ch
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

前往频道在 Telegram

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

显示更多
801
订阅者
无数据24 小时
无数据7
-130
帖子存档
মুহাম্মাদ আইমান, ঢাকা। 845 নং উত্তর: পর্দা সংক্রান্ত। (না-মাহরাম আত্নীয়া মহিলাদের সাথে কিভাবে সম্পর্ক বজায় রাখা যায়?) লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd http://t.me/pathofisla

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগ (পর্ব - ২০) বিরোধীদের সাথে হযরত থানভী রহঃ এর আচরণের শিক্ষণীয় ঘটনা। -আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ আবদুল মতিন বিন হুসাইন দাঃ বাঃ http://t.me/pathofisla

💎💎অমূল্য নসীহত💎💎💎 হযরতওয়ালা হারদুঈ রহঃ বলেন, আফসোস! আজ আমরা অন্যায় দেখে চুপ থাকাটাকে বন্ধুত্বের হক মনে করি আর ভয় পাই যে, আমি কিছু বললে ঐ ব্যক্তি নারাজ হয়ে যাবে বন্ধুত্ব শেষ হয়ে যাবে। এই অন্যায়ের শাস্তি এটা হয় যে, তাদের অন্তর হতে পরস্পরের ভক্তি ও শ্রদ্ধা উঠে যায় এবং প্রত্যেকে অন্যের গায়েবানা সমালোচনা ও গীবত করে। আসলে এটা অন্যায় কর্মের উচিত শাস্তি। কেননা যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌ তা'আলা কর্তৃক আদিষ্ট বা নিষিদ্ধ বিষয়ে নীরব থাকল; কেমন যেন সে মহান আল্লাহ্‌র বড়ত্বের হক আদায় করল না। অতঃপর এই ভক্তি-শ্রদ্ধা অন্তর থেকে কেন উঠবে না? মাজালিসে আবরার মালফূয ১৫৭ (আংশিক) পৃষ্ঠা ১৫১ http://t.me/pathofisla

প্রকৃত যিকরুল্লাহ তিনি (মাওলানা ইলিয়াস ছাহেব রহঃ) বলিয়াছেন, প্রকৃত যিকরুল্লাহ এই যে, মানুষ যে কোন স্থানে যেকোন অবস্থায় ও যেকোন কাজে লিপ্ত অবস্থায় থাকে, উক্ত সকল অবস্থার সহিত সম্পর্কিত আল্লাহ্‌র যে হুকুম আহকাম রহিয়াছে, উহাকে যথাযথ পালন করে। আমি আমার দোস্তদেরকে এই যিকিরের উপরই বেশী জোর দিতেছি। মালফূয ১৯ পৃষ্ঠা ১৮ মালফুযাত হযরত মাওলানা ইলিয়াস ছাহেব রহঃ সংকলকঃ মাওলানা মনযূর নো'মানী অনুবাদঃ মাওলানা মুহাম্মাদ জুবায়ের ছাহেব প্রথম প্রকাশঃ ১লা রমজান, ১৪৩৯ হিজরী প্রকাশনায়ঃ দ্বীনি প্রকাশনী, কাকরাইল, ঢাকা http://t.me/pathofisla

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগ (পর্ব - ১৯) শোকরকারী এক আল্লাহ্‌র ওলীর ঘটনা হযরত যুন্নুন মিসরী রহঃ বলেন, আমি এক যুবককে কা'বা শরীফের নিকট দেখিয়াছি, ঘন ঘন রুকু-সেজদা করিতেছে। আমি জিজ্ঞাসা করিলাম, অত্যাধিক নামায পড়িতেছ (কি ব্যাপার)? সে বলিতে লাগিল, দেশে ফিরিয়া যাওয়ার অনুমতি চাহিতেছি। এমন সময় আমি দেখিলাম, এক টুকরা কাগজ উপর হইতে পড়িল। উহাতে লেখা ছিল, ইহা আল্লাহ জাল্লা শানুহু যিনি বড় ইজ্জতওয়ালা ও বড় মাগফিরাতওয়ালা তাঁহার পক্ষ হইতে নিজ সত্যিকার শোকরকারী বান্দার প্রতি, তুমি এমনভাবে ফিরিয়া যাও যে, তোমার অতীত ও ভবিষ্যতের সকল গুণাহ মাফ করিয়া দেওয়া হইয়াছে। (রওজ) ফাযায়েলে হজ্ব শাইখুল হাদীস হযরত মাওলানা যাকারিয়া কান্ধলভী রহঃ পৃষ্ঠা ৩২১ http://t.me/pathofisla

দুলা ও দুলহানকে (নতুন বর-কনেকে) এভাবে দু‘আ দিবে بَارَكَ اللَّهُ لَكَ وَبَارَكَ عَلَيْكَ وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِىْ خَيْرٍ. অর্থঃ আল্লাহ পাক তোমাকে বরকতপূর্ণ করুন এবং তোমার উপর বরকত অবতীর্ণ করুন এবং তোমাদের উভয়কে মঙ্গলময় সম্পর্ক দান করুন। (আবু দাউদ হাদীস নং-২১৩০/তিরমিযী হাদীস নং-১০৯২) মাসনূন দু'আ ও দুরূদ -মুফতী মনসূরুল হক দাঃ বাঃ https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi http://t.me/pathofisla

ফিলিস্তিন আর কাশ্মীরে আজ কাঁদছে ধুঁকে ধুঁকে কে আছে আর দাঁড়ায় পাশে তাদের এমন দুঃখে? কণ্ঠঃ মশিউর রহমান http://t.me/pathofisla

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ১৮) হিদায়া প্রণেতা আল্লামা বুরহান উদ্দীন আবুল হাসান আলী ইবনে আবু বকর আল-ফারগানী আল-মারগীনানী রহঃ এর অনন্য সাধারণ ইখলাস, তাকওয়া ও আল্লাহ্ প্রেমে পূর্ণ আত্ননিবেদনের ঘটনা আল্লামা আবদুল হাই লখনবী রহঃ বলেন, আল-হিদায়া কিতাবের মাকবুলিয়াত ও সর্বস্বীকৃতির গূঢ় রহস্য এই যে, সুদীর্ঘ ১৩ বছর তিনি বিরতিহীন সিয়াম পালনে রত থেকে এ গ্রন্থ রচনায় নিমগ্ন ছিলেন। তাছাড়া তিনি তাঁর সিয়াম পালন এমনভাবে গোপন রাখার চেষ্টা করেছেন যাতে তাঁর নিজস্ব খাদিমও তা জানতে না পারে। খাদিম যখন খানা নিয়ে আসতো তখন তিনি বলতেন, রেখে যাও। পরে কোন তালিবুল ইলম, মুসাফির কিংবা আশে-পাশের কোন ফকির মিসকীনকে ডেকে সে খাবার দিতেন। খাদিম যথা সময়ে ফিরে এসে শূন্য বর্তন নিয়ে যেতো এবং ভাবতো যে, তিনি খেয়ে নিয়েছেন। এই হলো সলফে সালেহীন এবং বর্তমান যুগের লেখক, গবেষক ও পণ্ডিতদের মধ্যে পার্থক্য। আল্লামা সায়্যিদ সুলাইমান নদভী রহঃ এ গূঢ় রহস্যকে এ বলে ব্যক্ত করেছেনঃ কী যেন একটা তাঁদের মাঝে ছিলো আর কী যেন একটা আমাদের মাঝে নেই। (ইঃফাঃবা কর্তৃক অনুদিত হিদায়া কিতাবের মুসান্নিফের পরিচিতি থেকে নেয়া) http://t.me/pathofisla

বিশ্ব বিবেক কোথায় এখন তুমি? দেখতে কি পাও জ্বলে আফগান ভূমি......... . . . . দেখো চেয়ে কতো লাশ হাড়-গোড়; কতো ধ্বংসের চিন কতো কাশ্মীর, চেচেন, আফগান, ভয়ানক ফিলিস্তিন.......... কণ্ঠঃ মশিউর রহমান http://t.me/pathofisla

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ১৭) মোমেনশাহীর ঈশ্বরগঞ্জের হাফেয ছদরুদ্দীন ছাহেব রহঃ এর অবিস্মরণীয় ঘটনা -মাওলানা আমিনুল হক দাঃ বাঃ খলিফাঃ প্রফেসর হামীদুর রহমান দাঃ বাঃ http://t.me/pathofisla

ঈদের সুন্নাত সমূহ (১) অন্য দিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া। (বাইহাকী, হাদীস নং- ৬১২৬) (২) মিসওয়াক করা। (তাবঈনুল হাকাইক, ১:৫৩৮) (৩) গোসল করা। (ইবনে মাজাহ, হাদীস নং- ১৩১৫) (৪) শরী‘আত সম্মত সাজসজ্জা করা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৪৮) (৫) সামর্থ্য অনুপাতে উত্তম পোশাক পরিধান করা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৪৮/ মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং- ৭৫৬০) (৬) সুগন্ধি ব্যবহার করা। (মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং- ৭৫৬০) (৭) ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে মিষ্টি জাতীয় যেমন (খেজুর ইত্যাদি) খাওয়া। তবে ঈদুল আযহাতে কিছু না খেয়ে ঈদের নামাযের পরে নিজের কুরবানীর গোশত আহার করা উত্তম। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৫৩/ তিরমিযী শরীফ, হাদীস নং- ৫৪২/ দারেমী হাদীস নং- ১৬০৩) (৮) সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া।(আবু দাউদ, হাদীস নং- ১১৫৭) (৯) ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে ছদকায়ে ফিতর আদায় করা। (দারাকুতনী, হাদীস নং- ১৬৯৪) (১০) ঈদের নামায ইদগাহে আদায় করা, বিনা অপারগতায় মসজিদে আদায় না করা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৫৬/ আবু দাউদ হাদীস নং- ১১৫৮) (১১) যে রাস্তায় ঈদগাহে যাবে সম্ভব হলে ফিরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফেরা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৯৮৬) (১২) পায় হেঁটে যাওয়া। (আবু দাউদ, হাদীস নং- ১১৪৩) (১৩) ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার সময় আস্তে আস্তে এই তাকবীর পড়তে থাকাঃ اَللهُ اَكْبَرْ اَللهُ اَكْبَرْ لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرْ . اَللهُ اَكْبَرْ وَلِلّهِ الْحَمْدْ . তবে ঈদুল আযহাতে যাওয়ার সময় পথে এ তাকবীর আওয়াজ করে পড়তে থাকবে। (মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং- ১১০৫/ বাইহাকী, হাদীস নং- ৬১৩০) কিতাবুস সুন্নাহ -মুফতী মনসূরুল হক দাঃ বাঃ https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi http://t.me/pathofisla

ঈদের রাতের ফজিলত অনেক। এর কারন কি? Telegram এ নিয়মিত অডিও পেতে join হোন নিচের লিংকে t.me/alokitojibon t.me/dinimazlis http://t.me/pathofisla

এই পর্চাটি ইচ্ছা করলে প্রিন্ট করে আমরা আমাদের ঘরের এমন জায়গায় লাগিয়ে রাখতে পারি যেনো আমার নিজের এই আমলটি করতে সহজে স্মরণ থাকে এবং অপর আরেকজনও দাওয়াত পায়। আর মহিলারা ঘরের যে নির্দিষ্ট স্থানে নামায-কালাম পড়ে সেই স্থানেও লাগিয়ে দিতে পারি যাতে করে নামাযের পরেই তারা সহজে আমল করতে পারে; ভুলে না যায়। এই আমলটি আগামী ইংরেজী ১১ তারিখ রবিবার ফযর থেকে ১৫ তারিখ বৃহস্পতিবার আসর পর্যন্ত করতে হবে। আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাদের সকলকে আমল করার তাওফিক দান করেন। http://t.me/pathofisla

কুরবানীর বিভিন্ন জরুরী মাসআলা সম্পর্কে প্রায় ১ ঘন্টার গুরুত্বপূর্ণ বয়ান। -মাওলানা সালাহ্ উদ্দীন ছাহেব দাঃ বাঃ ইমাম ও খতিবঃ ফুলবাড়ীয়া বাজার বড় পুকুরপাড় জামে মসজিদ, ফুলবাড়ীয়া, মোমেনশাহী তারিখঃ ০৯.০৮.১৯ ঈসায়ী http://t.me/pathofisla

বুযুর্গানে দ্বীনের রূহানী খাদ্য থেকে উপকৃত হতে হবে হযরতওয়ালার মুহিউস সুন্নাহ্ রহঃ বলেন, আজকাল মাশায়িখ ও বুযুর্গদেরকে নিজ নিজ ঘরে বরকতের জন্য দাওয়াত করা হয় আর তাঁদের পেটে কিছু ঢালতেও চায়- চাই ক্ষুধা থাক বা না থাক। কিন্তু ঐ বুযুর্গদের সীনায় যে রূহানী খাদ্য আছে যেগুলো নিজেদের পেটে ঢালার ফিকির করে না। অথচ এটা আরো বেশী গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরী ছিল। কিন্তু সেই সব বুযুর্গ থেকে ফায়েদা লাভ করার ফিকির নেই। অথচ একটি মাসআলা শিক্ষা করার ফযীলত শত রাকাআত নফল নামায থেকে বেশী। আমি এজন্যই এমন মানুষের দাওয়াতই কবুল করি না যেখানে ন্যূনতম দশ মিনিট ওয়াযের সিলসিলাও কায়েম করা হয় না। যদি বিভিন্ন স্থানে যেতে হয় এবং প্রত্যেক স্থানে চায়ের ব্যবস্থা থাকে তাহলে প্রত্যেক স্থানে দশ মিনিট ওয়াযের ব্যবস্থাও করা উচিত। মাজালিসে আবরার মালফূয ২৪৩ পৃষ্ঠা ১৮৯ http://t.me/pathofisla

কান্নাকাটির দ্বারা এমন কিছু হাসিল হয় যা কল্পনার বাইরে! হযরতওয়ালা দাঃ বাঃ এর লালবাগ মাদরাসায় পড়াকালীন একটি শিক্ষণীয় ঘটনা যা আমাদেরকে আল্লাহ্‌ তা'আলার কাছ থেকে নেওয়া শিখতে সাহায্য করবে ইনশাআল্লাহ। -হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর মানিকগঞ্জী দাঃ বাঃ http://t.me/khanqaSN http://t.me/pathofisla

জিলহজের প্রথম দশকের কদর করা চাই-১ Telegram এ নিয়মিত অডিও পেতে join হোন নিচের লিংকে t.me/alokitojibon t.me/dinimazlis ✓দ্বীনী এ পোস্টকে শেয়ার করে ইসলামের আলো পৌঁছে দিন প্রিয়জনদের কাছে।

গুণাহকে ঘৃণা করতে হবে গুণাহগারকে নয় হযরতওয়ালা মুহিউস সুন্নাহ রহঃ বলেন, গুণাহকে ঘৃণা করা ওয়াজিব কিন্তু গুণাহগারকে ঘৃণা করা হারাম। যদি কোন ছোট্ট শিশু তার পিতার উপর পেশাব করে দেয়, তাহলে নিশ্চয়ই পিতার কাপড় ও শরীরকে অপবিত্র মনে করতে হবে কিন্তু তাই বলে কি পিতাকে নীচু মনে করবে? কিংবা তাঁকে ঘৃণা করবে? একই উদাহরণ গুণাহগারের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। গুণাহকে ঘৃণা করুন কিন্তু গুণাহগারকে ঘৃণা করবেন না। জনৈক ইবাদতগুযার ভাই উপর তলায় থাকত। তার ইবাদতের অহংকার ছিল। নিচ তলায় তার গুণাহগার ভাই থাকত। একদিন সে গুণাহগার ভাইয়ের ইচ্ছা হলঃ আপন ভাইয়ের হাতে তাওবা করবে। এদিকে ঐ ইবাদতগুযার ভাইয়ের ইচ্ছা হল যেভাবে নিচে আমার গুণাহগার ভাই গুণাহের স্বাদ আস্বাদন করছে আমিও কিছু স্বাদ গ্রহণ করি। নিচের তলার ভাই উপর তলার উদ্দেশ্যে আর উপর তলার ভাই নিচের তলার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করল। কিন্তু হঠাৎ করে সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে উভয়ে মৃত্যুবরণ করল। আপনারাই বলুন উভয়ের পরিণাম কেমন হল? ফয়সালা করুন। মাজালিসে আবরার মালফূয ৩৬৫ পৃষ্ঠা ২৩৫ http://t.me/pathofisla

জিলহজ মাসের প্রথম দশকের ইবাদাতের ফজিলত হযরত আবু হুরাইরা রাঃ থেকে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, "জিলহজের (প্রথম) দশ দিনের ইবাদাতের মর্যাদা আল্লাহ্‌র নিকট (এত অধিক যে)- প্রত্যেক দিনের রোযা এক বছরের রোযার ন্যায় আর প্রত্যেক রাতের নামায লাইলাতুল কদরের নামাযের সমান। -তিরমিযী শরীফ, হাঃ নংঃ ৭৫৮; সুনানে বাইহাকী কুবরা, হাঃ নংঃ ৩৭৫৭; কানযুল উম্মাল ফি সুনানিল আকওয়াল ওয়াল আফআল, হাঃ নংঃ ১২০৮৮ http://t.me/pathofisla

মাথা কেন? হযরত মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ বলেন, আল্লাহ মাথা কেন দিয়েছেন? শুধু বহন করার জন্য? নাহ! বরং একটু চিন্তা করার জন্য দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত শেয়ার যে জুয়া তা মাথা খাটালেই বুঝে আসে। এমন অনেক গুনাহ আছে যা মাথা খাটালেই বুঝে আসে যে এগুলো গুনাহ। এর জন্য মুফতী মাওলানা হতে হয় না। https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi http://t.me/pathofisla