ওপরের দিকে থাকবে। বই পড়ার ফলে তাদের মন সব সময় মূল্যবান তথ্যে সমৃদ্ধ থাকে এবং নিজেদেরকে তারা বাকিদের চেয়ে এগিয়ে রাখতে পারেন। . ২. চিন্তা করা

নিচের ছবিতে আপনি ডান পাশের লেখা গুলো খুবই দ্রুত পড়ে যাবেন, বাম পাশের লেখার তুলনায়। এটাকে বলা হয় বায়োনিক রিডিং। বায়োনিক রিডিং
নিচের ছবিতে আপনি ডান পাশের লেখা গুলো খুবই দ্রুত পড়ে যাবেন, বাম পাশের লেখার তুলনায়। এটাকে বলা হয় বায়োনিক রিডিং। বায়োনিক রিডিং হলো দ্রুত পড়ার একটি টেকনিক যা পড়ার গতি এবং বোঝার উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। in theory, হাইলাইট বা বোল্ড অংশ লেখা দেখেই পুরো শব্দটা বুঝতে পারে আপনার মস্তিষ্ক। বায়োনিক রিডিং (Bionic Reading) হলো দ্রুত পড়ার একটি কৌশল, যা উদ্ভাবন করেছেন সুইজারল্যান্ডের টাইপোগ্রাফিক ডিজাইনার রেনাটো ক্যাসাট। বায়োনিক রিডিং পদ্ধতিতে কোনো শব্দের প্রথম সংক্ষিপ্ত অংশটুকু হাইলাইট বা বোল্ড করে দেয়া হয় এবং একটি কৃত্রিম ফিক্সেশন পয়েন্ট তৈরি করা হয়। যার ফলে শব্দের প্রথম অংশ পড়েই পাঠক পুরো শব্দটা বুঝতে পারে এবং দ্রুত মনোযোগের সাথে পড়তে পারে। এই পদ্ধতির উদ্ভাবক রেনাটো ক্যাসাট বলেছেন: "বায়োনিক রিডিং পাঠককে কোনো লেখার শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য ধরে রাখতে সক্ষম।