1 959
订阅者
无数据24 小时
-37 天
-930 天
帖子存档
1 959
⛔হঠাৎ গ্রেফতারি পরোয়ানা ⛔ হলে আপনি কি করবেন
প্রত্যেকটা মানুষ যে যে পেশার সাথে জড়িত সেই পেশার বাইরে অন্য কিছু সম্পর্কে অনেকের ই বেসিক নলেজ থাকে না ।আমার এই লেখাগুলার মাধ্যমে ক্ষুদ্র চেষ্টা আপনাদের সাথে আমার বেসিক নলেজ শেয়ার করা। যদি কেউ উপকৃত হন।
আমি নিজেও যে সব জানি তা কিন্তু নয়।
আজকে আমরা আলোচনা করবো গ্রেফতারি বা ওয়ারেন্ট নিয়ে। হঠাৎ করে যদি কারো নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হয় তাহলে সে যেই লেবেলেরই হোক না কেন অবশ্যই প্যানিক হবে।
এবং সেই বিষয়ে তার যদি জানা না থাকে তাহলে অবশ্যই সে ভুল সিদ্ধান্ত নিবে আর সাধারণত মানুষ প্যানিক থেকেই ভুল সিদ্ধান্ত নেয়।
🛑গ্রেফতারি পরোয়ানা পেলে কি করবেন?
চলুন তাহলে জেনে নেই হঠাৎ গ্রেফতারের পরোয়ানা পেলে আপনি কি করবেন ?সাধারণত আমরা প্রথমে একটা ভুল করি সেটা হল যখন কোন গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয় যদি সেই মুহূর্তে আমরা বাসায় না থাকি এবং পরে জানতে পারি নিজে স্ব শরীরে থানায় খোঁজ নিতে যাই। এটা করা যাবে না।
যদি বাসায় অনুপস্থিত থাকেন এবং বাসায় এসে জানতে পারেন যে কোন পুলিশ এসেছিল আপনার ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েছে এবং জানিয়েছে যে আপনার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানায় রয়েছে তখন অবশ্যই প্যানিক হয়ে নিজেই থানায় চলে যাবেন না।
পুলিশের কাজ পুলিশকে করতে দেন। সেই মুহূর্তে আপনি যেটা করবেন সেটা আপনার পরিবারের সদস্য, আত্মীয় স্বজন অথবা বন্ধু-বান্ধবদের থেকে কোন একজনকে সেই থানায় পাঠাবেন যেখান থেকে আপনার খোঁজ নিতে এসেছিল। সেই থানায় পাঠিয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নিবেন যে কি বিষয়ে এবং কে গ্রেফতারি পরোয়ানা পাঠিয়েছে এবং গ্রেফতারি পরোয়ানার একটি ফটোকপি সংগ্রহ করবেন যাকে পাঠিয়েছেন তার মাধ্যমে। পুলিশ এটা চাইলে তাকে দিয়ে দেবে।
পরবর্তী ধাপে আপনার করণীয় হলো সে পরোয়ানাতে আপনার যে স্থায়ী ঠিকানাটা দেওয়া আছে সেই ঠিকানায় কিছুদিনের জন্য না থাকা অর্থাৎ সেই কিছুদিন আপনি অন্যত্র অবস্থান করে জানার চেষ্টা করবেন যে আপনার বিরুদ্ধে কেন গ্রেফতারি পরানো জারি করা হয়েছে? এবং যখন আপনি জানতে সক্ষম হবেন যে কোন বিষয়ের উপরে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সমসাময়িক সময়ে আপনি আরও একটি কাজ করবেন সেটা হল হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়ে আসবেন। আগাম জামিন সাধারণত ৪ সপ্তাহ, ৮ সপ্তাহ মতো সময় দিয়ে থাকে। এবং আগাম জামিনের ক্ষমতা শুধু হাইকোর্টেই আছে ।এটা অন্য কোর্ট থেকে আপনি নিতে পারবেন না।
এই আগাম জামিন দেওয়ার সাথে সাথে আপনাকে কিছু ডিরেকশনও হাইকোর্ট থেকে আপনাকে দেবে ।অবশ্যই এই ডিরেকশন মানতে হবে এবং চেষ্টা করতে হবে যে এই সময়ের মধ্যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনার সম্মুখীন যেন আপনি না হন আগাম জামিন নেয়ার আগে ।আগাম জামিন নিয়ে আপনি আপনার নির্দিষ্ট কোর্টে ঐ নির্ধারিত সময় পরে একজন দক্ষ আইনজীবের মাধ্যমে সারেন্ডার করবেন।
তবে হ্যাঁ এই সারেন্ডার এর আগে যদি ওয়ারেন্ট এর ইস্যু টি নেগোসিয়েশন করা যায় বাদী পক্ষের সাথে তাহলে সেটাও করে নিতে পারেন। ধন্যবাদ
1 959
একজন সাহাবী অসুস্থ অবস্থায় বিছানায় শুয়ে আছেন। তখন তাঁর নূরানী চেহারা ঝলমল করছিল! বেশ কিছু মানুষ উনাকে দেখতে উনার বাড়িতে দেখা করতে এলে দুনিয়া থেকে বিদায় নেবার আগেই চেহারার এই অপার্থিব উজ্জ্বলতার রহস্য জানতে চাইলেন!
.
সেই অসুস্থ সাহাবী হযরত আবু দুজানা {রাদিয়াল্লাহু আনহু} বললেন, দুইটি গুণ আমি দৃঢ়ভাবে ধরে রেখেছি:
১. আমি অপ্রয়োজনীয় কথা বলি না।
২. আমার অন্তর মুসলিমদের জন্য নিরাপদ।
অর্থাৎ, তিনি কারও বিষয়ে মন্দ ধারণা রাখতেন না এবং কারো সাথে হিংসা বিদ্বেষ পোষণ করতেন না।
. [1]
তোমার মুখের কথা হল তোমার বন্দি।
তাই, যখন তোমার মুখ হতে তা বের হয় তখন তুমি তাঁর বন্দি হয়ে গেলে! সুতরাং, কথা-বার্তা একটু চিন্তা করে বলা উচিত!
. [2]
সফল লোকদের ঠোটে যে দুটি জিনিস সবসময়ই থাকে তা হলো- হাসি ও নীরবতা।
কারণ এক টুকরো হাসি অনেক সমস্যার সমাধান করে দেয়, আবার একটু নীরবতা অনেক সমস্যা থেকে বাঁচিয়ে দেয়।
. [3]
দুটি বস্তু ছাড়া সহজে নফস কে ঘায়েল করতে পারবে না! নীরবতার খঞ্জর,
নির্জনতার বর্ষা,,
এই হাতিয়ার গুলো যার অর্জিত হয়নি তার নফস কখনো সহজে সংশোধিত হবে না!
. [4]
"ইসলামের সৌন্দর্য হলো অনর্থক কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকা!"
~ আখেরী ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি হযরত মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ {সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম}
[মেশকাত শরীফ হাদীস: 4839]
.
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে ঈমান - আমলের মেহনত করে হক্বের পথে এলেম শিখার, আল্লাহর ওলী বুজুর্গদের সোহবতে এসলাহী নফস,
এবং নবীজী {সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম} এর রেখে যাওয়া আমানত দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ জিম্মাদারীর সাথে উম্মতের দরদ নিয়ে ওলামায়ে কেরামের সংস্পর্শে করার তাওফীক দান করুন! আমিন।
1 ~ [হায়াতুস সাহাবা চতুর্থ খন্ড]
2 ~ ইমাম_ইবনুল_কায়্যিম আল-জাওযিয়্যাহ [ আদ দা ওয়াদ দাওয়া ]
3 ~ ড. বিলাল ফিলিপস
4 ~ আল্লামা ফরিদ উদ্দিন আত্তার رحمه الله [পান্দেনামা]
1 959
একজন সাহাবী অসুস্থ অবস্থায় বিছানায় শুয়ে আছেন। তখন তাঁর নূরানী চেহারা ঝলমল করছিল! বেশ কিছু মানুষ উনাকে দেখতে উনার বাড়িতে দেখা করতে এলে দুনিয়া থেকে বিদায় নেবার আগেই চেহারার এই অপার্থিব উজ্জ্বলতার রহস্য জানতে চাইলেন!
.
সেই অসুস্থ সাহাবী হযরত আবু দুজানা {রাদিয়াল্লাহু আনহু} বললেন, দুইটি গুণ আমি দৃঢ়ভাবে ধরে রেখেছি:
১. আমি অপ্রয়োজনীয় কথা বলি না।
২. আমার অন্তর মুসলিমদের জন্য নিরাপদ।
অর্থাৎ, তিনি কারও বিষয়ে মন্দ ধারণা রাখতেন না এবং কারো সাথে হিংসা বিদ্বেষ পোষণ করতেন না।
. [1]
তোমার মুখের কথা হল তোমার বন্দি।
তাই, যখন তোমার মুখ হতে তা বের হয় তখন তুমি তাঁর বন্দি হয়ে গেলে! সুতরাং, কথা-বার্তা একটু চিন্তা করে বলা উচিত!
. [2]
সফল লোকদের ঠোটে যে দুটি জিনিস সবসময়ই থাকে তা হলো- হাসি ও নীরবতা।
কারণ এক টুকরো হাসি অনেক সমস্যার সমাধান করে দেয়, আবার একটু নীরবতা অনেক সমস্যা থেকে বাঁচিয়ে দেয়।
. [3]
দুটি বস্তু ছাড়া সহজে নফস কে ঘায়েল করতে পারবে না! নীরবতার খঞ্জর,
নির্জনতার বর্ষা,,
এই হাতিয়ার গুলো যার অর্জিত হয়নি তার নফস কখনো সহজে সংশোধিত হবে না!
. [4]
"ইসলামের সৌন্দর্য হলো অনর্থক কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকা!"
~ আখেরী ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি হযরত মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ {সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম}
[মেশকাত শরীফ হাদীস: 4839]
.
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে ঈমান - আমলের মেহনত করে হক্বের পথে এলেম শিখার, আল্লাহর ওলী বুজুর্গদের সোহবতে এসলাহী নফস,
এবং নবীজী {সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম} এর রেখে যাওয়া আমানত দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ জিম্মাদারীর সাথে উম্মতের দরদ নিয়ে ওলামায়ে কেরামের সংস্পর্শে করার তাওফীক দান করুন! আমিন।
1 ~ [হায়াতুস সাহাবা চতুর্থ খন্ড]
2 ~ ইমাম_ইবনুল_কায়্যিম আল-জাওযিয়্যাহ [ আদ দা ওয়াদ দাওয়া ]
3 ~ ড. বিলাল ফিলিপস
4 ~ আল্লামা ফরিদ উদ্দিন আত্তার رحمه الله [পান্দেনামা]
1 959
"বিসমিল্লাহ" বলে টয়লেটে প্রবেশ করলে ওখানে থাকা জ্বীনেরা প্রবেশকারীর লজ্জাস্থান দেখতে পায় না। তিরমীযি— ৬০৬, ইবনু মাজাহ— ২৯৭।
1 959
শারিরীক দিক বললে লম্বা মেয়েদের নালাপথ থেকে ক্লাইটোরাসের দুরত্ব এক ইন্সির বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, এতে যথেষ্ট সামর্থ থাকা সত্যেও সে এবং আপনি পূর্ন আনন্দ উপভোগ নাও করতে পারেন। কিন্তু লম্বারা এটা জানে না, সুতরাং সে আপনাকে অক্ষম ভাবতে পারে। কিন্তু সামাজিকতা ঠিক থাকলে সে হয়তো এটা মেনে নিবে। তবে লম্বা মেয়েদের শিশু মৃত্যুর হার কম, নরমাল বাচ্চা জন্ম দেওয়ার প্রবণতা প্রখর। চঞ্চলতা কোন বিষয় না, উপভোগ্য তবে, বুদ্ধিহীন নির্বোধ চঞ্চলতা এলার্মিং। চঞ্চলতা মানায় যদি মাথায় মাল থাকে, থিউরি অফ রিলেটিভিটি জানে না, কিন্তু মারাত্নক পাকনা, এরমানে তার ভেতর আসলে গু। মানে জ্ঞান, বুদ্ধি, সহমর্মিতা, আর ভালোবাসার পাশাপাশি চঞ্চলতা আলাদা মার্ক পায়, বাট সেগুলো ছাড়া ০।
খাটো মেয়ে শান্ত, খারাপ না। আবার মানানসই তো লাগবে, আপনার তৃপ্তি শারিরীক না হলে ঠিক আছে। খুব বেশি গুমোট, শান্ত এলার্মিং। এরা তলে তলে অহংকারী, অসামাজিক আর খ্যাপাটে, সময় হলে রঙ চিনাবে।
সুতরাং দিনশেষে সিদ্ধান্ত আপনার।
1 959
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমরা নিজেদের অপেক্ষা নিম্ন অবস্থার লোকের প্রতি তাকাও। এমন ব্যক্তির দিকে তাকিয়ো না যে তোমাদের চাইতে উচ্চ পর্যায়ের। তাহলে এ পন্থা অবলম্বনই হবে আল্লাহর নি'আমাতকে অবজ্ঞা না। করার এক উপযোগী মাধ্যম।
.
[সহীহ বুখারী ৬৪৯০, মুসলিম ৮-২৯৬৩]
1 959
অনেক দ্বীনদার লোককেও এমন কাজ করতে দেখেছি, তারা সারাদিন ব্যস্ত থাকেন, অথবা দ্বীনের দাওয়াত নিয়েই ব্যস্ত থাকেন, আর ঘরে-বাইরে সব কাজ সামলান স্ত্রী। এটা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। ঘরের পুরুষ তো আর সব সময় ব্যস্ত থাকে না। অফিসে যাওয়ার আগে বাজারের সময় থাকে, অথবা অফিস থেকে ফেরার পথে রাতেও বাজার থাকে। এই দুই সময়ে বাজার করা যায়। অথবা মূল বাজারগুলো সপ্তাহে একদিন শুক্রবারে করে নিয়ে এরপর টুকটাক বাজারগুলো প্রতিদিন যেকোনো সময়ে করলেই হয়। মোটকথা, ঘরের মহিলাদের এভাবে বাজারে পুরুষদের ভিড়ে ছেড়ে দেয়া কোনো গাইরতমান্দ পুরুষের কাজ হতে পারে না। একজন আত্মমর্যাদাসম্পন্ন পুরুষ কখনোই চাইবে না যে, তার স্ত্রী বাজারে, মার্কেটে ঘুরে ঘুরে গাইরে মাহরামের সাথে কথা বলে বাজার-সদাই করবে। উপরন্তু অনেক দোকানদার মহিলাদের সাথে খারাপ ব্যবহারও করে। একজন স্বামী কীভাবে এটা সহ্য করে যে, তার স্ত্রী ঘরের বাইরে গিয়ে গাইরে মাহরামের কাছে অপমানিত হচ্ছে! আমার চোখে দেখা একটি কারগুজারি হলো, একবার বাজারে আপাদমস্তক পর্দা করা এক নারীকে তরকারি ক্রয় করতে দেখলাম। বাজার ব্যাগে ভরার পর সেই নারীর বক্তব্য হলো, তিনি দোকানদারকে ৫০০ টাকার নোট দিয়েছেন, আর দোকানদারের বক্তব্য হলো, তিনি ১০০ টাকার নোট দিয়েছেন। ৫০০ টাকার কোনো নোট তাকে দেয়া হয়নি। এটা নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে গেল। সেই নারী বেশ ধীর গলায় দোকানদারকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন; কিন্তু দোকানদার তার সাথে আরও খারাপ ব্যবহার করা শুরু করল। তখন সেখানে উপস্থিত আমরা কয়েকজন পুরুষ উভয়কে বুঝিয়ে পরিস্থিতি ঠান্ডা করলাম। সেখান থেকে বাসায় ফেরার পর একটা কথাই আমার মাথায় ঘুরছিল, এই নারীর ঘরেও হয়তো সুস্থ মাহরাম পুরুষ রয়েছেন, আর তিনি দুনিয়ার কোনো কাজে অথবা অন্য কোনো কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। অথচ তার স্ত্রী অথবা মা বাজারে গাইরে মাহরামের কাছে অপমানিত হলো, এটা কিন্তু সে ক্ষুণাক্ষরেও জানবে না। অথবা জানলেও তার আত্মমর্যাদায় আঘাত হানবে না। কারণ, যে পুরুষ তার ঘরের নারীকে এভাবে বাজারে পাঠিয়ে দেয়, তার আত্মমর্যাদায় তখন অনেক কিছুই লাগে না। সবকিছুই তখন স্বাভাবিক মনে হয়।
তবে ঘরে যদি কোনো সুস্থ মাহরাম পুরুষ না থাকে, তাহলে মহিলারা প্রয়োজনমতো বাজার-সদাই করতে পারবেন। এর জন্য উত্তম হলো, যখন বাজারে ভিড় থাকে না, তখন গিয়ে বাজার করা। অথবা পাশের ঘরের মহিলাকে বলে সেই ঘরের কোনো পুরুষকে দিয়ে বাজার করানো।
.
বই : পর্দা গাইডলাইন
লেখক : তানজীল আরেফীন
1 959
সম্পদ হেবা করে দিবেন, এবং সাথে অপ্রত্যাহার যোগ্য আম-মোক্তার দলিল করবেন। তাতে আপনি জীবদ্দশায় আপনার সম্পদের মালিক থাকবেন নিজেই। মারা গেলে আম-মোক্তার (পাওয়ার অব এটর্নি) অটো বাতিল হয়ে যাবে। তখন মালিক আপনার মেয়ে-ই থাকবে।
1 959
একেবারে স্কাম বলা যায় না। কিন্তু যেভাবে বলে পড়াশুনা না করে সেটা সম্ভব না, বরং কিছু ক্ষেত্রে অনেক বেশি পড়া লাগে। তবে আগে এই কোর্স অনেক সহজ ছিল এটা ঠিক। এখানে ঠিক এই কোর্সের কথা বলা হচ্ছে কিনা বোঝা যাচ্ছে না।
আমার পরিচিত একজন এভাবে জিইডি কোর্স করে মালয়েশিয়াতে পড়ে এসেছে
GED কী? কেন GED করবেন?
GED এর পূর্ণরূপ General Educational Development. এটি USA অনুমোদিত High School Equivalency Diploma, যার সার্টিফিকেট প্রদান করে Maine Department of Education, USA. বাংলাদেশে এটি HSC / A-Level এর সমপর্যায়ের ডিগ্রি, যা HSC / A-Level এর বিকল্প হিসেবে পরিচিত। এটি University Grants Commission (UGC) কর্তৃক অনুমদিত হওয়ায় দেশের শুধুমাত্র বিভিন্ন "প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে" এর মাধ্যমে ভর্তির সুযোগ পাওয়া যায়।
GED পরীক্ষার ফলে অনেকেই এখন HSC/A-Level এর দীর্ঘপড়াশোনা'র পরিবর্তে ৪ মাসের প্রস্তুতি নিয়ে একটি আমেরিকান হাইস্কুল ডিপ্লোমা অর্জন করতে পারছেন যার ফলে খুব সহজেই বাংলাদেশের প্রাইভেট ভার্সিটিতে ভর্তি হতে পারছেন। এছাড়াও বিদেশেও পড়ার সুযোগ আছে।
GED পরীক্ষার কারণে এখন অনেকেই স্টাডি গ্যাপ থাকা সত্বেও এখন তার পড়াশোনা Continue করতে পারছেন দেশের নামকরা ভার্সিটিগুলোতে। আপনি ভর্তি হয়ে ক্লাস করে পরীক্ষা দিয়ে খুব অল্প সময়ের মাঝেই পড়াশোনার ট্র্যাকে ফিরে আসতে পারবেন। শুধুমাত্র HSC ফেল করলেই এই কোর্স করা যাবে এমন কিছু নয়। এমন অনেকই আছেন, যারা যে কোন কারণেই হোক HSC/A-Level দিতে পারেননি, বা দিতে চাচ্ছেন না অথবা পরীক্ষা দিয়েও গ্রেড অনেক খারাপ এসেছে যার ফলে ভার্সিটিতেও ভর্তি হতে পারছেননা, তারা যে কেউ এই কোর্সটি করতে পারেন।
1 959
বিদেশে আসার আগে কি কি কাজ শিখে আসলে অল্প সময়ে বেশী টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
বিদেশে যাবার আগে Financial হিসাব করে ফেলবেন:
কত টাকা খরচ মাসে, কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ঐ টাকা ইনকাম করে University ফি দিয়ে, পড়াশোনা ঠিকমতো করার সময় পাবেন? অথবা, কত টাকা খরচ করে যাচ্ছেন, নিজের খরচ বাদ দিয়ে, ঐ টাকা উঠাতে বিদেশে কতদিন খাটতে হবে। বিদেশে যাবার টাকা দিয়ে, বিদেশ না গিয়ে দেশে কি কিছু করা যায়?
কম সময়ে বেশী টাকা ইনকাম করার জন্য:
1. Digital Marketing
2. Editing
3. Plumbing
4. Electric
5. Tailoring
6. Beauty Saloon
7. Barber work
8. Painting
9. Driving
এসব কাজ শিখে আসবেন।
1 959
আপনি যখন বিদ্যুৎ রিচার্জ কার্ড বিকাশে/ রকেটে ইত্যাদিতে বিদ্যুৎ বিল অগ্রীম রিচার্জ করবেন তখন আপনি প্রিপেইড গ্রাহক।
আর যখন আপনার মাসের শেষে বিদ্যুৎ খরচ এর হিসাব পাবেন তখন আপনি,সুযোগ পাবেন পরে দেওয়ার তাহলে আপনি পোস্টপেইড গ্রাহক।
যেমন আপনার মোবাইল সিম প্রিপেইড।
যদি কোম্পানি প্রদত্ত হয়, তাহলে পোস্টপেইড কারণ আপনি নির্দিষ্ট মিনিট + এমবি খরচ করবেন কোম্পানির টার্ম অনুসারে।
1 959
🟥মানসিক রোগের কিছু লক্ষণ, শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে।
1. যদি আপনি অনুভব করতে পারেন আগের চেয়ে আপনার মুখস্ত শক্তি কমে গেছে পড়া মনে থাকছে না তাহলে বুঝতে হবে আপনি মানসিক সমস্যায় রয়েছেন।
2. অত্যধিক মুড সুইং,,,
ঘুমের পরিবর্তন (সাধারণত যে সময়টায় ঘুমানো উচিত সে সময় না ঘুমিয়ে অন্যসময়-এর ঘুমানো 12 13 ঘণ্টা ঘুমানো).
3. সব সময় ক্লান্তি বোধ কোনো কাজে মনোযোগ না দিতে পারা, কোন কিছুতেই ভালো না লাগা নিজেকে ছোট্ট বন্দি জায়গায় আটকে রাখা। ঘোরাঘুরি আড্ডা বিনোদন কোন কিছুতেই অনুভব না পাওয়া।
4. অত্যধিক দুশ্চিন্তা। সাধারণ বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করা।
5. হঠাৎ করে মুখের রুচি কমে যাওয়া কোন কিছু খেতে না চাওয়া আবার এতটাই রুচি বেড়ে যাওয়া সব সময় খাই খাই করা।
6. মৃ ত্যু কামনা করা শুরু করে
7. স্বাভাবিকের তুলনায় ওজন কমতে থাকে
8. নিজেকে সবসময় তুচ্ছ ফেইলর মনে করা
9. সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে বারবার ভাবতে থাকে এবং নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে না পারা।
এগুলার মধ্যে আপনার কোনটি রয়েছে! এক্ষেত্রে অবশ্যই প্রফেশনাল সাইকোলজিস্ট এর শরণাপন্ন হবেন |
যেকোনো সমস্যায় যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে।
1 959
রাগের মাথায় তালাক দিলেও তালাক পতিত হয়,মৌখিক ও লিখিত দিলেও তালাক পতিত হয়। যে কয় তালাক দিবে সেই কয় তালাকই পতিত হবে। এমনকি একসাথে তিন তালাক দিলেও তিন তালাক পতিত হয়।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
ثَلاثٌ جِدُّهُنَّ جِدٌّ وَهَزْلُهُنَّ جِدٌّ : النِّكَاحُ ، وَالطَّلاقُ ، وَالرَّجْعَةُ
তিনটি বিষয় এমন রয়েছে যা গোস্বায় হোক বা হাসি ঠাট্টায় হোক সর্বাবস্থায় কার্যকরী হয়ে থাকে। বিবাহ, তালাক ও রজয়াত। (আবু দাউদ ২১৯৪ তিরমিযি ১১৮৪)
والله اعلم بالصواب
1 959
এখন, এই যে কম ঘুমালেন, এর ফল আপনার সেক্স লাইফে কিভাবে পড়তে পারে??
১)আপনার ইরেক্টাইল/সেক্সুয়াল ডিজফাংশন হবে। ছেলেদেরও হবে, মেয়েদেরও হবে। জার্নাল অফ সেক্সুয়াল মেডিসিন ৪০১ জন পুরুষকে নিয়ে ২০০৯ সালে একটা স্টাডি করেছিল, যারা স্লিপ এপনিয়াতে ভুগছিলেন। তাদের ৭০% এরই ইরেক্টাইল ডিজফাংশন দেখা দিয়েছিল। জার্মানিতে ৪৯৫৫ জনের ওপর হওয়া আরেকটা গবেষনায় দেখা যায়, স্যাম্পল পপুলেশনের ৩৩% পুরুষ ও ৪৫% নারী বিভিন্ন মাত্রার সেক্সুয়াল ডিজফাংশনে ভুগছেন।
২)আপনি কাজে কর্মে ফোকাস হারাবেন। টেস্টোস্টেরন দিনে ঘুমালে না, রাতে ঘুমালে বাড়ে। অফিসে গিয়ে ঝিমান আর ঘুমান টেস্টোস্টেরন বাড়বে না। ঘুমের অভাবে আপনি একে তো কোনকিছু স্বাভাবিকভাবে চিন্তা করতে পারবেন না, তেমনি টেস্টোস্টেরন লেভেল কমে গেলেও আপনার উৎপাদনশীলতা কমবে। আপনি ক্রমেই তখন আরো বেশি তেলবাজ হয়ে উঠবেন, ওদিকে আপনার সমস্যা কিন্তু অন্য জায়গায়।
৩)রাতে কম ঘুমানোয় আপনার কর্টিসোল লেভেল সঠিক সময়ে স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে আসে না, বা হয়তো কখনোই স্বাভাবিক হয় না। কর্টিসোল স্বাভাবিক লেভেল না থাকলে আপনি ক্রনিক স্ট্রেসে ভুগতে শুরু করবেন, ফলে আপনার টেস্টোস্টেরন লেভেল কমবে এবং এস্ট্রোজেন লেভেল বাড়বে। নারী বা পুরুষ যেকারো ক্ষেত্রেই এই হরমোনাল ইমব্যালেন্স তার সেক্সলাইফ ধ্বংসের কারন হয়ে দাঁড়াবে।ল
৪)সংসারে ঝগড়াঝাটি বাড়বে। রাতের ঘুম ঠিক না হওয়া মানে, আপনাদের সিদ্ধান্ত নেয়ার পদ্ধতি ক্রমেই অযৌক্তিক হতে থাকবে। আর এই ধরনের অযৌক্তিক একগুয়েমি শেষমেশ গিয়ে দাঁড়াবে ঝগড়ায়। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার এক গবেষনায় দেখা গেছে যেসব দম্পতি কম ঘুমান তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাটির হার ৭০% বেশি।
৫)আপনার এইজিং লেভেল বেড়ে যাবে। সোজাকথা, আপনি জলদি বুড়ো হবেন, দ্রুত ডায়বেটিস-হার্ট ডিজিজ-স্ট্রোক-অস্টিওপরোসিসে ভুগবেন এবং জলদি মারাও যাবেন।
তাহলে, সেক্স লাইফ ঠিক করতে হলে বিবাহিতদের করনীয় হচ্ছে আগে ঘুমকে ঠিক করা।
সঠিক সময় -রাত ১১টার মধ্যে ঘুমানো
সঠিক পরিমান-অন্তত দিনে ৭ ঘন্টা থেকে ৯ ঘন্টা ঘুমানো
লেখা-Ali Azhar Salman
1 959
revive_your_sexlife
ঘুমাতে যাওয়ার আগে সেই যে ফোনের স্ক্রিনে বন্দী হই আমরা, তারপর আর খবর নেই।
স্লিপ সাইকেল বদলে যাওয়ার সমস্যাটা কি??
আমাদের শরীরের রক্ত সঞ্চালন, হরমোনাল সিক্রেশন, এনজাইম এক্টিভেশন এমনকি অনেক জিন এক্সপ্রেশন পুরোপুরি নির্ভরশীল আমাদের স্লিপ সাইকেলের ওপর। স্লিপ সাইকেল ড্যামেজড মানে, আপনার শরীরকে সমস্ত সিদ্ধান্ত নতুন করে নিতে হয়। কখন সে খাবার হজম করবে, কখন সে হার্টবিট বাড়াবে, কখন হার্টবিট কমাবে, কখন ব্রেইন রেস্ট নেবে, কখন লিভার ফাংশন বাড়বে, কখন শরীরের ড্যামেজ রিপেয়ার করা হবে, সব কিছু।
ড. শচীন পান্ডা তার বিখ্যাত বই দ্যা সার্কাডিয়ান কোডে দেখিয়েছেন, আমাদের শরীর একই সময়ে অনেকগুলি কাজ দক্ষতার সাথে করতে পারে না। শরীরের নিজস্ব কাজের ছন্দ ও বিন্যাস আছে, রুটিন আছে। আপনি রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত যদি মাত্র তিন ঘন্টা জেগে থাকেন, আপনার শরীর রাতের বেলার শিফট ওয়ার্কারদের মত কাজ করতে শুরু করবে। সকালের যে সময়টা আপনার শরীর সুপারচার্জড হওয়ার কথা, সে সময়ে আপনি মরার মত ঘুমাবেন। তবু, আপনার শরীর আর কখনোই সুপারচার্জড হবে না, হয়তো ৬০-৭০% পর্যন্ত হয়।
তো, এর সাথে সেক্সের সম্পর্ক কি??
পুরুষের ন্যাচারাল সেক্সুয়াল আর্জ সাইকেল সবচেয়ে বেশি এক্টিভ থাকে সকালে, সম্ভবত যেকোন পুরুষই ব্যাপারটা জানেন। কিন্তু কখনো চিন্তা করে দেখেছেন, কেন এটা ঘটে??
কারন, আপনার বডি এক্সপেক্ট করে, আপনি রাত ৯টা-১১টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়বেন, জাগবেন রাত ২টার পরে কোন এক সময়, তারপর আরেক দফা ঘুম হবে আপনার।
আপনি দিন শুরু করবেন ৬-৮টার মধ্যেকার কোন এক সময়ে। এই যে লম্বা একটা রিফ্রেশমেন্ট, মূলত এরপরেই কিন্তু পুরুষদের শরীর শক্তিশালী লিবিডো লাভ করে।
এখন, যদি আপনি এই রিফ্রেশমেন্ট না পান, আপনার লিবিডো ভাল হবে কি করে?? তার ওপর, সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই যদি এক ঘন্টা পর অফিসে যাবার তাড়া থাকে, It would be quiet impossible to have sex even at the strongest point of your libido.
আমাদের অনেকের আবার অভ্যাস আছে অফিস শেষ করে বসের পেছনে দু-তিন ঘন্টা সময় দেয়ার। ফলে আমরা বাসায় ফিরতে দেরি করি, রাতের মিল নিতে দেরি করি, এরপর ফোন চাপাচাপি করে ঘুমোতে দেরি করি। স্ত্রীর সাথে যোগাযোগের সময় এত ক্ষীন হয়ে আসে যে সেক্সের ব্যাপারটা আমাদের মাথাতেই থাকে না, বরঞ্চ চোখে নেমে আসে রাজ্যের ঘুম।
কিন্তু, এখানে আমরা দুটো ভুল করি।
১)বসকে তেল দেয়ার বিনিময়ে আমরা ঘুম স্যাক্রিফাইস করি, যা আমাদের টেস্টোস্টেরন লেভেল কমায়। ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো পরিচালিত এক গবেষনায় পুরুষদের দুটো দলকে দিনে যথাক্রমে চার ও আট ঘন্টা ঘুমাতে দেয়া হয়। এরপর তারা ঘুম থেকে ওঠার পর তাদের টেস্টোস্টেরন লেভেল মাপা হয় এবং দেখা যায়, যারা আট ঘন্টা ঘুমিয়েছেন তাদের টেস্টোস্টেরন লেভেল চার ঘন্টা ঘুমানোদের চেয়ে ১২% বেড়েছে। এই গবেষনা হয়েছিল মাত্র ৯ দিনের জন্য, ১২ জন ৬৪-৭৪ বছর বয়সী পুরুষের জন্য। এখন, ফ্রি টেস্টোস্টেরন লেভেলের যদি ৯ দিনে এতখানি তফাত ঘটে তাহলে ১০ বছরে কতটা তফাত হতে পারে, ভাবুন।
২)বসকে তেল দিতে গিয়ে আমরা স্ত্রীর সাথে সময় কাটানোটা মিস করি। সেক্ষেত্রে আমাদের দাম্পত্য সম্পর্ক শিথিল হয়ে পড়ে, যার ফল দেখা যায় বিছানায়। সেক্সের সময় স্বামীরা স্ত্রীদের সাথে মানসিকভাবে একাত্ম হতে ব্যর্থ হন, ফলে কেউ না কেউ অতৃপ্ত থেকে যান। আর যদি ওয়ার্কিং ডে তে সেক্স না হয়(যা বেশি কমন), সেক্ষেত্রে এটা আবার আমাদের ঘুমকে নষ্ট করে। যেকোন মানুষই কোয়ালিটি সেক্সের পর গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হন। পুরুষদের অর্গাজম নারীদের চেয়ে বেশি হয়, ফলে পুরুষদের ঘুমও বেশি হয়। যেসব নারীদের অর্গাজম হয় তাদের ঘুমও অত্যন্ত জোরদার হয়। যদি আপনি সেক্স না করেন, বা কোয়ালিটি সেক্স না করেন, আপনার ঘুম হবে স্বাভাবিকের চেয়ে পাতলা।
1 959
মুসলিম ফারায়েজ নীতিঃ
১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যাক্তির সন্তান না থাকলে ১/৪,
( খ) আর থাকলে ১/৮ অংশ পাইবে।
২। স্বামীর দুই অবস্থাঃ
(ক) স্ত্রীর মৃত্যুর পর সন্তান না থাকলে ১/২,
( খ) আর থাকলে ১/৪ অংশ পাইবে।
৩। কন্যার তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র কন্যা থাকলে ১/২ ,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) পুত্র কন্যা একসাথে থাকলে ২:১ অনুপাতে পাইবে।
৪। পিতার তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র বা পুরুষ শ্রেনী বর্তমানে থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) পুরুষ শ্রেনি না থাকলে এবং কন্যা বা পৌত্রী বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে থাকলে( ১/৬+অবশিষ্ট) অংশ পাইবে,
(গ)পুরুষ বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে না থাকলে অবশিষ্ট সকল অংশ পাইবে।
৫। মায়ের তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির যদি কোন সন্তান না থাকে বা ভাইবোন ২ জনের কম থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে,
(গ) স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা মাতা উভয়ে থাকলে , মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ দেয়ার পর বাকি সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাইবে।
৬। বৈপিত্রীয় ভাইবোনদের তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র বৈপিত্রীয় ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ,
(খ) একাধিক থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে
(গ) মৃত ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র,পিতা বা দাদা থাকলে বঞ্ছিত হইবে।
৭। পৌত্রীগনের ছয় অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র পৌত্রী থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ) মৃত ব্যক্তির পৌত্রী ও পৌত্র একই সাথে থাকলে অংশীদার হইবে,
(চ) যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে।
৮। সহোদরা বোনদের পাঁচ অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) সহোদরা বোনের সাথে সহোদরা ভাই থাকলে আসাবা হইবে,
(ঘ) যদি মৃত ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা বা পৌত্রী থাকে তাহলে সহোদরা বোনগন ১/৬ অংশ পাইবে। একাধিক কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে অংশীদার হইবে,
(ঙ) মৃত ব্যাক্তির পুরুষ শ্রেনীর ওয়ারিশ থাকলে সহোদরা বোনগন বঞ্ছিত হইবে।
৯। বৈমাত্রিয় বোনদের সাত অবস্থাঃ
(ক) যদি মৃত ব্যাক্তির সহোদরা বোন না থাকে ও একজন মাত্র বৈমাত্রিয় বোন থাকলে ১/২,
(খ)একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত ব্যক্তির একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোনগণ বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ)যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে এবং বৈমাত্রিয় বোনের সাথে বৈমাত্রিয় ভাই থাকলে একএে অংশীদার হইবে।
(চ) মৃত ব্যাক্তির কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগণ অবশিষ্ট অংশ পাইবে,
(ছ) মৃত ব্যক্তির পুরুষ ওয়ারিশ থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগন বঞ্ছিত হইবে।
১০। দাদী নানীর ২ অবস্থাঃ
(ক) পিতৃ বা মাতৃ সম্পর্কের এক বা একাধিক যাহাই হোক ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকলে বঞ্ছিত হইবে। তবে পিতা জীবিত থাকলে দাদী বঞ্ছিত হইবে।
1 959
বাউবি এসএসসি (SSC) প্রোগ্রামে ভর্তি হতে হলে...
১. আপনার অবশ্যই ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালের মধ্যে জন্ম তারিখ থাকতে হবে জন্ম নিবন্ধন অথবা ভোটার আইডি কার্ডে।
২. জেএসসি (JSC) সার্টিফিকেট অথবা সমমান সার্টিফিকেট থাকলেই ভর্তি হতে পারবেন।
৩. এর কোনোটা না থাকলে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে নবম (৯ম) শ্রেণীতে ভর্তি হওয়া।
নোটঃ ১ অথবা ২ নাম্বার এর যদি হয়ে থাকে তাহলে সরাসরি ভর্তি আবেদন চলাকালীন ভর্তি হতে পারবেন নতুবা ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি হতে হবে।
1 959
সবচেয়ে বেশি পরপুরুষের সমাগম হয় : বিয়ের অনুষ্ঠানে।
আর সে বিয়েতেই আপনি আপনার স্ত্রী আর মেয়েকে সবচেয়ে সুন্দরতম উপায়ে প্রদর্শন করে নিয়ে যান কী উদ্দেশ্যে?!
নিজের সম্পদ আর জান্নাতে যাওয়ার মাধ্যমকে সাজ-গোজ করিয়ে কাকে দেখাতে নিয়ে যান?!
উত্তর আছে?!
1 959
১) নিজেকে ভ্যালু করা শুরু করুন
২) অবশ্যই বই পড়ার অভ্যাস করুন (নিজের অজান্তেই চিন্তা ভাবনা পরিবর্তন হবে)
৩)বাচ্চাদের সাথে ভালো ব্যবহার করুন। দুষ্টামি করছে হুট করে একটা ধমক দিয়ে দিলেন বা রাগ দেখালেন, তা পরিহার করে আদরের সাথে ট্রিট করুন।
৪) ধর্মীয় গোড়ামি, মিসোজনি, ফেমিনিসম হেট করা এগুলো বাদ দিন এবং সবার সামনে প্রকাশ করবেননা
। একটা শ্রেণীর মানুষের কাছে হয়তো আপনি পছন্দের হবেন কিন্তু সবার কাছে না।
৫) সালাম দিন( ছোট বড় উভয়কেই)
৬) যদি ছেলে হন অবশ্যই মেয়েদেরকে সম্মান করুন। Women ☕,alpha male এগুলো মন থেকেই পরিহার করুন। সোশ্যাল মিডিয়াতে খুব ট্রেন্ডি লাগল বাস্তব জীবনে এমন মানুষদেরকে পছন্দ করেনা। আর যদি মেয়ে হন পুরুষ বিদ্বেষী হাওয়া পরিহার করুন। কারণ ছেলে মেয়ে দুজনই সম্মানের মানুষ।
৭) নিম্ন শ্রেণীর মানুষ - রিক্সাওয়ালা, বুয়া, দারোয়ান এদের সাথে ভাল ব্যবহার করুন কিন্তু বন্ধুত্ব করতে যাবেন না। অনেকে অতিরিক্ত আদিখ্যেতা দেখাতে গিয়ে তাদেরকে মাথায় তুলে ফেলে এটা করবেন না তবে তাদের সম্মান করুন।
৮) দায়িত্ব নিন। হোক ফ্রেন্ডশিপে, আত্মীয়-স্বজনে, ফ্যামিলিতে। একজন দায়িত্ববান মানুষকে সবাই পছন্দ করে।
৯) বিভিন্ন জিনিস সম্পর্কে জানার চেষ্টা করুন। হোক রাজনৈতিক, সংস্কৃতিক, ইতিহাস যে কোন কিছু। তবে জানেন বলে অহংকার করবেন না।
১০) যেকোনো প্রতিষ্ঠান থেকে পড়েন না কেন ইনস্টিটিউশনাল প্রাইড' ব্যাপারটি এড়িয়ে চলুন।
১১) জামা কাপড় দামী হতে হবে না। তবে পরিষ্কার এবং ডিসেন্ট জামা কাপড় পরবেন। লুক অবশ্যই ম্যাটার করে।
১২) be yourself এর চিন্তাভাবনা বাদ দিন। প্রতিদিন সময়ের সাথে নিজেকে পরিবর্তন করতে শিখুন।
১৩) যেকোনো ধর্মেরই হোক না কেন হতেই পারে আপনি ধর্ম মেনে চলেন না। সেক্ষেত্রে যেহেতু আমাদের মানুষের ধর্মীয় আবেগ বেশি' তাই ধর্মীয় সম্মানটা বজায় রাখুন।
১৪) সোশ্যাল মিডিয়ার যা তা ট্রেন্ডি টপিককে নিজের গা ভাসাবেন না। এগুলো খুবই লিমিটেড সময়ের জন্য। আমরা অনেকেই মনে করি ফেসবুকইতো যা তাই শেয়ার দিয়ে বসি। অবশ্যই নিজের সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে Decency ' মেনটেইন করবেন। সবাই আপনাকে সরাসরি দেখবে না কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া দিয়ে অবশ্যই জাজ করবে।
১৫) না জেনে কথা বলবেন না। Try to be an understanding person,and a person who takes stand for others' আমাদের মধ্যে অনেকেই আমরা দেখি যারা উল্টাপাল্টা কথা বলতে থাকে। সরাসরি কিছু না বলতে পারলেও আমরা মনে মনে তাদের ঠিকি কিছুনা কিছু বলি। চেষ্টা করবেন কমন সেন্স দিয়ে উচিত কথা বলার
১৬) সুযোগ পেলে একটা কথা শুনিয়ে দিলাম। এটা বাদ দিন। অবশ্যই অবশ্যই মানুষকে সম্মান দিন। আপনার উচ্চপদস্থ কারো কাছে গেলেন সে যেভাবে আপনাকে সম্মান দিলে আপনার ভালো লাগবে। ঠিক সেটাই আপনি মানুষকে ফিরিয়ে দিন।
