ch
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

前往频道在 Telegram

🙂🙂🙂

显示更多
1 997
订阅者
无数据24 小时
无数据7
-130
帖子存档
ম্যাট হেইগের লেখা 'দ্য কমফর্ট বুক' কোনো সাধারণ বই নয়; এটি মূলত জীবনের কঠিন সময়ে বেঁচে থাকার রসদ এবং মানসিক প্রশান্তির একটি সংকলন। বইটির মূল কথা হলো—আমরা যখন ভেঙে পড়ি, তখন আমাদের নিজেদের আবার গড়ে তোলার ক্ষমতা আমাদের ভেতরেই থাকে। বইটি থেকে ২০টি প্রেরণামূলক কথা এখানে দেওয়া হলো। • ১. তুমি তোমার সবচাইতে খারাপ দিনগুলো অতিক্রম করে আজ এখানে এসেছো। মনে রাখবে, তোমার সাফল্যের হার ১০০%। কারণ তুমি এখনো টিকে আছো। ২. তোমার অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তোমাকে বিশেষ কিছু হতে হবে না। তুমি জন্ম নিয়েছ, এটাই তোমার যথেষ্ট হওয়ার বড় প্রমাণ। ৩. কোনো অনুভূতিই স্থায়ী নয়। মেঘ যেমন আসে আবার চলে যায়, তোমার দুঃখের সময়টাও ঠিক তেমনই কেটে যাবে। ৪. নিজেকে ক্ষমা করো। অতীতে যা করেছ বা যা হতে পারোনি, তার জন্য নিজেকে ঘৃণা করা বন্ধ করো। তুমি তখন সেভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলে যেভাবে তোমার পরিস্থিতি তোমাকে শিখিয়েছিল। ৫. অন্ধকারে থাকার মানেই হারিয়ে যাওয়া নয়। গাছ যেমন মাটির নিচে অন্ধকারে থেকে শিকড় গজায়, মানুষের কঠিন সময়গুলোও তাকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তোলে। ৬. বিশ্রাম নেওয়া মানে অলসতা নয়। যখন পৃথিবী তোমাকে ক্লান্ত করে দেয়, তখন বিশ্রাম নেওয়া একটি প্রয়োজনীয় কাজ, কোনো অপরাধ নয়। ৭. ধৈর্য হলো নিজের প্রতি ভালোবাসা। ধৈর্য মানে শুধু অপেক্ষা করা নয়, বরং অপেক্ষার সময়ে নিজের প্রতি সদয় থাকা। ৮. সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা ছেড়ে দাও। জীবন সমুদ্রের মতো। তুমি ঢেউ থামাতে পারবে না, কিন্তু সার্ফিং করা বা ভেসে থাকা শিখতে পারো। ৯. সুখ কোনো ট্রফি নয় যে তোমাকে দৌড়ে সেটা জিততে হবে। এটি মূলত বর্তমান মুহূর্তের ছোট ছোট জিনিসের মধ্যে লুকিয়ে থাকে। ১০. অন্যের জীবনের বাইরের চাকচিক্যের সাথে নিজের ভেতরের লড়াইয়ের তুলনা করা বন্ধ করো। ১১. তোমার মূল্য তোমার কাজের ওপর নির্ভর করে না। তুমি কতটুকু উৎপাদনশীল বা কত টাকা আয় করছ, তা দিয়ে তোমার জীবনের প্রকৃত মূল্য নির্ধারিত হয় না। ১২. আশা মানে এই নয় যে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে, বরং আশা হলো এই বিশ্বাস যে সবকিছু যেমনই হোক, তুমি তা সামলে নিতে পারবে। ১৩. একবারে শুধু একটি কদম ফেলো। যখন পুরো জীবনটা পাহাড়ের মতো কঠিন মনে হয়, তখন শুধু সামনের এক ইঞ্চির দিকে তাকাও। ১৪. বাইরে তাকাও, প্রকৃতির দিকে তাকাও। আকাশ, পাখি বা গাছের দিকে তাকালে বোঝা যায় যে মহাবিশ্ব অনেক বড় এবং তোমার সমস্যাগুলো তার তুলনায় অনেক ছোট। ১৫. কান্না দুর্বলতা নয়। চোখের জল হলো মনের জমে থাকা ভার নামানোর একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ১৬. সাহস মানে সবসময় গর্জন করা নয়। কখনো কখনো সাহস মানে দিনশেষে নিজেকে খুব শান্ত স্বরে বলা— "কাল আমি আবার চেষ্টা করব।" ১৭. তোমার মাথায় খারাপ চিন্তা আসতে পারে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তুমি একজন খারাপ মানুষ। তুমি হলে সেই ব্যক্তি যে চিন্তাগুলোকে পর্যবেক্ষণ করছে। ১৮. বই এবং গান হলো ওষুধ। যখন মানুষের কথা ভালো লাগে না, তখন শিল্পকলা বা গান আমাদের একাকীত্ব দূর করতে সাহায্য করে। ১৯. পৃথিবী তোমাকে যা বলে, তুমি তার চেয়েও বড়। সমাজ তোমাকে যে ছকে বাঁধার চেষ্টা করে, তোমার আসল সত্তা তার চেয়েও অনেক বেশি বিশাল। ২০. বেঁচে থাকাই একটি বড় অর্জন। প্রতিকূলতার মাঝেও নিঃশ্বাস নিয়ে বেঁচে থাকাটাই সবচেয়ে বড় বীরত্ব। • ম্যাট হেইগের এই লেখাগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, জীবনের মূল সৌন্দর্য নিখুঁত হওয়ার মধ্যে নয়, বরং অসম্পূর্ণতা নিয়েও টিকে থাকার মধ্যে। ____

মানুষের সামনে আপনি যখন কথা বলেন, তখন কি সেই কথার মাধ্যমে মানুষকে মুগ্ধ করতে পারেন? কথা বলার মাধ্যমে অথবা কথা শোনার মাধ্যমে মু্গ্ধতা ছড়ানোর তিনটা উপায় আলোচনা করলাম। • ১. কথা সব শেষ না করে কিছুটা কৌতুহল জিইয়ে রাখুন। আমরা মনে করি অনেক চমৎকার গল্প বললে মানুষ আকৃষ্ট হয়, কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে গল্পের সবটুকু না বলে কিছুটা বাকি রাখলে মানুষ আপনার প্রতি বেশি আগ্রহী হয়। একে বলা হয় 'কগনিটিভ থ্রেড' (Cognitive thread) খোলা রাখা। যেমন কথা শেষে বলতে পারেন, "ঐ প্রজেক্টে কী হয়েছিল সেটা মনে করিয়ে দিও তো, পরে বলবো।" এতে মানুষের মনে একটি 'লুপ' তৈরি হয় এবং সে অবচেতনভাবেই আপনার সাথে পুনরায় কথা বলার সুযোগ খোঁজে। ২. ৯০ সেকেন্ডের জন্য পূর্ণ মনোযোগ দিন: সবসময় খুব বেশি মনোযোগী থাকার অভিনয় করার প্রয়োজন নেই। বরং কথোপকথনের মাঝে অন্তত ৯০ সেকেন্ডের জন্য এমনভাবে মনোযোগ দিন যেন মনে হয় দুনিয়ায় আপনি আর আপনার সামনের মানুষটি ছাড়া আর কেউ নেই। এই সময় মোবাইল ফোন দেখবেন না বা অন্য দিকে তাকাবেন না। এই অল্প সময়ের নিবিড় মনোযোগ সামনের মানুষটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করায়, যা আপনাকে তাদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. তারা নিজের সম্পর্কে যা বিশ্বাস করে, তার স্বীকৃতি দিন: মানুষ নিজের সম্পর্কে একটি ধারণা বা পরিচয় অন্যের কাছে তুলে ধরতে চায়। আপনি যদি সেই পরিচয়টি ধরতে পারেন এবং তার প্রশংসা করেন, তবে সে আপনার প্রতি অনেক বেশি টান অনুভব করবে। যেমন- তাকে শুধু "কাজটি ভালো হয়েছে" না বলে বলুন, "আপনি এমন একজন মানুষ যে যেকোনো কাজ খুব গুরুত্ব দিয়ে করেন।" অর্থাৎ সে নিজেকে যে ধরনের মানুষ হিসেবে দেখতে চায়, আপনি সেই পরিচয়টি তাকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন। একে বলা হয় 'আইডেন্টিটি ইকোয়িং' (Identity Echoing)। _______ আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব হওয়া মানে শুধু কথা বলা নয়, বরং সামনের মানুষটির মনে কৌতুহল তৈরি করা, তাকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাকে বুঝতে পারার ক্ষমতা রাখা।

এই লেখায় ৮টি ছোট কিন্তু কার্যকর অভ্যাসের কথা বলা হয়েছে যা আপনাকে মানুষের কাছে স্মরণীয় করে তুলবে। • ১. ছোটখাটো বিষয় মনে রাখা: অধিকাংশ মানুষ বড় বড় বিষয় মনে রাখে, কিন্তু আপনি যদি কারো বলা ছোট কোনো তথ্য (যেমন: তাদের কোনো শখ, সামনের কোনো পরীক্ষা বা বিশেষ কোনো দিন) মনে রাখেন এবং পরে তা নিয়ে কথা বলেন, তবে তারা অনুভব করবে যে আপনি সত্যিই তাদের গুরুত্ব দেন। ২. এমন প্রশংসা করা যা সাধারণ নয়: মানুষের চেহারা বা পোশাকের প্রশংসা সবাই করে। কিন্তু আপনি যদি কারো ব্যক্তিত্ব বা চরিত্রের কোনো বিশেষ দিকের প্রশংসা করেন (যেমন- "আপনার গুছিয়ে কথা বলার ভঙ্গিটা দারুণ"), তবে সেটি তাদের মনে গভীর দাগ কাটবে। ৩. মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা: আড্ডায় বা গ্রুপে এমন কেউ থাকে যে কথা বলতে পারছে না বা একটু একা হয়ে আছে। আপনি যদি সচেতনভাবে তাকে কথা বলার সুযোগ করে দেন বা তার দিকে ফিরে কথা বলেন, তবে সেই মানুষটি আপনার এই সৌজন্য সারাজীবন মনে রাখবে। ৪. সুনির্দিষ্টভাবে সাহায্য করা: "কিছু লাগলে বইলো" - এটি একটি সাধারণ কথা যা সবাই বলে। এর বদলে সুনির্দিষ্টভাবে সাহায্য করার প্রস্তাব দিন, যেমন- "আমি দোকানে যাচ্ছি, তোমার জন্য কিছু নিয়ে আসব?" বা "আমি তোমার বাবুটাকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসতে পারি যদি তুমি ব্যস্ত থাকো।" এটি আপনার আন্তরিকতা প্রকাশ করে। ৫. মনোযোগ দিয়ে শোনা: আজকাল সবাই ফোনের দিকে তাকিয়ে কথা বলে। আপনি যদি কারো সাথে কথা বলার সময় ফোন দূরে রেখে তার চোখের দিকে তাকিয়ে মনোযোগ দিয়ে কথা শোনেন, তবে সেই ব্যক্তি নিজেকে বিশেষ মনে করবে। এই 'উপস্থিতি' বর্তমানে বিরল এবং অমূল্য। ৬. একান্তে প্রশংসা করা: সবার সামনে প্রশংসা করা ভালো, কিন্তু একান্তে বা ব্যক্তিগতভাবে করা প্রশংসা মানুষের মনে বেশি গেঁথে থাকে। এটি প্রমাণ করে যে আপনি লোকদেখানো নয়, বরং মন থেকেই তাদের প্রশংসা করছেন। ৭. ভুল স্বীকার করা এবং শিখতে চাওয়া: সবকিছু জানার ভান করার চেয়ে "আমি এটা জানি না, আমাকে বুঝিয়ে বলবে কি?" বলাটা অনেক বেশি আকর্ষণীয়। এটি আপনার বিনয় প্রকাশ করে এবং অপর ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করায়। ৮. পরিস্থিতি বা স্থানকে আগের চেয়ে ভালো অবস্থায় রেখে যাওয়া: এটি কেবল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে নয়, বরং সম্পর্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আপনি যখন কারো জীবন বা আড্ডা থেকে বিদায় নেবেন, তখন যেন তারা আপনার উপস্থিতির কারণে আগের চেয়ে বেশি হাসিখুশি বা ইতিবাচক অনুভব করে। ______ অবিস্মরণীয় হওয়ার জন্য আপনাকে মহান কোনো কাজ করতে হবে না। কেবল অন্য মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করানো এবং তাদের প্রতি প্রকৃত যত্নশীল হওয়াই আপনাকে বছরের পর বছর তাদের মনে বাঁচিয়ে রাখবে। @paint with ashraf

ব্রায়ানা উইয়েস্টের লেখা 'দ্য মাউন্টেন ইজ ইউ' বইটি বিশ্লেষণ করে কিছু কথা লেখা হলো৷ মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। • ১. আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বাধা বাইরের কোনো পরিস্থিতি নয়, বরং আপনার ভেতরের ভয় এবং অবদমিত আবেগ। ২. আপনার জীবনের প্রতিটি সমস্যাই আসলে একটি লুকানো বার্তা। এটি আপনাকে সংকেত দিচ্ছে যে আপনার জীবনের কোনো একটি দিক পরিবর্তনের প্রয়োজন। ৩. পরিবর্তন তখনই ঘটে যখন স্থবির থাকার যন্ত্রণা পরিবর্তনের কষ্টের চেয়ে বেশি হয়ে যায়। মানুষ ততক্ষণ বদলায় না যতক্ষণ না সে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার মতো অবস্থায় পড়ে। ৪. আপনার উচ্চতর সত্তা আপনাকে শান্তি দেয়, আর আপনার অহং (Ego) আপনাকে অস্থির রাখে। নিজের ভেতরের কণ্ঠস্বর চিনতে শিখুন। ৫. অস্বস্তি মানেই হলো আপনি বড় হচ্ছেন। নতুন কিছু শেখার বা করার সময় যে অস্বস্তি হয়, তা আসলে আপনার মানসিক বিকাশের লক্ষণ। ৬. ভয় আপনাকে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করে, কিন্তু এটি আপনাকে সুখী করতে পারে না। বেঁচে থাকার জন্য সতর্কতা প্রয়োজন, কিন্তু বিকাশের জন্য ঝুঁকি নিতেই হবে। ৭. আপনি যা এড়িয়ে চলেন, তা আসলে আপনার ভেতরেই জমা থাকে, যে আবেগগুলো আপনি প্রকাশ করেন না, সেগুলোই আপনার ভবিষ্যৎ আচরণকে নেতিবাচকভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। ৮. সাহস মানে ভয়ের অনুপস্থিতি নয়, বরং ভয়ের উপস্থিতিতেও কাজ চালিয়ে যাওয়া। আপনার লক্ষ্য ভয়ের চেয়ে বড় হলে সাহস এমনিতেই চলে আসে। ৯. আপনার বর্তমান পরিস্থিতি আপনার অতীত চিন্তার ফল। যদি ভবিষ্যৎ পরিবর্তন করতে চান, তবে আজ থেকেই চিন্তার ধরন বদলাতে হবে। ১০. অন্যকে ক্ষমা করা মানে এই নয় যে আপনি তাদের কাজকে সমর্থন করছেন। বরং এর অর্থ হলো আপনি সেই ভার নিজের মন থেকে নামিয়ে দিয়ে নিজেকে মুক্ত করছেন। ১১. আপনার জীবনের দায়িত্ব আপনার নিজের হাতে। আপনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও পরিস্থিতির প্রতি আপনার প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। ১২. নিজের প্রতি কঠোর না হয়ে দয়ালু হোন। আত্ম-সমালোচনা আপনাকে থামিয়ে দেয়, কিন্তু আত্ম-করুণা (Self-compassion) আপনাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যায়। ১৩. বড় পরিবর্তন আসে ছোট ছোট অভ্যাসের মাধ্যমে। একদিনে পাহাড় জয় করা যায় না, প্রতিদিন একটি করে পাথর সরাতে হয়। ১৪. আপনার অন্তর্দৃষ্টি (Intuition) সবসময় সত্য বলে, কিন্তু আপনার আতঙ্ক (Panic) মিথ্যা বলে। দুটির মধ্যে পার্থক্য করতে শিখুন। ১৫. অতীতের স্মৃতিচারণ করা বন্ধ করুন, কারণ সেখানে ফিরে যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। আপনার সমস্ত শক্তি বর্তমান মুহূর্তে ব্যয় করুন। ১৬. সাফল্য মানে কেবল লক্ষ্যে পৌঁছানো নয়, বরং যাত্রাপথে আপনি কেমন মানুষে পরিণত হচ্ছেন তা-ই আসল। ব্যক্তিত্বের বিকাশই জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। ১৭. পুরানো সংস্করণকে বিদায় না দিলে নতুনের আগমন ঘটে না। নিজের নতুন রূপকে গ্রহণ করতে হলে পুরানো অভ্যাস এবং চিন্তাধারাকে বিসর্জন দিতে হবে। ১৮. যে কাজ বা মানুষ আপনার মানসিক শান্তি নষ্ট করে, তা আপনার জীবনের অংশ হওয়া উচিত নয়। ১৯. নিজেকে প্রমাণ করার দরকার নেই, শুধু নিজেকে প্রকাশ করুন। বাইরের জগতের হাততালি পাওয়ার চেয়ে নিজের কাছে সৎ থাকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ২০. পাহাড় চূড়ায় পৌঁছানোর পর আপনি দেখতে পাবেন পাহাড়টি আসলে আপনার ভেতরেই ছিল। আপনি যখন নিজেকে জয় করেন, তখন পুরো পৃথিবী আপনার কাছে সহজ হয়ে যায়। _____ প্রিয় বন্ধু, এই কথাগুলো পড়ার পর আপনার চিন্তাধারায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে কিনা কমেন্টে লিখুন। @Paint With Ashraf

চার মাজহাবের সম্মিলিত মতামত (কার্যকর হবে) ইমাম আবু হানিফা (রহ.), ইমাম শাফিঈ (রহ.), ইমাম মালিক (রহ.) এবং ইমাম আহমদ বিন হাম্বল (রহ.)-এর মতে, কেউ যদি রাগের মাথায় বা যেকোনো অবস্থায় একসাথে তিন তালাক দেয়, তবে তিন তালাকই কার্যকর হয়ে যাবে এবং বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। একে 'তালাকে বিদা’ত' বা বিদআতি তালাক বলা হয়। এটি গুনাহের কাজ হলেও তালাক পড়ে যাবে। দলিল: হযরত মাহমুদ বিন লাবিদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জানানো হলো যে, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে একসাথে তিন তালাক দিয়েছে। তখন তিনি রাগান্বিত হয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং বললেন: "আমি তোমাদের মাঝে থাকা অবস্থায় কি আল্লাহর কিতাব নিয়ে খেলা করা হচ্ছে?" (সুনানে নাসায়ি, হাদিস নং: ৩৪০১)। ভিন্নমত (এক তালাক হিসেবে গণ্য হবে) কিছু সংখ্যক সাহাবী এবং পরবর্তীকালের আলেমদের (যেমন: ইবনে তায়মিয়াহ ও ইবনে কাইয়্যিম রহ.) কিংবা আহালে হাদিসদের মতে, একই মজলিসে বা এক শব্দে তিন তালাক দিলে তা একটি 'রাজঈ' (প্রত্যাবর্তনযোগ্য) তালাক হিসেবে গণ্য হবে। বর্তমানে সৌদি আরবসহ অনেক মুসলিম দেশের আদালত এই মতটির ওপর ভিত্তি করে ফতোয়া দেয় যাতে সংসার রক্ষা পায়। দলিল: হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে, আবু বকর (রা.)-এর যুগে এবং উমর (রা.)-এর খেলাফতের প্রাথমিক দুই বছর পর্যন্ত তিন তালাক (একসাথে দিলে) এক তালাক হিসেবেই গণ্য হতো।" (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং: ১৪৭২)। রাগের মাথায় তালাক দিলে কি হয়? ইসলামী ফিকহ অনুযায়ী, রাগের তিনটি স্তর রয়েছে: সাধারণ রাগ: যেখানে মানুষের হিতাহিত জ্ঞান থাকে। এই অবস্থায় তালাক দিলে তা নিশ্চিতভাবে কার্যকর হবে। চরম রাগ (উন্মত্ততা): যদি রাগ এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে মানুষ কী বলছে তা নিজেও জানে না (পাগলের মতো অবস্থা), তবে অধিকাংশ আলেমের মতে সেই তালাক কার্যকর হয় না। মধ্যম রাগ: এই পর্যায়ে তালাক কার্যকর হওয়া নিয়ে মতভেদ আছে, তবে সাধারণ অবস্থায় রাগ তালাক হওয়ার পথে বাধা নয়, কারণ মানুষ সাধারণত রাগের মাথায়ই তালাক দেয়। আপনার জন্যে পরমর্শ: অবশ্যই একজন ভালো বিজ্ঞ্য আলেমের সাথে কথা বলুন যারা কিনা ফতোয়া বোর্ড পরিচালনা করে কিংবা ফতোয়া দেওয়ার সক্ষমতা রাখে, তবে সাধারণ হুজুরের কাছ থেকে ফতোয়া নিতে যাবেন না এতে করে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

For All Users (Android & iOS): The Detailed Guide Step 1: Open the Control Room (Settings Menu) আপনার ফোনের Facebook অ্যাপটি খুলুন। ডান দিকের একদম উপরের কোণায় থাকা আপনার Profile Picture বা তিনটি লাইন (≡) আইকনটিতে ক্লিক করুন। এতে Menu খুলে যাবে। Step 2: Find the Hidden Switch Menu-তে একটু নিচে স্ক্রল করে "Settings & Privacy" অপশনটি খুঁজে বের করুন এবং ওটাতে ক্লিক করুন। এরপর আবার "Settings"-এ যান। Step 3: The Final Destination Settings পেইজে আপনাকে বেশ কিছুটা নিচে স্ক্রল করতে হবে। খুঁজতে থাকুন... খুঁজতে থাকুন... "Your activity" বা এই ধরনের কোনো সেকশনের ভেতরে আপনি "Camera roll sharing suggestions" নামে একটি অপশন খুঁজে পাবেন। ওটাতে ক্লিক করুন। Step 4: Turn It OFF! (The Most Important Step) এখানে ঢোকার পর আপনি এক বা দুটি Toggle বা On/Off বাটন দেখতে পাবেন। যেমন: Custom sharing suggestions from your camera roll Get camera roll suggestions when you’re browsing Facebook How to Check if it's ON: যদি Toggle-গুলো নীল (Blue) রঙের থাকে এবং ডান দিকে সরানো থাকে, তার মানে সর্বনাশ! ফিচারটি On আছে এবং Meta আপনার ছবি স্ক্যান ও সংরক্ষণ করছে। How to Turn it OFF: শুধু Toggle-গুলোর উপর একবার ট্যাপ করুন। ট্যাপ করলেই ওগুলো ধূসর (Grey) রঙের হয়ে যাবে এবং বাম দিকে সরে যাবে। Congratulations! আপনি সফলভাবে Meta-কে আপনার ব্যক্তিগত ছবির গ্যালারি থেকে বের করে দিয়েছেন! #Privacy #FacebookTips #CyberSecurity #TechHacks #DataProtection #Bangladesh

আপনি যদি গৃহিণী হন, ঘরের ভেতর সবকিছু সামলান— কিন্তু মাঝেমাঝে মনে হয়— “এই ঘরে কার কথা কে বোঝে? কার হক কার কাছে থাকে? ন্যায়টা যেন হারিয়ে গেছে…” তাহলে—আজকের জুমাবারের পোস্টটা আপনার জন্য। অনেক বোনই বলেন— “আমি তো ঝগড়া চাই না। আমি শুধু চাই—ঘরে শান্তি থাকুক, পক্ষপাত না থাকুক, সবাই ন্যায্যভাবে কথা শুনুক…” কুরআনে আল্লাহ বলেন— “তোমার রবের বাণী সত্য ও ন্যায়বিচারে পূর্ণ।” — সূরা আন’আম: ১১৫ মানে— মানুষ ভুল বুঝতে পারে, পক্ষপাত করতে পারে— কিন্তু আল্লাহ কখনো অন্যায় করেন না। আর আপনি আল্লাহকে ডাকতে পারেন—তারই এক মহান নাম দিয়ে: আল-আদল (ন্যায়পরায়ণ)। এখন প্রশ্ন হলো— গৃহিণী হিসেবে আপনি ঘরের ভেতর থেকেই কীভাবে “ইনসাফ + শান্তি”র দোয়া করবেন? নিচে একদম বাস্তব, করা যায় এমন রুটিন দিলাম— যেটা আপনার ঘরের জন্য “শুক্রবারের বিশেষ আমল” হয়ে যেতে পারে ইনশাআল্লাহ। -গৃহিণী হলেও আল্লাহর দরবারে “ঘরে ইনসাফ ফিরিয়ে আনার” আমল ১) জুমাবার মাগরিবের পর ২ মিনিট—“ইয়া আদল” রুটিন যখন পরিবারের মধ্যে ঝগড়া, অন্যায় বা পক্ষপাতের কারণে অশান্তি থাকে— তখন আপনি করবেন এই আমলটা: ধাপ–১: মাগরিবের নামাজের পর শান্ত হয়ে বসুন (অজু থাকলে ভালো)। ধাপ–২: মনে মনে নিয়ত করুন— “হে আল্লাহ, আমি কারো বিরুদ্ধে নই—আমি আমার ঘরে শান্তি ও ন্যায় চাই।” ধাপ–৩: এরপর ২১ বার পড়ুন— আরবি: يَا عَدْلُ أَنْزِلِ الْعَدْلَ فِي بَيْتِي وَأَلِّفْ بَيْنَ قُلُوبِنَا উচ্চারণ: ইয়া আদল, আনযিলিল আদলা ফি বাইতি ওয়া আল্লিফ বায়না কুলুবিনা অর্থ: হে ন্যায়পরায়ণ! আমার ঘরে ন্যায়বিচার নাযিল করুন, এবং আমাদের হৃদয়গুলোকে এক করে দিন। ধাপ–৪: শেষে ৩০ সেকেন্ড নিজের ভাষায় বলুন— “ইয়া আল্লাহ, আমার ঘরটা আপনি ঠিক করে দিন—আমার কথা নরম করে দিন, অন্যদের হৃদয়ও নরম করে দিন।” এই ছোট্ট রুটিনটা— আপনার ঘরের ভেতর “শান্তির দরজা” খোলার সবচেয়ে নীরব, কিন্তু সবচেয়ে শক্তিশালী কড়া নাড়া। -কেন এই আমলটা এত কার্যকর হতে পারে? কারণ আপনি ডাকছেন আল্লাহকে—আল-আদল নামে। যিনি বিচার করেন নিখুঁতভাবে, যার কাছে কারো হক হারায় না। আর যে ঘরে ন্যায় আসে— সেখানে কথা বলার ভাষাও বদলায়, চোখের দৃষ্টিও বদলায়, মনও ধীরে ধীরে নরম হতে শুরু করে—ইনশাআল্লাহ। -ফায়দা (যা আপনি ধীরে ধীরে টের পাবেন) ঘরের সিদ্ধান্তে তাড়াহুড়া ও রাগ কমে “আমাকে কেউ বোঝে না”—এই জমে থাকা কষ্ট হালকা হয় পক্ষপাত/ভুল বোঝাবুঝি কমে, কথা বলার ভঙ্গি নরম হয় ঘরে বারাকাহ আসে—হৃদয়গুলো এক হতে শুরু করে -এই ধরনের নাম-ধরে আমল কোথা থেকে আরও শিখবেন? আজকে জুমাবারের জন্য “ইয়া আদল”—একটা স্পেশাল রুটিন দিলাম। এরকম আরও— রিজিক, ভয়, অসুস্থতা, বদনজর, অশান্তি, দুশ্চিন্তা— প্রতিটা সমস্যার জন্য আল্লাহর কোন নাম ধরে কীভাবে দোয়া করবেন—সব গুছানো আছে— 📘 “আল্লাহর ৯৯ নামের আমল ও ওয়াজিফা” “আপনি যদি এরকম আরো জানতে চান—আল্লাহর ৯৯ নামের আমল ও ওয়াজিফা আপনার জন্য একটি প্রয়োজনীয় সাথী।” ✔️ সমস্যা-ভিত্তিক নাম নির্বাচন (ঘর/সন্তান/রিজিক/মানসিক শান্তি) ✔️ আরবি + উচ্চারণ + অর্থসহ রেডি রুটিন ✔️ পরিবারের জন্য বাস্তব আমল—অতিরঞ্জন ছাড়া, গাইডেডভাবে নিতে চাইলে ইনবক্স করুন বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন 01984-563362 / লিখুন: ৯৯ নামের বই চাই” শেষ কথা গৃহিণী মানে শুধু রান্না-পরিষ্কার না— গৃহিণী মানে ঘরের শান্তির পাহারাদার। আজ জুমাবার— আপনার ঘরের জন্য আপনি ২ মিনিট সময় বের করুন। ২১ বার “ইয়া আদল” ধরুন। ইনশাআল্লাহ একদিন আপনি পেছনে ফিরে তাকিয়ে দেখবেন— ঝগড়া কমেছে, কথা নরম হয়েছে, আর ঘরের ভেতরটা ধীরে ধীরে “ইনসাফের আলো”তে ভরে উঠছে।

উম্ম খালিদ তার এক পোস্টে লিখেছেন: ‎ ‎'একদিন আমার ছোট বাচ্চাগুলো খেলছিল, আমি দেখলাম ছোট ছোট কিছু জিনিস, সেইসাথে কয়েকটা প্রাণীকে এক লাইনে দাড় করিয়ে রাখা হয়েছে। ‎ ‎বাচ্চাদেরকে জিজ্ঞাসা করলাম: এগুলো কি? ‎ ‎আমার দশ বছরের গুড়িয়া সিরিয়াস হয়ে জবাব দিল: এগুলো সব মু জা হি দ। ‎ ‎- তাই? সবাই এভাবে এক লাইনে দাঁড়িয়ে আছে কেনো? ‎ ‎- আম্মু, তোমার সূরাহ সফের আয়াত মনে নেই? আল্লাহ বলেছেন: ‎ ‎إِنَّ ٱللَّهَ يُحِبُّ ٱلَّذِينَ يُقَـٰتِلُونَ فِى سَبِيلِهِۦ صَفًّۭا كَأَنَّهُم بُنْيَـٰنٌۭ مَّرْصُوص ‎ ‎"নিশ্চয় আল্লাহ তাদেরকে ভালবাসেন, যারা তাঁর পথে সারিবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করে যেন তারা সীসা ঢালা প্রাচীর।" ‎ ‎আলহামদুলিল্লাহ! ‎ ‎বাবা মায়ের জন্য নসীহাহ: ‎ ‎আপনার সন্তানকে তাফসীর সহ কুরান শিক্ষা দেন। তারা এটাকে ধারণ করবে এবং বাস্তবিক জীবনে এর প্রতিফলন ঘটাবে, যা আপনাকে চমকে দিবে, মাশাআল্লাহ। ‎ ‎উম্মতের জন্য নসীহাহ: ‎ ‎নির্বুদ্ধিতা হচ্ছে, শত্রুর "ভাগ কর এবং জয় কর" - এর ফাঁদে পতিত হওয়া।' ‎ ‎আমি আগেও বলেছিলাম, এই জামাই বউকে (ডানিয়েল হাকিকতযু এবং তার সহধর্মিণী উম্ম খালিদ) আমি আল্লাহর জন্য ভালবাসি, এবং তাদেরকে হিংসাও করি। এ ভদ্রমহিলা একজন হার্ভার্ড গ্র‍্যাজুয়েট হয়েও (সম্ভবত) ৬ সন্তানের জননী এবং সন্তান লালন কে ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছেন। ‎ ‎সন্তানদের লালন পালন করতে গিয়ে সম্মুখীন হওয়া বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং তাদের মাঝে ইসলামের আদর্শ প্রোথিত করার বিষয় নিয়ে তার পোস্টগুলো খুবই শিক্ষণীয়। Parenting এবং Family upbringing এ তার কাজগুলো ঈর্ষণীয়। ‎ ‎আমাদের বাংলাদেশে এরকম নারী দায়ী বিরল, নেই বললেই চলে। দুখজনক হল, আমাদের নারীরা কোনমতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ডিগ্রী শেষ করলেই অহমিকায় এদের মাটিতে পা পড়েনা! পরিবারে সময় দেয়াকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিবে কি, সার্টিফিকেটের ওজনেই তো তাদের Temperature থাকে অন্যরকম। ‎ ‎আল্লাহ মুসলিম দাঈদেরকে এমন স্ত্রী মিলিয়ে দেন যারা নিজেরাও হবেন দাঈ এবং উম্ম খালিদের কল্যানময় গুণগুলো তাদের মাঝেও থাকবে। ‎ Sohel Rana

দ্রুত এদেশে থার্মোকল ব্যান হওয়া দরকার! সবখানেই এখন খাবার-পানীয় সার্ভ করতে থার্মোকলের ওয়ান টাইম গ্লাস, প্লেট এবং বক্স ব্যবহার হয়। এই থার্মোকল বস্তুটি দেখতে যতটা সাদা, এর স্বভাব ও প্রভাব ততটাই কালো! থার্মোকলের কাঁচামাল হলো বি/ষা/ক্ত স্টাইরিন থেকে তৈরি পলিস্টাইরিন। স্টাইরিন হলো একটি পটেনশিয়াল কার্সিনোজেনিক কেমিক্যাল। থার্মোকলের জিনিস থেকে এই স্টাইরিন লিক করে খাবারে মিশে যায়! গরম খাবার, তৈলাক্ত ও অম্লীয় খাবার থার্মোকলের মধ্যে রাখলে স্টাইরিন নিঃসরণ আরো ব্যাপক হয়। এদেশে ডাস্টবিন ও হাসপাতালের বর্জ্য কারখানায় রিসাইক্লিং করেও থার্মোকলের জিনিসপত্র তৈরি হয়। ছোট ছোট কারখানাগুলো খরচ কমাতে ভার্জিন পলিস্টাইরিনের বদলে আবর্জনা থেকে তৈরি রিসাইকেলড পলিস্টাইরিন ব্যবহার করে। যেটা স্বাস্থ্যের জন্য আরো বেশি ভয়ানক! নিয়মিত থার্মোকলের পাত্রে খাবার খেতে থাকলে নারী-পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা ন/ষ্ট হতে পারে। থার্মোকলের জিনিস জীবের ক্ষতির পাশাপাশি ভয়ানক পরিবেশ দূষণ সৃষ্টি করছে! ক্যাপ্টেন গ্রিন

কক্সবাজার, সেইন্ট মার্টিনে যাবেন? তাহলে এই কয়েক লাইন না পড়ে এক পা-ও বালিতে দেবেন না। সমুদ্রের নরম বালু, খালি পা, ছবি আর রিল— এটাই সবচেয়ে নিরাপদ মুহূর্ত। কিন্তু ওই বালুর ভেতরেই লুকিয়ে থাকে এমন একটা জিনিস, যা কয়েক দিনের মধ্যে আপনার পায়ের ওপর আঁকিবুঁকি শুরু করতে পারে। প্রথমে ছোট লালচে গুটি। তারপর তীব্র চুলকানি। রাতে ঘুম ভাঙে। হাঁটলে বাড়ে। দাগটা জায়গা বদলায়, বেঁকে বেঁকে এগোয়— ঠিক যেন ত্বকের নিচে কিছু একটা হেঁটে যাচ্ছে। এটা কোনো অ্যালার্জি না। এটা ছত্রাকও না। খালি পায়ে বালুতে হাঁটার সময় কুকুর বা বিড়ালের মলের সাথে থাকা কৃমির লার্ভা ত্বকের ভেতরে ঢুকে পড়ে। মানুষের শরীরে তারা বড় হতে পারে না, কিন্তু আটকে গিয়ে ত্বকের নিচে চলাফেরা করে। রোগটার নাম Cutaneous Larva Migrans। যা করবেন না খোঁচাবেন না নিজে নিজে মলম বা স্টেরয়েড লাগাবেন না “এমনিতেই সেরে যাবে” ভেবে বসে থাকবেন না করণীয় দ্রুত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ দেখাবেন সঠিক ওষুধে কয়েক দিনের মধ্যেই সমস্যা শেষ দাগ পড়ে না যা করলে একদমই হবে না:- সমুদ্র সৈকতে খালি পায়ে হাঁটবেন না বালুতে বসলে তোয়ালে বা ম্যাট ব্যবহার করবেন শিশুদের খালি পায়ে খেলতে দেবেন না ছুটি সুন্দর হোক। স্মৃতি থাকুক, দাগ না। এই লেখাটা শেয়ার করুন। কারো এক পা বাঁচলেও, লেখা ~ডা.আব্দুর রহমান

যে বইটি নিয়ে কথা বলবো, বইয়ের নাম- দ্য ফাইভ সেকেন্ড রুলস। লেখক মেল রবিনস। এই বই থেকে কিছু বিষয় সহজে আলোচনা করছি, জীবন যাপনে কাজে লাগবে৷ • ১. যদি আপনার কোনো লক্ষ্য অর্জনের ইচ্ছা জাগে, তবে আপনাকে ৫ সেকেন্ডের মধ্যে সেই কাজ শুরু করতে হবে৷ অর্থাৎ লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে কাজ করা উচিৎ, সেই কাজের প্রাথমিক পদক্ষেপ শুরু করে দিতে হবে, পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যেই৷ নতুবা আপনার মস্তিষ্ক সেই আইডিয়াটি মেরে ফেলবে। ২. সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করা বন্ধ করুন। কারণ ‘সঠিক সময়’ বলে আসলে কিছু নেই। ৩. সাহস মানে ভয় না পাওয়া নয়, বরং ভয় থাকা সত্ত্বেও এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া। ৪. আপনার মস্তিষ্ক আপনাকে আরামদায়ক অবস্থায় রাখতে চায়, কিন্তু জীবনের সব উন্নতি ঘটে আরামদায়ক অবস্থার বাইরে। ৫. আপনার কেমন লাগছে (যেমন: অলসতা বা ভয়) তার ওপর ভিত্তি করে কাজ করবেন না; কী করা উচিত তার ওপর ভিত্তি করে কাজ করুন। ৬. আপনার বর্তমান জীবন এবং আপনি যে জীবন চান, তার মধ্যে ব্যবধান মাত্র একটি ৫ সেকেন্ডের সিদ্ধান্তের। ৭. যখনই আপনি কোনো কাজ করতে গিয়ে দ্বিধা করেন, তখনই আপনার মস্তিষ্ক সেই কাজটি না করার জন্য একশটা যুক্তি দাঁড় করায়। ৮. আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় বড় কোনো সাফল্যে নয়, বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট কাজগুলো সময়মতো সম্পন্ন করার মাধ্যমে। ৯. নিজের বস নিজে হোন। কেউ আসবে না আপনাকে টেনে তুলতে বা কাজ করাতে; আপনাকে নিজেই নিজের ধাক্কা হতে হবে। ১০. ভয় এবং উত্তেজনা—উভয় ক্ষেত্রেই শরীরের প্রতিক্রিয়া একই রকম। তাই যখন ভয় পাবেন, নিজেকে বলুন "আমি উত্তেজিত"। ১১. অতিরিক্ত চিন্তা করা বা 'Overthinking' বন্ধ করার একমাত্র উপায় হলো কাজে নেমে পড়া। ১২. আপনি আপনার চারপাশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও, সেই পরিস্থিতিতে আপনার প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। ১৩. ঘুম থেকে ওঠার পর স্নুজ (Snooze) বাটন চাপা মানেই হলো দিনের শুরুতেই নিজের লক্ষ্যের কাছে হার মেনে নেওয়া। ১৪. অজুহাত বন্ধ করুন। আমরা আমাদের অজুহাতের পেছনে যতটা শক্তি ব্যয় করি, তার অর্ধেক যদি কাজে ব্যয় করতাম তবে জীবন বদলে যেত। ১৫. প্যাশন কোনো চিন্তার বিষয় নয়, এটি হলো এক ধরনের কৌতূহল যা আপনাকে অ্যাকশন নিতে বাধ্য করে। ১৬. আজকের নেওয়া একটি ৫ সেকেন্ডের সিদ্ধান্ত ৫ বছর পরের আপনাকে সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে। ১৭. ভুল করতে শিখুন। নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা বাদ দিন। ভুল করার সাহস সঞ্চয় করুন এবং তা থেকে শিখুন। ১৮. নিজেকে ক্ষমা করুন। অতীতে কী করতে পারেননি তা নিয়ে আক্ষেপ না করে, বর্তমানের ৫ সেকেন্ডকে কাজে লাগান। ১৯. জীবনের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো কোনো ঝুঁকি না নেওয়া এবং নিজের স্বপ্নের জন্য চেষ্টা না করা। ২০. কোনো কাজ শেষ করা কঠিন নয়, কঠিন হলো কাজটি শুরু করা। আর ৫ সেকেন্ড রুল সেই শুরুটাকেই সহজ করে দেয়। ______

মনোবিজ্ঞান অনুযায়ী এখানে ১০টি লক্ষণের কথা বলা হয়েছে যা থেকে বোঝা যায় যে একজন পুরুষ আপনাকে গভীরভাবে মূল্য দিচ্ছে। • ১. তিনি ছোট ছোট প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেন। বড় বড় কথা বলা সহজ, কিন্তু যিনি আপনাকে মূল্য দেন তিনি ছোট ছোট কথা বা প্রতিশ্রুতি মনে রাখেন। যেমন: "আমি তোমাকে পরে কল দেব" বা "আমি আসার সময় দুধ নিয়ে আসব"—এমন ছোট বিষয়গুলো তিনি ভুলে যান না। এর মাধ্যমে বোঝা যায় তিনি আপনার প্রতি দায়িত্বশীল। ২. আপনার গুরুত্বপূর্ণ দিন বা ঘটনার খবর নেন। আপনার কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারভিউ, পরীক্ষা বা প্রেজেন্টেশন থাকলে তিনি কেবল শুভকামনা জানিয়েই থেমে যান না, বরং সেটি কেমন হলো তা জানার জন্য পরে আপনাকে মেসেজ বা কল করেন। এর মানে আপনার জীবনের ছোট-বড় সব অর্জন তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ৩. আপনার খারাপ সময়ে তিনি আপনার পাশে থাকেন৷ যখন আপনার দিনটি খুব খারাপ কাটে, তিনি তখন আপনাকে এড়িয়ে যান না বা আপনার সমস্যা সমাধান করতে না পারলেও আপনার কথা শোনেন। তিনি আপনাকে মানসিক সমর্থন দেন এবং আপনার অনুভূতিগুলোকে গুরুত্ব দেন। ৪. তিনি কেবল কথা শোনেন না, অর্থ বোঝার চেষ্টা করেন। তিনি কেবল উত্তর দেওয়ার জন্য আপনার কথা শোনেন না, বরং আপনি কী বোঝাতে চাইছেন তা গভীরভাবে বোঝার চেষ্টা করেন। অনেক সময় আপনার না বলা কথাগুলোও তিনি আপনার অঙ্গভঙ্গি দেখে বুঝে নিতে পারেন। ৫. তিনি ছোট ছোট তথ্য মনে রাখেন। আপনার প্রিয় কফি কোনটা, আপনি কোন জিনিসটা অপছন্দ করেন বা আপনার ছোটবেলার কোনো গল্প—এসব ছোটখাটো বিষয় তিনি মনে রাখেন। এটি প্রমাণ করে যে তিনি আপনাকে নিয়ে ভাবেন। ৬. তিনি আপনার গোপনীয়তা ও সম্মান রক্ষা করেন৷ আপনার ব্যক্তিগত কোনো দুর্বলতা বা গোপনীয় কথা তিনি অন্যদের সাথে হাসি-ঠাট্টায় ব্যবহার করেন না। এমনকি আপনি যখন সামনে থাকেন না, তখনও তিনি অন্যদের কাছে আপনার সম্পর্কে সম্মান দিয়ে কথা বলেন। ৭. তিনি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে আপনাকে অন্তর্ভুক্ত করেন৷ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, টাকা-পয়সার বিষয় বা ছুটির দিনে কোথায় যাবেন—এই ধরণের সিদ্ধান্তগুলোতে তিনি আপনার মতামত নেন। এটি একটি শান্ত অথচ শক্তিশালী লক্ষণ যে তিনি আপনাকে তার জীবনের অংশ মনে করেন। ৮. ঝগড়া বা তর্কের পর তিনি দ্রুত মিটমাট করার চেষ্টা করেন। তর্ক বা মান-অভিমানে তিনি দিনভর কথা বন্ধ করে থাকেন না। বরং তিনি নিজেই এগিয়ে এসে কথা বলেন বা ক্ষমা চান। তিনি জেতার চেয়ে সম্পর্কের শান্তিকে বেশি গুরুত্ব দেন। ৯. জনসমক্ষে তিনি আপনার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন। বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের সামনে তিনি আপনাকে অবহেলা করেন না। বরং আপনার সাথে কথা বলেন, আপনার দিকে খেয়াল রাখেন এবং তার আচরণে প্রকাশ পায় যে তিনি আপনাকে নিয়ে গর্বিত। ১০. আপনার সীমানাকে (Boundaries) সম্মান করেন। আপনি যদি কোনো বিষয়ে 'না' বলেন বা আপনার ব্যক্তিগত সময়ের প্রয়োজন হয়, তবে তিনি জোর করেন না। তিনি আপনার ইচ্ছা ও প্রয়োজনের প্রতি সম্মান দেখান এবং আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেন না। • এই লক্ষণগুলো অনেক সময় খুব শান্ত বা নীরব হয়, কিন্তু মনোবিজ্ঞান বলছে এগুলোই হচ্ছে প্রকৃত ভালোবাসা ও সম্মানের বড় প্রমাণ। একজন পুরুষ যখন আপনাকে গভীরভাবে মূল্য দেন, তখন তার কথা নয় বরং তার এই আচরণগুলোই তার গুরুত্ব প্রকাশ করে। _____

কওমী শিক্ষার্থীদের মাঝে SSC,দাখিল পরীক্ষা নিয়ে ব্যাপক ভুল ধারনা রয়েছে। প্রিয় রুহল আমিন সাদি ভাইও আজ লিখেছেন, দাখিল পরীক্ষা দিতে হলে ক্লাস সিক্স থেকেই রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ পরীক্ষা দিতে মিনিমাম ৫ বছর লাগবে। অথচ এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারনা। আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি, স্কুল বা আলিয়ার বারান্দাতেও কখনো যায়নি, এমন কেউ যদি ২০২৭ ফেব্রুয়ারিতে SSC, দাখিল পরীক্ষা দিতে চায়, আমরা তার ব্যবস্থা করে দিতে পারবো ইনশাআল্লাহ। তবে খুব দ্রুতই যোগাযোগ করতে হবে। ২০২৭ এর বোর্ড কার্যক্রম খুব শীঘ্রই শেষ হয়ে যাবে। 01810180303 পরিচালক, SSC/ দাখিল বর্ষ আহমাদস এডুকেশন

যদি কোনো পুরুষ ‘দ্রুত বীর্যপাত’ রোগে আক্রান্ত হয়, তাহলে এ অবস্থায় নারীর করণীয় সম্পর্কে শরীয়তের নির্দেশনা স্পষ্ট। এ ক্ষেত্রে স্বামীর ওপর দায়িত্ব হলো—তিনি কোনো অভিজ্ঞ ও যোগ্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন, যাতে স্ত্রীর দাম্পত্য অধিকার যথাযথভাবে আদায় করা সম্ভব হয়। চিকিৎসার পরও যদি দুর্বলতা আংশিকভাবে থেকে যায়, কিন্তু স্বামী কোনো না কোনো পর্যায়ে সহবাসে সক্ষম হন, তাহলে কেবল এই কারণেই স্ত্রীর জন্য নিকাহ বাতিল (ফাসখ) করার অধিকার সাব্যস্ত হয় না। একই সঙ্গে স্ত্রীর জন্য নিজের যৌন চাহিদা পূরণের উদ্দেশ্যে শরীয়তবিরোধী বা অবৈধ কোনো পথ অবলম্বন করা সম্পূর্ণ হারাম; বরং ধৈর্য, পবিত্রতা ও শরীয়তের সীমারেখা রক্ষা করা তার জন্য আবশ্যক। একজন স্বামীর অধীনে থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় স্বামীর খোঁজ করা, সম্পর্কের চিন্তা করা কিংবা যোগাযোগ করা—সবই হারাম এবং ব্যভিচারের দিকে নিয়ে যাওয়ার মারাত্মক কবীরা গুনাহ। শরীয়তে একজন নারী একসঙ্গে দুই স্বামীর অধীনে থাকতে পারে না—এটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কষ্ট ও অতিষ্ঠতা যতই গভীর হোক, হারাম কখনো হালাল হয়ে যায় না। [ফাতাওয়া শামী ৩/৪৯৪, বিন্নুরি ফাতাওয়া নম্বর 144208201116] আর যদি স্বামী বাস্তবেই সম্পূর্ণভাবে সহবাসে অক্ষম হয় এবং চিকিৎসা সত্ত্বেও দাম্পত্য অধিকার একবারও আদায় করতে না পারেন, তবে শরীয়ত স্ত্রীকে অসহায় করে রাখে না। প্রথম ও উত্তম পথ হলো—স্বামীর কাছ থেকে তালাক গ্রহণ করা। যদি স্বামী তালাক দিতে রাজি না হন, তবে স্ত্রী নিজের মোহরের বিনিময়ে বা টাকা-পয়সার বিনিময়ে খোলা তালাক গ্রহণ করতে পারে। আর যদি স্বামী খোলা তালাক দিতেও অস্বীকৃতি জানায়, তবে নির্দিষ্ট শর্তে স্ত্রীর জন্য আদালতের মাধ্যমে নিকাহ বাতিল করানোর অধিকার রয়েছে। তবে এই অধিকার তখনই কার্যকর হয়, যখন স্ত্রী নিকাহের আগে স্বামীর এ অক্ষমতার কথা জানত না এবং নিকাহের পর জানার পরও স্বেচ্ছায় এই অবস্থাকে মেনে নিয়ে সংসার চালিয়ে যাওয়ার সম্মতি প্রকাশ করেনি। অর্থাৎ, প্রতারণার মাধ্যমে নয়; বরং বাস্তব অক্ষমতার কারণেই সে বিচ্ছেদ চাইছে—এটাই মূল বিবেচ্য। শরীয়ত এ ক্ষেত্রেও ধাপে ধাপে ইনসাফ নিশ্চিত করেছে। স্ত্রী মুসলিম বিচারকের কাছে অভিযোগ পেশ করবে যে তার স্বামী সহবাসে সম্পূর্ণ অক্ষম এবং আজ পর্যন্ত একবারও দাম্পত্য অধিকার আদায় করতে পারেনি। বিচারক যাচাই-বাছাই করে সত্যতা প্রমাণিত হলে স্বামীকে এক বছরের সময় দেবেন—যাতে সে চিকিৎসার শেষ চেষ্টা করে স্ত্রীর অধিকার আদায় করতে পারে। এই সময়সীমা শরীয়তের দয়া ও বাস্তবতার পরিচায়ক। এক বছর পার হওয়ার পরও যদি স্বামী অক্ষমই থাকে, তখন আবার স্ত্রীর মতামত নেওয়া হবে—সে কি এই স্বামীর সঙ্গে থাকতে চায়, না বিচ্ছেদ চায়? যদি সে বিচ্ছেদ চায়, তবে বিচারক তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাবেন। এরপর স্ত্রী ইদ্দত পালন করবে, এবং ইদ্দত শেষে সে নতুনভাবে জীবন শুরু করতে সম্পূর্ণ স্বাধীন থাকবে। সবশেষে বলা যায়, শরীয়ত ধৈর্যকে উৎসাহিত করলেও জুলুমকে স্থায়ী করে না। দাম্পত্য অক্ষমতার মতো বাস্তব ও গুরুতর সমস্যায় ইসলাম নারীর সম্মান, অধিকার ও মানসিক সুস্থতাকে গুরুত্ব দিয়ে বৈধ ও সুবিচারপূর্ণ সমাধানের পথ উন্মুক্ত রেখেছে। المحيط البرهاني ميں هے: "وإذا وجدت المرأة زوجها عنینًا فلها الخیار، إن شاء ت أقامت معه کذٰلک، وإن شاء ت خاصمته عند القاضي وطلبت الفرقة." (کتاب النکاح، الفصل الثالث والعشرون، العنین، جلد:4، صفحه: 238، طبع: المجلس العلمي) [আল মুহিতুল বুরহানী ৯/৩৪৩, ফাতাওয়া শামী ৩/৪৯৬-৪৯৮, জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউন করাচী, ফাতাওয়া নম্বর 144503101852]

মুখের তথাকথিত জীবাণুদের মারতে টুথপেস্টে দেয়া থাকে ট্রাইক্লোসান নামক পেস্টিসাইড। গবেষণায় পাওয়া গেছে ট্রাইক্লোসানের কারণে বিশ্বজুড়ে থাইরয়েড সমস্যার প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ট্রাইক্লোসানকে ২০১৬ সালে ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন(এফডিএ) এর নিষিদ্ধ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গবেষকরা ১৮৪৮ জন নারীর উপর পরীক্ষা চালিয়ে সিদ্ধান্তে এসেছেন– টুথপেস্টের রাসায়নিক নারীদের হাড় ক্ষয়ের জন্য দায়ী। ক্লিনিক্যাল অ্যান্ডোক্রিনোলজি অ্যান্ড মেটাবলিজম জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় দেখানো হয়েছে ট্রাইক্লোসানের সঙ্গে অস্টিওপোরোসিসের সরাসরি যোগসূত্র আছে। এই যৌগ হাড়ে মিনারেলের ঘনত্ব কমিয়ে দেয়। শ্যাম্পু, ওয়াশিং পাউডার, ডিটারজেন্ট, ডিওডোরেন্ট, সাবান, স্যানিটাইজার, টুথপেস্ট এবং মাউথওয়াশে ট্রাইক্লোসান থাকে। দ্য কেমিক্যাল রিসার্চ ইন টক্সিকোলজি জার্নালের রিসার্চে দাবি করা হয়েছে ট্রাইক্লোসান শরীরে ক্যান্সার জন্ম দিতে সক্ষম৷ • সোডিয়াম ফ্লোরাইড সোডিয়াম ফ্লোরাইড জলে দ্রবণীয় বর্ণহীন অজৈব যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত–NaF। এই যৌগটি ফার্মাসিউটিক্যালের ওষুধ, টুথপেস্ট, মেটাল ইন্ডাস্ট্রির ফ্লাক্স, কীটনাশক এবং ইঁদুর মারার বিষ তৈরিতে ব্যবহার হয়। কিছু ইন্সট্যান্ট জুস, কার্বনেটেড বেভারেজ এবং বেবিফুডেও ফ্লোরাইড থাকে। ফ্লোরাইড ক্ষতিকারক হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ এটি শরীরে জমতে থাকে। শরীরে প্রতিদিন প্রবেশ করতে থাকা ফ্লোরাইড হাড় এবং মস্তিষ্কে জমা হয়। আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি থেকে বলা হয়েছে– টুথপেস্টের ফ্লোরাইড মানব শরীরে বিষক্রিয়া ঘটায়। ১৯৩৮ সালে আমেরিকান ডেন্টিস্ট এইচ ট্রেন্ডলি ডিন দাবি করে বসে– ফ্লোরাইড মেশানো পানি দাঁতের ক্ষয়রোধে সাহায্য করে। তখন থেকেই পশ্চিমা দেশগুলো পানিতে ফ্লোরাইড মিশাতে থাকে। কোম্পানিগুলো টুথপেস্ট, টুথপাউডারে ফ্লোরাইড যোগ করতে থাকে। কিন্তু অল্পদিন পরেই মানুষের দেহে ফ্লোরাইড বিষক্রিয়া শুরু হয়। ফ্লোরাইডের উপর গবেষণায় নেমে পড়েন বিজ্ঞানীরা। এই বিষয়ে আমেরিকাতে সবচেয়ে বড় গবেষণা হয় ১৯৮৬/৮৭ সালে। তখন বেরিয়ে আসে ভয়াবহ তথ্য। গবেষণায় দেখা যায় ফ্লোরাইড দাঁতের ক্ষয়রোধে ভূমিকা তো রাখেই না বরং জন্ম দেয় অসংখ্য সমস্যার। ফ্লোরাইডে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় মস্তিষ্ক ও হাড়। দেহে ফ্লোরাইডের উপস্থিতিতে অ্যালুমিনিয়ামের জৈবিক প্রভাব বেড়ে গিয়ে মস্তিষ্কে দ্বিগুণ অ্যালুমিনিয়াম জমতে থাকে। একসময় দেখা দেয় স্নায়বিক দুর্বলতা, আলঝেইমার্স। ফ্লেভার দেয়া টুথপেস্ট বাচ্চারা খেয়ে ফেলে। এমনিতে মনে হতে পারে টুথপেস্ট পেটে গেলে কিছু হবেনা। কিন্তু বাস্তবে সামান্য টুথপেষ্টও পেটে গেলে বড় সমস্যা হতে পারে আপনার বা আপনার বাচ্চার। টুথপেস্ট, ফ্লোরিনেটেড পানি, চুইংগাম, মাউথওয়াশ ইত্যাদি থেকে প্রতিদিন একটু একটু করে গ্রহণ করা ফ্লোরাইড মাথাব্যাথা, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, অরুচি, বমিভাব এবং ডায়রিয়ার সমস্যা তৈরি করে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নারী ও শিশুরা। তাদের মস্তিষ্ক ও হাড়গোড় এর বারোটা বাজিয়ে দেয় ফ্লোরাইড। টুথপেস্টের ফ্লোরাইড রক্তে মিশে গেলে জয়েন্টে প্রদাহ, আর্থ্রাইটিস এবং স্কেলেটাল ফ্লুরোসিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। ফ্লোরাইড রক্তে মিশে গিয়ে মস্তিষ্কের যে নির্দিষ্ট অংশটি বুদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে সেখানে আঘাত করতে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে ঐ অংশের কর্মক্ষমতা কমে যায়। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল শ্যাম্পু, টুথপেষ্ট এবং পার্সোনাল কেয়ার প্রোডাক্টের কেমিক্যালগুলোর কারণে মেয়েদের আর্লি পিউবার্টি বা অকাল বয়ঃসন্ধি (আট বছরের আগে স্তনের বিকাশ এবং পিরিয়ড আরম্ভ হওয়া) শুরু হতে পারে। টুথপেস্টের এসপার্টেম, সরবিটল, স্যাকারিন ইত্যাদি সুইটনার শরীরে ক্রমাগত প্রবেশ করতে থাকলে স্থুলতা ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এসপার্টেম ব্রেন টিউমারের জন্যও দায়ী। সরবিটল ডায়রিয়া, বদহজম, গ্যাস-অম্বল এবং পেটব্যাথার মতো সমস্যা সৃষ্টি করে। টুথপেস্টের পলিইথিলিন গ্লাইকল হলো অত্যন্ত ক্ষতিকর প্লাস্টিক জাতীয় উপাদান। রসিদ ভাই এখন থেকে ঘুম থেকে উঠেই শরীরে বিষ ঢুকাবেন কিনা; সিন্ধান্ত যার যার। #রহস্য #একচোখ #জিন #ইবলিস #নিউওয়াল্ডঅডার #মাইন্ডকন্টো্রোল #ইলুমিনাতি #NWO #দাজ্জাল

অনেক দিন হয়ে গেলো টুথপেস্ট স্পর্শ করিনা। আলহামদুলিল্লাহ। যা বুঝলাম টুথপেস্ট আসলে বাহারি বিজ্ঞাপনের ব্রেইনওয়াশ পণ্য ছাড়া আর কিছুই নয়। শরীরে টক্সিন ঢুকানো আর স্রেফ কনজিউমার বানানো হলো উদ্দেশ্য। তাহলে বিকল্প কি? কমন প্রশ্ন। বিকল্প কি? আসলে বাহারি বিজ্ঞাপনের চোটে আমরা সরল পথ হারায়ে ফেলছি। এজন্য সহজ বিকল্পও খুজে পেতে সমস্যা হয়। বলে রাখা ভালো টুথপেস্টের বিকল্প দামি টুথপেষ্ট না। ইদানিং জনপ্রিয় ডাক্তার ও ইউটিউবাররা প্রাকৃতিক খাবারের বিকল্প ফুড সাপ্লিমেন্ট টাবলেট আর টুথপেস্টের বিকল্প দামি টুথপেস্টকে সামনে হাজির করে। এগুলো ভুল। তাহলে বিকল্প?? একের পর বিকল্প ট্রাই করা শুরু করি। ৭৫ গ্রাম টুথপেস্টের দাম ১০০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত যেগুলোতে টক্সিন নেই, প্রাকৃতিক ইত্যাদি বলা হয়। ইউরোপ আমেরিকার তৈরি। সমাধান মনে হয়নি। প্রথমত দাম। দ্বিতীয়ত হয়ত কম কিন্তু ক্ষতিকর কেমিক্যাল অবশ্যই আছে। মেসওয়াক পরিপূর্ণ প্রাকৃতিক সমাধান। কিন্তু অভ্যস্ত হতে পারিনি। কলকাতার জনপ্রিয় একজন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক বলেন লেবুর খোসা দিয়েই নিয়মিত দাঁতের পূর্ণ যত্ন সম্ভব। এটা মাঝে মাঝে করা যেতে পারে। কিন্তু সবসময় বাস্তবসম্মত মনে হয়নি। হলুদ, লবণ, বেকিং সোডা, লবঙ্গ, সরিষার তেল, নারিকেল তেল, লেবুর রস ইত্যাদি দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি করা মিশ্রন দিয়েও দারুন কার্যকরী বিকল্প তৈরি করা সম্ভব। কিন্তু এতো সময় কোথায়! রেডিমেড কিছু দরকার। চন্দন, পুদিনা, দারুচিনি, নিম ইত্যাদি প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি মিসওয়াক পাউডার বাজারে পাওয়া যায়। দাম খুব কম না। তবে ভালো সমাধান। মিসওয়াক অথবা টুথব্রাশ দিয়ে ব্যবহার করা যায়। ব্র্যাশ দিয়ে ট্রাই করা শুরু করি। ব্যাস! টুথপেস্ট আর স্পর্শ করতে হয়নি। টাকা থাকলে ভালো কনজিউমার হোন, সমস্যা নেই। কিন্তু জেনেশুনে কেনো শরীরে বিষ ঢুকাবেন? আর না জেনে থাকলে নিচের অংশ পড়ে নিন। ------------------------------ সংগৃহীত- সোডিয়াম লরেল সালফেট, ফ্লোরাইড, ট্রাইক্লোসান এবং আর্টিফিশিয়াল সুইটনার দিয়ে টুথপেস্ট বানানো হয়। টুথপেস্টের এসব কেমিক্যাল শরীরে প্রবেশ করে নানা নেতিবাচক রদবদল ঘটাতে শুরু করে। পেস্ট ফেনার সাথে মুখ থেকে ফেলে দিই আমরা। কিন্তু দাঁত মাজার সময়েই ক্ষতিকর কেমিক্যালস মুখ বেয়ে শরীরের অন্দর মহলে পৌঁছে যায়। টুথপেস্ট ব্রান্ডগুলো এমনভাবে ভিজ্যুয়াল গ্রাফিক্সের বিজ্ঞাপন প্রচার করে যা দেখে মনে হবে সব টুথপেষ্টই ওরাল হেলথের জন্য অত্যন্ত ভালো, অত্যন্ত দরকারী। বিজ্ঞাপন দেখে অনেকের ভুল ধারণা সৃষ্টি হয়– বেশি করে পেস্ট দিয়ে দাঁত মাজতে হবে। অথচ বাস্তবে দাঁত পরিষ্কার করে ব্রাশের ব্রিসল, পেস্ট সহায়ক। কিন্তু সহায়ক উপাদানের সাথে যে টক্সিন শরীরে প্রবেশ করে সেদিকে খেয়াল করে না কেউ। নামিদামি প্রায় সব ব্রান্ডের টুথপেস্টে কমবেশি মারাত্মক ক্ষতিকর সোডিয়াম ফ্লোরাইড, ট্রাইক্লোসান, সোডিয়াম লরেল সালফেট এবং স্যাকারিন থাকে। আমরা টুথপেস্টের বিজ্ঞাপন থেকে দাঁত নিয়ে যতরকম জ্ঞান অর্জন করেছি তা হলো– ফ্লোরাইড ক্যাভিটি থেকে সুরক্ষা দেয়, মাড়ি ভালো রাখে, ট্রাইক্লোসান মুখের সজীবতা বাড়ায়, অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্টস তাজা নিঃশ্বাস আনে ইত্যাদি। আশ্চর্যের বিষয় হলো এই ধারনা বাতিল হয়ে গেছে সেই ১৯৮৭ সালের দিকে! অথচ আমরা এখনো ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করছি! টুথপেস্টের রাসায়নিক উপাদানগুলো হলো– অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড, ক্যালসিয়াম হাইড্রোজেন ফসফেটস, ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, হাইড্রেটেড সিলিকা, হাইড্রোক্সাপাটাইট, সোডিয়াম ফ্লোরাইড, স্ট্যানাস ফ্লোরাইড, সোডিয়াম মনোফ্লুরোফসফেট, সোডিয়াম লরিল সালফেট (SLS), ট্রাইক্লোসান, জিঙ্ক ক্লোরাইড, ক্যালসিয়াম ফসফেট, গ্লিসারল, জাইলিটল, সরবিটল, পলিথিন গ্লাইকোল, প্রোপিলিন গ্লাইকল, স্ট্রনশিয়াম ক্লোরাইড, পটাসিয়াম নাইট্রেট, আরজিনাইন, সোডিয়াম পলিফসফেট, জিঙ্ক সাইট্রেট, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, সোডিয়াম স্যাকারিন সহ আরো অনেক রকম সিন্থেটিক কেমিক্যাল। ট্রাইক্লোসান, সোডিয়াম লরেল সালফেট (SLS) এবং সোডিয়াম লরেথ ইথার সালফেট (SLES) এই তিনটি কেমিক্যালই ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন (EU) ব্যান করেছে। • সোডিয়াম লরেল সালফেট সোডিয়াম লরেল সালফেট (SLS) বা সোডিয়াম লরেথ ইথার সালফেট (SLES) এর মতো সারফ্যাক্ট্যান্ট (ফেনা উৎপাদনকারী) যৌগ জিহ্বার ফসফোলিপিডগুলো ভেঙে মিষ্টি স্বাদ গ্রহণকারী রিসেপ্টরকে সাময়িক অকার্যকর করে দেয়। এদেশের অধিকাংশ টুথপেস্টেই বেশি মাত্রায় SLS থাকে। ফেনা সৃষ্টি করার জন্য সাবান, শ্যাম্পু এবং স্যানিটাইজারেও SLS ব্যবহার হয়। বেশ কিছু টুথপেস্টে ফেনা তৈরির জন্য SLS এর পাশাপাশি ডায়েথেনোলেমিন (DEA) থাকে। এই কেমিক্যালটির কারণে লিভার ও কিডনির সর্বনাশ হতে পারে। এটি শরীরে অনেকগুলো হরমোনের ক্ষরণ হতে বাধা দেয়। • ট্রাইক্লোসান

সাদা স্রাব: প্রত্যেক মেয়ের যা জানা দরকার । যদি ডিমের লালার মত হয় দুর্গন্ধ না হয় তাহলে এটা স্বাভাবিক এবং উপকারী ,এটি নারীর প্রজনন অঙ্গের পরিষ্কার থাকার একটি দারুণ উপায়। কিন্তু যদি আপনি লক্ষ করেন ,আপনার যোনি স্রাবের স্বাভাবিক ঘনত্ব, রঙ এবং গন্ধ পরিবর্তন হয়েছে, তখন আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিত। যদি, স্রাবটির– ★ রং পরিবর্তন হয়, ★ ঘনত্ব পরিবর্তিত, ★ দেখতে পনিরের মতো হয় বা মাছ ধোয়া পানির মত হয় বা দধির মত থকথকে হয় । ★ ফেনাযুক্ত হয়, ★ তীব্র গন্ধ থাকে বা মাছের মতো বা পচা গন্ধ হয়। এছাড়াও আপনি যদি যোনিতে চুলকানি, ফোলাভাব, জ্বালাপোড়া বা ব্যথা অনুভব করেন তবে আপনার অতিসত্বর ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে হবে। অস্বাভাবিক যোনি স্রাব হতে পারে ছত্রাক সংক্রমণ, যোনিতে প্রদাহ, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, ট্রাইকোমোনিয়াসিস, গনোরিয়া, ক্ল্যামিডিয়া, পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ (পিআইডি)-র কারণে। এমন সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। . 🔴 সতর্কতা: প্রতারকরা ফেসবুকে আমার ছবি এবং ভিডিও ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে। আমাদের মোবাইল নাম্বার হলো: 01972859950 ও 01712859950 , অন্য কোনো নাম্বার নাই। সতর্ক থাকবেন।

বিয়ের পর একটা বিশেষ চুক্তি করেছিলাম স্ত্রীর সঙ্গে — সে যতগুলো ইসলামিক বই পড়বে, প্রতি বইয়ের জন্য তাকে ৫০০ টাকা হাদিয়া দিবো। শর্ত একটাই — ঘুমানোর আগে বইয়ের মূল কথা (তালখিস) আমাকে শুনাতে হবে। শুরুতেই দেখলাম, মাত্র তিন মাসে স্ত্রী প্রায় ১১ হাজার টাকা নিয়ে নিলো। বইগুলো ছিলো সব তাঁর প্রিয়—ইমাম গাজ্জালী, ইবনে কাইয়্যিম, কিংবা সমসাময়িক ইসলামী সাহিত্য। আমি তো চিন্তায় পড়ে গেলাম! মাসিক বাজেটের তছনছ দশা! এভাবে চললে টাকাপয়সা সামলানো কঠিন হয়ে যাবে। চুক্তি বাতিলও করতে পারি না— কারণ "মুমিনের ওয়াদা ওয়াজিব!" তাই ডিলে কিছু পরিবর্তন আনলাম—একই লেখকের পাঁচটির বেশি বই টানা পড়া যাবে না। তাতেও মানিব্যাগ খুব একটা সুস্থ হলো না। অবশেষে একদিন বললাম— তোমার জন্য আজ ধামাকা অফার! একটি বই শেষ করতে পারলে পাবে একসাথে ৫০০০ টাকা! শুধু বইয়ের মূল বক্তব্যটা আমাকে জানাবে। স্ত্রী সানন্দে রাজি হলো। আমি হাতে ধরিয়ে দিলাম ইমাম গাজ্জালীর ‘ইহইয়াউ উলূমিদ্দীন’। আজ চার মাস ষোলো দিন পার হলো... স্ত্রী এখনও পড়ছে, আর আমি ভাবছি—জ্ঞানার্জনের এই প্রতিযোগিতা চলুক, এটাই হবে সংসারের সবচেয়ে বরকতময় সম্পদ ইন শা আল্লাহ। In sa allah one day 🌸🤲

মাখুল রহ. বলেন, ‎ ‎"মায়ের গর্ভে থাকা শিশু কখনও কিছু চায়না, সে দু:শ্চিন্তাও করেনা, কষ্টও পায়না। তবুও আল্লাহ তার নাভির (umbilical cord) মাধ্যমে তাকে রিযক সরবরাহ করেন। তার এই পুষ্টি সরবরাহ হয় মায়ের মাসিকের রক্ত হতে, যেকারণে গর্ভবতী মায়েদের মাসিক বন্ধ থাকে। বাচ্চা জন্মের পর কান্না করে, তার নাভিরজ্জু কেটে ফেলা হয়, তার রিযক মায়ের বুকে স্থানান্তরিত হয়। তারপর তার খাবার হয়, যা তার জন্য পরিবেশন করা হয় এবং সে হাত দ্বারা গ্রহণ করে। ‎ ‎তারপর যখন সে যুবক হয়, তার বুদ্ধি পরিপক্ক হয়, সে প্রশ্ন করতে থাকে, আমার রিযক আসবে কোথা থেকে? ‎ ‎নিজের দিকে তাকাও একবার! যখন তুমি মায়ের গর্ভে ছিলে, মায়ের কোলে ছিলে, তোমাকে রিযক সরবরাহ করা হত। আর এখন তুমি যুবক হয়েছ, বুদ্ধিমান হয়েছ, এখন তুমি প্রশ্ন করছ, ‎ ‎আমি চলব কেমনে? আমার রিযক আসবে কোথা থেকে?" ‎ ‎এ কথা বলার পর মাখুল রহ. তিলাওয়াত করলেন, ‎ ‎اَللّٰهُ یَعۡلَمُ مَا تَحۡمِلُ کُلُّ اُنۡثٰی وَ مَا تَغِیۡضُ الۡاَرۡحَامُ وَ مَا تَزۡدَادُ ؕ وَ کُلُّ شَیۡءٍ عِنۡدَهٗ بِمِقۡدَارٍ ‎ ‎আল্লাহ জানেন যা প্রতিটি নারী গর্ভে ধারণ করে এবং গর্ভাশয়ে যা কমে ও বাড়ে। আর তাঁর নিকট প্রতিটি বস্তু নির্দিষ্ট পরিমাণে রয়েছে। ‎ ‎(সূরাহ আর রাদ, ১৩:৮) ‎ ‎(উয়ুন আল আখবার, ইবন কুতাইবা) ‎ ‎#beneficial_knowledge ‎