ch
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

前往频道在 Telegram

🙂🙂🙂

显示更多
1 963
订阅者
+124 小时
-37 天
-1030 天
帖子存档
📣 প্যারেন্টিংয়ের এই সূক্ষ্ম কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনস্তাত্ত্বিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে জয়েন করুন আমাদের Kidora - Parenting Club ফেইসবুক গ্রুপে!

"তুই ছাড়া আমার আর কে আছে বাবা!"—নিজের জীবনের সব হতাশা আর প্রত্যাশার বোঝা বাচ্চার কাঁধে চাপানো কতটা টক্সিক? ...... সংসারে হয়তো অশান্তি চলছে, অথবা নিজের অপূর্ণ স্বপ্নগুলো নিয়ে আপনি চরম হতাশায় ভুগছেন। দিনশেষে ৬ বা ৭ বছরের ছোট্ট সন্তানকে বুকে জড়িয়ে আপনি হয়তো কেঁদে ফেললেন এবং বললেন, "আমার জীবনের সব কষ্ট শুধু তোর মুখটার দিকে তাকিয়ে সহ্য করছি রে! তুই ছাড়া এ পৃথিবীতে আমার আপন বলতে আর কেউ নেই।" শুনতে কথাটি মাতৃত্ব বা পিতৃত্বের চরম আত্মত্যাগের মতো মনে হলেও, শিশু মনোবিজ্ঞান এটিকে একটি ভয়ংকর মানসিক নির্যাতন বা 'ইমোশনাল অ্যাবিউজ' হিসেবে দেখে। আপনি হয়তো ভালোবাসার জায়গা থেকেই কথাটি বলছেন, কিন্তু এই একটি বাক্যের মাধ্যমে আপনি আপনার সন্তানের ছোট্ট কাঁধে এমন এক বিশাল পাহাড় চাপিয়ে দিচ্ছেন, যার ভারে তার পুরো শৈশবটাই পিষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কিডোরা স্মার্ট প্যারেন্টিং-এর আজকের এই অত্যন্ত গভীর এবং সেনসিটিভ আর্টিকেলে আমরা জানবো 'ইমোশনাল এনমেশমেন্ট' (Emotional Enmeshment) সম্পর্কে—কীভাবে বাবা-মায়েরা নিজেদের মানসিক শূন্যতা পূরণের জন্য সন্তানকে হাতিয়ার বানাচ্ছেন এবং এর ফলে বাচ্চার কী ভয়ংকর ক্ষতি হচ্ছে। ইমোশনাল এনমেশমেন্ট বা মানসিক নির্ভরতা কী? সহজ কথায়, বাবা-মা যখন নিজেদের জীবনের দুঃখ, দাম্পত্য কলহ বা হতাশা সামলাতে না পেরে সন্তানকে নিজেদের 'বেস্ট ফ্রেন্ড' বা 'থেরাপিস্ট' বানিয়ে ফেলেন, তখন তাকে ইমোশনাল এনমেশমেন্ট বলে। এখানে বাবা-মা এবং সন্তানের মধ্যকার সুস্থ বাউন্ডারি বা সীমানাটি পুরোপুরি মুছে যায়। সন্তান তখন আর সন্তান থাকে না, সে হয়ে যায় বাবা-মায়ের মানসিক আশ্রয়দাতা। এই 'ভালোবাসা' বাচ্চার মনে কী ভয়ংকর ক্ষতি করছে? আপনার বলা ওই আবেগপূর্ণ কথাগুলো বাচ্চার মস্তিষ্কে কীভাবে কাজ করে, তা জানলে আপনি শিউরে উঠবেন: ১. শৈশব চুরি হওয়া (Loss of Childhood): যে বয়সে বাচ্চার শুধু খেলাধুলা এবং নিজের জগৎ নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সেই বয়সে সে বাবা-মায়ের ইমোশনাল গার্ডিয়ান (Guardian) বা অভিভাবক হয়ে যায়। সে সারাক্ষণ টেনশনে থাকে—"আমি যদি এখন খেলতে যাই, তাহলে মা তো একা বসে কাঁদবে!" অন্য বাচ্চাদের মতো সে স্বাধীনভাবে হাসতে বা বাঁচতে ভুলে যায়। তার নিজের শৈশবটি চিরতরে হারিয়ে যায়। ২. গিল্ট ট্রিপ বা আজীবনের অপরাধবোধ (The Guilt Trap): বাচ্চারা খুব দ্রুত বুঝে যায় যে, বাবা-মায়ের সুখ বা বেঁচে থাকা সম্পূর্ণ তাদের ওপর নির্ভরশীল। বড় হয়ে এরা যদি পড়াশোনার জন্য বিদেশে যেতে চায় বা নিজের পছন্দে জীবনসঙ্গী বেছে নিতে চায়, তখন তাদের ভেতরে চরম অপরাধবোধ বা গিল্ট কাজ করে। তারা ভাবে, "আমি চলে গেলে মায়ের কী হবে?" নিজেদের সুখ বিসর্জন দিয়ে এরা বাবা-মায়ের কাছেই শেকলবদ্ধ হয়ে থাকে। ৩. ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রভাব (Toxic Future Relationships): যে শিশু ছোটবেলা থেকেই অন্যের মানসিক দায়িত্ব নিতে অভ্যস্ত হয়ে যায়, বড় হয়ে সে নিজের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও 'সেভিয়র কমপ্লেক্স' (Savior Complex)-এ ভোগে। এরা সবসময় এমন পার্টনার বা বন্ধু বেছে নেয়, যারা মানসিকভাবে দুর্বল বা টক্সিক, কারণ তারা মনে করে "অন্যকে উদ্ধার করাই আমার জীবনের একমাত্র কাজ।" নিজেদের জীবনে এরা কখনোই সুখী হতে পারে না। কীভাবে এই টক্সিক চক্র ভাঙবেন? (প্যারেন্টিং সলিউশন) আপনার জীবনের দুঃখ বা একাকিত্বের দায় আপনার সন্তানের নয়। তাকে সুস্থভাবে বড় করতে হলে এই মানসিক বাউন্ডারি তৈরি করা খুব জরুরি: ১. বড়দের সমস্যা বড়দের কাছে রাখুন (Adult Problems for Adults): দাম্পত্য কলহ, আর্থিক অনটন বা শাশুড়ির সাথে ঝগড়ার কথা কখনোই সন্তানের সাথে শেয়ার করবেন না। আপনার যদি কথা বলার মানুষের প্রয়োজন হয়, তবে নিজের বন্ধু, আত্মীয় বা একজন প্রফেশনাল থেরাপিস্টের সাহায্য নিন। বাচ্চার ছোট্ট মস্তিষ্ক বড়দের এই জটিল রাজনীতি বা ইমোশন প্রসেস করার জন্য তৈরি হয়নি। ২. সন্তানকে আপনার 'জীবনের একমাত্র লক্ষ্য' বানাবেন না: মাতৃত্ব বা পিতৃত্ব আপনার জীবনের একটি সুন্দর অংশ হতে পারে, কিন্তু এটাই যেন আপনার একমাত্র পরিচয় না হয়। নিজের জন্য আলাদা শখ, বন্ধু সার্কেল এবং জগৎ তৈরি করুন। আপনি মানসিকভাবে স্বাধীন থাকলেই আপনার সন্তান স্বাধীনভাবে বড় হওয়ার সুযোগ পাবে। ৩. নিঃশর্ত ভালোবাসার নিশ্চয়তা দিন: সন্তানকে বোঝান যে আপনি তাকে ভালোবাসেন ঠিকই, কিন্তু সে আপনার সুখের জন্য দায়ী নয়। ❌ ভুল কথা: "তুই ভালো রেজাল্ট না করলে আমার আর বেঁচে থেকে লাভ কী!" ✅ সঠিক কথা: "আমি তোকে অনেক ভালোবাসি। তুই যেমনই হোস না কেন, আমি নিজের যত্ন নিজেই নিতে পারব।" পরিশেষে আপনার সন্তান একটি স্বাধীন পাখি হিসেবে জন্ম নিয়েছে। আপনার জীবনের না-পাওয়া স্বপ্ন, একাকিত্ব বা হতাশার শেকল দিয়ে তাকে নিজের সাথে বেঁধে রাখবেন না। তাকে বাচ্চার মতো বাঁচতে দিন। একজন অসুখী এবং নির্ভরশীল বাবা-মায়ের চেয়ে একজন মানসিকভাবে শক্ত এবং নিজের সীমানা বজায় রাখা অভিভাবকই একটি শিশুর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

আপনার বাচ্চার জ্বর হলে কি করবেন। প্রপার গাইডলাইন দিচ্ছি- ১.জ্বর হলে বাচ্চাকে প্রচুর তরল খাবার খেতে দিন। এক্ষেত্রে পানি ও পানীয় জাতীয় খাবার যেমন স্যুপ, ফলের রস ইত্যাদি খাওয়াতে পারেন। ২.শরীরের তাপ কমানোর জন্য পানি দিয়ে গা মুছিয়ে দিন যা তাপমাত্রা দ্রুত কমাতে সাহায্য করবে। ৩.এখন বাচ্চার জ্বর হলে কিভাবে Paracetamol drop দিবেন চলেন শেখায়- ‎আপনি হিসাব করবেন প্রতি কেজিতে ৩ ফোঁটা। ধরেন আপনার বাবুর ওজন ৩ কেজি। তাহলে আপনি দিবেন ৯ ফোঁটা করে-৮ ঘন্টা পরপর। ‎Drop এর হিসাব তো বুঝলেন। তাহলে Paracetamol সিরাপ কিভাবে দিবেন চলেন শেখায়- আমরা সহজ হিসাব করবো 👉 ৮ কেজি ওজনে = ১ চামুচ (৫ ml) ✔️ বাচ্চার ওজন ৮ কেজি → দিবেন ১ চামুচ (৫ ml) ✔️ বাচ্চার ওজন ১৬ কেজি → দিবেন ২ চামুচ (১০ ml) এখন যদি ওজন ১২ কেজি হয়? 👉 ৮ কেজিতে ১ চামুচ, তাই ১২ কেজিতে = দেড় চামুচ (৭.৫ ml) আর যদি ওজন একটু কমবেশি হয় তাহলে কি করবেন? ✔️ ৭ কেজি → ৫ ml থেকে একটু কম ✔️ ৯ কেজি → ৫ ml থেকে একটু বেশি ✔️ ১১ কেজি → ৭.৫ ml থেকে একটু কম অর্থাৎ মনে রাখবেন 👉 ৮ কেজিতে ৫ ml এভাবে কাছাকাছি হিসাব করে সহজেই ডোজ ঠিক করা যায়। ৪.জ্বরের সময় বাচ্চাকে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ান। জ্বরের সময় বাচ্চাদের শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই শরীর নিরাময়ে স্বাস্থ্যকর খাবার জরুরি। স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি চিকেন স্যুপ, সবজির স্যুপ খেতে দিন। তবে এ সময় বেশি ঝাল-মসলাযুক্ত, চর্বিযুক্ত ও উচ্চ আঁশযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। -ডা. মাহাদী

ট্রাভেলের জন্য বেস্ট neck pillow আর eye mask কোথায় পাব?? নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সাজেস্ট করবেন। কাইন্ডলি দাম সহ উল্লেখ করবেন।

ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ) বলেন— শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রহিমাহুল্লাহ) যখন কোন বিপদ-আপদের সম্মুখীন হতেন, তখন "আয়াতুস সাকীনাহ" পাঠ করতেন। তিনি (রহি.) আরো বলেন, "কুরআনুল কারীমের ৬টি আয়াতে উক্ত "সাকীনাহ" নিহিত রয়েছে, আয়াতগুলো হলো— ١. وَقَالَ لَهُمْ نَبِيُّهُمْ إِنَّ ءَايَةَ مُلْكِهِۦٓ أَن يَأْتِيَكُمُ ٱلتَّابُوتُ فِيهِ سَكِينَةٌۭ مِّن رَّبِّكُمْ ১."আর, তাদের নবী তাদেরকে বলেছিলেন, তার রাজত্বের নিদর্শন এই যে, তোমাদের নিকট তাবূত আসবে, যাতে রয়েছে তোমাদের রবের নিকট হতে প্রশান্তি।" (সূরা আল-বাকারা, আয়াত : ২৪৮) ٢. ثُمَّ أَنزَلَ ٱللَّهُ سَكِينَتَهُۥ عَلَىٰ رَسُولِهِۦ وَعَلَى ٱلْمُؤْمِنِينَ ২."তারপর আল্লাহ্‌ তাঁর নিকট হতে তাঁর রাসূলের উপর ও মুমিনদের উপর প্রশান্তি নাযিল করেন।" (সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত : ২৬) ٣. إِذْ يَقُولُ لِصَـٰحِبِهِۦ لَا تَحْزَنْ إِنَّ ٱللَّهَ مَعَنَا ۖ فَأَنزَلَ ٱللَّهُ سَكِينَتَهُۥ عَلَيْهِ وَأَيَّدَهُۥ بِجُنُودٍۢ لَّمْ تَرَوْهَا ৩."তিনি (ﷺ) তখন তাঁরা সঙ্গীকে বলেছিলেন, ‘বিষন্ন হয়ো না, আল্লাহ তো আমাদের সাথে আছেন।’ অতঃপর, আল্লাহ্‌ তার উপর তাঁর প্রশান্তি নাযিল করেন এবং তাঁকে শক্তিশালী করেন এমন এক সৈন্যবাহিনী দ্বারা যা তোমরা দেখতে পাওনি।" (সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত : ৪০) ٤. هُوَ ٱلَّذِىٓ أَنزَلَ ٱلسَّكِينَةَ فِى قُلُوبِ ٱلْمُؤْمِنِينَ لِيَزْدَادُوٓا۟ إِيمَـٰنًۭا مَّعَ إِيمَـٰنِهِمْ ۗ وَلِلَّهِ جُنُودُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًۭا ৪."তিনিই মুমিনদের অন্তরে প্রশান্তি নাযিল করেছেন, যেন তারা তাদের ঈমানের সাথে ঈমান বৃদ্ধি করে নেয়। আর আসমানসমূহ ও যমীনের বাহিনীসমূহ আল্লাহরই এবং আল্লাহ্‌ হলেন সর্বজ্ঞ, হিকমতওয়ালা।" (সূরা আল-ফাতহ, আয়াত : ৪) ٥. لَّقَدْ رَضِىَ ٱللَّهُ عَنِ ٱلْمُؤْمِنِينَ إِذْ يُبَايِعُونَكَ تَحْتَ ٱلشَّجَرَةِ فَعَلِمَ مَا فِى قُلُوبِهِمْ فَأَنزَلَ ٱلسَّكِينَةَ عَلَيْهِمْ وَأَثَـٰبَهُمْ فَتْحًۭا قَرِيبًۭا ৫."অবশ্যই আল্লাহ মুমিনগণের উপর সন্তুষ্ট হয়েছেন, যখন তারা গাছের নীচে আপনার কাছে বাই’আত গ্ৰহণ করেছিল। অতঃপর, তাদের অন্তরে যা ছিল তা তিনি জেনে নিয়েছেন; ফলে তিনি তাদের উপর প্রশান্তি নাযিল করলেন এবং তাদেরকে আসন্ন বিজয়ে পুরস্কৃত করলেন।" (সূরা আল-ফাতহ, আয়াত : ১৮) ٦. إِذْ جَعَلَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ فِى قُلُوبِهِمُ ٱلْحَمِيَّةَ حَمِيَّةَ ٱلْجَـٰهِلِيَّةِ فَأَنزَلَ ٱللَّهُ سَكِينَتَهُۥ عَلَىٰ رَسُولِهِۦ وَعَلَى ٱلْمُؤْمِنِينَ ৬."যখন কা*ফিররা তাদের অন্তরে পোষন করেছিল গোত্রীয় অহমিকা --- অজ্ঞতার যুগের অহমিকা, তখন আল্লাহ্‌ তাঁর রাসূল ও মুমিনদের উপর স্বীয় প্রশান্তি নাযিল করলেন।" (সূরা আল-ফাতহ, আয়াত : ২৬) [সূত্র : মাদারিজুস সালিকীন, ২/৫০২]

পেট ফাঁপা হল ম‍্যাজিক থেরাপি!! ঈদের দিন নানা ধরনের খাবার খেয়ে পেট ফেঁপে আছে, অস্বস্তি লাগছে তারা এই ম‍্যাজিক থেরাপি পান করে ৫/৬ ঘন্টা কাটান গরম পানিতে লেবু, আদা ও পিংক সল্ট মিশিয়ে পান করা হজমশক্তি বৃদ্ধি, ওজন কমানো এবং শরীর ডিটক্স করতে অত্যন্ত কার্যকর। এটি বিপাক হার বাড়ায়, প্রদাহ কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। সকালে খালি পেটে বা ভারী খাবারের পর এটি খেলে দ্রুত পেট পরিষ্কার হয় এবং শরীর হাইড্রেটেড থাকে। উপকারি গরম পানিতে লেবু, আদা ও পিংক সল্ট মিশিয়ে পান করা হজমশক্তি বৃদ্ধি, ওজন কমানো এবং শরীর ডিটক্স করতে অত্যন্ত কার্যকর। এটি বিপাক হার বাড়ায়, প্রদাহ কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। সকালে খালি পেটে বা ভারী খাবারের পর এটি খেলে দ্রুত পেট পরিষ্কার হয় এবং শরীর হাইড্রেটেড থাকে। উপকারিতা ও প্রস্তুত প্রণালী: ওজন নিয়ন্ত্রণ ও হজম: আদার অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান এবং লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড দ্রুত চর্বি পোড়াতে এবং হজমের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। পানীয় তৈরির নিয়ম: এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চা চামচ লেবুর রস, আদার রস (বা সামান্য আদা কুচি) এবং এক চিমটি পিংক সল্ট মিশিয়ে নিন। সকালে নাস্তা খাওয়ার পরিবর্তে ৬ ঘন্টায় ২/৩ গ্লাস এই পানীয় পান করুন। আর কিছু খাবেন না। দুপুরে স্বাভাবিক খাবার খাবেন। এই ম‍্যাজিক থেরাপি আপনার পেট হালকা করে দিবে। #দেশজপ্যাথি #alamgiralam #lifestyle #wellbeing #ayurveda #আলমগীরআলম #naturelovers

সব মানুষই নিজের মতো বাঁচে, বাঁচতে চায় । কারো জীবন ভুলে ভরা, কারো কেটে যায় শুধরে নিতে বেলা, কারোটা না জেনেই কেটে যায় পড়ন্ত বেলা । তবুও মানুষ বাঁচে, প্রাণ যতক্ষণ আছে । দেহ বেঁচে থাকে, মন অনেক আগেই হয়তো মারা যায় । পাশেরজন হয়তো টের'ই পায় না, তার সাথে কাটিয়ে দেয়া বিশ বছরের মানুষটি অনেক আগেই মারা গেছে । মরে মরে মানুষটি জানান দিচ্ছিল দেহটা এখনো আছে । জগতের সবচেয়ে বড় অত্যাচার নিজের মতো থাকতে না পারা । কিন্তু ক' জন বুঝে, একজনের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়া মানে তার বাতাসটুকুও কেড়ে নেয়া । মন মরে যাওয়া মানুষগুলো বেঁচে থাকতে একটা নিয়ম বানিয়ে নেয় । তারা জানে না দেহটাকে কিভাবে থামিয়ে দিতে হয়, যদিও তারা জানে তারা অনেক আগেই মারা গেছে মনে মনে । জীবন ঘুরে ফিরে একটি চলমান উপন্যাস । সেখানে অন্ধকার থাকে, আলো থাকে, রঙিন সময় থাকে, কপাট বন্ধ করে কষ্টের জল পড়া থাকে । কেবল ভেতরে উঁকি দেবার কেউ থাকে না তাদের । মানুষ বাঁচে অনেক পরিচয়ে । কাজে, সফলতায়, ভোগে, ব্যর্থতায় । কিন্তু কেউ জানে না সবচেয়ে বড় মৃত্যুটা তাদের আগেই ঘটে গেছে ভিতরে । কেউ জানতেও পারে না, কেউ শোকও করে না, কারণ জানে পাশের মানুষটি তো দিব্যি হাসছে, কাজ করছে, বেঁচে আছে ! জীবন শেষ হয় নিঃশ্বাস থামলে নয়, জীবন শেষ হয় নিজের মতো করে বাঁচার ইচ্ছেটুকু নিঃশব্দে মরে গেলে । - অপূর্ব চৌধুরী

photo content

উপরোক্ত হাদিস দিয়ে বুঝা গেলো, মেহেদী ব্যবহার করা এটা মহিলাদের সাজ। আর মহিলাদের সাজে সজ্জিত হওয়া পুরুষের জন্য হারাম। ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمُتَشَبِّهِينَ مِنَ الرِّجَالِ بِالنِّسَاءِ وَالْمُتَشَبِّهَاتِ مِنَ النِّسَاءِ بِالرِّجَالِ‏ ‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ সব পুরুষকে লা’নত করেছেন। যারা নারীর বেশ ধারণ করে এবং ঐসব নারীকে যারা পুরুষের বেশ ধারণ করে।’ [সহিহ বুখারী হা-৫৪৬৫] • অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে أن امرأة أتت عائشة رضي الله عنها فسألتها عن خضاب الحناء فقالت لا بأس به ولكني أكرهه كان حبيبي [ رسول الله ] صلى الله عليه و سلم يكره ريحه এক মহিলা হযরত আয়শা রা. এর কাছে মেহেদি লাগানো বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি জবাবে বলেন, এতে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু রাসূল সা. মেহেদির ঘ্রাণ অপছন্দ করতেন। {সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-৪১৬৪} • ফাতাওয়ায়ে শামিতে এসেছে,‘পুরুষ তার হাতে ও পায়ে মেহেদি লাগাতে পারবে না। কারণ এতে মহিলাদের সাথে সাদৃশ্যতা পাওয়া যাওয়ার কারণে তা মাকরুহ।’ [ফাতাওয়ায়ে শামি ৬/৪২২] মিরকাতুল মাফাতিহে এসেছে,‘নারীদের জন্য হাত ও পায়ে মেহেদি লাগানো মুস্তাহাব।’ [মিরকাতুল মাফাতিহ ৮/৩০৪] ফাতাওয়ায়ে আলমগীরিতে এসেছে, ‘বিনাপ্রয়োজনে ছেলে বাচ্চাদের হাতে ও পায়ে মেহেদি লাগানো জায়েয নয়। অবশ্য মেয়েরা ছোট হোক বড় হোক সৌন্দর্যের জন্য তাদের সকল অঙ্গে মেহেদী লাগাতে পারবে। এতে কোনো সমস্যা নেই৷’ [ফতওয়া হিন্দিয়া ৫/৩৫৯] • পুরুষদের জন্য চুল ও দাঁড়িতে ব্যবহার করা যাবে তবে পুরুষেরা চুল ও দাঁড়িতে মেহেদী ব্যবহার করতে পারবে। কারণ হাদিস শরীফে হযরত আবু যার রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘যেসব জিনিস দিয়ে তোমরা বার্ধক্যকে পরিবর্তন করতে পারো তার মধ্যে মেহেদি ও কাতাম হলো সর্বোত্তম।’ [সুনানে নাসাঈ হাদিস: ৫০৭৮ আবু দাউদ: ৪২০৫ তিরমিযি: ১৭৫৩ ] • চিকিৎসার জন্য মেহেদি ব্যবহার বৈধ: তবে যদি কোন অসুস্থতার চিকিৎসার জন্য হয়ে থাকে, তাহলে পুরুষের জন্য মেহেদী ব্যবহার করা জায়েজ আছে। কারণ হাদিস শরীফে এসেছে, ‘আলী ইবনু উবাইদুল্লাহ রহ. হতে তার দাদীর সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সেবিকা ছিলেন। তিনি বলেন,‘যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দেহে কোন তলোয়ার বা দা-এর আঘাতে ক্ষত হতো, তিনি তাতে মেহেদী লাগানোর জন্য আমাকে নির্দেশ দিতেন।’ [জামে তিরমিযি-২০৫৪] এজন্য ইমাম নববী রহ. বলেন, ‘মেহেদী পুরুষের জন্য ব্যবহার করা হারাম। তবে অসুস্থতা ও এ ধরণের অন্যান্য কোনো কারণে বৈধ।’ [আল মাজমুউ শরহুল মুহায্যাব ১/২৯৪] • মেহেদী লাগানোর পর অযু করলে অযু হবে কি? আমাদের দেশে বাজারে যেসব মেহেদীর প্রচলন রয়েছে যেমন গোল্ড মেহেদী বা টিউব মেহেদী এগুলো ব্যবহার করা জায়েয। এবং এগুলো ব্যবহার করে প্রলেপ উঠিয়ে ফেলার পর অযু-গোসল সবই সহীহ হবে। কেননা এ মেহেদী লাগানোর পর শরীরে যে রঙ অবশিষ্ট থাকে যার কোনো কোনোটিতে পরবর্তীতে আবরণের মতো উঠে তা আমাদের জানামতে চামড়ায় পানি পৌঁছার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক নয়। তাই এগুলো ব্যবহার করতে সমস্যা নেই। তবে যেসব মেহেদি চামড়ায় পানি পৌঁছার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক হয় সেগুলো ব্যবহার করা যাবে না। [শরহুল মুনয়া ৪৮; রদ্দুল মুহতার ১/১৫৪] সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ৪৮৯০; ফাতহুল বারী ১০/৩৬৭; রদ্দুল মুহতার ৬/৪২২; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ৪/৩৭৩; সহীহ মুসলিম ২/১৯৯, আল মাওসুআতুল ফিকহিয়্যাহ ২/৩৬৬, ফাতাওয়া খানিয়া আলা হামিশি হিন্দিয়া ৩/৪১৩; রদ্দুর মুহতার ৯/৫২২। Khairul Islam 22/12/2022 হানাফী ফিকহ-Hanafi Fiqh

পুরুষদের জন্য মেহেদি ব্যবহার প্রসঙ্গ ইসলামি শরিয়তে মেয়েদের জন্য মেহেদি ব্যবহারের বিষয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। মেয়েদের জন্য পায়ে মেহেদী ব্যবহার করাও জায়েয, আদব পরিপন্থী নয়। অনেকেই মেয়েদের পায়ে মেহেদি ব্যবহার করা নিয়ে আপত্তি করে থাকেন। তাদের এসব আপত্তি ঠিক নয়। আর পুরুষদের জন্য হাতে-পায়ে মেহেদী ব্যবহার করা জায়েয নেই। তবে তারা চুল ও দাড়িতে ব্যবহার করতে পারবে। তবে বর্তমান সমাজে ধর্মীয় শিক্ষা ও মূল্যবোধের অভাবে মেহেদির ব্যবহার ব্যাপকভাবে পুরুষদের হাতসহ বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে পরিলক্ষিত হচ্ছে। যেটা কখনোই কাম্য ছিল না। শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে পুরুষদের জন্য বিয়ের সময়ও হাতে-পায়ে মেহেদী ব্যবহার করা জায়েয নেই। বরং সাজ-সজ্জার উদ্দেশ্যে তারা কখনও হাতে-পায়ে মেহেদী লাগাতে পারবে না। কারণ এটা এক ধরনের রঙ। আর পুরুষদের জন্য রঙ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। এমনকি ছোট ছেলে বাচ্চাদের জন্যও এটি নিষিদ্ধ। • হাদিসে ইরশাদ হয়েছে عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم طيب الرجال ما ظهر ريحه وخفي لونه وطيب النساء ما ظهر لونه وخفي ريحه ‘আবু হুরাইরাহ রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, পুরুষের সুগন্ধি এমন হবে যার সুগন্ধি প্রকাশ পায় কিন্তু রঙ গোপন থাকে এবং নারীর সুগন্ধি এমন হবে যার রঙ প্রকাশ পায় কিন্তু সুগন্ধি গোপন থাকে। (তিরমিযী হাদীস নং ২৭৮৭) হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী, পুরুষ সাজসজ্জার জন্য রং ব্যবহার করতে পারবে না। আরো একাধিক হাদিসে অঙ্গসজ্জার জন্য পুরুষকে রং ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে। বরং তারা এমন প্রসাধনী ব্যবহার করবে যার ঘ্রান রয়েছে কিন্ত রঙ থাকবে না। যেমন আতর ইত্যাদি। আর নারীরা এমন প্রসাধনী ব্যবহার করবে যার রঙ থাকবে কিন্তু ঘ্রান থাকবে না। যেমন জাফরান, মেহেদি ইত্যাদি। তবে পুরুষ চুল ও দাঁড়িতে মেহেদি ব্যবহার করতে পারবে। একইভাবে চিকিৎসার প্রয়োজনে পুরুষ মেহেদি ব্যবহার করতে পারবে—সেটা যে অঙ্গেই হোক না কেন। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ২৩৪১; রদ্দুল মুহতার : ৬/৪২২) • হযরত আবু হুরাইরাহ রাযি.থেকে বর্ণিত, عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أُتِيَ بِمُخَنَّثٍ قَدْ خَضَبَ يَدَيْهِ وَرِجْلَيْهِ بِالْحِنَّاءِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏’’ مَا بَالُ هَذَا ‏ فَقِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ يَتَشَبَّهُ بِالنِّسَاءِ ‏.‏ فَأُمِرَ بِهِ فَنُفِيَ إِلَى النَّقِيعِ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلاَ نَقْتُلُهُ فَقَالَ ‏ إِنِّي نُهِيتُ عَنْ قَتْلِ الْمُصَلِّينَ ‏‘‘ ‘কোন একদিন এক হিজড়াকে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট আনা হলো। তার হাত-পা মেহেদী দ্বারা রাঙ্গানো ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ এর এ অবস্থা কেনো? বলা হলো, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! সে নারীর বেশ ধরেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে আন-নাকী নামক স্থানে নির্বাসন দেয়ার নির্দেশ দিলেন। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি তাকে হত্য| করবো না? তিনি বললেন, সালাত আদায়কারীদের হত্য| করতে আমাকে নিষেধ করা হয়েছে।’ [সুনানে আবু দাউদ- ৪৯২৮] বর্ণানাকারী আবু- উসামাহ বলেন, আন-নাফী’ হলো মাদীনাহ্‌ এর প্রান্তবর্তী একটি জনপদ, এটা বাকী’ নয়। এই হাদিস থেকে জানা যায় যে, মেহেদি লাগানো নারীদের সৌন্দর্য ও বেশভূষা। পুরুষদের জন্য এটি অনুমোদিত নয়। এই নিষেধাজ্ঞা অন্য একটি হাদীস দ্বারাও সমর্থন করা হয়েছে। • যেমন হযরত আনাস রাযি.থেকে বর্ণিতঃ নবী কারিম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম পুরুষদের জাফরানী রং লাগাতে (ও জাফরানি রংয়ের কাপড় পরতে) নিষেধ করেছেন। [বুখারী- ৫৮৪৬, মুসলিম-২১০১, আহমাদ ১২৯৪১] হাফিজ ইবনে হাজার রহ. লিখেছেন: ‘পুরুষদের জন্য তাদের হাত-পা রং করা হারাম, তবে মেহেদি ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে।’ [ফাতহুল বারী ১০/৩৬৭] • মেহেদীর সাজ মহিলাদের সাজ। হাদিস শরীফে এসেছে, عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، قَالَتْ: أَوْمَتْ امْرَأَةٌ مِنْ وَرَاءِ سِتْرٍ بِيَدِهَا، كِتَابٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَبَضَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَهُ، فَقَالَ: مَا أَدْرِي أَيَدُ رَجُلٍ، أَمْ يَدُ امْرَأَةٍ؟ قَالَتْ: بَلِ امْرَأَةٌ، قَالَ: لَوْ كُنْتِ امْرَأَةً لَغَيَّرْتِ أَظْفَارَكِ يَعْنِي بِالْحِنَّاءِ ‘হযরত আয়েশা রা. সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক মহিলা পর্দার আড়াল থেকে একটি কিতাব হাতে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দিকে বাড়িয়ে দিলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাত না বাড়িয়ে বললেনঃ আমি বুঝতে পারছি না এটা কোনো পুরুষের হাত না কি নারীর হাত? সে বললো, বরং নারীর হাত। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি মহিলা হলে অবশ্যই তোমার নখগুলো মেহেদীর রঙ দ্বারা রঞ্জিত করতে। [সুনানে আবু দাউদ-৪১৬৬]

পুরুষের হাত পায়ে মেহেদি লাগানো জায়েয নেই। এমনিভাবে নাবালেগ ছেলের হাত পায়ে মেহেদি লাগানোও নিষেধ। খোলাসাতুল ফাতাওয়া ৪/৩৭৩, ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১৮/১০৯

- Reinoculate ভালো ব্যাকটেরিয়া ফিরিয়ে আনুন। প্রোবায়োটিক (টক দই, কেফির, ফারমেন্টেড ফুড) ও প্রিবায়োটিক (কলা, রসুন, পেঁয়াজ, ফল, শাকসবজি, হোলগ্রেইন, বাদাম, বীজ) খান। প্রোবায়োটিক ভালো ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়, আর প্রিবায়োটিক ভালো ব্যাকটেরিয়াদের বেঁচে থাকার খাবার। - Relax স্ট্রেস কমান। ব্রিদিং এক্সারসাইজ, মেডিটেশন করুন। ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমান। ঘুম হলো গাটের প্রধান মেরামতের সময়। রাত জাগা বা অপর্যাপ্ত ঘুম সরাসরি অন্ত্রের দেয়ালের ক্ষতি এবং প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়াও, এই প্রটোকলে আরো কিছু সহজ অভ্যাস রয়েছে— - Hydration পানি হলো শরীরের প্রাকৃতিক ডিটক্সিফায়ার। পর্যাপ্ত পানি পান করা লিভার ও কিডনিকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে, যা ত্বকের উপর চাপ কমায়। - Regular Exercise নিয়মিত ব্যায়াম রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে, স্ট্রেস হরমোন (কর্টিসল) কমায় এবং স্বাভাবিক মলত্যাগে সাহায্য করে। এই সবকটিই অন্ত্র ও ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। - Patience অন্ত্র মেরামত এবং ত্বকের উন্নতি হতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস, এমনকি বছরও লাগতে পারে। কিন্তু সময় লাগা মানে এই না যে, আপনি সুস্থ হবেন না বা এই প্রটোকল কার্যকর না। মনে রাখা জরুরি যে, এটি একটি জার্নি, ইন্সট্যান্ট সমাধান না! আপনার অসুস্থতা অনুযায়ী চিকিৎসা ও সমাধান পেতে প্রয়োজনে একজন প্রাকৃতিক চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ এর শরনাপন্ন হোন। Mission: Captain Green 📺 Youtube- @missioncaptaingreen 💻 Facebook Page- @missioncaptaingreen 📱 Facebook ID- @thecaptaingreen 🟢 Whatsapp- wa.me/8801768788932 📱 Instagram- @missioncaptaingreen 📱 Upscrolled- @missioncaptaingreen

কেন কৈশোর পেরিয়ে যাওয়ার পরও আপনার মুখে ব্রণ উঠেই চলেছে? কেন ক্রিম, মলম, ফেসওয়াশ ব্যবহার করেও আপনার অ্যাকনি, একজিমা, সোরিয়াসিস, চুলকানি সারছে না? যদি মনে করেন এসব আপনার ত্বকের দোষ, তার মানে আপনি নিজের দেহ সম্পর্কে কিছুই জানেন না! সবাই ত্বকের সমস্যাকে শুধু ত্বকের সমস্যা হিসেবেই ভাবে। কিন্তু আসলে আপনার মুখে ব্রণ ওঠা, ত্বকে চুলকানি, একজিমা দেখা দেওয়া, কিংবা সোরিয়াসিসের মতো অটোইমিউন সমস্যা এগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সূত্রপাত হয় পেটের ভেতরে! বলা যেতে পারে, আপনার ত্বক আসলে আপনার পেটের ডিসপ্লে স্ক্রিন! ভেতরে কী ঘটছে, তা সবার আগে ত্বকেই প্রকাশ পায়! এই কানেকশনকে বলা হয় 'গাট-স্কিন এক্সিস'। অন্ত্র (Gut) হলো শরীরের ফিল্টার ফ্যাক্টরি ও প্রধান বর্জ্য নিষ্কাশন কেন্দ্র। এর কাজ ভালো জিনিস রক্তে পাঠানো, আর খারাপ জিনিস শরীর থেকে বের করে দেওয়া। রক্ত হলো শরীরের ভেতরের নদী। এই নদী ফ্যাক্টরি থেকে পুষ্টি নিয়ে যায় এবং বর্জ্য বয়ে নিয়ে আসে। ত্বক হলো শরীরের সবচেয়ে বড় নিষ্কাশন পথ (Largest Elimination Organ)। যখন লিভার ও অন্ত্র ঠিকমতো বর্জ্য সামলাতে পারে না, তখন তা ত্বকের মাধ্যমেই ঠেলে বের হয়, ফলে তৈরি হয় ইনফ্লামেশন, ব্রণ, র‍্যাশ ইত্যাদি। সমস্যা শুরু হয়, যখন অন্ত্রের দেয়াল (Gut Barrier) বিধ্বস্ত হয়। স্ট্রেস, প্রসেসড ফুড, রিফাইন্ড তেল, ঘুমের অভাব, অ্যান্টিবায়োটিক এসব কারণে অন্ত্রের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে intestinal permeability বাড়ে (একে লিকি গাট নামেও বলা হয়)। ফলে হজম না হওয়া খাদ্য, টক্সিন, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, বর্জ্য সরাসরি রক্তে ঢুকে টক্সিন ওভারলোড ঘটায়! তখন লিভার এই বি/ষ পরিষ্কার করতে গিয়ে হাঁপিয়ে ওঠে। লিভার যখন টক্সিন পরিষ্কার করে কুলিয়ে উঠতে পারে না, তখন শরীর তার সবচেয়ে বড় নিষ্কাশন পথ ত্বক দিয়ে ঘাম ও তৈলাক্ত পদার্থর সঙ্গে রক্তের টক্সিন বাইরে পুশ করে দিতে চায়! আর এই পুশ করার সময়ই ত্বকে সৃষ্টি হয় অসহ্য ইনফ্লামেশন! যাকে বাইরে থেকে ব্রণ, লাল চাকা চাকা একজিমা, সোরিয়াসিস, চুলকানি ইত্যাদি রুপে দেখা যায়! আপনার ত্বকের প্রতিটি সমস্যার ধরনের সঙ্গে পেটের গন্ডগোলের একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্ন আছে— - ব্রণ (Acne) এর কারণ হতে পারে গাট মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্যহীনতা (Dysbiosis), ইনসুলিন স্পাইক, ইনফ্লামেশন। পেটের ভালো-খারাপ ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্যহীনতা, অর্থাৎ পেটের ভেতরে খারাপ ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বেড়ে গেলে মুখে ব্রণ দেখা যায়। - একজিমা এর কারণ হতে পারে লিকি গাট, ইমিউন সিস্টেমের অতিপ্রতিক্রিয়া। হজম না হওয়া খাবার রক্তে ঢুকে ইমিউন সিস্টেমকে উত্তেজিত করে তোলে। এই উত্তেজনা ত্বকে চুলকানি, শুষ্কতা ও লালচে ভাব তৈরি করে। - সোরিয়াসিস এর কারণ হতে পারে অটোইমিউন প্রতিক্রিয়া, অন্ত্রের ইনফ্লামেশন ও মাইক্রোবায়োম বিপর্যয়। অটো-ইমিউন ডিজঅর্ডারে আপনার শরীরের ইমিউন সিস্টেম ভুল করে ত্বকের কোষকেই আক্রমণ করে। বেশিরভাগ অটো-ইমিউন সমস্যা শুরু হয় পেটের সেই লিকি গাট থেকেই! বাইরে কৃত্রিম ক্রিম, লোশন, মলম মাখলে ক্ষতি ছাড়া, লাভ নেই! স্কিন ডিজিজ কোনো অভিশাপ না, এটা আপনার শরীরের হিলিং রেসপন্স। আপনার ত্বককে সুন্দর, মসৃণ ও উজ্জ্বল করতে হলে দেহের সেই ফিল্টার ফ্যাক্টরি অন্ত্রকে ঠিক করাই একমাত্র উপায়। আপনার ত্বকে সব সমস্যা চিরতরে ঠিক হয়ে যাবে, এজন্য শুধু আপনার ভেতরটা ঠিক করতে হবে! ত্বক সুস্থ করতে হলে 'গাট হিলিং প্রটোকল' প্রয়োজন। এমন একটা উত্তম প্রটোকল হলো '4R Healing' (remove, repair, reinoculate, relax)— - Remove সব ক্ষতিকর, অপ্রাকৃতিক জিনিস বাদ দিন। ময়দা, চিনি, প্রসেসড ফুড, রিফাইন্ড অয়েল (পাম, সয়াবিন, সানফ্লাওয়ার, কর্ন, রাইস ব্র্যান), বাইরের ভাজাপোড়া এগুলো পেটের খারাপ ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়, ইনফ্লামেশন ও লিকি গাট তৈরি করে। অনেকের ক্ষেত্রে দুগ্ধজাত খাদ্য ও আটা, ময়দা ত্বকের প্রদাহ বাড়ায়। প্রয়োজনে ৩–৪ সপ্তাহ ডায়েটে গ্লুটেন ও ডেইরি পুরোপুরি বাদ দিয়ে শরীরের অবস্থা দেখুন। - Repair অন্ত্রের দেয়াল মেরামত করুন। অন্ত্রের জন্য গ্লুটামিন একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যামিনো অ্যাসিড। এটি অন্ত্রের কোষগুলোর জন্য জ্বালানি হিসেবে কাজ করতে পারে এবং অন্ত্রের দেয়ালের কোষ মেরামতে সহায়তা করে। লাল মাংসে ভালো পরিমাণে গ্লুটামিনসহ বিভিন্ন অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, কারণ এটি একটি কমপ্লিট প্রোটিন সোর্স। তবে মাছ, ডিম, দুধ, মুরগি এবং কিছু উদ্ভিজ্জ খাবারেও (যেমন বাঁধাকপি) এটি পাওয়া যায়।হাড়ের স্যুপে (বোন ব্রোথ) থাকা কোলাজেন ও গ্লুটামিন অন্ত্রের ক্ষতিগ্রস্ত দেয়াল মেরামতের জন্য সেরা। কোলাজেন, ওমেগা-৩, জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খান। ভিটামিন ডি পেতে রোদে যান। এখানে বলে রাখি, চিনি বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্যের নেশা থাকলে আপনি যখন পর্যাপ্ত ফার্স্ট ক্লাস প্রোটিন ও হেলদি ফ্যাট খাবেন তখন নেশা চলে যাবে।

অর্থ: হে আমাদের রব, আপনার রাসুলদের মাধ্যমে আপনি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা আমাদেরকে দান করুন। (সূরা আলে ইমরান ৩:১৯৪) ৩৪ আরবি: وَلَا تُخْزِنَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ উচ্চারণ: ওয়ালা তুখযিনা ইয়াওমাল কিয়ামাহ অর্থ: এবং কিয়ামতের দিন আমাদের অপমানিত করবেন না। (সূরা আলে ইমরান ৩:১৯৪) ৩৫ আরবি: رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَتَوَفَّنَا مُسْلِمِينَ উচ্চারণ: রব্বানা আফরিগ ‘আলাইনা সাবরান ওয়া তাওয়াফ্ফানা মুসলিমীন অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের উপর ধৈর্য ঢেলে দিন এবং আমাদেরকে মুসলিম হিসেবে মৃত্যু দিন। (সূরা আল-আরাফ ৭:১২৬) ৩৬ আরবি: رَبِّ نَجِّنِي مِنَ الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ উচ্চারণ: রব্বি নাজ্জিনি মিনাল কওমিজ্জালিমিন অর্থ: হে আমার রব, আমাকে জালিম সম্প্রদায় থেকে রক্ষা করুন। (সূরা আল-কাসাস ২৮:২১) ৩৭ আরবি: رَبِّ أَنزِلْنِي مُنْزَلًا مُّبَارَكًا উচ্চারণ: রব্বি আনযিলনি মুনযালাম মুবারাকা অর্থ: হে আমার রব, আমাকে বরকতময় স্থানে অবতরণ করান। (সূরা আল-মুমিনুন ২৩:২৯) ৩৮ আরবি: رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ উচ্চারণ: রব্বি আউযু বিকা মিন হামাযাতিশ শাইয়াতীন অর্থ: হে আমার রব, আমি শয়তানদের কুমন্ত্রণা থেকে আপনার আশ্রয় চাই। (সূরা আল-মুমিনুন ২৩:৯৭) ৩৯ আরবি: وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَن يَحْضُرُونِ উচ্চারণ: ওয়া আউযু বিকা রব্বি আইয়্যাহদুরুন অর্থ: এবং হে আমার রব, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই যেন তারা আমার কাছে উপস্থিত না হয়। (সূরা আল-মুমিনুন ২৩:৯৮) ৪০ আরবি: رَبِّ أَوْزِعْنِي أَنْ أَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِي أَنْعَمْتَ عَلَيَّ উচ্চারণ: রব্বি আওযি‘নি আন আশকুরা নি‘মাতাকাল্লাতি আন‘আমতা আলাইয়্যা অর্থ: হে আমার রব, আমাকে অনুপ্রাণিত করুন যাতে আমি আপনার সেই নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা আদায় করতে পারি যা আপনি আমাকে দান করেছেন। (সূরা আন-নামল ২৭:১৯) আমিন।

(২:২৫০) ১৮. ক্ষমা ও রহমতের দোয়া আরবি: رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا উচ্চারণ: রব্বানাগফির লানা জুনুবানা অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের গুনাহ ক্ষমা করুন। (৩:১৬) ১৯. হৃদয়ে ঈমান স্থির রাখার দোয়া আরবি: رَبَّنَا لَا تَجْعَلْ فِي قُلُوبِنَا غِلًّا لِّلَّذِينَ آمَنُوا উচ্চারণ: রব্বানা লা তাজআল ফি কুলুবিনা গিল্লান লিল্লাজিনা আমানু অর্থ: হে আমাদের রব, ঈমানদারদের প্রতি আমাদের অন্তরে কোনো বিদ্বেষ রাখবেন না। (৫৯:১০) ২০. উত্তম পরিণতির দোয়া আরবি: تَوَفَّنِي مُسْلِمًا وَأَلْحِقْنِي بِالصَّالِحِينَ উচ্চারণ: তাওয়াফফানি মুসলিমা ওয়া আলহিকনি বিস সালিহীন অর্থ: আমাকে মুসলিম অবস্থায় মৃত্যু দিন এবং আমাকে সৎ লোকদের সাথে মিলিয়ে দিন। (১২:১০১) কোরআনের দোয়া (২১–৩০) ২১ আরবি: رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا ۖ إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ উচ্চারণ: রব্বানা তাকাব্বাল মিন্না, ইন্নাকা আন্তাস সামীউল আলীম অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের কাছ থেকে (এ আমল) কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। (সূরা আল-বাকারা ২:১২৭) ২২ আরবি: رَبَّنَا وَاجْعَلْنَا مُسْلِمَيْنِ لَكَ وَمِن ذُرِّيَّتِنَا أُمَّةً مُّسْلِمَةً لَّكَ উচ্চারণ: রব্বানা ওয়াজআলনা মুসলিমাইনি লাকা ওয়া মিন যুররিয়্যাতিনা উম্মাতাম মুসলিমাতাল্লাক অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদেরকে আপনার অনুগত মুসলিম বানান এবং আমাদের বংশধরদের মধ্য থেকেও একটি অনুগত জাতি বানান। (সূরা আল-বাকারা ২:১২৮) ২৩ ইস্তিগফারের দোয়া (রিজিক বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ) আরবি: رَّبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ উচ্চারণ: Rabbi ighfir lī wa tub ‘alayya innaka anta at-tawwābur-rahīm. অর্থ: হে আমার প্রতিপালক, আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তওবা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি তওবা গ্রহণকারী, পরম দয়ালু। 📖 ধারণাটি এসেছে Qur'an-এর Surah Nuh (৭১:১০-১২) থেকে, যেখানে বলা হয়েছে ইস্তিগফার করলে আল্লাহ রিজিক বৃদ্ধি করেন।: ২৪ আরবি: رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا উচ্চারণ: রব্বানা লা তুযিগ কুলুবানা বা‘দা ইয হাদাইতানা অর্থ: হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে হেদায়েত দেওয়ার পর আমাদের হৃদয়কে বক্র করবেন না। (সূরা আলে ইমরান ৩:৮) ২৫ আরবি: رَبَّنَا إِنَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا উচ্চারণ: রব্বানা ইন্নানা আমান্না ফাগফির লানা জুনুবানা অর্থ: হে আমাদের রব, আমরা ঈমান এনেছি; অতএব আমাদের গুনাহ ক্ষমা করুন। (সূরা আলে ইমরান ৩:১৬) ২৬ আরবি: رَبَّنَا آمَنَّا بِمَا أَنزَلْتَ وَاتَّبَعْنَا الرَّسُولَ উচ্চারণ: রব্বানা আমান্না বিমা আনযালতা ওয়াত্তাবা‘নার রাসূল অর্থ: হে আমাদের রব, আপনি যা নাযিল করেছেন আমরা তাতে ঈমান এনেছি এবং আমরা রাসুলের অনুসরণ করেছি। (সূরা আলে ইমরান ৩:৫৩) ২৭ আরবি: رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَإِسْرَافَنَا فِي أَمْرِنَا উচ্চারণ: রব্বানাগফির লানা জুনুবানা ওয়া ইসরাফানা ফি আমরিনা অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের গুনাহ এবং আমাদের কাজে সীমালঙ্ঘন ক্ষমা করুন। (সূরা আলে ইমরান ৩:১৪৭) ২৮ আরবি: رَبَّنَا مَا خَلَقْتَ هَٰذَا بَاطِلًا سُبْحَانَكَ فَقِنَا عَذَابَ النَّارِ উচ্চারণ: রব্বানা মা খালাকতা হাযা বাতিলা সুবহানাকা ফাকিনা আযাবান নার অর্থ: হে আমাদের রব, আপনি এগুলো অনর্থক সৃষ্টি করেননি। আপনি পবিত্র; অতএব আমাদের আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। (সূরা আলে ইমরান ৩:১৯১) ২৯ আরবি: رَبَّنَا إِنَّكَ مَن تُدْخِلِ النَّارَ فَقَدْ أَخْزَيْتَهُ উচ্চারণ: রব্বানা ইন্নাকা মান তুদখিলিন্নারা ফাকদ আখযাইতাহু অর্থ: হে আমাদের রব, আপনি যাকে আগুনে প্রবেশ করান তাকে অবশ্যই অপমানিত করেছেন। (সূরা আলে ইমরান ৩:১৯২) ৩০ আরবি: رَبَّنَا إِنَّنَا سَمِعْنَا مُنَادِيًا يُنَادِي لِلْإِيمَانِ উচ্চারণ: রব্বানা ইন্নানা সামি‘না মুনাদিয়ান ইউনাদি লিল ইমান অর্থ: হে আমাদের রব, আমরা এক আহ্বানকারীকে ঈমানের দিকে আহ্বান করতে শুনেছি, তাই আমরা ঈমান এনেছি। (সূরা আলে ইমরান ৩:১৯৩) কোরআনের দোয়া (৩১–৪০) ৩১ আরবি: رَبَّنَا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَكَفِّرْ عَنَّا سَيِّئَاتِنَا উচ্চারণ: রব্বানা ফাগফির লানা জুনুবানা ওয়া কাফ্ফির আন্না সাইয়্যিআতিনা অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের গুনাহ ক্ষমা করুন এবং আমাদের পাপসমূহ দূর করে দিন। (সূরা আলে ইমরান ৩:১৯৩) ৩২ আরবি: وَتَوَفَّنَا مَعَ الْأَبْرَارِ উচ্চারণ: ওয়া তাওয়াফ্ফানা মা‘আল আবরার অর্থ: এবং আমাদেরকে সৎকর্মশীলদের সাথে মৃত্যু দিন। (সূরা আলে ইমরান ৩:১৯৩) ৩৩ আরবি: رَبَّنَا وَآتِنَا مَا وَعَدتَّنَا عَلَىٰ رُسُلِكَ উচ্চারণ: রব্বানা ওয়া আতিনা মা ওয়া‘আদতানা ‘আলা রুসুলিক

কোরআন থেকে বাছাই করা চল্লিশ টি দোয়া আপনার কালেকশনে রাখুন এবং প্রতিদিন পড়ুন : কোরআনের দোয়া (আরবি, উচ্চারণ ও অর্থ) ১. দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ আরবি: رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ উচ্চারণ: রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাহ, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়াকিনা আযাবান নার অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদেরকে দুনিয়ায় কল্যাণ দাও, আখিরাতেও কল্যাণ দাও এবং আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা কর। (২:২০১) ২. হেদায়েতের পরে হৃদয় না বাঁকানোর দোয়া আরবি: رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا উচ্চারণ: রব্বানা লা তুযিগ কুলুবানা বা‘দা ইয হাদাইতানা অর্থ: হে আমাদের রব, তুমি আমাদেরকে হেদায়েত দেওয়ার পর আমাদের হৃদয়কে বাঁকা করে দিও না। (৩:৮) ৩. ক্ষমা ও রহমতের দোয়া (আদম আ.) আরবি: رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا উচ্চারণ: রব্বানা যালামনা আনফুসানা অর্থ: হে আমাদের রব, আমরা নিজেদের উপর জুলুম করেছি। যদি তুমি আমাদের ক্ষমা না করো ও দয়া না করো তবে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হব। (৭:২৩) ৪. জ্ঞান বৃদ্ধির দোয়া আরবি: رَبِّ زِدْنِي عِلْمًا উচ্চারণ: রব্বি যিদনী ইলমা অর্থ: হে আমার রব, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন। (২০:১১৪) ৫. পিতা-মাতার জন্য দোয়া আরবি: رَبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا উচ্চারণ: রব্বির হামহুমা কামা রব্বাইয়ানি সাগীরা অর্থ: হে আমার রব, আমার পিতা-মাতার প্রতি দয়া করুন যেমন তারা আমাকে ছোটবেলায় লালন-পালন করেছেন। (১৭:২৪) ৬. ঈমান দৃঢ় রাখার দোয়া আরবি: رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا উচ্চারণ: রব্বানা আফরিগ আলাইনা সাবরা অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের উপর ধৈর্য ঢেলে দিন এবং আমাদেরকে মুসলিম হিসেবে মৃত্যু দিন। (৭:১২৬) ৭. ক্ষমা ও রহমতের দোয়া আরবি: رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ উচ্চারণ: রব্বিগফির ওয়ারহাম অর্থ: হে আমার রব, ক্ষমা করুন এবং দয়া করুন। (২৩:১১৮) ৮. ঈমানদারদের ক্ষমার দোয়া আরবি: رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَلِإِخْوَانِنَا উচ্চারণ: রব্বানাগফির লানা ওয়া লি ইখওয়ানিনা অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদেরকে এবং আমাদের ঈমানদার ভাইদের ক্ষমা করুন। (৫৯:১০) ৯. পরিবারকে সালাত প্রতিষ্ঠাকারী করার দোয়া আরবি: رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلَاةِ উচ্চারণ: রব্বিজআলনি মুকীমাস সালাহ অর্থ: হে আমার রব, আমাকে ও আমার সন্তানদের সালাত কায়েমকারী বানান। (১৪:৪০) ১০. অন্তর প্রশস্ত করার দোয়া (মুসা আ.) আরবি: رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي উচ্চারণ: রব্বিশরাহলি সদরি অর্থ: হে আমার রব, আমার বুক প্রশস্ত করে দিন। (২০:২৫) কোরআনের দোয়া (পর্ব–২) ১১. নূহ (আ.)-এর দোয়া আরবি: رَبِّ اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِمَن دَخَلَ بَيْتِيَ مُؤْمِنًا উচ্চারণ: রব্বিগফির লি ওয়া লিওয়ালিদাইয়া ওয়ালিমান দাখালা বাইতিয়া মু’মিনা অর্থ: হে আমার রব, আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং যে মুমিন হয়ে আমার ঘরে প্রবেশ করে তাকে ক্ষমা করুন। (৭১:২৮) ১২. বিপদে ইউনুস (আ.)-এর দোয়া আরবি: لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ্জালিমিন অর্থ: আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আপনি পবিত্র। নিশ্চয়ই আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। (২১:৮৭) ১৩. মুমিনদের ক্ষমার দোয়া আরবি: رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا উচ্চারণ: রব্বানা লা তুয়াখিজনা ইন নাসিনা আও আখতা’না অর্থ: হে আমাদের রব, আমরা ভুলে গেলে বা ভুল করলে আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। (২:২৮৬) ১৪. বোঝা হালকা করার দোয়া আরবি: رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا উচ্চারণ: রব্বানা ওয়ালা তাহমিল আলাইনা ইসরান অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের উপর এমন বোঝা চাপিয়ে দেবেন না যেমন পূর্ববর্তীদের উপর দিয়েছিলেন। (২:২৮৬) ১৫. শক্তির বাইরে দায়িত্ব না দেওয়ার দোয়া আরবি: رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ উচ্চারণ: রব্বানা ওয়ালা তুহাম্মিলনা মা লা তাকাতা লানা বিহি অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের এমন দায়িত্ব দেবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই। (২:২৮৬) ১৬. ক্ষমা ও সাহায্যের দোয়া আরবি: وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا উচ্চারণ: ওয়া’ফু আন্না ওয়াগফির লানা ওয়ারহামনা অর্থ: আমাদের ক্ষমা করুন, আমাদেরকে মাফ করুন এবং আমাদের উপর দয়া করুন। (২:২৮৬) ১৭. ধৈর্যের দোয়া আরবি: رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا উচ্চারণ: রব্বানা আফরিগ আলাইনা সাবরা ওয়া সাব্বিত আকদামানা অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের উপর ধৈর্য ঢেলে দিন এবং আমাদের পা দৃঢ় রাখুন।

জ্ঞান - Knowledge - Telegram 频道 @bdknowledge 的统计与分析