ch
Feedback
Think Different Do Different

Think Different Do Different

前往频道在 Telegram

আমরা চাই আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে অন্ধকারাচ্ছন্ন আত্মাগুলো আলোতে ফিরে আসুক।ইবাদতে অনাগ্রহী আত্মাগুলোতে আগ্রহ সঞ্চার হোক।মৃতপ্রায় আত্মাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ুক প্রাণশক্তি। ভালো কিছুর প্রতাশায় ইন শা আল্লাহ...

显示更多
314
订阅者
无数据24 小时
无数据7 天
-530 天
帖子存档
দেখেন, গতকাল শিক্ষা উপদেষ্টা বললো অক্টোবরের মাঝামাঝি বই প্রেসে যাবে। বই প্রেসে যাবার আগে ইসলামিক স্কলারদের একটা টিম দিয়ে একবার রিভিউ করার দাবি জানানোর পর বলা হলো, বই প্রেসে চলে গেছে। এখানে ঘাপলা আছে শিয়োর। ওরা আমাদের থোড়াই কেয়ার করে। আমাদেরকে ওরা স্পেস দিবে না ভাই। ওরা যে ভাষা বোঝে আমাদেরকে সে ভাষায় কথা বলতে হবে। আন্দোলনের মাধ্যমে ওদের হৃদয়ে কাঁপন ধরাতে হবে। রাস্তায় নামেন। প্রতিটা জেলায় জেলায় রোড ডেমনস্ট্রেশন হোক। - ডা মেহেদী হাসান

আপনি কি জানেন, আমেরিকাতে ভেগানদের কত শতাংশ নারী? আশি (৮০) শতাংশ!! অর্থাৎ, প্রতি ১০ জন ভেগানের ৮ জনই নারী। এই ভেগানরা কিন্তু ইন্ডিয়ার ভেজিটেরিয়ানদের মত না, ইন্ডিয়ানরা দুগ্ধজাত জিনিস খায়, ভেগানরা না। ভেগানরা কেউ প্রাণীজ কোনোকিছু তো খায়ই না, উলটো যারা খায় তাদের সাথে ঝামেলা করে। এমনও ঘটনা আছে, ভেগানদের একটা গ্রুপ এক মুরগীর ফার্মের সব মুরগি ছেড়ে দিয়েছিলো প্রাণীহ*ত্যা করা যাবে না বলে। পরে সবগুলো মুরগী শিয়াল ধরে খায়, মাঝখান থেকে কৃষক হারায় তার সর্বস্ব। এরকম প্রচুর ঘটনা আছে। আজকে কথা বলবো, নারীরা কেন এত ভেগান হয়ে যায়- এই ব্যাপারে। এর মূল কারণ হলো, অ্যাবরশন (গর্ভপাত)। শুনতে যেমনই লাগুক, ব্যপারটা সত্যি। প্রথমে আমারও খটকা লেগেছিল। পরবর্তিতে একটা ইন্টারেস্টিং ব্যপার সামনে আসায় পুরো হিসেবটা মিলে যায়। সেটাই বলছি। ইউটিউবে 'দ্যাট ভেগান টিচার' নামে একটা চ্যানেল পাবেন। কেডি কারেন নামের এই হ্যংলা মহিলা সবচেয়ে হার্ডকোর ভেগানদের একজন। গর্ডন রামসে, জিমি (মিঃ বিস্ট) সহ খুব অল্প সেলেব্রেটিই আছে যে এই মহিলার হাত থেকে রেহাই পেয়েছে। বিন্দুমাত্র অ্যাটেনশন পাওয়ার সুযোগ থাকলেই সে ওই টপিকে ভিডিও বানায় আর ভেগান আইডিওলজি প্রচার করে। এই মহিলা কিন্তু প্রথমে মোটেও ভেগান ছিলো না, একদম স্বাভাবিক একজন নারী ছিলো। কয়েক বছর আগে সে একটা অ্যাবরশন করায়। এরপর এক মারাত্মক অপরাধবোধে ভুগতে শুরু করে। একপর্যায়ে ডিপ্রেশনে চলে যায়। নিজের সন্তানকে নিজহাতে খু*ন করার মারাত্মক অপরাধবোধ থেকে সে যেকোনো প্রাণী হ*ত্যাকেই পাপ মনে করতে শুরু করে। এভাবেই সে ভেগান হয়ে ওঠে। এটা খুব কমন ভেগান ব্যাকস্টোরি। ফেমিনিস্টদের 'মাই বডি মাই চয়েস' স্লোগান নিশ্চয় শুনেছেন। এই স্লোগানের মূল দাবীই ছিল অ্যাবর্শনের স্বাধীনতা। একজন নারী তার শরীর নিয়ে কী করবে কেবল সে-ই ঠিক করবে - এই ছিল তাদের যুক্তি। অ্যাবর্শন ব্যান করার কথা বলায় ট্রাম্পকে বহুবার রীতিমত ধুয়ে দেওয়া হয়েছে। আমেরিকাতে প্রায় দেড় হাজারের উপর অ্যাবর্শন ক্লিনিক আছে। গত দশ বছরে আমেরিকাতে অ্যাবর্শনের মাধ্যমে খু*ন করা হয়েছে প্রায় ১০ লাখ শিশুকে! বছরে এক লাখ!! অ্যাবর্শন নিয়ে গতবছর থেকে প্রচুর হাউমাউ দেখা গেছে নারীবাদি শিবির থেকে। কারণ বিখ্যাত Roe VS Wade মামলায় সুপ্রিম কোর্ট রায়ে আমেরিকার স্টেটগুলোকে অ্যাবর্শন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই টেক্সাস, আলাবামার মত রিপাবলিকান রাজ্যগুলোতে অ্যাবর্শন নিষিদ্ধ করা হয়। এতেই যেন আগুন লাগে ফেমিনিস্ট পাড়ায়। রাতারাতি হাজার হাজার ফেমিনিস্ট বিক্ষোভ করতে শুরু করে নরহ*ত্যার অধিকারের দাবীতে। আপনারা টুইটারে Roe V Wade Protest - লিখে সার্চ দিলে এ সংক্রান্ত প্রচুর ভিডিও পাবেন। এরপর যে কেউ কেক কেটে অ্যাবর্শন উদযাপন করে তো কোনো কোম্পানি অ্যাবর্শনের খরচ দিয়ে দেয়। ভ্রুণহ*ত্যা নিয়ে অনেক জঘন্য বক্তব্য, আর্টওয়ার্ক আসতে থাকে। এরকম জানোয়ারেরও দেখা পাওয়া যায়, যে ২১টা অ্যাবর্শন করেছে। মোটকথা, মাই বডি মাই চয়েসের অস্তিত্বের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায় এই অ্যাবর্শন। মিছিল মিটিং করে ফেমিনিজম তো এগিয়ে দেওয়া গেলো। কিন্তু স্রষ্টার দেওয়া মাতৃত্ব কি গা থেকে ঝেড়ে ফেলা যায়? সাইকোলজি অনুযায়ি, একজন মা প্রতি চার মিনিটে একবার তার সন্তানের কথা মনে করে। সন্তানের মুখ দেখা, আলিঙ্গন এসবের চাহিদা গর্ভাবস্থা থেকেই শুরু হয়ে যায়। কিন্তু ভেবে দেখুন, যেই সন্তানকে সে দিনের চারভাগের এক ভাগ সময় ধরে মিস করছে, তাকে তো মৃত্যুর আগে কোনোদিন দেখতেই পাবে না, আবার সেই সন্তানের খু*নি সে নিজেই! ডিপ্রেশনের জন্য আর কী লাগবে? SIRA এর একটা রিপোর্ট অনুযায়ী, অ্যাবর্শনের পর ৬৫% নারী ডিপ্রেশনের শিকার হন। অ্যাবর্শন করা নারীদের অপরাধবোধের স্বীকারোক্তি নিয়ে একটা সাইট আছে, 'অ্যাবর্শন টেস্টিমোনিয়ালস' নামে। ওখানে এক নারী বলেন, এমন কোনো রাত নেই যে সে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমোতে যায় না। ঘুমিয়েও শান্তি নেই। একই সংস্থার আরেক রিপোর্টে জানা যায়, অন্ততঃ ৪২% নারী তার নিজ হাতে খু*ন করা সন্তানকে স্বপ্নে দেখে থাকেন। অনেকে হাসপাতালে যায়, যদি বাচ্চাটার অবশিষ্ট কিছু পাওয়া যায়। কেউ ধার্মিক হয়ে যায়। হাসপাতালের সামনের রাস্তাটায় দাঁড়িয়ে প্রার্থনা করে, নিজের বাচ্চাটা তো এখানেই কোথাও মারা গেছে। গত জুনে এরকম ইংল্যান্ডে এরকম একটা ঘটনা ঘটেছিল, কিন্তু পুলিশ সে মহিলাকেই গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। ফেমিনিজম নামক ধর্মের নোংরা-জঘন্য রূপটা বের হয়ে পড়ছিলো যে! তাই তাকে ধামাচাপা দিতে হলো। আবার কেউ হয়ে যায় ভেগান। নরহ*ত্যাকারী ফেমিনিস্টগুলো আজীবন প্রাণীহ*ত্যার বিরুদ্ধে গলা ফাটিয়ে কাটায়। ____ ✍ আহমাদ খান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পোশাক পরিহিত ৫ জন সদস্য গুম হওয়া পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গঠিত 'মায়ের ডাক' সংগঠনের প্রধান সানজিদা ইসলাম তুলির আপন বড় ভাই সাইফুল ইসলাম শ্যামলকে তাদের শাহিনবাগের বাসা থেকে তুলে নিয়েছে। এইমাত্র তুলি আপার সঙ্গে আমার কথা হল, তিনি জানালেন- তাদের বাসার সিসিটিভি ফুটেজ দখলে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন সেনা পোশাক পরিহিত সদস্যরা। তুলি আপা দেশবাসীর সহায়তা চেয়েছেন। #এহ্‌সান মাহমুদ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪

আসলে এল*টি*ভি নরমালাইজ করা এবং এর পক্ষে আইন বাস্তবায়ন করার ধান্ধা।আল্লাহ্ সাহায্য করুন
আসলে এল*টি*ভি নরমালাইজ করা এবং এর পক্ষে আইন বাস্তবায়ন করার ধান্ধা।আল্লাহ্ সাহায্য করুন

এবার ও
এবার ও

আইনজীবী যেহেতু,তাই তার মনোভাব ও এমন হবে যাতে এল*বি*টি নরমালাইজ করা যায়।ইন্ডিয়ার মতো হয়তো বিডি তে ও লিগ্যাল করে দেবে,এটা একটা
আইনজীবী যেহেতু,তাই তার মনোভাব ও এমন হবে যাতে এল*বি*টি নরমালাইজ করা যায়।ইন্ডিয়ার মতো হয়তো বিডি তে ও লিগ্যাল করে দেবে,এটা একটা বিশেষ চক্রান্ত

আবু সাঈদ খান নামে এই ব্যক্তি একজন হাদিস অস্বীকারকারী যে হাদিসের বিরুদ্ধে রীতিমত প্রতিষ্ঠান তৈরি করে এক্টিভিজম চালিয়ে আসছে। শু
+2
আবু সাঈদ খান নামে এই ব্যক্তি একজন হাদিস অস্বীকারকারী যে হাদিসের বিরুদ্ধে রীতিমত প্রতিষ্ঠান তৈরি করে এক্টিভিজম চালিয়ে আসছে। শুধু তাই না, এই ব্যক্তি ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিক এবং কাদিয়ানীদের সাথেও দহরম মহরম রাখে। নাস্তিক আসাদ নুর বাংলাদেশের আলেম-উলামাদেরকে "ধর্ম ব্যবসায়ী" বলে অপপ্রচার চালায়, আর সেখানে যোগ দিয়েছিল আবু সাঈদ খান। হাদিস অস্বীকারকারী-কাদিয়ানী-নাস্তিক --- কী অসাধারণ কম্বিনেশন! পাঠ্যপুস্তক সংশোধনী কমিটিতে ইসলাম ধর্ম বইয়ের জন্য এমন ব্যক্তিকে রেখে দেশের জনগণের সাথে মূলত রসিকতা করা হয়েছে। এর থেকে বোঝা যাচ্ছে "লোকায়ত ইসলাম" এর নাম করে এই দেশে ইসলামের কী মহাসর্বনাশ ঘটানোর পায়তারা চলছে। অবিলম্বে এই ব্যক্তি সহ সকল বিতর্কিত ব্যক্তিকে পাঠ্যপুস্তক সংশোধনী কমিটি থেকে বাদ দিতে হবে।

প্রিয় ভায়েরা, লেখাটা কপি-পেস্ট করুন অথবা এ ইস্যু নিয়ে নিজের মতো করে লিখুন। আমাদের সাথে ধোঁকাবাজি করা হযেছে। চেয়েছিলাম অপসারণ,
+1
প্রিয় ভায়েরা, লেখাটা কপি-পেস্ট করুন অথবা এ ইস্যু নিয়ে নিজের মতো করে লিখুন। আমাদের সাথে ধোঁকাবাজি করা হযেছে। চেয়েছিলাম অপসারণ, করলো বাতিল৷ তবে, পাঠ্যপুস্তক সমন্বয় কমিটি বাতিল হলেও তাদের আন্ডারে পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন ও সংশোধনের কাজ করা ৪১সদস্যের টিম বহাল আছে। দুঃখজনক বিষয় হলো, সমন্বয় কমিটির বিতর্কিত ব্যক্তিরাও এই টিমে আছেন। শরিফার গল্পের কট্টর সমর্থক সামিনা লুৎফা ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করছেন। তিনি যে আবারো এগুলো ঢোকাবেন না, সে গ্যারান্টি কোথায়? আফসোসের বিষয় হলো, ইসলাম শিক্ষার দায়িত্ব হাদিস অস্বীকারকারী আবু সাইদ খানকে দেয়া হয়েছে। সে আমাদের নবীকে শ্রেষ্ঠ নবী বলেও স্বীকার করে না। দেশে কি যোগ্য আলেমের এতই অভাব পড়ে গেলো যে ইসলাম শিক্ষা বইটার কাজও আবু সাইদ ও ফারুক ফেরদৌসদের মতো বিতর্কিত ব্যক্তিদের দিয়ে করানো হচ্ছে? রাখাল রাহা গতকাল লিখলো ইসলামপন্থীরা বিভাজনের চেষ্টা করছে। আমাদেরকে সে হাসিনার দোসরও বললো। আসলে বিভাজন তো করছে রাখাল রাহারাই। তারা কোন ইসলামপন্থীকে রাখবে না। তুমি আমার গালে চড় মারবা, আমি প্রতিক্রিয়া দেখালেই বিভাজন? তোমরা আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকাবা, আর দেশ শান্ত রাখার দায় কাঁধে নিয়ে আমরা চুপ থাকবো? প্রিয় ভাই, কথা বলুন৷ আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যত শঙ্কার মুখে। এই সময় কোন মুসলমান পিতা চুপ থাকতে পারে না।

আর কি বলবো? আমাদের পতাকা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একটাই! #ঢাকা_কলেজ
আর কি বলবো? আমাদের পতাকা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একটাই! #ঢাকা_কলেজ

আমরা একটা ভয়ঙ্কর তথ্য পেয়েছি। নারীবাদী-ট্রান্স সমর্থক সামিনা লুৎফা পাঠ্যপুস্তক সমন্বয় কমিটি থেকে বাদ গেলেও, ৪১ পরিমার্জন ও সংশোধন টিম বাদ হয় নাই। আপনাদের ছেলে-মেয়েরা কী পড়বে, সেটা এখনো নির্ধারণ করবেন সামিনা লুৎফা লুৎফর মতো ভয়ঙ্কর কিছু ব্যক্তি। - আসিফ মাহতাব

পাঠ্যপুস্তক সংশোধনে গঠিত কমিটি বাতিল করা হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।
পাঠ্যপুস্তক সংশোধনে গঠিত কমিটি বাতিল করা হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।

ঢাবির হলে গরুর মাংস নিয়ে একটা বাজে কাজ হইসে। ৭% স্টুডেন্টদের জন্য প্রোগ্রাম করতে দেওয়া হলো না। এরপর প্রতিক্রিয়া হিসেবে যদি জাস্ট ফর দ্য সেক অফ আর্গুমেন্ট কেউ এই কথা বলে যে ৯৩% এর জন্য ক্যাম্পাসে স্বরস্বতী পূজা করতে দেওয়া হবে না তখন ব্যাপারটা কেমন দাঁড়াবে? নিজের বেলায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আর অন্যের বেলায় কুড়কুড়ানি? এগুলা আসলে উস্কানি মূলক আচরণ। মুসলিমরা এই দেশে সম্প্রীতি চায়। অযথা এমন আচরণ করে সহনশীলতার ক্ষেত্র নষ্ট করবেন না। - মূর্তজা শাহরিয়ার

খোকন ভাই একজন প্রাইভেট কার ড্রাইভার ছিলেন। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মুখের মাত্র ৭ ফুট দূর থেকে শটগান ফায়ার করা হয় তা
খোকন ভাই একজন প্রাইভেট কার ড্রাইভার ছিলেন। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মুখের মাত্র ৭ ফুট দূর থেকে শটগান ফায়ার করা হয় তাকে। মহান আল্লাহ তাকে সুস্থতা দান করুন। আমীন।

শায়খ আহমাদুল্লাহ সাহেব বিকৃতিচারের সমর্থক সামিনা লুৎফা গংকে নিয়ে কথা বলায় অনেকেই ক্ষেপেছেন। তার উপর কামান দাগানোর চেষ্টা করছে
শায়খ আহমাদুল্লাহ সাহেব বিকৃতিচারের সমর্থক সামিনা লুৎফা গংকে নিয়ে কথা বলায় অনেকেই ক্ষেপেছেন। তার উপর কামান দাগানোর চেষ্টা করছেন এস আলম গ্রুপকে টেনে এনে। অথচ তিনি সাংবাদিক সাহেদ আলমের একটা পোস্টের কমেন্টে এস আলম গ্রুপের বিষয়টা পরিষ্কার করেছিলেন অনেক আগেই। আমি সেই কমেন্টের স্ক্রীনশট দিয়ে দিলাম। ছবির উপর ক্লিক করে আপনারাও পুরো কমেন্টটা পড়ে নিতে পারেন। - আব্দুল্লাহ আল মাসুদ

সারা বছর শামসুননাহার হলের ডাইনিং, ক্যান্টিনগুলোতে গরুর মাংস রান্না হয় না। সনাতন আপুদের কথা চিন্তা করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কেবল রমজান মাসে মাঝে মাঝে ডাইনিং এ গরু দেয়া হয়। তাও যেদিন ডাইনিং এ গরু দেয়া হয় ওইদিন ক্যান্টিনের মেন্যুতে গরু থাকে না। ছেলেদের অন্যান্য হলের ন্যায় শামসুননাহার হলেও মেয়েরা প্রীতিভোজে গরুভোজের আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো। কথা ছিলো, হলের দুই মাঠে আলাদা আলাদা মুসলিমদের জন্য গরু এবং সনাতনীদের জন্য খাসি রান্না করা হবে। খাসি রান্না থেকে শুরু করে প্যাকেজিং এর দায়িত্বে থাকবে সনাতন আপুরা। কিন্তু তারা তাতেও রাজি হননি, তারা চেয়েছিলো শুধুমাত্র খাসিই হতে হবে। যেহেতু অধিকাংশ মেয়েরা চেয়েছে খাসি গরু দুইটাই হবে, ফলে সনাতনী আপুরা সম্মিলিতভাবে প্রীতিভোজ বয়কট করেছেন। হলের সংখ্যাগরিষ্ঠ মেয়েরা তাদের কথা চিন্তা করে পরবর্তীতে গরুভোজের সিদ্ধান্ত বাদ দিয়ে মুরগীভোজ আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই হলো আমাদের সহনশীলতা, এই হলো আমাদের অসাম্প্রদায়িক ভ্রাতৃত্ব। এটা নিয়ে বড় একটা ইস্যু হতে যাচ্ছে জানা কথা। যাইহোক, ব্যক্তিগত ভাবে শামসুননাহার হলের প্রীতিভোজ বয়কট করলাম। - স্মৃতি আফরোজ

ময়মনসিংহ নগরে এক চিকিৎসক মুঠোফোন বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন। পরিবারের লোকজনের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, তিনি বিছানার পাশে চার্জে ফোন রেখে ঘুমিয়ে ছিলেন। শুক্রবার ভোররাত চারটার দিকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত চিকিৎসকের নাম তারিকুল আলম (৪২)। তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিকস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন স্বজনদের বরাত দিয়ে থানা-পুলিশ জানায়, তারিকুল ডিউটি শেষে রাত একটার দিকে নিজ বাসায় ফেরেন। তিনি আলাদা একটি কক্ষে একা ঘুমাতে যান। ওই সময় নিজ বিছানার পাশে প্রতিদিনের মতো মুঠোফোন মাল্টিপ্লাগে চার্জ দেন। মুঠোফোনটি বিস্ফোরিত হলে দগ্ধ হন ঘুমন্ত তারিকুল। এতে তাঁর দুই হাত, বুক, নাক-মুখ পুড়ে যায়। এদিকে পোড়া গন্ধ আর আওয়াজ পেয়ে পরিবারের লোকজন দরজা খুলে তারিকুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম খান জানান, রাত একটায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিনের মতো অস্ত্রোপচার শেষে বাসায় ফেরেন চিকিৎসক। পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরক্ত না করে তিনি আলাদা রুমে ঘুমাতে যান। বিছানার পাশে রাখা মাল্টিপ্লাগে নিজের মুঠোফোন চার্জ দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। ওসি বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি, মুঠোফোনটি চার্জে থাকা অবস্থায় বিস্ফোরিত হয়ে শরীরে আগুন ধরে যায়। কী কোম্পানির মুঠোফোন ছিল, তা জানা যায়নি। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’