ch
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

前往频道在 Telegram

🙂🙂🙂

显示更多
1 955
订阅者
无数据24 小时
-57 天
-1630 天
帖子存档
এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না যে বই পড়ে, যে মেয়ে গভীরভাবে অনুভব করে, আর যে মেয়ে লেখে। কখনও শিক্ষিত, মোহিনী, ভ্রমাত্মক , পাগলাটে মে
এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না যে বই পড়ে, যে মেয়ে গভীরভাবে অনুভব করে, আর যে মেয়ে লেখে। কখনও শিক্ষিত, মোহিনী, ভ্রমাত্মক , পাগলাটে মেয়ের প্রেমে পড়ো না। এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না যে ভাবতে পারে, যে জানে সে কি জানে এবং উড়তে জানে; যে মেয়ে নিজের সম্পর্কে নিশ্চিত। এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না যে প্রেমের সময় হাসে বা কাঁদে, জানে কীভাবে আত্মাকে পরিণত করতে হয় শরীরে; সে মেয়েকে ছেড়ে দাও যে বিপজ্জনকভাবে কবিতা ভালোবাসে, অথবা একটি পেইন্টিং-এর ধ্যানে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটায় এবং যে সঙ্গীত ছাড়া বাঁচতে পারে না।... এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না যে তার শরীরের গঠন ও মুখের আদল ছাড়াই সুন্দর। এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না যে তীব্র, মনোরম, স্বচ্ছ এবং অপ্রাসঙ্গিক। এমন কোনও মেয়ের প্রেমে পড়ো না। কারণ যখন তুমি এমন একটি মেয়ের প্রেমে পড়বে, তুমি তার সঙ্গে থাকো বা নাই থাকো, সে তোমাকে ভালোবাসুক বা নাই ভালোবাসুক, এমন মেয়ের কাছ থেকে তুমি কখনওই ফিরতে পারবে না। মূল: মার্তা রিবেরা গাররিদো অনুবাদ: গৌতম মিত্র ছবি: William Oliver (British, 1804-1853).

ফোনের চার্জ ৩৫/৪০/৫০% এমন থাকার পরেও ফুল চার্জের জন্য চার্জে লাগানোতে কোনো ক্ষতি নেই। বরং ফোনের চার্জ ৫০% এর নিচে না নামতে দিতে পারলে ভালো। আপনার ব্যাটারি যদি দীর্ঘ সময় ভালো রাখতে চান, তবে :— ফোনের চার্জ ৫০%/৪০% এর নিচে নামতে দেওয়া উচিত না। এর আগেই চার্জ করুন।(যদি সম্ভব হয়) :— ২০% এর নিচে নামতে দেওয়া কোনোভাবেই উচিত না। :—এবং সবসময় ফুল চার্জ করাও উচিত না। ৮০/৯০% এমন হলে চার্জার খুলে ফেলুন। অর্থাৎ সাধারণত ৩০% হলেই চার্জ দেওয়া শুরু করুন আর ৮০%/৯০% হলে খুলে ফেলুন। :— ফোনে ফাস্ট চার্জিং মোড এর অপশন থাকলেও মাঝে মাঝে ধীরগতিতে বা নরমাল মোডে চার্জ করুন। :— চার্জে লাগিয়ে ফোন ব্যবহার করা থেকে অবশ্যই বিরত থাকুন। :— চার্জে বসিয়ে একটু পর পর তুলে নেওয়া,আবার দেওয়া, আবার তুলে নেওয়া —এরকম করা থেকে বিরত থাকুন। :— ফুল চার্জ হয়ে যাওয়ার পরও চার্জে লাগিয়ে রাখা থেকে বিরত থাকুন।এতেও ব্যাটারির ক্ষতি হয়।(তবে কিছু কিছু ফোনে এই সিস্টেম থাকে যে— ফোন ফুল চার্জ হওয়ার পর চার্জিং সিষ্টেম অটো-ডিসকানেক্ট হয়ে যায়।ওই সকল ফোনে এটা সমস্যার কারণ না হতে পারে।) ধন্যবাদ।

সতর্কতা মূলক পোস্টঃ NID কার্ড সংশোধনের কথা বলে অনেকের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। অথচ তারা জানে না NID কার্ড গ্রুপের কেউ চাইলেও সংশোধন করতে পারবে না এমন কি Head অফিস থেকেও। সংশোধন করার ক্ষমতা আছে ক্যাটাগরি "ক" নিজ উপজেলা নির্বাচন অফিসার ক্যাটাগরি "খ" নিজ জেলা নির্বাচন অফিসার ক্যাটাগরি "গ" নিজ বিভাগীয় নির্বাচন অফিসার ক্যাটাগরি "ঘ" মহাপরিচালক এক অফিসারের কাজ অন্য অফিসার Approve করতে পারবে না সে সিনিয়র হলেও। অথচ প্রতারকরা সব উপজেলা, জেলার কাজ নিয়ে করে দেওয়ার প্রতিশ্রতি দেয়, যেটা বাস্তবে অসম্ভব। সুতরাং কারো সংশোধনের প্রয়োজন হলে নিজ উপজেলাতে যোগাযোগ করুন। অনলাইনে সংশোধনের জন্য কাউকে টাকা দিলে প্রতারিত হবেন ১০০০%। ধন্যবাদ।

একটা ভাবির সাথে কথা বলছিলাম। ভাবির বিয়ের কথা বলায় ভাবি বলল আমার বিয়ের সময় আমার ফুফু আমাকে দুইটা উপদেশ দিয়েছিল। ১.যতই যাই হোক রাগ করে স্বামী/শ্বশুর বাড়ি থেকে বের হয়ে যাবি না।(বের হয়ে যাওয়া সহজ।কিন্তু ঢোকা অনেক কঠিন।অনেকের অনেক কথা শুনতে হবে সেই সাথে নিজেরও লজ্জা লাগবে) ২.না খেয়ে থাকবি না।(ওখানে কেউ তোকে তোষামোদ করতে আসবে না।এমনি মন খারাপ তার মধ্যে না খেয়ে শরীর খারাপ করলে তখন কে দেখবে তোকে?) ৩:স্বামী কখনো তার স্ত্রীকে অন্যের সামনে অপমান করতে পারবে নাজ।দুজনের ভিতরে যাহ হবে চার দেওয়ালের মাঝেই থাকে। বাইরে যেতে দিি নাহ। আরেকটা আন্টি গল্প করছিল তার বাবা তাকে বিয়ের সময় উপদেশ দিয়েছিল যে,রাগ করে স্বামীর বাসা থেকে আমার বাসায় আসতে চাইলে তোমার জন্য আমার বাড়ির দরজা বন্ধ কিন্তু খুশিমনে যখন ইচ্ছে তখন আসতে পারো।(মেয়ের রাগ দেখে বাসায় ঢুকতে দেওয়া মানে তার রাগকে প্রশয় দেওয়া।আর এই রাগই এক সময় বিচ্ছেদ ঘটায়।তখন সেই মা-বাবায় সন্তানের কাছে বোঝা হয়ে দাঁড়ায়) কি সুন্দর নসিহত! বিবাহিতরা এরকম সুন্দর সুন্দর নসিহত গুলা জানাতে পারেন।এতে করে অবিবাহিতরাও কিছু শিখবে।C))

Hasiba Jannat কম কথা বলুন এবং বেশি শুনুন। নিজের সম্বন্ধে কখনোই বেশি বলতে যাবেন না। যতটা জিজ্ঞেস করছে ততটাই বলুন এবং ইচ্ছে না হলে সেটার ও অস্পষ্ট, অনিশ্চয়তা সূচক জবাব দিন। ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স হতে হবে। সবকিছুতে স্মার্টনেস দেখাতে হবে। সবার কাছে এভেলবল হওয়া যাবে না। সবার সাথে একমত হওয়া যাবে না, নিজের সেন্স থেকে লজিক্যালি চিন্তা করতে হবে। বেছে বেছে নিজের সম্পর্কে তথ্য শেয়ার করুন। হাঁটার স্টাইল এমন হতে হবে যেন আপনার কনফিডেন্স ১০০ থেকে ১০০. এক্সট্রা কমিউনিকেশন স্কিল থাকতে হবে।

12 টি অসাধারণ মুভি যা আপনার বুদ্ধি কয়েক গুণ বাড়াবে ::: ১। The Terminal এক পূর্ব ইউরোপীয় টুরিস্ট তার দেশে ঝামেলা হওয়ায় পাসপোর্ট ইনভ্যালিড হয়ে যায় এবং সে এয়ারপোর্টে লম্বা সময়ের জন্য আটকে পড়ে। একটা অচেনা দেশের বিমান বন্দরে সে কিভাবে টিকে থাকে এবং সেখানে আর কি কি ঘটে যায় তার জীবনে সেটা নিয়ে এই মুভি। .. ২। The Life of David Gale মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা ডেভিড গেইল সহ-আন্দোলনকারীকে খুনের দায়ে নিজেই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত। সে এক সাংবাদিককে ডেকে জানায় সাতদিন পর তার দণ্ড কার্যকর হবে। সে যেন প্রমাণ যোগাড় করে তাকে বাঁচায়। প্রমাণ যোগাড় করতে গিয়ে এমন কিছু বেরিয়ে আসে যেটা কেউ ভাবতেও পারে নি। ৩। American Beauty একজন লুজার ধরণের ব্যক্তি তার মেয়ের বান্ধবীর প্রেমে পড়ে যাবার পর তার মধ্যে এক অন্যরকম পরিবর্তন আসে। সে সবাইকে বাঁশ দিতে শুরু করে। সাধারণ এক গল্পের ভিতরে লুকিয়ে আছে এক অদ্ভুত দর্শন। এই মুভিতে অভিনয় করে কেভিন স্পেসি অস্কার জিতেছিলেন। ৪। The Shawshank Redemption একজন আইনজীবী স্ত্রী এবং তার পরকীয়া প্রেমিককে হত্যার দায়ে জেলে যায়। কিন্তু সে খুনটা করে নি। জেলেই কি সে বাকি জীবন পঁচে মরবে? তারপর কি ঘটে? এটি একটি চরম হতাশার মাঝেও আশাবাদের গল্প। ৫। Braveheart এটি স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম সৈনিক উইলিয়াম ওয়ালেসের গল্প। মুভিটি দেখুন। গ্যারান্টি দিচ্ছি সাড়ে তিন ঘণ্টায় একবারও উঠতে ইচ্ছা করবে না। ৬। The Prestige ম্যাজিক নিয়ে মুভি। এটা নোলানের মাস্টারপিস। যেরকম গল্প, সেরকম চিত্রায়ন, সেরা কাস্টিং। ৭। The Butterfly Effect ইভান ট্রেবর্ন এর শিশুকালের কিছু ট্রমা আছে। সে একটা উপায় খুঁজে পায় যার মাধ্যমে সে অতীত ঘটনায় ফিরে গিয়ে বর্তমানকে পরিবর্তন করতে পারে। কিন্তু প্রতিটিই তাকে দুঃখজনক পরিণতিতে নিয়ে যায়। ৮। Memento কাহিনী কিছুই না। শুধুই মেকিং। আগে থেকেই বলে রাখি শতভাগ মনোযোগ নিয়ে দেখবেন। শর্টটার্ম মেমোরি এই সিনেমার মূল উপপাদ্য। তাই বলে আমির খানের 'গজনি'র সাথে মেলালে ভুল করবেন। ৯। L.A. Confidential এক মুভিতে রাসেল ক্রো, কেভিন স্পেসি, গাই পিয়ার্স। বুঝতেই পারছেন মুভিটা কি জিনিস হতে পারে। ক্রাইম থ্রিলার মুভি। ১০। Gone Baby Gone একটি শিশু অপহৃত হওয়া এবং তারপর সেটার ইনভেস্টিগেশন নিয়ে মুভি। শেষে এমন কিছু একটা হবে যেটা আপনি আশা করবেন না। ১১। Nocturnal Animals একজনকে মুভিটা সম্পর্কে বলেছিলাম 'অন্তরে ছুরি চালানো মুভি'। প্রচণ্ড কষ্ট দেয়া গল্প। চোখে পানি আসবে না। বুকটা হাহাকার করবে। ১২। Predestination আমার সবচেয়ে ভয়ংকর মুভির নাম সবার শেষে দিলাম। এককথায় একটি মাথায় গিট্টু লাগানো মুভি। দেখার পর মাথা ভো ভো করবে।

যে 4 টি মাইন্ডসেট থাকে হাইলি ডিসিপ্লেনেড পিপলদের!! 1) তাদের ফোনে অতিরিক্ত অ্যাপ থাকে না। তারা দরকারি অ্যাপ ছাড়া সব আনিন্সটল করে দেয়। আমি নিজেও ইন্সটাগ্রাম আনিন্সটল করে দিয়েছি। দরকারি কাজের সময় ফোন DnD মোডে দিয়ে উল্টায়া রাখে৷এভাবেই তাদের PROGRESS হয় বিভিন্ন জিনিস SUBSTRACTION এর মাধ্যমে৷ 2) থেমে গেলেই BREAKUP করেন। নাহ প্রেম ভালবাসার ব্রেকাপ করার কথা বলছিনা৷ যেসব কাজ করতে করতে স্টাকড হয়েগেছেন সেসব কাজ ছোট ছোট করে ভেঙে ভেঙে করেন। প্রতিদিন ছোট ছোট করে সেসব কাজ করেন। যেমন ধরেন বই লিখছেন। তো প্রতিদিন এক পাতা করে লিখবেন ১ মাসেই আপনি বই কমপ্লিট করে ফেলবেন৷ আমার কঠিন লাগতো মেশিন ডিজাইন। আমি প্রতিদিন এক টা একটা করে ম্যাথ করতাম। যার ফলাফল হিসেবে আমি টপার হই৷ তো এবার বুঝলেন? স্টাক হয়েগেলে ব্রেক করে কাজ করবেন৷ REMEMBER PROGRESS IS BEST MOTIVATOR 3) LESS but BETTER এই মাইন্ডসেট মূলত একটু রিস্কি। তবে খুবই কার্যকর। কোনটা বেশী ম্যাটার্স আপ্নার কাছে!? প্রথমেই এটা চ্যালেঞ্জিং বলব৷ কারণ FOMO ( FEAR OF MISSING OUT) থাকে৷ যেমন :. আমি আজ সকালে এই একটা কাজ করতে পারবোনা ( Multitask করলেই সমাধান হয়ে যাবে) আমি বিজনেসে ন্যারো টাইপ প্রোডাক্ট নিয়ে ফোকাস করতে পারবনা আর ( কেমন হবে বাকী 3 টা আইডিয়া নিয়ে করলে? যদি হিট হয়!) যখন আপনি () এ দেয়া নতুন জিনিস ইম্যাজিন করেন তখন আপনার ডপামিন হিট করে। যারফলে আপনি একটা কাজই ঠিকভাবে পারেন না। তাই দয়া করে অল্প কাজ বেশী ভালো ভাবে করেন। 4) value কে প্রাধান্য দিন ফিলিংস থেকে! নতুন কোডিং শিখবেন। আচ্ছা এই কোডিং শিখা কি আপনার জীবনে ভ্যালু অ্যাড করবে? অবশ্যই!! অপরদিকে চুমকির সাথে চ্যাটিং করা, বন্ধুর সাথে চা খাওয়া এগুলা কি জীবনে ভ্যালু অ্যাড করবে? মোটেও না৷ তারাই আপ্নাকে ইগ্নোর করবে আকাইম্মা বলবে। সো ভ্যালু অ্যাড করে যেগুলা সেগুলা করেন। অবশ্যই প্যারাসাইকোলজি (Parapsychology) এর সকল পোস্ট পেতে এবং গ্রুপ না হারাতে লাভ রিয়্যাক্ট দিন। এখানেই একমাত্র এই টাইপ গাইড লাইন পাবেন। যা দুনিয়ার কোথাও নাই৷

"সমবয়সী সম্পর্ক - Same Age Relationship" Same Age Relationship ব্যাপারটাকে সবাই পজিটিভ ভাবে নেবার চেয়ে সবাই নেগেটিভ ভাবে আগে নেয়। Same Age Relationship কথাটি শুনলে সবার আগে যে চিন্তাটি মাথায় আসে,"এ রিলেশনের কোনো ভবিষ্যৎ নেয়।" কিন্তু Same Age relationship গুলো অনেক সুন্দর হয় কারণ একে অপরকে বুঝতে যেমন সুবিধা হয়, তেমনিই যত তাড়াতাড়ি ঝগড়া বাধে আর ঠিক তত তাড়াতাড়ি মিল হয়ে যায়। আবার Same Age Relationship মানে, একসাথে পাশাপাশি হেঁটে দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসির মাধ্যমে একটি অসম্ভব সুন্দর মুহূর্ত তৈরি করা।এখানে রোমাঞ্চকর মুহূর্তগুলোই বেশি থাকে। আবার অনেকে বলে ছেলের বয়স মেয়েটির বয়স থেকে বেশি হলে ছেলেটিকে ধরে ধরে বোঝাতে হয় না। এখানে আমি একটা উদাহরণ দিতে পারি,"মনে করুন একটি কাপল পার্কে গিয়েছে ঘুরতে।যেখানে স্বামী তার স্ত্রী থেকে ৫-৮ বছরের সিনিয়র।সেখানে একটি দোলনা আছে।দোলনাটাতে স্ত্রীর উঠে দোল খেতে খুব ইচ্ছা করছে।যখন এ কথাটি তার স্বামীকে জানায়.. তখন তার স্বামী তাকে বলে,এখন দোল খেলে লোকে বলবে ভালোবাসার শো অফ করছে।এভাবেই নিরবে ঘুচে যায় স্ত্রীর বিভিন্ন ইচ্ছা।" উদাহরণ শেষে বলতে পারি যে,সমবয়সী কাপলগুলোর ইচ্ছাগুলো প্রায় একই রকমই হয়। আসলে বিবাহে বয়স,উচ্চতা বা ওজন ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়,যতটা গুরুত্বপূর্ণ বোঝাপড়া বা বন্ধুত্ব। কারণ বিবাহটি আপনি মানুষের সাথে করবেন. তার বয়স,উচ্চতা বা ওজনের সাথে নয়। এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে,যারা বিবাহের পূর্বে একে অপরের বন্ধু ছিলো.পরে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে,তারাই সব থেকে খুশি ও আনন্দিত। মূলত সম্পর্কে বয়স বিষয়টা কোনো পাত্তা পায় না। এজন্য সব থেকে যেটা বেশি জরুরি সেটা হলো বন্ধুত্ব এবং মনের মিল। যে আপনাকে বুঝতে পারবে এবং যার সাথে নির্দ্বিধায় সবকিছু Share করতে পারবেন.যদি এমন কেউ পেয়ে থাকেন তবে আপনাকে তাকেই বিয়ে করা উচিত। Couple: Riaz & Noushin

টক্সিক ফ্যামিলির সাথে ডিল করা শিখুন। ১)কখনোই রিয়েক্ট করবেন না, আপনি যদি মনে করেন আপনার কথা তারা শুনবে কখনোই এমন হবে না। যেদিন আপনি ফিন্যান্সিয়াল ফ্রি হয়ে যাবেন, আপনার ডিসিশন নিতে পারবেন, তারা দেখবে বুঝবে তখন আপনাকে রেসপেক্ট করবে। ২)আপনি এবং আপনার ফ্যামিলির সাথে একটা বাউন্ডারি সেট করুন। আপনি একটা লিমিটের বেশি বলতে পারবেন না, তাদের কথা শুনতেও পারবেন না। ৩)নিজের সম্পর্কে সচেতন হোন এবং আপনি জীবনে কী চান তা নির্ধারণ করুন। পারসোনাল গৌলে ফোকাস করুন এবং আপনার প্রয়োজন গুলোকে প্রায়োরিটি দিন। ৪)তাদের বিরুদ্ধে কখনোই বলবেন না। তারা যদি ভুল বলে তা ও নয়। রিয়েক্ট করা যাবে না। টক্সিক ফ্যামিলির কারনে আপনার মেন্টাল এবং ফিজিক্যাল নেগেটিভ ইম্প্যাক্ট।

লেখা: ফারহিন আল মুনাদি ফ্রি মিক্সিং পুরুষদের থেকে গাইরতবোধ কেড়ে নেয় আর মেয়েদের থেকে লজ্জা কেড়ে নেয়। সাংসারিক জীবনে মেয়েটা স্ব
লেখা: ফারহিন আল মুনাদি ফ্রি মিক্সিং পুরুষদের থেকে গাইরতবোধ কেড়ে নেয় আর মেয়েদের থেকে লজ্জা কেড়ে নেয়। সাংসারিক জীবনে মেয়েটা স্বামীকে নিয়ে পরনারীর ব্যাপারে অশান্তিতে ভুগে আর মেয়েটাকে নিয়ে পুরুষটা নিয়ে অশান্তিতে ভোগে অথবা স্বামী হয়ে যায় দাইয়ুস আর স্ত্রী হয়ে যায় দায়সারা। ফ্রি মিক্সিং মানে শুধু ছেলেদের সাথে বন্ধুত্ব নয়, সহাবস্থানও ফ্রি মিক্সিং। কুরআনে সহশিক্ষা/সহাবস্থান আর ফ্রি মিক্সিংকে আলাদা করা হয় নি। উম্মতের সবচেয়ে পবিত্র নারী উম্মাহাতুল মুমিনীনকে খেতাব করে আল্লাহ বলেছেন, তাঁদের থেকে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইতে। কাজেই যারা দুইয়ের মাঝে পার্থক্য করে আত্মতৃপ্তিতে ভুগতে চান, অনুগ্রহ করে কুরআন সুন্নাহর আলোকে আবার একটু ঝালাই করে নেয়া জরুরী। অভিজ্ঞতা এবং 'আমার বেঁচে থাকা/ফিতনামুক্ত থাকা' কোন দলীল হতে পারে না। Design Courtesy: Muslimah

স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছেলেমেয়েকে রুমের দরজা লক করে পড়াশোনার অনুমতি দিবেন না। এটাই বাবা-মার পক্ষ থেকে সন্তানকে বিপথে পাঠানোর প্রথম ধাপ

অনেকেই দ্বিধা -দন্দে থাকেন কোন শ্রেনীর লাইসেন্স বানাবেন। পেশাদার নাকি অপেশাদার : পেশাদার : যারা নিজেকে ড্রাইভার বা পরিবহন সেক্টরে ব্যাবসা বানিজ্য করবেন তাদের জন্য পেশাদার লাইসেন্স এর বিকল্প নেই। ০৫ বছর মেয়াদী পেশাদার লাইসেন্সটি পেতে ডোপটেস্ট দিতে হয় যা সরকার কর্তৃক বাধ্যতামূলক। প্রতিবার রিনিউ বা মেয়াদ বৃদ্ধিকালে প্রাকটিকাল পরীক্ষা ও ডোপটেস্ট রিপোর্ট জমা দিতে হয়। অপেশাদার : যারা ব্যাক্তিগত পরিবহন চালাবেন এবং যারা ড্রাইভার হিসেবে কোথাও শ্রম দিতে ইচ্ছুক নন তাদের জন্য ১০ বছর মেয়াদী অপেশাদার লাইসেন্সটি কার্যকর। এখানে ডোপটেস্ট দিতে হয় না বা ১০ বছর পর মেয়াদবৃদ্ধি কালে পরীক্ষার প্রয়োজন হয় না।

ডেঞ্জারাস AI !! তারা বানালো নারীদের নগ্ন করার AI, আলহামদুলিল্লাহ, আমরা বানালাম Porda AI >>Porda v1 (experimental) windows app (Free and will be Open-sourced) >>>Women are most precious. ফিচার, ১) অ্যাপ্লিকেশনটি নারী বা পুরুষ এবং অশ্লীলতা ও নগ্নতা ডিটেক্ট করে রিয়াল-টাইম সরাসরি স্ক্রিনের উপরেই তার আংশিক এবং সম্পূর্ণ অংশ ঢেকে দিবে। ২) শুধু মুসলিম না, নিজ সুবিধামত কাস্টম মডেল ব্যবহার করা করে যে কেউ উপকৃত হতে পারে, কেননা কেউই অশ্লীলতা/নগ্নতা পছন্দ করে না। ৩) GPU ছাড়াই সাধারণ CPU তেই চলবে। ৪) ফেসবুক ইউটিউবসহ যেকোনো উইন্ডোতে কাজ করবে। ফাস্ট এবং অ্যাকুরেট। ৫) ব্লারিং ইফেক্ট ব্যবহার করা যাবে। ৬) একইসাথে একাধিক বস্তু ঢাকতে পারবে। ৭) স্ক্রিনের রেজুলেশনের কারণে অনেক সময় ডিটেকশন রেট ভালো নাও আসতে পারে তখন মাউস ড্রাগ করে উইন্ডোর নির্দিষ্ট অংশ সিলেক্ট করে উইন্ডোকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যাবে। ৮) ফুল ডাইনামিক, উইন্ডোর নড়া-চড়া বা ছোট-বড় করাতে অটো অ্যাডজাস্ট করে নিবে। ৯) মাউসের ক্লিক বা স্ক্রলিং এ কোনো প্রভাব পড়বে না। ১০) ছবি বা ভিডিওতে, অনলাইন বা অফলাইনে যেকোনো অবস্থায় কাজ করবে। ১১) স্ট্যাটিক কভার ব্যবহার করে স্ক্রিনের বা নির্দিষ্ট কোনো উইন্ডোর নির্দিষ্ট অংশ (e.g. password, history, logo) ডাইনামিকলি ঢেকে রাখা যাবে যা স্ক্রিন রেকর্ড বা স্ট্রিমিং এর সময় কাজে লাগতে পারে। সীমাবদ্ধতা, আমরা বর্তমানে যে টেকনোলজিগুলো ইউজ করি সেগুলো অল্প দিনে হয়নি, অগণিত ফান্ড আর বহু দিন ধরে বহু মানুষ ডেভেলপ করেছে । আর আমি সে সুযোগ পাইনি এবং এটা কেবল শুরু ও এক্সপেরিমেন্টাল, তাই সীমাবদ্ধতা বা বাগ থাকতে পারে এটাই স্বাভাবিক। ১) উইন্ডোজ 10 এর নিচে রান হবে না এবং এটা হয়তবা লো-কনফিগারেশন পিসিতে(ল্যাপটপে) পারফর্মেন্স ভালো নাও দিতে পারে। ২) ডিটেকশনের ক্ষেত্রে ভুল হতে পারে (50%MPA@0.5)। (অর্থাৎ মহিলার পরিবর্তে পুরুষকে অথবা অন্য বস্তুকে ডিটেক্ট করতে পারে। এবং হয়ত স্ক্রিন রেজুলেশনের কারণে অনেক কাঙ্খীত বস্তুকে ডিটেক্ট নাও করতে পারে।) অন্যান্য ইরর বা বাগ থাকতে পারে। এসব সমস্যা সম্পূর্ণ সমাধান যোগ্য। পরবর্তীতে, সমস্যাগুলো সমাধান করা হবে এবং প্রয়োজনীয় সব ফিচার যোগ করা হবে। আরো ফাস্ট করা হবে এবং অ্যাকুরেসি (50%mAP@0.5 থেকে) 90-95% করা হবে। ভিডিও তৈরির জন্য অটো এডিটিং টুল থাকবে। ইনশাআল্লাহ। যেহেতু এ কনসেপ্টের প্রজেক্ট আগে কেউ করেনি তাই অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল সেইসাথে অন্যদের জন্য ব্যবহার উপযোগী করে তোলা আরো কঠিন শুধুমাত্র আল্লাহর সাহায্যে এতটুকু সম্ভব হয়েছে। কোনো কাজ শুরু হলে শেষ হবে ইনশাআল্লাহ। এটা এক্সপেরিমেন্টাল যাদের কম্পিউটার আছে টেস্ট করতে পারেন। হয়ত আরো ভালো করা যেতো, কিন্তু আমার একার পক্ষে এতটুকুই সম্ভব ছিল, এর থেকে ভালো করে বানাতে আমার শক্তিশালী হার্ডওয়্যার ও কিছু ভলান্টিয়ার প্রয়োজন। যেহেতু এটা ব্যবসাহীক কিছু না তাই অভিযোগের চেয়ে আমি আপনাদের সাপোর্ট কামনা করছি। Download Link: https://itholy.xyz/porda-ai https://github.com/hijam-git/porda-ai @Abdullah Ibn

"বান্দা যখন এমনভাবে ‌لَا ‌إِلَهَ ‌إِلَّا ‌اللهُ، ‌وَحْدَهُ ‌لَا ‌شَرِيكَ ‌لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ 'আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁর-ই, তাঁর-ই সকল প্রশংসা, তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান' - (এই যিকরটি) পড়ে যে তার রূহ এর প্রতি আন্তরিক হয়, তার অন্তর ও জবান একে সত্যায়িত করে, তখন তার জন্য আসমানের দরজাসমূহ খুলে যায়, যে (এভাবে এই যিকর) পাঠ করেছে আল্লাহ তার দিকে দৃষ্টিপাত করেন। আর আল্লাহ যেই বান্দার দিকে দৃষ্টিপাত করেন তার চাওয়া পূর্ণ হওয়া নিশ্চিত হয়ে যায়।" . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম . . [ ইমাম নাসাঈ (রাহ.), আস সুনানুল কুবরা, হা: ৯৭৭২, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহিহ- কালিমাতুল ইখলাস, পৃ: ৬১] p: 75

গবেষণায় নিবন্ধিত ১ হাজার ৪৩৪ সার্জন অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে অর্ধেকই নারী। এতে বলা হয়, ৬৩ ভাগ নারী জানিয়েছেন, তাঁরা সহকর্মীদের দ্বারা যৌন হয়রানির টার্গেটে পরিণত হয়েছেন। ৩০ ভাগ নারী জানিয়েছেন, তাঁরা সহকর্মীর হাতে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। ১১ ভাগ নারী বলেছেন, ক্যারিয়ারের স্বার্থে তাঁরা বাধ্য হয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। ৯০ ভাগ নারী এবং ৮১ ভাগ পুরুষ যৌন অসদাচরণ স্বচক্ষে দেখেছেন বলে জরিপে স্বীকার করেন। গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষেরাও এ ধরনের নানা হয়রানির শিকার হয়েছেন। তাঁদের সংখ্যা প্রায় ২৪ শতাংশ। প্রতিবেদনটির শেষ দিকে বলা হয়, নারী ও পুরুষ সার্জনরা ‘ভিন্ন বাস্তবতায় বাস করেন’। ভুক্তভোগী নারীরা গবেষকদের বলেছেন, ক্যারিয়ারের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কায় এ বিষয়ে অভিযোগ করার সাহস পাননি তাঁরা। এ ছাড়া অভিযোগ করলেই যে এনএইচএস কোনো ব্যবস্থা নেবে, তাতেও তাঁদের খুব একটা আস্থা ছিল না। এক্সেটার ইউনিভার্সিটির চিকিৎসক ক্রিস্টোফার বেগেনি বলেন, গবেষণায় উঠে আসা ফলাফল সার্জারি পেশা নিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থাকে নাড়িয়ে দিতে পারে। ইতিমধ্যে ‘ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’ নামে দ্বিতীয় আরেকটি প্রতিবেদনে স্বাস্থ্যসেবা খাতে যৌন অসদাচরণ ঠেকাতে কী করণীয়, সে সম্পর্কে সুপারিশ করা হয়েছে। দুটি প্রতিবেদনে বলা হয়, সার্জনদের মধ্যে মাত্র ২৮ শতাংশ নারী। সার্জারিতে অনুক্রম (হিয়ারারকি) খুব গুরুত্বের সঙ্গে মেনে চলা হয়। এতে পুরুষ চিকিৎসকেরা বেশ ক্ষমতাবান থাকেন। এর বাইরে সার্জারি বিভাগে কাজের চাপও অনেক বেশি থাকে। ইউনিভার্সিটি অব সারের অধ্যাপক ক্যারি নিউল্যান্ড বলেন, এসব কারণে এমন আচরণের পরও পুরুষ চিকিৎসকেরা পার পেয়ে যান। এ কারণে এমন ঘটনা অনিয়ন্ত্রিতভাবে ঘটছে। এই নারী চিকিৎসক বলেন, জুনিয়র নারী সার্জনরা প্রায়ই পুরুষ সহকর্মীদের হাতে এমন যৌন নির্যাতনের শিকার হন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ওই পুরুষ সহকর্মী সিনিয়র এবং তাঁদের সুপারভাইজর হয়ে থাকেন। ফলে ভবিষ্যৎ ও ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে চুপ থাকার একটা সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক এ গবেষণায় আরেকটি জিনিস সামনে উঠে এসেছে। আর তা হচ্ছে, এনএইচএস ট্রাস্টস, দ্য জেনারেল মেডিকেল কাউন্সিল (চিকিৎসকদের অনুশীলন করার জন্য প্রয়োজনীয় নিবন্ধনের বিষয়টি দেখভাল করে) এবং দ্য রয়্যাল কলেজ অব সার্জনসের (মেডিসিনে বিশেষজ্ঞ) প্রতি আস্থাহীনতা। ইউনিভার্সিটি অব সারের কনসালট্যান্ট সার্জন ক্যারি নিউল্যান্ডস বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবার কর্মক্ষেত্রকে নিরাপদ করে তুলতে আমাদের তদন্তপ্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আনা দরকার, যাতে ভুক্তভোগীরা এসব ঘটনা প্রকাশ করতে সাহসী হয়ে উঠতে পারে।’ ইংল্যান্ডের দ্য রয়্যাল কলেজ অব সার্জনসের প্রেসিডেন্ট টিম মিচেল বিবিসিকে বলেন, গবেষণার ফল খুবই বেদনাদায়ক এবং সার্জিকেল পেশার জন্য খুবই বিব্রতকর। তিনি স্বীকার করেন, ‘হরহামেশা ঘটে থাকা এ ধরনের আচরণ’ আগে কখনো আমলে নেওয়া হয়নি। মিচেল বলেন, কর্মক্ষেত্রে এ ধরনের আচরণের প্রতি ‘জিরো টলারেন্স’–এর সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীরা যাতে তাঁদের সমস্যার কথা বলার মতো পরিবেশ পান, সে আস্থা তৈরি করতে হবে। এনএইচএস ইংল্যান্ডের চিকিৎসক বিন্তা সুলতান বলেন, এই গবেষণা প্রতিবেদন ‘পড়া সত্যি কঠিন’। হাসপাতালগুলোকে ‘সবার জন্য নিরাপদ’ করতে আরও পদক্ষেপের প্রয়োজন ছিল, প্রতিবেদনে তার ‘স্পষ্ট প্রমাণ’ রয়েছে। জেনারেল মেডিকেল কাউন্সিল গত মাসে চিকিৎসকদের পেশাগত মানদণ্ড হালনাগাদ করেছে। কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী চার্লি ম্যাসি বলেন, রোগী বা চিকিৎসক, কারও প্রতি অগ্রহণযোগ্য যৌন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্যে চিকিৎসার অনুশীলন চালিয়ে যাওয়ার সঙ্গে এটি বেমানান। *** ফুটনোট: যারা পশ্চিমের আধুনিকতা/ মডার্নিটি, পুঁজিবাদ ও ভোগবাদী চাকচিক্যময় সমাজের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে আমাদের সমাজকেও তাদের মতো করে সাজাতে চান—তারা এইসব মূল্যবোধের হাত ধরে পশ্চিমা সমাজ যে নৈতিক অধ:পতনের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে—তার সম্মুখীন হবার প্রস্তুতিও নিতে পারেন। পশ্চিমে আইন-শৃঙ্ক্ষলার এত কার্যকারিতা থাকা স্বত্তেও যেখানে অহরহ নারীর শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটছে—সেখানে আমাদের দেশের মতো অকার্যকর বিচারব্যবস্থা বজায় থাকার মাঝেই যদি পশ্চিমা মূলবোধগুলোর প্রয়োগ করা হয়—তা যে কতটা ধ্বংসাত্মক হতে পারে—সেটা বেশ সহজেই অনুমেয়। ইতোমধ্যেই আমরা দেশে তার নজির দেখেছি বিভিন্ন ভাবে, বিভিন্ন সময়ে। *** সম্প্রতি 'প্রথম আলো' পত্রিকায় 'অস্ত্রোপচার কক্ষেও পুরুষ সহকর্মীর কাছে নিরাপদ নন নারী সার্জনরা' শীর্ষক শিরোনামে বিবিসি'র এই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়। (মূল প্রতিবেদনের লিংক দেখুন কমেন্টে।) ©সিয়ান