Rain Drops (Unofficial)
前往频道在 Telegram
রেইনড্রপের অডিও সিরিজ গুলো টেলিগ্রাম এ সহজলভ্য করতে এই উদ্যোগ। এটি কোন অফিশিয়াল চ্যানেল নয়।
显示更多2 359
订阅者
无数据24 小时
无数据7 天
无数据30 天
帖子存档
রেইনড্রপস প্রকাশিত সবগুলো অডিও সিরিজের এমপিথ্রি ডাউনলোড লিঙ্ক (হিয়ারদিস)।
------- ------- ------- ------- ------- -------
১. পরকালের পথে যাত্রা - https://tinyurl.com/porokalerpothejatra (২২ পর্ব)
২. পথিকৃৎদের পদচিহ্ন: নবীদের জীবন - https://tinyurl.com/nobiderjibon (৩৩ পর্ব)
৩. সীরাহ (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবনী) - https://tinyurl.com/seerahaudio (৭০ পর্ব)
৪. ধূলিমলিন উপহার: রামাদান - https://tinyurl.com/dhulimolinupohar (২৮ পর্ব)
৫. হৃদয়ের বসন্ত (তাফসীর অডিওবুক) – https://tinyurl.com/hridoyerbosonto (৮টি সূরা)
৬. চেনা অচেনা চেনা (আল্লাহর গুণবাচক নামসমূহ নিয়ে আলোচনা) – https://tinyurl.com/chenaochenachena (৩৬ পর্ব)
৭. আস-সিদ্দীক্ব (আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর জীবনী) – https://tinyurl.com/as-siddeeq (১৭ পর্ব)
৮. আল-ফারুক্ব (উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুর জীবনী) – https://tinyurl.com/umar-al-faruq (২৬ পর্ব)
৯. যুন-নূরাইন (উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর জীবনী) – https://tinyurl.com/dhun-noorain (১০ পর্ব)
১০. হায়দার – আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর জীবনী এবং সাহাবীযুগের পরিসমাপ্তি – https://tinyurl.com/alinendofsahaba (১৮ পর্ব)
১১. শেষের গল্প – https://tinyurl.com/sheshergolpo (২০ পর্ব)
প্রকাশিতব্য, ইনশা আল্লাহ
১২. উম্মাহাতুল মু’মিনীন
১৩. ছিলেন যারা উম্মাহর ধ্রুবতারা
১৪. ফেমিনিজম বিষয়ক, নাম চূড়ান্ত হয় নি
------- ------- ------- ------- ------- -------
ইউটিউব চ্যানেলের লিংক - https://tinyurl.com/raindropsmedia
------- ------- ------- ------- ------- -------
আমাদের বইগুলো
সীরাহ - দুই খণ্ড -- অর্ডার করুন আপনার পরিচিত ই-কমার্স শপে
প্রাচীর (পিডিএফ লিঙ্ক) - https://tinyurl.com/prachirpdf (হার্ডকপি আনএভেইলেবল)
মুবাশশিরীন (প্রকাশিতব্য)
------- ------- ------- ------- ------- -------
আমাদের ওয়েবসাইট - www.raindrops.media
জীবনের শেষ দিন
আজ প্রকাশিত হচ্ছে শেষের গল্প সিরিজের শেষ পর্ব।
--- --- ---
একবার এক ব্যক্তি স্বপ্ন দেখলো, একটি সিংহ তাকে তাড়া করছে।
সিংহটি তাকে তাড়া করতে করতে একটি জঙ্গলে নিয়ে গেল। লোকটি ছুটতে ছুটতে একটি কুয়ার মধ্যে পড়ল। কুয়ার মধ্যে রশি ধরে ঝুলে রইল লোকটি।
উপরে তাকিয়ে দেখে সাদাকালো দুইটি ইঁদুর রশি পেয়ে নেমে আসছে। ইঁদুর দুটি দাঁত দিয়ে রশি কাটতে লাগলো। লোকটি নিচে তাকিয়ে দেখে একটি ভয়ঙ্কর বিরাট আকৃতির কালো সাপ ফণা তুলে আছে। লোকটি নিচে পরা মাত্রই তাকে গিলে খাবে। এমন সময় লোকটি দেখলো কুয়ার মধ্যে একটি মৌমাছির চাক। সেখান থেকে ফোঁটায় ফোঁটায় মধু নিচের দিকে পড়ছে।
কিছু মধু লোকটির হাতে পড়ল। পিপাসার্ত লোকটি কয়েক ফোঁটা মধু খেলো। সেই মধুর কি যে স্বাদ! মধু খেয়ে লোকটি এই বিপদের মুহূর্তও ভুলে গেল! ওদিকে ইঁদুর দুটির রশি কাটা শেষ! রশি ছিঁড়ে লোকটা নিচের দিকে পড়তে লাগল! বিরাট চিৎকারে তার ঘুম ভেঙে গেল।
এই স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানার জন্য ছুটে গেল একজন আলেমের কাছে...
শায়েখ আব্বাস ফোন পাবার পরেই রওনা হয়ে গেলেন। দেরি করলেন না। গিয়ে দেখেন, লাশটা রাখা আছে সিঁড়ি ঘরে। একটা বাতি জ্বলছে টিমটিম করে। সিঁড়ির নিচে বদ্ধ একটা জায়গা। আলো বাতাসের ব্যবস্থা নেই। এখানে কোনো মৃতদেহ রেখে দিলে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পঁচতে শুরু করবে, দুর্গন্ধ বের হবে, লাশ পানি ছেড়ে দেবে। কিন্তু তিনি অবাক হয়ে দেখলেন, এমন কিছুই ঘটেনি। সবকিছুই স্বাভাবিক আছে।
লাশ গোসলের আগে প্রথম কাজ হচ্ছে, লাশের পেটে থাকা মলমূত্র বের করার ব্যবস্থা করা। এজন্য মুগাসসিলরা একটা কাজ করেন, সেটা হলো-- আলতো করে হাত দিয়ে লাশের পেটে চাপ দিতে থাকেন। কনুই থেকে কব্জি পর্যন্ত হাতটা লাশের পেটের উপরে এমন ভাবে রাখেন, যেন লাশের পেটের বর্জ্য বের হয়ে আসে। কিন্তু একবার-দুইবার-তিনবার এভাবে করার পরেও কিছুই বের হলো না! এটা মোটামুটি অসম্ভব একটা ঘটনা। কারণ মৃত ব্যক্তি নিজের দেহের পেশী নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
শায়েখ আব্বাস বুঝতে পারলেন, এটা হচ্ছে এই মৃত ব্যক্তির ভালো মৃত্যুর একটি আলামত। তাই তিনি আর জোরাজুরি করলেন না।
এবার তিনি খেয়াল করলেন লাশের চেহারার দিকে। মুখটা কেমন যেন তেলতেলে, ঘর্মাক্ত মনে হচ্ছে। আলো প্রতিফলিত হচ্ছে। কিন্তু সিঁড়ি ঘরে তো তেমন বেশি আলো নেই। দূরে একটা টিমটিমে বাল্ব জ্বলছে। তবুও কিছু তুলা দিয়ে মৃত ব্যক্তির মুখটা মুছে দিলেন। কিন্তু এরপরেও দেখেন, চেহারা থেকে আলোটা যাচ্ছে না। নিশ্চিত হবার জন্য শায়েখ আব্বাস লাশের মুখের উপরে একটু ছায়ার ব্যবস্থা করলেন। এবারেও দেখেন, আলোটা আগের মতই আছে। অন্য কোন আলো প্রতিফলিত হচ্ছে না, বরং মরহুমের চেহারা থেকেই ওমন ঔজ্জ্বল্য বের হচ্ছে।
শায়েখ আব্বাস বুঝতে পারলেন, এটা আরেকটি ভালো আলামত।
এভাবে সেই দিন একে-একে সাতটি ভালো আলামত দেখতে পেয়েছিলেন শায়খ আব্বাস রাহিমাহুল্লাহ।
তাই ঐ ব্যক্তির লাশ দাফনের পর, শায়েখ আব্বাস খুবই আগ্রহী হয়ে উঠলেন মরহুমের ব্যাপারে জানতে।
সবার কাছে গিয়ে খোঁজ নিতে লাগলেন। এলাকাবাসী, মরহুমের ছেলে, আই সি ইউ এর ডাক্তার, মসজিদের ইমাম এমনকি খাদেম সাহেবের কাছ থেকেও জানতে চাইলেন, 'এই ব্যক্তি বেঁচে থাকতে কী এমন আমল করতেন, আমাকে বলুন!'
আজ প্রকাশিত হচ্ছে শেষের গল্প সিরিজের ১৯তম পর্ব - অচেনা সুঘ্রাণ
যুবক বয়সী একটা ছেলে। হঠাৎ একটা অ্যাক্সিডেন্টে মারা গেল। দাফন করা হলো। বন্ধুরা যার যার বাড়ি ফিরে গেল।
মৃত্যুর কয়েক দিন পর, এক বন্ধু ইমেইল খুলে হতবাক। মৃত বন্ধুর আইডি থেকে ইমেইল এসেছে। প্রথমে ভাবলো, হয়তো বন্ধু বেঁচে থাকতেই পাঠিয়েছে মেইল মেইলটা, কিন্তু সে কোনো কারণে চেক করেনি। ইমেইল খুলে রেখে আরো ভয়ানক অবস্থা-- অশ্লীল সব ছবি আর ভিডিও!
এভাবে প্রতি সপ্তাহে ইমেইল আসতে লাগলো। বন্ধ করার কোনো উপায় নেই!
কারণ ঐ বন্ধু বেঁচে থাকতেই, একটি অশ্লীল ওয়েবসাইট সাবস্ক্রাইব করে রেখেছিল। আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই ইমেইলগুলো ফরওয়ার্ড হয়ে যেতো অন্য বন্ধুদের কাছে। ওরা ফরওয়ার্ড করত আরো অনেকের কাছে। এভাবে বহু মানুষের কাছে পৌঁছে যেত সেই সব অশ্লীল ছবি আর ভিডিও!
বন্ধুর কথা ভেবে আঁতকে উঠল ছেলেটা। ও তো এখন কবরে শুয়ে আছে! তাহলে ওর কী অবস্থা হবে এখন!
আজ প্রকাশিত হচ্ছে শেষের গল্প সিরিজের ১৮তম পর্ব -- নীল গুনাহ
17_Bn_Shesher_Golpo_The_Deception_of_Shaitan_at_the_Time_of_Death.mp329.26 MB
পশ্চিমা দেশের একটি অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিং। নিচতলায় একজন তালেবে ইলম ভাই থাকতেন। আর উপরতলায় থাকতো একটি মুসলিম পরিবার। মুসলিম হলেও তারা অতটা দ্বীনদার ছিলেন না। নিচ তলায় থাকা তালিবে ইলম ভাইটি প্রায়ই উপরতলা থেকে গান বাজনার শব্দ শুনতে পেতেন।
তাই একদিন তিনি উপর তলায় গেলেন, তাদের সাথে ইসলামের ব্যাপারে কথা বলতে। তিনি তাদেরকে বোঝালেন, দাওয়াত দিলেন, ভালো কাজে উৎসাহ দিলেন কিন্তু এর কোনো ফলাফল দেখা গেল না, কোনো প্রতিক্রিয়াও দেখা গেল না।
কিছুদিন পর হঠাৎ উপর তলার বারান্দা থেকে চিৎকার হইচই এর শব্দ শুনতে পেলেন। নিচ তলায় থাকা ভাইটি দ্রুত ছুটে গেলেন উপর তলায়। গিয়ে দেখেন, ওই পরিবারের পিতা অসুস্থ। বিছানায় শোয়া, ডাক্তার তাকে দেখছেন। অবস্থা খুবই খারাপ। দেখে মনে হচ্ছিল এটাই তার জীবনের শেষ দিন হতে পারে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, ঐ ব্যক্তি মৃত্যুশয্যায়, অথচ তার পাশে ক্যাসেট প্লেয়ারে জোরে জোরে গান বাজানো হচ্ছিল!
ছেলেরা বলল, এটা নাকি তাদের বাবার অনুরোধ!
আজ প্রকাশিত হচ্ছে শেষের গল্প সিরিজের ১৭তম পর্ব - মৃত্যুকালে শয়তানের ধোঁকা
মিশরীয় শায়খ মুহাম্মাদ হুসাইন ইয়াকুব বর্ণনা করেন,
একবার এক মিশরীয় লোক তার সাথে হজের মৌসুমে দেখা করলো মদীনায়। শায়েখকে দেখা মাত্রই লোকটি এগিয়ে এলো, হাসিমুখে শায়খের সাথে আলিঙ্গন করলো। কপালে চুমু খেলো। এরপর বলল, 'শায়েখ আমি আপনাকে খুবই পছন্দ করি অনেক ভালোবাসি, টিভিতে আপনার অনুষ্ঠান দেখি, তখন আমার প্রিয় কাজ হচ্ছে, আপনার আলোচনা শুনা আর হুক্কা টানা! অর্থাৎ ধূমপান করি আর আপনার অনুষ্ঠান দেখি!'
সুতরাং বুঝতেই পারছেন, লোকটি ছিল জাহেল প্রকৃতির, আবার কিছুটা বোকাসোকাও ছিল।
শায়খ বলেন, 'লোকটি ছিল একেবারে ক্লিন শেভড, অথচ বয়স্ক। লোকটির কথা শুনে আমি হাসলাম।
লোকটি ছিল বেশ দিলখোলা স্বভাবের। মাথায় একটা পাগড়ীও ছিল। আমরা একসাথে হজ করলাম। সে আমার সাথে-সাথে থাকলো। আমরা একসাথেই মক্কায় গেলাম, হজ করলাম। আমি লোকটিকে বললাম, তোমাকে অবশ্যই সিসা টানা বাদ দিতে হবে। অর্থাৎ এই তামাকের ধোঁয়া নিতে পারবে না, ধূমপান করতে পারবে না।’
লোকটি বলল, 'ঠিক আছে! ধরে নিন এটা হয়ে গেছে!'
শায়েখ বলেন, 'আমি আশ্চর্য হয়ে দেখলাম, লোকটি হজ করতে এসেছে, অথচ হজের ব্যাগের মধ্যেও ধূমপানের যাবতীয় উপকরণ-হুক্কা--এসব নিয়ে এসেছে! আমি তাকে নিষেধ করার পর সে আমাকে ব্যাগ থেকে বের করে এগুলো দেখালো, আর আমার চোখের সামনে জিনিসগুলো ভেঙে ডাস্টবিনে ফেলে দিল। লোকটি আন্তরিকভাবে তাওবা করলো!'
আমি বললাম, 'তুমি এখন থেকে দাড়ি কাটতে পারবে না।'
লোকটি বলল, 'আমি তওবা করেছি। আমি আর কখনো দাড়ি কাটবো না।'
এরপর সে দাড়ি বড় করতে লাগলো। আর আমাদের সাথে হজ করতে লাগলো...।
আজ প্রকাশিত হচ্ছে শেষের গল্প সিরিজের ১৬তম পর্ব - সুন্দর মৃত্যুর লক্ষণ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
“আল্লাহ তাআলা যদি কোনো বান্দার কল্যাণ চান তখন সে বান্দাকে ‘আসাল’ করেন।”
সাহাবায়ে কেরাম বলেন: আসাল কী? তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলা বান্দাকে বিশেষ একটি ভাল কাজ করার তাওফীক্ব দেন এবং এই আমলের ওপর তার মৃত্যু ঘটান।
